২৯ মে ২০১৭
সকাল ৭:৫৫, সোমবার

মনসুর আলীর ‘সংগ্রাম': শেকড়ের সন্ধানে বাংলাদেশে

মনসুর আলীর ‘সংগ্রাম': শেকড়ের সন্ধানে বাংলাদেশে 

04

লন্ডন, ৩০ জুন : লন্ডনের লেস্টার স্কোয়ারে এক বড় সিনেমা হলে ‘সংগ্রাম’ ছবির প্রিমিয়ার শো। ছবি দেখানো শেষ হওয়ার পর পরিচালক মনসুর আলি দর্শকদের নানা প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন। সেসময় সামনে এগিয়ে এলেন এক পাকিস্তানি তরুণী।

তোমাকে অনেক ধন্যবাদ, এই ছবিটা তৈরি করার জন্য। আর আমি খুবই দুঃখিত যে আমার দেশ তোমাদের সাথে এই কাজ করেছে। তোমার ছবিটা না দেখলে জানতাম না, কি ঘটেছে।

ব্রিটিশ-বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা মনসুর আলির জন্যও এক নতুন অভিজ্ঞতা এটি। মুক্তিযুদ্ধের গল্প তিনি শুনেছেন তাঁর বাবা-মার কাছে। কিন্তু ছবি করতে গিয়ে এই যুদ্ধের ইতিহাস জানার সুযোগ হলো আরও অনেক দৃষ্টিকোণ থেকে।

মনসুর আলির জন্ম বাংলাদেশে, বেড়ে উঠেছেন পূর্ব লন্ডনে। স্কুল শেষ করে যখন সিদ্ধান্ত নিলেন ফিল্ম নিয়ে পড়াশোনা করবেন, তখন অনেকেরই চোখ কপালে উঠলো। আত্মীয়-স্বজনরা বলাবলি করছিল, ছেলেটির বোধহয় মাথা খারাপ হয়েছে।

আমাদের বাংলাদেশি পরিবারগুলোতে পড়াশোনা মানে হচ্ছে একাউন্টিং, মেডিসিন, ল’ বা এরকম কোন বিষয়েই পড়তে হবে। কাজেই আমার এই সিদ্ধান্ত অনেকে ভালোভাবে নেয়নি। কিন্তু আমার বাবা-মা কিন্তু আমাকে পুরো সমর্থন দিয়েছে, বলছিলেন তিনি।

ওরা বলেছিল, তোমার যা পছন্দ সেটাই কর।

ফিল্ম নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে পুরোপুরি সেটাকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন মনসুর আলি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার তৈরি ছবি ‘সংগ্রাম’ সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ছবিটির একটি মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউডের নামকরা তারকা অনুপম খের।

সংগ্রাম ছবির গল্পটা কি?

এই ছবিতে অনুপম খের একজন মুক্তিযোদ্ধা। প্রেমে পড়েছিলেন এক হিন্দু মেয়ের। উনি মুক্তিযুদ্ধের পর লন্ডনে চলে আসেন। মুক্তিযুদ্ধের পর ৪০ বছর পর্যন্ত তিনি এই অভিজ্ঞতা কারও সঙ্গে শেয়ার করেন নি। উনি খুবই নিভৃতচারী। নিজের মধ্যে থাকতে ভালোবাসেন। কিন্তু লন্ডনে তার সঙ্গে দেখা হয় এক সাংবাদিকের সঙ্গে। এই সাংবাদিকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইটালিয়ান তারকা আজিয়া আরজেন্টো।”

এই সাংবাদিকের মাধ্যমেই আমরা আসলে এই মুক্তিযোদ্ধার অতীত ইতিহাস জানতে পারি।

এত বিষয় থাকতে হঠাৎ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ছবি করার আগ্রহ হলো কেন?

দেখুন, আমরা যেখানেই থাকি, নিজের শেকড় সন্ধান করার চেষ্টা করি। আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি জানার চেষ্টা করি। যখন ফিল্ম নিয়ে পড়ছি, তখন মনে হলো, আমি কে? আমি ব্রিটিশ। তবে একই সঙ্গে এটাও সত্য, আমি বাঙ্গালি। আমি তখন ভাবতে শুরু করি, ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হিসেবে আমার যে ডাবল আইডেন্টিটি, সেটা কিভাবে কাজে লাগানো যায়।

তখন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ছবি করার সিদ্ধান্ত নেই। ছবি করতে গিয়ে আমি অনেক কিছু জানতে এবং শিখতে পারলাম।

পড়াশোনা শেষ করে মুনসুর আলী নিজেই একটি ছোট প্রোডাকশান কোম্পানি করেছিলেন। সেখান থেকে নানা ধরণের প্রমোশনাল ভিডিও করতেন। ধীরে ধীরে কাজের পরিধি বেড়েছে। অনেক নামকরা তারকার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন।

অনুপম খের যে আমাকে সুযোগ দিলেন তাকে নিয়ে কাজ করার, ইট ওয়াজ ফ্যানটাস্টিক। উনি আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন এই ছবির প্রচারে।

বাংলাদেশে হয়তো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক ছবি তৈরি হয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক দর্শকদের জন্য কিন্তু কোন ছবি তৈরি হচ্ছে না। যদি আমরা আন্তর্জাতিক দর্শকদের কথা ভেবে ছবি না করি, তাদের কাছে তো এই ইতিহাস তুলে ধরা যাবে না।

মুনসুর আলি বিয়ে করেছেন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র তারকা দিলরুবা ইয়াসমীন রুহিকে। লাইমলাইট ফিল্ম এওয়ার্ড নামে এক চলচ্চিত্র পুরস্কারের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। এবছর প্রথম তার উদ্যোগে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক চলচ্চিত্র উৎসব। সূত্র : বিবিসি বাংলা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘বাংলাদেশিদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত পাকিস্তানিদের’ 

'বাংলাদেশিদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত পাকিস্তানিদের'

অনলাইন ডেস্ক, ১৯ জানুয়ারি : ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের নৃশংসতার জন্য প্রতিটি পাকিস্তানি চিন্তাবিদকেই বাংলাদেশিদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মনে করেন পাকিস্তানের বিশিষ্ট লেখিকা রিমা আব্বাসি।

কলকাতায় এপিজে লিটারারি ফেস্টিভেলে নিজের লেখা একটি বই (হিস্টোরিস টেম্পলস ইন পাকিস্তান: এ কল টু কনশেন্স)-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার ফাঁকে মঙ্গলবার ভারতের একটি ইংরেজি দৈনিক (টাইমস অব ইন্ডিয়া)-কে সাক্ষাতকার দেওয়ার সময় এই বিশিষ্ট লেখিকা এই মন্তব্য করেন।

১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে রিমা বলেন ‘আমি সত্যিই মনে করি যে পাকিস্তানের প্রতিটি বিদ্বজনেদেরই এই নৃশংসতার কথা মেনে নিয়ে এই ঘটনার জন্য বাংলাদেশিদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। হ্যাঁ, তারা (বাংলাদেশ) যখন এই কথাটা বলেন তখন মেনে নিতেই হবে যে নিশ্চয়ই কিছু একটা হয়েছে, নাহলে কি করে তারা এটা বলে? ইতিমধ্যেই আমরা আমাদের দেশের বিরাট অংশ হারিয়েছি। দেশ ভেঙে গেছে।

এটা একটা বড় ভুল ছিল। এটা একটা বড় অন্যায় ছিল। তবে সবচেয়ে দু:খের বিষয় হল যে আজকের প্রজন্মকে যা শেখানো হবে তারা সেটাই বিশ্বাস করে। রাষ্ট্র কি বোঝাতে চাইছে তা নিয়ে তারা গভীরে যেতে চায় না। শিক্ষাবিদ, পন্ডিত শ্রেণির কিংবা বিষয়টি নিয়ে নিজের বাসায় খোলামেলা আলোচনা না হলে এ নিয়ে কেউই মাথা ঘামায় না, সকলের কাছে বিষয়টি অজানা রয়ে যায়। তাই আমরা যদি এটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই তবে ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতকে আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে’।

রিমার এই মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন এই ফেস্টিভেলে যোগ দিতে আসা বাংলাদেশি লেখিকা ফারহা গুজনভি। রিমার বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন ‘রিমা বলেছেন ১৯৭১ এ ঠিক কি হয়েছিল পাকিস্তানের সেটা স্বীকার করা দরকার’। রিমার মতো মানুষের মুখে একথা শুনে ভুবই ভাল লাগছে। কারণ অতীতকে পিছনে ফেলে আমাদের সামনের দিকে এগোনো উচিত এবং এই অঞ্চলের প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলির মধ্যে আরও গতিশীল সম্পর্ক স্থাপন করা দরকার’।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিউইয়র্কে তোপের মুখে ড. ফখরুদ্দিন 

69509_139

নিউইয়র্ক, ১৪ নভেম্বর : নিউইয়র্কে বন্ধুর জানাজা নামাজে যোগ দিতে এসে বাংলাদেশী কমিউনিটির তোপের মুখে পড়েন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ। শুক্রবার নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে জুমার নামাজ শেষে বন্ধু আবদুল মুনিম চৌধুরীর জানাজার নামাজ পূর্বে বক্তব্য দেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার প্রতি শুক্রবার দু’টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ তার বন্ধু আবদুল মুনিম চৌধুরীর জানাজায় যোগ দিতে একাই মসজিদে আসেন। জুমার প্রথম জামাত শেষে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি আক্তার হোসেন ঘোষণা দেন এখন আপনাদের সামনে বক্তব্য রাখবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও আবদুল মুনিম খানের বন্ধু ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ। ঘোষণার সাথে সাথেই মসজিদ জুড়ে কানাঘুষা শুরু হয়। এসময় তড়িঘড়ি করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।

ড. ফখরুদ্দিন তার বক্তব্যে নিজের ও বন্ধুর জন্য দোয়া কামনা করেন। পরে মসজিদ কমিটির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে ইমাম জানাজা নামাজ পড়ান। এরপর নামাজ শেষে ফখরুদ্দিন আহমেদ মসজিদ থেকে বের হতেই গালাগালি দিয়ে তেড়ে আসেন কয়েকজন বাংলাদেশী মুসল্লি। তারা বলতে থাকেন, বাংলাদেশকে ৫০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন এই ফখরুদ্দিন। তার দোয়া চাওয়ার কোনো অধিকার নেই।

এঘটনায় তাৎক্ষিণক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বাংলাদেশ আমেরিকান অ্যাডভোকেসি গ্রুপের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার কামাল ভূইয়া বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় তার কমবেশি ভুল থাকতেই পারে। কিন্তু এই অযুহাতে কেউ মসজিদে আসলে তাকে গালাগালি করাটা অশোভন কাজ বলে মনে করি।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে ড. ফখরুদ্দিন আহম্মেদ যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে বসবাস করলেও এই প্রথম জনসন্মুখে আসলেন। বিশেষ করে প্রথমবারের মতো নিউ ইয়র্কে এই প্রথম তাকে দেখা গেল।

মসজিদ থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার সময় এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। স্যার দেশ কেমন আছে? জবাব না দিয়েই দ্রুত মসজিদ এলাকা ত্যাগ করেন ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিউইয়র্কে দীপনের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন 

image_285894.18

নিউইয়র্ক, ২ নভেম্বর : নিউইয়র্কে জাগৃতি প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনের হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিউইয়র্ক প্রবাসীরা।

শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশে মুক্তমনা সকল লেখক এবং প্রকাশকদের হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন জাগৃতি প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনকে নৃশংসভাবে হত্যা এবং আহমেদুল চৌধুরী টুটুলসহ ৩ জনকে হত্যার উদ্দেশে আক্রমণের ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চ, নিউইয়র্ক এবং একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুক্তরাষ্ট্র শাখার যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বলা হয়, মুক্তমনা লেখক ও প্রকাশকদের ওপর হামলার ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলেছে। গত ৩ বছরে এহেন নৃশংসতার সঙ্গে জড়িতদের কেউ এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় মুক্তচিন্তার মানুষমাত্রই ভীত সন্ত্রস্ত জীবনযাপন করছেন। বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক বিবৃতিরও কঠোর সমালোচনা করা হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, কবীর আনোয়ার, হাসান ফেরদৌস, শিতাংশু গুহ, মিনহাজ আহমেদ সাম্মু, ফাহিম রেজা নূর, স্বীকৃতি বড়ুয়া, আকবর হায়দার কিরণ, মিথুন আহমেদ, সুব্রত বিশ্বাস প্রমুখ। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রস্থ ‘কমিটি ফর সেক্যুলার ডেমোক্র্যাটিক বাংলাদেশ’ ও ‘যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদ’ প্রকাশক দীপন হত্যার ঘটনায় এক যুক্ত বিবৃতি দিয়েছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গুজরাটে বাংলাদেশের টেক্সটাইল পার্ক 

gujrat_99870

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর : গুজরাটে টেক্সটাইল পার্ক স্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এজন্য প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় হিসাবে ২৮৭ থেকে ৩৬০ কোটি টাকার বিনিয়োগ বরাদ্দও নির্ধারণ করা হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর জানায়।

গুজরাটের সবচেয়ে বড় শহর আহমেদাবাদের কাছে মেহসানা জেলার কাদি শহরে এ প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে একশ একর জমি চেয়েছে বাংলাদেশ। এ পার্কে এক লাখ সুতা কাটার যন্ত্রের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন স্পিনিং ইউনিট বসানো হবে।

গত মাসে এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (বিসিসিআই), বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ) ও বাংলাদেশ গার্মেন্ট মেনুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্সের (বিজিএমই) প্রতিনিধি দল গুজরাট সফর করেছেন। এরপরই রাজ্য সরকারের কাছে টেক্সটাইল পার্ক স্থাপনের প্রস্তাবটি দেয়া হয়।

গুজরাট সরকারের শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিষয়ক কমিশনার মমতা ভার্মা বলেছেন, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা সুতা উৎপাদনেই বিনিয়োগ করতে চায়। তবে পরে গার্মেন্ট পণ্য উৎপাদনেও বিনিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। বাংলাদেশ গুজরাট থেকে সুতা আমদানি করে। কাজেই এই পার্ক স্থাপন করলে তাদের পণ্য উৎপাদন ব্যয় কমে আসবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে এ প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেই আমার বিশ্বাস।

বিশ্বে গার্মেন্ট পণ্য উৎপাদন ও রফতানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এ শিল্পের মূল উপাদান কার্পাস ও সুতা। বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৫৫ লাখ বেল (১৭০ কেজিতে এক বেল) কার্পাস আমদানি করে থাকে, যার ৭০ শতাংশই ভারত থেকে আসে। আর এর সিংহভাগ গুজরাট থেকে আমদানি করা হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জোর করে সহবাস! মায়ের বিরুদ্ধে মেয়ের মামলা 

0001

নিউজ ডেস্ক :  জোর করে বিয়ে দেওয়ার জন্যে খোদ মায়ের বিরুদ্ধে মামলা কিশোরী মেয়ের। ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলায়।
ঘটনার কেন্দ্রে থাকা ১৫ বছর বয়সী মেয়েটি বিবিসিকে জানিয়েছে, জুলাই মাসে আমার মা একদিন জানাল আমার একজনের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেছে। বিয়ে যে হয়ে গেছে সেটি আমি বুঝতেই পারিনি।

মেয়েটির বক্তব্য অনুযায়ী এর পর তাকে খুলনায় নিয়ে গিয়ে একটি ঘরে তারই এলাকার এক পুরুষের সঙ্গে তাকে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাকে জোর করে সহবাসে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ। এমনকি, তা না করতে চাইলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

এর পর সে পালাতে সক্ষম হয় এবং ঝালকাঠির এক সাংবাদিকের সহায়তায় থানায় মা ও তার কথিত স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করে।
রাজাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শেখ মুনির-উল-গিয়াস বিবিসিকে জানিয়েছেন, তদন্তের পর প্রাথমিকভাবে আমরা এ ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।

এখানে বিয়ের ধর্মীয় বিধিবিধান মানা হয়নি। এটিকে আমরা জোর করে বিয়ে বলতে চাইনা। এক্ষেত্রে জোর করে সহবাসে বাধ্য করা হয়েছে বলা যায়, তিনি আরও জানিয়েছেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে শুরু হয়েছে জোড় তল্লাশি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চৌদ্দতেই সতীত্ব হারাচ্ছে ভারতীয় শহুরে সুন্দরীরা : সমীক্ষা 

0f

নিউজ ডেস্ক : ভারতের শহুরে ছেলেমেয়েরা খুব তাড়াতাড়ি যৌনজীবনে প্রবেশ করছে। যে বয়সে তাদের  শিশু বলে মনে করা হচ্ছে, সে বয়সে তারা চেখে নিচ্ছে ‘নিষিদ্ধ ফল’। সেই অল্প বয়সেই ঠোঁটে ঠোঁট বোলাচ্ছে। ভারত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক সমীক্ষা বলছে, ছেলেদের ক্ষেত্রে বয়সটা ১৩, আর মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৪। ওই কচি বয়সেই তারা জানতে চাইছে, গরম নিঃশ্বাসের স্পর্শ কাকে বলে।

১৩ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে বয়স এমন ১৫ হাজার কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয় ভারতের ২০টি শহরে। তাতে গড়ে ৮.৯% কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যৌন-সংক্রমণের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। ফলাফলটা খুব স্পষ্ট। সমীক্ষা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, ছেলেরা গড়ে ১৩.৭২ বছর বয়সেই প্রথম অভিজ্ঞতা করে নিচ্ছে। মেয়েরা নিষিদ্ধ ফলের স্বাদ নিচ্ছে ১৪.০৯ বছর বয়সে। মানে সাবালক হওয়া দূরের কথা, ১৫ বছর বয়সের মধ্যেই তারা কুমারীত্ব ঘোচাচ্ছে৷

ভারত সরকারে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, ছেলেদের মধ্যে ৬.৩ শতাংশেরই যৌনসংগমের অভিজ্ঞতা আছে। মেয়েদের মধ্যে অবশ্য সংখ্যাটা কম। তবে নেই এমন নয়। সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত মেয়েদের মধ্যে অন্তত ১.৩ শতাংশ মেয়ের সেই অভিজ্ঞতা আছে।

২০০৬ সালের  সমীক্ষায়  দেখা গিয়েছিল, ১৫ থেকে ২৪ বছরের  ১৫-২২% ছেলে ও ১-৬% মেয়ে বিয়ের আগেই সেক্সের অভিজ্ঞতা করে নেয়।
বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় এইডস নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (NACO – National AIDS Control Organisation) মতে ওই বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে এইডস সংক্রমণের ঘটনাও দ্বিগুণ হারে বেড়েছে। ২০১১-১২ সালে সংখ্যাটা যা ছিল, এখন তার দ্বিগুণ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পুরুষ শরীরে যা খোঁজে মেয়েরা! 

0001

অনলাইন ডেস্ক : এতদিন নারীর শরীর কেমন হলে তা আকর্ষণ করবে পুরুষকে তা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা হয়েছে নানা মহলে৷ শিল্পীরা নিজের তুলিতে পুরুষের মনের মতো করে এঁকেছেন নারীকে৷ এবার পালা পুরুষের শরীরের আকর্ষণ খোঁজার৷ নারীরা পুরুষের কোন অঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হয় তা খতিয়ে দেখা যাক৷ ১০০ জন নারীর ওপর পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে পুরুষের কোন অঙ্গ আকর্ষণ করে তাদের৷

১. চওড়া কাঁধ
অধিকাংশ নারী পুরুষদের চওড়া কাঁধ বেশি পছন্দ করেন। পুরুষকে সাধরনত নারীরা নিজেদের মানষিক অবলম্বন হিসাবেই পেতে চায়৷ আর চওড়া কাঁধ মহিলাদের মধ্যে সেই ভাবনাকে আরও মজবুত করে এমনটাই মনে করেন মনোবিদরা৷ তাই অবচেতনে নারীর মন ছোটে পুরুষের চওড়া কাঁধের দিকে৷

২. চওড়া বক্ষ
পুরুষদের আকর্ষণীয় অঙ্গের মধ্যে আরেকটি হল তাদের চওড়া বক্ষ। কিন্তু বক্ষ চওড়া করতে জিমে গিয়ে খুব একটা লাভ হয় না নারীমন পাওয়ার ক্ষেত্রে৷ কারন এই ধরনের পুরুষের দেহ নয় বরং যাদের প্রকৃতিগতভাবেই চওড়া বক্ষ রয়েছে তাদেরই পছন্দ করেন নারীরা। এছাড়া চওড়া বক্ষের অধিকারী এসব পুরুষের স্তনের গড়নও তাদের বেশ ভালো লাগে। তাদের শরীরের ঘামের ফোটা অনেক বেশি আকর্ষন করে অধিকাংশ নারীকে।

৩. আকর্ষণীয় পেশী
পেশীবহুল পুরুষ সবসময়ই প্রিয় মহিলাদের কাছে৷ তবে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা অস্বাভাবিক পেশী অনেক নারীই অপছন্দ করেন। যখন পুরুষের পেশীবহুল বাহু টি-শার্টের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে অনেক নারীর চোখই আটকে যায় সেদিকে।

৪. সুমিষ্ট ঠোঁট
ঠোঁট যে শুধু নারীরই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে তা নয় পুরুষের ঠোঁটও আকর্ষণীয় আর সুমিষ্ট হতে পারে বলে জানিয়ছেন অনেক নারী। তবে বেশিরভাগ নারীই চিকন ঠোঁটের অধিকারী পুরুষদের বেশি পছন্দ করেন। ধূমপান না করা ঠোঁটই মেয়েদের প্রথম পছন্দ।

৫. জিহ্বা
পুরুষদের অঙ্গ নিয়ে নারীদের পছন্দের তালিকায় জিহ্বাও রয়েছে। আবেগঘন চুম্বনে বা শারীরিক মিলনের সময়ে জিহ্বার ভূমিকা অসাধারণ। তাই নারীদের অনেকেই পুরুষের এই জিহ্বাকে বেশ পছন্দ করে থাকেন।

৭. আকর্ষণীয় হিপস
নারীদের হিপের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পুরুষের হিপস-এর সৌন্দর্য থাকাও উচিত। হিপস-এর স্বাস্থ্য বেশি মেদযুক্তও না হলেও খুব কম মেদের হিপসও নারীরা পছন্দ করেন না।

৮. স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ
স্বাভাবিকভাবেই নারীদের পছন্দের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষদের অঙ্গ হল স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ। ইঞ্চির হিসেবে এটিকে হতে হবে স্বাস্থ্যকর আর আকর্ষণীয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

স্বামীকে স্ত্রীর হুমকি, অন্য পুরুষের সঙ্গে… 

02

অনলাইন ডেস্ক, ৮ আগস্ট : ভারতে এখনো বিবাহ বিচ্ছেদের হার বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম। কিন্তু সেখানেও বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়ছে। শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনকেই বেশিরভাগ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

কিন্তু আদালতে যখন স্বামী-স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা নিয়ে যাচ্ছেন, তখন কোন ধরণের নির্যাতনকে ‘মানসিক নির্যাতন’ হিসেবে গণ্য করা হবে, তা ঠিক করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন বিচারকরা।
সাম্প্রতিক কিছু বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় স্ত্রীদের বিরুদ্ধে স্বামীরা এমন কিছু বিষয়কে ‘মানসিক নির্যাতন’  হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা বেশ কৌতুকের সৃষ্টি করেছে।

যেমন একজনের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী বেশি বেশি পার্টি করেন, এটা তার ওপর মানসিক নির্যাতনের সামিল। আরেকজন বলেছেন, তিনি বিচ্ছেদ চান, কারণ তাঁর স্ত্রীর যৌন ক্ষুধা খুব বেশি। আদালতে যখন এসব মামলা উঠছে, তখন বিচারকরা কিভাবে তাদের রায় দিচ্ছেন? বিবিসি হিন্দির অতীশ প্যাটেলের কাছে শোনা যাক এমন কিছু বিয়ে বিচ্ছেদের মামলার কাহিনী:

পার্টি আসক্ত স্ত্রী
স্বামী ছিলেন জাহাজের নাবিক। তাঁর অভিযোগ, স্ত্রী খুব কেবল পার্টি করে বেড়ান, এটা তার ওপর এক ধরণের মানসিক নির্যাতন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ডিভোর্স চেয়েছিলেন পারিবারিক আদালতে গিয়ে, আদালত তা মঞ্জুরও করে।

কিন্তু গত সপ্তাহে মুম্বাই হাইকোর্ট এই রায় উল্টে দিল। আদালতের মন্তব্য, স্বামী নিজেও যেখানে পার্টি করে বেড়ান, সেখানে স্ত্রীর পার্টি আসক্তিকে কোনভাবেই স্বামীর ওপর নির্যাতন বলে গণ্য করা যায় না।

অতিরিক্ত সেক্স
বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে যৌন মিলনবিহীন দাম্পত্য সম্পর্ককে অনেকেই কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। কিন্তু ভারতের একজন স্বামী এই বলে ডিভোর্স চেয়েছেন যে তাঁর স্ত্রীর যৌন আসক্তি খুব বেশি। মামলায় তিনি উল্লেখ করেছেন,  স্ত্রীর অতিরিক্ত এবং অদমনীয় যৌন ক্ষুধার কারণে তিনি বিচ্ছেদ চাইতে বাধ্য হচ্ছেন।
স্বামীর আরও অভিযোগ, এমনকি অসুস্থ অবস্থায়ও স্ত্রী তাকে সেক্স করতে বাধ্য করেছে। যদি তিনি রাজী না হন, সেক্ষেত্রে অন্য পুরুষের সঙ্গে সেক্স করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন।
শুনানি শেষে মুম্বাইয়ের পারিবারিক আদালত স্বামীর পক্ষে রায় দেন।

ব্রনের যন্ত্রণা
ভারতে এখনো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘটকালির মাধ্যমে পারিবারিকভাবেই ছেলে-মেয়ের বিয়ে দেয়া হয়, যেটাকে বলা হয় ‘অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ’। কিন্তু আগে থেকে দেখা না হওয়া বর-কনের মধ্যে বিয়ের পর নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়।

এভাবে বিয়ে করা এক স্বামী ডিভোর্সের মামলায় কারণ হিসেবে যা উল্লেখ করেছেন, সেটা নজিরবিহীন। তাঁর অভিযোগ, স্ত্রীর মুখের ব্রন তার নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে উঠেছে।
হানিমুনে গিয়ে স্ত্রীর মুখে ব্রনের দাগ দেখার পর তিনি আর এই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী হননি।
ডাক্তার অবশ্য স্ত্রীর পক্ষে সাক্ষী দিয়ে বলেছিল, ব্রনের সমস্য চিকিৎসার মাধ্যমে দূর করা সম্ভব। কিন্তু আদালতের রায় ছিল, এক্ষেত্রে ব্রনের সমস্যা লুকিয়ে স্বামীর সঙ্গে স্ত্রী প্রতারণা করেছে।
সূত্র: বিবিসি

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গণধর্ষণের পর পঞ্চাশোর্ধ মহিলাকে খুন 

ওপার বাংলা : ফের গণধর্ষণের শিকার হলেন এক পঞ্চাধোর্শ মহিলা। বিহারের নাওয়াদার পাচঙ্কা এলাকার ঘটনা। জানা গিয়েছে, ওই মহিলাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। রবিবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে।

নাওয়াদা সদরের সাব ডিভিশনাল পুলিশ আধিকারিক সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, মহিলার স্বামী রামবিলাস চৌহান একটি ইটভাঁটার কর্মী। তিনি বাড়ি ফিরে স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই মহিলার দেহ নগ্ন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার গলায় ও ঘারে আঘাতে চিহ্ন মিলেছে। পুলিশ অনুমান, তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করবে পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সেই কিশোরীকে জীবন্ত জ্বালিয়ে জনতার শাস্তি (ভিডিও) 

নিউজ ডেস্ক, ২৩ মে : কিশোরীকে জীবন্ত জ্বালিয়ে পাশবিক শাস্তি দিল জনতা। গুয়াতেমালার কাছে রিও ব্র্যাভোর একটি গ্রামের ঘটনা।

জানা গিয়েছে, এক ৬৮ বছর বয়সী ট্যাক্সি চালককে মেরে পালিয়ে যাচ্ছিল। মেয়েটির সঙ্গে অন্য যারা ছিল তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। কিশোরীটিকে ধরে ফেলে উত্তেজিত জনতা।

এই ঘটনার ভয়াবহ সেই ভিডিও ঘুরে বেড়াচ্ছে ইউ টিউব জুড়ে। তাতে দেখা যাচ্ছে, মেয়েটিকে বেধড়ক মেরে রক্ত বের করে দিচ্ছে কিছু উত্তেজিত জনতা। সেই অবস্থায় মেয়েটিকে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে মেয়েটি যখন জ্যান্ত জ্বলছিল তার যন্ত্রণার চীৎকার শুনে উত্তেজিত জনতা উল্লসিত হচ্ছিল।পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করতে গেলে, উপস্থিত জনতা বাধা দেয়।
https://www.youtube.com/watch?v=6HR_SjCy_s4

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যে সময় নারীদের যৌন চাহিদা বেশি থাকে! 

নিউজ ডেস্ক : বয়সের সঙ্গেই বেড়ে ওঠে জীবনের রোমাঞ্চ ও যৌনতার অভীপ্সা, এমনটাই দাবি করছে নিউইয়র্কের একটি গবেষণা। পুরুষদের থেকে মহিলারাই নাকি যৌন সঙ্গমে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করেন এই তথ্যও উঠে এসেছে ঐ গবেষণায়। নিউইয়র্কের লিপ টেলর নামের একটি ফার্মের সমকালীন সার্ভে থেকে পাওয়া গেছে এমনই সব রোমাঞ্চকর তথ্যাদি। হেলথি উইমেন ডট ওআরজি-তে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী মহিলাদের বয়সের সঙ্গেই বেড়ে ওঠে তাদের যৌন আকাঙ্ক্ষা। খবর জিনিউজ।

১৮ উর্দ্ধ ১০০০ জন মহিলার ওপর এই গবেষণা করা হয়। যেখানে দেখা যায় ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী মহিলারদের মধ্যে যৌনতার অভিজ্ঞতা সব থেকে বেশি পরীক্ষামূলক হয়। গবেষণালব্ধ নমুনার মধ্যে দেখা গেছে ৫০ বছর গড়ের মহিলাদের ২৯% এমন রয়েছেন যারা এক সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৭ বার যৌন সঙ্গম করে থাকেন।

মহিলাদের বয়স যত বাড়ে মহিলারা তাদের সঙ্গীর শরীরের সঙ্গে ততধিক কমফোর্ট হন। যৌন সঙ্গমও হয় আরামদায়ক। তাদের কাছে রোম্যান্স আরও বেশি আনন্দদায়ক হয়, মত নার্স নেন্সি বার্মেনের।

গবেষণা থেকে এই তথ্যও উঠে এসেছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্তরঙ্গতা কমে না, বরং বাড়ে। যত সময় ধরে তাঁরা সম্পর্কে থাকেন তাদের মধ্যে যৌন সঙ্গমের আনন্দ ততোধিক বাড়ে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হাতির শুড় নিয়ে জন্ম নিল একটি শিশু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি (ভিডিওসহ) 

নিউজ ডেস্ক : মুসলিম পিটেয়ে হিন্দু বানানো সেই পরিবারে হাতির শুড় নিয়ে ভারতে জন্ম নিল একটি শিশু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মাত্র ৫৭ টাকায় আনলিমিটেড পুরো মাস! 

নিউজ ডেস্ক : নেট ইউজারদের জন্য সুখবর। এবার মাত্র ৫৭ টাকায় ১মাস আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাক আনল দেশের অন্যতম মোবাইল সেবা প্রদানকারী সংস্থা গ্রামীণফোন। এই অফার প্রি-পেইড ও পোস্ট পেইড দু’ধরণের গ্রাহকরাই পাবেন বলে জানানো হয়েছে। জন্য বরাদ্দ। ইউজারদের এহেন সুবিধা দিলেও সংস্থার তরফে শর্ত রাখা হয়েছে। এই সুবিধা পাওয়া যাবে মাত্র রাত ১২টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত। ২জিবি ব্যবহার করতে পারবেন ১ এমবিপিএস স্পিড এ।

অফারটি পেতে হলে আপনার যা করতে হবে

১. এই অফার শুধু বন্ধু প্যাকেজ এর জন্য।
২. বন্ধু প্যাকেজ এ মাইগ্রেট করতে B লিখে সেন্ড করুন 4444 নম্বরে ।
৩. মোবাইলে ৫৭ টাকা ব্যালেন্স রেখে ডায়াল করুন *৫০০*৩#

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু 

রিয়াদ, ১৪ মে : সৌদি আরবের আল হাসা প্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনা এবং রিয়াদের দাড়াইয়া এলাকায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বুধবার দুই বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত বাংলাদেশি শ্রমিকরা হলেন: চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার সাত নম্বর উত্তর মতলব ইউনিয়নের মোহাম্মদ ফায়েজ আহমেদ। অন্যজন লক্ষ্মীপুর জেলার কমনগর উপজেলার চর লরেন্স উইনিয়নের নাজির আহমেদের ছেলে শাহজাহান হাওলাদার।

জানা গেছে, বুধবার দুপুরে ফায়েজ আহমেদ সুপার মার্কেট থেকে বাজার নিয়ে বাসার উদ্দেশে সড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী একটি গাড়ির ধাক্কায় মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে বিকেলে তার মৃত্যু হয়। তার লাশ আল হাসা হাসপাতালের রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা অথবা যথাযোগ্য মর্যাদায় সমাহিত করার বিষয়টি নিয়ে কনস্যুলেট থেকে নিয়োগ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

এদিকে, শাহজাহান হাওলাদার (৫০) নামে আরেক বাংলাদেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার কমনগর উপজেলার চর লরেন্স উইনিয়নের নাজির আহমেদের ছেলে। নিহত শাহজাহানের বন্ধু আলী মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, শাহজাহানের লাশ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে কাজ চলছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর