১৮ আগস্ট ২০১৭
বিকাল ৪:৪৬, শুক্রবার

চুয়াডাঙ্গায় মৎস্যজীবীকে গুলি করে হত্যা

চুয়াডাঙ্গায় মৎস্যজীবীকে গুলি করে হত্যা 

55

চুয়াডাঙ্গা, ১৯ এপ্রিল : চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় জিয়াউর রহমান (৩৬) নামে এক মৎস্যজীবীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বুধবার ভোররাতে উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের কায়েতপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জিয়াউর রহমান কাইত পাড়া গ্রা‌মের মৃত আবুল হো‌সে‌নের ছেলে। তিনি নারায়ণকান্দি কায়েতপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি ছিলেন।

জিয়ার স্ত্রী ফিরোজা খাতুন জানান, তার স্বামী গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিল পাহারা দিতে যান। দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির পথে রওনা দেন তিনি। পথে তাকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরাম হো‌সেন জানান, ঘটনাস্থল থে‌কে নিহতের লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চুয়াডাঙ্গায় ট্রাক-করিমন সংঘর্ষে নিহত ১০ 

চুয়াডাঙ্গা, ২৬ মার্চ : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চালকসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন। আজ রবিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার দর্শনা-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের জয়রামপুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি হলেন আলমসাধুর চালক জজ মিয়া (৩২)। বাকিরা আলমসাধুর যাত্রী। হতাহতদের সবার বাড়ি উপজেলার মদনা-পারকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বড় বলদিয়া গ্রামে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে উপজেলার বড় বলদিয়া গ্রাম থেকে ১৫-১৬ জন শ্রমিক আলমসাধুতে করে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে জয়রামপুর বটতলা এলাকায় আসার পর ট্রাকের সঙ্গে আলমসাধুর আংটা বেঁধে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আলমসাধুর চালকসহ আটজন নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরো দুইজন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চুয়াডাঙ্গায় নৈশকোচসহ ২৫ গাড়িতে গণডাকাতি 

17

চুয়াডাঙ্গা, ২০ মার্চ : চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা সড়কের ঘোড়ামারা ব্রিজের অদূরে সড়কে গাছ ফেলে ঢাকাগামী তিনটি নৈশকোচসহ অন্তত ২৫টি গাড়িতে লুটপাট চালিয়েছে ডাকাতরা। এসময় ডাকাতদের হামলায় আহত হয়েছে তিনজন।

রবিবার রাত ৯টার দিকে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আলমডাঙ্গা থেকে ঢাকাগামী রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনটি চুয়াডাঙ্গা আসার সময় ঘোড়ামার ব্রিজের অদূরে ডাকাতির কবলে পড়ে। ডাকাত দল সড়কের পাশের গাছ ফেলে বেরিকেড দিয়ে গাড়ি চালককে জিম্মি করে যাত্রীদের সর্বস্ব লুটে নেয়। একইভাবে ঢাকাগামী চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহন, পূর্বাশা পরিবহন, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও পিকআপ ভ্যানসহ ২৫টি যানবাহনে লুটতরাজ চালায় ডাকাতদল।

ডাকাতির কবলে পড়া মাইক্রোবাসের যাত্রী সুভাষ চ্যাটার্জি জানায়, কুষ্টিয়া থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে পড়েন তারা। এসময় গাড়িতে থাকা তার স্ত্রী, বোন, মাসহ তাদের শরীরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে ডাকাতরা।

রয়েল এক্সপ্রেসের যাত্রী আমজাদ হোসেন জানান, সাত থেকে আটজন ডাকাত মুখবাধা অবস্থায় ডাকাতিতে অংশ নেয়। তাদের হাতে এসময় ধারালো অস্ত্র ছিল। ডাকাতরা রয়েল পরিবহনের চালক শামীম হোসেন ও একটি ট্রাকের হেলপার আব্দুল হামিদসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করেছে।

রয়েল পরিবহনের চালক শামীম হোসেন অভিযোগ করেন, প্রতিদিন ঘোড়ামার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের একটি টহল গাড়ি থাকার কথা থাকলেও ডাকাতির সময় কোনো পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে ছিল না। আর এ কারণেই প্রায় আধাঘণ্টা ধরে ডাকাতরা নির্বিঘ্নে তাণ্ডব চালায়।

চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম ডাকাতির শিকার যানবাহনের সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করে জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ইয়াবা ও ফেন্সিডিল আটক 

চুয়াডাঙ্গা, ১২ জানুয়ারি : চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯০০ টাকা মূল্যের ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেন্সিডিল আটক করেছে। মঙ্গলবার দিনগত রাতে এসব ইয়াবা ও ফেন্সিডিল পরিত্যাক্ত অবস্থায় আটক করা হয়। আটককৃত ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেন্সিডিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির পরিচালক মোহাম্মদ আমির মজিদ জানান, জেলার দামুড়হুদা উপজেলার মুন্সিপুর বিওপির টহল কমান্ডার সুবেদার জাহাঙ্গীর আলম গোপন সংবাদে ভিত্তিত্বে মঙ্গলবার দিনগত রাত আড়াই টার দিকে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী কুতুবপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠ নামক স্থানে ওৎপেতে থাকে। রাত ৩টার দিকে একজন লোক ১ টি ব্যাগ নিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশের দিকে আসতে দেখে তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে ব্যাগটি ফেলে রাতের অন্ধকারে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তখন টহল দল ব্যাগটি পরিত্যক্ত অবস্থায় আটক করে ব্যাগের ভিতর থেকে ২ হাজার ৪৫ টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

অপরদিকে, বুধবার সকাল ৬টার দিকে দামুড়হুদার নিমতলা বিওপির টহল কমান্ডার হাবিলদার মুঞ্জুর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে দামুড়হুদার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের মাঠ থেকে ১১৫ বোতল ফেন্সিডিল আটক করে।

এছাড়া, ভোর ৪টার দিকে একই উপজেলার সুলতানপুর বিওপির টহল কমান্ডার নায়েক শ্রী বীরেন্দ্র নাথ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে দামুড়হুদার ঝাঝাডাঙ্গা গ্রামের বাবলাতলা মাঠ থেকে ৯৬ বোতল ফেন্সিডিল আটক করে।

তিনি আরো জানান, আটককৃত ইয়াবা ও ফেন্সিডিলের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯০০ টাকা। এসব ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেন্সিডিল চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে জমা দেওয়া  হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চুয়াডাঙ্গায় ডাকাতদের ছোড়া বোমায় কৃষক নিহত 

চুয়াডাঙ্গা, ৫ জানুয়ারি : চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুলপালা গ্রামে ডাকাত দলের ছোড়া বোমায় নাসির উদ্দীন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে কুলপালা গ্রামের বিলপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।

নিহত নাসির উদ্দীন কৃষক বলে জানা গেছে। তিনি কুলপালা গ্রামের মৃত বাদল মন্ডলের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাতে কৃষক নাসির উদ্দীনের বাড়ির পেছনে ৮/১০ জনের একটি ডাকাত দল অবস্থান করছিলো। তাদের দেখতে পেয়ে নাসির উদ্দীনের পরিবারের সদস্যরা চিৎকার করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ডাকাতরা বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে একটি বোমা ছুড়ে। নাসির উদ্দীন গুরুতর আহত হয়। এ সময় প্রতিবেশীরা প্রতিহতের চেষ্টা করলে ডাকাতরা আরেকটি বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে লিটন নামে আরেকজন আহত হন। পরে এলাকাবাসী আহত দু’জনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসির উদ্দীনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর পরই পুলিশের বেশ কয়েকটি ইউনিট কুলপালাসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করলেও ডাকাত দলের কোনো সদস্যকে আটক করতে পারেনি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

স্কুলের লোগোর জায়গায় ভারতীয় নায়িকার ছবি! 

চুয়াডাঙ্গা, ২২ ডিসেম্বর : চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে স্কুলের লোগোর জায়গায় ভারতীয় নায়িকা ইলিয়ানা ডি’ক্রুজের ছবি। শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এ কারণে বিদ্যালয়টির সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের রুচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রায় তিন বছর আগে অধীন কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য ওয়েবসাইট প্রকল্প প্রণয়ন, অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন করে। এতে কারিগরি সহযোগিতা দেয় সেফরন করপোরেশন লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ভাংবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (http://bhangbariasecondaryschool.jessoreboard.gov.bd/) গেলে বিদ্যালয়ের নামের পাশে ‘লোগো’ জায়গায় ভারতীয় নায়িকা ইলিয়ানা ডি’ক্রুজের ছবি ভেসে ওঠে। এ ছাড়া ওয়েব পোর্টালটিও তেমন স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

ওয়েবসাইটটি বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবকের কথা হয়। বিষয়টি শুনে সবাই বিস্মিত। এ জন্য তাঁরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক শিক্ষকের খামখেয়ালিপনাকে দায়ী করেছেন।

ভাংবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছাড়াও জেলার অন্তত ২০টি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে আজ ঢুঁ মারা হয়। যার মধ্যে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে নিজস্ব লোগো এবং ছয়টিতে শিক্ষা বোর্ডের লোগো সংযোজন করা হয়েছে।

ভাংবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল লতিফ বলেন, প্রায় তিন বছর আগে ওয়েবসাইটটি তৈরি করা হয়। তখন থেকেই লোগোর জায়গায় নায়িকার ছবি রয়েছে। এ ব্যাপারে তাঁর কাছে কেউ কখনো কোনো আপত্তি তোলেননি। লোগোটি কার সিদ্ধান্তে, কীভাবে, কে বসিয়েছেন—জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, কম্পিউটার (তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি) শিক্ষক ইয়াসমিন আরা সেটা বলতে পারবেন।

পরক্ষণেই তিনি জানান, শিক্ষক ইয়াসমিন আরা সেভাবে কম্পিউটারের কাজ বোঝেন না। বাইরের দোকান থেকে ওয়েবসাইটের তথ্য হালনাগাদ করা হয়। সম্ভবত ওই দোকান থেকে নায়িকার ছবি সংযোজন করা হতে পারে। আজ বিকেলে ইয়াসমিন আরার মোবাইলে ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

একপর্যায়ে এই প্রতিবেদককে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘যদি সমস্যা মনে করেন, তাহলে ছুটি শেষে বিদ্যালয় খুললে স্কুলের লোগো বসানো হবে।’

মুঠোফোনে বিষয়টি জানানো হলে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল আলীম বিস্ময় প্রকাশ করেন। বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক আহসান হাবীব ভাংবাড়িয়া বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের রুচি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং নিন্দা জানান।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

স্কুলছাত্র হত্যা মামলার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত 

35

চুয়াডাঙ্গা, ২০ অক্টোবর : চুয়াডাঙ্গার স্কুলছাত্র সজিবকে অপহরণের পর হত্যা ও গুম মামলার আসামি সবুজ (২৮) ও শাকিল (২৪) র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোর রাত পৌনে ৩টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার পরানপুর বেলেমাঠপাড়ার পাকা রাস্তার পুকুরের পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় র‌্যাবের ২ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটা দেশী শার্টারগান, একটি রিভলবার, চার রাউন্ড গুলি ও দুইটি ধারালো হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত সবুজ দামুড়হুদা উপজেলা শহরের মৃত হামিদুল ইসলামের ও শাকিল একই এলাকার আব্দুল কাদের মণ্ডলের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, বুধবার মধ্যরাতে র‌্যাবের একটি টহল দল চুয়াডাঙ্গায় টহলে বের হয়। এরপর বৃহস্পতিবার ভোর রাত পৌনে ৩টার দিকে র‌্যাবের ওই দলটি দামুড়হুদার দর্শনা পৌরসভার পরানপুর বেলেমাঠপাড়ার পাকা রাস্তার পুকুরের পাড় এলাকায় চেকপোস্ট বসায়। এসময় বেশ কয়েক জনকে দেখে চ্যালেঞ্জ করলে তারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে র‌্যাবের দুই সদস্য শাহিন ও শামিম আহত হয়।

এরপর ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে শাকিল ও সবুজকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দামুড়হুদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, চার রাউন্ড গুলি ও দুটি ধারালো হাসুয়া উদ্ধার করা হয়।

ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর উপ-পরিচালক মেজর মনির আহমেদ জানান, নিহত দুইজনই দামুড়হুদায় চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র সজিবকে অপহরণ, খুন ও গুমের এজাহারনামীয় আসামি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সেপটিক ট্যাংক থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার 

3

চুয়াডাঙ্গা, ৩১ আগস্ট : অপহরণের ৩২ দিন পর চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থেকে স্কুলছাত্র মাহফুজ আলম সজিবের মরদেহ উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সিঅ্যান্ডবি পাড়ার একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সজিব দামুড়হুদা উপজেলার দশমী পাড়ার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং চুয়াডাঙ্গা ভি জে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র।

র‌্যাব জানায়, সজিব অপহরণের পর থেকেই তাকে উদ্ধারে র‌্যাব অভিযান চালাতে থাকে। মঙ্গলবার রাতে র্যাব নিশ্চিত হয় যে চুয়াডাঙ্গার আলুকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার রকিবুল ইসলামের চুয়াডাঙ্গা শহরের সিঅ্যান্ডবি পাড়ার একটি বাড়ির সেপটিক ট্রাংকের ভেতরে সজিবকে হত্যার পর লাশ গুম করে রাখা হয়েছে। এরপরই তার মরদেহ উদ্ধারে অভিযান শুরু করা হয়।

ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক মেজর মনির আহম্মেদ জানান, হত্যার পর লাশ গুম করতেই ওই বসতবাড়ির সেপটিক ট্রাংকের ভেতরে তাকে ফেলে রেখে মুখ আটকিয়ে রাখা হয়। দোষীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সজিবের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দামুড়হুদায় কৃষি মেলা দেখতে গিয়ে অপহৃত হয় সজিব। এর একদিন পর তার মুক্তিপণ বাবদ ২০ লাখ টাকা দাবি করে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কিশোর নিহত 

সীমান্তে বি এস এফ বাংলাদেশ জীবন নগরে

চুয়াডাঙ্গা :  চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের গোয়ালপাড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি এক কিশোর নিহত হয়েছে। আজ শনিবার সকালের দিকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিস্তারিত আসছে…

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগ নেতা খুন 

36666

চুয়াডাঙ্গা, ১২ মার্চ : চুয়াডাঙ্গা শহরের ফেরিঘাট রোড এলাকায় উপুর্যপুরি কুপিয়ে ভুলু (২৪) নামের এক ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় আকাশ (২০) নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে ফেরিঘাট রোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ভুলু শহরের জ্বিনতলা পাড়ার খবির উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতাবস্থায় আকাশকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আলমডাঙ্গায় জেলেদের জালে বিরল প্রজাতির মাছ 

আলমডাঙ্গায় জেলেদের জালে বিরল প্রজাতির মাছ

চুয়াডাঙ্গা, ৮ মার্চ : চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমার নদী থেকে বিরল প্রজাতির একটি মাছ ধরেছেন স্থানীয় জেলেরা।

মঙ্গলবার সকালে মাছ শিকারের সময় জেলেদের জালে মাছটি উঠে আসে। খবর পেয়ে শ’ শ’ মানুষ মাছটিকে দেখার জন্য ভীড় করে।

আলমডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক আবু হোসেন জানান, সকালে বিরল প্রজাতির মাছটি ধরা পড়ার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। ধরা পড়া মাছটি ‘সাকার ফিস’। এটি বিরল প্রজাতির একটি মাছ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ 

589

চুয়াডাঙ্গা, ২৫ ফেব্রুয়ারি : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার নিমতলা সীমান্ত থেকে লিয়াকত আলী (২৮) নামে এক বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বুধবার রাত ৮টার দিকে সীমান্তের ৭৪নং মেইন পিলারের কাছ থেকে তাকে আটক করে বিএসএফ।

লিয়াকত আলী জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে।

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আমির হামজা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লিয়াকত আলী অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে ১১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্পের টহল দল তাকে ৩৬ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে। এরপর রাতেই তাকে ফেরত চেয়ে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বিএসএফ জানিয়েছে, আটক লিয়াকত আলীকে কৃষ্ণগষ্ণ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এখন তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ফেরত আসতে হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১ 

13-12

মেহেদী হাসান, চুয়াডাঙ্গা, ৭ ফেব্রুয়ারি : চুয়াডাঙ্গার-ঝিনাইদহ সড়কের সরোজগঞ্জ নবিননগর স্থানে বিচালী ভর্তি পাওয়ারট্রিলার উল্টে রান্নু (৩০) নামের এক ব্যবসায়ী নিহত ও পাওয়ারট্রিলার চালক শরিফুল(৫০)গ্রুরুতর আহত হয়েছে। নিহত রান্নু ঝিনাইদহ সদর উপজেলার তেতুলবাড়ীয়ার আতর আরীর ছেলে এবং আহত শরিফুল একই গ্রামের আজিবরের ছেলে। শরিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, শনিবার দিবাগত রাতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার তেতুল বাড়ী গ্রামের আতর আরীর ছেলে রান্নু এবং একই গ্রামের আজিবরের ছেলে শরিফুল পাওয়ারট্রিলারে বিচালী ভর্তি করে বিক্রি করার জন্য ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গায় আসছিল। পথি মধ্যে রাতে সরোজগঞ্জ নবিননগর নামক স্থানে পৌঁছালে বিচালি ভর্তি পাওয়াট্রিলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে উল্টে যায়। এসময় চালক শরিফুল গাড়ী থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর জখম হলেও পাওয়ারট্রিলারের উপরে বসে থাকা ব্যবসায়ী রান্নু বিচালী ভর্তি পাওয়ারট্রিলারের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়। এদিকে রাস্তায় টহলরত র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আহত শরিফুলকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত রান্নুর লাশ উদ্ধার করে। পরে রাত ২টার দিকে রান্নুর পরিবারের কাছে তার লাশ হস্তান্তর করে। এদিকে আহত শরিফুল প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে রাতেই বাড়ী চলে যায়।

সরোজগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আজিজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সন্ত্রাসীদের গোপন বৈঠকে পুলিশের হানা, পিস্তল ও গুলি উদ্ধার 

1-1

মেহেদী হাসান, চুয়াডাঙ্গা, ৪ জানুয়ারি : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার দর্শনা দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাশেদের বাড়ী থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে এগুলো উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বুধবার দিবাগত রাতে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের  খয়ের মন্ডলের ছেলে ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাশেদের বাড়ীতে একদল সন্ত্রাসী শহরের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসীমূলক কার্যক্রম সংগঠিত করার জন্য গোপন বৈঠক করছিল। খবর পেয়ে দর্শনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ফেরদৌস ওয়াহিদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সন্ত্রাসী রাশেদের দক্ষিনচাঁদপুর গ্রামের বাড়ী অভিযান চালায়। এসময় রাশেদ ও তার সঙ্গীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ রাশেদের বাড়ী তল্লাশী করে এক রাউন্ডগুলিসহ একটি বিদেশী পিস্তল ও সন্ত্রীদের ফেলে যাওয়া একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

দর্শনা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, রাশেদ এলাকার এক সময়ের ত্রাস বিল্লাল বাহিনীর অন্যতম সদস্য। গত কয়েক বছর হলো বিল্লাল পুলিশের ক্রসফায়ারে মারা যাবার পর রাশেদ নতুন করে বাহিনী গঠন করে এলাকায় চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ রাশেদসহ বেশ কয়েকজনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শিক্ষককে গলা কেটে ও যুবককে পিটিয়ে হত্যা 

kupiye-jokhom

চুয়াডাঙ্গা, ৩ ফেব্রুয়ারি : চুয়াডাঙ্গায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে গলা কেটে ও যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে শিক্ষক আবু বক্করকে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর তিনি মারা যান। একই রাতে যুবক হান্নানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

পৃথক হত্যার ঘটনা দুটি ঘটেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের ফার্মপাড়া ও হকপাড়ায়।

পুলিশ ও এলাকাসূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা হকপাড়ার বৃদ্ধ আবুবক্কর (৭৩) গাইদঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ছিলেন। ২০০০ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার রাতে তিনি নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত পৌনে ২টার দিকে পাশের ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে মেয়ে আয়েশা বেগম পিতার ঘরে ছুটে আসেন। দেখতে পান বৃদ্ধ পিতা রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন।তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়ার পর রাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা হকপাড়ার যুবক আবদুল হান্নানকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রবিবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান। তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, তাকে পিটিয়ে জখম করে হাসপাতালে নেয়া হয়। তার বন্ধু সুজন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দু’জনের লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে।

সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর