১৪ ডিসেম্বর ২০১৭
রাত ৯:২২, বৃহস্পতিবার

র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ জলদস্যু নিহত

র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ জলদস্যু নিহত 

25485

নোয়াখালী, ২১ নভেম্বর : নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার বয়রাচরের চতলারঘাট এলাকায় র‍্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। র‍্যাব বলছে, তাদের একজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত জলদস্যু বাহিনীর প্রধান সাইফুল ইসলাম ও অন্যজন তার সহযোগী মো. শফিক।

সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বন্দুকযুদ্ধ হয়। র‍্যাব বলছে, ঘটনাস্থল থেকে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, বেশ কিছু গুলি, ডাকাতির অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী র‍্যাব-১১ এর লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরীর ভাষ্য, কয়েক দিন ধরে মেঘনার বিভিন্ন এলাকায় জলদস্যু সাইফুল বাহিনী কয়েকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে সোমবার রাতে র‍্যাব অভিযান চালায়। টের পেয়ে র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে সাইফুল বাহিনী। র‍্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। ঘটনাস্থল থেকে র‍্যাব দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চরজব্বর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।

র‍্যাব বলছে, সাইফুলকে তারা শনাক্ত করেছে। স্থানীয় কয়েকজন শফিককে শনাক্ত করেছেন। সাইফুলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের ৯টি মামলা রয়েছে বলে র‍্যাব জানিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।-প্রথম আলো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

অপহরণ করতে গিয়ে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু 

212o

নোয়াখালী, ২৫ অক্টোবর : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার সাহাপুর বাজার থেকে মো. এয়াছিন (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় লোকজন। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত এয়াছিন সাহাপুর বাজার থেকে বাবু নামে অন্য এক যুবককে অপহরণের চেষ্টা করার সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে। পরে গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহত এয়াছিন সাহাপুর গ্রামের মৃত মো. মোস্তফার ছেলে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য আজ বুধবার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে এয়াছিন একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা নিয়ে সাহাপুর বাজারে এসে মো. বাবু নামে এক যুবকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ওই যুবক চিৎকার দিলে বাজারের লোকজন এয়াছিনকে ঘেরাও করে ধরে ফেলে। পরে উত্তেজিত লোকজন তাকে (এয়াছিন) স্থানীয় সাহাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে নিয়ে মারধর করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এয়াছিনের মৃত্যুর বিষয়ে তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আনোয়ার এ প্রতিবেদককে বলেন, এয়াছিন সাহাপুর বাজার থেকে এক ছেলেকে সিএনজিতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। ওসি জানান, নিহত এয়াছিন একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ডাকাত। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধের সাত-আটটি মামলা রয়েছে।

হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। সূত্র : প্রথম আলো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নোয়াখালীতে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০ 

598

নোয়াখালী, ১১ অক্টোবর : পেট্রলবোমা হামলার মামলায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে মিছিলকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর মাইজদীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।

আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে শুরু হয়ে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এ সংঘর্ষ চলে।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন চরজব্বর ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক সাফিয়া সুলতানা ও বিএনপিকর্মী ইরফাত। তাঁদের মধ্যে সাফিয়ার হাতে পুলিশের ছোড়া গুলি লাগে।

এ ঘটনায় সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি জসিম উদ্দিন ও জেলা যুবদলের সভাপতি মাহবুব আলমগীর আলোসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ মুহুর্মুহু ফাঁকা গুলি চালায়। অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে।

বিএনপির নেতাকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানের রশিদ কলোনির বাড়ি থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এর আগে বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে শাহজাহানের বাড়িতে জড়ো হতে থাকে। পরে সেখান থেকে একত্র হয়ে মিছিল নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রধান সড়কের দিকে যেতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। এতে উত্তেজিত নেতাকর্মীরা সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেনকে কিল-ঘুষি মারেন। এর পর পুলিশ গুলি চালালে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

ঘটনার পর পরই মাইজদী-সোনাপুর সড়কের দুদিকে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে। ওই সময় বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা গাড়ি ভাঙচুর করেন।

সংঘর্ষের পর পরই পুলিশ সদস্যরা মো. শাহজাহানের বাসায় ঢুকে কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন। বর্তমানে বাড়িটি ঘেরাও করে রেখেছেন আওয়ামী লীগ ও পুলিশ সদস্যরা।

এ ব্যাপারে বিএনপির নেতাকর্মী ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কারো সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নোয়াখালীতে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৩ 

88

নোয়াখালী, ১৪ সেপ্টেম্বর :নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় উভয় গাড়ির কমপক্ষে ৩০ যাত্রী আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে চৌমুহনী-ফেনী সড়কের তিনপুকুরিয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে এ ঘটনার পর ওই সড়কে প্রায় ২ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

সেনবাগ থানার ওসি মো. হারুন অর-রশিদ জানান, নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী ‘রূপসী বাংলা’ পরিবহনটির সঙ্গে ফেনী থেকে লক্ষ্মীপুরগামী মিনিবাসের (যমুনা ক্লাসিক পরিবহনের) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে অজ্ঞাত (২৮) এক যুবক নিহত হয়।

পরে হাসপাতালে নেয়ার পর আরও দুইজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় উভয় গাড়ির ৩০ জন আহত হয়েছে। তাদের সেনবাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নোয়াখালীতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১ 

5

নোয়াখালী, ২৪ আগস্ট : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার নাম মো. আলম (৩২)। বাবার নাম আবুল কাসেম। বাড়ি উপজেলার আমনুল্লাপুরের পার্শ্ববর্তী আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ভীপপুর গ্রামে।

বুধবার রাত ২টার দিকে উপজেলার আমনুল্লাপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণরামপুর এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধ হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, একটি পিস্তল ও বেশ কয়েকটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আলাইয়াপুর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন মানিক বলেন, নিহত আলম ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুর রহমান বলেন, আলমের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্যসহ বিভিন্ন আইনে ১০টি মামলা আছে। গত মঙ্গলবার ভোরে তাকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে নিয়ে বুধবার রাতে অভিযানে যায় পুলিশ। আগে থেকে ওত পেতে থাকা আলমের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। দুই পক্ষের বন্দুকযুদ্ধের মধ্যে সহযোগীদের গুলিতে আলম ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নোয়াখালীতে ‘গরুচোর’ সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ৪ 

5

নোয়াখালী, ১০ আগস্ট : নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরজুবলী ইউনিয়নের উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামে ‘গরুচোর’ সন্দেহে চারজনকে পিটিয়ে হত্যার পর তাদের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানে আগুন দেয় স্থানীয় জনতা। ছবি: স্থানীয়ভাবে মুঠোফোনে ধারণ করানোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ‘গরুচোর’ সন্দেহে গণপিটুনিতে চারজন মারা গেছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চরজুবলী ইউনিয়নের উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আজ বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরের এলাকা থেকে সন্দেহভাজন আরও দুই ব্যক্তিকে আটক করে পিটুনি দেয় স্থানীয় লোকজন। পুলিশ তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

গণপিটুনিতে ‘গরুচোর’ সন্দেহে চার ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সুবর্ণচরের চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন।

ওসি জানান, ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরের এলাকা থেকে সন্দেহভাজন আরও দুই ব্যক্তিকে আটক করে পিটুনি দেয় স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তাদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। হতাহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয়ের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিজাম উদ্দিনের ভাষ্য, গতকাল রাত আড়াইটার দিকে একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি চরজুবলীর উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামে ঢুকলে লোকজন চারদিক থেকে তাদের ঘেরাও করে। এ সময় পিকআপ থেকে নেমে তারা পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাদের পিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়।

স্থানীয় এক স্কুলশিক্ষক জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কয়েক দিন ধরেই সুবর্ণচরের বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরি বেড়ে গেছে। তিন দিন আগেও চরজুবলী থেকে সাতটি ও চরজব্বর এলাকা থেকে পাঁচটি গরু চুরি হয়। সংঘবদ্ধ চোরেরা পিকআপ ভ্যান নিয়ে রাতের অন্ধকারে এসে গরু চুরি করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামে গ্রামে লোকজন পাহারা বসিয়েছে।

ওই শিক্ষক আরও জানান, গতকাল রাত আড়াইটার দিকে চরজুবলীর সোয়েটার ফ্যাক্টরিসংলগ্ন সোনাপুর-স্টিমারঘাট সড়ক থেকে একটি পিকআপ ভ্যানকে গ্রামে ঢুকতে দেখা যায়। এ সময় সেখানে পাহারারত লোকজন অন্যদের ঘটনাটি জানিয়ে দেয়। তারা উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামের জব্বর আলী পণ্ডিতের দোকানের সামনের কালভার্টের ওপর গাছের গুঁড়ি ফেলে ব্যারিকেড দেয়। পিকআপ ভ্যানটি সেখানে গিয়ে আটকে যায়।

স্থানীয় সূত্র থেকে আরও জানা যায়, চারদিক থেকে লোকজন আসতে দেখে পিকআপে থাকা ব্যক্তিরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ছয়জনের মধ্যে তিনজন পালিয়ে যায়। অন্য তিনজনকে উত্তেজিত জনতা ‘গরুচোর সন্দেহে’ গণপিটুনি দেয়। ঘটনাস্থলে তিনজন মারা যায়। পরে ভোরের দিকে গ্রামের একটি ‘কাছারিঘরে’ লুকিয়ে থাকা আরও এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিলে সেও মারা যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরের এলাকা থেকে আরও অপরিচিত দুজনকে আটক করে চোর সন্দেহে পিটুনি দেওয়া হয়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ক্ষুব্ধ লোকজন ওই একটি পিকআপ ভ্যান ভাঙচুরের পর পুড়িয়ে দেয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

খাদ্যে বিষক্রিয়ায় নার্সিং ট্রেনিং সেন্টারের ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ 

88

নোয়াখালী, ৯ আগস্ট : খাবারে বিষক্রিয়ায় নোয়াখালী জেলা শহরে অবস্থিত নার্সিং ট্রেনিং সেন্টারের প্রথম বর্ষের ৩০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

বুধবার সকালে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন- দিলরুবা, সুমী, মুন্নী, তামান্না, মেরী নাজমীন, সুমীসহ ৩০জন। এদের প্রত্যেকের বয়স ১৯ বছর।

সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে নার্স প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর পেট ব্যাথা ও বমি শুরু হয়। বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ অসুস্থের সংখ্যা বাড়তে থাকে। পরে অসুস্থ অবস্থায় ৩০ শিক্ষার্থীকে দ্রুত উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আজিম জানান, এ পর্যন্ত ৩০জন অসুস্থ শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকাজনক ছিল। তবে বর্তমানে তাদের অবস্থা উন্নতির দিকে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার দুপুর বা রাতে কোনো খাবারে সমস্যা থাকার কারণে তাদের পেটে সমস্যা/ডায়রিয়া দেখা দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নোয়াখালী নার্স ট্রেনিং সেন্টারের প্রধান বেবি সুলতানা জানান, অসুস্থ শিক্ষার্থীদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কি খেয়ে তারা অসুস্থ হয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হাতিয়ায় ১০ গ্রাম প্লাবিত, মেঘনায় ৬ জেলে নিখোঁজ 

1497212612_89

নোয়াখালী, ১২ জুন :  নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় অস্বাভাবিক জোয়ারে ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকা ডুবে ছয় জেলে নিখোঁজ হয়েছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার রেজাউল করিম জানান, সকালে মেঘনা নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট উচ্চতায় জোয়ারের পানি প্রবাহিত হয়। এ সময় বেড়ির ভাঙ্গা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে তমরদ্দি, চর ঈশ্বর ও জাহাজমারা ইউনিয়নের ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়। রাতের জোয়ারে পরিস্থিতির অবনতির ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেন তিনি।

ইউএনও জানান, বিকেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে ফিরে আসার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে দমার চরের কাছে ১৫ জন জেলে ও মাঝি মাল্লাসহ একটি ইঞ্চিন চালিত নৌকা ডুবে যায়। ৯ জেলে ফিরে আসলেও বাকি ছয় জনের সন্ধান মিলছে না।

নৌকার মালিক ইউনিয়নের আবদুল ওহাব জানান, নিখোঁজ জেলেরা হলেন- হোরন, রুবেল, এনায়েত, সুফিয়ান, জহির ও আলমগীর। শনিবার সকালে স্থানীয় কাদিরার ঘাট থেকে নৌকা নিয়ে তারা মাছ ধরতে বের হয় বলে জানান তিনি।

জেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির উপ পরিচালক মো. সরাফৎ হোসেন খান জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ভারি মেঘমাল্লার কারণে তিন নম্বর সংকেত জারি করে মাছ ধরা ট্রলার ও নৌকাকে উপকূলে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হাতিয়ায় রুহুল আমিন কোম্পানীকে কুপিয়ে জখম 

27

তাজুল ইসলাম তছলিম, হাতিয়া (নোয়াখালী), ৮ এপ্রিল : হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া চরচেঙ্গা বাজার বণিক সমিতির সেক্রেটারী রুহুল আমিন (৭০) প্রকাশ রুহুল আমিন কোম্পানীকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। ৮ এপ্রিল (শনিবার) রাত ৮টার দিকে সোনাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ইউপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, রুহুল আমিন কোম্পানী এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে স্থানীয় চরচেঙ্গা বাজার জামে মসজিদে যাওয়ার পথিমধ্যে সোনাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে একদল সন্ত্রাসী রুহুল আমিন কোম্পানীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। সোনাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মালেশিয়ার সাথে রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবিরোধকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানান আহতের ছেলে নুরুন নবী।

তিনি জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের প্রকাশ্য উপস্থিতিতে ইউপি কার্যালয়ের সামনে রাস্তায় ওঁৎপেতে থাকা সন্ত্রাসী সদু নিজাম, আবদুল বাতেন, খলিল, হাবিব উল্যাহসহ একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রুহুল আমিন কোম্পানীর হাত, পা, মাথা, পিঠসহ সমস্ত শরীরে এলোপাতাড়ী কুপিয়ে জখম করে। সন্ত্রাসীরা তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। পরে উপস্থিত এলাকার লোকজনের সহায়তায় তাকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার বিমান চন্দ্র আচার্য্য জানান, আহত রুহুল আমিন কোম্পানীর শরীরে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তিনি বর্তমানে শকে আছেন। জরুরী ভিত্তিতে তাকে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে হাতিয়ার বাইরে নেওয়ার দরকার।

হাতিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আবদুল মজিদ জানান, ঘটনাটি হাতিয়া থানা অবগত হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশের দুইটি টিম মোতায়েন রয়েছে।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবিরোধকে কেন্দ্র করে রুহুল আমিন কোম্পানী গত এক বছরে বারবার হামলার শিকার হচ্ছেন। সন্ত্রাসীরা তার মাছের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ নিধনসহ সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আ’লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা 

55

নোয়াখালী, ৫ মার্চ : নোয়াখালী সদর উপজেলায় আবুল হোসেন (৪২) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

তিনি সদর উপজেলার আন্ধারচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পূর্ব মাইরচরা গ্রামের আবু সাঈদের পুত্র।

শনিবার দিনগত রাত পৌনে ১২টার দিকে নিজবাড়ির আঙ্গিনায় দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, শনিবার রাতে স্থানীয় বাংলা বাজার থেকে আবুল হোসেন বাড়ি ফিরছিল। বাড়ি আঙ্গিনায় তার নিজ ঘরের দরজার সামনে আসা মাত্র তাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।

গুলির শব্দ এবং তার চিৎকার শুনে স্বজন ও আশেপাশের লোকজন ছুটে আসার আগেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

নিহতের ছোট ভাই পল্লী চিকিৎসক রাশেদ হোসেনের অভিযোগ দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

সুধারাম মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তবে হত্যার কারণ ও দোষীদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন আয়েশা ফেরদৌস 

তাজুল ইসলাম তছলিম, হাতিয়া (নোয়াখালী), ২৭ ফেব্রুয়ারি : নোয়াখালীর ঠেঙ্গার চরে বেড়িবাঁধ ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র সহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়া জনবসতি স্থাপন সম্ভব নয় বলে মনে করেন স্থানীয়রা। দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার দুর্গম এই চরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের পর তাদের জীবীকায়নের ব্যবস্থা করারর পাশাপাশি সরকার সেখানকার আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে ব্যবস্থা নিলে এটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস ।

নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মুল ভূখন্ড থেকে নদীপথে ১৫ কিলোমিটার দূরে ঠেঙ্গার চরের অবস্থান। স্থানীয় জেলেদের তথ্য অনুযায়ী ১৫-২০ বছর আগে মেঘনার বুকে জেড়ে ওঠে এই চর। এই চরের নাম প্রথমে জাইল্লার চর (জেলের চর) এরপর কেম্বার চর (কাঁকড়ার চর) এবং সর্বশেষ ঠেঙ্গার চর হয়। প্রায় ১০ হাজার একর আয়তনের এই চরে ২০১০-১১ সাল থেকে সরকারিভাবে বনায়ন শুরু হয়। হাতিয়া, সন্ধীপ ও ঢালচর চরের জেলেরা এই চরের আশপাশে নদীতে মাছ শিকার করে এবং চরে এসে বিশ্রাম নেয়। এছাড়া চরের তৃণভূমিতে মহিষ দেখা যায়। তবে, অনুকূল পরিবেশ না থাকায় জনবসতি গড়ে উঠেনি এই চরে। বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারে পানি প্রবেশ করে।

রোহিঙ্গাদের এই চরে এনে পুনর্বাসন করার আগে বেড়িবাঁধ, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্যে পুলিশ ক্যাম্প করা দরকার বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

ঠেঙ্গার চরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের বিষয়ে সকারের সিদ্ধান্তকে নীতিবাচাক দৃষ্টিতে দেখতে নারাজ হাতিয়ার সংসদ সদস্য আয়শা ফেরদৗস। তিনি বলেন, চরে জীবীকায়নের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও পুলিশ ক্যাম্প করে রোহিঙ্গাদেরকে পুনর্বাসন করা হলে তারা অপরাধের পথ থেকে ফিরে আসবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, বোমা বিষ্ফোরণ, আহত ১০ 

নোয়াখালী, ৩০ ডিসেম্বর : নোয়াখালীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জেলা বিএনপির সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন পণ্ড হয়ে গেছে। এ সময় শহরের বিভিন্ন স্থানে দুই পক্ষের ব্যাপক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হাতবোমা বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আজ বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে ৫ জনকে জেলা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, বিকেল চারটার দিকে নোয়াখালী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা বিএনপির সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদের বক্তব্য চলাকালে সভাপ্রতি প্রার্থী হারুনুর রশিদ আজাদ ও মাহবুব আলমগীর আলোর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এর এক পর্যায়ে উভয় উক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখে অতিথিরা মঞ্চ ত্যাগ করেন। এক পর্যায়ে দুই পক্ষ শহরের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে এবং ভাংচুর ও হাতবোমা বিষ্ফোরণ ঘটায়।

এ ব্যাপারে সুধারাম থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে শহরের অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ শিল্পকলা একাডেমির সামনে সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিল অধিবেশন স্থগিত গোষণা করেন। এসময় তিনি সম্মেলনে গোলযোগের কথা স্বীকার করে বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল তাই সম্মেলনে এই ধরণের পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নোবিপ্রবির হলে ভাংচুর, ৬ ছাত্র সাময়িক বহিষ্কার 

নোয়াখালী, ১৮ ডিসেম্বর : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি ভঙ্গ করে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় ৬ ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শনিবার রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. এম ওহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে শিক্ষকদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন, ফার্মেসি বিভাগের শেষ পর্বের আবদুল হামিদ বাপ্পি, ইংরেজি তৃতীয় বর্ষের নাসির আহমেদ, ফুড ও টেকনোলোজির তৃতীয় বর্ষের সাইফুল ইসলাম রুপি, ইংরেজি তৃতীয় বর্ষের সাজ্জাদ শিহাব, আই সি ই দ্বিতীয় বর্ষের জাহিদুল হাসান নাঈম ও অর্থনীতি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র নাসির হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হলের প্রভোস্ট মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও কমিটি গঠন ও  আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের বিপ্লব ও রানা গ্রুপেরে মধ্যে শনিবার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়াসহ সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে ভাংচুর করা হয়। সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এর আগে বিজয় দিবসে শহীদ বেদীতে ফুল দেয়ার পর খাওয়া বন্টন নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নোবিপ্রবির রিজন বোর্ড ২০ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৮ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতিমুক্ত। কিন্তু হঠাৎ বিধি লঙ্ঘন করে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রাজনীতির নামে কিছু ছাত্র ও বহিরাগতরা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় শনিবার সংঘর্ষের মতো ঘটনা ঘটেছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভিসিসহ কিছু শিক্ষকের প্রশ্রয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ছাত্রলীগ রাজনীতি শুরু করেছে। আর এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এমন হামলা-ভাংচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার সংঘর্ষের পর প্রশাসনিক প্রক্টোর মুশফিকুর রহমান যুগান্তরকে জানান, কমিটি গঠন ও আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে ছাত্রলীগের বিপ্লব ও রানা গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। আহতরা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নোয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার 

ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর : নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মাসুদকে (৩০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১ লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার রাতে জিরো পয়েন্টের সিএনজি স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মাসুদুর রহমান মাসুদ (৩০) সদর উপজেলার পশ্চিম চর উরিয়ায় বেলাল হোসেনের ছেলে।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মাসুদুর রহমান মাসুদ জিজ্ঞাসাবাদে দীর্ঘদিন যাবৎ পলাতক অবস্থায় আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেছে। আসামিকে সুধারাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বেগমগঞ্জে সিএনজিচালককে গুলি করে হত্যা 

55

নোয়াখালী, ১৩ নভেম্বর : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় জুয়েল (৩২) নামে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী-লক্ষ্মীপুর সড়কের হলবানপুল (পাহলোয়ানপুল) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, জুয়েল রাতে সড়কে ডাকাতি করা অবস্থায় ডকাতদের দেখে ফেলায় তারা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে। তবে তার সিএনজিটি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানায় পুলিশ।

বেগমগঞ্জ থানার ওসি সৈয়দ সাজ্জাদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর