২৩ মে ২০১৭
রাত ১:২৯, মঙ্গলবার

রাঙামাটিতে ৩দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন

রাঙামাটিতে ৩দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন 

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ২২ মে : ৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে রাঙামাটিতে জেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান মেলা শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসাইন সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ৩দিন ব্যাপী মেলার উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান। ২২ই মে ৫টায় জেলা প্রশাসনের মাঠে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্ধোধন করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্ধোধন কালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান বলেছেন, বর্তমান সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ, দেশ এখন ডিজিটালাইজ হয়েছে। এর সাথে সাথে দেশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ডিজিটালের মাধ্যমে বিজ্ঞান বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ড হাতের মুঠে চলে এসেছে। আগে বৈজ্ঞানিকেরা গবেষনা করতে গিয়ে অনেক হিমশিম খেতে হতো। দেশ এখন ডিজিটাল হওয়ার কারনে তা একে বারে সহজ হয়ে গেছে। দেশ যেমনি ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তেমনি ভাবে বিজ্ঞান ভিত্তিক দেশ গড়ে তুলছে সরকার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত সিনিয়র পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো.জাহাঙ্গীর আলম, ডেপুটি নেজারত কালেক্টর মো.ফারুক সুফিয়ান, রাঙামাটি পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ তাছাদ্দিক হোসেন কবির, রাণীদয়াময়ী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিক ও মোজাদ্দে-দ ই আল ফেসানীর অধ্যক্ষ নুরুল আলম পাটোয়ারিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মেলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের নিয়ে প্রায় ২৫-৩০টি বিজ্ঞান ভিত্তিক স্টল বসানো হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কাপ্তাইয়ে কিশোরীর বিষপানে আত্মহত্যা 

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ২২ মে : কাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র সেগুন টিলার জাকির হোসেনের মেয়ে জোসনা বেগম(১৮) পারিবারিক কোলহের জের ধরে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।

জানা যায়, জোসনা বেগম রোববার রাতে ঘরের মধ্যে রাখা কিটনাশক পান করে। এক পর্যায়ে বিষক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চন্দ্রঘোনা মিশন হাসপাতালে নেওয়া হলে ওই রাতেই মারা যায়।

এ ব্যাপারে কাপ্তাই ইউপি সদস্য মো. আব্দুল আহাদ সেলিমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে মারা গেছে শুনা যায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাঙামাটি নার্সিং ইনষ্টিটিউটে ক্লাস শুরু 

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ২২ মে : শিক্ষার্থী নার্সের মৃত্যুর ঘটনা কেন্দ্র করে এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর রোববার থেকে খুলে দেয়া হয়েছে রাঙামাটি নার্সিং ইনষ্টিটিউট। ইনিষ্টিটিউটের শিক্ষার্থী নার্সরা তাদের হলে ফিরে সকাল থেকে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

গত ১০ মে ভোর রাতে মস্তিস্ক রক্তক্ষরণ হয়ে মাহমুদা খাতুন নামে এক শিক্ষার্থী নার্সের মৃত্যুর ঘটনায় হলের অন্যান্য শিক্ষার্থী নার্সরা অসুস্থ হয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ ১৪ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত এক সপ্তাহের জন্য ইনষ্টিটিউট বন্ধ ঘোষনা করে।

রোববার সকালে নার্সিং ইনিষ্টিটিউট খোলার পর সিভিল সার্জন ডা: শহীদ তালুকদার শিক্ষার্থীদের হল ও ক্লাস পরিদর্শন করেন। এ সময় ইনিষ্টিটিউটের ইনচার্জ রীতা রানী বড়ুয়া সহ ইনিষ্টিটিউটের ইন্সেটেক্টর গণ উপস্থিত ছিলেন। সিভিল সার্জন জানান গতকাল থেকে শিক্ষার্থী নার্সরা রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসাপাতালের কাজে যোগ দিবেন বলে ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কাপ্তাই উপজেলা পরিদর্শনে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক 

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ২২ মে : সরেজমিনে কাপ্তাই উপজেলা পরিদর্শনে গিয়ে গণশুনানীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়নমূলক প্রকল্প তদারকি করেছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান। রোববার তিনি কাপ্তাই উপজেলায় পরিদর্শনে গিয়ে জনগণের দুঃখ দুর্দশাসহ তাদের বিভিন্ন অভিযোগ সম্পর্কে অবহিত হতে গণশুনানীতে অংশগ্রহণ করেন।

গণশুনানীতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ তাদের অভাব অভিযোগ তুলে ধরলে জেলা প্রশাসক তা মনযোগ দিয়ে শ্রবণ করার পর কিছু সমস্যা তাৎক্ষনিকভাবে সমাধানের নির্দেশ দেন এবং কিছু সমস্যার বিষয়ে আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে তিনি ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন। সফরকালে জেলা প্রশাসক কাপ্তাই থানা ও কাপ্তাই পেপার মিল পরিদর্শন করেন।

এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল আলম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুন নাহার বেগম, প্রাক্তন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাঙামাটিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল 

3

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ২১ মে : গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে পুলিশী তল্লাসির প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি নেতা কর্মীরা। রোববার সকাল ১১টায় দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ বাঁধা দেয়।

পরে পুলিশী ঘেরাও এর মধ্যে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাজী শাহ আলম, সাধারন সম্পাদক দীপন তালুকদার দীপু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনির, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু সাদাৎ সায়েম, জেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল, সদর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুনসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

এসময় বক্তারা বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রমান করেছে দেশে গনতন্ত্র নেই, দেশে বাক স্বাধীনতা আজ অবরুদ্ধ। খালেদা জিয়া তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অথচ তার কার্যালয়ে সকাল ভোরে কেন অভিযান চালানো হলো জাতি জানতে চায়? বিএনপিকে ধব্বংস সরকার দেশে বাকশাল কায়েম করতে চায়।

বক্তারা আগামী নির্বাচনের জন্য বিএনপি নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করে বিএনপি নির্বাচনে যাবে, আর সেই নির্বাচনে বিএনপি জিতবে এবং ক্ষমতায় যাবে। এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে দেশবাসী আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এই সরকারের হাতে বিএনপির হাজার হাজার নেতা কর্মী নিপীড়িত, নির্যাতিত হয়েছে, মারা গেছে, বিনা দোষে আটক রয়েছে কারাগারে তাই আর সহ্য নয় এবার থেকে প্রতিটি অন্যায়ের জবাব দেয়া হবে রাজপথে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধালীগ পরিচিতি সভা 

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ২০ মে : আনন্দ ঘন পরিবেশে ও অনাড়াম্বর ভাবে গত ১৯ মে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধালীগ রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা কমিটির পরিচিতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পৃষ্ঠ পোষকতায় এবং রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির অনুমোদন প্রাপ্ত হলে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট রাঙ্গামাটি উপজেলা কমিটির এই পরিচিতি সভা রাঙ্গামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা ও নব গঠিত কমিটির সভাপতি সুনীল কান্তি পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা কমিটির বিশিষ্ট নেতা আবদুল শুক্কুর তালুকদার। এই সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন-মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল কাদের সিদ্দিকি, শরীফ উল্লাহ হক, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা স্বপন কুমার দে, সিরাজ উদ্দিন, রায় মোহন ঘোষ, আবদুল জলীল মাষ্টার ও আবদুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি ও মুক্তিযোদ্ধা আবদুল শুক্কুর তালুকদার পরিচিতি সভায় সহযোগী মুক্তিযোদ্ধার উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখা কালে তিনি বলেন-সহযোগী মুক্তিযোদ্ধার অবদান সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী মুক্তিযোদ্ধার চেয়ে কম নয়। কেননা বাংলাদেশ স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা চলাকালে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে গোপনে আশ্রয়, খাবার, চিকিৎসা, তথ্য প্রধান ও পাক-সেনাদের আস্তানা অবস্থান সহ নানা দিকে সাহায্য করেছে এই স্থানের নারী পুরুষগণ। কাজেই তাদের অবদান না থাকলে মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীকে হটানো খুব কষ্ট কর হতো বিষয়টি এবেবারে বাস্তব তাই যাদের সহযোগিতায় দেশের স্বাধীনতা অর্জনে সহজ হয়েছে তাদের মুল্যায়ন করতে সরকার প্রত্যাশিত। শুধু তা নয় মুক্তিযোদ্ধের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নিজের পৃষ্ট পোষকতায় মুক্তিযোদ্ধে শহীদ পরিবার, মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও সহযোগী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রজম্ম নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ গঠন করেছে। মুক্তিযোদ্ধের যে সব সুযোগ সুবিধা প্রত্যাশাহীন সুযোগ সুবিধা বর্তমান সরকার দিয়েছে, তেমনি একদিন সহযোগী মুক্তিযোদ্ধারাও পাবেন পেতে পারেন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার সরকারকে সার্বিক সহযোগীতা দিয়ে বাচিয়ে রাখতে হবে। আসুন সকলে কুচক্রী মহলের কথায় কান না দিয়ে এবং নিজেকে সাবধান রেখে নৌকা প্রতিকের পতাকাতলে এক যুগে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাই। পাশাপাশি ক্ষুদা ও দারিদ্র ও বেকার মুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ি। তাহলেই মুক্তিযোদ্ধা লীগ জেগে থাকা সম্ভব হবে।

স্বপন কুমার দে তার বক্তব্যে বলেছেন মুক্তিযোদ্ধাদেরকে দেখিয়ে দিতে হবে-বর্তমান প্রজন্মকে কি ভাবে দেশ প্রেম হতে হয় নতুবা কিছু কুচক্রী মহলের ইশারাতে বর্তমান প্রজন্মের সন্তানেরা বিপথে চলবে।

সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেছেন মুক্তিযুদ্ধার অবদান বিশাল। যখন তাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে বিভিন্ন স্মৃতি ফলকে দেখা যায় তখন আমাদের গর্ভ হয়। প্রশ্ন জাগে আমরা কাদের প্রজন্ম। তাই আসুন বিপথে নয় সকলে দেশ প্রেমে আবদ্ধ হয়।

সভার সভাপতি সুনীল কান্তি পাল তার সমাপনী বক্তব্য বলেন এই সংগঠনের মাধ্যমে আমরা আলোর পথে এসেছি। বর্তমান সরকার জনগনের উন্নয়ন ও কল্যানের জন্য গনবান্ধব সরকার বলা যেতে পারে তাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে দেশকে আলোকিত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার উদাত্ত আহবান রইল।

পরিচিতি সভার প্রারম্ভে শহীদ পরিবার, আত্মত্যাগী মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মঙ্গল কামনা করে উপস্থিত সকলে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছে। অনুমোদন প্রাপ্ত ও ঘোষনা কৃত ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সুনীল কান্তি পাল সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক হিসেবে তপন কান্তি দে রয়েছেন তিনি পরিচিতি সভার সার্বিক উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাঙামাটিতে কিশোর-কিশোরী সম্মেলন অনুষ্ঠিত 

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ২০ মে : রাঙামাটি জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বার্ষিক কিশোর কিশোরী সম্মেলন শুক্রবার রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন।

জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য মনোয়ারা জসিম,মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ পরিচালক শাহিন আরা বেগম সহ বিভিন্ন কিশোর-কিশোরী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ বক্তব্য রাখেন।

এর আগে কিশোর কিশোরীদের অংশগ্রহণে রাঙামাটি শহরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাঙামাটিতে ট্রাক্টটরের চাপায় হেলপারের মৃত্যু 

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ১৮ মে : রাঙামাটি সদরের কুতুকছড়ি আবাসিক এলাকায় ট্রাক্টটরের চাপায় হেলপার মো. সোহেল (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মো. সোহেল খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার চেংড়াছড়ি এলাকার ওয়াহাব আলীর ছেলে।

এদিকে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাগড়াছড়ি জেলা থেকে একটি ট্রাক্টটর রাঙামাটির কুতুকছড়ি এলাকায় বিদ্যুৎ প্রকল্প কাজে আসার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাঠ ভর্তি ট্রাককে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় কুতুকছড়ির আবাসিক এলাকার একটি গভীর খাদে পড়ে গেলে ট্রাক্টটরটির ভিতরে থাকা হেলাপার সোহেল ট্রাক্টটরের চাপায় ঘটনাস্থলে মারা যায়।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে রাঙামাটিতে কর্মশালা 

12

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ১৮ মে : এগ্রোবেজড ফুড, ফার্নিচার, ট্যুরিজম এবং হসপিটালিটি বিষয়ে রাঙামাটিতে ২ দিনব্যপী দক্ষ কারিগর/ ওস্তাদদের রিফ্রেসার্স ট্রেনিং শুরু হয়েছে। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ স্কীল ফর এম্পয়েমেন্ট প্রডাক্টিভিটি (বি-সেফ) প্রজেক্ট আইএলও ঢাকা-র অর্থায়নে এবং স্থানীয় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র ও প্রোগ্রেসিভ এর সহযোগিতায় বুধবার সকালে পরিষদের সভাকক্ষে এ রিফ্রেসার্স ট্রেনিং শুরু হয়।  জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা এ রিফ্রেসার্স ট্রেনিংটি উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনকালে চেয়ারম্যান বলেন, প্রশিক্ষিত জনশক্তি যেকোন জাতির সম্পদ। আইএলও পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন ট্রেডের যেসমস্ত ওস্তাদ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন তাদের কাজের মূল্যায়ন এবং ভুল-ভ্রান্তি সংশোধন করে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য এ রিফ্রেসার্স ট্রেনিং এর আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার এ প্রচেষ্টায় সকলকে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানান। সভায় আইএলও’র কনসালটেন্ট আবদুল জলিল এবং আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তা সুখেশ্বর চাকমা বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, দুদিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পরিচালনা করবেন আইএলও’র কনসালটেন্ট ফিরোজ আহমেদ মোল্লা এবং কনসালটেন্ট আবদুল জলিল। ১৭ হতে ১৮ মে পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সর্বমোট ৮০জন প্রধান বা ওস্তাদ অংশগ্রহণ করবেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র এবং প্রোগ্রেসিভ এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহযোগি সংগঠন হিসাবে কাজ করছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আইন শৃঙ্খলা সভায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি 

55

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ১৭ মে : বুধবার রাঙামাটি জেলার বিশেষ শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রাঙামাটি থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আলোচকরা। এছাড়া কাপ্তাই লেককে দুষণ ও দখলমুক্ত রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে লেকের সৌন্দর্য্য রক্ষা করার দাবি জানানো হয়। আইন শৃঙ্খলা সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, কাপ্তাই লেক দেশের সম্পদ সম্মিলিতভাবে এক আমাদের রক্ষা করতে হবে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি জানান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার একটি চলমান প্রক্রিয়া গোয়েন্দা সংস্থা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী একাজটি করছে তবে কারো কাছে কোন তথ্য থাকলে তিনি আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে জানাতে অনুরোধ করেন।

জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নানের সভাপতিত্বেআইন শৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার রহুল আমিন, বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মনিরুজ্জামান ছিলেন বিশেষ অতিথি। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় বিজিবির পারিচালক, রাঙামাটির পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, জোন কমান্ডার লেঃকর্ণেল রেদোয়ান, সিভিল সার্জন ডাঃ শহীদ তালুকদার, পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক হাজী মোঃ মূছা মাতব্বর, জেলা পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, মানবাধিকার কমিশনের সদস্য অধ্যাপিকা বাঞ্চিতা চাকমা সহ জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, পেশাজীবি মহলের প্রতিনিধি বৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

রাঙামাটি জেলা আইন শৃংখলা কমিটির বিশেষ সভায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিমণার মোঃ রুহুল আমিন বলেছেন বাংলাদেশের মাটিতে জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ কিংবা মৌলবাদের কোন স্থান নেই । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার শক্ত হাতে উগ্রজঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে প্রশংসিত হয়েছেন । জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং মৌলবাদের বিরুদ্ধে সকলকে সমন্বিত ভাবে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখতে হবে।

সভায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলার সার্বিক আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে বক্তারা জানান। মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে অপরাধ চিত্র কমে আসায় সভায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়।

সভায় মাদক দ্রব্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযানে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রাখা হবে এবং এই ক্ষেত্রে কাউকে রেহাই দেয়া হবে না বলে সভায় জানানো হয়। সভায় রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে বিভিন্ন অংশের সড়কে পুলিশী টহল বৃদ্ধি সহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কার্যক্রম জোরালো করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঝুলন্ত সেতু-সিম্বল অব রাঙ্গামা‌টি 

55-2

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ১৭ মে : রাঙ্গামাটি শহরের প্রধান আকর্ষন হলো ঝুলন্ত সেতু। সাধারণত রাঙামাটি গিয়ে এই ঝুলন্ত সেতুটি না দেখে কেউ ফেরত আসেন না। রাঙামাটি শহরের শেষপ্রান্তে কাপ্তাই লেকের একাংশে ৩৩৫ ফুট লম্বা এই ব্রিজটি পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষনীয় স্পট। এ সেতুকে বলা হয় ‘Symbol of Rangamati’। নয়নাভিরাম বহুরঙা এই ঝুলন্ত সেতুটি দুইটি বিচ্ছিন্ন পাহাড়ের মধ্যে গড়ে দিয়েছে হৃদ্দিক সম্পর্ক। সেতুটি পারাপারের সময় সৃষ্ট কাঁপুনি আপনাকে এনে দেবে ভিন্ন দ্যোতনা। এখানে দাঁড়িয়েই কাপ্তাই হ্রদের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করতে পারবেন। কাপ্তাই হ্রদের সৌন্দর্যে আপনি মুগ্ধ হতে বাধ্য। ওপারেই রয়েছে আদিবাসী গ্রাম। ইচ্ছে হলেই দেখতে পাবেন আদিবাসী জীবনযাপনের ক্ষয়িষ্ণু চালচিত্র।

এটি দেখতে হলে পর্যটন কর্পোরেশনকে দিতে হবে পাঁচ টাকা। এছাড়াও এখানে আছে সময় কাটানোর অনেক উপকরণ। আছে অডিটোরিয়াম, পার্ক, পিকনিক স্পট, স্পিড বোট ও দেশীয় নৌ-যান।

কখন বেড়াতে যাবেন
শীত মৌসুম হলো পাহাড় আর অরণ্যের শহর রাঙামাটিতে বেড়ানোর শ্রেষ্ঠ সময়। বর্ষাকালে অনেকটা সময় ব্রিজটি পানির নীচে ডুবে থাকে।

ঝুলন্ত সেতু কিভাবে যাবেন
ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন স্থান হতে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত সরাসরি বাস সার্ভিস চালু রয়েছে। ঢাকা হতে বেশ কয়েকটি বাস প্রতিদিন ছেড়ে যায় রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে। শ্যামলী, সায়েদাবাদ, কলাবাগান হতে প্রতিদিনই গ্রীনলাইন, এস.আলম (ফকিরাপুল কাউণ্টার, ফোনঃ ০২-৯৩৩১৮৬৪), হানিফ (সায়েদাবাদ কাউণ্টার, ফোনঃ ০১১৯১১২৫০৪৮; গাবতলি কাউণ্টার, ফোনঃ ০১১৯০৮০৬৪৪৭), শ্যামলী (সায়েদাবাদ কাউণ্টার, ফোনঃ ০২-৭৫৪১০১৯; আরামবাগ কাউণ্টার, ফোনঃ ০২-৭১৯৩৯১০;

ফকিরাপুল কাউণ্টার, ফোনঃ ০২-৯৩৩৩৬৪), ইউনিক বাসগুলো ছাড়ে। এগুলোর মাধ্যমে সরাসরি চলে যেতে পারেন রাঙ্গামাটি। রাঙ্গামাটি পৌঁছতে সময় লাগে ৭/৮ ঘন্টা।

অথবা ঢাকা বা অন্য জেলা হতে বাস, ট্রেনে কিংবা বিমানে করে যেতে পারেন চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম হতে অনেকগুলো বিলাশবহুল ও লোকাল বাস সার্ভিস রয়েছে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত। চট্টগ্রাম অক্সিজেন থেকে সরাসরি বিরতিহীন বাসে রাঙ্গামাটি পেীঁছতে সময় লাগে মাত্র ২ ঘন্টা। চট্টগ্রাম থেকে এস আলম ও পাহাড়ীকা বাস ছাড়ে। যাত্রী ভাড়া ১৩০/ টাকা।

রাঙ্গামাটি শহরের তবলছড়ি হয়ে সড়ক পথে সরাসরি ঝুলন্ত সেতু যাওয়া যায়। এখানে গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা রয়েছে। যারা ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে বাসে করে আসবেন তাদের তবলছড়িতে নেমে অটোরিক্সা রিজার্ভ ভাড়া করে যেতে হবে।

রাঙ্গামাটি কোথায় থাকবেনঃ
বাস থেকে নেমে এবার থাকার পালা। রাঙ্গামাটিতে পুরাতন বাস স্ট্যন্ড ও রিজার্ভ বাজার এলাকায় বেশকিছু হোটেল আছে। তবে হোটেলে ওঠার আগে যদি একটু বিবেচনা করে নিবেন, যেমন হোটেলটি কাপ্তাই লেকের পাশে কিনা? তাহলে আপনি হোটেল থেকে লেকের মনোরম পরিবেশ ও বাতাস উপভোগ করতে পারবেন। থাকার জন্য রাঙ্গামাটিতে সরকারী বেসরকারী অনেকগুলো হোটেল ও গেষ্ট হাউজ রয়েছে। তাছাড়া আরো কিছু বোডিং পাওয়া যায় থাকার জন্য। বোডিংগুলোতে খরচ কিছুটা কম তবে থাকার জন্য খুব একটা সুবিধার নয়। নিন্মে কয়েকটি হোটেল এর বর্ননা দেয়া হলো-

(১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স :
১২ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রেতিটির ভাড়াঃ ১৭২৫ টাকা
৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৮০৫ টাকা
যোগযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৬৩১২৬ (অফিস)

(২) হোটেল সুফিয়া :
২৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রেতিটির ভাড়াঃ ৯০০ টাকা (একক), ১২৫০ (দ্বৈত)
৩৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৬০০ টাকা
যোগাযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৬২১৪৫, ৬১১৭৪, ০১৫৫৩৪০৯১৪৯

(৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল :
৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রেতিটির ভাড়াঃ ১১৫০ হতে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত
১৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৭৫০ হতে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত
যোগাযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৭১২১৪, ৬১২০০, ০১৭২৬-৫১১৫৩২, ০১৮১৫-৪৫৯১৪৬

এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হোটেল রয়েছে। যেমনঃ হোটেল জজ, হোটেল আল মোবা, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল ডিগনিটি, হোটেল সাফিয়া, হোটেল ড্রিমল্যান্ড ইত্যাদি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পাহাড়ী বনের অস্তিত্ব ধরে রাখা খুবই জরুরী : বৃষ কেতু 

4

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ১৭ মে : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, পাহাড়ী বনের অস্তিত্ব ধরে রাখা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে। এজন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের গ্রামীণ সাধারণ বনগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। কালের পরিবর্তন ও জনসচেতনতার অভাবে বনাঞ্চলে বিরাট প্রভাব পড়ছে।

মঙ্গলবার রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে বেসরকারি সংগঠন জাবারাং কল্যাণ সমিতি, টংগ্যা এবং হিউম্যানিটারিয়ান এর উদ্যোগে আয়োজিত পার্বত্য ভিসিএফ সম্মেলন উদ্বোধনকালে বৃষ কেতু চাকমা এসব কথা বলেন।

বৃষ কেতু চাকমা বলেন, বর্তমানে পার্বত্যাঞ্চলের বনাঞ্চলে শত বছরের বৃক্ষ আর দেখা যায়না। এতে যেমন একদিকে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে পরিবেশের মারাত্বক বিপর্যয় ঘটছে।

তাই পাহাড়ের বনের পরিমান বাড়াতে হলে মানুষের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। একই সাথে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গ্রামীণ বনায়নের প্রতিও নজর দিতে হবে। তাই পাহাড়ি গ্রামের হেডম্যান-কার্বারীদেরও এ জনসচেতনতায় সম্পৃক্ত করার আহবান জানান তিনি ।

বান্দরবানের আলীকদম ২৮৭নং তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ এর কর্মকর্তা বিল্পব চাকমা এবং টংগ্যা’র নির্বাহী পরিচালক বিল্পব চাকমা।

পরে অতিথিরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফলদ ও বনজ চারা রোপন করেন। সম্মেলনে তিন পার্বত্য জেলার প্রায় দেড় শতাধিক ভিসিএফ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শপথ গ্রহনের মধ্যদিয়ে নব নির্বাচিত বাঘাইছড়ি পৌর পরিষদের যাত্রা শুরু 

25

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ১৭ মে : মেয়র জাফর আলী খান জানান, আমি আনন্দিত উৎফলিত পপথ গ্রহণ করতে পেরে। আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রথম কাজ হবে নির্বাচনের পূর্বে জনগণের মাঝে যে ওয়াদা করেছিলাম তা বাস্তবায়নে দৃঢ় ভাবে কাজ করে যাওয়া।

মেয়র বলেন, দেশের সবচেয়ে দূর্গম ও প্রাচীন এ উপজেলাকে আধুনিকরণ করার জন্য রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে এলাকার উন্নয়নে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সাথে মিলে মিশে কাজ করে যাবো।

মেয়র জানান, আমার এলাকার প্রধান সমস্য হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। সড়কগুলোর বর্তমান বেহালদশা। সড়কের উন্নয়নের জন্য প্রথমে কাজ শুরু করবো। এছাড়া  পৌরসভার অধীন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পর্যায়ক্রমে কাজ শুরু করা হবে।

মেয়র বলেন,সরকার দেশের উন্নয়নে তথা ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে সকল প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাতে শরীক হয়ে আমার এলাকার উন্নয়নের জন্য যা কিছু করার দরকার তা আমি করে যাবো।

যেহেতু আমি আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হয়েছি এতে সরকারের সকল উন্নয়নের সাথে আমি থাকতে পারবো এবং সরকারের নানা সুয়োগ সুবিধা নিয়ে আমার এলাকার উন্নয়ন করে যেতে পারবো বলে দৃঢ় বিশ্বাস।

তিনি বলেন, আমি বিগত দিনে কোন অনিয়ম দূর্নীতির সাথে জড়িত ছিলাম না মেয়রের চেয়ারে বসেও কোন প্রকার অনিয়ম দূর্নীতিকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। আমি সৎ ছিলাম আগামীতে সৎ থাকবো। সকলের সহযোগিতা নিয়ে বাঘাইছড়ি পৌরসভার উন্নয়ন করার চেষ্টা করবো। বাকি আল্লাহর মর্জি।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার দীপক চক্রবর্তীর কাছে বাঘাইছড়ি পৌরসভার মেয়র জাফর আলী খান শপথ গ্রহণ শেষে  এ প্রতিবেদকে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। এছাড়া এদিন মেয়র জাফর আলী খান ছাড়াও নির্বাচিত অন্যান্য কাউন্সিলররা পপথ গ্রহণ করে।

এদিকে শপথ গ্রহণের দিনে মেয়র জাফর আলী খানের সফর সঙ্গী ছিলেন, রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হাজী কামাল উদ্দীন, নিখিল কুমার চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক  জ্যোতিময় কেরল, বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী আব্দুল শুক্কুর, প্রিয় নন্দ চাকমা, দিলীপ কুমার দাশ, সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দীন মামুন, দানবীর চাকমা, অমলিন্দু চাকমা, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা ইসলামসহ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠনের প্রায় দেড়শো নেতাকর্মী।

দেশের সীমান্তবর্তী সবচেয়ে বড় বাঘাইছড়ি উপজেলায় চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারী পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার প্রায় ৫৬ দিন পর এ শপথ বাক্য অনুষ্ঠিত হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রাঙামাটিতে নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ পালিত 

3

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ১৬ মে : “দেশ যাবে এগিয়ে যাত্রা হোক নিরাপদ” “নৌ আইন মানবো মোরা এটাই হউক অঙ্গীকার” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটিতে নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ পালিত হয়েছে।

নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ উদ্ধোধনী শেষে উন্নয়ন বোর্ড নৌ ঘাট থেকে নৌ পথে একটি নৌ যান র‌্যালী কাপ্তাই লেকের অংশ বিশেষ ঘুরে শহরের ফিশারী এলাকার ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনে এসে শেষ হয়। নৌ যান র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.আবু শাহেদ চৌধুরী, রাঙামাটি জোন লঞ্চ মালিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি হাজি মনছুর আহম্মদ, রাঙামাটি জোন লঞ্চ মালিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন সেলিম,ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা,পর্যটন ব্যবস্থাপক অলক বিকাল চাকমা,বোট মালিক সমিতির সভাপতি মো.রমজান আলী,লঞ্চ শ্রমিক কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি নুরুল হক কেরানিসহ লঞ্চ ও বোট কর্মকর্তা কর্মচারি বৃন্দ।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.আবু শাহেদ চৌধুরী বলেন,নৌ যান আইন মেনে চলা প্রত্যেক নৌ মালিক ও নৌ শ্রমিকদের একান্ত কর্তব্য বলে তিনি মনে করেন। আইন মেনে চললে কারো সমস্যা বা বিপদ হতে পারে না। তাই নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ সফল ও স্বার্থক হউক এই প্রত্যাশা করছি। সাথে সাথে নৌ নিরাপত্তা জনিত সকল আইন কানুন সকলে মেনে চলার জন্য উদ্ধাত্ত আহবান জানান। পাশা পাশি অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই,অতিরিক্ত মাল বোঝাই, প্রাকৃতিক দূর্যোগ এরিয়ে চলার পরামর্শ দেন।
সরকার ঘোষিত সারাদেশে ১৬ মে থেকে ২ মে পর্যন্ত নৌ নিরাপত্তা দিবস পালন করা হচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

একটি সেতুর অভাবে কয়েক হাজার মানুষের দুর্ভোগ 

0

মোঃ ইরফান উল হক, রাঙ্গামাটি, ১৬ মে : রাঙামাটি জেলা পৌর এলাকায় অবস্থিত পুলিশ লাইন, রাঙামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শহরের মুল প্রান কেন্দ্র সিভিল সার্জন অফিস সংলগ্ন এলাকার সাথে মুল সড়কের যোগাযোগ করার একটি সংযোগ সেতু স্থাপন করলে পাল্টে যেত এলাকার মানুষের জীবন যাত্রা ও অর্থনেতিক অবস্থা। দ্রুত প্রয়োজনীয় কাজ সারতে এলাকার সাধারন মানুষ এখন নৌকা দিয়ে চলাচল করছে। এলাকাবাসীর প্রানের দাবী সেতুটি পাকা করে তাদের চলাচল যেন নিরাপদ নির্বিঘ্ন করা হয়।

সূত্রের দেয়া তথ্য মতে, ২০০৭ সালে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে সেতুটির নির্মাণ কাজ হাতে নেয় রাঙামাটি পৌরসভা। যার নির্মাণ ব্যয় বরাদ্দ করা হয় ৭৯ লাখ টাকা। কিন্তু কাজ শুরু করতে গিয়ে ঠিকাদারকে কাজে বাধা দেন পারাপার ঘাটের ইজারাদার। এ নিয়ে ইজারাদার ও ঠিকাদারের মধ্যে বিরোধের এক পর্যায়ে থেমে যায় সেতুটির নির্মাণ কাজ। কেবল লেকের দুই পারে নির্মিত হয়েছে ওই সংযোগ সেতুর দুই দিকের মাথা। আর সেখানেই অসমাপ্ত রয়ে যায় সেতুটির নির্মাণ কাজ। কিন্তু কাজ অসমাপ্ত থাকলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার তৎকালীন রাঙামাটি পৌর কর্তৃপক্ষের সহায়তায় বিলের সব টাকা উত্তোলণ করে নেন বলে জানান স্থানীয়রা।

এদিকে আধা কাজে অসমাপ্ত সেতু কোনো কাজে না আসায় পরবর্তীতে সেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। সবচেয়ে মজার বিষয়টি হল- সেতুটির কাজ কখন নাগাদ করা হয়েছিল তার সঠিক সময়ও জানাতে পারেননি রাঙামাটি পৌরসভার বর্তমানে দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান।

যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এলাকাবাসীর বৃহত্তর স্বার্থে ওই এলাকায় বিকল্প স্থানে নতুন করে সেতু নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। আগামী অর্থবছরেই টেন্ডার হতে পারে।

রাঙামাটি পৌরসভা মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, ওই সময়ে অপরিকল্পিতভাবে প্রকল্প হাতে নেয়ায় সেতুটির কাজ সঠিক বাস্তবায়ন হতে পারেনি। ফলে পরিত্যক্ত সেতুটির নির্মাণ কাজে ব্যয় করা অর্থ শুধু শুধু অপচয় হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, তা ছাড়া যে স্থানে সেতুটির নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল সেটা ঠিক হয়নি। কারণ সেখানে সেতু নির্মিত হলে সেখান দিয়ে যাতায়াতে কবরস্থানের পরিবত্রতা নষ্ট হতে পারে। আমরা এলাকার বৃহত্তর জনস্বার্থের বিষয়টি মাথায় রেখে মাতৃমঙ্গল অফিস সংলগ্ন পাশ দিয়ে পুলিশ হাসপাতাল সংযোগ সেতু নতুন করে নির্মাণের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এতে কোনো রকম বিরোধের আশঙ্কাও নেই।

সাবেক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টো বলেন, তার সময়ে নতুন করে সেতুটি নির্মাণে প্রকল্প প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। সেতুটি মাতৃমঙ্গল এবং পুলিশ লাইন এলাকা দিয়ে হলে ভালো হয়। কারণ মানুষ কবরস্থান দিয়ে যাতায়াত করতে স্বস্তিবোধ করে না। ইজারাদার ও ঠিকাদারের স্বার্থের বিষয়টি সমন্বয় না হওয়ায় ওই স্থানে সেতুটি হয়নি।

রাঙামাটি পৌর এলাকার পুলিশ লাইন এলাকা, রাঙামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়সহ অন্তত ৫টি এলাকার কমপক্ষে ৬ হাজার মানুষের বসবাস। শহরের প্রানকেন্দ্র বনরুপা বা হাসপাতাল, জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপুর্ন দপ্তরে কাজের আসতে হলে এসব মানুষদের রিজার্ভ বাজার অথবা তবলছড়ির হয়ে আসতে হয়। এতে তাদের প্রচুর সময় ব্যয় হয়, অথচ সংযোগ সেতুটি স্থাপিত হলে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে এলাকার জনগন মুল শহরে আসতে পারত। এখন তাদের মুল শহরে দ্রুত আসতে হলে নৌকা পার হয়ে আসতে হয়। বৃষ্টি হলে বা রাত ১০টার পর নৌকা পারাপার বন্ধ হয়ে যায় তখন জনসাধারনকে বিপাকে পড়তে হয়। ২০০৭ সনে এলাকার মানুষের দাবীর প্রেক্ষিতে পৌর কর্তৃপক্ষ একটি সেতু স্থাপনের উদ্যোগ নিলেও কাপ্তাই লেকের উপর ইজারা নেয়া ব্যবসায়ী ও ঠিকাদারের দ্বন্দ্বের কারনে সেতুটি হয়নি, কেবল নির্মিত হয়েছে লেকের দুই পারে সংযোগ সেতুর দুটি মাথা। তবে পৌর মেয়র জানিয়েছেন এলাকাবাসীর সুবিধার কথা বিবেচনা করে সেতুটি স্থাপনের জন্য ঢাকায় ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের নগর উন্নয়ন প্রকল্প ইউজিতে পাঠানো এটি অনুমোদিত হলে এ বছরই আমরা কাজ শুরু করতে পারব।

রাঙামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়ুয়া কামাল জানায়, প্রতিদিন তারা নৌকা দিয়ে তবলছড়ি থেকে স্কুলে যায়, স্কুলটি নদীর ওপারে হওয়ায় তারা দ্রুত ও কম সময়ের জন্য নৌকা দিয়ে পার হয়। তবলছড়ি বাজার হয়ে গেলে তাদের আর্থিক ক্ষতিও হয় অনেক সময় লাগে।

গৃহবধু পারভীন আক্তার জানান, অনেক সময় মানুষ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তারা বেকায়দায় পড়েন কারন রাত ১০টার পর নৌকা বন্ধ হয়ে যায়, আর পুলিশ লাইন এলাকায় সব সময় সিএনজি থাকে না। ব্রীজটি হলে তাদের দুর্ভোগ কমবে।

রাঙামাটি ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার নেওয়াজ আহম্মদ জানান, এই ব্রীজটা হলে এলাকার ৬ হাজার মানুষ উপকৃত হবে। পুর্বের পরিষদ অপরিকল্পিতভাবে ব্রীজটা নির্মান করে। কবরস্থানের সাথে ব্রীজটা হওয়ায় অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন যাতায়াতে বিব্রতবোধ করে। ব্রীজটি মাতৃমঙ্গল হাসপাতাল এলাকা দিয়ে হলে সবার জন্য ভালো হবে

Share This:

এই পেইজের আরও খবর