২৩ মে ২০১৭
রাত ১:৩০, মঙ্গলবার

শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ 

মো: মোশাররফ হোসেন মনির, কুমিল্লা, ২০ মে : কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলা সদরের সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে অটোচালিত সিএনজির শরিফুল ইসলাম (২৪) নামে এক শ্রমিককে ঘাড়িতে করে উঠিয়ে নিয়ে মারধর করে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনা ঘঠেছে। এতে মুরাদনগর থানা পুলিশ বাসটিসহ চালককে আটক করে। এ ঘটনায় উপজেলা সদরে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ, মিছিল ও মানববন্ধন করে। এবং যান চলাচল বন্ধ রাখে। নিহত শ্রমিক উপজেলা সদর মধ্য পাড়ার মালু মিয়ার ছেলে। আটককৃত চালক বাবু ভূইয়া (২৮) তিতাস থানার ওইচারচর গ্রামে গ্রামের নূরুল ইসলাম ভূইয়ার ছেলে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার সময় উপজেলা সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের জলিল মিয়ার বাড়ির পাশে মুরাদনগর-হোমনা সড়কে এ ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, জেলার হোমনা উপজেলা থেকে হোমনা সুপার (নারায়নগঞ্জ-জ-০৪-০১৮৮) নাম্বারের একটি বাস মাজার থেকে যাত্রি নিয়ে মুরাদনগর উপজেলা সদর হয়ে হোমনার উর্দ্দেশে যাচ্ছিল। এসময় শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি মুরাদনগর-হোমান সড়কের সিএনজি ষ্ট্যান্ড অতিক্রম করার সময় ষ্ট্যান্ডে থাকা এশটি অটোচালিত সিএনজিকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিএনজির ড্রাইবার শরিফের সাথে কথা কাটা-কাটি হলে এক পর্যায়ে বাসে থাকা লোকজন শরিফকে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়। এবং গাড়িতে থাকা লোকজন সকলে তাকে মারধর করে রাস্থায় ফেলে গাড়ি চাপা দেয় সড়ক দূর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। লাশ ফেলে বাসটি পালিয়ে যায়। স্থানীয় জনতারা দাওয়া করে হোমনা উপজেলার কাশিপুর বাজারে বাসসহ চালককে আটক করে পুলিশে দেয়। এ ঘঁনার খবর পেয়ে মুরাদনগর থানার এসআই আবুল কাষেমের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাল (কুমেকে) প্রেরণ করছে।

এ ঘঁনার প্রতিবাদ ও জরিতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সারাদিন শ্রমিকরা সকল রোডে যান চলাচল বন্ধ রাখে। এবং দুপুরে উপজেলা সদরের দোয়েল চত্বরে  মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে ড্রাইবার শ্রমিক ইউনিয়ন। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক পার্থ স্বারতি দত্ত, উপজেলা শেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আতিকুর রহমান হেলাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, ড্রাইবার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিদারুল আলম, সহ-সভাপতি মোস্তফা, সাধার সম্পাদক সোহেল মিয়া, হোসেন, শাহজালাল, সুমন প্রমুখ।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদিউজ্জামান জানান, গাড়ি ও চালককে আটক করা হয়েছে। নিহতের পিতা মালু মিয়া বাদি করে মুরাদনগর থানায় এশটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মুরাদনগরে ডেপুটি কমান্ডার লাঞ্চিত 

মো: মোশাররফ হোসেন মনির, কুমিল্লা, ২০ মে : কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কালে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ডেপুটি কমান্ডার ও সেনাবাহিনীর (অব:) সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর আলম উপজেলায় ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার ছড়াছড়ি এমন মন্তব্য করায় লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলা কবি নজরুল মিলনায়তনে যাচাই-বাছাই কালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মুক্তিযোদ্ধাগন জানায়, শুক্রবার অভিযোগ থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই করার জন্য পূর্বনির্ধারিত ছিল। মুক্তিযোদ্ধা হানিফ সরকারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাসেলুল কাদের সহ ছয় সদস্যের মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটির সামনে সাক্ষ্য গ্রহন চলাকালে এনামুল হক নামের একজন মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ডেপুটি কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হওয়ার সময় অন্য অভিযুক্তরা এসে জাহাঙ্গীরকে কিল ঘুসি মেরে লাঞ্চিত করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। এ সময় আহত জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার তালিকা সহ তার গুরুত্বপূর্ন কাগজপত্র হামলাকারীরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ প্রহরায় সে ঘটনা স্থল ত্যাগ ত্যাগ করে। পরে অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধের বিরুদ্ধে আর কেউ স্বাক্ষ্য না দেওয়ায় যারা মুক্তিযুদ্ধ করেনি মুক্তিযোদ্ধাদের দুই এক বার ভাত খায়িছে এমন লোকদেরকেও তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করা হচ্ছে বলে একটি সুত্র জানায়। এ ঘটনার পূর্বমুহুর্তে একজন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাকে পুলিশে সোপর্দ করে যাচাই-বাছাই কমিটি। এ ঘটনায় উল্লসিত হয়ে উঠে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধারা।
এ বিষয়ে যুদ্ধকালিন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো: গিয়াস উদ্দিন মাহমুদ বলেন এ অনভিপ্রেত ঘটনায় আমরা মর্মাহত। উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলম প্রায় ৩০০ মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তার সবগুলো অভিযোগ সত্য না হলেও প্রায় ৭০ভাগ সত্য। লাঞ্চিত হওয়ার বিষয়ে তার বিরুপ আচরণও অনেকাংশে দায়ী।

লাঞ্চিত হওয়া মুকিতিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, আমি ভূয়া মুকিযোদ্ধারে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আজ আমার উপওে হমলার ঠঁনা ঘটেছে। এঘটনার সুস্ঠ তদন্ত কওে বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি আরো বলেন এ বিষয়ে আমি মুরাদনগর থানায় এশটি অভিযোগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ রাসেলুল কাদের জানান মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই নির্ভর করছে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাক্ষ্যের উপর। জাহঙ্গীর আলমের উপর হামলার বিষয়ে তিনি ধস্তাধস্তি হয়েছে বলে স্বীকার করেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ফল বিপর্যয়, পাশের হার ৫৯.০৩% 

4

মো: মোশাররফ হোসেন মনির, কুমিল্লা, ৪ মে : এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোডের্র ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। বিগত ৫ বছরের তুলনায় পাশের হার কমেছে। এ বছর এ বোর্ডে পাশের হার মাত্র ৫৯ দশমিক ০৩। যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম। ইংরেজী, গণিত ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের ফলাফল খারাপ হওয়ায় পাশের হারে ধস নেমেছে বলে জানা যায়। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল করলেও ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলাফলে ধস নেমেছে।
কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হারের দিক থেকে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাশের হার ৫৯ দশমিক ৫১ এবং মেয়েদের পাশের হার ৫৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ। পাশের হারের দিক থেকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছে।

বিজ্ঞান বিভাগে পাশের হার ৮৪ দশমিক ১৬। এর মধ্যে ছেলেদের পাশের হার ৮৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং মেয়েদের পাশের হার ৮৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। গত বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাশের হার ছিল ৯২ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাশের হার ৫৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ। -এর মধ্যে ছেলেদের পাশের হার ৫২ দশমিক ২১ শতাংশ এবং মেয়েদের পাশের হার ৬২ দশমিক ১৮ শতাংশ। গত বছর এ বিভাগে পাশের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৩০ শতাংশ।

মানবিক বিভাগে পাশের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ। এর মধ্যে ছেলেদের পাশের হার ৩৬ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং মেয়েদের পাশের হার ৪২ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এ বিভাগে ছেলেদের ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। গত বছর এ বিভাগে পাশের হার ছিল ৭৪ দশমিক ৯০ শতাংশ।

কুমিল্লা বোর্ড সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে এ বোর্ডে পাশের হার ছিল ৮৪ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৮৪ দশমিক ২২ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৮৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০১৩ সালে পাশের হার ছিল ৯০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

এ বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কায়সার আহমেদ জানান, জানান, গণিত, ইংরেজী ও ব্যাবসায় বিষয়ে শিক্ষার্থীরা খারাপ ফলাফল করেছে। যার প্রভাব পড়েছে পাশের হারে। শহর কেন্দ্রীক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফলাফল সন্তোষজনক হলেও উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ের স্কুলগুলোতে ফলাফল খারাপ হয়েছে। যে সব প্রতিষ্ঠান খারাপ ফলাফল করেছে তাদের বিষয়ে আমরা তদন্ত করবো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ 

37

কুমিল্লা, ২৫ এপ্রিল : কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বরলে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার রাত ৯টার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বরল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আরো দুইজন গুরুতর আহত হয়েছে। এরা সবাই সিএনজি চালিত অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, নিহতরা হচ্ছেন কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার গন্ডামারা গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে আবদুর রাজ্জাক (৩৫), তার স্ত্রী ঝর্না বেগম (২৫), শাশুড়ি জয়নবুন নেছা (৫৫) ও সিএনজি অটোরিকশার চালক বাচ্চু মিয়া। আহত হয়েছে রাজ্জাকের সাত বছরের ছেলে রাজু ও এক আত্মীয় ইসহাক মিয়া। রাজুকে লাকসাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইসহাক মিয়াকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ জানান, নোয়াখালীমুখী যাত্রীবাহী ইকোনো বাসটি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বরল এলাকায় এসে কুমিল্লাগামী একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার তিন যাত্রী এবং কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিএনজি অটোরিকশার চালক বাচ্চু মিয়া মারা যান। নিহত ও আহতদের পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস এসে উদ্ধার করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুমিল্লায় ১৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৫ 

0

মো: মোশাররফ হোসেন মনির, কুমিল্লা, ২৩ এপ্রিল : কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক অভিযানে সাড়ে ১৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি প্রাইভেটকারসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার গোরাই আতারামপাড়া গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে কামরুল ইসলাম হৃদয় (২২), গোরাই নাজিরপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে মতিউর রহমান (৩২), গোরাই খামারপাড়া গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে জুয়েল রানা (২৪), কক্সবাজার সদরের টেকপাড়ার ইলিয়াছ আলীর মেয়ে মরিয়ম বেগম (৩৮) ও চৌদ্দগ্রামের কাশিনগর ইউনিয়নের পূর্ব শাহাপুর গ্রামের আলী আকবরের ছেলে মনির হোসেন (৩৪)।

রবিবার দুপুরে তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই শাহজাহান ও এএসআই হিরণ কুমার দে জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলা দোয়েল চত্বর থেকে শনিবার রাতে সাড়ে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী মনির হোসেন আটক করা হয়। অপর অভিযানে সন্ধ্যায় মহাসড়কের থানা গেইট থেকে একটি প্রাইভেটকারে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ হৃদয়, মতিউর, রানা ও মরিয়মে আটক করা হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চৌদ্দগ্রামে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৫ 

10

কুমিল্লা, ২৩ এপ্রিল : কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক অভিযানে সাড়ে ১৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি প্রাইভেটকারসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার গোরাই আতারামপাড়া গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে কামরুল ইসলাম হৃদয় (২২), গোরাই নাজিরপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে মতিউর রহমান (৩২), গোরাই খামারপাড়া গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে জুয়েল রানা (২৪), কক্সবাজার সদরের টেকপাড়ার ইলিয়াছ আলীর মেয়ে মরিয়ম বেগম (৩৮) ও চৌদ্দগ্রামের কাশিনগর ইউনিয়নের পূর্ব শাহাপুর গ্রামের আলী আকবরের ছেলে মনির হোসেন (৩৪)।

আজ রবিবার তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই শাহজাহান ও এএসআই হিরণ কুমার দে জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলা দোয়েল চত্বর থেকে শনিবার রাতে সাড়ে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী মনির হোসেন আটক করা হয়। অপর অভিযানে সন্ধ্যায় মহাসড়কের থানা গেইট থেকে একটি প্রাইভেটকারে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ হৃদয়, মতিউর, রানা ও মরিয়মে আটক করা হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মুরাদনগরে আধিপত্য বিস্তারে আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ২ 

0000

মো: মোশাররফ হোসেন মনির, কুমিল্লা, ১৯ এপ্রিল : কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে আ’লীগের সমর্থকদের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে ফারুক ও সাইদুর রহমান নামের ২ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা। এ সময় সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ আহত হয়েছে আরও অন্তত ১২ জন। জিজ্ঞাসাবাদের জন ৮জন ও ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে আটক করেছে বলে পুলিশ জানায়।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুরাদনগর উপজেলার রহিমপুর গ্রামে দক্ষিন পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে ইউপি সদস্য আশ্ররাফুল ইসলাম বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় অর্ধশত ব্যাক্তির নামে একটি হত্যার মামলা দায়ের করে। নিহতরা হলেন আশরাফ গ্রুপের ফারুক (৩০) পিতা খোরশেদ আলম ও সাইদুল ইসলাম (২২) পিতা আবু হানিফ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আ’লীগের সমর্থকের নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নেরন ও রহিমপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আলী আশ্রাফ ও একই  গ্রামের কবির, আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরুধ চলে আসছিল। এনিয়ে দু’গ্রুপের মধ্যে বেশ কয়েকবার সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এরই জের ও উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামে গোমতী নদীর পাশে ড্রেজার ব্যবসা নিয়ে গত তিন দিন ধরে দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। এর অংশ হিসেবে শনিবার রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী আশ্রাফ ও কবির-আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরুহয়। এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আশ্রাফ গ্রুপের আলী আশ্ররাফ নিজেসহ ফারুক, সাঈদুর, রুবেল, আবুবক্করসহ অন্তত্য ১২জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয়রা মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন নেওয়া হলে এর মধ্যে মারাত্মক আহত সাইদুর ও ফারুকের মৃত্যু হয়। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়িতে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এদিকে ২জনের মৃত্যুর পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে বুধবার সকাল ১০টায় মুরাদনগর থানায় কুমিল্লা উত্তর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  আব্দুল মোমেন ও মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম বদিউজ্জামান সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করেন।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  আব্দুল মোমেন জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ড্রেজার ব্যাবসার জের ধরে রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী আশ্রাফ ও কবির-আনিস গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের ফারুক ও সাঈদুল নামে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।  এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮জন ও জড়িত থাকার অভিযোগে ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন রয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান বলেন, বুধবার দুপুরে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরোও ২০/২৫জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। এ হত্যার বিষয়টি পরিকল্পিত ভাবে করা হয়েছে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে তবে ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুমিল্লায় আ.লীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষে নিহত ২ 

844

কুমিল্লা, ১৯ এপ্রিল : কুমিল্লার মুরাদনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রহিমপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ফারুক ও সাইদুর রহমান। তারা দুজনই আওয়ামী লীগ কর্মী বলে ওসি জানান।

এ সংঘর্ষে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আলী আশরাফসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন।

মুরাদনগর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ দিন ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার জের ধরে রাতে সংঘর্ষ শুরু হয়।

তিনি বলেন, সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে ফারুক ও সাইদুর মারাত্মক আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৭৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ব্যাংক ক্যাশিয়ার গ্রেফতার 

কুমিল্লা, ৭ এপ্রিল : কুমিল্লায় গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় খন্দকার আবুল কালাম আজাদ নামে কৃষি ব্যাংকের এক ক্যাশিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জেলার বুড়িচং উপজেলার অলীপুর এলাকা থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত কার্যালয়-কুমিল্লার উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত খন্দকার আবুল কালাম আজাদ জেলার মুরাদনগর উপজেলার দড়ানীপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের পুত্র।

দুদক-কুমিল্লার ডিডি আবুল কালাম আজাদ জানান, জেলার তিতাস উপজেলার মাসিমপুর কৃষি ব্যাংক শাখার ক্যাশিয়ার খন্দকার আবুল কালাম আজাদ ওই এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ব্যাংকে জমাকৃত বিদ্যুৎ বিলের ৭৫লাখ টাকা বিভিন্ন সময়ে আত্মসাৎ করেন। এ ব্যাপারে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিতাস থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুমিল্লায় চলছে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ 

25

কুমিল্লা, ১ এপ্রিল : কুমিল্লার কোটবাড়ির অদূরে দক্ষিণ বাগমারায় জঙ্গি আস্তানায় পাওয়া বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে এ কাজ শুরু করে বোমা ডিজপোজাল ইউনিট।

এর প্রায় আধা ঘণ্টা পর ওই স্থানে  একাধিক বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। আগের মতোই বাড়িটির আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা বহাল রয়েছে।

পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি সাখাওয়াত হোসেন জানান, দুপুর নাগাদ বোমা নিষ্ক্রিয়করণের কাজ শেষ হবে। এরপরই অপারেশন ‘স্ট্রাইক আউট’র সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।

এর আগে শুক্রবার বিকালে কুমিল্লার জঙ্গি আস্তানায় অভিযান স্থগিত করা হয়েছিল।

অভিযানে ওই বাড়িতে কোনো জঙ্গি পাওয়া যায়নি। তবে দুই জঙ্গির ব্যবহৃত কক্ষে দুটি ৫ কেজি ওজনের বোমা, ৪টি গ্রেনেড এবং ২টি সুইসাইডাল ভেস্ট পাওয়া গেছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুমিল্লায় জঙ্গি আস্তানা ঘিরে ১৪৪ ধারা 

কুমিল্লা, ৩১ মার্চ : কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় ঘিরে রাখা জঙ্গি আস্তানায় শুক্রবার অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলের পাশের প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। স্থানীয়দের বাড়িটি সংলগ্ন সড়কে প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে আসা সোয়াতের একটি টিম ছাড়াও র‌্যাব, পুলিশ, ক্রাইম সিন ইউনিট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এই অভিযানে পরিচালনা করছে।

পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো অভিযানের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন জানিয়েছেন, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় তারা প্রস্তুত রয়েছেন।

এক জঙ্গির দেয়া তথ্যে, বুধবার বিকালে জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতি গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন ড্রাইভারের নির্মাণাধীন তৃতীয় তলা বাড়িটি ঘেরাও করে রাখে আইনশৃংখলা বাহিনী।

তবে বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচন থাকায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটকেন্দ্র সংলগ্ন ওই বাড়িতে অভিযান স্থগিত রাখা হয়।

স্থানীয়রা জানান, তিনতলা বাড়িটির উপরতলা নির্মাণাধীন। দুই ইউনিটের ওই বাড়ির নীচতলা ও দোতলা ম্যাচ হিসেবে ৩ মাস আগে ভাড়া দেয়া হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুমিল্লায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে প্রস্তুত সোয়াট 

কুমিল্লা, ৩১ মার্চ : কুমিল্লা কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘিরে রাখা জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। যেকোনো সময় অভিযান শুরু হবে।

ঘটনাস্থলে বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে আসা সোয়াট এর একটি টিম ছাড়াও র্যাব, ক্রাইম সিন ইউনিট, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্য, পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. শাহ  আবিদ হোসেন।

এদিকে শুক্রবার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলের পাশের প্রায় ২ কি. মি. এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

এ অভিযানকে কেন্দ্র করে ওই বাড়ির চারদিকে এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে র্যাব-পুলিশসহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। ওই বাড়িতে জঙ্গিদের অবস্থান থাকায় স্থানীয় এলাকার লোকজনকে বাড়ি সংলগ্ন সড়কে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো.শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো অভিযানের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং অভিযানের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেন।

পুলিশ জানায়, পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের নিকটের কাছে এক জঙ্গির দেয়া তথ্যমতে বুধবার বিকেলে জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতি গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন ড্রাইভারের নির্মাণাধীন তৃতীয় তলা বাড়িটি ঘেরাও করে র্যাব-পুলিশ ও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইন-শৃংখলা বাহিনী সদস্যরা।

তবে বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের দিন নির্ধারিত থাকায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটকেন্দ্র সংলগ্ন ওই বাড়িটিতে অভিযান চালানো হয়নি। তবে এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ অন্যান্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এসময় চট্টগ্রাম থেকে আসা সোয়াট এর একটি টিম ছাড়াও র্যাব, ক্রাইম সিন ইউনিট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে বাড়িটির চারদিক ঘুরে দেখা হয় এবং জঙ্গিদের গ্রেফতারে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।

অপরদিকে জেলা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ঢাকায় এক জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ওই জঙ্গির দেয়া তথ্য ও দেখানো মতে বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে আমরা ওই বাড়িতে জঙ্গির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হই।

স্থানীয়রা জানান, তিনতলা বাড়িটির উপরতলা নির্মাণাধীন। দুই ইউনিটের ওই বাড়ির নিচতলা ও দোতলা ম্যাচ হিসেবে ৩ মাস আগে ভাড়া দেয়া হয়। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের হাতে আটক জঙ্গির দেখানো মতে বুধবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য ওই বাড়িটি ঘেরাও করে দরজায় বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করা দেয়। এদিকে ওই এলাকায় এ অভিযানকে কেন্দ্র করে লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুমিল্লায় বিএনপি প্রার্থী মনিরুল জয়ী 

hlugprqt-copy

কুমিল্লা, ৩০ মার্চ : কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১১ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মনিরুল হক পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মেয়র প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৬৩ ভোট।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মোট ভোটার ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২ হাজার ৪৪৭ জন আর নারী ১ লাখ ৫ হাজার ১১৯ জন। এই ভোটারদের মধ্যে অন্তত ৩৮ হাজার সংখ্যালঘু ও ৩০ হাজার নতুন ভোটার।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ওয়ার্ড ২৭টি। ১০৩টি ভোটকেন্দ্রের ৬২৮টি বুথে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ করা হয়।

কুমিল্লায় এটি দ্বিতীয় সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে মেয়র পদে এখানে নির্বাচন হলো।

১৪ দলের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা কুমিল্লার আওয়ামী লীগ নেতা আফজল খানের মেয়ে। ২০১২ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আফজল খান বিএনপির প্রার্থী কাছে হেরে যান। এবারও বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক। এর বাইরে মেয়র পদে শিরিন আক্তার (জেএসডি) ও মামুনুর রশীদ (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হয়েছেন। সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ১৫৪ জন।

নির্বাচনে ৭৬০ জন প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন। ১ হাজার ৬৭৮ জন পুলিশ, ১ হাজার ২৩৬ জন আনসার, র‍্যাবের ৩৩৮ ও বিজিবির ৬০০ জন সদস্য, ২৭টি ওয়ার্ডে ৩৬ জন নির্বাহী হাকিম ও বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নৌকায় ভোট দিতে বলছে পুলিশ: রিজভী 

365

কুমিল্লা, ৩০ মার্চ : কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে স্থানীয় প্রশাসন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভীর অভিযোগ, ‘অনেক কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের কাছে ভোট চাইছে পুলিশ। পুরো শহরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মহড়া দিচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনেক ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ। ভোটগ্রহণে ধীরগতিও আছে। মূলত কাস্ট বেশি দেখানোর জন্য লাইনে ভিড় রাখা হচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ককটেল ফাটিয়ে কেন্দ্র দখল, ভোট বন্ধ 

565

কুমিল্লা, ৩০ মার্চ : কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এক কাউন্সিলর প্রার্থী ককটেল ফাটিয়ে কেন্দ্র দখল করে ভোট দেয়ায় ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িক বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লা সরকারি সিটি কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী রমিজ উদ্দিন ও তার সমর্থকরা ওই কেন্দ্রে এসে ১০/১৫টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।

এতে উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়লে তারা দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করে।

এরই মধ্যে জোর করে প্রায় ৪০০ ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে ফেলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রমিজ উদ্দিনের সমর্থকরা।

তাদের এই কাজে বাধা দিতে গেলে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী মাহবুবুর রহমানকে মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়।

একই সঙ্গে তার একজন এজেন্টকেও মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়।

পরে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল। এ সময় তিনি জোর করে ভোট দেয়ার বিষয়ে তদন্ত হবে বলে জানান।

রকিব উদ্দিন মণ্ডল বলেন, ‘খবর পেয়ে ওই কেন্দ্রে বিজিবি ও র‌্যাবের টিম পাঠানো হয়। ওই কেন্দ্রের আশপাশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করায় সাময়িকভাবে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে।’

এ কেন্দ্রটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে কয়েকজন কাউন্সিলর আগেই অভিযোগ দাখিল করেছিলেন।

ভোটের দিন এখানে পর্যাপ্ত আইনশৃংখলা বাহিনী ও তাদের কার্যকর তৎপরতার অভাবে ওই প্রার্থী এবং তার লোকজন কেন্দ্রে ঢুকে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন অপর কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড রয়েছে ২৭টি। মোট ভোটার ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২ হাজার ৪৪৭। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৫ হাজার ১১৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০৩। ভোট কক্ষ ৬২৮। মোট ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ১৯৮৭ জন।

এই নির্বাচনে মেয়র পদে ৪ জন ও কাউন্সিলর পদে ১৫৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূল লড়াই হচ্ছে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা ও বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর মধ্যে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর