২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
সকাল ৭:০৮, রবিবার

রূপচর্চায় যে ভুলগুলো করবেন না

রূপচর্চায় যে ভুলগুলো করবেন না 

27

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সুন্দর থাকতে সবাই ভালোবাসে। সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের জন্য রূপচর্চার প্রয়োজন হয়। সঠিক উপায়ে রূপচর্চা করলেই কেবল সুন্দর ত্বক পাওয়া সম্ভব। তবে অনেক সময় রূপচর্চার ক্ষেত্রে বেখেয়ালে কিছু ভুল হয়ে যায়। যা আমাদের ত্বকের উপকারে না এসে বরং ক্ষতি করে। তাই কিছু বিষয়ে লক্ষ রাখা জরুরি।

মুখ ধোয়ার জন্য কেউই হাত পরিষ্কার করে নেন না। অনেকেই ভাবেন মুখ ধোয়ার সাথে হাতও পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু আপনার হাতে যে জীবাণু রয়েছে তা প্রথমেই ত্বকে চলে যায় এবং সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই আগে হাত ধুয়ে নিন।

অনেকেই শুকনো ত্বকে ক্লিনজার ব্যবহার করে ত্বক ধুয়ে থাকেন এতে ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়। প্রথমে ত্বক পানি দিয়ে ভিজিয়ে তারপর ত্বকে ক্লিনজার ব্যবহার করুন।

অনেক সময় নানা ফেসমাস্ক বা উপটান ব্যবহারের পর তা ঠান্ডা বা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া থাকে। তখন আমরা সঠিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করতে অনেক বড় ভুল করে থাকি। খুব ঠান্ডা বা বেশ গরম পানি দিয়ে ত্বক ধোয়া উচিত নয়।

স্ক্রাবিং ত্বকের জন্য অনেক বেশি জরুরি। এতে করে ত্বকের মরা চামড়া দূর হয় এবং গভীরে জমে থাকা ময়লা দূর হয়।অনেকে বেশি সময় ধরে ত্বক স্ক্রাব করেন যা অনেক ক্ষতিকর। স্ক্রাবার দিয়ে মুখের ত্বক ১/২ মিনিটের বেশি স্ক্রাব করা একেবারেই উচিৎ নয়। কারণ এর বেশি সময় ধরে স্ক্রাব করলে ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি হয়।

যেকোনো একটি তোয়ালে দিয়ে মুখ মোছা মোটেও ত্বকের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। মুখ মোছার তোয়ালে অবশ্যই আলাদা করে রাখবেন। তা না হলে ত্বকে ইনফেকশনের সম্ভাবনা থাকে।

ত্বক কখনোই তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে ঘষে মুছবেন না। এতে ত্বকের টিস্যুর মারাত্মক ক্ষতি হয়। তোয়ালে বা কাপড় চেপে ধরে শুধুমাত্র ত্বক থেকে পানি শুষে নিন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শাড়ি পরার যত নিয়ম 

27

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শাড়ি এমন একটি পোষাক যা ঐতিহ্যগত হওয়ার পাশাপাশি আপনাকে হট লুকও দিতে পারে৷ ঠিক ভাবে শাড়ি পরলে এতে আপনার শরীরের গঠন যেমন সুন্দর হবে তেমনই আপনার চেহারের কিছু খামতিও ঢেকে যাবে৷ এছাড়াও শাড়ি পরা এক ধরণের শিল্প যেখানে একটু ভুল হওয়া মানেই আপনার গোটা লুক বরবাদ হয়ে যেতে পারে৷ তাই জেনে নিন শাড়ি পরার সময় কোন ভুল গুলো একেবারেই করা মানা৷

# সবার প্রথমে খেয়াল রাখতে হবে শাড়ি পড়ার সময় আপনি কি ধরনের জোতে পড়ছেন৷ আপনারো জুতোর হিল কতটা তার সঙ্গেই সম্পর্ক আপনার শাড়ির লুকের৷ তাই শাড়ি পড়ার সময় যে জুটো পড়ে বেরোবেন সেটা পড়ে নিন৷ এতে শারীর উচ্চতা আপনার উচ্চতার সঙ্গে মিশ খাবে ও আপানাকে অনেক বেশি সুন্দরী দেখাবে৷

# শাড়ি পরার সময় যদি আপনি একাধিক পিন ব্যবহার করেন তাহলে এটা আপনার মস্ত ভুল৷ শাড়িতে পিন লাগানোর সময় যাতে এটি বাইরে থেকে দেখা না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে৷ চেষেটা করুন যাতে পিন শাড়ির আড়ালে ঢেকে যায়৷ খুব পাতলা ফেব্রিকের শাড়িতে একাধিক পিন ব্যবহার করবেন না এতে শাড়ি ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷

# শাড়ির সঙ্গে যদি মনে করে থাকেন ইচ্ছামত জুয়েলারি পরবেন তাহলে এটা কিন্তু একেবারেই আপনার ভুল ধারনা৷ শাড়ি পড়ার সময় খেয়াল রাখুন যে কোন সাড়ির সঙ্গে কোন ধরনের অলঙ্কার মানাবে৷ হালকা শাড়ির সঙ্গে হেভি জুয়েলারি পড়ুন আর হেভি শাড়ির সঙ্গে জুয়েলারি ছাড়া বা সামান্য জুয়েলারি দিয়েও পড়তে পারেন৷

# আপনি যদি শাড়ির বিষয়ে পটু হয়ে থাকেন তবে নিশ্চয়ই আপনি অনুষ্ঠা অনুযায়ী বিভিন্ন ভাবে শাড়ির পড়ে থাকে? তবে শাড়ির সঙ্গে আপনি যত এক্সপেরিমেন্ট করবে আপনার ভুলের পরিমাণ তত বাড়বে৷ আপনি যে ধরণের শাড়ি সবচেয়ে ভাল পড়তে পারেন সেভাবেই শাড়ি পড়ুন৷ এমনকি অন্য কোন ব্যক্তির মতামত নিন৷

# আজকাল শাড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্লাউজেও অনেক ধরণের এক্সপেরিমেন্ট দেখা যায়৷ তাই কোন শাড়ির সঙ্গে কোন ধরণের ব্লাউজ মানাবে সেদিকেও খেয়াল রাখবেন৷ ভারী শাড়ির সঙ্গে হালকা ব্লাউজ ও হালকা শাড়ির সঙ্গে জমকাল ব্লাউজ সেক্ষেত্রে পারফেক্ট ম্যাচ হতে পারে৷

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গুণে ভরা শালগম 

0

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত শালগম। এটি এক প্রকার রূপান্তরিত মূল এবং মাটির নিচের অংশ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রতি ১০০ গ্রাম শালগমে আছে ০.৫ গ্রাম আমিষ, ৬.২ গ্রাম শর্করা, ০.৯ গ্রাম আঁশ, ০.২ গ্রাম চর্বি, ২৯ কিলোক্যালরি শক্তি, ৩০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৪০ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ৪৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন `সি`।

শালগম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। এটি কফ, ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমা নিরাময়ে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন-সি দেহের কোষ ক্ষয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

শালগম দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এর লিউটিন নামক উপাদান হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। শালগমে প্রচুর আঁশ থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে।

শালগমের পাতায় গ্লুকোসিনোলেট নামক উপকারী উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কার্যকরী ভূমিকা।

শালগম রক্ত পরিশোধিত করে এবং রক্তকণিকা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ক্ষুধামন্দা দূর করতেও শালগম বেশ উপকারী। এটি ব্রণসহ ত্বকের অন্যান্য সমস্যা নিরাময়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

দীর্ঘক্ষণ লিপস্টিক ধরে রাখার কৌশল 

0

লাইফস্টাইল ডেস্ক : লিপস্টিক এর ব্যবহার যথার্থ হতে হবে। আপনার ত্বক, পোশাক, ব্যক্তিত্ব, দিনের সময়, চেহারা এই সবকিছু মাথায় রেখেই লিপস্টিক বেছে নিতে হবে। তবে অনেকেরই অভিযোগ হচ্ছে ঠোঁটে বেশিক্ষণ লিপস্টিক থাকেনা। আর একারণে বারবার লিপস্টিক ব্যবহার করতে হয়, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। তাই চলুন জেনে নেই দীর্ঘক্ষণ লিপস্টিক ধরে রাখার উপায়।

প্রথমে লিপস্টিক লাগান। তার ওপরে পাউডার দিন। এবার হালকা করে টিস্যু পেপার দিয়ে দুই ঠোটেঁর মাঝে চাপা দিন।

যে লিপস্টিকই লাগান না কেন সরাসরি কখনো ঠোটেঁর ওপর লাগাবেন না। লিপব্রাশ দিয়ে হালকা ভাবে লাগাবেন।

লিপস্টিক লাগানোর আগে জিভ দিয়ে ঠোঁট সামান্য ভিজেয়ে নেবেন। লিপস্টিক ডানদিক থেকে বামদিকে লাগাবেন। ঠোটেঁর কোণের জন্য সামান্য ফাঁক রাখবেন।

যাদের ঠোঁট মোটা তারা লিপস্টিক লাগানোর আগে লিপ পেন্সিল দিয়ে ঠোঁটের বাইরের অংশ কিছুটা ছেড়ে এঁকে নিন।

লিপ পেন্সিল লাইনারের বাইরের অংশ কভার স্টিক ফাউন্ডেশন ও পাউডার দিয়ে ত্বকের রঙের সাথে মিলিয়ে দিনভর রাখতে পারেন। এরপর লিপ লাইন দিয়ে আঁকা ঠোঁটের ভেতরের অংশ ভরে দিন পছন্দসই বা মানানসই লিপস্টিক দিয়ে।

পাতলা ঠোঁট যাদের তারা ঠিক ঠোঁটের বর্ডার ধরে ভিতরটা রঙ করুন। যদি লিপস্টিক বর্ডার ছাপিয়ে বেরিয়েও যায় খুব একটা খারাপ লাগবে না।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফ্রিজে কোন খাবার কতদিন রাখবেন 

0

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিনের বাজার করার ঝক্কি থেকে মুক্তি দেয় ফ্রিজ। হঠাৎ কোনো আত্মীয় এলে অনেক সময় ফ্রিজের খাবারই ভরসা। সব খাবার দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় না। চলুন জেনে নিই, খাদ্যের গুণাগুণ ধরে রেখে কোন খাবার কতোদিন ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারবেন-

১. মাংস ১ -২ মাস
২. পাউরুটি ২ -৩ মাস
৩. মাংস ২ -৩ মাস (রান্না করা)
৪. হাঁস-মুরগির মাংস ৪ মাস(রান্না করা)
৫. অন্যান্য খাবার ২ -৩ মাস(রান্না করা)
৬. ফল ৮ -১২ মাস
৭. স্যুপ ২ -৩ মাস
৮. কাঁচা মুরগি (আংশিক) ৯ মাস
৯. কাঁচা মুরগি (আস্ত) ১ বছর
১০. শাকসবজি ৮ -১২ মাস

লক্ষ্য করুন :

১. খাবার কেনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তা ফ্রিজে রাখুন। তাজা অবস্থায় ফ্রিজে রাখলে বেশিদিন খাদ্যমান ধরে রাখা যায়।

২. একসঙ্গে অনেক খাবার ফ্রিজে রাখতে হলে আগে রাখা কিছু খাবার ফ্রিজ থেকে সরিয়ে ফেলুন।

৩. কৌটার খাবার ও খোসাসহ ডিম ফ্রিজে না রাখাই ভালো। কৌটা বা ডিমের খোসা ফেটে গেলে এর ভেতর ব্যাক্টেরিয়া ঢুকে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

৪. গরম খাবার ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখলে এর খাদ্যমান বজায় থাকে।

৫. মোড়কজাত মাংস দীর্ঘ সময় ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন হলে বাড়তি প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে তা আরও ভালোভাবে মুড়িয়ে নিন।

৬. খাবারটি কতদিন সংরক্ষণ করতে হবে তা খাবারের প্যাকেটের গায়ে লিখে রাখলে এ বিষয়টি মনে রাখা সহজ হবে।

৭. তাজা ফল সংরক্ষণের আগে তা ভালো করে ধুয়ে, শুকিয়ে ছোট ছোট করে কেটে ব্যাগে সংরক্ষণ করা উচিত। অনেকে এর স্বাদ, গন্ধ ধরে রাখার জন্য চিনি বা সিরাপ দিয়েও সংরক্ষণ করে থাকেন।

৮. স্বাদ, গন্ধ ও রঙ ধরে রাখার জন্য ফ্রিজে সংরক্ষণের আগে শাকসবজি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর বক্সে ভরে ফ্রিজে রাখুন।

৯. প্রতিটি খাবার খুব ভালো ভাবে এয়ারটাইট করে রাখুন। এতে খাবারের গুণাগুণ দীর্ঘ দিন ভালো থাকবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

অকালেই বৃদ্ধ করে যেসব খাবার 

0

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বয়স ধরে রাখার প্রচেষ্টা থাকে সবার। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চেহারায়ও তার ছাপ পড়ে। তবে এমনকিছু খাবার আছে যা খেলে বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। এবং সেসব খাবার কম খেলে অথবা খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিলেই অকালেই বুড়িয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না। চলুন জেনে নেই।

অকাল বার্ধক্যের পিছনে মিষ্টির ভূমিকা আছে। বাড়তি মিষ্টি প্রোটিনের সঙ্গে মিশে অ্যাডভান্সড গ্লাইকেশন এন্ড প্রডাক্ট তৈরি করে। এই গ্লাইকেশনের কারণেই চেহারায় বার্ধক্যের ছাপ পড়তে থাকে।

বার্ধক্যের ব্যাপারে কফির ভূমিকা সকলেরই জানা। কফি ত্বকের অনেক রকম ক্ষতি করে। শরীরের আর্দ্রতা নষ্ট করে দেয়। শরীর রুক্ষ, শুষ্ক করে তোলে। অল্প বয়সেই দেখা দিতে থাকে বলিরেখা।

ভাত ধীরে ধীরে বার্ধক্যের দিকে ঠেলে দেয়। ভাত ত্বকের কোলাজেন নষ্ট করে। চামড়া খুব তাড়াতাড়ি ঝুলতে শুরু করে। সেই সঙ্গে দেখা মেলে বলিরেখারও।

অনেকেই পাতের এক পাশে কাঁচা লবণ নিয়ে খেতে বসেন। রান্নাতেও অতিরিক্ত লবণ খান। এর ফলে শরীরের রক্ত পানি হয়ে যায়। সেই পানি জমতে থাকে শরীরে। শরীর ফুলে যায়। দেখা দেয় বার্ধক্য।

লাবণ্য ধরে রাখতে রেড ওয়াইন যতটা ভালো, হোয়াইট ওয়াইন ততটাই খারাপ। ত্বক ক্ষতির পাশাপাশি হোয়াইট ওয়াইন দাঁতেরও ক্ষতি করে। হলদে করে দেয় দাঁত। তারপরই নড়বড় করতে শুরু করে।

অতিরিক্ত মদ্যপান লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে। এবং সেই ক্ষতি ছাপ ফেলতে শুরু করে ত্বকে। মদের কারণে মুখে দেখা দিতে থাকে ব্রণ, ফুসকুড়ি। অকালে মাথা থেকে গুচ্ছগুচ্ছ চুল ঝরতে শুরু করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ইলিশ মাছের সুস্বাদু কাটলেট 

130db44974eb935424e6865ec8e7f9ed

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বাঙালির ভোজনবিলাসে ইলিশ না হলে যেন চলেই না। একই ইলিশের হাজার রকমের রান্না। সব রান্নাই সহজ এবং সুস্বাদু। আজ দেখে নিন ইলিশ মাছের কাটলেট রেসিপি।

উপকরণ : ৪-৫ টুকরো ইলিশ মাছ, ৪ চা চামচ বেসন, ৫ টুকরা পাউরুটি দিয়ে তৈরি ব্রেড ক্রাম্বস, ১ কাপ তেল, ১টি মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ কুচি, ১ চা চামচ আদা রসুনের পেস্ট, ১/২ লেবুর রস, ২টি কাঁচা মরিচ কুচি, ১/২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, লবণ স্বাদমতো, ১/২ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ ধনিয়া গুঁড়ো, ৫ চা চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার।

প্রণালি : মাছ পানি এবং ভিনেগার দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ভিনেগার দিয়ে ধুলে মাছের গন্ধ দূর হয়ে যাবে। এবার মাছের টুকরোগুলো সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ করা মাছগুলোর কাঁটা বেছে নিন। এবার মাছের সাথে বেসন, ধনে পাতা কুচি, আদা রসুনের পেস্ট, কাঁচা মরিচ, লাল মরিচের গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো এবং লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার এতে লেবুর রস এবং পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার প্যানে তেল গরম করতে দিন। মাছের মিশ্রণটি নিজের পছন্দমতো সাইজ করে প্রথমে ব্রেড ক্রাম্বস, তারপর কর্ণ ফ্লাওয়ার মেশানো পানিতে এবং আবার ব্রেড ক্রাম্বসে চুবিয়ে তেলে দিয়ে দিন। সোনালি রং হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন। টমেটো সস বা চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ফিশ কাটলেট।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঘর ধুলোবালিমুক্ত রাখার উপায় 

0

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দিনশেষে প্রিয় ঘরটিই আমাদের প্রশান্তির জায়গা। সারাদিন যত ব্যস্ততাই থাকুক, সবাই চাই নিজের ঘরে একটু স্বস্তির দেখা পেতে। কিন্তু সেই ঘরটিই যদি হয় অপরিষ্কার কিংবা ঘরের এখানে সেখানে যদি ধুলোবালি জমে থাকে, আপনার নিশ্চয়ই ঘরে থাকতে মন চাইবে না। আর প্রশান্তির দেখাও মিলবে না। এসময় বাতাসের প্রচুর ধুলোবালি ঘরে ঢুকে সবকিছু ময়লা করে ফেলে। তাই চলুন জেনে নেই কীভাবে প্রিয় ঘরটিকে ধুলোবালিমুক্ত রাখা যায়।

পরিষ্কার করে নিলে আর কোনো সমস্যা থাকে না। ধুলোবালি আমাদের নিত্য সঙ্গী। ধুলোবালি কিছুতেই যেন পিছু ছাড়তে চায় না। আসুন ঘর পরিচ্ছন্ন রাখার কতগুলো উপায় জেনে নিই।

ঘর পরিষ্কার রাখতে সবসময় ঘরের দরজা না খুলে রাখাই ভালো। বিশেষ করে আপনার ঘরটি যদি নিচতলায় হয়, বিনা কারণে দরজা খোলা রাখবেন না। কারণ যত বেশি সময় ধরে দরজা খোলা রাখবেন, ঘরে ততই বাইরের ধুলো-ময়লা এসে ঢুকবে। ঘরে মোটা পর্দা ব্যবহার করা যেতে পারে ধুলোবালি প্রতিরোধ করার জন্য। শুধু দরজাতেই নয়, জানালাতেও পর্দা ব্যবহার করলে একই সাথে যেমন ঘরের সৌন্দর্য বর্ধন হবে তেমনি ধুলোবালি থেকে ঘরকে রক্ষাও করা যাবে।

ঘর সাজানোর জন্য যেসব কৃত্রিম ফুল বা ফুলের গাছ রাখা হয়, সেগুলোতে জমতে পারে ধুলো-ময়লা। তাই সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন এগুলো পরিষ্কার করতে হবে। আর এসব পরিষ্কারের নিয়ম হলো, শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে এসব ফুল বা ফুলের গাছ ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।

ঘর মোছার কাপড়টি ভেজাতে হবে ডেটল কিংবা স্যাভলনযুক্ত পানিতে। এতে ঘরের মেঝে পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি জীবাণুমুক্তও হবে। ঘরে যদি কার্পেট থাকে তবে সেই কার্পেট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কার্পেট পরিষ্কারের জন্য ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। নিয়মিত ব্রাশ দিয়ে কার্পেট পরিষ্কার করলে ধুলো-ময়লা জমার সুযোগ পাবে না।

আসবাবপত্রে যেসব ধুলোবালি জমে সেগুলো অনেকেই ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে থাকেন, যেটা একদমই ঠিক নয়। কারণ ভেজা কাপড় দিয়ে আসবাবপত্র পরিষ্কার করতে গেলে সেগুলোর রং নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এমন কিছু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে যাতে রঙের কোনো ক্ষতি না হয়। সেজন্যে মোরগের পালকের তৈরি ঝাড় ব্যবহার করা যেতে পারে।

বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র পরিষ্কারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে শক না লাগে। কারণ ধুলো-ময়লা জমে থাকা কোনো কোনো অংশ পরিষ্কার করতে গিয়ে ছিদ্র হয়ে থাকা তারের উপর হাত পড়তেই পারে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শুধু ভাত খেয়েই দু’সপ্তাহে কমবে ওজন! 

p7bvooae-copy

অনলাইন ডেস্ক : চিকিৎসা বিদ্যায় একটা প্রচলিত ধারণা আছে, ভাত মানেই অতিরিক্ত শর্করা ও ক্যালোরি। অর্থাৎ যাঁরা স্বাস্থ্য সচেতন, এবং যাঁরা রোগা হওয়ার চেষ্টা করছেন, ভাত তাদের কাছে বর্জনীয়। কিন্তু এ বার এই ধারণার একেবারে মূলে কুঠারাঘাত করল ‘আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকল নিউট্রিশন’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র।

ভাত খেলে ওজন বাড়ে, এমন ধারণাকে শুধু যে এই গবেষণাপত্রে নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে, তা-ই নয়, বরং পাশাপাশি এমন দাবিও করা হয়েছে যে, ভাত খাওয়ার মাধ্যমে বরং ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

তবে হ্যাঁ, সে ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনতে হবে। যে সাদা চালের ভাত খেতে আপামর বাঙালি অভ্যস্ত, তাকে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে তার জায়গায় খয়েরি রং-এর ব্রাউন রাইস খাওয়া শুরু করতে হবে। সাদা রং-এর যে চালের ভাত বাঙালি প্রতিদিন খেয়ে থাকে, তাকে বলা হয় রিফাইন্ড রাইস। রাইস মিলে চালকে প্রসেস করে তৈরি হয় সাদা চাল।

আর আনপ্রসেসড রাইস হল ব্রাউন রাইস। পশ্চিমী দুনিয়ায় অনেক দিন থেকেই জনপ্রিয় এই চাল এখন ভারতীয় বাজারে যথেষ্ট সুলভ। সিদ্ধ হতে সাদা চালের একটু বেশি সময় নেয় ব্রাউন রাইস। স্বাদেও সাদা ভাতের চেয়ে খয়েরি ভাত অনেকটাই আলাদা। একটু বাদাম-বাদাম গন্ধ থাকে এই চালে। কিন্তু গবেষকদের দাবি, এই চালের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি।

গবেষণাপত্র জানাচ্ছে, ব্রাউন রাইসে শর্করার পরিমাণ সাদা চালের চেয়ে অনেকটাই কম। ফলে যাঁরা সাদা চালের ভাত খান, তাঁরা যদি খয়েরি ভাত খাওয়া শুরু করেন, তা হলে তাঁদের শরীরে ক্যালোরি ইনটেক কমে যায় অনেকটাই। শরীরের মেটাবলিজমও এক ধাক্কায় অনেকখানি বেড়ে যায়। তার ফলে যে পরিবর্তন আসে শরীরে, গবেষকদের দাবি, তা আধ ঘন্টা জগিং করার প্রভাবের সমতুল।

গবেষকরা দাবি করছেন, যাঁরা সাদা চালের ভাতে অভ্যস্ত, তাঁরা যদি আচমকা খয়েরি চালের ভাত খেতে শুরু করেন, তা হলে দ্রুত হ্রাস পায় তাঁদের শরীরের অতিরিক্ত মেদ। খাদ্যাভ্যাসে এই সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে দু’সপ্তাহে অন্তত পাঁচ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব বলেই মনে করছেন গবেষকরা। কাজেই ভাত-প্রিয় যে সমস্ত বাঙালি স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা খয়েরি ভাতের মাধ্যমে অতি সহজেই খুঁজে পেতে পারেন রোগা হওয়ার রাস্তা। সূত্র:এবেলা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

প্রতিদিন আঙুর খাবেন যে কারণে 

g8f49zls-copy

অনলাইন ডেস্ক : কথায় বলে, আঙুর ফল টক! আঙুর ফল না খেতে পেরে গল্পের শেয়াল এরকমই বলেছিলো।

কিন্তু ডাক্তারি গবেষণা বলছে, আঙুর ফল থেকে দূরে থাকলে লস আপনারই। কারণ নিয়মিত আঙুর খাওয়ার অভ্যাস থাকলে, ভয়ঙ্কর রোগ ‘অ্যালঝাইমার্স’  থেকে আপনি থাকবেন সুরক্ষিত। ‘অ্যালঝাইমার্স’ হলো ভুলে যাওয়া রোগ, যা সাধারণত বড়দের হয়।

আঙুরের পুষ্টিগুণ অনেক; যা বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ সচল রাখতে অদ্বিতীয়। মস্তিষ্ককে কর্মক্ষম রাখে আঙুর। স্মৃতিশক্তিও বাড়ায়। স্নায়ুতন্ত্র ও হার্ট ভালো রাখে- এই আঙুর।

এতে থাকে পলিফেনল, যা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি কার্যকারিতা বাড়ায়। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট শরীরের যেকোনো কাটাছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো করে।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন টক ঝাল মিষ্টি যাই হোক, প্রতিদিন নিয়ম করে আঙুর খাওয়ার অভ্যেস আপনাকে সুস্থ্যভাবে বাঁচিয়ে রাখবে আরও বেশিদিন। সূত্র: কেয়ার টু

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নখ কাটার কিছু নিয়ম 

356

লাইফস্টাইল ডেস্ক : নিয়মিত নখ কাটা সুরুচির লক্ষণ। ভালোবেসে নখ সাজাতে ভালোবাসেন অনেক ফ্যাশনসচেতন নারী। আবার নখের জন্য রয়েছে নানারকম যত্ন। তবে নিয়ম মেনে নখ না কাটলে সেসব প্রচেষ্টাই বৃথা। তাই চলুন জেনে নিই নখ কাটার কিছু নিয়ম-

নখ চিকন বড় হয়ে গেলে ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই চিকন বড় হওয়ার আগেই নখ কেটে ফেলা উচিত। অনেকেই নখ কাটতে গিয়ে বিপত্তি ঘটায়। তাই নখ কাটার সময় সাবধানে কাটা উচিত।

নখ কাটার আগে হালকা গরম পানিতে কিছুক্ষণ হাত ও পা ভিজিয়ে রাখলে নখগুলো নরম হবে। এতে করে নখ সহজে আপনার  ইচ্ছামতো কাটতে পারবেন। কখনই নখ খুব চিকন গভীরে কাটা ঠিক না।

নখ কাটার জন্য ধারালো নেইল কাটার ব্যবহার করতে হবে। কখনই ভোঁতা কোন নেইল কাটার অথবা ব্লেড দিয়ে নখ কাটাবেন না। নখ শুকিয়ে যাওয়ার পর নেইল শেপার দিয়ে পছন্দ মতো শেইপ করে নিন।

নখ ভেজা অবস্থায় কখনো নেইল শেপার ব্যববার করবেন না, এতে নখ খাঁজ কাটা হয়ে যাবে এবং শুঁকানোর পর নখ অমসৃণ হয়ে যাবে এবং ভেঙে যাবে। নেইল শেপার দিয়ে এমন ভাবে শেইপ করতে হবে যেন নখের মাথা মসৃণ হয়,  অমসৃন নখ বিভিন্ন জায়গায় যেমন কাপড়ে, চুলে লেগে নখ ভেঙে যেতে পারে।

বাচ্চাদের নখ কাটার সময় একটু বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে ববে। বাচ্চাদের নখ হয় নরম এবং পাতলা। একদম ছোট বাচ্চাদের নখ কাটার জন্য ভালো সময় যখন ওরা ঘুমিয়ে থাকে। কারণ জেগে থাকলে নড়াচড়ার মাঝে নখ কাটতে গেলে চামড়াসহ কেটে যেতে পারে। বাচ্চাদের নখ খুব দ্রুত বাড়ে, তাই প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত নখ কেটে দিতে হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চুলের সাজে বাহারি খোঁপা 

2

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চুল লম্বা হোক কিংবা ছোট চুলের যে সাজটি আপনাকে অনন্য করে তুলতে পারে তা হচ্ছে খোঁপা। আপনার চেহারা থেকে শুরু করে এটি আপনার ব্যক্তিত্বেও আনে আলাদা গুরুত্ব। আপনি শুধুমাত্র বাহারি খোঁপার সাহায্যে নিজেকে একদম আলাদা ভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। তাই নিজেকে আলাদাভাবে সাজিয়ে তুলতে চাইলে চটপট বাহারি খোঁপায় নিজেকে বদলে নিন।

কার্ল আপডু
যাদের চুল কার্লি তাদের জন্য এটি একটি পারফেক্ট খোঁপা। মাঝারি থেকে বড় সাইজের চুলে এটি করা যায়। তবে যাদের চুল সোজা তারাও এটি করতে পারবেন। এটি এলোমেলো খোঁপা নামেও অনেকের কাছে পরিচিত।

গ্রেসিয়ান আপডু
নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এটি গ্রিসের একটি জনপ্রিয় খোঁপা। তবে আমাদের দেশেও এটি এখন অনেক চলছে। শাড়ির সাথে দারুণ মানিয়ে যায় এ খোঁপাটি। তরুণী অথবা মধ্যবয়সী যে কোনো নারী এ খোঁপাটি করতে পারেন।

ভালেন্টাইন আপডু
খুবই সুন্দর একটি খোঁপা এটি। তরুণীরা লং ড্রেসের সাথে আনায়সে এটি ট্রাই করতে পারেন। অনেকে আবার এটির সাথে সামনের চুলগুলো কার্ল করে থাকেন। খোঁপার প্রতিটা অংশে স্টোন বা বিডস লাগাতে পারেন গরজিয়াস লুকের জন্য।

হাফ আপডু
যারা চুল খোলা রাখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য খুব সিম্পল এ স্টাইলটি। সামনে দিয়ে চুল অনেক খানি টিজ করে উচু করা হয়। তারপর সফট কার্ল করে পেছনের চুল গুল ঘাড়ের কাছে এনে ছেড়ে রাখা হয়। এটি আসলে সত্তর দশকের খুব জনপ্রিয় একটি হেয়ার স্টাইল।

হাফ আপডু উইথ কার্ল
যারা গতানুগতিক ধারা থেকে বের হতে চান না তাদের জন্য এই হেয়ার স্টাইলটি। এটি উপরের হেয়ার ডু এর মতোই কিন্তু এখানে মাথার পেছনের চুলগুলো রোলার বা কার্লার দিয়ে কার্ল করা হয়। শাড়ি এবং কামিজ দুটোর সাথেই এটি ভালো যায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কলার স্বাস্থ্য উপকারিতা 

2

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বাজারে যে ফলগুলো বারোমাস পাওয়া যায়, তার ভেতরে কলা উল্লেখযোগ্য। কলা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এতে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণের সমন্বয় রয়েছে। কলায় শর্করা, সামান্য আমিষ, কিঞ্চিত ফ্যাট, পর্যাপ্ত খনিজ লবণ ও যথেষ্ট আঁশ আছে। খনিজ লবণের মধ্যে আছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও লৌহ। এতে ভিটামিন এ, বি ও কিছু ভিটামিন-সি আছে।

একটি কলা প্রায় ১০০ ক্যালরি শক্তির জোগান দেয়। কলায় আছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা, যা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে ক্লান্তি দুর করতে সহায়ক।

কলা হজমে সাহায্য করে। অ্যাসিডিটি বা গ্রাস্টিক আলসারের রোগীরা কলা খেতে পারেন। পাকা নরম কলা অ্যাসিডিটি নিরাময়ে সক্ষম।

পাকস্থলীর আবরণীতে নরম কলার প্রলেপ আলসারের অস্বস্তি ওকমায়। অ্যাসিডিটির জন্য বুক জ্বালা কমাতেও কলা সহায়ক। কলা যেমন কোষ্টকাঠিন্য দূর করে, তেমনি পাতলা পায়খানায়ও উপকারী।

কলার থোড় বা মোচা এবং শিকড় ডায়াবেটিস, আমাশয়, আলসার, পেটের পীড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। কাঁচা কলা পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগীর পথ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। পাকা বিচিকলার বীজ কৃমিনাশক।

বাতের ব্যথার জন্য কলা উপকারী। কলা লৌহ রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে কাজে লাগে। কলা তাই রক্তশূন্যতায় ও উপকারী। কলা রক্তচাপ কমাতে সহায়ক এবং স্ট্রোক প্রতিরোধেও কার্যকরী।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

দৃষ্টি ভালো রাখতে কিছু করণীয় 

1

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চোখকে বলা হয় মনের আয়না। দৃষ্টি মানুষের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলেও অনেকেই এর যত্নের বিষয়টি এড়িয়ে যান। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের অযত্নের কারণে নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে। চোখের সুরক্ষার বিষয় মেনে চলা জরুরি।

চোখ ভালো রাখতে হলে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। টাটকা সবুজ শাক-সবজি, হলুদ ফলমূল যেমন গাজর, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি খেতে হবে।

রোদে বা বাইরে বের হওয়ার সময় সানগ্লাস ব্যবহার করুন। এতে সূর্যরশ্মি ও ধুলাবালি থেকে চোখ সুরক্ষিত থাকবে।

পড়াশোনার অভ্যাস থাকলে পড়ার টেবিল ও চেয়ারের উচ্চতা এমন হতে হবে, যাতে পায়ের পাতা মেঝে স্পর্শ করে। চোখ থেকে বই-খাতার দূরত্ব ১৪ থেকে ১৬ ইঞ্চি হতে হবে।

চোখের সুরক্ষার জন্য একনাগাড়ে কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। কম্পিউটার মনিটরের ব্রাইটনেস ও কন্ট্রাস্ট হতে হবে স্বাভাবিক মাত্রায়, অতিরিক্ত নয়।

ঘরের সঠিক আলোর ব্যবহার থাকতে হবে। কম আলো বা অতিরিক্ত আলোয় পড়ালেখা চোখ ব্যথার কারণ হতে পারে। টিউবলাইট বা ফ্লোরেসেন্ট বাল্বের স্বাভাবিক আলো চোখের জন্য আরামদায় হতে পারে।

চোখের ধকল কাটাতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। প্রতিদিন নিয়ম করে ঘুমাতে হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

অসুখ সারাতে তেজপাতা 

2

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে ব্যবহার হয় তেজপাতা। এর বাইরেও তেজপাতার রয়েছে অসংখ্য গুণ। এটি ব্যবহারে মেলে অসংখ্য উপকার। বিভিন্ন অসুখ-বিসুখে তেজপাতার ব্যবহারে নিরাময় সম্ভব। চলুন জেনে নেই।

অনেক সময় প্রস্রাবের রঙ রক্তবর্ণ হয়। সেক্ষেত্রে তেজপাতা ২-৩ কাপ গরম পানিতে ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ছেঁকে ২-৩ ঘণ্টা অন্তর এই পানি খেলে প্রস্রাবের রঙ সাদা হয়ে যাবে।

তেজপাতা কুচিয়ে, থেঁতো করে ২ কাপ গরম পানিতে ১০-১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ছেঁকে নিয়ে দুবার করে দুই সপ্তাহ খেলে শরীরে শক্তি আসে, লাবণ্য ফিরে আসে।

দাদ হলে তেজপাতা থেঁতো করে ৪ কাপ পানিতে সেদ্ধ করে, সেই পানি সকাল ও বিকেল খেতে হবে। ৪-৫ সপ্তাহ খেলেই দাদ-হাজা-চুলকানি সেরে যাবে। এছাড়া ওই পানি তুলোয় ভিজিয়ে দাদের জায়গায় দিয়ে মুছে নিলেও কাজ হয়।

সর্দিতে গলা বুজে যায় অনেকেরই। সেই সময় জোরে জোরে কথা বললে বা চিৎকার করলে গলা ভেঙে যায়। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে তেজপাতা থেঁতো করে ৩-৪ বার একটু করে খেলেই হবে।

তেজপাতা ত্বক পরিষ্কারের জন্য খুব ভালো। তেজপাতাকে চন্দনের মতো বেটে, গোসলের আগে গায়ে মেখে ঘণ্টা খানেক রাখুন। এরপর স্নান করে নিলে ময়লা উঠে যায়। এছাড়া যাদের গায়ে দুর্গন্ধ থাকে, তাদের সেই সমস্যাও দূর হয়ে যায়।

তেজপাতা সেদ্ধ করে ছেঁকে ওই পানি কুলকুচি করলে মুখের অরুচি কেটে যায়।

ফোঁড়া হলে যদি খুব যন্ত্রণা হয়, শক্ত হয়ে যায়, তবে এই অবস্থায় তেজপাতা বেটে ২-৩ বার প্রলেপ দিলে যন্ত্রণা কমে যাবে।

যাদের অতিরিক্ত ঘাম হয়, তারা প্রতিদিন একবার করে তেজপাতা বাটা মেখে আধঘণ্টা থাকার পর গোসল করে নিলে বেশি ঘাম হওয়া কমে যাবে। এভাবে সাত দিন করতে হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর