২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
রাত ৩:১৪, শুক্রবার

আবার দেখা হবে বন্ধু

আবার দেখা হবে বন্ধু 

jokes-120170131110703

চিকিৎসক : ট্রাকে ধাক্কা খেয়ে আপনি সামান্য ব্যথা পেয়েছেন। এখন তো আপনি সুস্থ। তারপরও কাঁদছেন কেন?
রোগী : আমি যে ট্রাকে ধাক্কা খেয়েছি তাতে লেখা ছিল, ‘আসি আবার দেখা হবে বন্ধু’। আবার যদি দেখা হয়, তাই!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এক মুখে কয় কথা 

jokes-120170131110703

শিক্ষক : বল্টু বল তো ৭ আর ৩ কত হয়?
ছাত্র : স্যার ১১!
শিক্ষক : ৭ আর ৩ এ ১০ হয় বলতে পার না?
ছাত্র : স্যার আপনের কথার কোন দাম নেই, আপনি মিথ্যুক।
শিক্ষক : কেন?
ছাত্র : সেদিন বললেন ৫ আর ৫ এ ১০ হয়। তারপর একদিন বললেন ৬ আর ৪ এ ১০ হয়। আর আজ বলছেন ৭ আর ৩ এ ১০ হয়। আপনি এক মুখে কয় কথা বলেন? আপনার জবানের ঠিক নাই!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পাহাড়ের চূড়ায় গুপ্তধন 

jokes-120170131110703

একদিন বল্টু রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলো। হঠাৎ সে তার সামনে একটা চকচকে কাগজ দেখতে পেলো। কাগজের ভাঁজ খুলেই সে বুঝতে পারলো যে, কাগজটা একটা গুপ্তধনের ম্যাপ। সে আর দেরী না করে সেই ম্যাপ অনুসরণ করে পথ চলতে শুরু করলো।

সে কয়েকদিন ধরে পথ চলতে থাকলো। এক সময় পথ চলতে চলতে দিন পেরিয়ে সপ্তাহ, সপ্তাহ পেরিয়ে মাস হয়ে গেলো। কয়েকমাস পথ চলে সাত সাগর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে সে একটা বিশাল লম্বা বরফের পাহাড়ের সামনে এসে পৌঁছলো।

এই পাহাড়ের চূড়াতেই রয়েছে গুপ্তধন। বল্টু অনেক কষ্ট করে সেই বরফের পাহাড় বেয়ে উপরে উঠতে থাকলো। গুপ্তধন তাকে পেতেই হবে! এক সময় সে পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে গেলো এবং সে তার সামনে একটা বড় কাঠের বাক্স দেখতে পেলো।

খুশীতে সে পাগলপ্রায় হয়ে গেলো। সে বুঝতে পারলো এই কাঠের বাক্সের ভেতরেই রয়েছে তার গুপ্তধন। সে তালা ভেঙে বাক্সটার মুখ খুললো এবং দেখলো বাক্সের ভেতরে একটা কাগজ, যাতে লেখা- ‘অ্যাড মি’।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

স্বামীকে বিষ দিয়ে মারবো 

এক বিবাহিত মহিলা ফার্মেসিতে গেল-
মহিলা : ভাই মানুষ মারার বিষ আছে? এক বোতল দেন তো।
দোকানদার : আছে। কিন্তু কেন?
মহিলা : আমি আমার স্বামীকে বিষ দিয়ে মারবো?
দোকানদার : এটা বেয়াইনি কাজ। আমি আপনাকে বিষ দিতে পারব না।

মহিলা তখন তার পার্স থেকে একটা ছবি বের করে দোকানদারকে দেখাল। যেটাতে মহিলার স্বামী আর দোকানদারের স্ত্রী ছিল-
দোকানদার : ওহ! ম্যাডাম, আগে বলবেন না যে আপনার কাছে প্রেসক্রিপশন আছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বউ খালি টাকা চায় 

১ম জন : বাড়িতে শান্তি নেই। বউ খালি টাকা চায়।
২য় জন : কত টাকা?
১ম জন : কোনো ঠিক আছে? ১০০, ২০০, ৫০০ বা যখন যা ইচ্ছে।
২য় জন : বাপ রে! এত টাকা নিয়ে কী করে?
১ম জন : কি জানি, জানি না। দেইনি তো কখনো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মরতে পারলাম না 

1

সন্ধ্যা ৭টা : একদিন এক স্ত্রী তার স্বামীর উপর রাগ করে ঘরের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সাথে শাড়ি ঝুলিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছে!

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা : শ্বশুর আর স্বামী বুঝতে পেরে বাইরে থেকে অনেক বোঝালো। কাজ হলো না! বহু চেষ্টা করেও লোহার দরজা ভাঙতেও পারল না!

রাত ৮টা : নিরুপায় হয়ে থানায় ও তার বাপের বাড়িতে ফোন করল তারা! কোন সাড়া না পেয়ে জীবিত উদ্ধারের আশা তারা ছেড়েই দিল। শ্বশুর কেঁদে উঠল, স্বামীও কাঁদছে। তাদের ৪ বছরের বাচ্চাটাও মা মা করে কেঁদে কেঁদে হয়রান!

কিন্তু একজনকে একদম চিন্তাহীন দেখাল! তিনি শাশুড়ি, ড্রয়িং রুমে বসে কিসের জন্য যেন ওয়েট করছিলেন।
রাত সাড়ে ৮টা : শাশুড়ি টিভি ওপেন করল, ফুল ভলিউমে বেজে উঠল ‘তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা…’।

হঠাৎ সবাই লক্ষ্য করল, দরজা খুলে শাড়িটা পরতে পরতে স্ত্রীটি ড্রয়িং রুমের দিকে দৌড়াতে দৌড়াতে উঁচু গলায় বলতে লাগল, ‘এতক্ষণে আমার মরা মুখ দেখতে। কিন্তু স্টার জলসার ‘মা’ সিরিয়ালের ঝিলিকের বাচ্চাটার কি অবস্থা হইছে তা না দেখে মরতে পারলাম না’।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গোপন রাখবো না 

স্বামী : আজ আমি তোমার কাছে কিছুই গোপন রাখবো না। কী জানতে চাও বলো?
স্ত্রী : আমিও। আচ্ছা, আমাদের বিয়ের আগে তোমার কি কোন মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল?
স্বামী : না! তবে মাঝে মাঝে নাইট ক্লাবে যেতাম আর কি!
স্ত্রী : তাই তো বলি তোমাকে এতো চেনা চেনা লাগছে কেন!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

তোমার শেষ ইচ্ছা কী 

পুলিশ : ফাঁসির আগে তোমার কি কোনো শেষ ইচ্ছা আছে? আজকে তোমার শেষ ইচ্ছাটা পূরণ করা হবে।
সর্দার : হুম, একটা ইচ্ছা আছে।
পুলিশ : কী সেই ইচ্ছা?
সর্দার : আমার পা উপরে আর মাথা নিচে রেখে যেন ফাঁসিটা দেয়া হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শীতের রাতে কম্বল 

রাজা : শিয়ালগুলো ডাকছে কেন?
মন্ত্রী : শীতের রাত তো তাই।
রাজা : তাহলে ওদেরকে রাজকোষ থেকে কম্বল দেয়া হোক।
মন্ত্রী : জি হুজুর, আগামীকালই দেবো।

পরের রাতে
রাজা : মন্ত্রী! শিয়ালগুলোর ডাক থামেনি কেন?
মন্ত্রী : কম্বল পেয়ে ওরা হুজুরের শোকর গুজার করছে।

তার পরের রাতে
রাজা : মন্ত্রী, ওরা কতদিন শোকর গুজারি ডাক ডাকবে?
মন্ত্রী : যতদিন ওরা আপনার দেয়া কম্বল ব্যবহার করবে।

****

জেলখানায় দেখা হবে
স্কুলের পরীক্ষায় প্রশ্ন এসেছে, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে লন্ডনের দূরত্ব  ৮ হাজার কিলোমিটার। এক লোক লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে গাড়িতে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে লন্ডন রওনা হলো এবং অপর এক ব্যক্তি লন্ডন থেকে গাড়িতে ১৬০ কিলোমিটার বেগে লস অ্যাঞ্জেলেসে রওনা হলো। তাদের দু’জনের কোথায় দেখা হবে?

ছোট্ট জনি উত্তর লিখল- জেলখানায়! এত জোরে গাড়ি চালাবেন, আর পুলিশ বুঝি আঙুল চুষবে?

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চলো বিয়ে করে ফেলি 

ছেলে : আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই।
মেয়ে : কি! তোমার সাহস তো কম নয়। জানো আমরা কত ধনী। আমার বাবার বাড়ি, গাড়ি আর ইন্ডাস্ট্রি আছে। আর তুমি আমাকে বিয়ে করতে চাও। তোমার কি আছে?
ছেলে : আমার বাজারে ইলিশ মাছের দোকান আছে।
মেয়ে : ও মাই গড! সরি সরি সরি। আমি বুঝতে পারিনি। চলো বিয়ে করে ফেলি।

****

সতীত্ব রক্ষায় বেল্ট
এক ইংরেজ যুদ্ধে যাচ্ছিল। সে তার স্ত্রীর সতীত্ব রক্ষার্থে একটা সতীত্ব রক্ষাকারী বেল্টের দ্বারা তাকে আবদ্ধ করে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধুকে চাবিটা বিশ্বাস করে দিয়ে গেল।
সে তিন-চার মাইল যাওয়ার আগেই পিছনে ফিরে দেখল তার বন্ধু ঘোড়া ছুটিয়ে চিৎকার করতে করতে আসছে-
বন্ধু : থামো বন্ধু, তুমি আমাকে ভুল চাবি দিয়ে গেছ।

****

কাঁটা গলায় আটকে গেছে
হাবু : গলায় কাঁটা বিঁধছে।
ডাবু : ক্যামনে?
হাবু : ইলিশ আর পান্তা একলগে গিলছিলাম। তয় পান্তা পেটে চলে গেছে। মাগার কাঁটা গলায় আটকে গেছে।
ডাবু : দাঁড়া ফেসবুকে পোস্ট করে দিতাছি।
হাবু : আগে ক অহন কি করব?
ডাবু : একটা বিলাই খাইয়া ফ্যাল ও সব কাঁটা খেয়ে ফেলবে।

****

আমাগো লাহান ফকিন্নি
সদ্য গ্রাম থেকে আসা এক ভিক্ষুক ‘রমনা বটমূলের পান্তা চত্বরে’ চলে যায়! গিয়ে দেখে সবাই গণহারে পান্তা ভাত খাচ্ছে!
ভিক্ষুক : সাহেব! আপনারা সবাই পান্তা খাইতাছেন কেন?
ভদ্রলোক : বুঝলে, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাস-ঐতিহ্য ভুলে যাইনি! তাই…
ভিক্ষুক : ওহ! বুঝছি! বুঝছি! সাব, আপনেগো বাপ-দাদারা আমাগো লাহান ফকিন্নির পুত আছিলো!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বুয়ার সঙ্গে প্রেম 

ম্যাডাম : বুঝলে বুয়া, তোমার সাহেবকে নিয়ে আমার খুব সন্দেহ হচ্ছে।
বুয়া : কেন, কী হইছে আপা?
ম্যাডাম : না, আমার মনে হয় তোমার সাহেবের সঙ্গে অন্য কারো প্রেম চলছে।
বুয়া : হায় হায় আপা। একি কন। সাহেব আমারে ধোকা দিতে পারে না। এতো সাধনার পেরেম আমার!

****

রাস্তা থেকে সর
বনের গহীনে রাস্তার মাঝে এক সিংহ শুয়ে আছে। তা দেখে খুবই ভয়ে ভয়ে একটা শিয়াল তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল-
শিয়াল : হুজুর, আপনি এই অবেলায় রোদের মাঝে মাঝরাস্তায় শুয়ে আছেন যে?
সিংহ : আরেহ সাধে কি শুয়ে আছি! গুলি লেগেছে। তাই উঠতে পারছি না।
শিয়াল : তাই বলে তোর বাবার রাস্তা মনে করে শুয়ে থাকবি নাকি! রাস্তা থেকে সর।

****

কেন ঝাঁপ দিলে না
একদিন পাগলা গারদের এক চিকিৎসক তিন পাগলের উন্নতি দেখার জন্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। পরীক্ষায় পাস করতে পারলে মুক্তি, আর না করলে আরো দুই বছরের জন্য আটকানো হবে। চিকিৎসক তিনজনকে সাথে নিয়ে একটা পানিশূন্য সুইমিং পুলের সামনে গিয়ে ঝাঁপ দিতে বললেন।

প্রথম পাগল সাথে সাথেই ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙে ফেলল।
দ্বিতীয় পাগলটিও চিকিৎসকের কথামতো ঝাঁপ দিয়ে হাত ভেঙে ফেলল।
তৃতীয় পাগলটি কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না।

চিকিৎসক আনন্দে চিৎকার করে উঠে বললেন-
চিকিৎসক : আরে, তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ। তোমাকে মুক্ত করে দেব আজই। আচ্ছা বলো তো, তুমি কেন ঝাঁপ দিলে না?  তৃতীয় পাগল : আমি তো সাঁতার জানি না।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাতে আসবে সকালে যাবে 

শিক্ষক : জনি, তুমি কেমন স্ত্রী চাও?
জনি : চাঁদের মতো।
শিক্ষক : খুব সুন্দর। তুমি কি চাও তোমার স্ত্রী চাঁদের মতো সুন্দর আর শান্ত হবে?
জনি : না স্যার, আমি চাই সে রাতে আসবে আর সকালে চলে যাবে।

****

থাপ্পড় দিতে আসার সময়
মিজান : আম্মু এক গ্লাস পানি দাও তো।
মা : এখানে এসে নিয়ে যা।
মিজান : না না, আম্মু দাও না।
মা : একটা থাপ্পড় দিবো।
মিজান : আম্মু, থাপ্পড় দিতে আসার সময় এক গ্লাস পানি নিয়ে এসো!

****

ফ্রিতে চুল কাটাইবা
চুল কাটানোর পর এক লোক নাপিতকে বলল-
ভদ্রলোক : আমি একটু বাইরে থেকে আসছি। এর মধ্যে তুমি আমার ছেলের চুল কাটো!

ছেলের চুল কাটানোর পর নাপিত তাকে জিজ্ঞেস করল-
নাপিত : তোমার বাবা কই!
ছেলে : ওই লোক তো আমার বাবা না। বাইরে দেখা হইছিল আর আমারে বলল ফ্রিতে চুল কাটাইবা? তাইলে আমার সঙ্গে চলো।

****

নোয়াখালীর লোকের কাছে
এক লোক দোকানে গিয়ে বলল-
লোক : টিভির দাম কতো?
দোকানি : নোয়াখালীর লোকের কাছে টিভি বিক্রি করুম না।

এরপর লোকটি পাঞ্জাবি পরে এসে জিজ্ঞেস করল-
লোক : টিভির দাম কতো?
দোকানি : নোয়াখালীর লোকের কাছে টিভি বিক্রি করুম না।

এবার লোকটি স্যুট টাই পরে এসে জিজ্ঞেস করল-
লোক : টিভির দাম কতো?
দোকানি : নোয়াখালীর লোকের কাছে টিভি বিক্রি করুম না।
লোক : ভাই, আপনি কেমনে বুঝলেন আমি নোয়াখাইল্লা?
দোকানি : এটা টিভি না, ওভেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ওটা লন্ড্রির দোকান 

Capture

এক লোকের স্ত্রী বেড়াতে এসে এক জায়গায় একটা সাইনবোর্ড দেখল। তাতে লেখা- ‘বিশাল মূল্য ছাড়। সিল্কের শাড়ি ১০ টাকা, জামদানি ৮ টাকা ও সুতি শাড়ি ৫ টাকা’ দেখে সে তার স্বামীকে বলল-
স্ত্রী : দেখো জান, কী বিশাল ডিসকাউন্ট, অবিশ্বাস্য। এখনই আমাকে ৩০০ টাকা দাও। ইচ্ছেমতো শাড়ি কিনে আনি।
স্বামী : এতো উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। ওটা লন্ড্রির দোকান।

****

পরীর মত সুন্দর

ভিক্ষুক : আপনাকে পরীর মতো সুন্দর লাগছে। কিছু ভিক্ষা দিন না। আমি এক অন্ধ মানুষ।
গৃহকর্ত্রী : দেখলে, লোকটা কেমন মিথ্যুক, সে নাকি অন্ধ।
স্বামী : সে সত্যিই অন্ধ।
স্ত্রী : কি করে বুঝলে?
স্বামী : সে তোমাকে পরীর মতো সুন্দর বলল যে।

****

তোমর বয়স ৪০ বছর
প্রেমিকা : আজকে আমাকে কেমন লাগছে?
প্রেমিক : থ্রি পিচ দেখে মনে হচ্ছে তোমার বয়স ১৬।
প্রেমিকা : ধন্যবাদ।
প্রেমিক : লিপস্টিক দেখে মনে হচ্ছে তোমার বয়স ১৪।
প্রেমিকা : ধন্যবাদ।
প্রেমিক : টিপ দেখে মনে হচ্ছে তোমার বয়স ১০।
প্রেমিকা : তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।
প্রেমিক : না মানে, সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে তোমর বয়স ৪০।

****

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

লাইভ প্রোগ্রামে স্বামীর ফোন 

111

টিভির এক চ্যানেলে গতানুগতিক লাইভ প্রোগ্রাম হচ্ছে-
উপস্থাপিকা : হ্যালো, আপনি কোথা থেকে কল করেছেন?
কলার : ঢাকা থেকে।
উপস্থাপিকা : ঢাকার কোথা থেকে?
কলার : লালমাটিয়া।
উপস্থাপিকা : ওয়াও! আমিও লালমাটিয়াতে থাকি! লালমাটিয়ার কোথায় থাকেন আপনি?
কলার : আমিনুদ্দিন অ্যাপার্টমেন্টে।
উপস্থাপিকা : কী আশ্চর্য! আমিও তো ওই অ্যাপার্টমেন্টে থাকি! আপনার ফ্ল্যাট নম্বর কত?
কলার : আরে উজবুক! আমি তোমার স্বামী! বাসার চাবি কোথায় রেখে গেছ?

****

মেয়েকে আজব প্রোপোজ
এক ছেলে এক মেয়েকে প্রোপোজ করছে-
ছেলে : তোমার জন্য এই আকাশ, এই বাতাস, এই ফুল, এই পাখি, এই নদী, এই পাহাড়…
মেয়ে : আরে ধুরর, প্রোপোজ করতেছ নাকি পরিবেশ বিজ্ঞান পড়াচ্ছ?

****

প্রেমিক বংশের ছেলে
পিংকু এক মেয়ের পিছু নিয়েছে তাকে প্রোপোজ করার জন্য-
মেয়ে : এই ছেলে তুমি আমার পিছু নিয়েছো কেন?
পিংকু : তোমাকে ভালোবাসতে চাই, তাই।
মেয়ে : তুমি কি জানো আমার পিছনে আমার মা-ও আসছে?
পিংকু : আমি প্রেমিক বংশের ছেলে। তোমার মায়ের পিছনে আমার বাবাও আসছে! তাই নো টেনশন!

****

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কাজের বুয়ার ফেসবুক 

index

হঠাৎ বাসায় কলিংবেল। গৃহকর্তী গেলেন দরজা খুলতে, খুলেই তিনি অবাক। এক কাজের বুয়া টাইপের মহিলা দাঁড়িয়ে আছে দরজায়।
গৃহকর্তী : জি বলুন, আপনি কে?
মহিলা : আপা আমি আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড সুমাইয়া কুলসুম। গতকালকে আপনি একটা স্ট্যাটাস দিলেন যে আপনার বাসার কাজের বুয়া চলে গেছে। তাই সেটা দেখার পর আমি আমার আগের বাড়ির কাজ ছেড়ে আপনার বাড়ি চলে আইলাম। কারণ হাজার হলেও আপনি আমার ফ্রেন্ড। এখন থেকে আমি আপনার বাড়িতেই কাজ করুম আর একসাথে ফেসবুক ইউজ করুম। আপা রাজি আছেন তো?
গৃহকর্তী : বাসার ঠিকানা কোথায় পাইলা?
মহিলা : জি আপা, আপনার ছেলে দিছে, ও আবার আমার মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড।

****

সালমান খানকে দেখে বেহুশ
হিন্দি সিনেমার নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

****

পুলিশে দেওয়া উচিত
বস : যেদিন থেকে আমি তোকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছি, সেদিন থেকে প্রতিদিন তুই আমার বাড়ির সামনে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখিস! কারণ কি? তোকে পুলিশে দেওয়া উচিত!
বল্টু : স্যার, আমি শুধু আপনাকে এতটুকু মনে করিয়ে দিতে চাই যে, বরখাস্ত করেছেন বলে আমি না খেয়ে মরে যাইনি!

****

সাদা গরু নাকি কালো গরু
পাপ্পু মাঠে গরু চড়াচ্ছিল। পাশের এক আগন্তুক এসে জিজ্ঞেস করলো-
আগন্তুক : গরু দিনে কতটুকু দুধ দেয়?
পাপ্পু : সাদা গরু নাকি কালো গরু?
আগন্তুক : সাদা গরু?
পাপ্পু : ৩ লিটার।
আগন্তুক : আর কালো গরু?
পাপ্পু : সেও ৩ লিটার।
আগন্তুক : এরা দিনে কত কেজি ভুষি খায়?
পাপ্পু : সাদা গরু না কালো গরু?
আগন্তুক : সাদা গরু?
পাপ্পু : ২ কেজি।
আগন্তুক : আর কালো গরু?
পাপ্পু : সেও ২ কেজি।
আগন্তুক : যদি দু’জনই সমান দুধ দেয় আর সমান ভুষি খায়, তাহলে প্রতিবার ‘কালো গরু’, ‘সাদা গরু’ করতেছো কেন?
পাপ্পু : এটা এজন্য করতেছি যে সাদা গরুটা আমার চাচার।
আগন্তুক : আর কালো গরু?
পাপ্পু : ওইটাও আমার চাচার।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর