২৮ মার্চ ২০১৭
রাত ১২:২২, মঙ্গলবার

ফ্রিজে খাবার রাখবেন যেভাবে

ফ্রিজে খাবার রাখবেন যেভাবে 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে খাদ্য। খাবার ছাড়া আমরা একটি দিনও চিন্তা করতে পারি না। আমাদের শরীরের শক্তির একটি বড় উৎস হচ্ছে এই খাবার। তাই খাবারকে রাখা উচিৎ সুন্দর ভাবে আর সংরক্ষণের বেলায় হওয়া উচিৎ সচেতন। খাবার সংরক্ষণের কথা শুনলে আমাদের মাথায় সবার আগে যে শব্দটি আসে তা হচ্ছে ফ্রিজ। ফ্রিজ ছাড়া আমাদের দৈনন্দিন জীবন চিন্তা করা অসম্ভব। তাই এই ফ্রিজেরও চাই যত্ন। আর খাবার রাখা উচিৎ সঠিকভাবে। খাবার যদি সঠিকভাবে গুছিয়ে রাখা না হয় তাহলে দেখা যাবে ফ্রিজে জমে গিয়েছে ময়লা আর তাতে সৃষ্টি হয়েছে দুর্গন্ধ।

বাজার থেকে আনা সবকিছুই ফ্রিজে তুলে রাখবেন না। আগে নির্বাচন করুণ কোন খাবারগুলো ফ্রিজে রাখা আবশ্যক। এরপরে সেই খাবারগুলো মোটা কাগজে মুড়ে কিংবা মোটা প্ল্যাস্টিকের ব্যাগে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। কম পচনশীল খাবার যেমন মরিচ, শশা, শাক এগুলো ফ্রিজের উপরের চেম্বারে রাখুন আর মাছ, মাংস এই সমস্ত খাবার ফ্রিজের নিচের তাকে রাখুন।

শাক, মরিচ, সবজি এই খাবারগুলো আলাদা আলাদা করে প্যাকেট করে তাকে তাকে রাখুন। এছাড়া ছোট ছোট প্ল্যাস্টিকের বাটিতে ভাগ ভাগ করে রাখতে পারেন এই খাবারগুলো। এতে কাজের সময় যেমন হাতের কাছে পাওয়া যাবে তেমনি ফ্রিজের ভেতরটা থাকবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। মাছ, মাংসের বেলাতেও একই কাজ করুন। আর তাতে আলাদা করে গরু, খাসি, মুরগি, মাছ লিখে রাখুন। এতে আপনার ফ্রিজ যেমন পরিষ্কার থাকবে তেমনি খাবারো থাকবে যত্নে।

ফ্রিজ অযথা খোলা রাখবেন না। বিদ্যুৎ চলে গেলে ফ্রিজ বন্ধ করে রাখুন। এছাড়া বারবার ফ্রিজ কারণ ছাড়া খুললে তাতে পর্যাপ্ত ঠান্ডা হয় না আর এতে ফ্রিজ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে অনেক। তাই ফ্রিজে তালা দিয়ে রাখুন এবং খাবারকে নষ্ট হওয়ার থেকে সংরক্ষিত করুণ।

ফ্রিজে রাখা আরেকটি খাবার হচ্ছে ধনেপাতা। এটি আপনি সঠিকভাবে না রাখলে পুরো ফ্রিজ জুড়ে আপনি একে খুঁজে পাবেন। তাই ধনে পাতা ফ্রিজে রাখার আগে তা ছোট ছোট করে কেটে প্ল্যাস্টিক বক্সে করে আলাদাভাবে রাখুন।

একসাথে অনেক ডিম এনে তা ফ্রিজে রাখা হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই ডিম সরাসরি ফ্রিজে রাখার আগে পরিষ্কার করি না। কিন্তু ডিমের উপরের অংশে থাকে অনেক ময়লা, যা থেকে ফ্রিজে অন্য খাদ্যদ্রব্যে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই ডিম আনার পর তা কিছুক্ষণ হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন তারপর ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার কিছু কৌশল 

00

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মানুষের জীবনে সব মুহূর্ত সমান কাটে না। জীবনে চলার পথে বিভিন্নরকম সমস্যা আসতেই পারে। সমস্যার সঙ্গে আবার যুক্ত হয় মানসিক দুশ্চিন্তা। যেকোনো বিষয় নিয়ে চিন্তা করাই যায় তবে দুশ্চিন্তা একদমই নয়। চলুন জেনে আসি মানসিক চাপমুক্ত থাকার কিছু উপায়-

১. যে কোন বয়সে মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে চাপমুক্ত থাকার অভ্যাস করতে হবে। চাপের মাত্রাটাকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার চর্চা করুন। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মানসিক চাপের মধ্যে থাকার ফলে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও মানসিক চাপজনিত অন্যান্য অসুখে বা সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার সমূহ ঝুঁকি থাকে। মানসিক চাপমুক্ত থাকতে যোগব্যায়াম, আসন ও মেডিটেশন করুন।

২. ব্যায়ামের ফলে মানুষের মস্তিষ্ক আরও সক্রিয় অবস্থায় থাকে। ভালো থাকার জন্য নিজের মধ্যে অনুপ্রেরণা তৈরি হয়। ব্যায়ামে মানসিক চাপ দূর হয় ও মস্তিষ্কে সুরক্ষাকারী হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়। সপ্তাহে এক বা দুই দিন বাদ দিয়ে বাকি দিনগুলো আধঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টা ব্যায়াম করুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। অতিরিক্ত ব্যায়াম করবেন না।

৩. পাজল, শব্দ-সাজানো বা শব্দ খোঁজা, দাবা জাতীয় খেলায় স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। এ ধরনের খেলা ভাষাগত ও যুক্তি দেয়ার দক্ষতা বাড়ায়, মস্তিষ্কে সূক্ষ্ম শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিতে সাহায্য করে।

৪. মানসিকভাবে সুস্থ থাকার খুব ভালো উপায় হচ্ছে, সমাজের সঙ্গে নিজেকে চমৎকারভাবে খাপ খাইয়ে নেয়া। সামাজিক মেলামেশাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। গঠনমূলক কথাবার্তা বা কিছুটা বিনোদনমূলক সময় কাটানোয় আপনার শেখার পরিধি বাড়বে এবং মস্তিষ্কের দক্ষতার চর্চা হবে।

৫. সুষম খাদ্যাভাসের পাশাপাশি নিয়মিত প্রতিদিন ৮-১০ কিংবা পরিশ্রম বেশি হলে ১২-১৪ গ্লাস পানি পানের অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে আপনার শরীর হবে ঝরঝরে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ৪ থেকে ৫ গ্লাস পানি পান করুন। ২ গ্লাস পানি পানের পর আধ ঘণ্টা বিরতিতে আরও ২ গ্লাস পানি পান করুন এবং ১ ঘণ্টা পর সকালের নাস্তা সেরে ফেলুন।

৬. শরীর ও মনকে হারানো উদ্যম ও শক্তি ফিরিয়ে দেয় সুনিদ্রা। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার ঘুম অপরিহার্য। বয়সভেদে সেটার কিছুটা তারতম্য হতে পারে। সবসময় স্থির থাকার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত চঞ্চলতা পরিহার করুন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

লম্বা হতে চান? 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শারীরিক উচ্চতা কম হলে তা নিয়ে একটু আধটু আফসোস থাকে কারো কারো মনে। শরীরের গঠনের ওপর নির্ভর করে একটা সময় পর্যন্ত আমাদের শারীরিক বৃদ্ধি ঘটে। শারীরিক উচ্চতা বাড়ানো যদিও আমাদের হাতে নেই তবে কিছু বিষয়ে নজর দিলে নিজেকে অনেকটাই লম্বা দেখানো সম্ভব। পোশাক, জুতা, হাঁটা, স্বাস্থ্য ইত্যাদির দিকে বিশেষ খেয়াল রাখলে আপনাকে দেখতে অনেকটাই লম্বা লাগবে।

সোজা হয়ে হাঁটুন। মেরুদণ্ড সোজা রাখার পরিবর্তে আপনি যদি কুঁজো হয়ে হাঁটেন, তা হলে এমনিতেই খর্বকায় দেখাবে আপনাকে।

জুতা নির্বাচনের সময়ে সতর্ক থাকুন। হিলের উপরে মোটা প্যাডিং দেওয়া জুতা পরুন। এতে হাই হিলের সমস্যাও থাকবে না, অথচ উচ্চতাও বৃদ্ধি পাবে।

যে রঙের জামা পরছেন, সেই রঙেরই অথবা তার কাছাকাছি রঙের প্যান্ট পরুন। আলাদা আলাদা রঙের জামা-প্যান্ট দর্শকের কাছে আপনার শরীরকে দু’ভাগে ভাগ করে দেয়। ফলে আপনার উচ্চতাও কম লাগে। কিন্তু মোটামুটি অভিন্ন রঙের জামা পরলে সেই সমস্যা থাকে না।

শরীরে মেদ জমতে দেবেন না। শরীরে যখন মেদ জমে, তখন দৈর্ঘ্যের তুলনায় শরীরের প্রস্থ বেড়ে যায়। এর ফলে আপাতদৃষ্টিতে মোটা মানুষদের একটু বেঁটে মনে হয়। রোগা চেহারার লোকেদের এমনিতেই একটু লম্বা লাগে।

এমন জামা পরুন, যেগুলিতে লম্বালম্বি স্ট্রাইপ রয়েছে। আড়াআড়ি অর্থাৎ হরাইজন্টাল স্ট্রাইপ দেওয়া জামা পরবেন না। লম্বালম্বি স্ট্রাইপ দেওয়া জামা পরলে একটি অপটিক্যাল ইলিউশন তৈরি হয়, এবং যে কারো শরীরই একটু লম্বা দেখায়।

ঢিলেঢালা পোশাক পরবেন না। এতে শরীরকে চওড়া দেখায়। ফলে উচ্চতা আরও কম বলে মনে হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ত্রিশের পরেও ধরে রাখুন ত্বকের কোমলতা 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বক তার কোমলতা হারাতে শুরু করে। ত্রিশ বছরের পর স্বভাবতই কোমলতা কমতে থাকে। নিজের চেহারা সুন্দর কে না দেখতে চায়। আর তাইতো ত্বকের কোমলতা হারালে মন খারাপ হয় আমাদের। চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে না দিতে চাইলে আপনাকে হওয়া চাই যত্নশীল। চলুন জেনে নেই করণীয়।

বয়সের সঙ্গে ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায়। তাই নিয়ম করে রোজ ২.৫ লিটার পানি খাবেন। তাছাড়া যেকোনো ফলের রস বা ডাবের পানি জাতীয় পানীয় রাখুন রোজকার ডায়েটে। সপ্তাহে অন্তত দুদিন হাইড্রেটিং স্লিপিং মাস্ক লাগিয়ে শুতে যান। মনে রাখবেন ক্লে মাস্ক লাগালে ত্বক বেশি শুকিয়ে যায়। তাই সেই প্যাকে একটু মধু যোগ করুন। কিংবা ধোয়ার সময়ে গোলাপজল বা দুধ দিয়ে ধুতে পারেন। ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নাইট ক্রিম আর আই ক্রিম ব্যবহার করবেন। নিয়মিত আন্ডার আই ক্রিম লাগানো অভ্যেস করুন। চোখের আশপাশের চামড়া বাকি মুখের তুলনায় অনেক বেশি নরম। তাই বয়সের ছাপও এখানেই সবচেয়ে আগে পড়ে। আই মেকআপ তোলার সময়ে বেশি ঘষাঘষি করবেন না। ক্লিনজিং মিল্কের বদলে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে আলতো ম্যাসাজ করে মেকআপ তুলুন। রোদে বেরোলে অবশ্যই রোদচশমা পরবেন।

বিউটি রুটিনে ভালো সেরাম যোগ করুন। বাজারে অনেক ধরনের সেরাম পাওয়া যায়। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী সেরাম বাছতে হবে। টোনারের পর আর ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে সেরাম ব্যবহার করবেন দুইবেলা।

ত্বকে কোনোরকম সমস্যা হলে ফেলে না রেখে ডার্মাটোলজিস্টের কাছে অবশ্যই যাবেন। অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্টগুলোর মধ্যে রেটিনল ট্রিটমেন্ট বেশ জনপ্রিয়। পদ্ধতিটা ত্বকের কোলাজেন বাড়িয়ে আরও টানটান করতে সাহায্য করবে।

ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খান। যেমন ফ্ল্যাক্সসিড, স্যামন বা ওয়ালনাট। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে অ্যান্টি এজিং গুণ রয়েছে। ত্বক ভালো রাখতে গেলে শরীরও ঝরঝরে রাখা প্রয়োজন। তাই রোজ সকালে কিছুক্ষণ যদি যোগব্যায়াম করতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যে কারণে মাশরুম খাবেন 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মাশরুম একপ্রকার মৃতজীবি ছাত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ। যেসব ছত্রাক মানুষের খাওয়ার উপযোগী, নিরাপদ, পুষ্টিকর ও সুস্বাস্থ্যকর তাই মাশরুম হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের সর্বাধুনিক পদ্ধতি টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উৎপন্ন বীজ দ্বারা বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সযত্নে চাষ করা হয় মাশরুম। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ১০০ টি দেশে মাশরুম চাষ হয়। এটি আমাদের খাদ্য তালিকায়ও জায়গা করে নিতে পেরেছে।

পুষ্টিমান :
১০০ গ্রাম মাশরুমে আমিষ ২৫-৩৫ গ্রাম, ভিটামিন ও মিনারেল ৫৭-৬০ গ্রাম, শর্করা ৫-৬ গ্রাম, চর্বি ৪-৬ গ্রাম।

উপকারিতা :
আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও মিনারেলের সমন্বয় রয়েছে মাশরুমে। যা শরীরের ’ইমুন সিস্টেম’কে উন্নত করে। ফলে গর্ভবতী মা ও শিশুরা নিয়মিত মাশরুম খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। চর্বি ও শর্করা কম থাকায় এবং আঁশ বেশী থাকায় এটি ডায়াবেটিস রোগীদের আদর্শ খাবার।

মাশরুমে ট্রাইটারপিন থাকাতে, বর্তমানে এটি বিশ্বে এইডস প্রতিরোধ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইলুডিন এম এবং এস থাকাতে আমাশয়ের জন্য বেশ উপকারী। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম, যা হজমে সহায়ক, রুচি বর্ধক ও পেটের পীড়া নিরাময়াক। মাশরুমে নিউক্লিক এসিড এবং এন্টি-এলার্জেন থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে।

প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড ও লৌহ রয়েছে মাশরুমে। ফলে মাশরুম খেলে রক্ত শূন্যতা দূর হয়। এছাড়া লিংকজাই-৮ পদার্থ থাকায় হেপাটাইটিস বি জন্ডিসের প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। এটি ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকার রাখে।

মাশরুমে আছে শরীরের কোলেস্টেরল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভস্টটিন এবং এনটাডেনিন। তাই নিয়মিতহ মাশরুম খেলে হৃদরোগ ও উচ্চরক্তচাপ নিরাময় করে। প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন-ডি থাকায় এটি শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে অত্যন্ত কার্যকর।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পেঁয়াজের যত গুণ 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিনের রান্নায় যে জিনিসটি আপনার প্রয়োজন তা হচ্ছে পেঁয়াজ। খাবারের স্বাদ আর পুষ্টি বাড়াতে পেঁয়াজের জুড়ি নেই। শুধু কি তাই, এই পেঁয়াজের কারণেই বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ আপনার কাছে ঘেষতে সাহস পাচ্ছে না। আপনার অগোচরেই আপনার এতসব উপকার করে যাচ্ছে এই পেঁয়াজ। চলুন তবে জেনে নেই-

পেঁয়াজ উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে দেয় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। এর সালফার, ভিটামিন বি৬, ক্রৌমিয়াম উপাদান যা বিভিন্ন হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত রোগ প্রতিরোধ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্টোক প্রতিরোধ করে।

ত্বকে পোকার কামড়ের জ্বালাপোড়া, চুলকানি দূর করতে পেঁয়াজ বেশ কার্যকরী। পোকা কামড়ের স্থানে পেঁয়াজের টুকরো ঘষে লাগান।

মাসিক শুরু হওয়ার কিছুদিন আগ থেকে প্রতিদিনকার ডায়েটে একটি করে কাঁচা পেঁয়াজ রাখুন। এটি মাসিকের পেট ব্যথা অনেক কমিয়ে দেবে।

অনেকসময় রান্না করতে যাওয়ার সময় তেল অথবা গরম পানি হাতে পড়ে ফোস্কা পড়ে যেতে পারে। একটি টুকরো পেঁয়াজ ফোস্কার স্থানে লাগিয়ে দিন। দেখবেন আর জ্বালাপোড়া সাথে সাথে কমে গেছে। পেঁয়াজের অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান ছোটখাটো পোড়া ভালো করে দেয়।

পেঁয়াজে থাকা উপাদান ইউরিন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। ৬ থেকে ৭ গ্রাম পেঁয়াজ পানিতে দিয়ে জ্বাল দিন। তারপর এটি পান করুন।

আপনরা যদি অল্প জ্বর থাকে তবে রাতে শোয়ার সময় পায়ে মোজা পরে মোজার ভেতর এক টুকরো পেঁয়াজ ঢুকিয়ে রাখুন। এইভাবে ঘুমান। পরেরদিন দেখবেন জ্বর অনেক খানি কমে গেছে। এছাড়া বমি বমি লাগলে ২ চা চামচ পেঁয়াজের রস খেয়ে নিন। দেখবেন বমি বমি ভাব দূর হয়ে গেছে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে পেঁয়াজ কিছু ক্যান্সার যেমন ওরাল ক্যান্সার, কলোরেক্টাল ক্যান্সার, পাকস্থলী ক্যান্সার এবং ওভারিয়ান ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন ১/২ কাপের মতো পেঁয়াজ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

খালিপেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রসুন শুধু একটি মশলাই নয়, এটি একটি উপকারী ঔষধের নামও। আপনার শরীরের নানা সমস্যার সমাধানে রসুনের উপকারিতা অনেক। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে এটি প্রকৃতগতভাবে আপনার শরীরের রক্তপ্রাবাহের মাত্রা সঠিক রেখে আপনাকে সুস্বাস্থ্যর অধিকারী করতে সাহায্য করে।

প্রাকৃতিক এ্যান্টিবায়োটিক :
গবেষণায় দেখা গেছে যে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে এটি একটি শক্তিশালী এ্যান্টিবায়োটিকের এর ন্যায় কাজ করে। সকালের নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও কার্যকারী কাজ করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে :
রসুন উচ্চ রকচাপের মহা ঔষধ। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা দৈনিক একটি করে সকালে আর রাতে দুই কোয়া রসুন খেলে তা জাদুকরী ফল দেয়। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এটি একটি মহা ঔষধ।

অন্ত্রের কাজ :
খালি পেটে রসুন খেলে যকৃৎ আর মূত্রাশয় তাদের কাজ সঠিকভাবে করতে পারে। এটি শরীরের রক্তচলাচলের মাত্রা স্বাভাবিক রেখে আপনাকে দেয় সুন্দর একটি সুস্থ শরীর আর জীবন। এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যাও দূর হয়। এটি হজম এবং খাওয়ার স্বাভাবিক মাত্রা ঠিক রেখে আপনাকে দেয় একটি পরিপাক হজম ক্রিয়ার কৌশল।

শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে :
অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরে ডি-টক্সিফাইয়ের মাত্রা সঠিক রাখে এই রসুন। এটি শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে, জ্বর কমাতে সাহায্য করে এবং সাথে সাথে ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের চিনির মাত্রা কমিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

শ্বসন :
এটি যক্ষা, নিউমোনিয়া, হাপানি, কাশি, ফুসফুসের মধ্যেকার ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যত্নে থাকুক শখের শাড়ি 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক, ১৫ মার্চ : শাড়ি ছাড়া বাঙালি নারী অসম্পূর্ণ। শখ করে শাড়ি পরেননি এমন বাঙালি নারী খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই শখের পোশাকটি অযত্নে ফেলে রাখলে টিকবে না খুব বেশি দিন। তাই প্রিয় শাড়িটি অনেকদিন পর্যন্ত ভালো রাখার জন্য চাই বাড়তি যত্ন। শাড়ির যত্নে জানা থাকা চাই সঠিক উপায়। চলুন জেনে নেয়া যাক-

শাড়ির ভাঁজে ন্যাপথলিন, কালোজিরা, নিমপাতা ইত্যাদি দিয়ে রাখুন, এতে পোকায় কাটবে না। আলমারি বা ট্রাংক যেখানেই শাড়ি রাখুন না কেন, তা যেন ফুটো না হয় নতুবা তেলাপোকা বা ইঁদুরে কাটতে পারে শাড়ি।

কাপড় রাখার স্থানটি শুকনো হওয়া আবশ্যক, নতুবা ছত্রাক সংক্রমণের ভয় থাকে। ব্যবহৃত শাড়ি ৩ মাস অন্তর ও অব্যবহৃত শাড়ি ৬ মাস অন্তর বের করে ধুতে হবে।

বাইরে থেকে এসে কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে শাড়ির ঘাম শুকিয়ে নিন, নতুবা দাগ পড়তে পারে। শাড়ি রাখার আলমারি শাড়ি রাখার পূর্বে অবশ্যই ঝেড়ে মুছে নেবেন।

কাঠের আলমারিতে শাড়ি রাখলে তা মাঝে খেয়াল করতে হবে আলমারি ঘুণে ধরেছে কি-না, নতুবা শাড়ি কেটে যেতে পারে। স্টিলের আলমারিতে যেন মরিচা না পড়ে, তাতে শাড়ি নষ্ট হয়। শাড়ি সঠিক নিয়মে ধোবেন।

জর্জেট ও শিফন শাড়ি ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন, চিপবেন না, শুকালে শাড়ি রোল করে রাখুন, এবং অবশ্যই এই শাড়িগুলোতে নিম পাতা বা কালো জিরা দিয়ে রাখুন।

মসলিন বা কাতান শাড়ির ক্ষেত্রে অবশ্যই সাদা কাগজ ব্যবহার করবেন এবং ড্রাই ওয়াশ না করে পলিশ বা কাঁটা ওয়াশ করানোই ভালো। সুতি শাড়ি ইস্ত্রি করে কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে তুলে রাখুন, অনেকদিনের জন্য রাখতে হলে মার এড়িয়ে যান।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যে কারণে মিষ্টি কুমড়া খাবেন 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গোলগাল আর নিরীহ চেহারার মিষ্টি কুমড়ার রয়েছে অনেক গুণ। পুষ্টিগুণে ভরা এ সবজি দেহের রোগ প্রতিরোধ করে। কুমড়ার ভিটামিন-এ চোখকে কর্নিয়া থেকে রক্ষা করে থাকে। মিষ্টি কুমড়ায় ভিটামিন-এ, বি-কমপ্লেক্স, সি, ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফ্লেভনয়েড পলি-ফেনলিক, অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট উপাদান সমূহ যেমন লিউটিন, জ্যানথিন এবং আর অনেক উপাদান রয়েছে। কুমড়া ক্যালোরিও বেশ কম থাকে। এ সবজি শরীরের কোলেস্টেরল কমিয়ে মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। এটি মানবদেহের সুস্থ ত্বক গঠনে সাহায্য করে। এ সবজিতে ক্যারটিনয়েড নামক উপাদান আছে, যা চোখে ছানি পড়া ও যেকোনো বয়সে চোখের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে থাকে।

মিষ্টিকুমড়ার আরো কিছু গুণ :
* প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
* অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে।
* প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।
* ক্যালরির পরিমাণ খুব কম। আর ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকায় হজমে সহায়ক।
* ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে, কারণ এটা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।
* গাজরের তুলনায় কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। যা চোখের জন্য ভালো।
* এটা ডিপ্রেশন কম রাখতে সাহায্য করে।
* ভিটামিন এ চকচকে ও উজ্জ্বল চুল এবং ত্বকের জন্য উপকারী। তাই কুমড়া খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
* প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি রয়েছে।
* প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম বিদ্যমান থাকায় হাইপারটেশন হওয়ার চান্স খুব কম।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কফির চেয়ে চা ভালো ? 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : অনেকেরই পছন্দ পড়ন্ত বিকেলে কফির মগে চুমুক দিতে দিতে সূর্যাস্ত দেখা। আবার কেউ কেউ কাজের চাপ কমাতে আশ্রয় নেন এই কফির। অনেকের আবার কিছুক্ষণ পর পর চা না হলেই নয়। চা এবং কফি দুটোই আমাদের তাৎক্ষনিক চাঙ্গা হতে সাহায্য করে, তবে এর মাঝে কোনটি ভালো? এক্ষেত্রে চা এর উপকারিতা বেশি বলে জানা গিয়েছে। গ্রিন-টি, আদা চা আমাদের এক দিকে যেমন চাঙ্গা রাখে তেমনই এর উপাদানগুলো আমাদের শরীরের জন্য ভালো।

নিজেকে শান্ত রাখতে : কফি আপনাকে সারাদিনের ক্লান্তিভাব দূর করাতে সাহায্য করে খুব জোড়ালোভাবে। তবে এর আছে কিছু বাজে দিক। এটি আপনার শরীর আর মনকে সমান ভাবে উত্তেজিত করে রাখে। ফলে ঘুম না আসা, অস্বস্তি ভাব লাগা শুরু হয়। অন্যদিকে এককাপ গ্রিন টি আপনাকে নানা ভাবে সাহায্য করে। এটি আপনাকে তাতক্ষনিক নয়। পুরো দিনের জন্য চাঙ্গা রাখে।

ওজন কমাতে : চা আপনার শরীরের ফ্যাট কোষগুলোকে আকারে ছোট করে দেয় আর পেশী মজবুত করাকেও তরান্বিত করে। আর সেটা যদি হয় গ্রিন টি তাহলে তো আর কথাই নেই।

সঠিক মাত্রায় ঘুমাতে : কফি সাধারণত ক্লান্তি দূর করার জন্যে দিনের শেষে পান করে থাকে মানুষ। আর তাই এর ভেতরে থাকা ক্যাফেইন কাজও করে অনেকটা সময় ধরে। রাতে ঘুমাতেও বেশ সমস্যা সৃষ্টি করে এই উত্তেজক পানীয়। অন্যদিকে গ্রিন টিতে এমন কোনো সমস্যাই নেই।

হজমশক্তি বাড়াতে : কফি শরীরে অ্যাসিড তৈরি করে। হজমশক্তিকে কমিয়ে দেয়। আর অন্যদিকে চায়ের এমন কোনো সমস্যা নেই। উল্টো এরকম কোনো সমস্যায় আদা চা কিংবা পেপারমিন্ট চা উপকারে আসতে পারে আপনার ।

দাঁতকে সুস্থ রাখতে : চা দাঁতের সুস্থতার জন্যে বেশ উপকারী। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে চা মানুষের দাঁতের জমে থাকা ময়লাকে দূর করতে সাহায্য করে। আর তাই প্রতিদিন খাবারের তালিকায় ঔষধ হিসেবে খানিকটা চা পান করা আপনার দাঁতকে করে তুলতে পারে যথেষ্ট সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন সেটি চিনি ছাড়া হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কাঁচা রসুনের ব্যতিক্রম ব্যবহার 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রসুন থাকবেই। রসুনের উপকারিতা এবং রান্নায় এর ব্যবহারের কথা সবারই জানা। হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে অনেকেই খালি পেটে কাঁচা রসুন খেয়ে থাকেন। কাঁচা রসুনের রয়েছে আরো কিছু ব্যবহার। কাঁচা রসুন ব্রণ বা গলা ব্যথা সারায় দ্রুত, চুল পড়া কমিয়ে নতুন চুল গজায়। চলুন জেনে নেই এই কাঁচা রসুনের আরো কিছু ব্যতিক্রম ব্যবহার।

সারাদিন জুতা পরে থাকার পর অনেকেরই পায়ে র্যাশ ও চুলকানি হয়। এটা সারাতে উষ্ণ পানিতে রসুন ও সামান্য লবণ দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা। তারপর সাবান ও সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

ঠোঁটের কোণে জ্বর ঠোসা অনেকেরই হয়। আর এতে মারাত্মক ব্যথাও হয়। জ্বর ঠোসা সারাতে কাঁচা রসুনের রস আক্রান্ত স্থানে লাগান। ব্যথা কমবে আর সেরেও যাবে দ্রুত।

দ্রুত ব্রণ সারাতে বা ব্রণের ব্যথা কমাতে আক্রান্ত স্থানে কাঁচা রসুন বা কাঁচা রসুনের রস লাগান। দ্রুত নিরাময় হবে।

ত্বকের যে কোন সমস্যা যেমন ফোঁড়া বা ফাংগাল ইনফেকশন ইত্যাদি সারাতে রসুন খুবই সহায়ক। কেবল আক্রান্ত সাথে কাঁচা রসুনের রস লাগালেই হবে। ১০/১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলবেন।

দ্রুত গলা ব্যথা নিরাময় করতে এক কোয়া কাঁচা রসুন চুষে চুষে খেয়ে নিন। গন্ধ ভালো না লাগলে এরপর দুধ খেয়ে নিন এক গ্লাস। কাঁচা রসুনের রস এভাবে আস্তে আস্তে খেলে তা গলা ব্যথায় খুবই উপকারী।

মাথায় নতুন চুল গজাতে আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত রসুন ঘষুন। সাড়া রাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিনের মাঝেই নতুন চুল গজাবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চকোলেট হালুয়া তৈরির রেসিপি 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : অনেক রকমের হালুয়া তৈরি করতে জানেন হয়তো, চকোলেটের হালুয়া কখনো বানিয়েছেন? শুনতে নতুন মনে হলেও এটি আসলে নতুন নয়। সুস্বাদু এই রেসিপিটি তৈরি করা খুবই সহজ। তাই আর দেরি না করে ঝটপট শিখে নিন আর সবাইকে চমকে দিন। রইলো চকোলেট হালুয়া তৈরির রেসিপি-

উপকরণ : ১-২ কাপ সুজি, ১-২ কাপ বেসন, ১ কাপ চিনি, ১-২ কাপ ঘি, ২ চামচ কোকো পাউডার, ১ চামচ চকলেট সিরাপ, জয়ফল, দারুচিনি গুঁড়ো, ৩টি ডিম, ২ কাপ পানি।

প্রণালি : একটি বাটিতে ৩টি ডিম ফেটিয়ে তাতে চকলেট সিরাপ, কোকো পাউডার, চিনি ও পানি মেশিয়ে নিতে হবে। চুলায় কড়াই বসিয়ে তাতে ঘি গরম করতে হবে। সেই গরম ঘিয়ের মধ্যে ১/২ কাপ সুজি ভাজতে হবে। সুজি ভাজা হয়ে গেলে বেসন দিয়ে নাড়তে হবে। এরপর ডিমের ফেটিয়ে রাখা মিশ্রণটি সুজি ও বেসনের মধ্যে ঢেলে দিতে হবে। পানি শুকিয়ে ওপরে তেল ভেসে উঠলে জয়ফল ও দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। চকলেট হালুয়া রেডি। সাজানোর জন্যে ওপরে কাজু বাদাম ও চকলেট চিপসও ছড়িয়ে দিতে পারেন। ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ল্যাপটপের যত্ন নেবেন যেভাবে 

00

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আধুনিকতার এই জীবনে ল্যাপটপ একটি আবশ্যক ইলেকট্রনিক যন্ত্র। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে আপনার নিজের কাজে আপনি যেই যন্ত্রটি ছাড়া চলতে পারবেন না তা হচ্ছে ল্যাপটপ। এটি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বহনের সুবিধার জন্য সবার কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়। তবে ল্যাপটপেরও চাই যত্ন। ব্যবহারের কারণে এটিতেও মাঝে মাঝে দেখা দেয় ছোটখাটো সমস্যা। তবে এর সঠিক যত্ন পারে আপনার শখের ল্যাপটপটিকে যত্নে রাখতে।

ধুলোবালি
ধুলোবালি ল্যাপটপের প্রধান শত্রু। চেসিস ও ফ্যানে ধুলো জমে ল্যাপটপের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। এতে যন্ত্রাংশ দ্রুত গরম হয়ে যায়। তাই নিয়ম করে ঝেড়ে-মুছে রাখুন। ব্যবহারের পর ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখুন। বাজারে ল্যাপটপের উপযোগী স্ক্রিন প্রোটেক্টর, কিবোর্ড প্রোটেক্টর ও মিনি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার পাওয়া যায়। এছাড়া ধুলোবালি পরিষ্কার করতে ক্যানড কম্প্রেসড এয়ার ব্যবহার করতে পারেন।

পরিষ্কারের সঠিক টুলস
ঘর পরিষ্কারের জন্য আমরা অনেক কিছু ব্যবহার করে থাকি। অনেকে একই জিনিস ব্যবহার করেন ল্যাপটপ ও পিসি পরিষ্কারে। এটা ঠিক নয়। ল্যাপটপ খুবই স্পর্শকাতর। বিশেষ করে এর স্ক্রিন ও টার্চ প্যাড। উপযুক্ত উপাদান ব্যবহার করা না হলে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই পরিষ্কারের সময় ল্যাপটপের উপযোগী স্ক্রিন ক্লিনার, স্প্রে ও কাপড় ব্যবহার করুন।

ঠাণ্ডা রাখুন
ল্যাপটপ অনেক বেশি তাপ উৎপন্ন করে, যা অনেক সময় ক্ষতিকারকও হতে পারে। ল্যাপটপ ঠাণ্ডা রাখতে বাজারে নানা দামের কুলার পাওয়া যায়। এ ছাড়া সবসময় সূর্যালোক, হিটার বা রেডিয়েটর থেকে দূরে রাখুন।

কানেক্টর ব্যবহারে সাবধানতা
ল্যাপটপের চারপাশে অনেক সকেট থাকে। এগুলো সাধারণত ইউএসবি, অডিও ও নেটওয়ার্ক কানেক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যে কোনো ধরনের কানেক্টর ব্যবহারে সাবধানতা দরকার। অনেক সময় বেশি চাপ দিয়ে কানেক্টর ঢুকাতে গেলে সকেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ধূমপান নিষেধ
ধূমপানে আপনি যে ধরনের রসায়ন গ্রহণ করেন, ল্যাপটপও তা গ্রহণ করে। তাই ধূমপান ল্যাপটপের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া ও ধুলো ল্যাপটপের ক্ষতি করে।

রান্নাঘর থেকে দূরে
রান্নাঘর থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখুন। নিকোটিনে যে ধরনের সমস্যা, একই ধরনের সমস্যা রান্নাঘরেও। এ ছাড়া রান্নাঘরের বাতাসে প্রচুর জলীয় বাস্প ও চর্বি থাকে, যা ল্যাপটপের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। যারা রান্নাঘরে বসে কাজ করতে পছন্দ করেন বা করেত বাধ্য- তাদের উচিত এয়ার ভেন্টস ও ফ্যানের ব্যবস্থা করা। তবে সহজ সমাধান হলো রান্নাঘরে ল্যাপটপ নিয়ে না যাওয়া।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এলাচি চা কেন খাবেন 

0

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যে পানীয়টি থাকা আবশ্যকীয় সেটি হলো চা। এই চায়েরই আছে নানা রকম। কারো পছন্দ রং চা আবার কারো পছন্দ দুধ চা। এর বাইরেও আছে নানা রকম চা। এলাচি চা তার ভেতরে উল্লেখযোগ্য। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা এলাচি চা পান করেন তারা অন্যদের তুলনায় ফুরফুরে থাকেন এবং তাদের মনে বিষণ্ণতা ভর করতে পারে না। আপনার বিষণ্নতা অনেকটাই দূর করে দিতে পারে এই এলাচি চা। চলুন জেনে নেই কীভাবে এলাচি চা তৈরি করবেন।

উপকরণ : ২টি এলাচি, ১ চা চামচ মধু ও চা পাতা পরিমাণ মতো।

প্রণালি : এলাচি ও মধু দিয়ে পরিমাণমতো পানি সেদ্ধ করে তার মধ্যে চা পাতা ছেড়ে দিন। গরম গরম পান করুন এলাচি চা। ইচ্ছে করলে দুধ মিশিয়েও পান করতে পারেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রূপচর্চায় যে ভুলগুলো করবেন না 

27

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সুন্দর থাকতে সবাই ভালোবাসে। সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের জন্য রূপচর্চার প্রয়োজন হয়। সঠিক উপায়ে রূপচর্চা করলেই কেবল সুন্দর ত্বক পাওয়া সম্ভব। তবে অনেক সময় রূপচর্চার ক্ষেত্রে বেখেয়ালে কিছু ভুল হয়ে যায়। যা আমাদের ত্বকের উপকারে না এসে বরং ক্ষতি করে। তাই কিছু বিষয়ে লক্ষ রাখা জরুরি।

মুখ ধোয়ার জন্য কেউই হাত পরিষ্কার করে নেন না। অনেকেই ভাবেন মুখ ধোয়ার সাথে হাতও পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু আপনার হাতে যে জীবাণু রয়েছে তা প্রথমেই ত্বকে চলে যায় এবং সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই আগে হাত ধুয়ে নিন।

অনেকেই শুকনো ত্বকে ক্লিনজার ব্যবহার করে ত্বক ধুয়ে থাকেন এতে ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়। প্রথমে ত্বক পানি দিয়ে ভিজিয়ে তারপর ত্বকে ক্লিনজার ব্যবহার করুন।

অনেক সময় নানা ফেসমাস্ক বা উপটান ব্যবহারের পর তা ঠান্ডা বা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া থাকে। তখন আমরা সঠিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করতে অনেক বড় ভুল করে থাকি। খুব ঠান্ডা বা বেশ গরম পানি দিয়ে ত্বক ধোয়া উচিত নয়।

স্ক্রাবিং ত্বকের জন্য অনেক বেশি জরুরি। এতে করে ত্বকের মরা চামড়া দূর হয় এবং গভীরে জমে থাকা ময়লা দূর হয়।অনেকে বেশি সময় ধরে ত্বক স্ক্রাব করেন যা অনেক ক্ষতিকর। স্ক্রাবার দিয়ে মুখের ত্বক ১/২ মিনিটের বেশি স্ক্রাব করা একেবারেই উচিৎ নয়। কারণ এর বেশি সময় ধরে স্ক্রাব করলে ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি হয়।

যেকোনো একটি তোয়ালে দিয়ে মুখ মোছা মোটেও ত্বকের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। মুখ মোছার তোয়ালে অবশ্যই আলাদা করে রাখবেন। তা না হলে ত্বকে ইনফেকশনের সম্ভাবনা থাকে।

ত্বক কখনোই তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে ঘষে মুছবেন না। এতে ত্বকের টিস্যুর মারাত্মক ক্ষতি হয়। তোয়ালে বা কাপড় চেপে ধরে শুধুমাত্র ত্বক থেকে পানি শুষে নিন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর