২৩ মে ২০১৭
রাত ১:২৬, মঙ্গলবার

মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম ২ জুলাই পর্যন্ত চলবে

মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম ২ জুলাই পর্যন্ত চলবে 

205

ঢাকা, ২১ মে : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের (ভ্রাম্যমাণ আদালত) কার্যক্রম অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করেছেন সর্বোচ্চ আদালত।

রোববার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতের এই আদেশের ফলে আপাতত মোবাইল কোর্টের (ভ্রাম্যমাণ আদালত)কার্যক্রম চলতে কোনো বাধা রইলো না।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা সংক্রান্ত ২০০৯ সালের আইনের ১টি ধারা ও উপধারাকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে গত ১১ মে রায় দেন হাইকোর্ট।

আদেশে এই আইনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাও অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষ গত ১৫ মে হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল আবেদন করেন। আবেদনটি শুনানির জন্য পরে আপিলের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি।

সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ আপিল বিভাগ ২ জুলাই পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করলেন।

দালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এইচএসসি ভর্তির নীতিমালা কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট 

111

ঢাকা, ১৬ মে :  ২০১৭ সালের এইচএসসি ভর্তির নীতিমালা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এ ছাড়া রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ নিজস্ব পদ্ধতিতে এইচএসসি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিচারকদের চাকরিবিধি: গেজেট প্রকাশের আরও সময় পেল সরকার 

3562

ঢাকা, ১৫ মে : অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করতে আরও দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ সোমবার এ আদেশ দেন।

সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সময় আবেদন করলে তা মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।

এর আগে গেজেট প্রকাশের জন্য একাধিকবার সময় দেন আপিল বিভাগ। সর্বশেষে ৮ মে গেজেট প্রকাশের জন্য ১৫ মে পর্যন্ত সময় দেন আপিল বিভাগ।

প্রায় এক বছর ধরে অধস্তন আদালতে চাকরিবিধি-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ নিয়ে সরকার ও বিচার বিভাগের মধ্যে টানাপড়েন চলছে। এর মধ্যে কয়েকবার সময় দেওয়ার পরও সরকার গেজেট প্রকাশ না করায় গত বছরের ৮ ডিসেম্বর দুই সচিবকে তলবও করেছিলেন আপিল বিভাগ। এ প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি গেজেট প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলেও সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট বলছেন, রাষ্ট্রপতিকে ভুল বোঝানো হয়েছে। গেজেট প্রকাশ করতেই হবে।

প্রেক্ষাপট:  মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করা সংক্রান্ত মাসদার হোসেন বনাম সরকার মামলার যুগান্তকারী রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আপিল বিভাগ বিসিএস (বিচার) ক্যাডারকে সংবিধান পরিপন্থী ও বাতিল ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে জুডিসিয়াল সার্ভিসকে স্বতন্ত্র সার্ভিস ঘোষণা করে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার জন্য সরকারকে ১২ দফা নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা হয়ে বিচার বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে অধস্তন আদালতের জন্য পৃথক শৃঙ্খলা ও আচরণ বিধিমালা এখনও প্রণীত হয়নি। এ নিয়েই সরকার ও বিচার বিভাগের মধ্যে টানাপড়েন চলছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ ঘোষণার রায় স্থগিত 

811

ঢাকা, ১৪ মে : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ আদালত।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগামী ১৮ মে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে রোববার সকালে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় হাইকোর্টের দেয়া রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনার ধারাসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের ধারা ও উপধারাসহ ১১টি বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে রায় দেন উচ্চ আদালত।

হাইকোর্টের ওই রায়ে বলা হয়েছে, এ ১১টি বিধানই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থী।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও বিচারকাজ পরিচালনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা পৃথক তিনটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এ রায়ের ফলে ২০০৯ সালের ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা যাবে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়ে বলা হয়- ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের ধারা ৫, ৬(১), ৬(২), ৬(৪), ৭, ৮(১), ৯, ১০,১১, ১৩ ও ১৫ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং ধারাগুলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে (নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগ) ক্ষমতার পৃথককরণ-সংক্রান্ত সংবিধানের দুটি মৌলিক কাঠামোবিরোধী। অনাকাঙ্খিত জটিলতা ও বিতর্ক এড়াতে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ হওয়া বিষয়গুলো ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেয়া সব আদেশ, সাজা ও দণ্ডাদেশ অতীত বিবেচনায় সমাপ্ত বলে মার্জনা করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়, আইনের ওই বিধানের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক ক্ষমতা দেয়া সংবিধানের লঙ্ঘন এবং তা বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় সম্মুখ আঘাত এবং ক্ষমতার পৃথককরণের নীতিবিরোধী। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ বাংলাদেশ কর্মকমিশনের সব সদস্য (প্রশাসন) প্রশাসনিক নির্বাহী। প্রশাসনিক নির্বাহী হিসেবে তারা প্রজাতন্ত্রের সার্বভৌম বিচারিক ক্ষমতা চর্চা করতে পারেন না, কেননা মাসদার হোসেন মামলার রায়ে এ বিষয়ে পরিষ্কারভাবে বলা আছে। আরও বলা হয়, ৫, ৬(১), ৬(২), ৬(৪), ৭, ৮(১), ৯, ১০, ১১ ও ১৩ ‘কালারেবল প্রভিশন’। ধারাগুলো সরাসরি মাসদার হোসেন মামলার রায়ের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

দুটি পৃথক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ বছর আগে এবং অপর একটির পরিপ্রেক্ষিতে ৫ বছর আগে এ বিষয়ে রুল হয়েছিল। রুলে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের ধারা ৫, ৬(১), ৬(২), ৬(৪), ৭, ৮(১), ৯, ১০, ১১, ১৩, ১৫ কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল।

পৃথক রুলের ওপর একসঙ্গে ৮ মার্চ শুনানি শেষ হয়। সেদিন আদালত আবেদনগুলো রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। এরপর গত ১১ মে রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গ্যাটকো মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৮ জুন 

11

ঢাকা, ১৪ মে : গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৮ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ রবিবার আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এ দিন ধার্য করেন।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক চারদলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়।

ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

পরে মামলাটি জরুরি ক্ষমতা আইনে অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচারিক আদালতে মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ২০০৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো। এর তিনদিন পর খালেদা ও কোকোর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল দেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে মামলাটি জরুরি ক্ষমতা আইনের অন্তর্ভুক্ত করা কেন ‘বেআইনি ও কর্তৃত্ব বহির্ভূত’ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছিল ওই রুলে। তবে হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়।

দুদক আইনে গ্যাটকো মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৮ সালে আরেকটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। তার আবেদনে হাইকোর্ট আবারও মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন এবং মামলাটি কেন বাতিলের নির্দেশ দেয়া হবে না- এ মর্মে রুল জারি করেন।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিগত চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম শামসুল ইসলাম, এম কে আনোয়ার, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী।

তবে মামলার ২৪ আসামির মধ্যে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো, সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান, বিএনপির সাবেক মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া ও সাবেক মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী মারা যাওয়ায় এখন আসামির সংখ্যা ২০।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস 

31

ঢাকা, ২৫ এপ্রিল : আপিল বিভাগ এক রায়ে বলেছেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ আমৃত্যু কারাবাস। কোনো মামলায় যদি আপিল বিভাগ বা হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ডের সাজা পরিবর্তন করে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন তবে সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত কারাভোগ করতে হবে। আদালতের এ রায়ের কপি পাওয়ার পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অপরাপর আসামির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র সচিব ও কারা মহাপরিদর্শককে বলা হয়েছে।

১৫ বছর আগে সাভারে সংঘটিত জামান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়ে আপিল বিভাগের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ কথা বলা হয়েছে।

সোমবার ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। চার বিচারপতির স্বাক্ষরের পর অবকাশকালীন সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে (www.supremecourt.gov.bd) ৯২ পৃষ্ঠার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়।

আপিল বিভাগ থেকে প্রকাশ করা পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে এটাই বিধান। এক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডটা হচ্ছে ব্যতিক্রম। যখন এ ধরনের পরিস্থিতিতে কাউকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়, তখন অবশ্যই এর কারণ উল্লেখ করতে হয়।

দণ্ডবিধির ৫৩ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অর্থ ৪৫ ধারার সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হবে। সেক্ষেত্রে দেখা যায়- যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড। রায়ে বলা হয়, যদি হাইকোর্ট বিভাগ বা এই আদালত (আপিল বিভাগ) মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করেন তখন এবং নির্দেশ দেন যে, তার স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত এই কারাদণ্ড ভোগ করবে, তখন এ ধরনের মামলায় সাজা কমানোর আবেদন গ্রাহ্য হবে না। দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা সেখানেই প্রযোজ্য হবে, যেখানে সর্বোচ্চ দণ্ড হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ধরনের বিধান যদি করা হয়, তখন সাজার ভগ্নাংশ গণনা করাটা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সাজা কমানোর (রেয়াদ প্রদান) ক্ষেত্রে কারাবিধি প্রশাসনিক আদেশ হিসেবে বিবেচিত। মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মামলায় কোনো আদালত বিচারের প্রাথমিক পর্যায়ে আসামি যদি দোষ স্বীকার করেন, সেক্ষেত্রে সাজা দেয়ার ক্ষেত্রে আদালত বা ট্রাইব্যুনাল নমনীয় দৃষ্টিতে দেখতে পারেন। কিন্তু এ ধরনের মামলায় আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে আসামি জেনে বা বুঝে দোষ স্বীকার করেছেন কি না।

আদালত মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দণ্ড দিতে বাধ্য থাকবেন না এবং এই আদালত (আপিল বিভাগ) বা হাইকোর্ট বিভাগ কোনো সাজা দিলে তা ক্ষমা করা, বাতিল করা বা দণ্ড কমানো বা সাজা কার্যকরে বিলম্ব করতে সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদে দেয়া ক্ষমতা রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করতে পারবেন।

আইনবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে এটিই বোধহয় ফৌজদারি মামলায় প্রথম কোনো আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায়। এর আগে কোনো ফৌজদারি বা হত্যা মামলায় কোনো আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়নি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট 

07

ঢাকা : সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। সোমবার মোবাইল ফোনের এক বার্তায় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

‘রাজনৈতিক দল হতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া’ সংক্রান্ত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন তিনি।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোনো নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরুপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।’

আবেদনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিচারক নিয়োগ নীতিমালাসংক্রান্ত রুলের নিষ্পত্তি 

ঢাকা : উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের নীতিমালা নিয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ পর্যবেক্ষণসহ এই রায় দেন। তবে আদালত রায়ে কি পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, তা উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত রায় পেলেই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন মামলার আইনজীবী। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন হাসান এম এস আজিম। এ সময় রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পরে রিটকারী আইনজীবী রাগীব রউফ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বিচারক নিয়োগ নীতিমালাসংক্রান্ত বিষয়ে জারি করা রুলটি নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছেন। তবে রায়ে কি পর্যেবেক্ষণ দিয়েছেন তা পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হলেই আমরা জানতে পারব। পূর্ণাঙ্গ রায় দেখে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।

এ মামলায় ২০১৬ সালের ১০ মে রুল শুনানি শুরু হয়, যা শেষ হয় ২৮ আগস্ট। ওই দিনই শুনানি শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আদালত। রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ থাকা দীর্ঘ প্রায় আট মাস পর বুধবার রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়।

রুল শুনানিকালে এ মামলায় অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে মতামত দিয়েছেন সাতজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তাঁরা হলেন ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, আজমালুল হোসেন কিউসি, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও এ এফ হাসান আরিফ।

বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা আনতে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালের ৩০ মে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাগীব রউফ চৌধুরী এ রিট দায়ের করেন।

রিটের শুনানি নিয়ে ২০১০ সালের ৬ জুন বিচারপতি মো. ইমান আলী ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগে বাছাই প্রক্রিয়ায় ‘স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা’ আনতে কেন সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা তৈরি করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পরে রিট মামলাটি শুনানির জন্য বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে যায়। ওই বেঞ্চ সাতজন অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মাছ-মুরগির খাদ্যে ট্যানারি বর্জ্য নয় : আদালত 

ঢাকা, ৯ এপ্রিল : মাছ ও মুরগির খাবার তৈরিতে ট্যানারি বর্জ্য ব্যবহার বন্ধে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগে।

রোববার শিল্প মালিকদের করা আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন বাতিল করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন মনজিল মোরসেদ।

২০১০ সালের ২৬ জুলাই জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এ বিষয়ে একটি রিট মামলা দায়ের করেছিলেন।

আবেদনে বলা হয়, ট্যানারি বর্জ্য ব্যবহার করে তৈরি করা খাদ্য মুরগি ও মাছ উভয়ের জন্যই অস্বাস্থ্যকর। এইসব অস্বাস্থ্যকর খাদ্য দিয়ে চাষ করা মুরগি ও মাছ খেলে মানুষের জন্যও মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এরপর ২০১১ সালের ২১ জুলাই বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চ এক মাসের মধ্যে এ বর্জ্য ব্যবহার করে মাছ-মুরগির খাবার তৈরিকৃত কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেন।

এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন এ রকম একটি কারখানা শোয়েব এন্টারপ্রাইজের মালিক গোলাম সারোয়ার। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর তার আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

এরপর ফের আবেদন পুনরুজ্জীবিত করেন গোলাম সরোয়ার। যে আবেদন রোববার বাতিল করে দেন আপিল বিভাগ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাষ্ট্রপতির দোহাই দিলে কষ্ট লাগে : সুপ্রিম কোর্ট 

15422

ঢাকা, ৪ এপ্রিল : অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বলেছেন, ‘সময় আবেদনের এই বিষয়টি এলে আপনি মাথা নিচু করে থাকেন। রাষ্ট্রপতির বিষয় টানেন। রাষ্ট্রপতি সবার শ্রদ্ধেয়, তাকে কেন টানেন? তার (রাষ্ট্রপতির) দোহাই যখন দেন, তখন আমাদের কষ্ট লাগে।’

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধি গেজেট আকারে প্রকাশে সরকারপক্ষের আবারও সময়ের আবেদন করায় মঙ্গলবার অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

তবে আজ বিধি গেজেট আকারে প্রকাশ নিয়ে শুনানির সময় মৃদু হাসিমুখে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিরা।

এর আগে গত ২৮ মার্চ গেজেট প্রকাশ নিয়ে রাষ্ট্রপতির প্রসঙ্গ তোলা হলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আপিল বিভাগ। এরপর বিধিমালা গেজেট প্রকাশে সরকারকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেয়া হয়।

আজ সকালে শুনানিকালে গেজেট প্রকাশের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল আরও দুই সপ্তাহের সময়ের আবেদন করলে তা মঞ্জুর করে ৮ মে পর্যন্ত সময় দেন আদালত। এতে ১১তম বারের মতো সময় পেলো সরকার। এর আগে বিধির গেজেট প্রকাশে আরও ১০ বার সময় নেয় সরকার।

এর আগে আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধিমালা প্রণয়ন না করায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর তলব করেন আপিল বিভাগ। তার আগে গত বছরের ৭ নভেম্বর বিধিমালা ওই বছরের ২৪ নভেম্বরের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

ওই ১২ দফার মধ্যে ইতোমধ্যে বেশ কয়েক দফা বাস্তবায়ন করেছে সরকার। এজন্য বারবার আদেশ দিতে হয়েছে আপিল বিভাগকে। এমনকি ২০০৪ সালে আদালত অবমাননার মামলাও করতে হয়েছে বাদীপক্ষকে। এরপর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করে।

এ অবস্থায় ২০১৫ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগ চার সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন সরকারকে। এরপর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করেন। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি সোমবার এ বিষয়ে আপিল বিভাগে শুনানি হয়।

২০০৭ সালের ১০ জানুয়ারি আপিল বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত চারটি বিধিমালা সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে এ সংক্রান্ত মামলাটি এখনও আপিল বিভাগে বিচারাধীন। ১২ দফা নির্দেশনার যেসব দফা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য তাগিদ চলছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি প্রকাশে আবারও সময় পেল সরকার 

15422

ঢাকা, ৪ এপ্রিল : নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশে আবারও আগামী ৮ মে পর্যন্ত সময় পেয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বিধিমালার গেজেট প্রকাশের জন্য এ সময় দেন।

এই গেজেট জারির বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতির কথা বলে এই বিধির গেজেট জারি করতে আবারও সময় চেয়ে আবেদন দাখিল করেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এ নিয়ে গেজেট জারির ক্ষেত্রে গত বছরের ২৮ আগস্ট থেকে ১৫ দফা সময় চেয়ে আবেদন জানাল রাষ্ট্রপক্ষ।

জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনাসহ রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের ৭ম দফায় আলাদা আচরণ ও শৃংখলাবিধি প্রণয়নের নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু সেটি আজও প্রণয়ন হয়নি।

এ অবস্থায় একাধিকবার আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর ২০১৫ সালের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি খসড়া শৃংখলাবিধি তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। এরপর সুপ্রিম কোর্ট থেকে একটি কমিটি গঠন করে ওই খসড়া বিধিমালা সংশোধন করে গেজেট জারির জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে শুনানিকালে গত বছরের ২৮ আগস্ট আপিল বিভাগ বলেন, একটি খসড়া ডিসিপ্লিনারি রুলস তারা (সরকার) দাখিল করেছে। এটি ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থী। এখন আমরা কমিটি করে একটি শৃংখলাবিধি তৈরি করে দিয়েছি। এটির আলোকে গেজেট জারি করে ৬ নভেম্বর আপিল বিভাগকে জানাতে সরকারের প্রতি নির্দেশনা দেয়া হয়।

এরপর সরকার একের পর এক সময় চাইতে থাকেন। এক পর্যায়ে গত ডিসেম্বরে আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে আপিল বিভাগে তলব করা হয়। ১২ ডিসেম্বর দুই সচিবকে হাজির হয়ে এই শৃংখলাবিধির গেজেট জারির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

এ অবস্থায় গত বছরের ১১ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি পত্র জারি করা হয়। এতে বলা হয়, ‘অধস্তন আদালতের বিচারকগণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট প্রস্তাবিত আচরণ ও শৃংখলাবিধির খসড়া গেজেটে প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা নেই। এ ব্যাপারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সানুগ্রহ সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।’

১২ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব হাজির হয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মাধ্যমে আদালতের কাছে এই পত্র তুলে ধরেন।

ওইদিন আপিল বিভাগ বলেন, ‘এটা কী লিখেছেন। আমরা তো খসড়া বিধিমালার কোনো প্রস্তাব দেইনি। মাসদার হোসেন মামলার ১২ দফা নির্দেশনায় এই আলাদা চাকরিবিধি তৈরির কথা আছে। ১৪ বছরেও এই বিধি তৈরি হয়নি। সে নির্দেশনা অনুযায়ী ওই বিধির খসড়া আপনারাই তৈরি করে পাঠিয়েছিলেন। সরকার যে খসড়া পাঠিয়েছিল মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে ওই খসড়া সংশোধন করে দিয়েছি মাত্র। আমরা তো কোনো প্রস্তাব পাঠাইনি। রাষ্ট্রপতিকে ভুল বোঝানো হয়েছে।’

শুনানি শেষে আদালত ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ওই শৃংখলাবিধির গেজেট জারি করার জন্য নির্দেশ দিয়ে ওইদিন পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন। এরপরও দফায় দফায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সময় আবেদন করা হয়। সর্বশেষ গত ২৮ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষে চার সপ্তাহ সময় চাইলে আপিল বিভাগ এক সপ্তাহ সময় দেন। সে অনুযায়ী আজ গেজেট জারির আদেশ বাস্তবায়ন না করেই রাষ্ট্রপক্ষ ফের সময় চেয়ে আবেদন দাখিল করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘ঘুষের হাট নবাবগঞ্জ ভূমি অফিস’: দুদককে তদন্তের নির্দেশ 

37

ঢাকা, ৩ এপ্রিল : ‘ঘুষের হাট নবাবগঞ্জ ভূমি অফিস’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের অভিযোগ আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি শহীদুল করিমের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গতকাল রবিবার একটি জাতীয় দৈনিক প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানী ঢাকার পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলা অফিসে ঢুকতেই চোখে পড়বে গ্রামের সাধারণ মানুষকে সচেতন করার নানান উদ্যোগ। দালাল থেকে দূরে থাকুন, নামজারির ক্ষেত্রে সরকারি ফি সাড়ে ১১০০ টাকার বেশি কাউকে দিবেন না। রসিদ বুঝে টাকা জমা দিন ইত্যাদি।

কিন্তু ভূমি অফিসটির ভেতরের চিত্র একেবারেই উল্টো। বাস্তবতা হল এখানে প্রতিদিন রীতিমতো ঘুষের হাট বসে। প্রকাশ্যে চলে ঘুষ লেনদেন। দালাল ছাড়া রেকর্ড সংশোধনের কোনো ফাইল জমা হয় না।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ওসি এসআইকে প্রত্যাহার বিষয়ে শুনানি আগামীকাল 

534

ঢাকা, ২ এপ্রিল : দুই  শিশুকে বাইরে রেখে দুই মাকে ১৩ ঘণ্টা থানায় আটকে রাখার ঘটনায় মাদারীপুরের সদর থানার ওসি জিয়াউল মোরশেদ ও এসআই মো. মাহাতাবকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের বিষয়ে আপিল শুনানি আগামীকাল সোমবার।

রোববার সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমীন উদ্দীন। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার।

এর আগে গত ২৯ মার্চ মাদারীপুরের সদর থানার ওসি জিয়াউল মোরশেদ ও এসআই মো. মাহাতাবকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে আগামী ৮ মে’র মধ্যে পুলিশের আইজিপিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। পরে এ আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা।

বুধবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

গত ২১ মার্চ এ ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানার ওসি জিয়াউল মোরশেদ ও এসআই মো. মাহাতাবকে তলব করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই ঘটনা তদন্ত করে আগামী ৯ মে পুলিশের মহাপরিদর্শককে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।

এ ছাড়া অমানবিকভাবে দুই মাকে ১৩ ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনাকে কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুল জারি করা হয়।

গত ২০ মার্চ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রানা কাওসার ।

পরে রিটকারী আইনজীবী রানা কাওসার সাংবাদিকদের জানান, গত ১২ মার্চ সকাল ১০টার দিকে বিরোধপূর্ণ একটি জমির তদন্ত কাজে যান মাদারীপুর সদর থানার এসআই মাহাতাব হোসেন। এ সময় তিনি লক্ষ্মীগঞ্জ এলাকার বিরোধপূর্ণ জমির পাশের বাড়ির খালেক বেপারীর ছেলে পনির হোসেনের কাছে মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চান। পনির হোসেন মামলার বিষয়ে কিছু জানে না বলে জানান। এতে এসআই মাহাতাব ক্ষিপ্ত হয়ে পনিরকে থাপ্পড় দেন। এতে পনির হোসেন পুলিশের সঙ্গে বাগবিতাণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে আরো বেশি ক্ষিপ্ত হন মাহাতাব। পরে ফোন করে সদর থানা থেকে তিন গাড়ি পুলিশ নিয়ে পনিরের বাড়িতে ব্যাপক তাণ্ডব চালান তিনি।

এ সময় পনির ও তার বড় ভাই-বোনের ঘরের মূল্যবান আসবাব ও নিত্য প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র ও চুলা ভেঙে ফেলে পুলিশ। এক পর্যায়ে পনিরের স্ত্রী ঝুনু বেগম ও তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী আকলিমা বেগমকে টেনে-হিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন ঝুনু বেগমের তিন মাসের শিশু ও আকলিমা বেগমের ১৮ মাসের শিশুকে কোল থেকে রেখে যেতে বাধ্য করে পুলিশ। পরে রাত ১২টার দিকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সাদা কাগজে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এফবিসিসিআই নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রুল খারিজ 

02

ঢাকা, ৩০ মার্চ : এফবিসিসিআই নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে ১৪ মে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন হতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তবে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আদালতে আবেদনকারী ময়মনসিংহ চেম্বারের সভাপতি আমিনুল হক শামীমকে ৩০ মের মধ্যে বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আদালতে এফবিসিসিআইর পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ব্যবসায়ীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।

ময়মনসিংহের এক ব্যবসায়ীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২২ মার্চ এফবিসিসিআই-এর আগামী ১৪ মে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন দুই মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। হাইকোর্টে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আবেদনটি দায়ের করেন ময়মনসিংহ চেম্বারের সভাপতি আমিনুল হক শামীম। আবেদনকারীদের দাবি, নিয়ম হচ্ছে বিভাগীয় পর্যায়ে একজন প্রতিনিধি থাকবেন। কিন্তু এতে ময়মনসিংহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ বিষয়ে আবেদন করেও কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি।

পরে আবেদনকারী হাইকোর্টে আবেদন করেন। হাইকোর্ট নির্দেশ দিলেও ময়মনসিংহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ কারণে আমিনুল হক শামীম নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন। হাইকোর্ট দুই মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেন। এর আগে তফসিল অনুযায়ী ১০ এপ্রিলের মধ্যে পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র দাখিলের নিয়ম ছিলো। আর ১৪ মে’র নির্বাচনে নির্বাচিত পরিচালকরা ১৬ মে সভাপতি, প্রথম সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন করবেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিচারকদের শৃংখলাবিধি: গেজেট প্রকাশে ফের সময় 

146

ঢাকা, ২৮ মার্চ : অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করতে ফের এক সপ্তাহের সময় পেল সরকার।

মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ সময় দেন।

জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় (বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়া হয়। ওই রায়ে নিন্ম আদালতের বিচারকদের জন্য আলাদা শৃংখলা বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

সে ধারাবাহিকতায় আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর ২০১৫ সালের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি খসড়া শৃংখলাবিধি প্রস্তুত করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠায়।

কিন্তু গত বছরের ২৮ আগস্ট খসড়ার বিষয়ে আপিল বিভাগ বলেন, সরকারের খসড়াটি ছিল ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থী।

এরপর সুপ্রিমকোর্ট একটি খসড়া বিধিমালা তৈরি করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। একই সঙ্গে গত বছরের ৬ নভেম্বরের মধ্যে তা গেজেট আকারে প্রণয়ন করে আদালতকে জানাতে আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি জানাতে ব্যর্থ হন। এরপরও দু’দফায় সময় দেয়ার পর গেজেট জারি না করায় গত বছরের ৮ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে ১২ ডিসেম্বর আদালতে হাজির করতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দেয়া হয়।

তবে দুই সচিব হাজির হওয়ার একদিন আগে ওই শৃংখলা বিধিমালার গেজেট আকারে প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা নেই বলে রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন উল্লেখ করে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

১২ ডিসেম্বর দুই সচিব হাজির হলে রাষ্ট্রপতিকে ভুল বোঝানো হয়েছে উল্লেখ করে আপিল বিভাগ ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বিধিমালার গেজেট আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন।

সেই নির্ধারিত দিনে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ফের চার সপ্তাহের সময় আবেদন করেন।

পরে আদালত ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেন। এরপর আবারও সময় আবেদন করলে আজ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেন আপিল বিভাগ। কিন্তু অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা সংক্রান্ত পৃথক বিধিমালা প্রণয়ন করে গেজেট প্রকাশে সরকারের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ১২ ফেব্রুয়ারি আবারও সময় চাইলে এই সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার কি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সময় ক্ষেপণের ব্যাখ্যা ১৩ ফেব্রুয়ারি সোমবারে মধ্যে জানাতে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার আবার সময় চাইলে শেষবারের মতো ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেন আপিল বিভাগ।

এরপর আবারো সময় প্রার্থনা করলে আদালত ১৪ মার্চের মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেন। কিন্তু তাতেও ব্যর্থ হলে সরকারের আবেদনে উষ্মা প্রকাশ করেন আপিল বিভাগ।

আপিল বিভাগ বলেন, ‘রাষ্ট্রের কাছে ব্যক্তির চেয়ে প্রতিষ্ঠান বড়। এটিকে রক্ষা করতে হবে। গেজেট জারি না করে বিচার বিভাগকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে।’

সেসময় আদালত আদালত দুই সপ্তাহ সময় মঞ্জুর করেন। সর্বশেষ  আজ এক সপ্তাহের সময় পেল সরকার।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর