adimage

২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
বিকাল ০১:৩৪, বুধবার

ওমরাহ পালনে সৌদি আরবে বিশ্বখ্যাত খেলোয়াড় নওমুসলিম সনি বিল

আপডেট  01:45 PM, জানুয়ারী ২১ ২০১৮   Posted in : আন্তর্জাতিক    

ওমরাহপালনেসৌদিআরবেবিশ্বখ্যাতখেলোয়াড়নওমুসলিমসনিবিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২১ জানুয়ারি : ইসলামে ধর্মান্তরিত বিশ্বখ্যাত খেলোয়াড় সনি বিল উইলিয়ামস সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত ঐতিহাসিক মসজিদে নববী পরিদর্শন করেছেন। পরে উমরাহ পালনের জন্য তিনি পবিত্র মক্কা নগরীতে যান।

৩২ বছর বয়সী এই রাগবি ইউনিয়ন তারকা ২০০৯ সালে ইসলামে ধর্মান্তরিত হন। মসজিদে নববী পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে ছিলেন মসজিদের ইমাম কামাল আবু মরিয়ম। মসজিদটি নবী করিম (সা.) এর মসজিদ নামেও পরিচিত।

ইসলামের পবিত্রতম স্থানগুলোর একটি হচ্ছে এই মদিনা শহর এবং এখানেই নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে সমাহিত করা হয়েছে।

সামাজিক মিডিয়াতে পোস্ট করা ফুটেজ দেখা যায়, ধর্মীয় নেতা শেখ কামাল আবু মরিয়মের সঙ্গে উইলিয়ামসও নবীজীর কবরস্থানের পাশে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করছেন।

পরে তিনি তার ইন্সটাগ্রামের পেজে লিখেন, ‘মদিনাতে নবীজীর পবিত্র মসজিদ পরিদর্শন সত্যিকার অর্থেই আশ্চর্য এক অনুভূতি।’

অন্য আরেকটি পোস্টে তিনি বলেন, ‘অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন জ্ঞানের জন্য আজকে শেখদেরকেও আমি আমার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’

ভিডিও’র শিরোনাম অনুযায়ী, উইলিয়ামস খুব শিগগিরই মক্কাতে উমরাহ পালন করবেন। বছরের যেকোনো সময়েই মক্কাতে ওমরাহ পালন করা যায়।

তার এই পোস্টের জবাবে একজন ভক্ত লিখেছেন, ‘মসজিদে আল-নববীতে ডা. শেখ কামাল আবু মরিয়মের সঙ্গে আমাদের প্রিয় রাগবী খেলোয়াড়দের একজন সনি বিল উইলিয়ামস এবং শিগগিরই তিনি উমরাহ পালন করবেন।’

অন্য আরেকজন লিখেন, ‘আল্লাহ তাদের উভয়কে কবুল করুন... আল্লাহর ইচ্ছায় উইলিয়ামস সম্প্রতি ইসলামের দিকে ফিরেছেন।'

‘ক্রস-কোড সুপারস্টার’ খ্যাত এই তারকা সম্প্রতি তার বিশ্বাস সম্পর্কে মেইল অনলাইনকে একটি সাক্ষাৎকার দেন।

সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘আমি একজন গর্বিত মুসলমান। এটা আমাকে সুখ এবং সন্তুষ্টির অনুভূতি দিয়েছে; যেটি আমি সবসময়ই খুঁজেছিলাম। আমি এটাকে একটি দায়িত্ব হিসাবে দেখি।’

তিনি আরো বলেন, ‘মুসলমান হবার আগে আমি টোলনের একটি ফ্ল্যাশ হোমে বাস করতাম এবং বুট জোড়া কোথায় বা এরকম আবর্জনা কিছু নিয়ে চিন্তা করতাম।’

উইলিয়ামস বলেন, ‘তারপর আমি প্রজেক্টের একক বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসরত তিউনিশিয়ার একটি পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। তাদের অনেক না থাকলেও তারা সবসময়ই আমাকে সকালের নাস্তা করাতো এবং কোনো কিছু দিলে তা কখনো ফেরত চাইত না।’

তিনি বলেন, ‘তারা সবসময়ই আমাকে আল্লাহ’র নির্দেশের কথা বলত এবং এটি সত্যিই আমাকে যাদুর মতো আঘাত করেছে।’-মেইল অনলাইন অবলম্বনে

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul