adimage

১৮ Jun ২০১৮
বিকাল ০৭:৩৮, সোমবার

খালেদা জিয়া রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক অপরাধী

আপডেট  07:12 PM, ফেব্রুয়ারী ১৯ ২০১৮   Posted in : রাজনীতি    

খালেদাজিয়ারাষ্ট্রীয়অর্থনৈতিকঅপরাধী

ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি : আর্থিক দুর্নীতি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক গতিকে ব্যাহত এবং এর বাজে প্রভাব সমাজের প্রতিটি স্তরে সংক্রমিত হয়। তাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ পরস্পর যোগসাজশে আত্মসাতের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৬ আসামিই রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের দুর্নীতির মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এমনই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করবেন খালেদা জিয়া। এ ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেছেন, চলতি সপ্তাহেই হাইকোর্টে আপিল করা হবে। অপরদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানিয়েছেন, আপিলের প্রস্তুতি চলছে। আশা করছি মঙ্গলবারই (আজ) আপিল দায়ের করতে পারব।

এর আগে গতকাল বেলা সাড়ে ৪টার দিকে রায়ের অনুলিপি সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়ার কাছে হস্তান্তর করে রায় প্রদানকারী আদালতের পেশকার মো. মোকাররম হোসেন। এদিন দুর্নীতি দমন কমিশনকেও রায়ের অনুলিপি প্রদান করেন আদালত। কমিশনের পক্ষে মোশারফ হোসেন কাজল অনুলিপি গ্রহণ করেন।

অনুলিপি গ্রহণের পর এক প্রশ্নে কাজল বলেন, কমিশন আপিল করবে কিনা এ সম্পর্কে এখনো আমাদের কিছু বলেনি। আমরা রায়ের অনুলিপি এখন কমিশনকে দেব। এরপর তারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন আমরা সেভাবে অগ্রসর হব।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এই মামলার আসামিগণ কর্তৃক পরস্পর যোগসাজশে সরকারি এতিম তহবিলের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩/৮০ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। পরিমাণের দিক থেকে উহার বর্তমান বাজার মূল্য অধিক না হলেও তর্কিত ঘটনার সময়ে ওই টাকার পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। আসামিগণের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া ওই সময়ে এ দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আসামি কাজী সালিমুল হক কামাল সংসদ সদস্য ছিলেন। আসামি কামালউদ্দিন সিদ্দিকী সরকারি কর্মচারী হয়েও আসামি বেগম খালেদা জিয়াকে সরকারি এতিম তহবিলের ব্যাংক হিসাব খুলতে সহায়তা এবং পরবর্তী সময়ে ওই হিসাব থেকে ২টি প্রাইভেট ট্রাস্টের অনুকূলে সরকারি অর্থের চেক বেআইনিভাবে প্রদান করায় বর্ণিত ২ জন আসামি অপরাধ করতে সহায়তার শামিল। আসামি তারেক রহমান, মমিনুর রহমান ও শরফুদ্দিন আহমেদ কৌশল অবলম্বন করে সরকারি তহবিলের টাকা একে অপরের সহযোগিতায় আত্মসাৎ করতে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছেন। এর মাধ্যমে এই মামলার ৬ জন আসামির প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে লাভবান হয়েছেন মর্মে অত্র আদালত মনে করেন। আসামিরা রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক অপরাধী হিসেবেও গণ্য হবেন।

দুই ধারার অপরাধ প্রমাণিত হলেও একটি ধারায় দণ্ড প্রদান সম্পর্কে রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে খালেদা জিয়া ও ড. কামালউদ্দিন সিদ্দিকী মিনস রিয়ো (গবহং ৎবড়) নিয়ে সরকারি এতিম তহবিলের টাকা দুই ভাগে ভাগ করে দুটি ট্রাস্টের অনুকূলে হস্তান্তর করেন, যার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট অন্যতম। ওই ট্রাস্টে ১৯৯৩ সালের ১৩ নভেম্বর ২ কোটি ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা স্থানান্তরের পর ওই বছরের ১৫ নভেম্বর সেখানে জমা হয়। আসামি তারেক রহমান ও মমিনুর রহমান ট্রাস্টের নামীয় এসটিডি ৭ নং হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন করে প্রথমে ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকায় ২ দশমিক ৭৯ একর জমি কেনেন। অবশিষ্ট টাকা প্রাইম ব্যাংকের গুলশান শাখায় স্থানান্তর করেন। তৎপরবর্তী সময়ে কাজী সালিমুল হক কামাল ও গিয়াসউদ্দিনের হাত হয়ে আসামি শরফুদ্দিনের হাতে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬শ ৪৩ টাকা ৮০ পয়সা চলে যায় এবং তা আত্মসাৎ করা হয়। এগুলো সবই আসামিদের মিনস রিয়ো ইঙ্গিত করে। ফলে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (১) ধারায় বর্ণিত ক্রিমিনাল মিসকনডাক্টের উপাদান যেমন এই মামলায় উপস্থিত আছে, ঠিক তেমনই আসামিদের মিনস রিয়োসহ রংফুল গেইনের উদ্দেশ্য বর্ণিত পরিমাণ টাকা বিভিন্ন পন্থায় রূপান্তর করে আত্মসাৎ করেছেন মর্মেও আদালত মনে করেন। খালেদা জিয়া এ মামলায় আত্মপক্ষ শুনানিতে বক্তব্য প্রদানের সময় নিজ জবানিতে স্বীকার করেছেন, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। ফলে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় তাকে শাস্তি দিতে কোনো বাধা নেই। আদালত মনে করেন, আসামিরা একে অপরের সহায়তায় যেভাবে টাকা আত্মসাৎ করেছেন তার একটি প্রিসামটিভ ভেল্যু রয়েছে এবং যা এই মামলা নিষ্পত্তির জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

আরও বলা হয়, আসামিদের মধ্যে একজন ব্যতীত অপর সবাই সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে সরকারি এতিম তহবিলের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা আত্মসাৎ করেন। দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার বিধান পর্যালোচনা করলে লক্ষ করা যায় যে, ওই ধারায় সংঘটিত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা যে কোনো বর্ণনার কারাদণ্ড যার মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হওয়ার বিষয়েও বিধান রয়েছে। প্রসিকিউশনপক্ষ থেকে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্বারা আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় আসামি খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, মমিনুর রহমান, কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে কাজী কামাল এবং ড. কামালউদ্দিন সিদ্দিকী উভয় আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য। তবে ১৮৯৭ সালের জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার বিধান বিবেচনায় গ্রহণ করে পূর্বে বর্ণিত ৫ আসামিকে যে কোনো একটি আইনে দণ্ডিত করে আদেশ প্রচার করা বিধেয় হবে বলে আদালত মনে করেন।

সকল আসামি সরকারি কর্মচারী এবং মার্চেন্ট কীভাবে হলো এ সম্পর্কে রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার বিধান পর্যালোচনায় লক্ষ্যে করা যায়, এই ধারায় কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করতে হলে তাকে সরকারি কর্মচারী, ব্যাংকার, মার্চেন্ট বা এজেন্ট হতে হবে। পূর্বেই লক্ষ করা গেছে, এই মামলায় আসামি খালেদা জিয়া এবং কাজী সালিমুল হক ওরফে কাজী কামাল ঘটনার সময় জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন। জাতীয় সংসদ সদস্য বিদ্যমান আইন অনুসারে সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য হন। আলোচনা ইহা লক্ষ করা গেছে, আসামি তারেক রহমান এবং মমিনুর রহমান প্রাইভেট ট্রাস্ট এবং ট্রাস্টি হলেও বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট, আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুসারে ট্রাস্টিগণ সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিবেচিত হন। আসামি শরফুদ্দিন আহমেদ মার্চেন্ট বা এজেন্ট হিসেবে গণ্য হন। ফলে তাদের সকলের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে বলে এই আদালত মনে করেন। সরকারি এতিম তহবিলে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬শ ৪৩ টাকা ৮০ পয়সা আত্মসাতে আসামিদের একে অপরের সহায়তা করায় দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারার বিধান মোতাবেক সকলে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য মর্মে এই আদালত মনে করেন। আসামি শরফুদ্দিন আহমেদ ব্যতীত সকল আসামি সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় প্রয়োগযোগ্য বলেও এই আদালত মনে করেন। আসামি শরফুদ্দিন আহমেদের ক্ষেত্রে ওই আইনের ৫ (২) ধারা প্রয়োগযোগ্য না হলেও দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে। ফলে এই আসামি ছাড়া অপর আসামিদের ক্ষেত্রে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ৫ (১) ধারায় বর্ণিত সকল শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে বলে এই আদালত মনে করেন। যুক্তিতর্ক শুনানির সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী মওদুদ আহমদ বর্ণনা করেন, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (১) ধারায় বর্ণিত ৫টি শর্ত ওই আসামির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে তিনি তার আলোচনার এক পর্যায়ে বলেছেন, তর্কের খাতিরে হলেও ওই আইনের ৫ (১) (ডি) ধারায় বিধান প্রয়োগ করতে চাইল উহার শর্তাবলি প্রসিকিউশন পক্ষের আসামি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞ কৌঁসুলি উক্ত বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলা যায়। কেননা উক্ত ধারায় আইনের ৫ (১) (ডি) ধারায় বিধান এই মামলায় প্রয়োগ করা যায়।

রায়ে ৫ ও ১০ বছর দণ্ড প্রদানের বিষয়ে বলা হয়, দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা যে কোনো বর্ণনার কারাদণ্ড যার মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। আসামিগণ একে অপরের সহযোগিতায় অর্থনৈতিক অপরাধ করেছেন এবং সে কারণে তাদের সর্বোচ্চ সাজা দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা প্রয়োজন। তবে আসামিদের বয়স ও সামাজিক অবস্থা এবং আত্মসাৎকৃত টাকার পরিমাণ বিবেচনায় গ্রহণ করে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা সমীচীন হবে না মর্মে অত্র আদালত মনে করেন। আসামিদের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া এদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন। তা ছাড়া তিনি একটি রাজনৈতিক দলের কর্ণধার। তিনি একজন বয়স্ক মহিলা। ফলে তার শরীরিক অবস্থা, বয়স এবং সামাজিক পরিচয় বিবেচনা করে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারায় তার ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা সমীচীন বলে মনে হয়। বাকি ৫ আসামিকে তাদের বয়স ও সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা উচিত মর্মে এই আদালত মনে করেন। দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় আসামিকে শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে সশ্রম বা বিনাশ্রম দণ্ড স্পষ্ট উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু দণ্ডের কথা উল্লেখ আছে। এমতাবস্থা আইনের ব্যাখার সূত্র অনুসারে সকল আসামিকে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাদের জরিমানা দণ্ডেও দণ্ডিত করা প্রয়োজন। তবে যে টাকা আত্মসাৎ করেছেন তা জরিমানা দণ্ড হিসেবে বিবেচিত হবে।

রায়ের আদেশে সব আসামির দণ্ডের পাশাপাশি ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩/৮০ টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি উক্ত অর্থ রাষ্ট্রের অনুকূ’লে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা ৬০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রর অনুকূলে আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামীয় সোনালী ব্যাংক, গুলশান নিউ সার্কেল শাখায় রক্ষিত এসটিডি-৭ নং হিসাবে জমাকৃত সাকল্য টাকা রাষ্ট্রের অনুকূ’লে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে অনুলিপি বিভাগ তা পাওয়ার পর অনুলিপি তৈরির কাজ শুরু করেন। তারা কম্পোজকৃত রায়টি অনুলিপির ফরমেটে এনে মূল রায়ের সঙ্গে তুলনা শুরু করেছেন, যা এদিন অর্ধেক সম্পন্ন করতে পেরেছে বলে আদালত সূত্র জানায়।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদারসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী বৃহস্পতিবার রায়ের অনুলিপি নিতে রায় প্রদানকারী আদালতে বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বসে ছিলেন। কিন্তু সাড়ে ৫টার সময় ওই আদালত থেকে জানানো হয় কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এদিন রায়ের অনুলিপি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এর আগে বুধবার এ আইনজীবীকে বৃহস্পতিবার ৪টার মধ্যে অনুলিপি দিতে পারবেন বলে নিশ্চিত করেছিল।

এর আগে জিয়ার অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের দুর্নীতি মামলায় ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড প্রদান করে কারাগারে পাঠানো হয়। রায় ঘোষণার পর ওইদিনই খালেদা জিয়ার পক্ষে রায়ের অনুলিপি চেয়ে আবেদন করা হয়। এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুলিপির জন্য ৩ হাজার পৃষ্ঠা কোর্টফলিও স্ট্যাম্প আদালতে দাখিল করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর গত রবিবার ওই আদালতের রায়ের অনুলিপি না পাওয়ার বিষয়ে বিচারককে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা অবহিত করলে বিচারক সোমবার দেবে বলে জানান। সে অনুযায়ী সোমবার রায়ের অনুলিপি দিলেন আদালত। -আমাদের সময়

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul