adimage

২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
সকাল ১২:১৩, মঙ্গলবার

নারায়ণগঞ্জে হকারদের সঙ্গে মেয়রপন্থিদের সংঘর্ষ-গুলি, আহত অর্ধশত

আপডেট  07:49 PM, জানুয়ারী ১৬ ২০১৮   Posted in : রাজনীতি ঢাকা    

নারায়ণগঞ্জেহকারদেরসঙ্গেমেয়রপন্থিদেরসংঘর্ষ-গুলি,আহতঅর্ধশত

নারায়ণগঞ্জ, ১৭ জানুয়ারি : নারায়ণগঞ্জে চলমান হকার উচ্ছেদ ইস্যুকে কেন্দ্র সিটি করপোরেশনের মেয়রপন্থিদের সঙ্গে হকারদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষ একে অপরের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং লাঠি সোটা নিয়ে হামলা চালায়। সংঘর্ষের কারণে নারায়ণগঞ্জ নগরের প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু সড়কের চাষাঢ়া থেকে গলাচিপা এলাকা পর্যন্ত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সংঘর্ষে সাংবাদিক, পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। আহতদের নারায়ণগঞ্জ তিনশ' ও দেড়শ' শয্যা হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের কেউ কেউ গুলিবিদ্ধ বলে দাবি করা হয়েছে উভয়পক্ষ থেকে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সন্ধ্যার পর নারায়ণগঞ্জ নগরে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ঘটনার জন্য সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে দায়ী করে ঘটনা সামলাতে ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে এই ঘটনাকে নারায়ণগঞ্জবাসীর ওপর হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ঘটনাটি তিনি প্রধানমন্ত্রীকেও জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

মেয়র আইভীর বক্তব্যের প্রতি উত্তরে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি মানবিক দিক বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হকারদের ফুটপাতে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে বসতে দিতে অনুরোধ করেছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ নগরীতে হকার ইস্যুতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই টানটান উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। এর আগে সোমবার বিকেলে মানবিক দিক বিবেচনায় মঙ্গলবার বিকেল থেকে ফুটপাতে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে হকারদের বসতে নির্দেশ দেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। শামীম ওসমানের ওই ঘোষণার পর থেকে মেয়রপন্থিরা হকারদের ফুটপাতে না বসতে দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনের সামনে সমবেত হয়। মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৪টায় নগর ভবন থেকে হেঁটে মেয়র আইভী ফুটপাত দিয়ে ৩/৪শ' নেতাকর্মীসহ চাষাঢ়া এলাকার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। এর আগে থেকেই নগরের চাষাঢ়াস্থ শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় কয়েক হাজার হকার জড়ো হয়।

বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মেয়র আইভী বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর, বিএনপি ও তার কিছু অনুগত নেতাকর্মী ঠিকাদার ও সিটি করপোরেশনের কর্মীসহ ৪/৫ শ' লোক নিয়ে চাষাঢ়ার অদূরে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে পৌঁছান। ওই সময় মেয়রপন্থি লোকজন ফুটপাতে হকারদের কিছু চৌকি ভাংচুর করলে হকাররাও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এ অবস্থাতেই মেয়র তার লোকজন নিয়ে প্রেসক্লাবের অদূরে সায়াম প্লাজার সামনে পৌঁছান। ওই সময় মেয়রের বহরের পেছনে থাকা কয়েকজন পুলিশ দ্রুত সামনে এসে মেয়রকে আর সামনে না এগোতে অনুরোধ করেন। ওই সময় জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য মনোনীত সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান মেয়রকে টেনে নিয়ে সামনের দিকে এগোতে থাকেন। এ অবস্থায় মেয়রের ভাগ্নে মহানগর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মিনহাজুল কাদির মিমনের নেতৃত্বে কিছু যুবক নগরের প্যানোরমা প্লাজার সামনে গিয়ে হকারদের চৌকি ভাংচুর করতে থাকে। হকাররাও ওই সময় প্রতিরোধ গড়ে তোলে। আর তখনই মূলত উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

সংঘর্ষের প্রথম পর্যায়ে উভয়পক্ষই একে অপরের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় লাঠি সোটা নিয়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এক পর্যায়ে হকারদের আধিক্যের কারণে মেয়রপন্থিরা পিছু হটলেও অনঢ় থাকেন মেয়র। যেখানে সংঘর্ষের সূত্রপাত সেই সায়াম প্লাজা মার্কেটের সামনেই কিছু অনুসারী নিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন মেয়র আইভী। ওই সময় হকারদের ছোড়া বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল মেয়রপন্থিদের ওপর হামলে পড়ে। মেয়রের চারপাশে থাকা তার নেতাকর্মী ও দেহরক্ষী মানবঢাল তৈরি করে তাকে রক্ষা করেন। তখনও উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠি সোটা নিয়ে মারামারি অব্যাহত থাকে।

সংঘর্ষ চলাকালে হঠাৎ করে উভয়পক্ষ থেকেই গুলির শব্দ শোনা যায়। তবে মেয়রপন্থিরা হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। এভাবে ১৫ মিনিট সংঘর্ষ চলার পর পুলিশ প্রথমে হকারদের দিকে শটগানের গুলি ও টিয়ার গ্যাস ছোড়ে। পরে মেয়রপন্থিদের প্রতিও একইভাবে শটগানের গুলি ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করা হয়।

পুলিশের টিয়ার শেল ও গুলিতেও অবিচল ছিলেন মেয়র আইভী। তিনি তার স্থান থেকে এক চুলও নড়েননি। পরে টিয়ার শেলের ঝাঁঝালো গন্ধে মেয়রকে তার অনুসারীরা নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে নিয়ে আসেন।

মেয়রের দেহরক্ষী কনস্টেবল শফিক বলেন, তিনি আত্মরক্ষার্থে তার পিস্তল থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী অনেকে আওয়ামী লীগ নেতা আবু সুফিয়ানকেও তার লাইসেন্স করা পিস্তল থেকে গুলি ছুড়তে দেখেছেন।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবদুল কাদির, শহীদুল্লাহ, আবু সফিয়ান, শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র আইভীর ছোট ভাই আহম্মেদ আলী রেজা উজ্জ্বল, মেয়রের দেহরক্ষী শফিক, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজ, মাহাবুব হোসেন টিটু, নাহিদ, নাছির, সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের পরিদর্শক হিরণের নাম জানা গেছে।

নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আসাদ্দুজ্জামান জানান, আহত অন্তত ৩০ জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচ-ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার মো. সরোয়ার বলেন, চারজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তারা হলেন— শরীফ উদ্দিন সবুজ, রাশেদুল, পলাশ, জুয়েল।

এদিকে ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে এসে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, 'আজ আমি কাদের জন্য রাস্তায় নেমেছি, নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য রাস্তায় নেমেছিলাম। আমি ফুটপাত দিয়ে হেঁটে এসেছি। হকাররা হকার্স মার্কেটে থাকবে। আমি পায়ে হেঁটে সায়াম প্লাজার সামনে আসা মাত্র আমার ওপর হামলা হয়েছে। বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল ও গুলি ছোড়া হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেকের একটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, হকারদের জন্য নির্দিষ্টস্থানে মার্কেট হবে। এজন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও সরকারের কাছে বরাদ্দ চেয়েছে।'

মেয়র বলেন, ২০০৮ সালে তৎকালীন পৌরসভা, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে ৬০০ হকারকে পুনর্বাসন করা হয়েছিল। হঠাৎ করেই গত দুই বছর যাবৎ নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাতে হকাররা ছেয়ে গেছে।

মেয়র অভিযোগ করেন, 'শামীম ওসমান রাইফেল ক্লাবে বসে আজকের এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। এই হামলা আমার ওপর নয় বরং নারায়ণগঞ্জবাসীর ওপর হয়েছে। হকারদের পুনর্বাসনের জন্য জেলা প্রশাসন কাজ করছিল। হকারদের পরিচয়পত্র সংগ্রহ করা হচ্ছিল।'

তিনি বলেন, 'আজকের এই ঘটনা পরিকল্পিত। কারণ মঙ্গলবার সকাল থেকেই শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমান শহরে বেশ কয়েকবার ঘুরে বেড়িয়েছে।'

জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কঠোর সমালোচনা করে আইভী বলেন, 'তারা সেলিম ওসমান উইজডম অ্যাটায়ার্সে গিয়ে বৈঠক করে। অথচ সিটি করপোরেশনের কোনো সভায় তাদের আনা যায় না। তারা প্রজাতন্ত্রের নয় বরং ওসমান পরিবারের তাবেদার। আমি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রত্যাহার দাবি করছি।'

সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে মেয়র বলেন, 'তারা মালয়েশিয়া-দুবাইয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করছে। তারা কি পারে না হকারদের জন্য ২/৪টি মার্কেট তৈরি করে দিতে?'

আইভী আরও বলেন, 'নারায়ণগঞ্জে ত্বকীকে মেরেছে শামীম ওসমান ও আজমেরী ওসমান। তারা চঞ্চল, মিঠু, আশিককেও হত্যা করেছে। প্রশাসনের সহায়তায় তারা নারায়ণগঞ্জের মানুষের ওপর হামলা করেছে। এই শামীম ওসমান প্রতিবছর মানুষ না খুন করলে তার মাথা গরম হয়ে যায়। সে আমাকে মারতে চায়। কিন্তু আজ কেন আমার লোকজন আমাকে চাষাঢ়া যাওয়া থেকে আটকালো আমি বুঝতে পারছি না। আমি হেঁটে রাইফেল ক্লাবে গিয়ে শামীম ওসমানের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম।'

তিনি বলেন, 'আজকের ঘটনার জন্য শামীম ওসমানকে জবাব দিতে হবে। আমি নারায়ণগঞ্জের মানুষের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবো।'

আইভী সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানেরও সমালোচনা করেন। সেলিম ওসমান সর্ম্পকে তিনি বলেন, 'তিনি [সেলিম ওসমান] মুখে বলেন এক, করেন আরেক।'

মেয়র বলেন, 'আমি নারায়ণগঞ্জ অশান্ত করতে চাই না। নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন শামীম ওসমানের নির্দেশই পালন করেছে।'

এদিকে মেয়র আইভীর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেন, 'আমি মানবিক দিক বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফুটপাতে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে হকারদের বসতে দিতে অনুরোধ রেখেছিলাম। হকাররা গত ২৫ দিন না খেয়ে আছে। তারা তো মানুষ। তারাই ঠিক করবে— তারা ফুটপাতে বসবে কি বসবে না। এখন হকাররা আক্রান্ত হয়েছে, তারা প্রতিরোধ করেছে। এখানে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নাই।'

শামীম ওসমান দাবি করেন, 'পুলিশ মেয়রের পক্ষ নিয়ে হকারদের ওপর নির্বিচারে গুলি ছুড়েছে। অনেক হকার গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আইভীর ঘনিষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতা ও ঠিকাদার সুফিয়ানও তার লাইসেন্সকৃত পিস্তল দিয়ে হকারদের ওপর গুলি ছুড়েছে।'

তিনি বলেন, 'আমি আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে হকারদের ফুটপাতে বসতে দেওয়ার অনুরোধ রেখেছিলাম। আমার ভাই সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান নিজে মেয়রকে এ ব্যাপারে চিঠি লিখে বিকেল ৫টা থেকে হকারদের বসতে দিতে অনুরোধ রেখেছিল। কিন্তু মেয়র একজন সংসদ সদস্যর চিঠির উত্তর দিয়েছে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে। কিন্তু গত সোমবার যখন কয়েক হাজার হকার ও তাদের পরিবারের সদস্য আমার কাছে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লো তখন একজন মানুষ হিসেবে আমি আর ঠিক থাকতে পারিনি। তাই আমি মানবিক দিক বিবেচনায় মঙ্গলবার বিকেল থেকে ফুটপাতে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে হকারদের বসতে দিতে অনুরোধ রেখেছিলাম। সেই সঙ্গে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হকারদের পুনর্বাসনের জন্য সবপক্ষকে এক হয়ে কাজ করতে অনুরোধ করেছিলাম, যাতে হকাররা ওই সময়ের মধ্যে তাদের পণ্যগুলো বিক্রি করে পুঁজি উঠিয়ে নিতে পারে। কারণ আমাদের দেশে শীত, ঈদ ও পূজায় ফুটপাতগুলোতে বেচা বিক্রি বেশি হয়।'

শামীম ওসমান বলেন, 'আইভী বলেছে, সে নাকি নারায়ণগঞ্জবাসীকে নিয়ে ফুটপাতে হাঁটতে বেরিয়েছিল। তাহলে তো তার সঙ্গে কয়েক লাখ লোক থাকতো। ৩/৪ শ' লোক থাকতো না।'

মেয়র আইভীর মতো আপনিও জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের অপসারণ চাইবেন কি-না জানতে চাইলে শামীম ওসমান বলেন, 'আমি তো পাগল নই। একজন সংসদ সদস্য। আমি এ বিষয়টি যেখানে বলার সেখানেই বলবো। আর হকাররা এখন কী করবে তা হকারদের বিষয়। তারাই ঠিক করবে তারা ফুটপাতে বসবে নাকি বসবে না।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যা যা করণীয় পুলিশ করবে। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করা হবে।

পুলিশ সুপার বলেন, 'মেয়র আইভী আমাদের জানিয়েছিলেন— তিনি নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে হকার ইস্যুতে একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন। তার চাষাঢ়ার দিকে যাওয়ার কথা ছিল না।'

সংঘর্ষে পুলিশেরও ৭/৮ জন সদস্য আহত হয়েছেন দাবি করে পুলিশ সুপার এর বেশি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। সূত্র: সমকাল

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul