২৪ এপ্রিল ২০১৭
ভোর ৫:৪১, সোমবার

টি-২০ র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩৬ তম স্থানে মাশরাফি

টি-২০ র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩৬ তম স্থানে মাশরাফি 

স্পোর্টস ডেস্ক, ৯ এপ্রিল : শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ শেষে টি-২০ ফরম্যাট থেকে অবসর নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। অবসর যাওয়ার পর টি-২০ র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি ঘটেছে ম্যাশের। তাই ৩৬তমস্থানে থেকেই ক্যারিয়ার শেষ করলেন মাশরাফি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচ শেষে র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪১তম স্থানে উঠে আসেন মাশরাফি। ওই ম্যাচে ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি।

এরপর সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে ৪ ওভারে ৩০ রানে ১ উইকেট শিকার করেন মাশরাফি। ওই ম্যাচটিই ছিলো মাশরাফির টি-২০ ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

অবসরের পর প্রকাশিত আইসিসির সর্বশেষ টি-২০ র‌্যাঙ্কিংয়ে বোলারদের তালিকায় ৩৬তম স্থানে উঠে এলেন মাশরাফি। তার রেটিং পয়েন্ট ৫৩৪। ক্যারিয়ারে মাশরাফির সর্বোচ্চ রেটিং ছিল ৫৪৫। ২০১৬ সালে সর্বশেষ টি-২০ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডে ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রেটিং অর্জন করেছিলেন ম্যাশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

স্যার ভিভ রিচার্ডসের পছন্দ কোহলি 

স্পোর্টস ডেস্ক, ৪ক্রিকেট জগতে ব্যাটসম্যান হিসেবে বেশ ডানপিটে হিসেবেই পরিচিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি স্যার ভিভ রিচার্ডস। বর্তমান সময়ের প্রিয় ক্রিকেটার বেছে নিতে হলে স্বভাবতই নিজের মতো সাহসী কাউকে বেছে নিবেন তিনি এটাই স্বাভাবিক। আর সেই প্রতিযোগিতায় ভিভ রিচার্ডস বেছে নিয়েছেন বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিকে।

বুধবার এক সাক্ষাৎকারে স্যার ভিভ রিচার্ডস বলেছেন, ‘বর্তমান সময়ে কে সেরা ক্রিকেটার এই বিষয়ে আমি তর্কে যাব না, কারণ বিরাট কোহলি আমার প্রিয় ক্রিকেটার। আমি তার প্রতিযোগিতাপূর্ণ মানসিকতা পছন্দ করি। ভালো কিছু করার তাগিদ সে সবসময় অনুভব করে। ’

খেলোয়াড়ি জীবনে ব্যাটসম্যান হিসেবে বেশ সাহসী ছিলেন স্যার ভিভ রিচার্ডস। মাথায় হেলমেট না পরেই ব্যাটিং করতে আসতেন উইকেটে। চুইংগাম চিবুতে চিবুতে প্রতিপক্ষের বোলারদের উপর অবলীলায় ছড়ি ঘুরাতেন। এমন সাহসী ব্যাটসম্যানের পছন্দের খেলোয়াড় বিরাট কোহলির মতো কেউই হবে যা সহজেই অনুমান করা যায়।
উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নবম আসরে দিল্লী ডেয়ারডেভিলসের পরামর্শক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন স্যার ভিভ। বুধবার মাঠে গড়িয়েছে আইপিএলের দশম আসর। তাই আবারও ভারতে এসেছেন সে সময়ের টেস্টে দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক। সূত্র: এনডিটিভি

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম গিটার শো 

ঢাকা, ২২ মার্চ : আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম গিটার শো ‘সাউন্ড অফ সাইলেন্স’ আগামী শুক্রবার পরিবেশিত হবে। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এ শোর আয়োজন করা হয়েছে। নিজের ফেইসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ভক্তদের অনুষ্ঠানে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এলআরবি।

আইয়ুব বাচ্চু বলেন, ‘প্রথমবারের মতো গিটার শো নিয়ে আসছি আগামী ২৪ মার্চ (শুক্রবার) বিকাল ৫টায়।

‘সাউন্ড অফ সাইলেন্স’ শিরোনামের এ অনুষ্ঠানটি লাইভ দেখতে পারবেন আপনারা।’ এর আগে গিটার শো নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘কনসার্টে শুধু গানই গাওয়া হয়। গিটার বাজানো হয় খুব কম। তাই গিটার বাজানো ও শোনানোর ক্ষুধাটা থেকে যায়।

সেই চিন্তা থেকেই শুধু গিটার নিয়ে লাইভ কনসার্টের পরিকল্পনাটা করেছিলাম অনেক আগে, সেটির বাস্তবায়ন হচ্ছে এখন। ঢাকা ছাড়াও অন্যান্য বিভাগীয় শহরে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের আরো ৫টি বিভাগে এই শোর আয়োজন করা হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

প্রতিবন্ধি কিশোরী মেয়ে অন্তসত্বা, বিপাকে পরিবার 

আব্দুর রাজ্জাক, নীলফামারী, ১৬ মার্চ : নীলফামারীর ডিমলায় একটি ভিক্ষুক পরিবারের প্রতিবন্ধি কিশোরী অন্ত:সত্বা হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারটি এখন পড়েছে চরম বিপাকে। এ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পূর্নেরঝাড় গ্রামে। সর্বনাশের শিকার মেয়েটি হলেন, নাজমা বেগম (১৬)। সে ওই এলাকার তহমদ্দিনের পুত্র বাকপ্রতিবন্ধি ভিক্ষুক সাহেদ আলী ওরফে নন্দো পাগলার মেয়ে। বয়সের তুলনায় শারীরিক গঠন তেমন না থাকায় সে বর্তমানে কাকিনা চাপানী গ্রামের ২নং মিলন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী।

জানা যায়, মানসিক প্রতিবন্ধী নাজমার সরলতার সুযোগে একই গ্রামের জনৈক এক যুবকের দ্বারা ধর্ষনের শিকার হয়ে সে অন্ত:সত্বা হয়ে পড়ে। বাবা বাক প্রতিবন্ধি, মা শারীরিক প্রতিবন্ধি ও মানসিক প্রতিবন্ধি কিশোরী নাজমা এ কথা কাউকেই বলেনি। কিন্তু দিনের পর দিন শারীরিক গঠনের পরিবর্তন দেখা দিলে তার দাদী আনোয়ারা বেগম চিকিৎসকের শরনাপন্ন হলে চিকিৎসক তাকে ৫ মাসের অন্তসত্তা বলে জানায়। এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে বিপাকে পড়ে প্রতিবন্ধি পরিবারটি। মানসিক প্রতিবন্ধি কিশোরী মেয়ে অন্ত:সত্বা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। আলোচনা সমালোচনার পাশাপাশি প্রতিদিনই ওই পরিবারটির বাড়ীতে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করছে এবং ঘটনার ঘৃনা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীরা সাংবাদিকদের জানান, এর বিচার হওয়া উচিত। দোষী যেই হোক তাকে খুঁজে বের করে তাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এলাকাবাসী আরো জানায়, এখন আর সে ভিক্ষা করতে যায় না। খেয়ে না খেয়ে পড়ে আছে নিজ বাড়ীতে। সারাদিন বাড়ীতে বসে শুধুই অঝরে কাঁদে নন্দো। এখন আর উৎসুক জনতাকে বাড়ীতে ঢুকতে দিচ্ছে না নন্দো। এদিকে মানসিক প্রতিবন্ধি কিশোরী নাজমার মা শুধুই হাঁসে। কাউকে কোন কথা বলছে না। মানসিক বিপর্য়য়ে পড়া পরিবারটির দিন কাটছে শুধুই কান্না দিয়ে। চরম বিপাকে ওই পরিবারের অন্তস্বত্তা কিশোরী মেয়েকে নিয়ে এখন অসহায় দিন কাটাচ্ছে। করেছ। এ ব্যাপারে খালিশা চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সাংবাদিকদেও জানান, ঘটনাটি আমার কানে এসেছে। কিন্তু পরিবারটি প্রতিবন্ধি হওয়ায় মেয়েটি এক সময় এক জনের কথা, আর এক সময় অন্য আর এক জনের কথা বলছে। তাই ঘটনাটি আমার লাগানো লোক দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষী ব্যক্তিকে বের করা না গেলে তো কিছুই করার নাই।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাজধানীতে ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার ২ 

ঢাকা, ২ জানুয়ারি : রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে দুই হাজার ৮৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)

গ্রেপ্তারকৃত দুই জন হলেন হারুন-নুর-রশিদ ও সাদ্দাম হোসেন।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাসুদুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার গভীর রাতে রাজধানীর তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই হাজার ৮৫০বোতল ফেনসিডিলসহ ওই দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এই Video টা দেখে এমন কোন মুসলমান নেই যার চোখের কোনায় পানি আসবে না! (দেখুন ভিডিও) 

capture-41

এই Video টা দেখে এমন কোন মুসলমান নেই যার চোখের কোনায় পানি আসবে না! (দেখুন ভিডিও)

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বউ বেচে কাশেম এখন কোটিপতি – বিয়ে করে বউ বিক্রি করাই তার একমাত্র নেশা এবং পেশা (ভিডিও) 

xvzim5un-copy

বউ বেচে কাশেম এখন কোটিপতি – বিয়ে করে বউ বিক্রি করাই তার একমাত্র নেশা এবং পেশা (ভিডিও)
বউ বেচে কাশেম এখন কোটিপতি – বিয়ে করে বউ বিক্রি করাই তার একমাত্র নেশা এবং পেশা (ভিডিও)
বউ বেচে কাশেম এখন কোটিপতি – বিয়ে করে বউ বিক্রি করাই তার একমাত্র নেশা এবং পেশা (ভিডিও)

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আমি চাইলে রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করতে পারি কিন্তু আল্লাহ্ আমাকে নিষেধ করেছে-দেওয়ান বাগ 

z9uo02rc

আমি চাইলে রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করতে পারি কিন্তু আল্লাহ্ আমাকে নিষেধ করেছে-দেওয়ান বাগ

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

প্রেম ভালবাসা ও মনের মানুষকে কাছে পাওয়ার তদরিব 

r3h97dm6

প্রেম ভালবাসা ও মনের মানুষকে কাছে পাওয়ার তদরিব

আপনি আপনার প্রিয় মনের মানুষকে কাছে পেতে চান?
মনের মানুষের সাথে আপনার দূরত্ব বজায় রয়েছে?
আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা অন্যকাহারো উপর আশক্ত? বা দ্বী-তৃতীয় সম্পর্ক রাখেন?
আপনার কথা শুনে না?
আপনার অবাধ্য হয়ে গেছে?
আপনি ওকে আপনার প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসেন। ওকে আজীবনের জন্য কাছে পেতে চান? আর নয় হতাশা আর নয় ব্যর্থতা। যদি না আপনি বিভিন্ন পদার্থ সমপরিমান দ্বারা তাবিজটি তৈরী না করে সঠিক ভাবে নিয়মাবলি না মেনে ব্যবহার করেন।

এক্ষেত্রে যেমন বিভিন্ন উপদান সংগ্রক্ষণের মাধমে আল্লাহ্ তায়ালার বিশেষ নিয়ামতের মাধ্যমে ভুজুরগানের গনের নির্দেশনা বা এজাজত নিয়ে ব্যবহার করলে অবশ্যই মনের আশা পূরণ হবে (ইনশা আল্লাহ্)। – সংগ্রহ

xjliumgd

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সুচির বিরুদ্ধে হাজার হাজার আবেদন জমা পড়ছে। তার নোবেল কেড়ে নেয়া হতে পারে যে কোনো সময় ভিডিও সহ 

551

সুচির বিরুদ্ধে হাজার হাজার আবেদন জমা পড়ছে। তার নোবেল কেড়ে নেয়া হতে পারে যে কোনো সময় ভিডিও সহ

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিং সূচির নোবেল পুরুস্কার বাতিলে অন লাইনে ভোট চলছে আর মাত্র ১ লাখ ভোট দরকার, আপনিও অংশ নিন 

bksp32xw

অনলাইন ডেস্ক : অং সান সু চি হিটলারের মতোই একজন জঘন্য খুনী নোবেল পুরুস্কার বাতিলে অন লাইনে ভোট চলছে আর মাত্র ১ লাখ ভোট দরকার .আপনিও অংশ নিন।

একজন বর্বর খুনীকে দেয়া শান্তিতে নোবেল পুরস্কার নাকি ফেরত নেয়া যাবে না! পুরস্কার ফেরত নেয়া নাকি উনাদের বিধানে নাই! বলি কি, ফেরত নিতে না পারলেও শান্তি শব্দের আগে একটা ‘অ’ লাগান। পুরস্কারটা অন্তত যৌক্তিক হোক।

অং সান সু চি হিটলারের মতোই একজন জঘন্য খুনী। কোনো অজুহাতই বার্মার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকে জাস্টিফাই করে না।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জলবায়ু চুক্তি প্রত্যাহারের পথ খুঁজছেন ট্রাম্প 

2111

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১৩ নভেম্বর : দ্রুত বৈশ্বিক জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহারের পথ খুঁজছেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স অনলাইন। তবে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বড় পরিসরে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে আন্তর্জাতিক সমর্থন তৈরির পক্ষে কাজ করবেন তিনি।

মরক্কোর মারাকেশে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে আলোচনা চলছে, যা চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত। বৃহৎ অর্থনীতির দেশ চীন থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র মিলে প্রায় ২০০টি দেশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্যারিস চুক্তি ২০১৫ অনুসমর্থন করেছে।

নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘গুজব’ বলে উল্লেখ করেন এবং প্রেসিডেন্ট হলে প্যারিস চুক্তি থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও জলবায়ু নীতিবিষয়ক ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানায়, আগামী চার বছরের জন্য চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই সূত্র আরো জানায়, ‘নির্বাচনের মুহূর্তে মঙ্গলবার প্যারিস চুক্তি কার্যকর হওয়া বেপরোয়া ঘটনা।’ উল্লেখ্য, ৪ নভেম্বর প্যারিস চুক্তি কার্যকর হওয়ার মতো যথেষ্ট সমর্থন তৈরি হয়।

বিকল্প উপায়ে জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ১৯৯২ সালের কনভেনশনের দিকে নজর দিতে পারেন ট্রাম্প। এই কনভেনশনের বর্তমান রূপ প্যারিস চুক্তি। উভয় চুক্তি থেকে এক বছরের মধ্যে নিজেদের প্রত্যাহারের জন্য উদ্যোগ নিতে পারেন তিনি। অথবা প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্যারিস চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

অনেক দেশ প্রত্যাশা করে, চুক্তিতে অটল থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। মারাকেশে জলবায়ু আলোচনার আয়োজক মরক্কো বলেছে, আগামী অর্ধশতাব্দী জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল রাখার জন্য এই চুক্তি যথেষ্ট কার্যকরী।

মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহেদিন মেজৌয়ার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘যদি একটি দেশ নাম প্রত্যাহার করে নেয়, তাতে চুক্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয় না।’

২০০টি দেশের অধিকাংশই চুক্তিতে সমর্থন দিয়েছে এবং ১০৯টি দেশ অনুস্বাক্ষর করেছে, যারা ৭৬ শতাংশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের জন্য দায়ী। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে, যারা এককভাবে ১৮ শতাংশ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

 

প্যারোলে মুক্তি পেলেন না হাসনাত রেজা করিম
ঢাকা, ৫ নভেম্বর : প্যারোলে মুক্তি পেলেন না হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় গ্রেফতার দেখানো একমাত্র আসামি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক আবুল হাসনাত রেজা করিম।

শুক্রবার বাবা রেজাউল করিমের নামাজে জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য হাসনাত রেজা করিম কেরাণীগঞ্জ কারাগার থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন।

গত সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে হাসনাত রেজা করিমের বাবা চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। গুলশান-২ এর ৫ নম্বর সড়কের ৬৮/এ নম্বর বাড়িতে তিনি সপরিবারে থাকতেন।
হাসনাত রেজা করিমের স্ত্রী শারমিনা পারভীন সাংবাদিকদের জানান, ‘আমরা প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করে ব্যর্থ হয়েছি। তিন দিন অপেক্ষা করে শুক্রবার দুপুরে ছেলের অংশ গ্রহণ ছাড়াই বাবার লাশ জানাজা করে দাফন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যুদ্ধাপরাধী মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী তার ছেলের জানাজায় অংশ গ্রহণের জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু আমার স্বামীর বিরুদ্ধে এখনো কোনো অভিযোগ প্রমাণ হয়নি, তারপরও তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হল না।

উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার এক মাস পর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এই সাবেক শিক্ষককে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার দেখায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পৃথীবির সেরা কিছু জাদু! যা দেখলে আপনার গায়ের লুম দাঁড়িয়ে যাবে! (ভিডিও) 

xboz79

পৃথীবির সেরা কিছু জাদু! যা দেখলে আপনার গায়ের লুম দাঁড়িয়ে যাবে! (ভিডিও)

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কোন রাশির মেয়েরা কেমন হয় 

e9v2ts3t

আপনি জানেন কি, কোন রাশির মেয়েরা কেমন হয়? সৃষ্টির শুরু থেকেই নারীর প্রতি পুরুষের কোন এক অজানা কারণে আকর্ষণ রয়েছে। এই আকর্ষণ থেকেই পুরুষ চায় সবসময় নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে। কিন্তু যদি দু’জনের স্বভাব-চরিত্র না মেলে তখনই বাঁধে বিপত্তি। তাই আগেই জেনে নেওয়া উচিত কোন রাশির জাতিকা কিংবা মেয়ে কেমন।

মেষ রাশির নারী (২১ মার্চ – ২০ এপ্রিল)

জীবনের সবক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করে মেষ রাশির নারী। সহজাত নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা থাকে তাদের। সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার প্রবণতা দেখা যায় তাদের মাঝে। প্রতিটা দিন কর্মচঞ্চল করে রাখার ব্যাপারে তাদের জুড়ি নেই। কখনও কখনও নিজের ক্ষমতার বেশি কাজের ভার নিয়ে ফেলে তারা। অনেক সময়ে একটা কাজ শেষ না করেই আরেকটা শুরু করে দেয়। জীবনের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে থাকেন মেষ রাশির জাতিকা। একটা ভালো কাজ করার সুযোগ পেলে তারা সেটা করে ফেলবে, এতে তার নিজের কতখানি লাভ হল, সেটা নিয়ে চিন্তা করবে না। নিজের মতামত জানানোর ব্যাপারে একেবারেই ঠোঁটকাটা তারা। কখনও কখনও মেষ নারী এতই সফল হয়ে থাকে যে অন্যরাও তার মতো হতে চায় (যদিও পেরে ওঠে না)। মেষ রাশির প্রতীক চালিত হয় আগুনের উপাদানে। এ থেকেই বোঝা যায়, মেষ নারীর প্রেমও হয় তেমনই উষ্ণ। প্রেমের ক্ষেত্রে মেষ নারী নিজেই উদ্যোগ নিয়ে থাকতে পারে৷ কিন্তু তার সঙ্গীকেও হতে হয় শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সঙ্গী পুরুষের ব্যক্তিত্ব দুর্বল হলে খুব দ্রুত আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন মেষ নারী। মেষ নারীর সঙ্গে তর্ক হলে তেমন বিচলিত হবেন না। এই তর্কের মাধ্যমেও সম্পর্ক পোক্ত হয়ে উঠতে পারে।

বৃষ (২১ এপ্রিল – ২১ মে)

প্রথম দেখায় বৃষ নারীকে মনে হবে খুব শান্তশিষ্ট, মিষ্টি প্রকৃতির। সাধারণত তিনি আপনার সঙ্গে এমন মিষ্টি আচরণই করবেন, কিন্তু রেগে গেলে তবেই তার আসল রূপ দেখতে পাবেন। বৃষ নারীর চরিত্রের “সুগার কোটিং”-এর নিচে রয়েছে আগুনে মেজাজ। এর আওতায় না পড়ার চেষ্টা করুন। তবে ভালোবাসার ছোট্ট ছোট্ট উপহার পেতে পছন্দ করেন বৃষ নারী। তাকে উৎসর্গ করতে পারেন নিজের তৈরি একটি কবিতা অথবা অন্যরকম কিছু ফুল, সঙ্গে অবশ্যই আন্তরিক অনুভূতি। রাগ গলে জল হয়ে যাবে। বৃষ নারীর অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হল, তারা হয়ে থাকে খুবই একগুঁয়ে। কোনও কিছু পাওয়ার জন্য কোমর বেঁধে লাগেন তারা। মানসিক শক্তির দিক দিয়েও তারা যথেষ্টই কঠোর। তবে যতই কঠোর হোক না কেন, তারা যথেষ্ট মমতাময়ী হয়ে থাকেন। বৃষ নারী হয়ে থাকেন বিচক্ষণ এবং ধৈর্যশীল। এই কারণে তার সফলতা আসে প্রচুর। বৃষের উপাদান হল মৃত্তিকা, আর তাই তার মাঝে মাতৃসুলভ বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে শান্তিতে থাকতেই পছন্দ করেন বৃষ নারী। জীবনে নিরাপত্তার অনুভূতি পেতেও তিনি পছন্দ করেন। সাধারণত বৃষ নারী একই ভুল বার বার করেন না। ভালোবাসার ক্ষেত্রে ধীরস্থির এবং মিষ্টি ভাব নিয়ে অগ্রসর হোন বৃষ নারীর দিকে। একটু সময় নিয়ে সম্পর্ক গড়ে তুলতে তারা পছন্দ করেন। প্রেমের ক্ষেত্রে তাকে তাড়া না দেওয়াই ভালো। কিছু সীমানা মেনে চলেন তারা। এবং সঙ্গীরও উচিত এই সীমানাকে শ্রদ্ধা করে চলা।

মিথুন (২২ মে – ২১ জুন)

একজন মিথুন নারীকে বুঝে ওঠা বেশ কঠিন। আকাশের মেঘ ধরে রাখা যেমন কঠিন, মিথুনের মন বোঝাও তেমনি কঠিন। কারণ একজন নয়, তার মাঝে দেখতে পাবেন বহু নারীর ছায়া। কেউ কেউ মিথুন নারীর চরিত্রে বিরক্ত হতে পারেন, কিন্তু তারা নিজেদের ব্যক্তিত্বে স্বতন্ত্র। ক্ষণে ক্ষণে তার মাঝে পরিবর্তন আসতে পারে। পৃথিবীর সব কিছু নিয়ে তার মাঝে কৌতূহলের শেষ নেই। অনেক ক্ষেত্রেই সৃজনশীলতা দেখা যায় তার মাঝে। আশাবাদী মনোভাব থাকার কারণে যে কোন পরিস্থিতিতে তিনি মানিয়ে নিতে পারেন। মিথুন রাশির প্রতীকে রয়েছে একটি নয়, বরং দুইটি সত্ত্বা। মিথুন রাশির জাতিকার ব্যক্তিত্বে একটি নয়, বরং দুই বা তারও বেশি স্বাতন্ত্র্য দেখা যায়। এর ফলে তার ব্যক্তিত্ব অস্থিতিশীল মনে হতে পারে। প্রেমের ক্ষেত্রে একটু খুঁতখুঁতে হতে পারেন মিথুন নারী। তবে তিনি নিজের পছন্দের সেই ভাগ্যবান ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে তখন আর কোনও রকমের সংকোচ করেন না নিজের অনুভূতি প্রকাশে। আর এই সম্পর্ক সাধারণত হয়ে থাকে দীর্ঘস্থায়ী।

কর্কট (২২ জুন – ২২ জুলাই)

কর্কট নারীর চরিত্রে চাঁদের প্রভাব প্রবল। চাঁদের কলা বাড়া-কমার মতই ওঠানামা করে কর্কট নারীর মেজাজ। সাধারণত তিনি যথেষ্ট সহজ সরল এবং শান্তি প্রিয়। তবে তার অনুভূতি হতে পারে অনেক অনেক জটিল। সবগুলো রাশির মাঝে কর্কট নারীর বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করা সবচাইতে কঠিন। এরা হয়ে থাকে খুব খুব স্পর্শকাতর। বিশেষ করে কর্কট নারীকে সমালোচনা করার ব্যাপারে খুব সাবধান থাকুন। এই সমালোচনা তারা সারা জীবন মনে রাখবে। বুদ্ধির পাশাপাশি কর্কট নারীর অনুমানশক্তিও হয় খুব প্রখর। কোনও ব্যক্তির ব্যাপারে খুব কম জেনেও সে আসলে ভালো না খারাপ তা ধারণা করে নিতে পারে কর্কট নারী এবং এই ধারণা সাধারণত ঠিক হয়ে থাকে। অন্যদের ব্যাপারে সহানুভূতি দেখাতেও কর্কট নারী সিদ্ধহস্ত। প্রেমের ব্যাপারে কর্কট নারীকে একটু সময় দিতে হবে। হুট করে তারা প্রেমে জড়িয়ে পড়তে নারাজ। সঙ্গীকে তারা বিশ্বাস করতেও সময় নেন। এছাড়া খুব সহজেই কষ্ট পান তারা। এসব কারণে সম্পর্কের প্রাথমিক পর্যায় একটু ঝড়ো হলেও পরবর্তী পর্যায়ে সম্পর্ক অনেক মিষ্টি হয়ে ওঠে।

সিংহ (২৩ জুলাই – ২৩ আগস্ট)

এই রাশির নারীর মাঝে সিংহের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। তারা আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকেন সাধারণত। তাকে না ঘাটানোই ভালো। অখুশি হয়ে গেলে উপহার এবং মিষ্টি মিষ্টি কথা দিয়ে তাকে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে আগে। তারা যেমন বুদ্ধিমতী হয়ে থাকেন, তেমনি শক্তিশালী চরিত্র এবং সৃজনশীলতা দেখা যায় তাদের মাঝে। প্রেমের ক্ষেত্রে এই রাশির নারী কোনও রকমের ছাড় দিতে রাজী হন না। তাকে খুশি করতে পারলে আপনার সম্পর্ক হয়ে উঠতে পারে প্রেমের গল্পের মতই রোমান্টিক এবং একই সঙ্গে ড্রামাটিক। সঙ্গীর জীবনে তিনি হয়ে থাকতে চান সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং একই সঙ্গে সঙ্গীকে তার প্রাপ্য গুরুত্ব দিতেও তিনি পিছ পা হন না।

কন্যা (২৪ আগস্ট – ২৩ সেপ্টেম্বর)

কন্যা রাশির নারী হবে একেবারেই নারীসুলভ এবং চুপচাপ, অবলা প্রকৃতির? এটা ভাবলে বিশাল ভুল করবেন। অন্যান্য রাশির চাইতে একটু চুপচাপ হলেও তারা একেবারে শান্তশিষ্ট নয়। কেউ কেউ খুব গোছালো। কেউ কেউ আবার ভয়াবহ রকমের অগোছালো। কন্যা রাশির নারীর মাঝে নিজেকে “নিখুঁত” করে গড়ে তোলার প্রবণতা দেখা যায়। নিজেকে আরও উন্নত করে তুলতে গিয়ে তারা জীবনকে জটিল করে ফেলেন অনেক সময়ে। কন্যা রাশির প্রতীক হল কুমারী এবং এই কারণে তার মাঝে দেখা যায় একটু লাজুক বৈশিষ্ট্য। সময়ের কাজ সময়ে করতে ভালোবাসেন তিনি। ভালোবাসেন প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে। প্রেমের ক্ষেত্রে কন্যার মাঝে দেখা যায় প্রচ্ছন্ন সংকল্প এবং শক্তি। সত্যিকারের ভালবাসায় বিশ্বাসী তিনি। ভালোবাসার নামে ভুলেও তার হৃদয় নিয়ে খেলা করতে যাবেন না। তিনি প্রেমে পড়েনও না খুব সহজে। কিন্তু একবার প্রেমে পড়লে তিনি সেই সম্পর্ককে করে তোলেন দীর্ঘস্থায়ী।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর – ২৩ অক্টোবর)

তুলারাশির নারী সৌন্দর্য, ন্যায় এবং ভারসাম্যের প্রতীক। দাঁড়িপাল্লার মতই তার চরিত্রেও দেখা যায় সমতা। এরা অন্যদের সঙ্গে ভালো মিশতে পারে। শুধু তাই নয়, তুলা নারীর প্রতি অন্যদের আকর্ষণ থাকে প্রবল। এ কারণে অন্যদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকতে কোনও সমস্যাই হয় না তার। প্রকৃতির দুই বিপরীত শক্তি (ইন ও ইয়াং) এর মিশ্রণ দেখা যায় তুলা রাশির নারীর মাঝে। এ কারণে তার মাঝে দেখা যায় একই সঙ্গে যৌক্তিক বিবেচনা এবং অযৌক্তিক আবেগ। যুক্তি দিয়ে যে কোনও কিছু তাকে বোঝাতে পারবেন আপনি। একই সঙ্গে আপনার আবেগের মুল্য দিতেও তিনি সিদ্ধহস্ত।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর – ২২ নভেম্বর)

১২ টি রাশির মাঝে সবচাইতে “সেক্সি” হলেন বৃশ্চিক নারী। একই সঙ্গে তিনি রহস্যময়ী। চুম্বকের মতো আকর্ষণে আপনাকে জড়িয়ে ফেলতে পারেন তিনি। তখন তাকে মনে হবে এক গভীর সাগর, যে মুহূর্তেই প্রশান্ত আবার মুহূর্তেই উত্তাল। প্রকৃতির সঙ্গে একই সুরে বাধা তার মেজাজ। কখনও হালকাভাবে নেবেন না বৃশ্চিক নারীকে। একদম সোজাসাপটা আচরণ পছন্দ করেন তিনি। আত্মবিশ্বাসী, শক্তিশালী বৃশ্চিক নারী। পরিস্থিতি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পছন্দ করেন তারা। কখনও কখনও নিজের ক্ষতি করে বসেন। কিন্তু সবকিছু মিলিয়ে চাপা একটি সৌন্দর্য রয়েছে তাদের ব্যক্তিত্বে। তাদের মনের ভিতরটা অনেক জটিল। এই জটিলতার রহস্য সবাইকে জানাতেও ইচ্ছুক না তারা। তাই কোনও বৃশ্চিক নারীর মন বুঝতে পারলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করাই শ্রেয়।

ধনু (২৩ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর)

ধনু রাশির নারীর মাঝে প্রচ্ছন্ন দার্শনিক বৈশিষ্ট্য দেখতে পাওয়া যায়। সব পরিস্থিতিতেই সত্যের খোঁজ করেন তিনি। অনেক বৈচিত্র্য দেখা যায় তার চরিত্রে এবং সব অভিজ্ঞতাকেই তিনি মূল্যবান বলে মনে করেন। নিজের জীবনের সার্থকতা খুঁজে বেরান তিনি। খুব স্বতঃস্ফূর্ত এবং স্বাধীনচেতা এই নারীর গভীর ব্যক্তিত্ব অনেকের কাছেই আকর্ষণীয়। কোনও বাঁধাধরা নিয়মের বেড়াজালে আটকাতে যাবেন না ধনু নারীকে, সহসাই সেই জাল ছিঁড়ে চলে যাবেন তিনি।

মকর (২২ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি)

উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং নেতৃত্ব দেবার মনোভাব মকর নারীকে নিয়ে যায় সাফল্যের চূড়ায়। এই সাফল্য অর্জন করার পথে কোনও বাধাই সহ্য করেন না তিনি। সুতরাং তার ইচ্ছেপূরণের বিরোধীতা করবেন না কখনোই। আপনাকেও ধুলোয় ফেলে যেতে তিনি দ্বিধা করবেন না। মকর নারী হয়ে থাকেন একগুঁয়ে। খুব সহজে নিজের মেজাজ খারাপ করেন না তিনি। মাথা ঠাণ্ডা রেখেই নিজের প্রতিযোগীকে পিষে ফেলেন পায়ের নিচে।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি)

হাতের মুঠোয় বাতাস ধরে রাখতে পারবেন আপনি? পারবেন না। কুম্ভ নারীকে কোনও রকম শৃঙ্খলে আটকে রাখাটাও একই রকমের অসম্ভব। তার চরিত্র বোঝার চেষ্টা করাটাও একই রকমের অসম্ভব। কারণ আপনার সব ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করে তিনি পরিবর্তিত হয়ে যাবেন মুহূর্তের মাঝে। এই বাতাসের মতই তিনি পরিবর্তনশীল, কখনও মৃদুমন্দ আবার কখনও ঝড়ো বিধ্বংসী। কিন্তু এই ঝড়ের কেন্দ্রে রয়েছেন চমৎকার একজন নারী। জীবনের প্রতি ইতিবাচক তাদের মনোভাব। অনেক ক্ষেত্রেই সমাজসেবী হয়ে থাকেন তারা। নিজেরদের বুদ্ধি এবং সৃজনশীলতা দিয়ে চমৎকার সব আইডিয়া তৈরি করে ফেলতে পারেন তারা। কুম্ভ নারী অন্যের অযাচিত উপদেশ শুনতে মোটেই পছন্দ করেন না। কিন্তু আপনার যে কোনও প্রয়োজনে তাদের সাহায্য পাবেন আপনি। তারা নিজেরা বেশ কার্যকরী উপদেশ দিতে পারেন। ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন তারা। ভালোবাসেন নতুন, কিন্তু একই সঙ্গে পুরনোর প্রতি তাদের অদ্ভুত এক মায়া দেখা যায়।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ)

মীন রাশির নারীর ভেতরে লুকিয়ে আছে অনেক অনেক রহস্য। প্রাণবন্ত এবং রোমান্টিক তিনি। বাইরে থেকে দেখে যেমনটা মনে হয়, তার থেকে একেবারেই অন্যরকম ব্যক্তিত্ব লুকিয়ে রাখেন তারা। হয়ে থাকেন স্পর্শকাতর, আবেগী, কিন্তু সেটা সহজে বুঝতে দেন না কাউকে। সত্যিকারের স্বপ্নচারী হয়ে থাকেন মীন নারী। গভীর আধ্যাত্মিক মানসিকতা রয়েছে তার মাঝে। খুব সাধারণ কোনও কিছুর মাঝেও অন্তর্নিহিত অর্থ খুঁজে বের করেন তিনি, যেটা অন্য কারও চোখে পড়বেই না। তারা হয়ে থাকেন বেশ সৃজনশীল। পরিচিত-অপরিচিত সবার প্রতিই দয়ালু হয়ে থাকেন তারা। তার চরিত্রের অন্যতম একটা বৈশিষ্ট্য হল, বাস্তবতা যখন কঠিন হয়ে যায়, তখন মীন নারী নিজের কল্পনার জগতে হারিয়ে যেতে পারেন সহজেই। এর মাধ্যমে নিজের দুঃখকে সবার থেকে আড়াল করে রাখতে পারেন মীন নারী।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর