২৪ এপ্রিল ২০১৭
ভোর ৫:৩৮, সোমবার

বাংলাদেশি ৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার নৌ-বাহিনী

বাংলাদেশি ৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার নৌ-বাহিনী 

487

কক্সবাজার, ১০ মার্চ : বাংলাদেশর আট জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের নৌ-বাহিনী। এ সময় জেলেদের ফিশিং ট্রলারটি সাগরে ডুবিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন অপহৃত জেলেদের পরিবার।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমার সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী জেলেরা জানান, বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি এলাকায় বেশ কয়েকটি ফিশিং ট্রলার মাছ শিকার করছিল। হঠাৎ করে মিয়ানমার নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজ এসে তাদের ধাওয়া করে। এসময় ট্রলারগুলো পালিয়ে গেলেও একটি ট্রলারকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয় বার্মা বাহিনী। পরে ট্রলারে থাকা আট জেলেকে তুলে নিয়ে যায় তারা।

অপহৃত জেলেরা হলেন- টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ বাজারপাড়া এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে আব্দু রশিদ মাঝি (৪০), জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত হাসানের ছেলে সৈয়দ করিম (৪০), কোনারপাড়া এলাকার নূরুল আমিনের ছেলে নূর হাসান (২৮), ক্যাম্পপাড়া এলাকার আব্বাসের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ (৫৫), মাঝেরপাড়া এলাকার ফজলুলের ছেলে জামাল হোসেন (৩৭), মিস্ত্রিপাড়া এলাকার মো. কালুর ছেলে দিল মোহাম্মদ (৩৬) ও ডাঙ্গরপাড়া এলাকার জাফরের ছেলে সাদেক (৩৫), একই এলাকার ফজল আহাম্মদের ছেলে জাকের (৫৫)।

ট্রলারটির মালিক আবুল হোসেন মাঝি টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ মাঝের পাড়ার বাসিন্দা। তিনি জানান, ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় আরেকটি ট্রলার নিয়ে সাগরে তল্লাশি চালিয়ে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি খুঁজে বের করা হয়েছে। এখন ওই ট্রলারটি টেনে তীরে আনা হচ্ছে।

টেকনাফস্থ ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ জানান, সাগর থেকে জেলে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শোনার পর দোভাষী দিয়ে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা আট জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষযটি স্বীকার করেছেন। শুক্রবার সকাল ১০টায় তাদের ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মহেশখালীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অস্ত্র ব্যবসায়ী নিহত 

q6raarcd-copy

ঢাকা, ৩ মার্চ : কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় বন্দুকযুদ্ধে এক অস্ত্র ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার সকালের এ ঘটনায় নিহত খুলু মিয়া ওরফে খুইল্যা মিয়া (৫০) একটি অস্ত্র মামলায় ৩০ বছরের পলাতক আসামি।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, উপজেলার হোয়ানক কেরুনতলী গহীন পাহাড়ে কুদাল্যা বাহিনীর আস্তায় একদল সন্ত্রাসী ও অস্ত্রের কারিগর মিলে বিপলু সংখ্যাক অস্ত্র মেরামত ও অস্ত্র পরীক্ষা নিরাক্ষা করছিল।

তিনি জানান, গোপন সংবাদে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবালের নেতৃত্বে বেলা ১১টার দিকে জেলা ও মহেশখালী থাানর বিপুল সংখ্যাক পুলিশ ওই পাহাড়ি আস্তানা ঘিরে ফেলে। এক পর্যায়ে সাড়ে ১১ টার দিকে পাহাড়ের চারদিক থেকে যৌথভাবে অভিযান চালায়।

ওসি জানান, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রের কারিগররা অভিযান টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি করে। উভয় পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী বন্দুক যদ্ধের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক গুলি করা হলে সন্ত্রাসীরা পাহাড়ী পথ দিয়ে গহীন পাহাড়ে চলে গেলেও গুলিবৃদ্ধ অবস্থায় অস্ত্র মামলার ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী বড় মহেশখালীর মাঝের পাড়াএলাকার আজম উল্লাহর ছেলে খুলু মিয়া ওরফ খুইল্যা মিয়াকে (৫০) করা হয়।

তিনি জানান, আহত অস্ত্রের কারিগর ও সন্ত্রাসীদের পাহাড়ি আস্তানা থেকে ১৩টি বন্দুক, ৩২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ২০০ রাউন্ড ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আহত খুইল্যা মিয়াকে মহেশখালী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্য আহত হন।

আহতরা হচ্ছেন এসআই হারুনর রশিদ, এএসআই সঞ্জীব দত্ত, এএসআই মেহেদী হাসান, এএসআই সহিদুল ইসলাম কং-রুবেল শর্মা, কং মিঠুন ভৌমিক ও সবিনয় চাকমা। আহতদের মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

নিহত খুইল্যা মিয়ার বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় অস্ত্র ও হত্যাসহ সাতটি মামলা রয়েছে। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং একটি মামলায় ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত বলে জানান ওসি প্রদীপ কুমার জানান।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার টুটুল বলেন, নিহত অস্ত্রের কারিগরের ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মহেশখালী থানায় মামলার প্রস্তুতি চলেছে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল অভিযান শেষে মহেশখালী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার নেতৃত্বে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ ও মহেশখালী থানা পুলিশ যৌথ ভাবে পাহাড়ে অভিযান চালালে সন্ত্রাসীরা পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অস্ত্রের কারিগর খুইল্যা মিয়া নিহত হয়। তার আস্তানা থেকে বিপুল সংখ্যাক অস্ত্র ও কার্তুজ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ 

কক্সবাজার, ২৫ ফেব্রুয়ারি : পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় কক্সবাজারে পাঁচজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে কক্সবাজার সদর ও চকরিয়া উপজেলায় এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

চকরিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবুল হাশেম জানান, চকরিয়ার হারবাং দয়াল এলাকায় সকাল ৯টার দিকে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই চারজন মারা যান। অপরদিকে কক্সবাজার সদর উপজেলায় মারা যান আরও একজন।

চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার রশিদনগরে এলাকায় পিকআপ দুর্ঘটনায় আহত একজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দু’গ্রুপে গোলাগুলি, নিহত ১ 

555

কক্সবাজার, ১৭ ফেব্রুয়ারি : কক্সবাজারে ইয়াবা ব্যবসায়ী দু’গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। কক্সবাজার শহরের কলাতলী কাটাপাহাড় এলাকায় শুক্রবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম মুসতাক আহম্মদ ওরফে হাজী মফিজ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক তদন্ত বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে দুই সহস্রাধিক পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মায়ানমারের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে বাংলাদেশির মৃত্যু 

03

কক্সবাজার, ৬ ফেব্রুয়ারি : কক্সবাজারের টেকনাফে মায়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির গুলিতে এক বাংলাদেশি জেলের মৃত্যু হয়েছে। গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরো একজন।

টেকনাফ থানার ওসি মো. আবদুল মজিদ জানান, সোমবার ভোরে নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় বাংলাদেশি দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পুলিশ হতাহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি।

ওসি মজিদ বিজিবির বরাতে বলেন, সোমবার ভোরে বাংলাদেশি জেলেরা নাফ নদীতে মাছ ধরছিল। তারা সীমান্ত রেখা অতিক্রম করে মায়ানমারে ঢুকে পড়লে সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি গুলি ছোড়ে।

তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ দুই জেলেকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান।

আহত অপর জেলেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি মজিদ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত 

88

কক্সবাজার, ৪ ফেব্রুয়ারি : কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের হারবাংয়ের ইনানি রিসোর্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত পুলিশ কনস্টেবলের নাম এনামুল হক। তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন বলে জানা যায়।

এনামুলের বাড়ি চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা পৌরসভার স্টেশন বাজার এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মৃত রশিদ আহমদের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম খান বলেন, এনামুল মাইক্রোবাসে করে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে হারবাং এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাস মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যান এনামুল।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কক্সবাজারে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ 

83

কক্সবাজার, ৩ ফেব্রুয়ারি : কক্সবাজারের চকোরিয়ার ভান্ডারি দেবা এলাকায় বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১২ টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

কক্সবাজারের চকোরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জানান, কক্সবাজার থেকে যাওয়ার পথে একটি এসি বাস ও নোহা মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুঘর্টনা ঘটে। এসময় মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হলে আগুন ধরে যায়। এতে অনেকেই আহত হন। পরে এ ঘটনায় নোহা মাইক্রোবাসের চালকসহ তিন জন মারা যান ও অন্য আহতদের চকোরিয়া হাসপাতলে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

হতাহতরা কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন বলে পুলিশ কর্মকর্তা জানান।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

টেকনাফে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার 

33

কক্সবাজার, ১৫ জানুয়ারি : কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার তিন নম্বর স্লুইস গেট এলাকা থেকে এক লাখ ইয়াবাবড়ি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাফ নদী সংলগ্ন ওই এলাকা থেকে সেগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে কাউকে আটক করা যায়নি।

টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু জার আল জাহিদ মোবাইলফোনে পাঠানো খুদে বার্তায় জানান, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান বাংলাদেশে আনার খবর পেয়ে তারা ওই এলাকায় অবস্থান নেন। রাতে সেখানে দুজনকে সন্দেহজনকভাবে হাঁটাচলা করতে দেখা যায়। এরপর সংকেত দেওয়া হয়। এ সময় তারা ব্যাগ ফেলে চলে যায়। ইয়াবাগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কক্সবাজারে অস্ত্রসহ আটক ২ 

32655

কক্সবাজার, ১০ জানুয়ারি : কক্সবাজারের টেকনাফের মুচনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আনসার ব্যারাকের অস্ত্রলুটের ঘটনার অন্যতম হোতা খাইরুল আমিন ও তার সহযোগী আবুল কালাম আজাদকে একটি পিস্তল ও শুটার গানসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭।

সোমবার রাত ১০টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৭) কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. কমান্ডার আশেকুর রহমান জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি চৌকষদল কুতুপালং এলাকায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযান যায়। রাত ১০টার দিকে সহযোগী ও অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় অভিযানকারীরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পাহাড়ে অস্ত্রের কারখানার সন্ধান 

3562

কক্সবাজার, ৪ জানুয়ারি : কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে অস্ত্রের গোপন কারখানার সন্ধ্যান পেয়েছে র‌্যাব। সেখান থেকে বিপুল অস্ত্র, গোলাবারুদসহ অস্ত্র তৈরির ২ কারিগরকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার সকালে বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ২ নম্বার ওয়ার্ড পাহাড়তলীর গভীর জঙ্গলে বিশেষ অভিযানে এ অস্ত্র কারখানার সন্ধায় পায় র‌্যাব-৭ এর একটি দল।

বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান এখনো চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. কমান্ডার আশেক।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

টেকনাফে ২ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ 

2145

কক্সবাজার, ১ জানুয়ারি : কক্সবাজারের টেকনাফে ২ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। শনিবার রাত ১১টায় উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়ার গফুর প্রজেক্ট থেকে এ ইয়াবা জব্দ করা হয়।

বিজিবি-২ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবুজার আল জাহিদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গফুর প্রজেক্টে অভিযানে গিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

ইয়াবাগুলো ধ্বংস করা হবে বলেও জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৮ নৌকাসহ ১৭ রোহিঙ্গাকে ফেরত 

3777

কক্সবাজার, ৩১ ডিসেম্বর : কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী শুন্যরেখা দিয়ে রোহিঙ্গা বোঝাই ৮টি নৌকা ও উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে ১৭ জনকে ফেরত পাঠিয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) সদস্যরা।

আজ শনিবার সকালে এসব রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালালে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

কক্সবাজার বিজিবি জানায়, সীমান্ত অতিক্রম করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১৭ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো হয়। এদের মধ্যে ৫ জন নারী, ৪ জন পুরুষ ও ৮ জন শিশু ছিল। চলতি মাসের শুরু থেকে আজ পযর্ন্ত ৪৩৬ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠায় বিজিবি।

অপরদিকে টেককনাফ বিজিবি জানায়, ভোরে নাফনদী পার হয়ে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে একটি পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গা বোঝাই ৮টি নৌকা স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৩ নৌকাসহ ৭৬ রোহিঙ্গাকে ফেরত 

098

কক্সবাজার, ৩০ ডিসেম্বর : কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর একটি পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের সময় ৩টি নৌকা ও উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ৭৬ জন নারী, পুরুষ ও শিশুদের ফেরত পাঠিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সময়ে নাফ নদীর শূন্যরেখা ও উখিয়া বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে এসব রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, ভোর থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সময়ে উখিয়ার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ৭৬ জন রোহিঙ্গাকে স্বদেশে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি’র সদস্যরা। এরমধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ২৪ জন নারী ও ৩৯ জন শিশু ছিল। এরা প্রত্যেকেই সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছিল।

এ নিয়ে চলতি মাসের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৪০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানান বিজিবি’র ওই কর্মকর্তা।

এদিকে, বিজিবির টেকনাফস্থ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আবুজার আল জাহিদ জানান, নাফনদীর একটি পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গাবাহী ৩টি নৌকা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। এসময় জলসীমার শূন্য রেখায় এদের ফেরত পাঠানো হয়। প্রতিটি নৌকায় ১২ থেকে ১৫ জন রোহিঙ্গা ছিল।

চলতি মাসে এই পর্যন্ত টেকনাফ নাফ নদীর জলসীমানায় অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে রোহিঙ্গাবাহি ২৩১টি নৌকা ফেরত পাঠানো হয় বলে জানান বিজিবি’র ওই কর্মকর্তা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৮ নৌকাসহ ৪৯ রোহিঙ্গা ফেরত 

37

কক্সবাজার, ২৭ ডিসেম্বর : কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর তিনটি পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের সময় ৮টি নৌকা ও উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ৪৯ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।

আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সময়ে নাফ নদীর শূন্যরেখা ও উখিয়া বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে এসব রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানিয়েছেন, ভোর থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সময়ে উখিয়ার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ৪৯জন রোহিঙ্গাকে স্বদেশে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি’র সদস্যরা। এরমধ্যে ১৪জন পুরুষ, ১৫ নারী ও ২০জন শিশু রয়েছে। এরা প্রত্যেকেই সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছিল।

এ নিয়ে চলতি মাসের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২০২জন নারী, পুরুষ ও শিশুদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানান বিজিবি’র ওই কর্মকর্তা।

এদিকে, বিজিবির টেকনাফস্থ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আবুজার আল জাহিদ জানান, নাফনদীর ৩টি পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গাবাহী ৮টি নৌকা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। এসময় জলসীমার শূন্য রেখায় এদের ফেরত পাঠানো হয়। প্রতিটি নৌকায় ১২ থেকে ১৫ জন রোহিঙ্গা ছিল। সে হিসাবে উক্ত নৌকায় ৯৬জন রোহিঙ্গা ছিল বলে ধারণা করছেন বিজিবি’র ওই কর্মকর্তা। এ নিয়ে ডিসেম্বরের এই পর্যন্ত টেকনাফ নাফ নদীর জলসীমানায় অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে রোহিঙ্গাবাহী ২২৮টি নৌকা ফেরত পাঠানো হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রোহিঙ্গাদের ৩৪ নৌকা ফেরত 

08

কক্সবাজার, ২৫ ডিসেম্বর : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতিত হয়ে টেকনাফের নাফ নদীর জলসীমা পেরিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় ৩৪টি নৌকায় করে আসা অর্ধসহস্রাধিক রোহিঙ্গা মুসলমানকে স্বদেশে ফেরত পাঠিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত নাফ নদীর তিনটি পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গাবাহী ওইসব নৌকা বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায়। এসময় তাদের প্রতিহত করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়।

টেকনাফ বিজিবি-২ ব্যাটালিয়নের উপঅধিনায়ক মেজর আবু রাসেল সিদ্দিকী এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের কিছু দল ৩৪টি নৌকায় করে তিনটি পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে।

এসময় নাফ নদীর হোয়াইক্যাং, হ্নীলা ও টেকনাফ পয়েন্টের সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ওইসব নৌকা মিয়ানমারে দিকে ফেরত পাঠায় টহলরত বিজিবি সদস্যরা।

তিনি আরো বলেন, এসব নৌকায় প্রায় অর্ধসহস্রাধিক রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু ছিল।

উলে­খ্য, গত ৯ অক্টোবর রাখাইন রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় মিয়ানমার পুলিশ বাহিনীর ৯ সদস্য নিহত হন। এরপর থেকে ওই রাজ্যে মুসলমান বিরোধী অভিযানে নামে দেশটি সেনাবাহিনী।

নির্যাতনের মুখে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসছে। অনেকেই এরই মধ্যে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। এছাড়া অনেককে ফেরত পাঠানো হয়েছে মিয়ানমারে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর