১৯ অক্টোবর ২০১৭
সকাল ১১:৩৭, বৃহস্পতিবার

ফরিদপুরে ইয়াবাসহ মা-ছেলে আটক

ফরিদপুরে ইয়াবাসহ মা-ছেলে আটক 

78

ফরিদপুর, ২৭ আগস্ট : ফরিদপুরের মধুখালী পৌরসভা থেকে ইয়াবা ও মদসহ মা-ছেলেকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ সদস্যরা। শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের আব্দুল মজিদ খানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় র‌্যাব-৮ এর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইচউদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে মধুখালী পৌরসভার মধুপুরের ২নং ওয়ার্ডের আব্দুল মজিদ খানের বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব-৮ সদস্যরা।

এ সময় মজিদ খানের বাড়ির একটি রুমের মধ্যে থাকা সিন্দুক থেকে ৩১৫০ পিস ইয়াবা, বিদেশি মদ, নিষিদ্ধ ওষুধ, নগদ ৭৭ হাজার টাকাসহ মজিদ খানের স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও ছেলে সামাদ খানকে আটক করা হয়। পরে তাদের মধুখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, আটকরা মাদক চোরাকারবারী। তারা দীর্ঘদিন ধরে মধুখালী থানা এলাকায় বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিল।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে ‘ডাকাতদের’ দুই পক্ষে গোলাগুলি, নিহত ২ 

22

ফরিদপুর, ৯ মে: ফরিদপুরের বাইপাস সড়কের আলালপুর এলাকায় ‘ডাকাতদের’ দুই পক্ষে গোলাগুলিতে দুইজন নিহত হয়েছেন। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ডাকাত দলের দুই পক্ষে গোলাগুলিতে তারা নিহত হয়েছেন বলে দাবি পুলিশের।

তারা হলেন- পাভেল ও সবুজ। নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় জানা না গেলেও তাদের বাড়ি ফরিদপুর শহরে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার ভোরে এই গোলাগুলি হয়।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) সুভাষ চন্দ্র সাহা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ভোরে শহরের আলালপুর এলাকায় ডাকাতদের দুই পক্ষ গোলাগুলি শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ডাকাতরা তাদের দেখে পালিয়ে যায়। পরে সেখানে দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। দুজনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

এসপি আরও জানান, নিহতদের প্যান্টের পকেট থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফরিদউদ্দিন জানান, নিহতদের মাথায় গুলির আঘাতের চিহ্ন ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত মা-মেয়ে নিহত 

ফরিদপুর, ১৭ মার্চ : ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বাড়িতে আগুন লেগে ঘুমন্ত মা ও মেয়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বল্লভদি ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া পূর্বপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই গ্রামের সেন্টু শেখের স্ত্রী ফরিদা বেগম (২৫) ও মেয়ে রাবেয়া (৪)। এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সেন্টু শেখ।

সালথা থানার ওসি এ কে এম আমিনুল হক জানান, ভোরে সেন্টু শেখের বাড়িতে আগুন লাগে। মুহূর্তে বাড়িটি পুড়ে যায়।

এ সময় ঘরে ঘুমিয়ে থাকা তিনজন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা যান মা ও মেয়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার করে। আর গুরুতর দগ্ধ সেন্টু শেখকে উদ্ধার করে নগরকান্দা হাসপাতালে ভর্তি করে।

প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাস-টেম্পো মুখোমুখি সংঘর্ষ : নিহত ২ 

32

ফরিদপুর, ৪ মার্চ : ফরিদপুরে একটি যাত্রাবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই টেম্পোযাত্রী নিহত হয়েছেন।

শনিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ের সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কানাইপুর হাইওয়ে পুলিশের এসআই মো. নিজামুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন – ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মো. হাসান খাঁ (৩২) ও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পদ্মপুকুর গ্রামের লিটন শেখ (৩০)।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে বাস-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ১৩ 

ফরিদপুর, ১১ ফেব্রুয়ারি : ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরো ৩৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

শুক্রবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার গজারিয়া এলাকার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টার দিকে নগরকান্দার চরযশোরদী ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ও খুলনাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও কাভার্ড ভ্যানের চালকসহ ১৩ জন নিহত হয়। হানিফ পরিবহনের ওই বাসটি ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে নড়াইলের লোহাগড়া হয়ে ঢাকা যাচ্ছিল।

ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী দিগন্ত পরিবহনের চেকার মো. রবিউল বলেন, হানিফ পরিবহনের ওই বাসটি দ্রুত গতিতে কয়েকটি বাসকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় ওই কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও কাভার্ড ভ্যানের চালকসহ ১৩ জন নিহত হয়।

সংঘর্ষের ঘটনায় বাসে বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে যায়। ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গাড়ি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।

ভাঙ্গা ফায়ার ব্রিগেডের লিডার রেজাউল হক জানান, দুর্ঘটনায় চালকসহ বাসের ১২ জন ও কাভার্ড ভ্যানের চালক নিহত হন। বাসের আহত যাত্রীদের ভাঙ্গা ও মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনাস্থল থেকে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম নাসিম বলেন, গজারিয়া এলাকায় বাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে জনতার হাতে ডাকাত আটক 

ফরিদপুর, ২৯ ডিসেম্বর : ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিগির্রচর ইউনিয়নের মুন্সীডাঙ্গি গ্রামে বুধবার রাতে ডাকাতিকালে এক ডাকাতকে আটক করেছে স্থানীয়রা। এ সময় তাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়।

এ ছাড়া ডাকাতিকালে ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন গৃহকর্তাসহ তিনজন। আহতদের ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন গৃহকর্তা ফারুক মৃধা (৪০), তার ছোট ভাই কামাল মৃধা (৩০) এবং মিন্টু শেখ (২৮)। আটক আহত ডাকাত শাহীন শেখ (২৪) একই গ্রামের কবীর শেখের ছেলে।

গৃহকর্তা ফারুক মৃধা জানান, বুধবার রাতে তার ছোট ভাই কামাল মৃধার ছেলের খত্না অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে ২৫-৩০ জনের একদল ডাকাত বাড়িতে হামলা চালিয়ে অতিথিদের উপহার হিসেবে দেওয়া নগদ দুই লাখ ৫২ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালাতে চেষ্টা করে। এতে বাধা দিতে গেলে ডাকাতদল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাদেরকে আহত করে। এ সময় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে শাহীন নামের এক ডাকাতকে ধরে পিটুনি দেয়। পরে পুলিশে সোপর্দ করা হয় তাকে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই অসীম কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত এক ডাকাতকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অন্য ডাকাতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ 

ফরিদপুর, ৮ ডিসেম্বর : দুই ডাকাত দলের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফরিদপুরে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদে বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।

এখনো পর্যন্ত নিহতদের নাম–পরিচয় পাওয়া যায়নি। বুধবার রাত ১২টার পর জেলা সদরের কৈজুরি ইউনিয়নের পেয়ারপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন বলেছেন, ‘গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ফাঁকা গুলি ছুড়লে ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি বন্ধ হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে দুজনের গুলিবিদ্ধ দেহ পড়ে থাকতে দেখে। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন’।

তিনি বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে ওই দুজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হবে’।

তিনি ধারনা করে বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই দুই দল ডাকাতের মধ্যে বন্ধুকযুদ্ধ হয়েছে’।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশ দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিয়ে আসে। হাসপাতালে আনার আগে তাদের মৃত্যু হয়েছে’।

এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও দশটি হাতবোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে সাত অভিযুক্ত ডাকাত আটক 

ফরিদপুর, ২৯ নভেম্বর : সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ফরিদপুর শহরতলির কোমরপুর এলাকা থেকে সাত অভিযুক্ত ডাকাতকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার রাতে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় বোমাসদৃশ সাতটি বস্তু ও বেশ কয়েকটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

ফরিদপুর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি সৈয়দ আব্দুল মান্নান আজ মঙ্গলবার দুপুরে জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই স্থান থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাত ডাকাতকে আটক ও বোমাসদৃশ বস্তু এবং কয়েকটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃতদের ডিবি কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতির প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেছেন। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ওসি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে ডাকাতদের গোলাগুলি, নিহত ২ 

ফরিদপুর, ২৫ নভেম্বর : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় দু’দল ডাকাতের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ে ২ জন নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ছকরিকান্দিতে এ ঘটনা ঘটে।

তবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

মধুখালী থানার ওসি মো. রুহুল আমিন জানান, রাত ৩টার দিকে টহল পুলিশের একটি দল উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ছকরিকান্দির ইটভাটার মধ্যে গোলাগুলির শব্দ শুনতে পায়।

পুলিশ দলের সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেখানে গিয়ে দুই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে।

পরে তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটারগান, একটি বিদেশী পিস্তল, কয়েক রাউন্ড গুলি ও কয়েকটি রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এ সময় আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। নিহতরা ডাকাতদলের সদস্য ও নিজেদের মধ্যে গুলি বিনিময়ে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা হোটেল বাংলাদেশে! 

পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা হোটেল বাংলাদেশে!

ঢাকা, ১৫ অক্টোবর : পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা হোটেল। নিশ্চয়ই বেশ কৌতূহলী হয়ে ওঠেছেন। বাংলাদেশি হলে আপনিও সেই হোটেলটিতে খুব সহজেই যেতে পারবেন। কারণ এ গ্রহের সবচেয়ে সস্তা হোটেলটি বাংলাদেশেই! হোটেলটির নাম ফরিদপুর মুসলিম হোটেল। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকা অবস্থিত। ভাসমান এই হোটেলটির ঠিকানাও বুড়িগঙ্গার তীরে। মূলত একটি লঞ্চকেই হোটেলে রূপ দেয়া হয়েছে। খবর টেলিগ্রাফ’র।

খরচ যেমন, সেবাও তেমনই। অন্যান্য হোটেলে সেসব মৌলিক সুবিধা পাওয়া যায়, তার সবটা এখানে পাওয়া যাবে না। রুমগুলো ছোট ছোট, আর একরুমেই একাধিক জনের থাকার ব্যবস্থা। তাই গোপনীয়তা পুরোপুরি রক্ষা করাটা কঠিন হবে। তবে কম খরচেই থাকার পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি সহজেই পাবেন। শৌচাগারগুলোও পরিচ্ছন্ন। হোটেলটিতে ৪৮টি রুম আছে। এক রাতের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল কক্ষটির জন্য প্রত্যেক অতিথিকে খরচ করতে হবে মাত্র ১.২৫ পাউন্ড!

প্রথমদিকে হোটেলে খুব বেশি লোক আসতো না। তবে আস্তে আস্তে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে। পর্যটকদের কাছেও হোটেলটি জনপ্রিয়। অনেকেই আছেন যারা হোটেলটিতে মাসের পর মাস থাকেন। হোটেলে প্রত্যেক অতিথির জন্য আলাদা করে ছোট লকারের ব্যবস্থা রয়েছে। যাতে তারা নিজেদের মূল্যবান জিনিসপত্রের ব্যাপারে নিরাপদ বোধ করেন।

হোটেলের মালিক মুস্তফা মিয়া বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে ৪০ জন অতিথি আমাদের হোটেলে থাকতে পারেন। আর কেউ চাইলে সর্বোচ্চ তিন মাস হোটেলে অবস্থান করতে পারেন। সস্তা হওয়ায় কাজ ও ব্যবসার জন্য ছোট শহর ও গ্রাম থেকে ঢাকা ছুটে আসা ব্যক্তিদের অনেকে এখানে থাকেন। শুধু খরচ কম তা নয়, এখানে বিশুদ্ধ পানি, পরিচ্ছন্ন শৌচাগার ও আলাদা বিছানার ব্যবস্থা আছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৪ সদস্য আটক 

73

ফরিদপুর, ২৭ আগস্ট : ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ফরিদপুর অঞ্চলের প্রধানসহ ৪ জনকে আটক করেছে।

শুক্রবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি নাইন এমএম পিস্তল, ১টি ওয়ান স্যুটারগান, ১০ রাউন্ড গুলি, ২২টি বোমা ও বিপুল পরিমান জিহাদী বই এবং সিডি উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত জঙ্গিরা হলেন,  আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ফরিদপুর অঞ্চলের প্রধান ফরিদ মৃধা, শহিদুল ইসলাম, মহসিন মোল্লা ও নাহিদ মোল্লা ওরফে নাদিম।

আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আটককৃত জঙ্গিদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গোপন সংবাদের ভিক্তিতে অভিযান চালানো হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে তারা জঙ্গি হামলার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে বলে স্বীকার করেছে। আটককৃত জঙ্গীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পাটকলের চাল ভেঙে ৩ শ্রমিক নিহত 

84

ফরিদপুর, ২১ আগস্ট : ফরিদপুর সদরের বাকুন্ডা এলাকায় ঝড়ে পাটকলের চাল ভেঙে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৬০ জন।

রবিবার বেলা ১২টার দিকে জোবাইদা করিম জুট মিল নামে ওই পাটকলে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তিনজন হলেন, মালতী মণ্ডল (৪০), হজরত আলী (৫৫) এবং চান্দু (৫০)। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে মালতী ও বাকি দুজন হাসপাতালে মারা যান। আহতেরা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিপুল চন্দ্র দের ভাষ্য, ঝড়ের সময় পাটকলে প্রায় তিনশো শ্রমিক কাজ করছিলেন। ঝড়ে অ্যাসবেস্টরের তৈরি চালের কয়েকটি অংশ ভেঙে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পাটকলের শ্রমিক মো. রেজাউল বলেন, চারদিক অন্ধকার হয়ে জোরে ঝড়বৃষ্টি হচ্ছিল। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে চাল ভেঙে পড়ল। আমরা যে যেখানে পারি ছুটে গিয়ে আশ্রয় নিলাম।

পাটকলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মতিউর রহমান বলেন, চাল ভেঙে পাটকলের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক মাসের মধ্যে পাটকল চালু করা যাবে না।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে যুবদলের বিক্ষোভ-সমাবেশ 

089

ফরিদপুর, ১ আগস্ট : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজা বাতিলের দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে ফরিদপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা যুবদল। সোমবার বেলা ১১টার দিকে শহরের অম্বিকা মেমোরিয়াল হল থেকে বিশাল একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে সুপার মার্কেটের সামনে গেলে পুলিশ তাতে বাঁধা প্রদান করে। এরপর সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সভাপতি আফজাল হোসেন খান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক একেএম কিবরিয়া স্বপন।

বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন, বিএনপি নেতা এ বি সিদ্দিক মিতুল, শামীম হোসেন, নাজমুল হাসান চৌধুরী রঞ্জন, রেজাউল ইসরাম, ছাত্রদলের সভাপতি বেনজির আহমেদ তাবরিজ, যুবদল নেতা মতিউল ইসলাম মতিন, রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন, কাইয়ুম মোল্যা, মোঃ ইউসুফ, আরিফুজ্জামান অপু, আশরাফুল ইসলাম বুলেট, কে এম জাফরসহ ফরিদপুর জেলা যুবদল-ছাত্রলের নেতা-কর্মীরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফরিদপুরে মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা 

86322

ফরিদপুর, ১৮ জুন : বোয়ালমারী এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা রাজা মৃধা (৬৬) নামে পুলিশের সাবেক এক সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার ময়না ইউনিয়নের কেয়াগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, প্রতিবেশি সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে রাজা মৃধার জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার সময় ওই জমি থেকে সিরাজুলের স্ত্রী রেবেকা বেগম কাঁঠাল গাছ থেকে কাঁঠাল পাড়ে। এসময় রাজা মৃধার সঙ্গে রেবেকার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রেবেকা বেগম ঘর থেকে ধারালো অস্ত্র এনে রাজা মৃধাকে কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলে রাজা মৃধা মারা যান। এ সময় রাজার ভাই সেনাবাহিনীর সাবেক সার্জেন্ট আবুল বাশার গুরুতর আহত হন। পরে তাকে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

বোয়ালমারী থানার পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় রেবেকা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সেই খুনের কোনো ক্লু পায়নি পুলিশ 

এক ঘুষিতে যুবক খুন!

ফরিদপুর, ৯ এপ্রিল : ফরিদপুর পেৌরসভার দুই পরিচ্ছন্নতা কর্মী মানিক জমাদ্দার ও ভরত জমাদ্দারের নৃসংশ খুনের ঘটনায় শুক্রবার রাতে কোতয়ালী থানায় একটি মামলা হয়েছে। নিহত মানিক জমাদ্দারের স্ত্রী টুম্পা রানী জমাদ্দার অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে শুক্রবার রাত ১০টা ৫ মিনিটে একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে, এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পশ্চিম খাবাসপুরের মিয়া বাড়ি এলাকা থেকে ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। আটকৃকতরা স্থানীয় একটি নির্মানাধীন ভবনের শ্রমিক বলে জানা গেছে। আলোচিত জোড়া খুনের ঘটনার কোনো ক্লু এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

শুক্রবার রাতে মানিক জমাদ্দারকে শহরের অম্বিকাপুর শ্মশানে সমাহিত করা হয়েছে। আর তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি নাটোরের চৌকিপাড়ায় পাঠানো হয়। সেখানে তাকে সমাহিত করা হয়।

ফরিদপুর হরিজন সম্প্রদায়ের সভাপতি রিপন জমাদ্দার জানান, এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার থেকে সড়ক পরিচ্ছন্নতার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া রবিবার জেলা প্রশাসক-পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে। দ্রুত ঘাতকদের শনাক্ত করে গ্রেফতার না করা হলে তারা কঠোর আন্দোলনে নামবে।

আজ শনিবার আলীপুর হরিজন পল্লীতে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে বসবাসরত সকলের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। পাশাপাশি সকলের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পল্লীর কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পল্লীতে বসবাসরত বেশীর ভাগ নারী-পুরুষ পৌরসভার পরিচ্ছন্নতার কাজ করে। গভীর রাত থেকে শুরু করে ভোর পর্যন্ত তারা পৌর এলাকার বিভিন্ন মহল্লার রাস্তা ঝাঁড়ু দেয়। অনেক সময় নারী পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উপর বখাটেরা নানা বাজে আচরণ করে। এ জোড়া হত্যাকান্ডের পর নারী পরিচ্ছন্নতা কর্মীর পাশাপাশি পুরুষ কর্মীরাও এখন আতংকের মধ্যে রয়েছে। পল্লীর বাসিন্দারা এ ধরনের হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে ঘাতকদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।

নিহত মানিকের স্ত্রী টুম্পা জমাদ্দার জানান, তার স্বামীকে হারিয়ে তিনি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ৪ বছরের শিশু কন্যাকে নিয়ে সে এখন কোথায় যাবে, কি করবে এমন প্রশ্ন তার। মানিক ও ভরতের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন তিনি।

হত্যাকান্ডের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ফরিদপুর পৌরসভা শুক্রবার বিকেলে এক জরুরি সভা করে। পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথুর সভাপতিত্বে এ সভা থেকে ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়। এছাড়া পৌর কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য প্রদানের ঘোষণা দেন।

ফরিদপুর কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিমউদ্দিন আহমেদ জানান, বেশ কয়েকটি ‘ক্লু’ সামনে রেখে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ঘটনার ক্লু উদঘাটন এবং ঘাতকদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

গত শুক্রবার ভোরের যে কোনো সময় শহরের পশ্চিম খাবাসপুরের মিয়া পাড়া মহল্লায় হরিজন পল্লীর দু বাসিন্দা ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মী মানিক জমাদ্দার ও ভরত জমাদ্দারকে নৃসংশভাবে কুপিয়ে হত্যা করে দুবৃর্ত্তরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর