২৪ জুন ২০১৭
বিকাল ৪:৩০, শনিবার

আত্মসমর্পণ করল ২৫ জলদস্যু

আত্মসমর্পণ করল ২৫ জলদস্যু 

998

বাগের, ২৯ এপ্রিল : সুন্দরবনের সক্রিয় ২ জলদস্যু বাহিনীর ২৫ জলদস্যু আজ সকাল সাড়ে ১০টায় আত্মসমর্পণ করেছে । এসময় র‌্যাবের কাছে তারা ৩১টি অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন।

এদিকে আজ দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদের উপস্থিতিতে পটুয়াখালী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব দস্যু বাহিনীর সদস্যদের আত্মসমর্পণ করার কথা রয়েছে।

এর আগে গতকাল সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে র‌্যাব-৮ এর বিশেষ অভিযানে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সক্রিয় জলদস্যু ‘আলিফ ও কবিরাজ’ বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

যাদের মধ্যে দুই বাহিনীর প্রধানসহ বিপুল সংখ্যক জলদস্যু রয়েছে। আত্মসমর্পণের সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পানগুছিতে আরও ৩ লাশ উদ্ধার 

বাগেরহাট, ৩১ মার্চ : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পানগুছি নদীতে ইঞ্জিনচালিত খেয়া ট্রলারডুবির ঘটনায় আজ শুক্রবার চতুর্থ দিনে আরও ৩টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সকালে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশ তিনটি উদ্ধার করেন।

বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি মাসুদ সরদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া তিনটি লাশেরই পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন-পুলিশ কনস্টেবল সাহিদুল ইসলাম শেখের স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩২), বশির উদ্দিন হাওলাদারের স্ত্রী লাবনি আকতার (১৮) ও খলিলুর রহমান তালুকদারের স্ত্রী নাসরিন বেগম (৩২)।

তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া লাশগুলো তাদেরর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া দুই শিশুসহ আরও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিনভর নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীদের ১৪টি টিম ট্রলার নিয়ে পানগুছি ও বলেশ্বর নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৪টি লাশ উদ্ধার করে। ফলে গত ৪ দিনে উদ্ধার হলো ১০ নারী, ৫ পুরুষ ও ২ শিশুসহ ১৭ জনের লাশ।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে মোরেলগঞ্জের ছোলমবাড়ীয়া ঘাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে উপজেলা সদরের পুরাতন থানা ঘাটে যাবার পথে পানগুছি নদীতে ইঞ্জিনচালিত ওই খেয়া ট্রলারটি ডুবে যায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাগেরহাটে ট্রলারডুবিতে নিহত বেড়ে ১২ 

87

বাগেরহাট, ৩০ মার্চ : বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে পানগুছি নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় আরও ৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নিহত বেড়ে ১২ জনে দাঁড়িয়েছে।

মোড়েলগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্তকর্তা মো. ওবায়দুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নদীর বিভিন্নস্থানে ভেসে থাকা অবস্থায় ৭টি লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

এদের মধ্যে ৬ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মাসুদার রহমান।

এরা হলেন- আব্দুল মজিদ (৭৫), আনছার হাওলাদার ( ৩৮), রফিকুল ইসলাম (৩৫), নাজমুল সেখ (৬), সাজ্জাদ (২) ও রায়েন্দা পাইলট স্কুলের ১০ শ্রেণির ছাত্র আবির আল শামস (১৬)। অন্য একজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

গত মঙ্গলবার সকালে পানগুছি নদীতে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। তালিকা অনুযায়ী এ ঘটনায় এখনও ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এরা হলেন- মোড়েলগঞ্জের ছোট জামুয়া গ্রামের মনোয়ারা বেগম (৩৮), উত্তর ফুলহাতা গ্রামের হাসিব (৮), ছোটপড়ি গ্রামের নাসিমা আকতার (১৮), বদনিভাঙ্গা গ্রামের বশির (২২), ভাইজোড়া গ্রামের খাদিজা (৪০), রাহাত (১০), মোশার্রফ হাওলাদার (৫০), সালমা বেগম (৩০), মুন্নী আক্তার (৩০) ও লাবনী আক্তার (৭)।

নিখোঁজদের সন্ধানে নদীর তীরে ভিড় করছেন স্বজনেরা। তাদের আহাজারীতে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মাসুদার রহমান জানান, নিখোঁজদের সন্ধানে নদীতে তৃতীয় দিনের মতো ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরা তৎপর রয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিখোঁজ ১৪ যাত্রীর সন্ধানে চলছে উদ্ধার অভিযান 

77

মোরেলগঞ্জ, ২৯ মার্চ : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পানগুছি নদীতে খেয়া পারাপারের ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ১৪ জনের সন্ধানে দ্বিতীয় দিনের মতো বধুবার সকাল ৬টা থেকে  উদ্ধারকাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও পুলিশ। আজ সকাল ১১টার দিকে আরো এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তার পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

এর আগে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ৪ নারীর মরদেহ পাওয়া যায়। ট্রলার নিয়ে নদীর বিভিন্ন এলাকায় চলছে মরদেহের সন্ধান। মঙ্গবার সকালে পানগুছি নদীতে খেয়া পারাপারের ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, মোরেলগঞ্জের কাছিঘাটা গ্রামের হেলেনা বেগমের ৬ বছরের ছেলে নাজমুল, ছোট জামুয়া গ্রামের মনোয়ারা বেগম (৩৮), উত্তর ফুলহাতা গ্রামের হাসিব (৮), ছোটপড়ি গ্রামের নাসিমা আকতার (১৮), রায়েন্দা বাজারের আবির (১৭), বদনিভাঙ্গা গ্রামের বশির (২২), কাছিকাটা গ্রামের আব্দুল মজিদ শেখ, বরুজবাড়িয়া গ্রামের সুলতান আহমেদ (৬০), ভাইজোড়া গ্রামের খাদিজা (৪০), রাহাত (১০), আনছার হাওলাদার ( ৩৮), মোশার্রফ হাওলাদার (৫০), সালমা বেগম (৩০) মুন্নী আক্তার (৩০), শিশু সাজ্জাত (২) ও লাবনী আক্তার (৭) সহ ১৫ জন।

এরিয়া ডাইভিং অফিসার কমান্ডার শাহরিয়ার আকন এর নেতৃত্বে নৌবাহিনীর দুটি ডুবুরি দল সকাল থেকেই উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। এ ছাড়াও খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সহকারি পরিচালক মো. লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা ও বরিশালের ৪টি টিম উদ্ধার অভিযানে রয়েছে। কমান্ডার শাহরিয়ার বলেন, ফরিদপুর থেকে নৌবাহিনীর আরো একটি ডুবুরিদল অল্প সময়ের মধ্যেই উদ্ধার কাজে যোগ দেবে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (বেলা সাড়ে ১১টা) ফায়ার সার্ভিসের দেওয়া তথ্যমতে ডুবে যাওয়া ট্রলারের ১৪ জন যাত্রী এখনো নিখোঁজ আছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাগেরহাটে ট্রলারডুবি, ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার 

451

বাগেরহাট, ২৮ মার্চ : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীতে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫ জন নিখোঁজ রয়েছে। এ ছাড়া তিন নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকালে পানগুছি নদীর ছোলমবাড়ীয়া ঘাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার মোরেলগঞ্জ থানা (পুরাতন) ঘাটে ভিড়তে যায়। এ সময় নৌবাহিনীর একটি জাহাজ পাশ দিয়ে চলে গেলে প্রচণ্ড স্রোতে ট্রলারের তলা ফেটে ডুবে যায়। কয়েকজন যাত্রী সাঁতার কেটে তীরে উঠলেও নারী ও শিশুসহ অনেকেই নিখোঁজ রয়েছে।

কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ নিখোঁজদের মধ্যে তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। বাকিদের উদ্ধার কাজ করছে তারা। তবে কতজন নিখোঁজ রয়েছে তা এখন নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাগেরহাটে নারীসহ ১৯ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার 

বাগেরহাট, ২৪ ফেব্রুয়ারি : বাগেরহাটে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে নারীসহ ১৯ জন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে থানা পুলিশের কয়েকটি দল জেলার বিভিন্ন এলাকায় ওই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে জেলার সাতটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৯ জন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন নারী মাদক বিক্রেতাও রয়েছেন। এসময় তাদের কাছ থেকে ফেনসিডিল, গাজা, ইয়াবা ও হেরোইনসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক উদ্ধার করা হয়।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় বলেন, বাগেরহাট জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নয়টি উপজেলার সাতটি থেকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ১৯জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বাগেরহাট মডেল থানায় একজন নারীসহ পাঁচজন, চিতলমারীতে চারজন, মোরেলগঞ্জে পাঁচজন, মংলায় তিনজন, কচুয়া, মোল্লাহাট এবং রামপাল উপজেলায় একজন করে মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়। মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ সুপার জানান

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ 

সড়ক দুর্ঘটনা

বাগেরহাট, ২৩ ডিসেম্বর : বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে একজন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হলদিবুনিয়া গ্রামে মোটরসাইকেলের চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত দুজনের নাম শোভন ও সৈকত। তাঁদের বাড়ি মোংলা পৌরসভা এলাকায়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন বলেন, শোভন ও সৈকত যুবলীগের কর্মী ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জঙ্গিরা এখন দুর্বল : আইজিপি 

qg51hiug

ঢাকা, ৮ ডিসেম্বর : পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, ‘জঙ্গিরা শুধু বিশেষ ধর্মের লোককে হত্যা করেনি। তারা মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান সবাইকে হত্যা করেছে। জঙ্গিরা দেশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে এদের সংখ্যা খুব বেশি না। জঙ্গিদের শক্তি আমরা ভেঙে দিয়েছি। তারা এখন দুর্বল। জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা জঙ্গিদের নির্মূল করতে সক্ষম হবো।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজ মাঠে কমিউনিটি পুলিশিং ও জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদকের সাথে অপরাধের সম্পৃক্ততা উল্লেখ করে পুলিশ প্রধান বলেন, ‘শিশুকাল থেকে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরতে হবে। যাতে বড় হয়ে তারা কখনোই বিপথগামী না হয়। কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আইজিপি বলেন, ‘ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল থেকে পুলিশ ও জনগণের মাঝে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে আমরা সেই দূরত্ব কমিয়ে আস্থা ও বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।’

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য করেন, খুলনার বিভাগী কমিশনার মো. আবদুস সামাদ, পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি এস এম মনির-উজ-জামান, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নিবাস চন্দ্র মাঝি, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস, বাগেরহাটে পুলিশিং কমিটির সভাপতি অ্যাড. মোজাফ্ফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শাহ আলম টুকু প্রমুখ।

সমাবেশে বাগেরহাটের নয় উপজেলার কমিউনিটি পুলিশিং ইউনিটগুলো ছাড়াও পাশের জেলার কমিউনিটি পুলিশ, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহণ করে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাগেরহাটে সংঘর্ষে আহত ৩০ 

242

বাগেরহাট, ৮ ডিসেম্বর : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগের মধ্যকার সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কেয়ারের বাজারের দলীয় কার্যালয় অফিসে আধিপত্য কায়েমের সূত্র ধরে এ সংঘর্ষ ঘটে।

আহতদের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সুন্দরবনের শরণখোলায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ 

357842

বাগেরহাট, ৭ ডিসেম্বর : বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরনখোলা রেঞ্জের দুধমুখি এলাকার বাদামতলী খাল এলাকায় র‌্যাব-৮ এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই বনদস্যু নিহত হয়েছে।

বুধবার ভোরে এ বন্দুকযুদ্ধ সংঘটিত হয়।

ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব ১১টি আগ্নেয়াস্ত্র, দুইশ সাতাশ রাউন্ড গুলিসহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।

লাশ উদ্ধার করে শরনখোলা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান র‌্যাব-৮ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আদনান কবির।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জেএমবি সদস্য নিহত 

খুলনা, ২৭ নভেম্বর : বাগেরহাটে সদর উপজেলার রাখালগাছি এলাকায় শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) একজন সদস্য (৪৫) নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি হাতবোমা, দুটি ওয়ান শ্যুটার গান ও পাঁচটি গুলি উদ্ধার করে ।

বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান বন্দুকযুদ্ধে একজন জেএমবি সদস্য নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মোরেলগঞ্জে সংঘর্ষে আহত ২০ 

111

বাগেরহাট, ২৬ অক্টোবর : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জাতীয় শ্রমিক লীগ ও আওয়ামী মটর চালক শ্রমিক লীগের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কেয়ারের বাজারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে গুরুতর আহত আওয়ামী লীগ কর্মী শাহাদাত তালুকদার (৫০), জলিল খান (৫০) ও শ্রমিক লীগ কর্মী নাছির তালুকদার(২৮), রিপন ফরাজীকে (১৯) মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আরও আহত হয়েছেন নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুল হাওলাদার, মনির তালুকদার, জুয়েল হাওলাদার, জিয়া মোল্লা, ইউনুস শেখ, বাশার কাজী, দুলাল ফরাজী, নাছির হাওলাদার, জাহিদুল তালুকদার। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে ।

থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার কেয়ারের বাজারে একজন ভ্যান শ্রমিককে লাঞ্ছিত করে শাহাদত তালুকদার। এই ঘটনার জের ধরে নিশানবাড়িয়া ইউপি জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জনের একটি দল কেয়ারের বাজারে গিয়ে আওয়ামী লীগ কর্মী শাহাদত তালুকদারসহ কয়েকজনকে মারপিট করে। এ সময় মটর চালক শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা জোট বেঁধে শ্রমিক লীগের লোকজনদের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এসময় মটর চালক শ্রমিক লীগের একটি অফিস ভাংচুর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

থানার ওসি (তদন্ত) তারক বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় ওই এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কয়েকজন অফিসারসহ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান 

869

বাগেরহাট, ৮ সেপ্টেম্বর : সুন্দরবনের দস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বৃহস্পতিবার যমুনা টিভির মধ্যস্থতায় সুন্দরবনের জলদস্যু শান্ত ও আলম বাহিনীর ১৪ সদস্যের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

বরিশাল নগরীর র‌্যাব-৮ কমপ্লেক্সে দস্যুরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের হাতে অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

এ সময় র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে বাহিনী প্রধান আবদুল বারেক তালুকদার শান্তর নেতৃত্বে তার দলের ১০ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে অস্ত্র তুলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ঘোষণা দেন। এরপর আলম তার বাহিনীর চার সদস্যকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তাদের সবার বাড়ি বাগেরহাটের মংলায়।

এ সময় জলদস্যুরা ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক হাজার ৮০০ রাউন্ড গুলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে জমা দেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরে এসব কুখ্যাত দস্যুরা জনগণের জানমালের ক্ষতি করে আসছিল। তাদের দমনে র‌্যাব সুন্দরবনে ব্যাপক অভিযান চালায়। অভিযানের মুখে যমুনা টিভির মাধ্যমে দস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের এই ফিরে আসাকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি, বাকি যারা এখনও এই পথে রয়েছে, তারাও দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে।’

আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শক্ত হাতে দেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন করছেন। শান্তিপূর্ণ সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কাজ করছেন।

এখনও যারা এ সব অপকর্ম করছে, তারা দস্যুতা ছেড়ে দক্ষিণাঞ্চলকে শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দেবেন বলে জানান তিনি।

র‌্যাব সূত্র জানায়, নানা কারণে সুন্দরবন দাপিয়ে বেড়ানো শান্ত ও আলম বাহিনী তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে যমুনা টিভির মাধ্যমে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়। সে মতে তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করে। এরই আনুষ্ঠানিকতা হল আজ।

এদিকে এই দুই জলদস্যু বাহিনীর আত্মসমর্পণের খবরে স্বস্তি ফিরে এসেছে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলে।

এরআগে গত ১ জুন যমুনা টিভির মধ্যস্থতায় সুন্দরবনের কুখ্যাত মাস্টার বাহিনীর ১০ সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন। মাস্টার বাহিনীর প্রধানসহ ১০ সদস্য ৫২টি অস্ত্র ও ৫ হাজার গুলি, ট্রলারসহ অন্যান্য উপকরণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

এছাড়া যমুনা টিভির মধ্যস্থতায় ইলিয়াস এবং মজনু বাহিনীর সদস্যরাও তাদের আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

দুই জলদস্যু বাহিনীর ১৪ সদস্যের আত্মসমর্পণ 

5787

বাগেরহাট, ৮ সেপ্টেম্বর : যমুনা টিভির মধ্যস্থতায় সুন্দরবনের জলদস্যু শান্ত ও আলম বাহিনীর ১৪ জন সদস্য অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর র‌্যাব-৮ কমপ্লেক্সে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।

এ সময় র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে বাহিনী প্রধান আবদুল বারেক তালুকদার শান্তর নেতৃত্বে তার দলের ১০ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে অস্ত্র তুলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ঘোষণা দেন।

এরপর আলম তার বাহিনীর চার সদস্য নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তাদের সবার বাড়ি বাগেরহাটের মংলায়।

এ সময় জলদস্যুরা ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক হাজার ৮০০ রাউন্ড গুলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে জমা দেন।

পরে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরে এসব কুখ্যাত দস্যুরা জনগণের জানমালের ক্ষতি করে আসছিল। তাদের দমনে র‌্যাব সুন্দরবনে ব্যাপক অভিযান চালায়। অভিযানের মুখে যমুনা টিভির মাধ্যমে দস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের এই ফিরে আসাকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি, বাকি যারা এখনও এই পথে রয়েছে, তারাও দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে।’

অনুষ্ঠানে র‌্যাব ডিজি বেনজীর আহমেদ জানান, দুটি বাহিনী আজ আত্মসমর্পর্ণ করেছে। আমার জানা মতে, আরও চারটি বাহিনী তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। আশা করছি, তারাও খুব শিগগিরই আত্মসমর্পণ করবে।

সুন্দরবন থেকে দস্যু দমনের অভিযান সম্পর্কে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এখানে ৮৯টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় দুই শতাধিক দস্যু গ্রেফতার, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার এবং দুই শতাধিকের উপরে দস্যু নিহত হয়েছে।

বেনজীর আহমেদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফিরে না এসে দস্যুতার দুঃসাহস দেখালে তাদের পরিণতি ভালো হবে না। আমরা কোনো ধরনের অপতৎপরতা বরদাশত করব না, তামাশা সহ্য করব না। আমাদের সামনে থেকে কেউ জান নিয়ে ফিরে যেতে পারবে না।

র‌্যাব সূত্র জানায়, নানা কারণে সুন্দরবন দাপিয়ে বেড়ানো শান্ত ও আলম বাহিনী তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে যমুনা টিভির মাধ্যমে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়। সে মতে তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করে। এরই আনুষ্ঠানিকতা হল আজ।

এদিকে এই দুই জলদস্যু বাহিনীর আত্মসমর্পণের খবরে স্বস্তি ফিরে এসেছে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলে।

এরআগে গত ১ জুন যমুনা টিভির মধ্যস্থতায় সুন্দরবনের কুখ্যাত মাস্টার বাহিনীর ১০ সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন। মাস্টার বাহিনীর প্রধানসহ ১০ সদস্য ৫২টি অস্ত্র ও ৫ হাজার গুলি, ট্রলারসহ অন্যান্য উপকরণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

এছাড়া যমুনা টিভির মধ্যস্থতায় সুন্দরবনের ইলিয়াস এবং মজনু বাহিনীর সদস্যরা তাদের আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দস্যুদের ১০ আস্তানা 

010

বাগেরহাট, ৬ আগস্ট : সুন্দরবনে দস্যু দমনে বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন পাইরেটস হান্ট’-এর দ্বিতীয় দিনে দস্যুদের আস্তানা ও ওয়াচ টাওয়ার গুঁড়িয়ে দিয়েছে যৌথবাহিনী।

গতকাল সকালে সুন্দরবন-পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের যৌথবাহিনী। অভিযানের সময় কোকিলমনি, হাড়বাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, আকরাম পয়েন্ট ও দুবলারচর এলাকায় দস্যুদের ব্যবহৃত ৮-১০টি আস্তানার সন্ধান পায় যৌথবাহিনী। পরে বন বিভাগের সহায়তায় দস্যু আস্তানার বিভিন্ন স্থাপনা আগুনে পুড়িয়ে দেন অভিযানকারীরা।

জানা গেছে, কোস্টগার্ডের সব স্টেশন থেকে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সুন্দরবনের দস্যু নির্মূল ও জিম্মি জেলেদের উদ্ধারের ল্েয গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে লে. এম সেলিম বিশ্বাসের নেতৃত্বে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী অপারেশন পাইরেটস হান্ট শুরু করে।

অভিযানে দুটি যুদ্ধজাহাজ ও ৮টি দ্রুতগামী জলযান অংশ নেয়। এগুলোতে নৌবাহিনীর ৭০ ও কোস্টগার্ডের ১০ সদস্য রয়েছে। সুন্দরবনসহ উপকূলের জল-স্থলের দস্যু দমন না হওয়া পর্যন্ত এ যৌথ অভিযান চলবে। মংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন কাজী মেহেদী মাসুদ জানান, সুন্দরবনের জলদস্যুদের নির্মূলে তাদের এ যৌথ অভিযান শুরু করা হয়েছে।

জানা গেছে, সুন্দরবনে মাত্র কয়েকটি বনদস্যু বাহিনী আত্মসমর্পণ করলেও জাহাঙ্গীর বাহিনী, নোয়া বাহিনী ও সাগর বাহিনীসহ অন্য বনদস্যুরা জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছে। বর্তমানে ইলিশ আহরণ

মৌসুমে এসব বনদস্যু বাহিনীর কাছে বেশ কিছু জেলে জিম্মি রয়েছে।

তাই জিম্মি জেলেদের উদ্ধার ও বনদস্যু বাহিনীকে গ্রেপ্তারের জন্য এ অভিযান শুরু করা হয়েছে। -আমাদের সময়

Share This:

এই পেইজের আরও খবর