২৮ মার্চ ২০১৭
রাত ১২:১৯, মঙ্গলবার

দৃষ্টি, হাজার হাজার রক্তদাতা আছে এ ফেসবুকে!

দৃষ্টি, হাজার হাজার রক্তদাতা আছে এ ফেসবুকে! 

আফনান আলম : হাজার হাজার রক্তদাতা আছে এ ফেসবুকে! এসব রক্তদাতাদের মধ্যে বেশকিছু চক্র আছে! যাদের বলা হয় ‘বিকাশ ফ্রড!’ এরা প্রায় প্রতিটা হাসপাতালের তথ্য মুখস্থ করে রেখেছে! কোথায় কোন গ্রুপের রক্ত লাগবে সব জানে তারা! অবাক হবার কিছু নাই! এরা আমার আপনারই পরিচিত কেউ! ভদ্রতার মুখোশে খারাপ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন!

ধরুন, আমি একটা রক্তের পোস্ট দিলাম! তখন সেই ফ্রড চক্র রোগীর লোকের সাথে যোগাযোগ করবে! আর বলবে, ‘আমার কাছে ডোনার আছে! আপনি বিকাশে টাকা পাঠান!’ আমি সি এন জি করে আসতেছি!’

অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগীর লোক টাকা বিকাশ করে ফেলে! তারপর ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও সেই কথিত ডোনারের দেখা পায় না! রোগীর লোক পড়ে যায় মহাবিপদে! এই রকম ঘটনা প্রতিদিন হচ্ছে! প্রতিদিন!
… আমার কাছে হাজার হাজার ডোনার বানানোর চেয়ে এসব সমস্যাগুলো সমাধান করা মূখ্য বেশি!

এছাড়া এসব হাজার ডোনার বানিয়ে লাভ কী? রক্ত কেনাবেচা অপরাধ! এটা আমরা কমবেশি সবাই জানলেও রোগীর লোকেরা এসব জানে না! রোগীর লোকেরা ধরেই নেয় ‘স্বেচ্ছায় কেউ রক্ত দেয় না! রক্ত নিতে হলে অবশ্যই টাকা দিতে হবে!’ এসব ঘটনাগুলো দিনকেদিন বাড়ছে! বাড়াটাই স্বাভাবিক! কারণ একজন রক্তদাতা রক্ত দেয়া পর্যন্তই দায়িত্ব শেষ ভেবে ফেলে!

আমি যতোবার রক্ত দিয়েছি বেশিরভাগ রোগীর লোকের কাছে একটা কথাই শুনেছি, ‘আপনার ডিমান্ড বলেন ভাই!’ মানে হলো, রক্ত দিলে আমাকে কতো টাকা দেয়া লাগবে! অবাক হচ্ছেন? অবাক এর কিছু নাই কারণ এসব সত্য কথা!

… আপনারা যারা শুধুমাত্র রক্তের সংগঠন চালান, আপনারা কি ডোনার বাড়ানোর জন্য ক্যাম্পেইন ছাড়া অন্য কোনও সামাজিক সচেতনতা বাড়াচ্ছেন? যেমনঃ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলা, কোনও রোগীর লোকের জন্য রক্ত ম্যানেজ করার আগে রোগীর লোককে বলে দেয়া যেনো ‘কেউ টাকা চাইলে না দেয়!’ ইত্যাদি!

এসব বিষয়ে ভেবেছেন কেউ? কেউ কি বলতে পারবেন ঢাকার প্রতিটা হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের সাথে এসব বিষয়ে কথা বলেছেন? দু’একজন ছাড়া হয়তো কেউই ভাবেন নাই! আমরা ভাবছি না বলেই আমাদের আশেপাশে মুখোশধারী ফ্রডদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে!

এসব ধান্ধা বন্ধ করার জন্য কাজ করুন দয়া করে! না হয় রাস্তার মোড়ে মোড়ে ক্যাম্পেইন করে আদতে কোনও উপকার হবে না! পারলে ঢাকার প্রতিটা সরকারি-বেসরকারি হাসপালে লিফলেট আর ব্যানার সাঁটিয়ো দিন! লিখে দিন ‘স্বেচ্ছাসেবীরা রক্ত বিক্রি করে না! রক্ত কেনাবেচা অপরাধ! কেউ রক্তের জন্য টাকা চাইলে টাকা দিবেন না!’ এমন করতে পারলে ধীরে ধীরে দেশের প্রতিটা রোগীর ধারণা পরিবর্তন হবে! রোগীর লোকেরা বুঝবে, ‘রক্ত নিতে আসলেই কোনও টাকা দিতে হয় না!’
… সচেতনতা বাড়াতে হলে এভাবে বাড়ান! কাজের কাজও হবে সাথে শান্তিও পাবেন….

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাঙ্গামাটিতে কবরের সাথে যাদের জীবন বাঁধা তাদের কিছু গল্প ! 

z74p1jye-cy

মোহাম্মাদ জলিল : একদিন মনা যাইতে হবে সব ছাড়িয়া,  সাড়ে তিন হাত মাটির ভেতর ঘর বাড়ি। এই মাটির ভেতর ঘরবাড়ি তৈরির কারিগর যারা,  তারাই আজ “স্বেচ্ছায় কবর শ্রমিক” গোরস্থানই তাদের কাছে অনেক আপন। মানুষের মৃত্যুর সাথে জড়িত তাদের জীবনের স্বেচ্ছায় শ্রম করাই তাদেরপরিতৃপ্তি।

কবর খুঁড়তে গিয়ে অনেক সময় হাড়গোড় এবং মাথার খুলিও ঘাঁটাঘাটি করতে হয় তাদের।
আমরা আজ রাঙ্গামাটি জেলার,  তবলছড়ির বিভিন্ন এলাকার কিছু সেচ্ছায় শ্রমী মানুষের কথা শোনাবো।

রাঙ্গামাটি শহরে বিশেষ করে তবলছড়ি ও তার আশপাশের এলাকায় কেউ মারা গেলে চারদিকে খবর ছড়িয়ে পড়ে। কোদাল, খুন্তি নিয়ে ছুটে আসেন। অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কবর খুঁড়ার স্বেচ্ছায় সেবক কিছু তরুন, যুবক, প্রবীন।

তারা সবাই খেটে খাওয়া দিন মজুর বা ব্যবসায়ী, চালক কিংবা চাকুরীজীবী। তবলছড়ির প্রতিটি এলাকায় এদের বসবাস। তারা বিনা পারিশ্রামিকে কাজ করেন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে। স্রর্ষ্টার করুনা আর মানসিক তৃপ্তি মূলত তাদের প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তি।

এদের কেউ মানুষের উপকারের তাগিদের কারণে,  আর কেউ খোদা ভীরু জীবন যাপনের আকর্ষনে,  এ স্বেচ্ছায় শ্রমের সঙ্গে জড়িয়েছেন। তারা শহরের ধনী-গরীব সবার কবর স্বেচ্ছায় খুঁড়েন। মৃত্যুর খবর পেলেই কাজ-কর্ম বাদ দিয়ে ছুটে আসেন এরা।

কথা হয় স্বেচ্ছায় কবর শ্রমিক মসজিদ কলোনীর নুর মোহাম্মদের সাথে। গত ১৫/১৬ বছর থেকে তিনি কবর খোঁড়ার কাজ করে চলেছেন।

কথা প্রসঙ্গে নুর মোহাম্মদ জানান,  কাঠমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। কিন্তু মৃত্যুর পর গরীব মানুষের কবর খুঁড়তে মন বিচলিত হত,  অন্য কিছুতে মন ঠিকতো না। তাই ২০০০ সাল থেকে কবর খোঁড়ার স্বেচ্ছায় শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

কবর খুঁড়তে গিয়ে প্রায়ই পুরানো লাশের হাড়গোড় পাওয়া যায়। তখন মনের অবস্থা কেমন হয়? হাল্কা একটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে নুর মোহাম্মদের জবাব- ‘প্রথম প্রথম খুব ভয় লাগতো,  চোঁখে পানি আসতো। এখন আর ভয় কান্দন কিছুই হয়না। তবে কবর খুঁড়ার ডাক পাইলেই নিজের মরার কথা মনে হয়। আর মনে হয় একদিন আমার লাশও পঁচে গলে,  হাড়গোড় মাথার খুলি একপাশে রেখে নতুন লাশের সাথে আমারেও আবার কবর দেওয়া হইবে। এখন আর খারাপ লাগেনা।

১৫/১৬ বছরের জীবনে প্রায় ২০০/২৫০ কবর খুঁড়েছেন নুর মোহাম্মদরা। নুর মোহাম্মদ কবর খোঁড়ার স্মৃতিচারন করতে গিয়ে বলেন একবার তবলছড়ির সুলতান ভান্ডারী মারা গিয়েছেন,  বলে শুনে আমরা হন্যদন্য হয়ে কবর খোঁড়ার সরঞ্জাম নিয়ে রওনা দিই।

কিন্তু কবর খুঁড়তে যাওয়ার মাঝ পথে শুনতে পাই উনি অসুস্থ্য মারা যাননি। ভুল তথ্য পেয়ে কবর খোঁড়ার নেশার টানে এভাবেই ছুটে চলে এরা। মাইকিং, মৃত মরদেহের প্রয়োজনীয় সামগ্রী এনে দেওয়া সবই স্বেচ্ছায় শ্রমে করেন। কথা হয় স্বেচ্ছায় কবর শ্রমিক আকতার হোসেনের সাথে। একই পেশায় জড়িত মহসিন ও লিটন। এদের অনুভুতি,  ও অনেকটা নুর মোহাম্মদের মতো।

আকতার হোসেন বলেন প্রথম আমরা সর্বপ্রথম,  সিরাজ মিস্ত্রীর, কোদাল, খন্তা, কড়াই এবং বিভিন্ন জন থেকে ধার করা সামগ্রী নিয়ে শুরু করি। তারপর আমাদের জমানো টাকা দিয়ে কিনে নেই বিভিন্ন সামগ্রী। পরে অনেকই খুশি মনে কিনে দেয় অন্যান্য সামগ্রী। আমরা কবরস্থানে বৈদ্যুতিক খাম্বায় একটি করে লাইট ব্যবহার করার জন্য প্লাগ চেয়েছিলাম সেই পৌর চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের সময় থেকে এরপর আরো দুজন মেয়র হয়েছেন কিন্ত আমাদের দাবী টি পূরন হয়নি আজো। জানাজার মাইকিং থেকে শুরু করে সব আমরা ভালোবেসে করি। সব চাইতে বড় বিষয় এখানে লিডারশীপ,  নেতাগিরি, হুংকার, ধমক নেই আছে ভালোবাসা,  স্নেহ,  শ্রদ্ধা,  মন ভালো রাখার জন্য হাসি খুশি থাকা, কেউ বিনিময়ে গাড়ি ভাড়া, নাস্তা,  টাকা কিছু চায়না চেয়ে আসছি ভালোবাসা আর দোয়া।

রাঙ্গামাটি তবলছড়িতে এই কবর স্বেচ্ছায় শ্রমিকের কাজ যারা করেন তারা হলেন মোঃআক্তার হোসেন,  ব্যবসায়ী,  জয়নাল আবেদিন,  বাবুর্চি,  আগার খাঁ, বাজারে শ্রমিকের কাজ করে,  জাকির হোসেন,  ড্রাইভার,  নুর মোহাম্মদ, ফার্নিচার ব্যবসা।নুরু আলম, চাকুরীজীবী, এনাম হোসেন,  ড্রাইভার , ইয়াছিন,  ড্রাইভার, নাজমুল মৃত,  স্বপন , মহসিন,  ফার্নিচার মিস্ত্রী,  জসিম,  ড্রাইভার,  লিটন,  ব্যবসায়ী, সুমন,  মান্নান ব্যবসায়ী, জয়নাল,  ফার্নিচার মিস্ত্রী,  দিদার,  ব্যবসায়ী,  আরিফ,  ব্যবসায়ী,  রকিব,  ব্যবসায়ী,  দীন ইসলাম,  শ্রমিক, শহিদুল ইসলাম, ফলের দোকানদার,  কালু,  মোবাইল মেকানিক, আবুল বশর,  ছাত্র, বধন,  মির হোসেন (বাবু),  ড্রাইভার,  ঝন্টু ড্রাইভার,  সালাউদ্দিন, মনির হোসেন,  মো: হানিফ,  ড্রাইভার,  শুক্কুর। নাম না যানা আরো অনেকে। এসব ভাইদের প্রতি আমার সহস্র সালাম। তাদের জন্য রইল শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

তুমি নারী : অভিজিৎ মজুমদার 

335

তুমি নারী : অভিজিৎ মজুমদার

তুমি নারী আজ দিন তোমার ,
তোমার সৃষ্টিতে আমার বসুন্ধরা আগমন।
তপন কিরণে হামাগুড়ি পথ চলা ,
নিবিড় অদ্ভুত বন্ধনে বেড়ে ওঠা ,
প্রয়োজন অপ্রয়োজনে সর্বদা পাশে পাওয়া।
জীবন ধারায় কত রূপে এলে ,
দিয়েছো ধরা কাছে এসে ভালোবেসে।
বিনিময়ে কতটুকু পেরেছি তোমায় ফেরাতে ,
পাওয়া যে অপরিমেয় সত্যের দৃষ্টিতে।
প্রতিদিনের জীবনে তোমায় বড্ড প্রয়োজন ,
কোন একদিনে তোমার নেই শেষ ,
চাই জীবনে আদি অন্তে বেশ।
মান মর্যাদা সুখ স্বাচ্ছন্দ্য দেখা ,
আমার সঠিক পুরুষত্বের নির্মল পরিচয়।
দায়িত্ব কর্তব্য সেবা পরিচর্যা পালন ,
ধার্মিক দৃষ্টিভঙ্গির সুন্দর নিটোল বন্ধন।
স্নেহ মায়া মমতা ভালোবাসা যত্রতত্র ,
পেয়েছি অবিরত স্বার্থ নিঃস্বার্থের দোলায়।
লজ্জা কলঙ্ক অপমান নয় তোমার ,
বিবর্তিত সমাজের নির্মম নির্লজ্জ অবক্ষয় ,
সকল দায়ভার আমার তুমি নারী।
সৌন্দর্যের প্রতীক সৃষ্টির ধারক বাহক ,
দমনে শক্তির প্রয়োগে তুমি সিদ্ধহস্ত।
ষড়ঋতুর মতো বৈচিত্র্যময় বর্ণিল তুমি ,
মাতৃ রূপে সকল মনে সর্বশ্রেষ্ঠা
তুমি নারী নিত্যদিন তোমার দিন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

টাকার জন্য ব্রেকআপ : মুহাম্মাদ খালেদ সাইফুল্লাহ 

7az6jhfa-copy

টাকার জন্য ব্রেকআপ : মুহাম্মাদ খালেদ সাইফুল্লাহ
.
মেয়ে: আমাকে ভুলে যাও!
ছেলে: কেন?
মেয়ে: কারন আমি তোমাকে ভালবাসতে পারব না!
ছেলে: তাহলে এই দুই বছর কেন আমার সাথে কাটিয়েছ?
মেয়ে: আমি দুই বছর ভুলে যেতে চাই।
ছেলে: আমার দোষ কি,যে
আমাকে ছেড়ে চলে যাবা?
মেয়ে: তোমার কোন দোষ নেই!
ছেলে: তাহলে আমাকে ছেড়ে চলে যাবে কেন?
মেয়ে: সেটা জানি না।তুমি আমাকে ভুলে যাও!
ছেলে: আমি কি দেখতে খারাপ?
এই জন্য ছেড়ে চলে যাবা!
মেয়ে: তা না।
ছেলে: তাহলে কেন ছেড়ে
যাবা?
মেয়ে: কারন বলতে পারব না।তুমি আমাকে প্লিজ ভুলে যাও!
ছেলে: আমি তো তোমাকে ভুলে যাবার জন্য ভালোবাসিনি।আমি তোমাকে জীবন সাথী করার জন্য ভালোবেসেছি!
মেয়ে: কিন্তু আমি তোমার জীবন সাথী হতে পারব
না।ভুলে যাও আমাকে!
.
ছেলেটা মেয়েটার হাতটা
কাছে টেনে নিয়ে……..
ছেলে: কেন?
আমার দোষটা বল!
.
মেয়েটা তার হাতটা হেচকা টান দিয়ে…….!
মেয়ে: কারন তোমার চাকরি নেই!
.
ছেলেটা পকেটে থেকে চাকরির এপয়েন্টমেন্ট লেটার বের করে মেয়ের হাতে দিয়ে……..
ছেলে: দেখ গতকাল আমার চাকরি হয়েছে।ত্রিশ হাজার টাকা বেতন।
মেয়ে: তবুও আমি তোমাকে ভালবাসতে পারব না!
ছেলে: কিন্তু কেন?
মেয়ে: কারন তুমি বিয়ের পর আমাকে নিয়ে তোমার
আব্বু-আম্মুর সাথে থাকবা।কিন্তু আমি এটা সহ্য করতে পারব না। কারন,তোমার আব্বু-আম্মু সারাদিন খুক খুক করে কাশি দেয়ে।এটা আমার ভাল লাগে না!
ছেলে: অফিস থেকে আমাকে একটা ফ্লাট দেয়া হয়েছে। সাথে একটা গাড়ি!
মেয়ে: সত্যি।আমি তোমাকে ভালবাসি!
ছেলে: কিন্তু আমি তোমাকে ভালবাসি না!
মেয়ে: একটু আগে না
বললে ভালবাসি।এখন আবার এ কথা বলছ কেন?
ছেলে: একটু আগে আসল কারনটা জানতাম না!
মেয়ে: প্লিজ এমন করোনা।
আমাদের দুই বছরের সম্পর্ক এভাবে নষ্ট কর না!
ছেলে: আসলে তুমি আমাকে ভালবাসতে পার নি।তুমি ভালোবেসেছ টাকাকে!
আর যে নারী বিয়ের পর তার শ্বশুর-শাশুড়িকে নিজের পিতা মাতার মতই
আপন করে নেয় না।তাকে আমার প্রয়োজন নেই!
.
ছেলেটা এটা বলে মেয়ের হাত থেকে চাকরির এপয়েন্টমেন্ট লেটারটা নিয়ে,দুই বছরের সম্পর্ক নষ্ট করে চলে গেল……!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নতুন করে আবার : মৃন্ময়ী বৃষ্টি 

xx3zu6oo-copy

নতুন করে আবার : মৃন্ময়ী বৃষ্টি

– এই, শুণছ …. ঘুমিয়ে গেলে … একটু ওঠো না … ওঠো না গো ..
– হুম, বল …
– আগে চোঁখ খোল, তারপর বলছি …
– বলবে তো কি হয়েছে ?
– এই নাও চশমাটা পর আর চল …
– কি যে বল না তুমি …. এত রাতে কোথায় যাব?
– তুমি চল … চাদরটা নিয়ে নাও …
– কোথায় যাচ্ছ বল তো মেঘের বাবা?
– কেন আমার ওপর ভরসা নেই?
– না থাকলে কি করে পঞ্চাশ টা বছর পার করলাম তোমার সাথে?
– তাহলে এত কথা না বলে চল …
– তুমি চাদর নিলে না কেন? পরে কাশিটা বাড়লে আমাকে বলবে না বলে দিচ্ছি …
– এ জন্যই তো তোমাকে নিতে বললাম …
– এই তো এসে গেছি , বস এবার …
– এত রাতে নদীর পাড়ে কেন এলে? এত কুয়াশা, ঠান্ডা … কি যে কর না তুমি… এস চাদর জড়িয়ে বস ..
– এত রাত কই? মাএ 11:55…
– তোমার কাছে তো রাত বলেই কিছু নেই..
– ঝগড়া করার অভ্যাস তোমার আর গেল না। মনে আছে তোমার আজ দিনটার কথা?
– কি দিন আজ?
– আজ এই বছরের শেষ দিন। কাল থেকে নতুন বছর শুরু …
– এজন্য তুমি আমায় ডেকে তুললে? এ তো প্রতি বছরই আসে …
– তুমি না বুড়ি হয়ে গেছ .. তোমার কিছু মনে থাকে না ..
– তুমি তো এখনও কুড়ি। বল এখন কি বলবে …
– আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে এই দিনে তোমায় কি বলেছিলাম মনে আছে?
– কি
– বিয়ের পর প্রথম বছর বলেছিলাম, ” আমি যেন তোমার সাথে কম করে হলেও আমার জীবনের পঞ্চাশটা বছর নতুন করে শুরু করতে পারি ” …. আজ তো শেষ হল সেই পঞ্চাশটা বছর তাই তোমায় নিয়ে এলাম এখানে।
এই তোমার পা টা দেখি …
– তুমি না … পায়ের ব্যথা সেরে গেছে তো …
– আরে বাবা বড্ড কথা বল তুমি। পা টা দাও …
– কি গো তুমি, এই বয়সে আমার পায়ে পায়েল পরাচ্ছ … লোকে কি বলবে?
– লোকে যা বলে বলুক। তোমার পা টা কিন্তু আগের মতই সুন্দর লাগছে গো …
– চুপ কর তো বুড়ো … দাও দেখি তোমার হাত … দেখ তোমার প্রিয় ঘড়িটা এখন ঠিক আছে কি না ….
– তুমি ভুলে যাও নি …!!!!!!
– কি করে ভুলি? জান তো তোমাকে চমকে দিতে আমার বেশ লাগে …
– পাগলি টা আমার .. একই রকম আছ .. আমি তোমার সাথে আরও পঞ্চাশটা রছর এমন করেই কাটাতে চাই গো …
– আমি আর কিছু চাই না। এখন তোমার বুকে মাথা রেখে শান্তিতে মরতে পারলেই হল ….
– মুখ সামলে কথা বল বুড়ি। কোথায় যাবে আমায় ছেড়ে? ???
– এখন বাড়ি যাব তাই চল .. …
– Happy New Year বৃষ্টি … খুব ভালবাসি তোমায় …
– আমি আপনাকে ভালবাসি না তবে যদি পরজন্ম বলে কিছু থেকে থাকে তাহলে সেই সব জন্মে আমি তোমার সাথে প্রতিটা বছর নতুন করে শুরু করতে চাই তোমার পাগলি হয়ে …
– চল্ এবার .. পরে কোমড় ব্যথা বাড়লে আবার আমায় বকবে ..
– আগে হাতটা ধরে তোল তো আমায় .. পরে না যাব …
– বল তো কোলে তুলে নেই ….?
→ চলমান তাদের ভালবাসা …

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এক হাসির দাম ৮ লক্ষ টাকা : জয়নাল হক 

kcgo6qx2-copy

প্রঠকই লেখক ডেস্ক : সকালে বাসা থেকে বের হয়ে রিক্সার জন্য দাঁড়িয়ে আছি । ২/৩ টা রিক্সাকে বললাম ১ নাম্বার যাবেন ? কেও যাবে না । দূর থেকে দেখলাম বয়স্ক এক চাচা রিক্সা নিয়ে আসতেছে ।

আমি: চাচা যাবেন ?
চাচা : কই যাবেন ?
আমি : ১ নাম্বার
চাচা: উঠেন

আমি যথারীতি ১ নাম্বার নামলাম (মিরপুর ১) পকেট থেকে টাকা বের করে ভাড়া দিতে উনি আমাকে বলে , চাচা ১০ টা টাকা বাড়াই দেন , আমি অসুস্থ মানুষ ওষুধ কিনব । আমি ১০ টাকা বাড়িয়ে দিলাম ।
বললাম আপনার কি অসুখ ?

চাচা: বাবা রে দীর্ঘ দিন এলা এলার্জি চুলকানির সমস্যা আছি
ওষুধ খান না কেন ?
চাচা: বাবারে ২ ছেলে এক মেয় , বড় ছেলে বিয়ে করে আলাদা থাকে , আর ২ টা এখনো ছোট । তার মাঝে ওদের মা নাই , আমি ওদের মানুষ করার জন্য আর বিয়ে করি নাই । আজ সকালে সরকারী হাসপাতালে ডাক্তার দেখাইছি , ওষুধ কিনতে ৩০০/৪০০ টাকা লাগবে ।

ডাক্তারের পেসক্রিপশন কই ?

চাচা: জি আমি বুঝিনাই কি বলছেন

ওষুধের লিখে দিছে ওই কাগজ কই ?

আমাকে বের করে পেসক্রিপশন টা দিল , আমি পেসক্রিপশন টা ভালো করে দেখলাম । দেখি সব ঠিক আছে , আমি বললাম আমার সাথে আসেন । একটা ওষুধ দোকানে নিয়ে ওষুধ সব কিনে দিলাম । দোকান থেকে বের হতে উনি আমাকে স্যার বলে সম্মেধন শুরু করল (কেউ আমাকে স্যার বলে সম্মেধন করলে আমার মেজাজ খারাপ হয় )

আমাকে স্যার বলবেন না । আসেন একটা ছবি তুলি ।

চাচা কে ৮০০ টাকার ওষুধ কিনে দিলাম । চাচার চোখ মুখ যে চলচল করে উঠল আর একটা হাসি দিল আমার মনে হল কেউ কে ৮ লক্ষ টাকা দিলেও এমন মুখ খানা দেখব না । তাই এই হাসির দাম ৮ লক্ষ টাকাই ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হায় গলাকাটা পাসপোর্ট! 

p3gqd7n6-copy

রিমি রুম্মান : ক্লাস নাইনে পড়ার সময় এক বান্ধবী হুট করেই প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায়। বেশ ক’বছর বাদে এক পড়ন্ত বিকেলে আচমকা দেখা হয়ে যায় আমাদের।

সঙ্গে তার নায়ক চেহারার বর। তখন আমি ইডেন কলেজে পড়ি। মামার বাসা থেকে ক্লাস করি। বান্ধবীটি ধারে কাছেই থাকে। সেই সুবাদে একদিন বাসায় এলে আমি আত্মীয়দের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেই। আমার আত্মীয় সম্পর্কিত এক ছোটবোন থাকে চারতলায়। সে স্বামীর কাছে ইউরোপে যাবার চেষ্টা করছিল।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে তার স্বামী দেশে এলো। পরিচয় হল আমার বান্ধবী এবং তার বরের সাথে। দুই কাপলের সখ্যতা গড়ে উঠে। তারা একসঙ্গে সিনেমা দেখে, রেস্টুরেন্টে ডিনার করে, ভারতে গিয়ে শপিং করে। স্বল্প সময়ে একে অপরের ভীষণ বিশ্বস্ত হয়ে উঠে! সীমাহীন ব্যস্ত এক সময় তাদের। আমার সঙ্গে কথা বলার মতন অফুরন্ত সময় নেই কারোর। আমি অনেকটাই অপরিচিতের মতন অপাংত্তেয়, অনাকাংখিত ঝামেলা হয়ে রই।

জানুয়ারির এক শীতের দিনে আমার আপার বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান। আমরা কেউ ছুটছি পার্লারে, কেউবা ধানমন্ডিতে অনুষ্ঠানস্থলে। এমন ব্যস্ত দিনে কোন এক প্রয়োজনে স্বল্প সময়ের জন্যে মামার বাসায় যেতে হোল। মামা থাকেন পাঁচতলায়। আর আত্মীয় বোনটি চারতলায়। ঘরভর্তি তার শ্বশুরবাড়ি এবং বাবার বাড়ির মানুষজন। সেইদিন ছিল তার ফ্লাইট, ইউরোপ চলে যাবার দিন। বিদায় দেবার জন্যই গ্রাম থেকে সকলের আসা। কিন্তু সেখানে শান্ত, নিস্তব্দ, থম্‌থমে পরিবেশ বিরাজ করছিলো। সকলেই চিন্তাক্লিষ্ট।

মুরুব্বীস্থানীয় এক আত্মীয় এগিয়ে এলেন। বললেন, তোমার বান্ধবীর স্বামীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না গতকাল থেকে। তার তত্ত্বাবধানেই রাখা পাসপোর্ট, ভিসা, টিকেটসহ জরুরি কাগজপত্র সব। এদিকে একটু একটু করে ফ্লাইটের সময় ঘনিয়ে আসে। জরুরি কাগজপত্রসহ মানুষটি লাপাত্তা। তারা আমার সহযোগিতা চাইলো। কিন্তু আমার কথা বলার মতন অফুরন্ত সময় ছিল না।

দু’দিন বাদে জানা গেলো, বান্ধবীর স্বামী পাসপোর্টের ‘মনোয়ারা বেগম’ নামটি পরিবর্তন করে ‘মনোয়ার হোসেন’ নামে গলাকাটা পাসপোর্ট বানিয়ে নির্দিষ্ট ফ্লাইটে উড়াল দিয়েছিলো। কিন্তু পথিমধ্যে কোন এক দেশে ইমিগ্রেশনের লোকজনের হাতে ধরা পড়েছে এবং ফেরত এসেছে।

সাড়া জাগানো ছবি ‘অজ্ঞাতনামা’য় গলাকাটা পাসপোর্টে বিদেশ যাবার বিড়ম্বনা দেখে এতো বছর বাদে সেইসব ঘটনাগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠলো।

ছবিটি চমৎকার। হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।
হায় বিদেশ! হায় গলাকাটা পাসপোর্ট!

ভালো থাকুন সকলে।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

খাঁটি প্রেম কখনো মরে না 

fihj9d59-copy

আনিসুল হক : ভালোবাসা মরে না। সত্যিকারের ভালোবাসা কখনোই মরে না। তা বেঁচে থাকে চিরকাল। আপনাদের এ বিষয়ে একটা গল্প শোনাতে পারি। যদিও চিরকালীন ভালোবাসার এই অমর গল্প এরই মধ্যে আপনারা হয়তো শুনে থাকবেন। ইন্টারনেটে পড়ে থাকবেন।

ফুটবল খেলার ক্ল্যাসিক ম্যাচ। রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার মধ্যে খেলা হচ্ছে। এই খেলায় কে জিতবে কে হারবে এর ওপর নির্ভর করছে কে হবে এবারের চ্যাম্পিয়ন। টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। সব বিক্রি হয়ে গেছে।

এক ভদ্রলোক অনেক কষ্টে একটা দামি টিকিট কিনে গেছেন মাঠে, গ্যালারিতে বসে খেলা দেখবেন।
তাঁর সামনেই বসে আছেন একজন বৃদ্ধ। এই গ্যালারিটা খুবই দামি। এর টিকিট পাওয়া মানে সোনার হরিণ পাওয়া। পৃথিবীবিখ্যাত সাবেক ফুটবলাররা এখানে বসে খেলা দেখেন। বৃদ্ধের পাশের আসনটা খালি।

পেছনের ভদ্রলোক বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলেন, কী আশ্চর্য! আপনার পাশের সিটটা খালি কেন? টিকিট পাওয়াই যায় না, এই অবস্থায় এত সুন্দর একটা সিট খালি থাকছে। অবিশ্বাস্য।
বৃদ্ধ বললেন, কী বলব, পাশের সিটের টিকিটটা আমারই কেনা। আমি এটা খালি রেখেছি।

কেন?
আসলে ওটা আমার বউয়ের জন্য কিনেছিলাম। আমরা ৪০ বছর ধরে এল ক্লাসিকো একসঙ্গে দেখে আসছি। আজই প্রথম আমি আমার বউকে ছাড়া খেলা দেখতে এসেছি।

কেন, আপনার স্ত্রী আসেননি কেন?
তিনি মারা গেছেন।
আহা। পেছনের ভদ্রলোক আফসোস করলেন। তাঁর মনের মধ্যে শ্রদ্ধার ভাব চলে এল। কী প্রেম! বউয়ের জন্য আসন খালি রেখে বৃদ্ধ খেলা দেখছেন।

‘তা আপনি আপনার কোনো ভাই, বন্ধু, আত্মীয়কে সঙ্গে আনতে পারতেন। পাশে একজন থাকলে আপনার মনে দুঃখবোধও কম হতো। আর আপনি একজন সঙ্গীও পেতেন আপনার পাশে।’

‘তা কী করব বলুন। অনেককেই বলেছিলাম। তারা কেউ এল না। সবাই খেলা দেখার চেয়ে আমার বউয়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যাওয়াটাকেই বড় বলে ভাবছে। আসলে সবাই তো খেলার মূল্য বোঝে না।’

বছর শেষ হয়ে আসছে। আমাদের এই রকমের কত নেশা আছে, যেগুলো আমরা ছাড়তে চাই, ভালো হয়ে যেতে চাই, কিন্তু পারি না। বছরের শুরুতে আমরা প্রতিজ্ঞা করি, নতুন বছরের রেজুলেশন নিই, কিন্তু বছর শুরু হয়ে গেলেই তা আবার ভুলে গিয়ে আগের বছরের মতোই সবকিছু করতে থাকি। ধূমপায়ীরা ধূমপান ছাড়তে পারেন না, অতিরিক্ত ওজন নিয়েও আমরা আইসক্রিম-চকলেট খাওয়া ছাড়তে পারি না এবং ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ফেসবুকে সময় কম দিয়ে সত্যিকারের কাগজের বইয়ে সময় দেওয়া শুরু করতে পারেন না।

আচ্ছা। বছর শেষ হয়ে আসছে। একটা ভালো গল্প না বলে লেখা শেষ করা উচিত নয়। ইন্টারনেট থেকে নিয়ে ইংরেজি থেকে বাংলা করছি, অবশ্যই ব্যাপক স্বাধীনতা নিয়ে।

২৭ বছরের একজন যুবক। তাঁর ক্যানসার। তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গে একটা বাসায় থাকেন।
মাকে তিনি বললেন, মা, বাসায় শুয়ে-বসে থাকতে থাকতে হাত-পায়ে খিল ধরে আসছে। একটু কি বেরোতে পারি?
মা বললেন, মিনিট বিশেকের মধ্যেই ফিরে এসো।

যুবকটি বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তা পেরোলেন। উল্টো দিকেই ছিল একটা সিডির দোকান। কাচের দরজা দিয়ে যুবকটি দেখলেন, একটা ২২-২৩ বছরের তরুণী বিক্রেতা সিডি বিক্রি করছেন। যুবক দরজা ঠেলে ভেতরে গেলেন।
একটা সিডি তুলে নিয়ে তিনি এগিয়ে গেলেন কাউন্টারে। মেয়েটিকে বললেন, এই সিডিটা নিতে চাই।
মেয়েটা বললেন, আমি কি র্যা প করে দেব?
আচ্ছা দিন।

যুবকটি রোজ এভাবে বেলা ১১টার দিকে বের হন। ওই দোকানে যান। একটা সিডি বাছেন। র্যা প করিয়ে নেন মেয়েটিকে দিয়ে। আর দাম দিয়ে নিজের বাসায় ফিরে আসেন।
এভাবে এক দিন দুই দিন, এক মাস দুই মাস।
শুধু মেয়েটিকে একটু দেখবেন বলে, তাঁর সঙ্গে একটুক্ষণ কথা বলবেন বলে যুবকটি সিডির দোকানে যান, আর সিডি কিনে নিয়ে ফিরে আসেন।

ছয় মাস পরে যুবকটি মারা গেলেন।
মা ঢুকলেন তাঁর ছেলের ঘরে। ছেলে নেই। কিন্তু তাঁর স্মৃতি তো রয়ে গেছে ঘরে। মা দেখলেন, ছেলেটির ঘরে কত যে সিডি। সব রঙিন কাগজে মোড়ানো। তিনি মোড়ক খুললেন। দেখতে পেলেন, একটায় লেখা, এইটা আমার মোবাইল ফোন নম্বর। কোনো কিছু দরকার হলে ফোন করবেন।

একটায় লেখা, আমরা কি কাল একসঙ্গে একটা সিনেমা দেখতে যেতে পারি?
আরেকটায় লেখা, আপনি জবাব দিচ্ছেন না কেন? আপনাকে আমার ভালো লাগে।
আরেকটায় লেখা, আপনি জবাব দিন আর না দিন, আমি আপনার প্রেমে পড়ে গেছি, সেটা আমি আপনাকে বলবই।
আরেকটায় লেখা, আমি আপনাকে ভালোবাসি।

আরেকটায় লেখা, একটা কিছু বলো, আমি তোমাকে ভালোবাসি, খুব ভালোবাসি।
মা সেই চিঠিগুলো হাতে নিয়ে অঝোর ধারায় কাঁদতে লাগলেন।
এই গল্পের উপদেশ হলো, সিডি কিনলে খুলে দেখুন। (ছেলেদের জন্য)
আর মেয়েদের জন্য উপদেশ হলো, ছেলেরা ইঙ্গিত বোঝে না, মোড়কের ভেতরে না লিখে বাইরে লিখুন।
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পরম শান্তির নিরাপদ মায়ের বুক থেকে কিভাবে এই নিষ্ঠুরতা : কমরেড মাহমুদ 

gyh7ernp

পাঠকই লেখক ডেস্ক : শীতের রাতে মাঝ নদীতে মায়েরা তাদের উষ্ণ বুকে জড়িয়ে রেখেছিলো শিশুদের। শিশুরা হয়তো তখন নিজেদেকে সবচেয়ে নিরাপদ ভেবে ঘুমিয়ে পড়েছিল! কিন্তু হায়……!!

শান্তির নোবেল হাতে নিয়ে সুচী বাহিনী তপ্ত বুলেট দিয়ে বুক এফোঁড়ওফোঁড় করে দিতে চাইলো। জীবন বাঁচাতে রাতের আধারে পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে চাওয়া রোহিঙ্গা মহিলা শিশুদের দলটির উপর হামলা চালালো সুচি বাহিনী! মাঝ নদীতে নৌকা ডুবিয়ে দিয়ে অট্টহাসি দিতে থাকে ইয়াবা বাহিনী। ঘুমন্ত শিশুরা কিছু বুঝতে পারার আগেই বুক অক্সিজেনের বদলে পানি দিয়ে ভরিয়ে ফেলে। তারা ভেবে পায়না পরম শান্তির নিরাপদ মায়ের বুক থেকে কিভাবে এই নিষ্ঠুরতা তাদেরকে ঘিরে ফেললো!

আন্তর্জাতিক আদালতে সুচির বিরুদ্ধে মামলা করা জরুরী। জাতিসংঘকে কমেডিসংঘ থেকে বেড়িয়ে মানুষের পরিচয় দিতে হবে। মিথ্যা রিপোর্ট দেখিয়ে আফগান, ইরাক তছনছ করে আমেরিকা ন্যাটো গং। বুশ যেভাবে জুতাপেটা খেয়েছিল, ওবামাকেও মায়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় তার ভাগেও জুতাপেটা ফরজ হয়ে যায়! হিউম্যান রাইচ নামক বিবৃতি সংস্থাকেও প্রকৃত মানবতাবাদী হতে হবে। একটি জিনিস বুঝতে হবে, তোদের অভিনয়ের কান্নায় রোহিঙ্গাদের জীবন বাঁচেনা, মানববতা মুক্তি পায়না।

আমার লেখা এখানে উল্লেখিত কারো কাছেই যাবেনা। অন্যদিকে এই নিষ্ঠুরতা মেনে নেওয়াও সম্ভব না। অনলাইনে ইফেক্টিভ কিছু করা দরকার যেন মায়ানমার, সুচি, মায়ানমার দুতাবাস বুঝতে পারে বাংলার কিছু দামাল ছেলে এহেন বর্বরতার বিরুদ্ধে অনলাইনে জবাব দিতে এসেছে। যেমন ধরুন, তাদের ওয়েব সাইট হ্যাক করে সেখানে প্রতিবাদ লিপি লিখে দেওয়া। এধরনের বিভিন্ন কনসেপ্ট আপনার মাথায় থাকতে পারে। কমেন্টে আপনার কনসেপ্ট নিয়ে হাজির হোন।

কিছুতো করা দরকার ভাই! নাকি?? – ফেসবুক থেকে

0eluwjw7

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

প্রবেশ অপেক্ষায় : কামরান চৌধুরী 

প্রবেশ অপেক্ষায় : কামরান চৌধুরী

প্রবেশ অপেক্ষায় : কামরান চৌধুরী

অর্ণবে ভাসছে সাম্পান হেলে দুলে
সওয়ার রোহিঙ্গা সন্তান কিছু তাতে
যাত্রির সাথী নিকষ কালো রাত
নক্ষত্রও পিটপিট জ্বলে সারারাত।

নিঃশব্দে দুলেদুলে অচিন পথে চলে
ক্ষুধার্ত ভয়ার্ত মুখে, কী ছবি আঁকে?
চোখেরা পরস্পর আকাশে চেয়ে থাকে
অতীত পথঘাট এসেছে ভিটে ফেলে।
রঙিন স্বপ্নরা অঙ্গার, বড় দুঃস্বপ্নময়
ঘরের কোণেকোণে রক্তের বিভৎসতায়।
সাজানো বাগান উগ্র ভিক্ষু থাবায় ক্ষত
প্রকৃতি শূন্য, আকাশ শূন্য, বিষন্ন গীত।

তন্দ্রালু চোখে চেয়ে, চাইছে ভুলে যেতে
বুকেতে হাহাকার শৈশব কৈশর ডানামেলে,
গভীর রাতে স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে অনেকে
বেড়িয়ে পড়ে জীবন বাঁচার তাগিদে।
আশ্বাসে কারো বুক ভরে নাতো
ওপারে সুখের পরশ, প্রচ্ছন্ন হাতছানি।
সেথায় নির্মল বায়ু, নির্মোহ গেহ
মানব অন্তরে মমতাভরা স্নেহ।
আহা! ঐ ভূমি, ছুঁলেই আনন্দ
কতক্ষণে পা রাখবো স্বর্গোদ্যানে।

সজল চোখের স্বপ্নরা ধুধু চরের মরুবালি
অপেক্ষা সারারাত পার্শ্ব দেশে প্রবেশের
লুকিয়ে, প্রহরাঠেলে. পায়না সুযোগ তার
ভাসছে সাম্পান, শান্ত চিকচিক করা জলে।।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কি দিলি তুই আমায় : অভিজিৎ মজুমদার 

htho2vu4

কি দিলি তুই আমায় : অভিজিৎ মজুমদার

কি দিলি তুই আমায় হেমন্তের হিমেলে গোধূলি লগ্নে উষ্ণতার পরশে বেঁধে ,
তোকে ছোঁয়ার অন্তহীন নিরলস প্রচেষ্টা হৃদয়ের তীব্র আকুলতার ইতি টেনে !!
ভালোবাসার অনন্ত চাওয়া মনের আবেগে উৎকণ্ঠা জড়ানো ব্যাকুলতা ,
তোর একটা ছোট্টো ইশারার টানে মনের সকল দরজা দিলি খুলে !!

কত ধূসর মরুপ্রান্তর নদী খাল বিল সাগর জল ,
পাড়ি দিয়েছি তোর মন আঙিনার সন্ধানে অন্তহীন পথ চলাচলে !!
সহস্র নির্ঘুম রজনী ঢলেছে তোর কথা ভেবে ভেবে প্রভাতের কোলে ,
তৃষ্ণার্ত মনে রোদেলা বেলা গেছে চলে বুক ফাঁটা হাহাকারে !!

অবশেষে পেলাম দেখা তোর মনের অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা খাজানা ,
যার সন্ধানে হারিয়েছি জীবনের কত দুঃখ যন্ত্রণার বেলা !!
অবিরল চেষ্টা মনের স্বপ্নিল আকাঙ্খা তোর ভালোবাসা পাওয়ার অদম্য ইচ্ছে ,
আজ ধরা দিলি শেষে মনেতে মনটি রেখে ভালোবাসার বৃষ্টি এনে !!

আমার প্রতিদিনের প্রেম আবেগে ভেসে থাকা মুক্তোর দানার মতো উজ্জ্বল অনুভূতিতে ,
আমি গেঁথেছি মাল্য ভালোবাসার পরশে তোকে দেব বলে !!
আজ তুই নিজ হাতে দিলি গলে আমার ভালোবাসার সুনামির তোড়ে ,
সোনা ঝরা হাসি মায়াবী চোখে তুই নিলি আমায় নিবিড়ে কাছে টেনে !!

বিস্মিত চোখে আপ্লুত মনে শব্দ হারালো আমার গলার স্বরে ,
ভালোলাগার বন্যা ভাসালো আমায় হৃদয় অন্তরের সর্বকূল ছাপিয়ে শরীর মন ভিজিয়ে !!
স্বপ্ন ছোঁয়ার খুশী মন বাতাসে উষ্ণতা এনে দু’চোখের কোণে দিল অশ্রু ঢেলে ,
মনের গ্রহীনে মৃদু ভূমিকম্পে নাড়িয়ে দিল অঙ্গ প্রত্যঙ্গে মিষ্টি শিহরণ তুলে !!

দীর্ঘ উপবাসী মন স্বীকৃতি পেল তোর ভালোবাসার মাধূরী স্পর্শে ,
ভাঙ্গলাম তোর মনের কঠিন ইচ্ছে বাঁধ আমার প্রেমের উত্তাল প্লাবনে !!
শরীর থেকে মনটা গেল ছেড়ে তোর ভালোবাসার বুকের মাঝে হারাতে ,
স্বপ্নিল তৃপ্তি স্বর্গীয় সুখ পেলাম তোর ভালোবাসার দু’হাতের বন্ধনে !!

শুভ সান্ধ্য শুভেচ্ছা বন্ধুরা ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হৃদয়ের ডাক : মোঃ জাকির হোসেন শেখ 

z0kf34rp

হৃদয়ের ডাক : মোঃ জাকির হোসেন শেখ

চল চল চল, মিয়ানমারে চল
তরুন, নবীন, সাহসীদের দল।
যুদ্ধে চল, যুদ্ধে চল
ইসলামের হবে জয়, বুকে রাখিস বল।
উগ্রতাকে হানব আঘাত
ছিনিয়ে আনব বিজয় প্রভাত।
আঘাত এলে ডরেনা বীর
অন্যায়ের প্রতিবাদে উর্ধ্ব রাখিস শির।

জ্বলছে বাড়ি, জ্বলছে ঘর
মানুষগুলো কাঁপছে ভয়ে খর থর,
লোকিয়ে কাঁদে সতীত্ব হারানো নারী যারা, তাই দেখে বিশ্ব বিবেক দেয়নি সাড়া
মরছে মা, মরছে বাবা , ভাইরে তোরা রোখে দাঁড়া ।
যুদ্ধে চল, যুদ্ধে চল
ইসলামের হবে জয়, বুকে রাখিস বল।

লাশ হচ্ছে মুসলিম ভাই
মসজিদ পুড়ে হচ্ছে ছাই
তা দেখে বিশ্ব বিবেকে দেয়নি নাড়া
রোহিঙ্গার ধোঁকে ধোঁকে মরছে সাহায্য ছাড়া ।
যুদ্ধে চল, যুদ্ধে চল
ইসলামের হবে জয়, বুকে রাখিস বল।

হে বুদ্ধ,” জীব হত্যা যদি হয় মহাপাপ,
মানুষ হত্যায় নেই কি কোন পাপ??”
উধে্র্ব তোলে লক্ষ- কোটি হাত
শ্লোগান তোল, অন্যায়কারীর ভাঙ্গব দাঁত ।
এই আমার হৃদয়ের ডাক,”যুদ্ধে চল, যুদ্ধে চল
ইসলামের হবে জয়, বুকে রাখিস বল”।

[ বিঃ দ্রঃ কবিতখানি উৎসর্গ নির্যাতিত রোহিঙ্গা ভাই বোনদের, আমার হৃদয়ের ডাক সারা বিশ্ববাসীর কাছে]
ভাল লাগলে সেয়ার করতে ভুলবেন না । ( মোঃ জাকির হোসেন শেখ )

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সীমান্ত খুলে দাও : টিপু সুলতান 

8

সীমান্ত খুলে দাও : টিপু সুলতান
.
সীমান্ত খুলে দাও
ওরা আসুক________
ওরা ভাসমান জন্তু-
ওরা মানুষ সংখ্যলঘু-
ওদের চোখে মুখে ছন্নছাড়ার আর্তনাদ!
ভিটেমাটি নেই,
নেই বটগাছটি-
যার বুক আগুনে ঝলসে দেয়া।
অন্ন নেই,বস্ত্র নেই-নেই তিষ্ঠার জল;
ওদের যুদ্ধ
এখন বেঁচে থাকা!
ঈশ্বর নেই_______
নেই শান্তি,নেই বিশ্বেশ্বর প্রভুপরায়ণ;
কেউ
অন্তত দেবতা হোক_______
ওরা যখন
মহাসমুদ্রের পাড়ে,মহাসমুদ্রের জলে-
মানুষ নামে বঞ্চিত।
ওরা গনতন্ত্র পাক-
ওরা স্বাধীন হোক________
উড়ন্ত পাখির মতো
যুদ্ধ দুর্যোগ ফেলে সাদা মাটিতে!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রোহিঙ্গা বনাম মানুষ : আশা জামান 

untitled-1

রোহিঙ্গা বনাম মানুষ : আশা জামান

আমরা মানুষ নই, আমরা রোহিঙ্গা
আমাদের নিবাস জল স্হল ডাঙা।
আমরা তো নই ক্রীত দাস
তবুও কপালের পরিহাস
যাপন করি অমানবেতর জীবন
আমাদের দেখে না কেউ অন্ধ বিশ্ব নয়ন।

আমরা তোমাদের অবহেলা
আমরা তোমাদের নীতিহীন খেলা।
রোহিঙ্গা মানে এক প্রাণী
জানো কি মহাজন জ্ঞানী?

আমরা এসেছি কি জগতে আর্শীবাদ বঞ্চিত হয়ে
সবাই করছে লীলা খেলা আমাদের ভার্গ্য নিয়ে।
আহা! কত রক্ত বইছে দেখ আমাদের শিরার
আমরা হয়েছি ঝড় বৃষ্টি, শীত তাপের শিকার।

নাই বাড়ি নাই ঘর, নাই বস্ত্র জুটে না অন্ন
নর নারী বৃদ্ধ শিশু মরছে অনাহারে অত্যাচারে নিত্য।
তোমরা শান্তিবাদে বিশ্বাসী মানুষদল
আমরা তোমাদের দ্বারে করি কোলাহল,
একটু মাটির জন্য একটা ঠিকানার জন্য
একটু মাটি দুমুঠো অন্ন আর চিকিৎসা পেলে হবো ধন্য।

আছে জাতি সংঘ, রাষ্ট্রযন্ত্র, শত মানবতাবাদী
রোহিঙ্গারা কি অপরাধে তোমাদের দরবারে হলো বিবাদী?
আমাদের রক্ত ভেসে যায় সভ্যতা
তোমরা দেখে যায় সে সব নীরবে কোথাও মানবতা?
আমাদের প্রজন্ম শোষণ বঞ্চনার পাত্র
ওরা ফুটে ঝরে মুকুলসম ভূমিষ্ঠ মাত্র।

রোহিঙ্গার রক্ত কি সৃষ্টি সাদা রঙে?
যা মিলে না হায় তোমাদের সঙ্গে।
এ কেমন মানবতাবোধ,এ কেমন রাজ্যনীতি
যেখানে মনুষ্যত্ববোধ বিলুপ্ত নেই মানুষের মুক্তি ও স্বীকৃতি?

রোহিঙ্গাদের ধর্ম কি বলতো পারো কেউ যা হয়নি লিখা কোন তন্ত্রে
ওরা কি মুসলিম না কি হিন্দু, না বৌদ্ধ খিস্ট্রান, মানুষ মারার কথা বলা হয়নি কোরান, বাইবেল, কোন ধর্মের মূল মন্ত্রে।।

আর কত রোহিঙ্গার রক্তে রঞ্জিত হলে সভ্যতা
বলবে ওরাও মানুষ, ঘুচবে এই নির্মম বর্বরতা?

রোহিঙ্গার রক্ত কি সাদা রঙের কোন নামহীন প্রাণীর মত
ওদের বুকে বসাও যারা লাথি বুলেট,করছ ক্ষত অবিরত।
কোথায় জাতি সংঘ, নোবেল শান্তি কমিটি, বিশ্ব শান্তি বারতা শোনাও দেখি
মানবাধিকারের সর্বজনীন সনদদের ধারা কি তবে বিশ্ব ফাঁকি?
মানবাধিকার দলিলে কি হয়নি বলা মানুষের কথা?
যারা বঞ্চিত নির্যাতিত, অবহেলিত জনতা।
কি নাম লিখা সেখানে ওদের মানুষ নাকি রোহিঙ্গা ?
জবাব দাও হে বিশ্ব বিবেক,জবাব চাই আমরা, তোমরা যাদের ডাকো রোহিঙ্গা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বজ্জাত মায়ানমার : মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান 

wrt3yenu

বজ্জাত মায়ানমার : মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

মরার উপর খাড়া
সয়তানের দল দাড়া,
হচ্চে সবাই এক
বিশ্ব সভায় তোদের বিচার
করবে এবার দেখ।

ক্ষেপছে মানুষ মানবতা
পালাবি এবার কই,
জাগছে সকল নিপিড়িত
তোদের মুখে পড়বে জুতো
পিঠে ডলতে মই।

সরল সুচির মুখোশ পরে
রক্তে খেলিস হলি,
মানবতা পায়ে পিষে
মন যে তোদের ভরা বিষে
উপরে অঞ্জলী।

দেখবি এবার বিদির খেলা
লাগবে সকল তাক্ব,
লাল সাগরে স্নান করাবো
মরা বৃক্ষে ফুল ফুটাবো
প্রস্তুত রাখ ঢাঁক।

বাঁকা ঘেটি করবো সোজা
রাখ বাঁকা তোর ঘাড়,
মুছে দিতে নাম নিশানা
প্রস্তুত থাক আসছে হানা
বজ্জাত মায়ানমার।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর