২৯ মে ২০১৭
সকাল ৭:৫৭, সোমবার

গরমে সুস্থ থাকার উপায়

গরমে সুস্থ থাকার উপায় 

khnn

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বয়ে যাচ্ছে তীব্র তাপপ্রবাহ। এই তীব্র গরমে নিজেকে সুস্থ রাখা জরুরি। গরমে সুস্থ থাকতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, তীব্র গরমে স্বাস্থ্যের ওপরে যে প্রভাব পড়ে, এতে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ গরমে কী করতে পারেন, সে পরামর্শগুলো দেখে নিতে পারেন।
১. সরাসরি রোদে যাওয়া থেকে বা অধিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে বেলা ১১টা থেকে তিনটা পর্যন্ত সরাসরি রোদে যাবেন না। এই সময়টা দিনের সবচেয়ে বেশি গরম থাকে।
২. সূর্যের আলো থেকে চোখ সুরক্ষার জন্য রোদচশমা ব্যবহার করুন। এ ছাড়া সূর্যের আলোয় সরাসরি যাওয়ার পরিবর্তে মাথায় ছাতা, টুপি, পায়ে জুতা-স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
৩. তৃষ্ণা না পেলেও প্রচুর পানি পান করুন। পানি ছাড়াও ডাব, জুস, লাচ্ছি, লেবুপানি, দই প্রভৃতি খেতে পারেন। এতে শরীর আর্দ্র থাকবে।
৪. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের পরিবর্তে অল্প অল্প খান।

৫. কোথাও যাওয়ার আগে সঙ্গে পানি অবশ্যই নেবেন।
৬. সুযোগ থাকলে একাধিকবার গোসল করতে পারেন। বিশেষ করে, ঘুমানোর আগে গোসল করে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকবে।
৭. হালকা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরবেন।
৮. ঘর যাতে ঠান্ডা থাকে এবং ঘরে যাতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সে সুযোগ রাখবেন।
৯. কারও যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও মাথা ঝিমঝিম করে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
১০. গরমের দিনে খাবার সামান্য এদিক-ওদিক হলেই পেটব্যথা হয়, পেট কামড়ায়, হজমে গোলমাল দেখা দেয়। বাইরের খাবার খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।
১১. গরমে আর ক্লান্তিতে বাইরের খোলা খাবার ও পানীয় গ্রহণের হার বেড়ে যায়। তার ওপর গরমে সহজেই খাদ্যদ্রব্য দূষিত হয়। বাড়ে মাছি ও পোকামাকড়ের বিস্তার, যা রোগবালাই ছড়াতে সাহায্য করে। এসবের ফলে বাড়ে পানি ও খাবারবাহিত রোগের প্রকোপ। এর মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো জন্ডিস। জন্ডিস থেকে বাঁচতে, বিশেষ করে রাস্তার খোলা খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
১২. গ্রীষ্মের অতিরিক্ত গরমে ঘামাচির সমস্যা বাড়ে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অতিরিক্ত গরমে প্রচুর পানি পান করা উচিত। প্রতিদিন কমপক্ষে দুবার গোসল করা প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত একবার গোসলের সময় সাবান মাখতে হবে। ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
১৩. গরমের সময়ের একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যার নাম হিটস্ট্রোক। চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে তাকে হিটস্ট্রোক বলে। হিটস্ট্রোক এড়াতে যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন। পানির সঙ্গে সঙ্গে লবণযুক্ত পানীয়, যেমন: খাবার স্যালাইন, ফলের রস, লাচ্ছি ইত্যাদিও পান করতে হবে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয়, যেমন: চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।
১৪. গরমে প্রচুর সবজি খেতে পারেন। শসা, টমেটো, ক্যাপসিকাম, লাউ, শাক-পাতা আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন। তথ্যসূত্র: জিনিউজ, বারডেম

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আমে রয়েছে যত গুণ! 

gggg

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরমকাল চলে এসেছে। আর গরমকালটা আসলেই অনেকেরই মনে হয় কেন আসল? বেশ তো শীতকালটা ছিল। গরম, ঘাম, এনার্জির ক্ষয়, বিরক্তি সব মিলিয়ে গরমকালের নামটা শুনলেই অনেকের নাক কুঁচকে ওঠে। তবে এত খারাপের মধ্যেও গরমকালে এমন একটা ভালো জিনিস আছে, যা প্রতিটা মানুষ পছন্দ করেন। আর তা অবশ্যই আম।

আম খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। গাছে গাছে আম ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। আর কদিন পর থেকেই আম পাকতে শুরু করে দেবে। সেই আশাতেই অনেকে বসে রয়েছেন। আবার অনেকে তো ধৈর্য ধরতে না পেরে দোকান থেকে ইতিমধ্যেই আম কিনে খেতে শুরু করে দিয়েছেন।

যদিও তা কোল্ড স্টোরেজের। সে যাই হোক, আম তো আমই.. আপনিও হয়তো আম থেকে শুরু করে দিয়েছেন, কিংবা কদিন পর থেকেই আম খাবেন। তার আগে জেনে নিন আমের গুণাগুণগুলি। শুধু রসনাতেই এর তৃপ্তি, নাকি স্বাস্থ্যের জন্যেও কিছু উপকারিতা রয়েছে, জেনে নিন:

১) আমে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস উপাদান রয়েছে, যা কোলন , স্তন , প্রস্টেট , লিউকেমিয়া প্রভৃতি ক্যানসার থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে।

২) আমে থাকা প্রচুর পরিমানে ফাইবার , পেকটিন , ভিটামিন সি কোলেস্টেরল লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখে।

৩) ত্বকের জন্য আম খুবই উপকারী। ব্রণ এবং ত্বকের অন্যান্য অনেক সমস্যা প্রতিরোধ করে আম।

৪) এক কাপ আম আমাদের শরীরে ২৫ শতাংশ ভিটামিন এ প্রদান করে। যা আমাদের চোখের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। আম অন্ধত্ব দূর করে, দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করে এবং শুষ্ক চোখের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

৫) টারটারিক অ্যাসিড , ম্যালিক অ্যাসিড , সাইট্রিক অ্যাসিড শরীরকে অনেক রোগ থেকে প্রতিরোধ করে।

৬) রক্তে ডায়াবিটিসের মাত্রা বজায় রাখে আম । আমাদের সুগার লেভেলকে মোটেই বাড়তে দেয় না।

৭) আমে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ই থাকে। যা আমাদের যৌন জীবনকে আরও উন্নত করে।

৮) হজমের সমস্যা দূর করে, হজমশক্তি বাড়ায় আম ।

৯) কাঁচা আম জুস করে খেলে, তা আমাদের শরীরকে ঠান্ডা রাখে। অতিরিক্ত গরমের জন্য হিট স্ট্রোক হওয়ার হাত থেকে আমাদের বাঁচায়।

১০) সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজটাই করে আম । আমে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ থাকায়, তা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এই গরমে চোখের যত্ন 

55

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মানব দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে চোখ হচ্ছে অন্যতম। আপনার আশেপাশের সব কিছু আপনি যেমন এই চোখ দিয়ে দেখতে পারেন তেমনি আপনাকে সাজাতে আর সৌন্দর্য প্রকাশে চোখের তুলনা নেই। তবে এই চোখের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর সময় হচ্ছে গরমের এই সময়। তীব্র তাপ আর তার পাশাপাশি ধুলাবালি চোখের নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই এই গরমেও চাই চোখের যত্ন। যাতে চোখ থাকে সুস্থ আর আপনি দেখতে পারেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে।

চশমা কিংবা ক্যাপ
গরমের এই সময়ে সূর্যের তাপ সরাসরি চোখে এসে পরে। যা চোখে থাকা ল্যান্সটিকে খুব বাজে ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে। তাই এই অতি বেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে বাঁচাতে আপনি পড়তে পারেন সানগ্লাস আর সাথে মাথায় টুপি। যা আপনার চোখকে ঠান্ডা রাখবে এবং আপনার আশেপাশে থাকা ধুলাবালি থেকে রক্ষা করবে।

গোলাপজল
এই গরমের আরেকটি সমস্যা হচ্ছে চোখের চুলকানি। এই সমস্যা দেখা দিলে ব্যবহার করতে পারেন গোলাপজল। খাঁটি গোলাপজল চোখের চুলকানি সমস্যা রোধ করতে খুব সহায়ক। এটি চোখকে শীতল ও ঠান্ডা করে এবং চুলকানি সমস্যা রোধ করে। প্রতিদিন ২বার গোলাপজল দিয়ে আপনার চোখ ধুয়ে নিতে পারেন, পাশাপাশি  আপনি চাইলে দুই থেকে তিন ফোঁটা গোলাপজল ড্রপ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।

লবণপানি
লবণপানি চোখের যত্নে খুবই উপকারী। চোখের চুলকানি সমস্যা রোধ করতে লবন পানির তুলনা নেই। লবণপানি চোখের সমস্যা রোধ এবং লবণের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে চোখকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। লবণ পানি তৈরি করতে এক কাপ পরিষ্কার পানিতে ১ চামচ লবণ মিশিয়ে গরম করে নিন। গরম করা হয়ে গেলে লবণপানি ঠান্ডা হতে দিন এবং এই পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন। এই পদ্ধতি দিনে দুই অথবা তিন বার পালন করুন।

পানি পান
চোখের সমস্যা দূর করতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। আর এই গরমে চোখের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে থাকে এ্যালার্জি জনিত সমস্যা। আর এর একমাত্র সমাধান হচ্ছে পানি। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঠোঁট হবে কোমল 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কথায় বলে, যার হাসি সুন্দর সেই সুন্দর। সুন্দর হাসির জন্য সুন্দর একজোড়া ঠোঁট আবশ্যক। নানা কারণেই আমাদের ঠোঁট কালচে হয়ে যেতে পারে এবং কোমলতা হারাতে পারে। একটু সচেতন হয়ে যত্ন নিলেই আপনিও পেতে পারেন একজোড়া সুন্দর, কোমল ও আকর্ষণীয় ঠোঁট। চলুন জেনে নেই করণীয়-

ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক এ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।

একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপী ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষণীয়।

লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘণ্টা পর ধুয়ে নিন।

লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমত্কার ফলাফল।

ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে যেসব অসুখ হয় 

130db44974eb935424e6865ec8e7f9ed

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঘুম আমাদের শরীরের আহার। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মাথা ঝিমঝিম করা, বমি ভাব, দুর্বলতা ইত্যাদি সমস্যাগুলো হয়ে থাকে। তবে এই সমস্যাগুলো বাদেও ঘুমের কারণে আরো বেশ কিছু রোগ বাসা বাঁধতে পারে আপনার শরীরে।

ওজন বৃদ্ধি
ঘুম কমের সাথে ওজন বৃদ্ধি পারস্পারিক ভাবে জড়িত। অনেকেই ভেবে থাকেন শুধু খাবারের কারণেই ওজন বৃদ্ধি পায়। দিনে রাতে মিলিয়ে ছয় থেকে আট ঘণ্টা না ঘুমালে তা ওজন বৃদ্ধি করতে শুরু করে।

স্ট্রোক
ঘুম কম হলে ব্রেস্ট ক্যান্সারের আশঙ্কা বেড়ে যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সমস্যা এই ঘুমজনিত কারণেই সবচেয়ে বেশি হয়েছে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে তা শরীরের রক্ত চলাচল বাঁধা সৃষ্টি করে। যাতে স্ট্রোক থেকে শুরু করে ক্যান্সারেরও রূপ নেয়। তাই সারাদিনের কাজের পরে অন্তত চারদিক অন্ধকার করে ঘড়ি ধরে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো উচিৎ। এটি আপনাকে যেমন সারাদিন কর্মক্ষম রাখবে তেমনি আপনাকে স্ট্রোকের হাত থেকে রক্ষা করবে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি
ক্যান্সারের নাম শুনলেই সবাই ভয়ে কেঁপে ওঠে। কিন্তু মনের অজান্তেই আমরা এই ক্যান্সারের দিকে নিজেকে ঠেলে দিচ্ছি। আমাদের মাঝে অনেকেরই রাত জাগার অভ্যাস আছে। সারা রাত জেগে পরের দিন আবার সেই নানা কাজে নিজেকে ব্যস্ত করে তোলা। প্রতিদিনের আপনার এই অভ্যাস আপনাকে নিয়ে যেতে পারে ক্যান্সারের দিকে। আপনি অল্প অল্প করে মৃত্যু পথযাত্রী হয়ে উঠতে পারেন এই অপর্যাপ্ত ঘুমের জন্য।

হাড়ের সমস্যা
বয়স্কদের অনেকেই হাড়ের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এর পাশাপাশি যারা তরুণ, কিশোর তাদেরও এই হাড়ের সমস্যা আছে। এই সমস্যা মূলত হয়ে থাকে কম ঘুমের কারণে। ঘুম কম হলে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে হাড়ের ক্ষয় থেকে শুরু করে অল্পতেই হাড়ে ব্যথাজনিত নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। ঘুম কম হলে হাড়ে পর্যাপ্ত ক্যলসিয়াম পায় না। ফলে এই সমস্যা দেখা দেয়।

স্মৃতিশক্তি লোপ
যারা কম ঘুমায় তাদের মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করে না। কোন কাজটি আগে করতে হবে তা তারা বুঝতে পারেনা। এর সাথে দেখা যায় অমনোযোগিতা। ধিরে ধিরে এটি স্মৃতিশক্তি লোপের দিকে যেতে থাকে।

ডায়াবেটিস
ঘুমের কারণেও হতে পারে ডায়েবেটিসজনিত সমস্যা। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে সৃষ্ট ক্লান্তি দূর করতে বর্তমানের তরুণ তরুণীরা ঝুঁকছেন কার্বোনেটেড পানীয়ের দিকে। যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গরমে যা খাবেন 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সময়ের আর মাসের সাথে যেন গরম তার পাল্লা দিন দিন ভারী করে চলছে। কিন্তু তাতে থেমে নেই নিত্য দিনের কাজ আর যাতায়াত। কাজের জন্য হোক কিংবা বাড়িতে থাকা সময়েই হোক, গরম আপনার পিছু নেবেই। এই গরমে কেবল ঘাম, এ্যালার্জিজনিত সমস্যাই হয় না সেইসঙ্গে খাবারের রুচিও যেন হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। আর পরিমাণমতো খাবার না খেলে আমাদের শরীরে দেখা দেয় নানা সমস্যা। আর এই গরমে এসব সমস্যার কারণ হয়ে থাকে এই সময়ের মুখের অরুচি। তাই খাবারের বেলায় সচেতন হওয়া জরুরি। আর খাদ্য তালিকায় আনতে হবে কিছুটা পরিবর্তন।

পানীয় জাতীয় খাবার
গরমে সবার আগে খাদ্য তালিকায় থাকা দরকার পানি। যদিও অনেকেই ভাবেন যে পানি আবার কোনো খাবার নাকি! পানি আপনার শরীরের মহা মূল্যবান কাজগুলো করে থাকে। আপনার হজমের ক্রিয়া থেকে শুরু করে প্রশান্তি পর্যন্ত সব কাজের দ্বায়িত্ব এই পানির কাছে। তাই খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে পানি পান করুন আর খাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে। এটি আপনার খাবার হজমে সাহায্য করবে। আর এই গরমে বাইরে থেকে এলে সবার আগে পানি তার সাথে খাবার স্যালাইন কিংবা শরবত খেতে পারেন। এই সময়ে শরীরের জন্য লেবুর শরবত সবচেয়ে ভালো।

সকালের নাস্তা
এই গরমে সকালের নাস্তায় চা কিংবা কফি অথবা ব্রেড, বাটারের পরিবর্তে কলা-চিড়া, দই-চিড়া, আম চিড়া, ছোলা ভেজানো আর সাথে গ্রীষ্মকালীন ফল যেমন আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা অল্প পরিমানে খেতে পারেন। তার সাথে ঠাণ্ডা দুধ খেতে পারেন। যাদের গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য ঠান্ডা দুধ উত্তম। এই ক্ষেত্রে গরম দুধ এড়িয়ে যাওয়াই আপনার জন্য ভালো।

দুপুরের খাবার
দুপুরের সময় কিছুটা ভারী খাবারের প্রয়োজন হয়। অনেকেই এই সময় ফাস্টফুড খেয়ে দিন কাটিয়ে ফেলেন। এটি শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই দুপুরের এই সময়ে বাইরের ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন। এই গরমে বাড়ির তৈরি খাবার সঙ্গে রাখুন। শাকসবজি বেশি করে খান। পাশাপাশি খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন ছোট মাছ আর মুরগির মাংস। তবে খাবারের সাথে যেন সালাদ থাকে তার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন।

নাস্তায়
নাস্তায় বাইরের ভাজাপোড়া না খেয়ে খেতে পারেন তরমুজ, শশা, বাঙ্গি, আনারস, কলা আর দুধের তৈরি ঠান্ডা পায়েস, সেমাই আর মিষ্টি। এই সমস্ত খাবার আপনার শরীরের মেটাপলিজম ক্রিয়া সক্রিয় রাখে। এর পাশাপাশি খেতে পারেন কাঁচা আমের শরবত, আনারসের শরবত আর তরমুজ আর লেবুর শরবত।

রাতের খাবার
রাতের খাবারে খেতে পারেন ভাত, রুটি, মাংস, মাছ, ডাল, সবজি ইত্যাদি। তবে সাথে দৈনিক আট থেকে নয় গ্লাস পানি পান করুন।

এই গরমে পোলাও, বিরিয়ানি, মোঘলাই জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকুন। সঙ্গে সব সময় পানি রাখুন। আর রাতে ঘুমানোর আগে ঠান্ডা এক গ্লাস দুধ খেয়ে নিতে পারেন কিংবা শরবত। এটি আপনার রাতে ভালো ঘুম হতে সাহায্য করবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গ্রিন-টির অজানা ব্যবহার 

0

লাইস্টাইল ডেস্ক : ওজন কমাতে আর ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে গ্রিন-টির তুলনা নেই। তবে এই দুটি কাজ ছাড়াও  গ্রিন-টি আপনার আরো কিছু কাজে আসে। যা আপনার দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে আপনার ত্বক এবং রূপচর্চার সাথে সংযুক্ত। চলুন জেনে নেই গ্রিন-টির নানা ব্যবহার সম্পর্কে।

গ্রিন-টি খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে। টোনার তৈরির জন্য ১ কাপ পানিতে ৫ চা চামচ গ্রিন-টি, ১ চা চামচ পুদিনা পাতা ১০ মিনিট ফুটান। তারপর ঠান্ডা করে ছেঁকে নিয়ে একটি স্প্রে বোতলে সংরক্ষণ করুন। এই টোনারটি দিনে ২-৩ বার ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের চুলকানি ও প্রদাহ দূর করতে খুব উপকারী।

চোখ সাজাতে কে না ভালোবাসে। তবে চোখে যদি থাকে ডার্ক সার্কেল তবে সব কিছুই বৃথা। তাই সবার আগে চাই চোখের এই ডার্ক সার্কেলকে দূর করা। চোখের ফোলাভাব এবং চোখের নীচের ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহার করা গ্রিন-টির তুলনা নেই। দু ব্যাগ গ্রিন-টি ২ ঘন্টা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে চোখ বন্ধ করে এর ওপর ১০ মিনিট রাখুন।

লোমকূপের ময়লা দূর করতে আমরা কত স্ক্রাব আর ক্রিম না ব্যবহার করি! কিন্তু এর একটি সহজ সমাধান আছে আপনার হাতের মুঠোতেই। তা হচ্ছে গ্রিন-টি। গ্রিন-টির পাতা মধুর সাথে মিক্সড করে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন, এটি লোমকুপের ময়লা এবং মৃত কোষ দূর করে ত্বককে নরম ও মসৃণ করে।

গরমে ঘাম হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এই ঘামে থাকে নানা ব্যক্টেরিয়া, যার ফলাফল দুর্গন্ধ। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে গ্রিন-টি ডিওডোরেন্ট হিসেবে  কাজ করে। গোসলের পর ঠান্ডা গ্রিন-টি আন্ডারআর্ম এ লাগালে দুর্গন্ধ দূর হবে। ঠিক এমনিভাবে পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

ত্বকের শুষ্কতার সমস্যা অনেকরই আছে। আর এর সমাধানের জন্যও আছে গ্রিন-টি। একটি অর্ধেক কলা, ১ চা চামচ গ্রিন-টি, ১ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ টক দই ভালো মতো মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকালে ধুয়ে ফেলুন। এটি শুষ্ক ত্বকের জন্য খুব ভালো ময়েশ্চারাইজিং মাস্ক হিসেবে কাজ করে।

এই সব কিছুর পাশাপাশি নিয়মিত গ্রিন-টি পান করলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। এছাড়াও এটি ওরাল ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করে ডেন্টাল ক্যাভিটিসও প্রতিরোধ করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভ্রমণে সতেজ থাকবেন যেভাবে 

0

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মানুষের মনকে সতেজ করে তুলতে ভ্রমণের চেয়ে ভালো ঔষধ আর হতে পারে না। এটি আপনাকে যেমন কাজ থেকে ছুটি দেয় তেমনি আপনাকে আপনার নিজের মাঝে আবার নিয়েও আসে। দীর্ঘ সময়ের কাজের চাপ, স্ট্রেস আর নানা ঝামেলা থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে এই ভ্রমণ। তবে এই ভ্রমণে যেতে যেতে আপনি হয়ে পরেন ক্লান্ত। কিন্তু কিছু ছোট ছোট টিপস আপনাকে হাজার ক্লান্তিতেও সতেজ রাখতে পারে আর সাথে সাথে আপনাকে সতেজতার সাথে সবার মাঝে উপস্থাপনও করতে পারে।

ভ্রমণে বের হবার আগে চাই ত্বকের যত্ন। তাই যেদিন ভ্রমণে বের হবেন তার ঠিক আগের দিন বেশি বেশি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এতে আগের দিন থেকেই ত্বকের হাইড্রেশন ঠিক অবস্থায় থাকবে। আপনার ত্বক বিশেষ করে হাত, পা কিংবা মুখের ত্বকে এটি আবরণ তৈরি করে রাখে, যাতে বাইরের তাপ বা এয়ার কন্ডিশনের আবহাওয়া আপনার ত্বককে রুক্ষ করতে পারে না।

আপনি যখন দূরে কোথাও ঘুরতে যাচ্ছেন তখন মুখে ফাউন্ডেশন বা ব্লাশন ব্যবহার না করাই ভালো। এর পরিবর্তে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন এবং ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এতে আপনার ত্বকে থাকা ময়লা ধুয়ে যাবে আর ময়েশ্চারাইজার আপনার ত্বকের রুক্ষতা দূর করবে।

ভ্রমণে বের হবার আগে নিজেকে সুন্দরভাবে সাজাতে সবাই পছন্দ করে। তবে তা যদি হয় দূরের পথের তবে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাকতে হবে। ভ্রমণে যাবার সময় উজ্জ্বল রঙের নেইল পলিশ নখে ব্যবহার করবেন না। কারণ ভ্রমণের ঝক্কি ঝামেলায় এর সৌন্দর্য মলিন হয়ে যায়। যাতে তা সৌন্দর্য বাড়ানোর বদলে তা কমিয়ে দেয়। তবে এই ক্ষেত্রে আপনি চাইলে নেইল পলিশের পরিবর্তে ন্যাচারাল কালার ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি এক ধরনের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে থাকেন, তবে তার সঙ্গে অবশ্যই ক্লিনজার নিয়ে নেবেন। ঘুরে আসার পর অবশ্যই ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকে এসিডের পরিমাণ কমাবে।

বাইরে থাকা অবস্থায় হাতের স্পর্শ থেকে মুখ দূরে রাখবেন। হাতে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ময়লা লেগে থাকে যা আপনার হাতের মাধ্যমে মুখ পর্যন্ত খুব সহজে পৌঁছায়। আর ভ্রমণের সময় বারবার মুখ যেকোনো কাপড় দিয়ে মুছবেন না। নরম কাপড়, টিস্যু কিংবা রুমাল ব্যবহার করুন।

মেকআপ ব্যবহারের আগে হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে ভুলবেন না। চোখ সাজানোর ক্ষেত্রে চোখে মাস্কারা আর ঠোঁটের ক্ষেত্রে  দীর্ঘক্ষণ থাকে এমন লিপস্টিক ব্যবহার করবেন না। দূরের পথে ভ্রমণের সময় অনেকেই হালকা ঘুম দিয়ে থাকেন। এতে মাস্কারা বা লিপস্টিক নষ্ট হয়ে যায়। তাই দূরের পথে এসব থেকে দূরেই থাকুন। লিপস্টিক ঠোঁটকে শুষ্ক করে দেয়। এর চেয়ে বরং লিপ গ্লোস ব্যবহার করতে পারেন। গ্লোস মুছে গেলেও তা আবারো খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।

দূরের যাত্রা পথে সাথে অবশ্যই আয়না রাখুন। ছোট ছোট কাজ যেমন চোখের কাজল ঠিক করা কিংবা ঠোঁটের লিপিস্টিকের ঠিক করতে এটি কাজে লাগে। এর সাথে ব্যাগে অবশ্যই পানি রাখুন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কম সময়ে রূপচর্চা 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে অনেকের ক্ষেত্রে রূপচর্চার জন্য ঘণ্টা দূরে থাক, পাঁচ মিনিট সময়ও পাওয়া যায় না। আর ঘরে তৈরি প্যাক, স্ক্রাব তো অনেক পরের কথা। তবে কি তারা রূপচর্চা করবেন না? অবশ্যই করবেন। এবং সেজন্য দরকার অল্প সময়ে অল্প উপাদান দিয়ে ফেসপ্যাক তৈরির উপায় জেনে নেয়া।

দুই চা চামচ মধু এবং অর্ধেকটা লেবুর রস নিন। একটি পাত্রে মধু এবং লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। মুখ ভালো করে ধুয়ে এই মিশ্রণ মুখে লাগান। এর আগে মুখে স্টিম দিতে পারেন। তবে এক্সফলিয়েট করার পর এটা মুখে দেবেন না, লেবুর রসের কারণে মুখ জ্বলতে পারে। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

প্রথমে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে পরে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের পোরগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর মুখ আলতো করে ধুয়ে নিন। রাত্রে ঘুমাতে যাবার আগে এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহারের পর ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার দিন মুখে।

এটি ব্রণ দূর করে, মুখ পরিষ্কার করে, পোর ছোট করে, ত্বক মসৃণ করে, জ্বালাপোড়া দূর করে, ত্বকে দীপ্তি নিয়ে আসে, ত্বকের শুকনোভাব দূর করে, ত্বক থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে, ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে।

লেবুর রসে থাকে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড যা ত্বককে এক্সফলিয়েট করতে সাহায্য করে। এটা ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বক থেকে ময়লা ওঠায়, মেকআপ তুলে ফেলে এবং পোর খুলে ফেলতে সাহায্য করে। বিভিন্ন স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড থাকে বটে কিন্তু বাড়িতেই লেবুর রস ব্যবহার করলে আপনি এই উপকারিতা পেতে পারেন।

এই প্যাক ব্যবহার করার পরে যদি বাইরে যান তবে অবশ্যই ভালো সানস্ক্রিন মুখে দিয়ে যাবেন। মধু হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল। এটি আপনার ত্বককে রাখে সুস্থ, প্রাকৃতিকভাবেই।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সরিষার তেলের উপকারিতা 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ভোজ্য তেলের ভেতরে সরিষার তেলের গ্রহণযোগ্যতা ও খাদ্য উপযোগিতা বরাবরই বেশি। অনেকেই তাদের প্রতিদিেনের রান্নার কাজে সরিষার তেল ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই সরিষার তেলে রয়েছে বেশকিছু উপকারিতা। কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা যায় যে সরিষা তেলে একটি বিশেষ ধরনের উপাদান আছে যা কলোরেক্টাল এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায় সরিষার তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ডসংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায় যা হৃদরোগের আশঙ্কা হ্রাস করে।

সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত এবং অন্ত্রে পাচক রস উত্পাদনে সাহায্য করে, তাই হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এছাড়াও একই প্রক্রিয়ায় আমাদের সিস্টেমে পাচক রস উৎপাদন বাড়িয়ে বাড়িয়ে ক্ষুধা সহায়তা করে।

এছাড়াও সরিষা তেল ঠান্ডা এবং কাশি উপশমে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। এটি শ্বাসযন্ত্রের নালীর থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে।
সরিষার তেল তামাটে এবং কালো দাগ দূর করে স্বাভাবিক ত্বক ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করে।

ঠোঁটের  শুস্কতা দূর করে এবং ত্বকের প্রদাহ দূর করে।

সরিষার তেল ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং প্রদাহবিরোধী হিসাবে কাজ করে।

চুল পড়া প্রতিরোধ করে, খুসকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করে।

সামান্য কাটা ছেঁড়ায় এন্টিসেপটিক এর কাজ করে।

সরিষার তেল সন্ধিস্থলের ব্যথা হ্রাস করে।

তাই প্রতিদিনের রান্নায় আজ থেকেই যোগ করতে পারেন সরিষার তেল। তবে সবার আগে নিশ্চিত হতে হবে, তেলটি ভেজালমুক্ত কি না। খাঁটি সরিষার তেল রান্নায় ব্যবহার করলে সুস্বাস্থ্যের ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যে কারণে লেবুর শরবত খাবেন 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : টক! শব্দটা শুনলেই জিহ্বায় জল চলে আসে। এই টক জাতীয় ফলগুলো কেবল মুখরোচকই না বরং এতে আছে প্রচুর ভিটামিন সি সহ মিনারেল। আরো আছে মুখে স্বাদ বাড়ানোর আর হজমের শক্তি বৃদ্ধি করার এসিড। টক ফলের নাম শুনলেই মাথায় আসে লেবুর কথা। এটি যেমন মুখরোচক তেমনি এই গরমে স্বস্তির একটি প্রধান উৎস। সারাদিনের ক্লান্তির অবসান ঘটাতে এক গ্লাস লেবুর শরবতের তুলনা নেই।

হজম শক্তি বাড়ায়:
রোজ সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে হজমের শক্তি বৃদ্ধি পায়। গ্যাসজনিত সমস্যা যাদের আছে এটি তাদের জন্য উপকারী। কারণ, লেবুর পানি খুব সহজে পরিপাক নালির মধ্যে থাকা টক্সিন শরীর থেকে বের করে দেয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে:
লেবুর মধ্যে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন সি। যে কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

এনার্জি জোগায়:
লেবুর শরবত, ইনস্ট্যান্ট এনার্জি বৃদ্ধি করে। রোজ সকালে যদি লেবুর পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন তবে মেজাজ থাকবে ফুরফুরে আর কাজেও পাবেন শক্তি।

ওজন কমাতে:
ওজন কমাতে বা মেদ ঝরাতে লেবুর তুলনা নেই। এটি খুব দ্রুত কাজ করে। হালকা গরম পানিতে, লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে আরও ভালো কাজ করে।

অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল:
এই দুটি গুণও লেবুর মধ্যে রয়েছে। ফলে, ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ এড়াতে লেবুর পানি খেতে পারেন। বিশেষ করে ফ্লু, সর্দি-কাশি ও গলাব্যথা হলে।

মস্তিষ্ক ভালো রাখে:
লেবুর মধ্যে রয়েছে অতিমাত্রায় পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। যা শুধু মস্তিষ্ক নয়, স্নায়ুকেও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। চিন্তাশক্তি বাড়ায়।

ক্যান্সার প্রতিরোধক:
লেবুর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া এটি রক্ত পরিষ্কার করতেও সাহায্য করে। এবং মুখের স্বাদ বৃদ্ধি করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঘর থেকে গরম তাড়াতে যা করবেন 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরমের দিন চলে এসেছে। এসময় যতটা সতেজ থাকা যায় ততই গরমের অনুভূতি কম হবে। নিজেকে সতেজ রাখার পাশাপাশি এসময় চারপাশের পরিবেশও সুন্দর রাখতে হবে। ঘরদোর পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি বেছে নিতে পারেন বিশেষ কিছু কৌশল। তাতে গরম অনেকটাই কম অনুভূত হবে। গরম দূর করতে ঘর থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলুন। নজর রাখুন, ঘরে যেন খবরের কাগজ স্তূপাকৃতভাবে না থাকে। সিল্কের জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলুন। মেঝেতে উলের কার্পেট পাতা থাকলে তুলে ফেলুন। কাচের পাত্রে বা পাথরের থালা অথবা বাটিতে পানি ঢালুন। পানিভর্তি পাত্রে কিছু পাথর রাখুন। কিছু ফুল দিয়ে দিন। এবার যে দরজা বা জানলা দিয়ে সবচেয়ে বেশি বাতাস আসে, তার সামনে রেখে দিন।

টেবিলফ্যানের সামনে বাটিভর্তি বরফ রাখুন। এটি খুব সহজ পদ্ধতি। এতে বরফে লেগে ফ্যানের বাতাস আরও ঠাণ্ডা হবে এবং সেই ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে ছড়িয়ে যাবে।

ঘরে অযথা বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন না। যত অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিক ল্যাম্পই জ্বালান না কেন, অপ্রয়োজনে জ্বালিয়ে রাখবেন না। ল্যাম্পের আলো ঘরের বাতাসকে গরম করে তোলে। সম্ভব হলে ঘরে কম পাওয়ারের আলো লাগান।

ঘরে ক্রস ভেন্টিলেশন রাখুন। মানে যে দিকের দরজা বা জানলা খুলবেন, তার বিপরীতের দরজা এবং জানালা খুলে রাখুন। এতে ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে প্রবেশ করবে এবং বিপরীত দিক দিয়ে গরম বাতাসকে বের করে দেবে।

চালভর্তি বালিশ তৈরি করুন। চাল খুব ঠান্ডা থাকে। তাই গরমকালে চালের তৈরি বালিশ মাথায় দিতে পারেন। এতে চোখে-মুখে ঠাণ্ডার সতেজতা পাবেন। বালিশে চাল ভরার আগে এর মধ্যে কিছু নিমপাতা মিশিয়ে দিন। এতে চালে পোকা হবে না।

ইলেক্ট্রিক প্লাগ অন রাখবেন না। প্লাগে কোনো গ্যাজেট গুঁজে রাখলে তার কাজ শেষ হতেই সুইচ বন্ধ করে দিন এবং ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেটকে প্লাগ থেকে খুলে নিন।

ঘরে অর্কিড জাতীয় গাছ রাখুন। গাছ ঘরের মধ্যে থাকা গরম বাতাস থেকে কার্বনডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া চালু রাখে। এতে ঘরের গরম বাতাস হাল্কা হয় এবং তাতে প্রচুর পরিমাণে জলকণা সঞ্চিত হয়। তাই ঘরে ঠান্ডা থাকে।

বারান্দায় বা জানলায় খসখস অথবা বাঁশের পর্দা ব্যবহার করুন। এতে পানি দিয়ে দিন। এমন ঠান্ডা অনুভব করবেন যে, এসির কথা ভুলে যাবেন।

একটি প্লাইউডে ছোট ছোট গর্ত করে তাঁর মধ্যে প্লাস্টিক বোতল গুঁজে দিন। এর আগে প্লাস্টিকের বোতলগুলিকে মাঝখান থেকে কেটে নিতে হবে। বোতলের উপরের দিকের অংশ কাজ লাগবে। বোতলের ছিপিতে ছিদ্র করে দিন। এরপর অর্ধেক কাটা বোতলগুলিকে প্লাইউডে করা গর্তগুলিতে জুড়ে দিন। জানলার সঙ্গে প্লাইউডকে সাঁটিয়ে দিন। বোতলের মধ্যে থাকা গরম বাতাস ছিপির ছোট ছিদ্র দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু, ঠান্ডা বাতাস হালকা হওয়ায় আগে ঘরে প্রবেশ করবে।

চেষ্টা করুন ঠাণ্ডা ফল খেতে। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন। ঠাণ্ডা লিকার চা-এর মধ্যে একটু বরফ, লেবু এবং কারি পাতা মিশিয়ে নিন। এরপর তা মাঝে মাঝে পান করুন। পারলে রোজ তরমুজ খান। কোল্ড কফিও ট্রাই করতে পারেন।

একটা ব্র্যাকেটে বা ঝুড়িতে টবে লাগানো গাছ দিয়ে ভর্তি করুন এবং দরজা বা জানলার সামনে রেখে দিন।

ছাদের রঙ সাদা করে ফেলুন। দেখবেন, গরম অনেকটা কমে গিয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঘরে বসেই তৈরি করুন মুখ তৃপ্তি দুধ মালাই 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মিষ্টি জাতীয় যে কোন খাবার পছন্দ করেন না এমন মানুষ নেই। তাই জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন হালকা স্বাদের মুখ তৃপ্তিরোচক দুধ মালাই।

উপকরণঃ
* গুঁড়াদুধ ১ কাপ।
* তরলদুধ আধা কেজি।
* ডিম ১টি।
* বেইকিং পাউডার ১ চা-চামচ।
* ময়দা ১ চা-চামচ।
* এলাচগুঁড়া ২ চিমটি।
* গোলাপ জল আধা চা-চামচ।
* চিনি ২ টেবিল-চামচ।

পদ্ধতিঃ হাঁড়িতে চিনি, দুধ, ১ চিমটি এলাচগুঁড়া সব একসঙ্গে দিয়ে অল্প আঁচে চুলায় জ্বাল দিন। আরেকটি পাত্রে গুঁড়াদুধ, বেইকিং পাউডার, ময়দা, এলাচগুঁড়া ১ চিমটি ও গোলাপ জল একসঙ্গে সব মিশিয়ে নিন। ডিম ফেটিয়ে এই মিশ্রনে মিশিয়ে দিন। সব ভালো ভাবে মেশাবেন তবে বেশি মাখাতে হবে না। ভালোভাবে মিশে গেলেই হবে।

প্রথমে খামিরটা হাতের সঙ্গে আঠালো ভাবে আটকে যাবে। এটা পাঁচ মিনিট রেখে দিলেই ঠিক হয়ে যাবে। এবার হাতে তেল বা ঘি মেখে পছন্দ মতো আকারে মিষ্টি বানিয়ে নিন।

ফোটানো দুধে মিষ্টিগুলো দিয়ে দিন। মিষ্টিগুলো ফুলে উঠলে, চুলার জ্বাল কমিয়ে ঢাকনা দিন। ১০ মিনিট পর ঢাকনা তুলে দেখুন মিষ্টি ভালো ভাবে সিদ্ধ হয়েছে কিনা।

হয়ে গেলে নামিয়ে ঠাণ্ডা বা গরম দুইভাবেই পরিবেশন করতে পারেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চিংড়ি পোলাও রাঁধবেন যেভাবে 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চিংড়ি খেতে ভালোবাসেন প্রায় সব মানুষই। আবার অতিথি আপ্যায়নে কিংবা একটু ভারী খাবার হিসেবে পোলাও না থাকলে যেন চলেই না। কেমন হয় যদি দুটি খাবারের স্বাদ একসঙ্গেই নেয়া যায়? তেমনই একটি রেসিপি চিংড়ি পোলাও। রেসিপি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী খাদিজা হোসাইন।

উপকরণ: পোলাওয়ের চাল ১/২ কেজি, চিংড়ি ১/২ কেজি, পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চামচ, ক্রিম ২ টেবিল চামচ, পাপরিকা ১.৫ চা চমচ, চিনি ১ চা চামচ, তেল ১/২ কাপ, কাজুবাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, তেজপাতা ১ টি, এলাচি ২ টি, লবঙ্গ ২ টি, দারুচিনি ১ টি, হলুদের গুড়া ১/২ চা চামচ, মরিচের গুড়া ১/২ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, বাটার ১ টেবিল চামচ, টমেটো ১ টি (সাজানোর জন্য), পিঁয়াজ পাতা পরিমাণমতো (সাজানোর জন্য)

প্রণালি : প্রথমে একটি প্যানে তেল গরম করে এতে পোলাওয়ের চাল, মিক্সড গরম মসল্লা, আদা বাটা, লবণ, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রান্না করুন। এখন অন্য একটি প্যান বসিয়ে তার মধ্যে তেল, পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, হলুদ-মরিচের গুড়া ও লবণ দিয়ে ৫ মিনিট ভালো করে নাড়ুন। তারপর চিংড়ি মাছ দিয়ে আরও ৫ মিনিট রান্না করুন এবং সাথে যথাক্রমে পাপরিকা, কাজুবাদাম বাটা, বাটার, ক্রিম ও চিনি দিয়ে তীব্র আঁচে কিছুক্ষণ রান্না করে পিঁয়াজ পাতা, টমেটো দিয়ে পরিবেশন করুন দারুণ মজাদার চিংড়ি পোলাও।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জিলাপি বানাবেন যেভাবে 

0000

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দোকান থেকে তো কিনে খাওয়াই হয়, আপনি চাইলে বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন মজাদার মচমচে জিলাপি। খুব সহজেই তৈরি করা যায় মজাদার এই খাবারটি। চলুন জেনে নেই ঘরেই জিলাপি তৈরি করার সহজ রেসিপি-

উপকরণ : ময়দা ২ কাপ, চিনি ২-৩ কাপ, চালের গুড়া ১/২ কাপ, বেকিং পাউডার ২ চা চামচ, দারুচিনি ও এলাচ ২-৩ করে, পানি পরিমাণমতো, সামান্য গোলাপ জল, জাফরান, পরিমাণমতো তেল।

প্রণালি : প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ ময়দা ও ১/২ কাপ চালের গুড়া নিন। এবার ময়দা ও চালের গুড়ার মধ্যে বেকিং পাউডার, গোলাপ জল, জাফরান ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি খুব পাতলাও হবে না আবার খুব বেশি ঘনও হবে না। মেশানো উপকরণগুলো প্রায় ৮/৯ ঘণ্টা কিছুটা গরম স্থানে রেখে দিন।

এবার চুলায় একটি পাত্রে ২-৩ কাপ চিনি, পরিমাণমতো পানি, ২-৩ টা দারুচিনি ও এলাচ দিয়ে ভালো করে জ্বাল দিন। শিরা কিছুটা ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা করে রাখুন। আরেকটি পাত্রে তেল গরম করুন। এবার জিলাপির মিশ্রণটি নরম পাতলা কাপড়ের মধ্যে ফুটো করে অথবা সরু মুখের প্লাস্টিকের সসের বোতলে ভরে নিন। মিশ্রণটি গরম তেলে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে জিলাপির আকার করে ছাড়ুন। জিলাপির দুই পাশ মচমচে করে ভেজে লালচে করে নিন।

জিলাপি ভাজা মাত্র চুলা থেকে তুলে সরাসরি চিনির সিরায় ডুবিয়ে রাখুন। প্রায় ২-৩ মিনিট সিরায় ডুবিয়ে রাখার পর জিলাপিগুলো উঠিয়ে অন্য একটি পাত্রে তুলে রাখুন। ব্যাস হয়ে গেল আপনার নিজের হাতে তৈরি মুচমুচে জিলাপি, এবার পরিবেশন করুন মজাদার জিলাপি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর