২৮ মার্চ ২০১৭
রাত ১২:৩২, মঙ্গলবার

বঙ্গোপসাগরে লুণ্ঠিত ট্রলারসহ ১৩ জলদস্যু আটক

বঙ্গোপসাগরে লুণ্ঠিত ট্রলারসহ ১৩ জলদস্যু আটক 

চট্টগ্রাম, ২৭ মার্চ : বঙ্গোপসাগরে লুণ্ঠিত ফিশিং ট্রলারসহ ১৩ জলদস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এসময় তাদের কাছ থেকে ২ রাউন্ড গুলি, ১০টি চাপাতি, ১০টি মোবাইল ফোন, নগদ ৬ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।

ট্রলার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অপহৃত ৭ মাঝিমাল্লাকেও। রবিবার রাত ৮টার দিকে কুতুবদিয়া-মাতারবাড়ী চ্যানেলের অদূরে গভীর সাগর থেকে এদের আটক করা হয়েছে। তবে আটক জলদস্যু ও উদ্ধার মাঝি মাল্লাদের পরিচয় তাৎক্ষনিক পাওয়া যায়নি।

কোস্টগার্ড পূর্ব-জোনের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লে. কমান্ডার মো. ওমর ফারুক জানান, মাছ ধরার ট্রলার লুট ও মাঝিমাল্লাদের জিম্মি করে রাখার খবরে কোস্টগার্ডের একটি দল রবিবার বিকালে কুতুবদিয়া-মাতারবাড়ী চ্যানেল থেকে গভীর সাগরে অভিযান চালায়।

লুটের শিকার ট্রলারটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় ধাওয়া দিয়ে ১৩ জলদস্যুকে আটক এবং জিন্মি ৭ মাঝি-মাল্লাকে উদ্ধার করা হয়েছে। দস্যুদের কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র,মোবাইল ফোন ও নগদ ৬ হাজার টাকা।

অভিযান সমাপ্তের পর গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লে. কমান্ডার মো. ওমর ফারুক।কক্সবাজার বোট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদও বিষয়টি জেনেছেন বলে দাবি করেছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মিরসরাইয়ে ট্রাকে-ট্রাকে ধাক্কা, নিহত ২ 

চট্টগ্রাম, ২২ মার্চ : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলায় দাঁড়িয়ে ট্রাকের পেছনে অপর ট্রাকের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন।

বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ১২ নম্বর খৈয়াছড়া ইউনিয়নের বড়তাকিয়ার পশ্চিম পোলমোগরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ট্রাকচালক রফিক ঢালী (২৬) ও সহকারী শিমুল মিয়া (২৪)। শিমুল কেশবপুরের বিষয়খালী এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে।

জোরারগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকামুখী একটি ট্রাক (যশোর ট-১১০৪) মহাসড়কের পশ্চিম পোলমোগরা এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় ঢাকামুখী অপর একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্টো উ ১১-৩৮৭৫) দাঁড়ানো ওই ট্রাকটির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকচালক রফিক ঢালী ও সহকারী শিমুল মিয়া ঘটনাস্থলে মারা যায়।

দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক দু’টি আটক করে ফাঁড়িতে আনা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চট্টগ্রামে ৯২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ 

চট্টগ্রাম, ২২ মার্চ : চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার নতুনপাড়া এলাকা থেকে ৯২০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মনির  হোসেন (৩১), মিজানুর রহমান (২০) ও হালিমা বেগম (২৩)।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হালিমা মনিরের শ্বশুরের বাসার গৃহকর্মী। ইয়াবা ট্যাবলেটের মালিক মনির হালিমাকে ইয়াবা পাচারের কাজে ব্যবহার করেছে। মিজান মনিরের সহযোগী। মনির কক্সবাজার পৌর এলাকার বাসিন্দা। হালিমা ইয়াবা ট্যাবলেট শরীরে বেঁধে কক্সবাজার থেকে বহন করে নিয়ে এসেছিল। আটক তিনজনের বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামি থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সীতাকুণ্ডে দুই জঙ্গির লাশ বেওয়ারিশ দাফন 

চট্টগ্রাম, ২১ মার্চ : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অভিযানে নিহত দুই জঙ্গিসহ এক শিশুর লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে।

সোমবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার চৈতন্যগলি কবরস্থানে ওই তিনজনকে দাফন করা হয়।

পুলিশ জানায়, পরিবারের সদস্যরা তাদের লাশ শনাক্ত করলেও নিতে রাজি হয়নি। তাই আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দুই জঙ্গিসহ এক শিশুর লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সোমবার তিনজনের লাশ পরিবার নেবে না বলে জানায়। এরপর লাশ তিনটি দাফনের জন্য আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি বেওয়ারিশ হিসেবে লাশ তিনটি দাফন করেছে।

১৬ মার্চ সীতাকুণ্ডের লামার বাজার সাধন কুঠির থেকে গ্রেফতার হয় জহিরুল ইসলাম ওরফে জসিম ও তার স্ত্রী আরজিনা। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ প্রেমতলার ছায়ানীড়ে অভিযান চালায়।

সেখানে ১৯ ঘণ্টার অভিযানের সময় গুলি ও আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে নিহত হয় জঙ্গি দম্পতি কামাল-জোবাইদা ও তাদের শিশু সন্তান। একই অভিযানে ঢাকা থেকে নিখোঁজ দুই খালাতো ভাই রাফাদ আল হাসান ও আয়াদ আল হাসানও নিহত হয়।

ওই অভিযানে নিহত দুই জঙ্গি জোবাইরা ইয়াছমিন ও তার স্বামী কামাল হোসেন এবং তাদের শিশুসন্তানের লাশ সোমবার না নেয়ার কথা জানিয়ে দেয় তাদের পরিবার।

এরপর পুলিশ সোমবার রাতে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দুই জঙ্গিসহ এক শিশুর লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করে।

এদিকে সীতাকুণ্ডের জঙ্গি আস্তানা ‘ছায়ানীড়’ থেকে চার দিনের অভিযানে উদ্ধার করা ৩৯টি বোমা, গ্রেনেড ও সুইসাইড ভেস্ট নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় এক ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার রেজাউল মাসুদ এ তথ্য জানান। বিকালে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সর্বশেষ বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে ফিরে আসে। এর পর সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই বাড়ি থেকে আলামত সংগ্রহ করে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা ফিরে এলেও ‘ছায়ানীড়’ পাহারায় রয়েছে পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চট্টগ্রামে দুটি বাড়িতে অভিযান শেষ 

5xid7pen-copy

ঢাকা, ২০ মার্চ : চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানা এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে ওই দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কিছু পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় অভিযান শেষ করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে আজ সোমবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে আকবর শাহ থানা এলাকায় কর্নেল হাট সিডিএ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের চারতলা ভবন ঘিরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এর তিন কিলোমিটার দূরে ঈশান মহাজন লেনের একটি চারতলা বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে অভিযান শেষ হয়।

নগর পুলিশের উপকমিশনার (পশ্চিম) ফারুক উল হক সাংবাদিকদের জানান, কিছু তথ্যর ভিত্তিতে নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে ওই দুটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কিছু পাওয়া যায়নি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সীতাকুণ্ডে নিহত দুই জঙ্গির বাবা আটক 

99

চট্টগ্রাম, ১৯ মার্চ : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার প্রেমতলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে নিহত দুই জঙ্গির বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন সীতাকুণ্ডে নিহত জঙ্গি কামাল উদ্দিনের বাবা মুজাফফর আহম্মদ এবং কামালের স্ত্রী নিহত জোবায়দার বাবা নুরুল আলম।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবু মুসা বলেন, ‘নিহত দুই জঙ্গির বাবাকে আটক করা হয়েছে। তবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাদের সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।’

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ছায়ানীড় থেকে বোমা ও বোমার কাঁচামাল উদ্ধার 

nvadqp31-copy

স্পোর্টস ডেস্ক, ১৮ মার্চ : সীতাকুণ্ড পৌরসভার ‘ছায়ানীড়’ ভবনে জঙ্গিদের একটি কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও বোমার তৈরির কাঁচামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত একটি কক্ষ থেকে ১৫টি শক্তিশালী বোমা এবং বোমা তৈরির ৬ ড্রাম কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম আজ দুপুরে তাঁর দপ্তরে বলেন, ছায়ানীড় ভবনটিতে জঙ্গিদের বাসার তিনটি কক্ষে বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির কাঁচামাল রয়েছে। একটি কক্ষ থেকে ১৫টি বোমা এবং ৫ ড্রাম হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ও এক ড্রাম অ্যাসিড উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতি ড্রামে ৪০ লিটার করে রাসায়নিক রয়েছে।

ডিআইজি শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি চালাচ্ছে। উদ্ধার হওয়া বোমাগুলোর মধ্যে ১০-১২টি বোমার প্রতিটির ওজন ৩ থেকে ৪ কেজি। ব্যাটারি সংযুক্ত করে বোমাগুলোর বিস্ফোরণ ঘটানো যায়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা বলেন, একটি কক্ষের তল্লাশি শেষ হয়েছে। অত্যন্ত ধীর গতি এবং সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি অভিযান চালাতে হচ্ছে। কারণ, বোমা নিষ্ক্রিয় দলের সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টি এখানে জড়িত।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার ভোরে জঙ্গি অভিযান শেষ হওয়ার পর সীতাকুণ্ড পৌরসভা এলাকার ছায়ানীড় ভবনের বাড়িটি সিলগালা করে দেয় পুলিশ। আজ শনিবার বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা তল্লাশি অভিযান শুরু করার আগে সেখানে ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীরা পানি ছিটিয়ে দেয়। তল্লাশি অভিযানে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সঙ্গে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের ক্রাইম সিন বিভাগসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সীতাকুণ্ডে ২৪ ঘণ্টায় নিষ্ক্রিয় করা হলো ১৩টি বোমা 

চট্টগ্রাম, ১৭ মার্চ : সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানায় বোমা নিষ্ক্রিয় বিশেষজ্ঞ দল গত ২৪ ঘণ্টায় জঙ্গিদের মজুদকৃত বোমাগুলোর মধ্যে ১৩টি বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে। এখনো বোমা নিষ্ক্রিয়করণের কাজ অব্যাহত রেখেছে।

জানা গেছে, পৌরসভাস্থ ৫নং ওয়ার্ডের চৌধুরী পাড়া গ্রামে জঙ্গিদের আস্তানা ‘ছায়ানীড়’ নামে একটি বাড়ির নীচ তলার কক্ষে সোয়াতের বিশেষ টিম অপারেশন অ্যাসল্ট-১৬ গত বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় অভিযান চালিয়ে ৪ জন জঙ্গিকে নির্মূল করে।

জঙ্গিদের নির্মূল করার পর ঐদিনই বেলা ১১টা থেকে পুরো বাড়িটি বোমা নিষ্ক্রিয় বিশেষজ্ঞ দল তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তারা বোমাগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। পরে বড় বোমা ১০টি এবং কোমড়ে বেঁধে সুই-সাইড করার জন্য ৩টি বোমা নিষ্ক্রিয় করে। তবে আরো অনেক বোমা থাকতে পারে তাই বোমা নিষ্ক্রিয় বিশেষজ্ঞ দল এখনো তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

অপরদিকে গত বুধবার ৭নং ওয়ার্ডের আমিরাবাদ গ্রামে সাধন কুঠির থেকে ২ জঙ্গিকে আটকের পর ঐ কক্ষটি পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তালা দেয়া হয়। কারণ কক্ষটিতে আরো কিছু আছে কিনা তা বোমা বিশেষজ্ঞ দল দিয়ে আরেকবার পরীক্ষা করা হবে।

আটককৃত জঙ্গি মো. জসিম উদ্দিন (২৪) কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁ এলাকার মৃত শহীদুল আলমের ছেলে বলে জানা যায় এবং জঙ্গি তার স্ত্রী আরজিনা বেগমের (১৯) সুন্দর ফুটফুটে ৬ মাস বয়সের মোসলেন নামে একটি সন্তান আছে। তাদের দুই জনকেই মডেল থানার আলাদা আলাদা কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাখা হয় ও শিশুটিকে শুধুমাত্র দুধ খাওয়ানোর জন্য সময় মত মায়ের কাছে দেয়া হয়। দুধ খাওয়ানো হলে বাচ্চাটিকে আবার পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়। এদিকে আটককৃত আরজিনা আটক হওয়ার সময় পুলিশকে বলতে শোনা গেছে, ‘কেন আমাকে বাঁচালেন, ধরলেন, আপনারা না ধরলে তো আমি মরে যেতাম’। সে আটক হওয়ার আগে তার কোমড়ে আত্মঘাতী বোমা বাঁধা ছিল। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বাড়িওয়ালার স্ত্রী ছবি রানী দাস আরজিনাকে ধরে রাখে। এদিকে আটককৃত জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা হয়।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইফতেখার হাসান পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটকের পর থেকে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ও আসামিদের আদালতে তুলে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে চাওয়া হবে। তবে আসামিরা সহজে মুখ খুলছে না এবং তারা হার্ড লাইনে আছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সীতাকুণ্ডে অভিযানে নারীসহ ৪ জঙ্গি নিহত 

63

চট্টগ্রাম, ১৬ মার্চ : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার চৌধুরীপাড়ার প্রেমতলা এলাকার ‘ছায়ানীড়’ বাড়িতে অভিযানে নারীসহ ৪ জঙ্গি নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোর থেকে চলা আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে গুলি ও বোমায় তারা নিহত হন।

এ সময় ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য এবং সোয়াত ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের দুই সদস্যসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

‘অপারেশন অ্যাসল্ট-১৬’ নামের এই জঙ্গিবিরোধী অভিযান শেষে সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে এক ব্রিফিংয়ে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহা. শফিকুল ইসলাম এসব তথ্য দেন।

তিনি বলেন, ‘অভিযান শেষে ওই বাড়িতে এক নারীসহ চার জঙ্গির লাশ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে দু’জনকে গুলিবিদ্ধ এবং অন্য দু’জনের লাশ ছিন্নভিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে।’

বাড়িটি থেকে বোমা ও বিফোরক দ্রব্য উদ্ধারে কাজ চলছে বলেও জানান শফিকুল ইসলাম।

এদিকে ওই বাড়িতে জঙ্গিদের জিম্মিদশা থেকে দুটি পরিবারের ২০ সদস্যকে উদ্ধার করেছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে ঢাকা থেকে যাওয়া পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও সোয়াত টিম বাড়িটিতে অভিযান শুরু করে।

বিশেষ এ দলের সঙ্গে অভিযানে চট্টগ্রামের সোয়াট, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরাও রয়েছে।

এর আগে বুধবার দিনগত রাত পৌনে ১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সোয়াট টিম। ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও সঙ্গে সঙ্গে অভিযান শুরু না করে অ্যাসেসমেন্ট করেন সোয়াট কর্মকর্তারা। পরে দিনের আলো ফোঁটার পর শুরু হয় ‘অ্যাসল্ট-১৬’ নামের এই অভিযান।

বুধবার রাতে জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা সাংবাদিকদের জানান, ‘ছায়ানীড়’ বাড়িতে ৫-৬ জন জঙ্গি এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও গোলা-বারুদ মজুদ রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।

এর আগে বুধবার দুপুরে সীতাকুণ্ড পৌরসভার লামারবাজার পশ্চিম আমিরাবাদে সাধন চন্দ্র ধরের মালিকানাধীন সাধন কুঠিরের নিচ তলায় অভিযান চালায় পুলিশ।

এ সময় সেখান থেকে ২ মাসের শিশুসহ এক জঙ্গি দম্পতিকে আটক করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌরসভার চৌধুরীপাড়ার প্রেমতলায় ‘ছায়ানীড়’ নামে ওই জঙ্গি আস্তানায় পুলিশ অভিযান চালায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সীতাকুণ্ডে জঙ্গি আস্তানা থেকে ২১ জিম্মি উদ্ধার 

55

চট্টগ্রাম, ১৬ মার্চ : সীতাকুণ্ডের জঙ্গি আস্তানায় ‘অপারেশন অ্যাসল্ট ১৬’ শুরুর পর এ পর্যন্ত সেখান থেকে ২১ জিম্মিকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জিম্মিদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য। বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হওয়া ওই অভিযানে ইতোমধ্যে দুই জঙ্গির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

অভিযানস্থলে উপস্থিত পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ঢাকার অতিরিক্ত উপকমিশনার আব্দুল মান্নান বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দ্বিতল ভবনটিকে প্রতি ফ্লোরে চারটি করে ফ্ল্যাট আছে। এরমধ্যে একটি ফ্ল্যাট জঙ্গিরা ভাড়া নিয়েছিল। বাকি ফ্ল্যাটগুলোতে ৭টি পরিবার বাস করতো। গতকাল দুপুরে পুলিশ জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু করার পর ভবনে থাকা পরিবারগুলোর সদস্যরা এতে আটকা পড়ে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সীতাকুণ্ডে অভিযানে ২ জঙ্গি নিহত 

চট্টগ্রাম, ১৬ মার্চ : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার চৌধুরীপাড়ার প্রেমতলা এলাকার ‘ছায়ানীড়’ বাড়িতে অভিযানে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছেন।

অভিযানের এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে দুই জঙ্গি নিহত হন বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ঢাকার অতিরিক্ত উপকমিশনার আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, ভোর ৬টায় অভিযান শুরুর পরপরই জঙ্গিরা জবাব দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় ১০ মিনিট গুলি বিনিময় হয়। এতে সোয়াত ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের দুই সদস্য আহত হন।

আবদুল মান্নান আরও জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আইনশৃংখলা বাহিনী বাড়িটিতে ঢোকার চেষ্টা করলে জঙ্গিরা বোমার বিস্ফোরণ ও গুলি চালাতে শুরু করে। আইনশৃংখলা বাহিনী আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই দুই জঙ্গি নিহত হন।

লাশ এখনও ওই বাড়িতেই রয়েছে। আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

এদিকে ওই বাড়িতে জঙ্গিদের জিম্মিদশা থেকে দুটি পরিবারের ছয় সদস্যকে উদ্ধার করেছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে ঢাকা থেকে যাওয়া পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও সোয়াত টিম বাড়িটিতে অভিযান শুরু করে।

বিশেষ এ দলের সঙ্গে অভিযানে চট্টগ্রামের সোয়াট, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরাও রয়েছে।

এর আগে বুধবার দিনগত রাত পৌনে ১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সোয়াট টিম। ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও সঙ্গে সঙ্গে অভিযান শুরু না করে অ্যাসেসমেন্ট করেন সোয়াট কর্মকর্তারা। পরে দিনের আলো ফোঁটার পর শুরু হয় ‘অ্যাসল্ট-১৬’ নামের এই অভিযান।

বুধবার রাতে জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা সাংবাদিকদের জানান, ‘ছায়ানীড়’ বাড়িতে ৫-৬ জন জঙ্গি এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও গোলা-বারুদ মজুদ রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।

এর আগে বুধবার দুপুরে সীতাকুণ্ড পৌরসভার লামারবাজার পশ্চিম আমিরাবাদে সাধন চন্দ্র ধরের মালিকানাধীন সাধন কুঠিরের নিচ তলায় অভিযান চালায় পুলিশ।

এ সময় সেখান থেকে ২ মাসের শিশুসহ এক জঙ্গি দম্পতিকে আটক করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৌরসভার চৌধুরীপাড়ার প্রেমতলায় ‘ছায়ানীড়’ নামে ওই জঙ্গি আস্তানায় পুলিশ অভিযান চালায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাবুলের বিরুদ্ধে আকরাম হত্যার অভিযোগ 

366

চট্টগ্রাম, ১৫ মার্চ : মিতু হত্যা মামলা তদন্ত কর্মকর্তার কাছে প্রাক্তন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে ভাই হত্যার অভিযোগ দিলেন এসআই আকরামের বোন জান্নাত আরা পারভীন।

বুধবার সকালে চট্টগ্রামের লালদিঘীর পাড়ে অবস্থিত নগর গোয়েন্দা পুলিশের সদর দপ্তরে মিতু হত্যার তদন্ত কর্মকর্তা এডিসি কামরুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আকরামের বোন জান্নাত আরা পারভিন এবং ভাগ্নি মুর্শিদা ডলি।

এডিসি কামরুজ্জামান বলেন, ‘এসআই আকরামের বোন চট্টগ্রাম এসে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অনুমতি চেয়েছিলেন। আমি অনুমতি দেওয়ার পর তারা আজ দপ্তরে এসে দেখা করে কিছু অভিযোগ দিয়ে গেছেন।’

বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে আসা জান্নাত আরা পারভিন বলেন, ‘আমার ভাই সড়ক দুর্ঘটনায় নয়, তাকে হত্যা করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা আছে। আমরা এ ব্যাপারে অভিযোগ দিতে মিতু হত্যার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেছি। এর আগে আমরা সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত সাংবাদিকদের জানিয়েছি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে মিতু হত্যার তদন্ত কর্মকর্তাকে জানালাম।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ জুন চট্টগ্রামের জিইসি মোড় এলাকায় নিজ বাসার কাছে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন প্রাক্তন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এই হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

টাকার জন্য বন্ধুকে খুন! 

rd6m8ylb-copy

চট্টগ্রাম, ১৩ মার্চ : টাকার জন্য ছুরিকাঘাতে বন্ধুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকার একটি মেসে রোববার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে।

মেসের বাসিন্দারা জানায়, রোববার গভীর রাতে মাকসুদকে (৩২) ছুরিকাঘাত করে তার বন্ধু হোসেন। গুরুতর জখম অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সোমবার হোসেনকে আসামিকে করে হালিশহর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক।

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান সমকালকে বলেন, ‘হালিশহর বি-ব্লকের দুই নম্বর সড়কের একটি একতলা পুরাতন ভবনের মেসে মাকসুদকে ছুরিকাঘাতে খুন করে তারই বন্ধু হোসেন। মাকসুদের কাছে কিছু টাকা ছিল। সেই টাকার জন্যই তাকে খুন করা হয়েছে বলে ধারণা করছি আমরা।’

তিনি আরও জানান, নিহত মাকসুদের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায়। মাসখানেক আগে কাজের সন্ধানে শহরে এসে তিনি তার বন্ধু হোসেনের সঙ্গে মেসে উঠেছিলেন।

মেসের বাসিন্দারা জানায়, রাত আড়াইটার দিকে হোসেনদের রুমে চিৎকার শুনে ছুটে গিয়ে মাকসুদকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। এ ঘটনার পরপরই হোসেন পালিয়ে যায়।

বন্ধুকে খুনের অভিযোগে হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে জানিয়ে ওসি মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে মাকসুদের বন্ধু হোসেন পালিয়ে রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।’

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

প্রথমবারের মতো নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো দু’টি সাবমেরিন 

3723

চট্টগ্রাম, ১২ মার্চ : বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো দু’টি সাবমেরিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার সাড়ে ১১টার দিকে বিএনএস ঈসা খাঁ নৌ জেটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চীন থেকে পাওয়া বিএনএস নবযাত্রা ও বিএনএস জয়যাত্রা সাবমেরিন দুইটির কমিশনিং করেন।

এর আগে বেলা ১১টার পর চট্টগ্রামের ঈসা খাঁ নৌ জেটিতে পৌছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকাল তিনটায় তিনি চট্টগ্রাম ওয়াসার নবনির্মিত ‘শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পতেঙ্গা বোট ক্লাবে যাবেন বলে জানা গেছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মীরসরাইয়ের ‘জঙ্গি আস্তানা’ থেকে বিপুল গ্রেনেড অস্ত্র উদ্ধার 

2221212

চট্টগ্রাম, ৮ মার্চ : চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম, গ্রেনেড, কার্বণ স্টিল, চাপাতি ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর মেশিনসহ জঙ্গিদের ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা।

মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত উপজেলা সদরের কলেজ রোডের রেদওয়ান মঞ্জিল নামের দোতলা বাড়ির নীচ কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা।

উদ্ধার অভিযান শেষে বাড়ির ওই দুটি কক্ষ সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ২৩টি হ্যান্ড গ্রেনেড, বোমা তৈরির ৪০টি উপকরণ, ১১ কেজি বিস্ফোরক, ৯টি চাপাতি, বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর মেশিন (IED), ২৮০ বক্স কার্বণ স্টিল (বেয়ারিং বল) (প্রতি প্যাকেটে ১০০ করে), জঙ্গি পোষাক (৭টি কালো বড় রুমাল ও ৭টি কালো পাঞ্জাবী) আরবীতে লেখা একটি ব্যানারসহ আরো অন্যান্য উপকরণ।

পুলিশ জানায়, চলতি বছরের১ ফেব্রুয়ারি জঙ্গিরা নিজেদের কাপড় ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে মীরসরাইয়ের উক্ত বাড়িতে বাসা ভাড়া নেয়। এর পর থেকে তারা সেখানে জঙ্গি আস্তানা গড়ে তোলে সবার অগোচরে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার তীরচর গ্রাম এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের একটি চেকপোস্টে বাস থামিয়ে চালকের কাগজ পরীক্ষা করার সময় বাস থেকে দুই ‘জঙ্গি’ নেমে এসে আল্লাহু আকবর বলে দুটি বোমা ছোড়ে। তবে সেগুলো বিস্ফোরিত হয়নি। পরে জসিম ও হাছান নামে দুইজনকে আটক করে পুলিশ। তারা জেএমবির সদস্য বলে দাবি করেছে পুলিশ।

পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে রাতেই পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্য এবং কুমিল্লা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। তারা রাত ১১টা থেকে মীরসরাইয়ের উক্ত বাড়ি ঘিরে রাখে। এবং ভোরে অভিযান শুরু করে। অভিযান চলে বেলা ১১টা পর্যন্ত।

বুধবার সকালে বাড়ি পাহারায় নিয়োজিত মিরসরাই থানার এসআই মো. ইকবাল বলেন, ‘রাতে পুলিশের স্পেশাল দুটি টিম কুমিল্লায় আটক হওয়া এক জঙ্গিকে নিয়ে রিদোয়ান মঞ্জিলে অভিযান চালায়। ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।’

কুমিল্লার একটি চেকপোস্টে পুলিশের ওপর দুই ‘জঙ্গি’র হামলার পর মঙ্গলবার রাত থেকে এ অভিযান চালানো হয়। আজ দুপুরে মীরসরাইয়ে এ অভিযান শেষ করে জঙ্গি দলের এক সদস্যকে নিয়ে অভিযান দল চট্টগ্রামের পটিয়া শান্তিরহাটে তার গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা জানান, ঢাকা থেকে আসা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা কুমিল্লা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এ অভিযান চালায়। তবে বুধবার দুপুর পর্যন্তনতুন করে কাউকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একজন কর্মকর্তা বলেন, কুমিল্লায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তারা মিরসরাইয়ের ওই বাড়িতে আস্তানা গেড়েছিল বলে জানিয়েছে। তাদের নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে মীরসরাইয়ের অভিযান শেষ কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা আটক এক জঙ্গিকে নিয়ে চট্টগ্রামের পটিয়া উপ

Share This:

এই পেইজের আরও খবর