adimage

১৮ Jul ২০১৯
সকাল ০৬:৩০, বৃহস্পতিবার

যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আন্দোলনের মুখে শিক্ষক আক্কাছ আলী সাময়িক বহিষ্কার

আপডেট  12:35 AM, এপ্রিল ০৮ ২০১৯   Posted in : শিক্ষাঙ্গন    

যৌননিপীড়নেরঅভিযোগেআন্দোলনেরমুখেশিক্ষকআক্কাছআলীসাময়িকবহিষ্কার

মাইনউদ্দিন পরান,বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি, ৮ এপ্রিল : গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আক্কাছ আলীর বিরুদ্ধে  যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠায় ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যহতি প্রদান করে। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তদন্তের জন্য বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আব্দুর রহিমকে প্রধান করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা। গঠিত তদন্ত  কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের রিপোর্ট করতে বলা হয় এবং রিপোর্ট অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

 রবিবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০ টা থেকে ওই শিক্ষকের বহিষ্কারের দাবিসহ পাঁচদফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদশর্ন শুরু করে।এসময়ে তারা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে এবং তার কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি করতে থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে  বিশ্ববিদ্যালয়ের  রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড.মো.নূরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। এছাড়াও এ অফিস আদেশে  বলা হয়েছে ভুক্তভোগী ছাত্রীদের কে কোনোভাবে যেন হয়রানি করা নাহ হয় তার নিশ্চয়তা প্রদান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক কোন ছাত্রীকে কার্যদিবস এবং অফিস সময় ব্যাতীত অন্য সময়ে অফিস ছাড়া অন্য কোথাও ডাকতে পারবে না এবং কোন শিক্ষার্থীকে কোন শিক্ষক প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার হুমকি দিতে পারবে না এরুপ প্রমাণিত হলে শাস্তির ব্যাবস্থা করা হবে।

এবিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান তারা আক্কাছ আলীর আজীবন বহিষ্কার চান এবং প্রশাসন যে সময় চেয়েছে তা আগমীকাল তারা সবাই বসে সিদ্ধান্ত নিবে আন্দোলন স্থগিত করা হবে কিনা।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইঞ্জিনিয়ার মো. আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে দুই ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন গত ডিসেম্বর মাসে। তারা এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু, তদন্তের নামে কালক্ষেপণ করা হয় বলে দুই ছাত্রী অভিযোগ করেন। সম্প্রতি যৌন নির্যাতনের শিকার ওই দুই শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরলে আলোচনায় আসে।

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul