২০ আগস্ট ২০১৭
সন্ধ্যা ৭:৩৩, রবিবার

নারায়ণগঞ্জে ৫ খুনের মামলার রায় ৭ আগস্ট

নারায়ণগঞ্জে ৫ খুনের মামলার রায় ৭ আগস্ট 

16

নারায়ণগঞ্জ, ৩০ জুলাই : নারায়ণগঞ্জ শহরের বাবুরাইল এলাকায় একই পরিবারের পাঁচজন খুনের মামলার রায় দেওয়া হবে আগামী ৭ আগস্ট। আজ রোববার নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক বেগম হোসনে আরা আকতার যুক্তিতর্ক শেষে আসামি মাহফুজের উপস্থিতিতে রায়ের দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, পাঁচ খুনের মামলায় আসামি মাহফুজের উপস্থিতিতে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয়েছে। আদালত উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে এ মামলার রায়ের দিন আগামী ৭ আগস্ট ধার্য করেছেন।

২০১৬ সালের ১৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের বাবুরাইল খানকা মোড় এলাকায় ‘আশেক আলী ভিলা’ নামে এক বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে তাঁদের লাশ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন মাহফুজের মামা শফিকুল ইসলামের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার (৪০), ছেলে শান্ত (১০), মেয়ে সুমাইয়া (৫), তাসলিমার ভাই মোরশেদুল (২৫) এবং তাঁর জা লামিয়া (২৫)। এ ঘটনায় শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তাঁর ভাগনে মাহফুজ, ঢাকার কলাবাগানের ঋণদাতা নাজমা ও শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন।

ওই দিন রাতেই মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরদিন গ্রেপ্তার করা হন মাহফুজ। পরে মাহফুজ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল খায়ের মাহফুজকে আসামি করে অন্যদের অব্যাহতি দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জে ১ লাখ ৬৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ 

55

নারায়ণগঞ্জ, ১৬ জুলাই : নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক মার্কেটের সামনে থেকে একটি ট্রাক থেকে ১ লাখ ৬৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. নুরুল ইসলাম ও মো. আলম নামে দুই মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রবিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো ল ১৫-২২১৩) থেকে ১ লাখ ৬৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ তাদের আটক করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানটি আটক করা হয়েছে। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জের বাস খাদে পড়ে নিহত ২ 

21

নারায়ণগঞ্জ, ১৬ জুন : নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় একুশে পরিবহনের একটি এসি বাস খাদে পড়ে শিশুসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে আরো হতাহত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট উদ্ধার কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- পান্থ (২৭) ও পপি (৫)।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কালাম জানান, বৃষ্টির মধ্যে একুশে পরিবহনের বাসটি বেপরোয়া গতিতে চালাচ্ছিলেন চালক। একপর্যায়ে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি উল্টে যায়। চারজনকে আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এসআই জানান, বাসের চালক পলাতক। বাসটিকে রেকার দিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জে ফের অস্ত্র উদ্ধার অভিযান শুরু 

23561

নারায়ণগঞ্জ, ৩ জুন : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচল-৫ নম্বর সেক্টরে দ্বিতীয় দিনের মত অস্ত্র উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই অভিযান শুরু হয়। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ডোবায় নেমে তল্লাশি চালাচ্ছেন।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মইনুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে রূপগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়। রূপগঞ্জের পূর্বাচলের ৫ নম্বর সেক্টরের একটি কৃত্রিম জলাধার থেকে ২১টি ব্যাগে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- ৬২টি এসএমজি বা সাব মেশিনগান, ২টি রকেট লঞ্চার, ২টি ওয়াকিটকি, ৫টি ৭ পয়েন্ট ৬২ বোরের পিস্তল,  ৪৯টি রকেট লঞ্চার প্রজেক্টর, ৪২টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ৪৪টি এসএমজির ম্যাগাজিন, বিপুল পরিমাণ টাইমফিউজ, ইগনাইটার ও গুলি।

গোপন খবরের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে শরিফ নামের একজনকে একটি এলএমজিসহ আটকের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এই অভিযানে যায় পুলিশ। অভিযানে তিনজনকে আটকের কথা জানালেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানায়নি পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জে রকেট লঞ্চারসহ বিপুল অস্ত্রশস্ত্র 

552

নারায়ণগঞ্জ, ২ জুন : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল ৫ নম্বর সেক্টরে অভিযান চালিয়ে দুটি রকেট লঞ্চার, অর্ধশতাধিক রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনাস্থলে থাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন আজ শুক্রবার সকালে এ প্রতিবেদককে এই তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অভিযান শুরু হয়। অভিযান এখনো চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এ পর্যন্ত তিন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-গোপনীয়) মো. মনিরুজ্জামান এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রথমে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। তার কাছে একটি রাইফেল পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে পূর্বাচল ৫ নম্বর সেক্টরে অভিযানে যায় পুলিশ।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আসছেন। তিনি বিস্তারিত জানাবেন। -প্রথম আলো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আড়াইহাজারে ৪ খুন মামলায় ২৩ জনের মৃত্যুদণ্ড 

115

নারায়ণগঞ্জ, ১৭ মে: আড়াইহাজারের চাঞ্চল্যকর চার খুন মামলায় ২৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বুধবার নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কামরুন নাহার এ রায় দেন।

রায়ের সময় ১৯ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকী চার আসামি পলাতক রয়েছেন।

গত ৪ মে মামলার ওপর শুনানি শেষে বুধবার (১৭ মে) রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও সব আসামির পক্ষ থেকে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক ও সাক্ষীদের জেরা শেষে আদালত মামলার প্রধান আসামি আবুল বাশার কাশুসহ ১৯ আসামিকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০২ সালের ১২ মার্চ বিলুপ্ত সদাসদি ইউনিয়নের (বর্তমান গোপালদী পৌরসভা) তৎকালীন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার কাশুর নির্দেশে আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই আ. বারেক, তার ফুফাতো ভাই বাদল, আওয়ামী লীগ কর্মী ফারুক ও কবির হোসেনকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনায় নিহত আ. বারেকের বাবা আজগর আলী মেম্বার বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। পরে ২১ জনকে সাক্ষী এবং ২৩ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এদিকে ২৪ জনকে পুলিশ অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। তাদের মধ্যে প্রথম থেকে চারজন পলাতক।

চার খুনের মামলায় প্রধান আসামি সদাসদি ইউনিয়নের (বর্তমান গোপালদী পৌরসভা) তৎকালীন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার কাশুসহ মোট ১৯ জন কারাগারে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা 

35

নারায়ণগঞ্জ, ৯ মে : নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে হত্যা করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে স্বামী। মঙ্গলবার (৯ মে) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের মাঝপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হত্যাকাণ্ডের শিকার গৃহবধূর নাম মিতু আক্তার (৩২) ও আত্মহননকারী স্বামীর নাম মোশাররফ হোসেন (৪৫)। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি মাঝপাড়া এলাকার আহসান সরদারের ছেলে। মোশাররফ পেশায় গাড়িচালক ছিলেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি সরাফতউল্লাহ জানান, জালকুড়ি মাঝপাড়া এলাকাতে বসবাস করেন মোশাররফ হোসেন ও মিতু আক্তার। প্রায় ১৫ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। মোশাররফ মাদকাসক্ত জানা গেছে। এসব নিয়ে পরিবারে প্রায় সময়েই কলহ লেগে থাকতো। ওই কলহের জের ধরে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। মঙ্গলবার সকালেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর এক পর্যায়ে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে সন্তানদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে মিতুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মোশাররফ। তখন বাইরে থেকে লোকজন দরজা আটকে দিলে ভেতরে সে নিজেও ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

ওসি আরও জানান, সকাল ১০টায় পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শীতলক্ষ্যায় ৩৫ যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবি 

374

নারায়ণগঞ্জ, ২৬ এপ্রিল : নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর নবীগঞ্জ ঘাট এলাকায় অন্তত ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। তবে কেউ নিখোঁজ থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টায় ঝড়ের সময় ট্রলার ডুবে যায়।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানান, ট্রলারটি নারায়ণগঞ্জ শহর থেকে বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। ৩০-৩৫ জন যাত্রীর মধ্যে চার-পাঁচজন ছিলেন নারী। ট্রলারটি ঘাট ছেড়ে অল্প দূরে যাওয়ার পরপরই বাতাসে ও ঢেউয়ের দাপটে উল্টে যায়। যেখানে ট্রলারটি উল্টে যায় সেখানে পানি বেশি ছিল না। ঘটনার পরপর অন্যান্য নৌকার মাঝিরা যাত্রীদের উদ্ধার করে। এখন পর্যন্ত নিহত বা নিখোঁজের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জে ১২ মণ জাটকাসহ আটক ১ 

নারায়ণগঞ্জ, ৯ এপ্রিল : নারায়ণগঞ্জে ১২ মণ জাটকাসহ  এক মাছ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। আটক মাছ ব্যবসায়ীর নাম রাকিব। রাকিবের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের মিজিরকান্দি। তার বাবার নাম মোসলেম উদ্দিন।

রবিবার ভোরে শীতলক্ষ্যার পশ্চিম পাড়ে ৩ নম্বর মাছ ঘাটের কাছ থেকে জাটকাসহ তাকে আটক করা হয়। তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম আহম্মেদ জানান, বৈশাখ উপলক্ষে অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ৩ নম্বর মাছ ঘাটে অভিযান চালানো হয়। বেলা ১১টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা তারিনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে রাকিবকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জের পোশাক কারখানায় আগুন 

নারায়ণগঞ্জ, ২৭ ফেব্রুয়ারি : নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে একটি পোশাক কারখানায় অগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট।

আজ সোমবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে কাঁচপুর এলাকার সিনহা গার্মেন্টসের ১২তলায় এ আগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের ডিউটি অফিসার মাহমুদ জানান, সকালে সিনহা গার্মেন্টসের আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট পৌঁছায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন তারা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নূর হোসেন-আরিফের আপিল শুনানি হাইকোর্টে গ্রহণ 

নারায়ণগঞ্জ, ৮ ফেব্রুয়ারি : নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের মামলায় ফাঁসির দণ্ডাদেশ থেকে খালাস চেয়ে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন ও র‌্যাব-১১-এর সাবেক কর্মকর্তা আরিফ হোসেনের করা চারটি আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। তবে বিচারিক আদালতে তাদের যে জারিমানা করা হয়েছে ওই আদেশ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদশ দেন।

আপিল গ্রহণের পাশাপাশি নূর হোসেন ও আরিফের জরিমানার আদেশ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী এস আর এম লুৎফর রহমান আকন্দ।

লুৎফর রহমান বলেন, শুনানির জন্য আপিল গ্রহণ করেছেন আদালত। আদালত বলেছেন, আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর একসঙ্গে শুনানি হবে। আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দুজনের জরিমানার আদেশ আদালত স্থগিত করেছেন বলে উল্লেখ করেন আইনজীবী লুৎফর রহমান।

এর আগে, গত ২২ জানুয়ারি এই মামলার ডেথ রেফারেন্সের কপি হাইকোর্টে পৌঁছে। নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রায়ের কপি, জুডিশিয়াল রেকর্ড, সিডিসহ বিভিন্ন নথিপত্র সংশ্লিষ্ট নথিপত্র হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দেন। পরে এই মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য ২৯ জানুয়ারি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক তৈরির নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুনের মামলার রায় প্রদান করেন নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন। মামলার প্রধান আসামি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন ও র‌্যাবের বরখাস্তকৃত তিন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাসুদ রানাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এ মামলার ৩৫ আসামির মধ্যে বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ৩৫ আসামির মধ্যে ১২ জন পলাতক। গ্রেফতারকৃত ২৩ জনের মধ্যে ১৮ জনকে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে ও ৫ জন গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জে ট্রাক উল্টে ৪ শ্রমিক নিহত 

নারায়ণগঞ্জ, ৮ ফেব্রুয়ারি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি ট্রাক উল্টে চার শ্রমিকের মৃত‌্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।

আজ বুধবার ভোররাতে উপজেলার আশারিয়ার চর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত শ্রমিকদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনারগাঁও থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, বুধবার ভোররাত ৪টার দিকে মেঘনা থেকে আসা আল-মোস্তফা কোম্পানির কাগজবাহী একটি ট্রাক উপজেলার আশারিয়ার চর এলাকার বিসমিল্লাহ পেট্রল পাম্পের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকের চার শ্রমিক নিহত হন। আহত হন আরও ছয়জন শ্রমিক।

নিহতদের লাশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সাত খুন মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে 

নারায়ণগঞ্জ, ২২ জানুয়ারি : নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

আজ রবিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন এই নথি প্রেরণ করেন।

এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের দুই মামলায় প্রধান আসামি নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৬ আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

নিয়ম অনুযায়ী, বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার নথি হাইকোর্টে প্রেরণ করা হয়, যা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে পরিচিত।

এখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের এই সাজা অনুমোদনের জন্য মামলাটি হাইকোর্টে ‘ডেথ রেফারেন্স’ শুনানি হবে। সেখানে সাজা বহাল থাকলে তারা আপিল করতে পারবেন।

আপিলের জন্য আসামিরা ৩০ দিন সময় পাবেন। যদি কেউ আপিল না করেন, তাহলে তার ক্ষেত্রে শুধু ডেথ রেফারেন্সেরই শুনানি হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন।
তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ। পরদিন মেলে আরেকটি লাশ।

এরপর ২৮ এপ্রিল নিখোঁজ নাসিক কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি প্রথম মামলা করেন। আর ৮ মে নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল দ্বিতীয় মামলা করেন। এরপর ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নারায়ণগঞ্জে ৭ খুন মামলার রায় সোমবার 

নারায়ণগঞ্জ, ১৫ জানুয়ারি : প্রায় দীর্ঘ আড়াই বছর বিচারকাজ চলার পর আগামীকাল সোমবার নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে। বহুল আলোচিত এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে যেসব আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনজন হলেন র্যাবের অবসরে পাঠানো সেনা কর্মকর্তা তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন ও এমএম রানা। এ তিনজনই মূলত সাত খুনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জড়িত।

এমএম রানার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিটি ১১ পাতার, যেখানে উঠে এসেছে ৭ হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক বিবরণ। ২০১৪ সালের ৫ জুন রানার আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। আলোচিত সাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রথম দায় স্বীকার করেন অপহরণ, হত্যা ও গুমের মিশনে নেতৃত্ব দেওয়া রানা। ২০১৪ সালের ১৭ মে ভোরে ঢাকা সেনানিবাসের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় এম এম রানাকে। পরে কয়েক দফা রিমান্ডে নেওয়ার পর রানা স্বীকারোক্তি দেন।

রানা আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন ২০১৪ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে র্যাব-১১ অধিনায়ক লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মেজর আরিফকে সন্ত্রাসী নজরুলের একটি প্রোফাইল দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার এবং আমাকে আরিফকে সহায়তার নির্দেশ দেন। নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল আমি আনুমানিক ১২-৩৫ মিনিটে কোম্পানি কমান্ডারের গাড়িযোগে মেজর আরিফের নিকট পৌঁছাই এবং গাড়ি ছেড়ে দেই এবং আমি মেজর আরিফের নীল কালারের মাইক্রোবাসে গিয়ে উঠি। আমি মাইক্রোবাসে উঠে দেখি মেজর আরিফ, নূর হোসেন, নিজস্ব সোর্স ও নিজস্ব গোয়ান্দাদের সঙ্গে নজরুলের বিষয়ে কথাবার্তা বলছেন। ওই সময় মেজর আরিফ আমাকে বলেন যে, স্যার, নজরুল একজন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী, তার সঙ্গে ৪/৫টি আর্ম্স্ থাকে। আমরা সিভিল ড্রেসে তাকে গ্রেফতার করতে গেলে সে আমাদেরকে নূর হোসেনের লোক ভেবে গুলি করে বসতে পারে। তখন মেজর আরিফ বলেন যে, স্যার, আপনার ইউনিফর্ম্ধারী প্যাট্রোল টিমকে দিয়ে ফাঁকা জায়গায় নজরুলকে আটকাতে হবে। যেহেতু মেজর আরিফ অপারেশন কমান্ডার সেহেতু আমি তার কথামতো আমার ইউনিফর্ম্ধারী প্যাট্রোল টিমকে নজরুলকে আটকানোর নির্দেশনা দেই। আনুমানিক ১টার দিকে মেজর আরিফের নিকট ফোন আসে যে, নজরুল দুটি গাড়ি নিয়ে কোর্ট থেকে বের হচ্ছে। নজরুলের গাড়ি দুটি বের হওয়ার পর আমরা আমাদের মাইক্রোবাস দুটি নিয়ে ওই গাড়ি দুটিকে ফলো করি এবং প্যাট্রোল টিমকে গাড়ি দুটির বর্ণনা দিয়ে ফতুল্লা স্টেডিয়ামের পর সিটি করপোরেশনের গেটের নিকট ফাঁকা জায়গায় থামাতে বলি। নজরুলের গাড়ি দুটির একটি সাদা অন্যটি কালচে রঙের ছিল। ১-২০ মিনিটের দিকে প্যাট্রোল টিম নজরুলের গাড়ি দুটিকে সিটি করপোরেশনের গেটের মুখে থামায়। তখন আমাদের দুটি মাইক্রোবাসে থাকা সিভিল টিম নজরুলের গাড়ি দুটি থেকে সকল লোককে গ্রেফতার করে আমাদের মাইক্রোবাস দুটিতে তোলে।

আমি মাইক্রোবাস থেকে নেমে প্যাট্রোল টিমের সঙ্গে থেকে যাই এবং মেজর আরিফ ধৃত লোকদেরসহ মাইক্রোবাস দুটি নিয়ে চিটাগাং রোডের দিকে চলে যায়। আমি সিদ্ধিরগঞ্জ হতে সিএনজি করে আদমজীনগর ব্যাটালিয়ন সদরে ফিরে অধিনায়কের অফিসকক্ষে অধিনায়কের সঙ্গে দেখা করি এবং অধিনায়ককে অপারেশন বিষয়ে অবহিত করে জানাই যে, নজরুলসহ ৫/৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নজরুলের দুটি গাড়ির একটিকে সরানো হয়েছে অন্যটি ঘটনাস্থলে পড়ে আছে। তখন সিও স্যার বলেন যে, ওই গাড়িটিও সরানোর ব্যবস্থা কর। সিও-এর নির্দেশনা অনুুযায়ী আমি ড্রাইভার-কনস্টেবল মিজানকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পরিত্যক্ত কালচে রঙের গাড়িটি নিয়ে আনুমানিক ৩-৪৫ মিনিটের সময় গুলশান ‘নিকেতনে’ রেখে আসি।

কালচে রঙের গাড়িটি নিকেতনে রেখে আসার সময় আমি গাড়িটিতে অ্যাডভোকেটের ভিজিটিং কার্ড দেখতে পাই তখন আমি বুঝতে পারি যে, এই গাড়ির লোকটি একজন অ্যাডভোকেট। নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্পে পৌঁছে আনুমানিক ৫টার দিকে আমি সিওকে ফোন করে জানাই যে, নজরুলসহ ধৃতদের মধ্যে একজন অ্যাডভোকেট রয়েছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আবারও পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে শ্রমিককে হত্যার চেষ্টা! 

ঢাকা, ২৮ ডিসেম্বর : নারায়ণগঞ্জে আবারও পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে স্পিনিং মিলের এক শ্রমিককে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার নাম আল-আমিন (১৬)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ বুধবার বেলা দেড়টার দিকে আড়াইহাজার উপজেলার উপজেলার ব্রা‏হ্মন্দী ইউনিয়নের গোপিন্দী বিনাইরচর এলাকায় ছাবেদ আলী স্পিনিং মিলে এ ঘটনা ঘটে। আল আমিন উপজেলার ব্রা‏হ্মন্দী ইউনিয়নের গোপিন্দী গ্রামের হাছান আলীর ছেলে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রিমন (২০) নামের এক শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও কারখানা সূত্রে জানা গেছে, আজ ওই কারখানার মেকানিক্যাল ইউনিটে আল আমিন ও রিমনসহ চার শ্রমিক কাজ করছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে আল আমিনের পায়ুপথে প্লাস্টিকের নল দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে দেন রিমন। পেট ফুলে যাওয়ায় আল আমিন ছটফট করতে থাকে। একপর্যায়ে সেখানে কর্মরত অপর দুই শ্রমিক আলামিন ও ইমন ঘটনাটি কারখানা কর্তৃপক্ষকে জানায়। এরপর কারখানার লোকজন আল আমিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানা-পুলিশ বিকেলে ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে রিমনকে গ্রেপ্তার করে।

ওই কারখানার কর্মকর্তা এনামুল হক সাংবাদিকদের জানান, কাজ করার সময় রিমন ও আল-আমিন একে অপরের সঙ্গে দুষ্টামি করছিল। একপর্যায়ে কম্প্রেসর মেশিন দিয়ে আল-আমিনের পায়ু পথে বাতাস ঢুকিয়ে দেন রিমন। আল আমিনকে উদ্ধার করে প্রথমে ভুলতা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আজ সন্ধ্যায় আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, রিমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।রিমন রাজশাহীর চারঘাটের থানাপাড়া এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে।

এর আগে গত ২৫ জুলাই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জোবেদা স্পিনিং মিলে পায়ুপথে বাতাস দিয়ে সাগর বর্মণ নামের এক শিশু শ্রমিককে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সাগরের বাবা রতন বর্মণ বাদী হয়ে কারখানার চার কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। দুই মাস আগে কারখানাটির তিন শ্রমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন বলে জানিয়েছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন।

ওই ঘটনার পাঁচ মাস পর গত ১৪ ডিসেম্বর সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মরিচটেক এলাকায় বিআর স্পিনিং মিলে ইয়ামিন (১৪) নামের আরেক শ্রমিককে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ রায়হান নামের এক শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনায় ইয়ামিনের বাবা শাহজাহান বাদী হয়ে রায়হানকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর