Print Paper - www.news69bd.com - Publish Date : 16 September 2019

ট্রাম্পকে উত্তর কোরিয়ায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কিম

ট্রাম্পকে উত্তর কোরিয়ায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১৬ সেপ্টেম্বর : পিয়ংইয়ং সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিঠি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। গত মাসে এই আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল বলে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে আজ সোমবার জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদপত্র।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দফায় দফার স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণবিষয়ক বৈঠক আপাতত বন্ধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্টকে চিঠি পাঠালেন উত্তর কোরিয়ার নেতা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জুনগ্যাং ইলবো সংবাদপত্র এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে ট্রাম্পকে পাঠানো ওই দ্বিতীয় চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন কিম জং উন।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা জাতিসংঘে উত্তর কোরিয়ার মিশন।

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও পরমাণু কার্যক্রমজনিত সংকট বিষয়ে আলোচনা করতে গত বছরের জুন থেকে এ পর্যন্ত তিনবার বৈঠকে বসেছেন ট্রাম্প ও কিম। কিন্তু এসব আলোচনায় কোনো উল্লেখযোগ্য ফলাফল আসেনি।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভিয়েতনামে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠক ব্যর্থ হয়। এর পর জুন মাসে দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী একটি ডিমিলিটারাইসড (অসামরিক) অঞ্চলে সর্বশেষ সাক্ষাৎ করেন ট্রাম্প ও কিম। সে সময় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও পরমাণু কার্যক্রম নিয়ে কার্যকর সমঝোতায় আসার বিষয়ে সম্মত হন দুই নেতা।

গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী চোয়ে সন হুই জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলতি মাসের শেষ নাগাদ গঠনমূলক আলোচনায় বসতে আগ্রহী উত্তর কোরিয়া। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দুটি স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে দেশটি।

ট্রাম্প অবশ্য আগেই জানিয়েছিলেন, এ বছরের কোনো এক সময় কিমের সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী তিনি।

গত ৯ আগস্ট ট্রাম্প জানান, কিমের কাছ থেকে তিন পাতার একটি ‘খুবই সুন্দর চিঠি’ পেয়েছেন তিনি। তখনই ট্রাম্প বলেছিলেন, কিমের সঙ্গে তিনি আবারও দেখা করতে পারেন।