adimage

১৮ অগাস্ট ২০১৮
বিকাল ০২:২২, শনিবার

খালেদা জিয়ার রায় সামনে রেখে প্রস্তুত কারা কর্তৃপক্ষ

আপডেট  01:47 AM, ফেব্রুয়ারী ০৬ ২০১৮   Posted in : রাজনীতি    

খালেদাজিয়াররায়সামনেরেখেপ্রস্তুতকারাকর্তৃপক্ষ

ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায় ঘিরে যাতে কোনো নাশকতা হতে না পারে সে জন্য সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতের রায়ে বিএনপি নেত্রীর সাজা হলে তাকে কোথায় রাখা হবে- সে প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কারাগারগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

রায়ে সাজা হলে খালেদা জিয়াকে কোথায় রাখা হবে, গতকাল সোমবার পর্যন্ত সে সিদ্ধান্ত না হলেও কারা কর্তৃপক্ষ নিজেদের প্রস্তুতিটা এগিয়ে রাখছে। এরই মধ্যে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দীন রোডের পুরনো কারাগারের নারী সেলে ঘষামাজার কাজ শুরু হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে কাশিমপুরের মহিলা কারাগারের একটি ভিআইপি সেলও। আদালত খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিলে ভিআইপি বন্দি হিসেবে তার জন্য একাধিক বাড়িকে সাব-জেল ঘোষণার বিকল্প চিন্তাও রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষের। কারা সূত্রে এসব তথ্য মিলেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল  গতকাল এ প্রতিবেদককে বলেন, খালেদা জিয়ার বিষয়ে আদালত যে রায় দেবেন, যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, সরকার সেভাবে কাজ করবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সবকিছু হবে। সে ধরনের সব প্রস্তুতিই রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রায় ঘিরে কেউ যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা করতে না পারে, সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। কাউকেই কোনো বিশৃঙ্খলা করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

কারা অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের মামলার রায় কী হবে- সেটা আদালতের বিষয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী সবকিছু করা হবে।

সে আদেশ পালনে কারা কর্তৃপক্ষ সব সময়ই প্রস্তুত থাকে। এর আগেও বিভিন্ন স্পর্শকাতর ও বড় মামলার রায়ে কারা কর্তৃপক্ষ এমন প্রস্তুতি নিয়েছিল।

কারা সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নারী বন্দিদের রাখার ব্যবস্থা নেই। এ জন্যই গত দু'দিন ধরে পুরনো কারাগারের নারী সেলের নিচতলা ও দোতলায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। ছয়জন শ্রমিক সেখানে কাজ করছেন। ওই সেলের মেঝেতে এতদিন টাইলস না থাকলেও সেখানে এখন টাইলস বসানো হচ্ছে। নতুন করে বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়া হয়েছে। দুটি ফ্যানও লাগানো হয়েছে। একজন জেল সুপারের উপস্থিতিতে ঘষামাজার কাজ চলছে।

গতকাল পুরনো কারাগার এলাকায় গিয়ে আগের চেয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি চোখে পড়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, পুরনো কারাগার থেকে সব আসামিকে কেরানীগঞ্জের কারাগারে নেওয়ার পর সেখানে তেমন নিরাপত্তার কঠোরতা ছিল না। গত দু'দিন ধরে আবার কারাগারের সামনে নিরাপত্তায় কড়াকড়ি দেখা যাচ্ছে।

কারা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পুরনো কারাগারের নারী সেলের ভেতর একজন নারী ডেপুটি জেলার এবং কারা অফিসে একজন ডেপুটি জেলারকে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি কারা গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে। পুরনো কারাগারের বন্দিদের কেরানীগঞ্জে নেওয়ার পর সেখানে নিরাপত্তায় ঢিলেঢালা থাকলেও নতুন করে অতিরিক্ত কারারক্ষী দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় আগের মতো তাদের মোবাইল ফোনও জমা রাখতে হচ্ছে। -সমকাল

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul