২৯ মে ২০১৭
সকাল ৮:০৩, সোমবার

দৌলতপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান

দৌলতপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান 

রোকনুজ্জামান, কুষ্টিয়া, ১৮ মে : কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মুসলিম নগর গ্রামের কৃতি শিক্ষার্থীদের নাবিল ফার্মেসী এন্ড মেডিকেল হলের সৌজন্যে সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট  প্রদান করা হয়েছে । ১৮/০৫/১৭ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মুসলিম নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠান কার্যক্রম শুরু হয়।

উক্ত অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১ নং প্রাগপুর ইউনিয়নেরর চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আশরাফুজ্জামান মুকুল সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিষকুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব ডাঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম, জে এমজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আশরাফুল ইসলাম নান্নু, ভেড়ামারা পি ডি বি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আঃ সালাম বিশ্বাস, সাবেক মেম্বার জনাব মোঃ একরাম হোসেন মন্ডল।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন এ টি ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জনাব আলহাজ্ব আলম হোসেন বিশ্বাস। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন নাবিল ফার্মেসীর সত্ত্বাধিকারী ডাঃ সাব্বির আহমেদ নিয়ামুল ও শিশির আহমেদ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার জনাব ডাঃ নাজমুল হুসাইন সাগর।  উক্ত অনুষ্ঠানে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত  কৃতি শিক্ষার্থী মুসতারী, আসাদুল্লাহ আল গালিব, ফারহানা তামান্না, তাসিরুল ইসলাম, সুরাইয়া ইয়াসমিন, সাদিয়া আফরিন ও শিশির আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা, একটি করে ক্রেস্ট ও শিক্ষা উপকরন বিতরন করা হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

দায়সারা ভাবে চলছে ভেড়ামারা ডিপি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় 

88

রোকনুজ্জামান, কুষ্টিয়া, ১৮ মে : সুন্দর গোছালো স্কুল। সরকারী নিয়মে সকাল ৯টা থেকেই শুরু হয় স্কুল। যথা সময়ে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত হন বিদ্যাপীটে। ক্লাসে বসে শিক্ষার্থীরা। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে শিক্ষকের জন্য। কিন্তু ক্লাসে যান না শিক্ষকরা। এমনকি নামও ডাকা হয় না কোমলমতি এসব শিক্ষার্থীদের। এ ভাবেই দায়সারা ভাবে চলছে ভেড়ামারার ডিপি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। যা দেখার বা ব্যবস্থা নেওয়ার কেউ নেই।

ভেড়ামারা শহর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পূর্বে ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের মসলেমপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ডিপি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। গতকাল বুধবার সকাল ১১টা ১২ মিনিটে সরেজমিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দেখা গেছে স্কুলের ভিন্ন চিত্র। স্কুলের কোমলমতি শিক্ষর্থীরা ক্লাসের বাহিরে এবং ভিতরে হৈই চৈই করতে ব্যাস্ত। ৫ জন শিক্ষকের স্থলে ৩ জন শিক্ষক এক রুমে বসে পারিবারিক আলাপে ব্যস্ত। কারোর কোন দিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। ১০টা ৫০ মিনিট থেকে ১১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত শিক্ষকদের ক্লাশে থাকার কথা থাকলেও শিক্ষকরা কেন ক্লাশে নেই এ প্রশ্নের কোন জবাব দিতে পারেনি শিক্ষকরা।

৫ম শ্রেণীর ক্লাশে প্রবেশ করে দেখা যায় প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী ক্লাশে অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হয় আজ কোন ক্লাশ হয়েছে কিনা। শিশু শিক্ষার্থীরা জানান, আজ কোন ক্লাশ হয়নি। এমন কি কোন শিক্ষক ক্লাশে এসেও কোন খোঁজ খবর নেননি। তাদের নামও ডাকা হয় নি। এমন ভাবেই চলছে এ বিদ্যাপীট।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে ২৭০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রধান শিক্ষক সহ এখানে শিক্ষক ৫ জন। এরমধ্যে ৩ জন মহিলা শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান এবং ইনতাজ আলী স্কুলে না গিয়ে ফুটবল খেলার মাঠে অবস্থান করছেন। অন্য দিকে ৩ জন মহিলা শিক্ষক শামসুন নাহার, লাভলী ইয়াসমিন এবং উম্মে সালমা ক্লাশ বাদ দিয়ে এক রুমে বসে পারিবারিক আলাপে ব্যাস্ত সময় পার করছেন।

শিক্ষক লাভলী ইয়াসমিন জানান, আজ উপস্থিতি খুবই কম। যার কারনে শিক্ষার্থীদের নাম ডাকা হয় নি। নাম ডাকা হলেই শিক্ষার্থীরা পালিয়ে যায় এ কারনে আমরা নিয়ম করেছি স্কুল ছুটি দেওয়ার আগে নাম ডাকার। যাতে করে কোন শিক্ষার্থী স্কুল পালাতে না পারেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

ডিপি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে হ য ব র ল পরিবেশে। এমন বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় ভেড়ামারা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুদ করিমের কাছে। তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষ করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কাল ভোট, নিরাপত্তার চাদরে কুমিল্লা 

54

কুমিল্লা, ২৯ মার্চ : রাত পোহালেই শুরু হবে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে এ ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আজ বুধবার নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের ১০৩টি ভোট কেন্দ্রের ৬২৮টি বুথের জন্য ভোটের বাক্স পৌঁছানোর সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। এছাড়া এ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, নির্বিঘ্ন ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশন পুরো নগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলেছে। নিযুক্ত করা হয়েছে পুলিশ-র্যাব, বিজিবি, আনসার-ভিডিপিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৫ সহস্রাধিক সদস্য।

এদিকে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে গতকাল মঙ্গলবার প্রার্থীদের পক্ষে নগরীর কেন্দ্রস্থল কান্দিরপাড়সহ আনাচে-কানাচে ব্যাপক গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণসহ স্লোগানে আর মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে বিভিন্ন এলাকা। তবে কমিশনের নির্দেশনার পর কেন্দ্রীয় নেতা/বহিরাগতরা কুসিক এলাকা ছেড়ে যাওয়ায় গতকাল মেয়র পদে দুই দলের প্রার্থী ও তাদের নেতা-কর্মীরা দিনভর গণসংযোগ করেন।

অদৃশ্য শঙ্কায় সীমা ও সাক্কু: নির্বাচনটা নৌকা বনাম ধানের শীষ প্রতীকের হলেও  প্রতীকের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে প্রার্থীর নিজস্ব ব্যক্তিত্ব আর পরিচিতিও, দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজনও প্রভাবিত করতে চলেছে নির্বাচনকে। তাই অদৃশ্য শঙ্কায় রয়েছেন উভয় দলের প্রার্থী। আগামীকাল অনুষ্ঠেয় কুসিক নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচন করছেন মনিরুল হক সাক্কু। তিনি কুসিকের প্রথম মেয়র। ২০১২ সালে এ সিটির প্রথম   নির্বাচনে জাতীয় রাজনীতির কারণে বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি। তাই দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তিনি ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী সীমার বাবা আফজল খানের সঙ্গে লড়ে জিতেছিলেন। এবার তার সঙ্গে দলীয় প্রতীক নিয়ে লড়ছেন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া আঞ্জুম সুলতানা সীমা। তারও রয়েছে স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে ১৫ বছরের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা। তবে মেয়র পদে কার্যত বড় দুই দলের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি- এমন কথা বলছেন নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোটাররা।

শেষ মুহূর্তে জটিল হচ্ছে ভোটের অঙ্ক: কুসিক নির্বাচন ঘিরে শেষ মুহূর্তে ভোটের অঙ্ক আরো জটিল হচ্ছে। সরেজমিন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে। সাধারণ মানুষের মতে, মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণা ছিল প্রায় সমানে-সমান। তবে এবারের ভোটের অঙ্কের হিসাব শুধু একজন মেয়র নির্বাচিত করা নয়, এর ফল স্থানীয় রাজনীতির মানচিত্রেও বড় পরিবর্তন এনে দিতে পারে। এ সম্ভাবনা কিংবা আশঙ্কা ঘিরেই নির্বাচনের নেপথ্যের কুশীলবরা ভোটের অঙ্ক কষছেন চুলচেরা বিশ্লেষণ করেই। বিশেষ করে এ নির্বাচন উভয় প্রার্থী ও দলের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে সামনে চলে এসেছে।

সাক্কু ও সীমার বক্তব্য:বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু তার নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাদের প্রভাবের অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার আবারও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে ইসি এ সিটিকে সেমি ক্যান্টনমেন্টের মতো করে হলেও নির্বাচন সুষ্ঠু করবে একথা বলেছে। সাক্কু বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে পুলিশ, র্যাব কিছুই চাই না। আমি শুধু চাই সিটির জনগণ যেন কেন্দ্রে গিয়ে নিশ্চিন্তে ও নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা বলেন, এখানে নির্বাচনের সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে। দলীয় নেতাদের প্রভাবের বিষয়ে তিনি বলেন, তার (সাক্কু) অভিযোগ সঠিক নয়। নৌকার পক্ষে গণজোয়ার দেখে তিনি বিভিন্ন অভিযোগ তুলে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চান।

নৌকার প্রার্থীকে জাপার সমর্থন: কুসিক নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌকার প্রার্থী সীমাকে সমর্থন দিয়েছে জাতীয় পার্টি (এরশাদ)। মঙ্গলবার বিকালে নগরীর লাগোয়া আলেখারচর এলাকার একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এ সমর্থনের কথা জানান জাপা প্রেসিডিয়াম সদস্য এস.এম ফয়সাল চিশতি। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাপার কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাপার সভাপতি অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন এমপি, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বেগম রওশন আরা মান্নান এমপি প্রমুখ।

গণসংযোগ: গতকাল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাউকে কুসিক এলাকায় দেখা যায়নি। প্রচারণার শেষ দিনে আঞ্জুম সুলতানা সীমা স্থানীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে নগরীর বাখরাবাদ, গোবিন্দপুর, অশোকতলা, বিসিক শিল্পনগরী, মনোহরপুর, বাগিচাগাঁও, তালপুকুরপাড়, পালবাড়ি এলাকায় ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। সন্ধ্যায় নৌকার পক্ষে কুমিল্লা ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের বিশাল মিছিল বের করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মিছিলে মিছিলে নগরীর বিভিন্ন এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু নগরীর রানীরবাজার, মনোহরপুর, দক্ষিণ চর্থা, রেইসকোর্স, ঠাকুরপাড়া এলাকায় গণসংযোগ করেন। বিকালে তিনি দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে নগরীর নানুয়ার দিঘীর পাড়স্থ বাসভবনে বৈঠক করেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত 

68925

কুষ্টিয়া, ২৯ মার্চ : কুষ্টিয়ার মিরপুরে গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রফিকুল ইসলাম রফিক (৩৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, নিহত রফিকুল ডাকাত দলের সদস্য। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী থানায় ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে। এসময় বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলার কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের মশান কালিগাড়া ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র গুলি ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম রাজবাড়ী জেলার মাছপাড়া গ্রামের আজিজ শেখের ছেলে।

কুষ্টিয়া গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ছাবিরুল ইসলাম দাবি করেন, কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের কালিগাড়া ব্রিজের কাছে একদল ডাকাত মেইন সড়কে গাছ কেটে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। জবাবে পুলিশ ও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একপর্যায়ে ডাকাতদল পালিয়ে যায়।

পরে রফিককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি এলজি, ১ রাউন্ড গুলি, ২টি হাসুয়া ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছেন।

বুধবার সকালে লাশ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত 

কুষ্টিয়া, ১৭ মার্চ : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেলিম মোল্লা নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার শেহালা আদাবাড়িয়া মাঠের বাঁধা বটতলায় এ বন্দুকযুদ্ধ হয়।

নিহত সেলিম মোল্লার (৩২) বাড়ি উপজেলার মধুগাড়ী গ্রামে। পুলিশের দাবি, সেলিম ডাকাত দলের সদস্য। বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশের তিন সদস্যও আহত হয়েছেন।

কুষ্টিয়া ডিবি পুলিশের ওসি সাব্বিরুল ইসলাম জানান, ডাকাতির উদ্দেশ্যে বাঁধা বটতলায় একদল ডাকাত গোপন বৈঠক করছে- এমন খবরে অভিযানে যায় পুলিশ।

উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ৩০ মিনিট চলা বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে ডাকাতেরা পিছু হটে।

পরে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সেলিম মোল্লাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২টি এলজি সার্টারগান, ২টি ছোরা, গুলি ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

সেলিমের বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি সাব্বিরুল।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুষ্টিয়ায় বাস উল্টে পুকুরে, নিহত ২ 

3751

কুষ্টিয়া, ১১ মার্চ : কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে পার্শ্ববর্তী পুকুরে পড়ে ২ জন নিহত ও অন্তত ৪৮ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার ভোর ৪টার দিকে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কে উপজেলার সাত মাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আব্দুল মজিদ খলিফা (৬৫) ও ওমেদ আলী (৬৩)। তাদের বাড়ি কুড়িগ্রামে

মিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) আকতারুজ্জামান জানান, বাসটি যাত্রী নিয়ে কুড়িগ্রাম থেকে পিরোজপুরে যাচ্ছিল। ভোর ৪টার দিকে ওই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যায়।

এতে অন্তত ৫০ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর দায়িত্বরত চিকিৎসক দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত অন্যদের সেখানেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ৪৮ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত 

3888

ঢাকা, ১০ মার্চ : কুষ্টিয়ার খোকসায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার শিমুলিয়ায় গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিন্টু (৩০) আন্তজেলা ডাকাতদলের চিহ্নিত সদস্য বলে পুলিশের ভাষ্য।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ছাবিরুল আলম জানান, রাত ২টার দিকে শিমুলিয়া ব্রিজের কাছে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির প্রস্তুতি চলছিল। খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সেখানে গেলে ডাকাতদল গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি করলে বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে মিন্টু আহত হন। এ সময় অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ মিন্টুকে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুটি রিভলবার, তিনটি গুলি, একটি গাছ কাটার করাত ও তিনটি রামদা উদ্ধার করেছে। নিহতকে শনাক্ত করার পর জানা যায়, তার নাম মিন্টু। বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশার উপজেলায়। মিন্টু আন্তজেলা ডাকাতদলের চিহ্নিত সদস্য। বন্দুকযুদ্ধে এএসআই নিহার রঞ্জনসহ তিন পুলিশ আহত হলে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় বলে জানান ওসি ছাবিরুল।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ছুটি না পেয়ে কনস্টেবলের আত্মহত্যা 

কুষ্টিয়া, ১৬ ফেব্রুয়ারি : কুষ্টিয়ায় কামাল হোসেন চৌধুরী (৪৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ছুটি না পাওয়ায় হতাশা থেকে তিনি এ আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার মধ্যরাতে কামাল অনেকগুলো ঘুমের বড়ি সেবন করে। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের লোকজন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে তিনি মারা যান।

নিহতের বোন সীমা চৌধুরী জানান, কামাল দীর্ঘদিন থেকে মেরুদণ্ডের ব্যথায় ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার আশায় ভারতে যাওয়ার জন্য ছুটি চেয়েছিলেন তিনি। ছুটি না মেলায় বিষন্নতা থেকে আত্মহত্যা করেছেন।

কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) অপারেশন ওবাইদুর রহমান জানান, তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে ছুটি নিয়ে বাড়ি এসেছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুষ্টিয়ায় আ’লীগের সংঘর্ষে নিহত ১ 

কুষ্টিয়া, ৩ ফেব্রুয়ারি : কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে ইদ্রিস আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের মঠপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়। নিহত ইদ্রিস আলী একই গ্রামের মৃত গফুর মেম্বারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আফজাল হোসেনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই জের ধরে শুক্রবার সকালে জমির ভাগ- বাটোয়ারা নিয়ে আবদুল কাদের পক্ষের শাহজাহান ইসলামের সঙ্গে আফজাল পক্ষের সমর্থক ইসমাইলের কথা কাটাকাটি হয়।

পরে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয়পক্ষের অনুসারিরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আফজাল হোসেন পক্ষের সমর্থক ইদ্রিস আলী ফালার আঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সদর থানার ওসি (তদন্ত) রবিউল ইসলাম জানান, ইদ্রিস আলীর লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

অস্ত্র হাতে রাস্তায় যুবলীগ নেতার ফেসবুক লাইভ 

কুষ্টিয়া, ২৪ জানুয়ারি : কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমুল ইসলাম ছানার শর্টগানের ফায়ারিংয়ে বিয়ের আনন্দ উদযাপনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এবার ভাইরাল হলো উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শাফির ভিডিও।

সোমবার রাত ১২টার দিকে শাফি তার সমর্থকদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্র হাতে খোকসা বাজারে স্থানীয় এমপি ও যুবলীগ নেতাকে মারধোর করার জন্য অবস্থান নিয়েছে বলে ফেসবুক লাইভে ভিডিও প্রচার করেন।

তার ফেসবুকে আপলোড ভিডিওতে দেখা যায়, এই যুবলীগ নেতা রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন আর লাইভে কথা বলছেন। তার সাথে রয়েছেন যুবলীগ কর্মীরা।

দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোটা নিয়ে তিনি বলছেন, এমপি (স্থানীয় এমপি আব্দুর রউফ) ও কানাকে (যুবলীগের আহ্বায়ক আল মাসুম মোর্শেদ শান্ত) খোঁজা হচ্ছে। তাদের না পেয়ে রাস্তায় অবস্থান করছি।’

এমন ভিডিওবার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়লে কুষ্টিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

শাফির নিজ ফেসবুকে ভিডিওবার্তার নিচে বেশ কয়েকজনকে কমেন্টস করতে দেখা গেছে।

সেলিম রেজা নামের শাফির এক বন্ধু লিখেছেন- ‘কানা ….. (প্রকাশের অযোগ্য) বাচ্চাকে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে।’

আরজে জায়েদ নামের আরেকজন লিখেছেন- ‘এগিয়ে যান আমরা আছি আপনার সাথে।’

এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।’

সম্প্রতি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা যুবলীগের ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ। গত ৯ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত এক বিবৃতির মাধ্যমে আল  মাসুম মোর্শেদ শান্তকে আহ্বায়ক এবং আব্দুল মান্নান ও বাপ্পী বিশ্বাস রাজুকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট খোকসা উপজেলা যুবলীগের অনুমোদন দেন। আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদনপত্র গত সোমবার নেতৃবৃন্দের হাতে তুলে দেয়ার সময় স্থানীয় এমপি আব্দুর রউফ উপস্থিত ছিলেন।

এ কমিটিতে বাদ পড়েন নেতা শাফি ও তার অনুসারীরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শাফি ও তার অনুসারীরা অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নেমে এমপি ও নতুন কমিটির নেতাদের খুঁজতে থাকেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমুল ইসলাম ছানা তার ভাতিজির বিয়ের আনন্দ উদযাপন করে শর্টগানের ফায়ারিংয়ে। সেই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দেশ জুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।-যুগান্তর

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হত্যার অনুমতি চেয়ে আবেদন! 

কুষ্টিয়া, ২১ জানুয়ারি : ‘দুই ছেলে ও এক নাতি দুরারোগ্য ডুসিনি মাসকুলার ডিসট্রোফি রোগে আক্রান্ত। এদের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সব শেষ হয়ে গেছে। দুমুঠো ভাত জোগাড় করতেই যেখানে হিমশিম, সেখানে তাদের চিকিৎসার ব্যয়ভার আর টানা সম্ভব হচ্ছে না। কোনো পথ না পেয়ে ওষুধের মাধ্যমে তাদের মেরে ফেলার অনুমতি দেন অথবা তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন।’

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ড বেড়পাড়া এলাকার কাথুলী সড়কের বাসিন্দা মো. তোফাজ্জেল হোসেন এভাবেই তাঁর দুই ছেলে ও এক নাতির মৃত্যুর অনুমতি চেয়ে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। তোফাজ্জেল জেলা শহরে বড় বাজার এলাকায় একটি টং ঘরে ফল বিক্রি করেন।

আবেদনের ব্যাপারে জানতে চাইলে শনিবার বিকেলে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক) মো. খায়রুল হাসান বলেন, আবেদন পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে তোফাজ্জেলের বাড়িতে যান তাঁরা। বিষয়টি খুবই বেদনাদায়ক। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে।

আজ বিকেলে মুঠোফোনে তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, তাঁর বড় ছেলে আবদুস সবুর (২২) ১০ বছর বয়সে ডুসিনি মাসকুলার ডিসট্রোফি রোগে আক্রান্ত হয়। সে পায়ের শক্তি হারিয়ে ফেলে। বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়, কয়েক বছর আগে সে শারীরিক ক্ষমতা হারিয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে। ছোট ছেলে রাহিনুল ইসলামের (১৩) শরীরে আট বছর বয়সে এই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। এক বছর আগে একমাত্র মেয়ের ছেলে সৌরভ হোসেনের শরীরেও একই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়।

তোফাজ্জেল বলেন, তাঁর বয়স শেষ হয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর পর কে দেখবে—এমন কথা চিন্তা করে তিনি দুই ছেলে ও নাতির মৃত্যুর জন্য আবেদন করেছেন। তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী শিরীনা খাতুন মানসিক প্রতিবন্ধী। মেয়ে উম্মে সালমার বিয়ে দিয়েছিলেন। কয়েক বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটার পর সে বাবার বাড়িতেই থাকছেন।

শহরের প্রাণকেন্দ্র বড়বাজারে তোফাজ্জেলের একটি দোকান ছিল। শুধু দেশেই নয়, ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে দুই ছেলের চিকিৎসা করিয়েছেন। এখন সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তো দূরের কথা সংসার চালানোর মতো সক্ষমতাও এখন তাঁর নেই।
তোফাজ্জেল বলেন, এখনো ওই রোগের কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের সব অংশের মাংসপেশীই আস্তে আস্তে জমাট বেঁধে যাবে। চলাফেরা বন্ধের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলার শক্তিও হারিয়ে যাবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে যন্ত্রণাও।

জেলা প্রশাসনের কাছে লেখা আবেদনে তোফাজ্জেল বলেছেন, দুই ছেলে ও এক নাতির কষ্ট দেখে মাঝে মাঝে আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে হয় তাঁর।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১ 

02

কুষ্টিয়া, ২৯ ডিসেম্বর : রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হয়েছে।

পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার চন্দনী ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানান, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাতদলের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে এক ডাকাত নিহত হয়। নিহতের লাশ উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

অপহরণের ৬দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার, গ্রেফতার-১ 

1

রোকনুজ্জামন, কুষ্টিয়া, ২৮ ডিসেম্বর : অবশেষে অপহৃত যুবকের লাশ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে। অপহরণের ৬দিন পর গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮ টার দিকে ভেড়ামারার ১২ মাইল পদ্মা নদীর তীর থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবকের নাম ইমরান হোসেন (২২)। সে উপজেলার বারো মাইল টিকটিকি পাড়া গ্রামের ইয়ারুল ইসলাম চান্দু’র পুত্র। সে পেশায় একজন ষ্টীয়ারিং ট্রলির চালক। অপহরনের পর ভেড়ামারা থানায় একটি মামলাও দায়ের করেছিল অপহৃতের পরিবার। এ ঘটনায় ভেড়ামারা থানা পুলিশ রওশন আলী নামের এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৩ ডিসেম্বর নিজবাড়ি থেকেই অপহৃত হয় ইমরান হোসেন। এ ঘটনায় ওই দিনই নিহতের মাতা শেফালী খাতুন বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে ভেড়ামারা থানায় একটি মামলা দায়ের করে। আসামীরা হচ্ছে বারো মাইল গ্রামের ইয়াসিন আলীর পুত্র হাসান ও হারুন, এবং একই এলাকার আব্দুর রশিদ এর পুত্র রহিম ও রওশন। ২৪ ডিসেম্বর ভেড়ামারা থানা পুলিশ রওশনকে গ্রেফতার করে। এরপর থেকেই পুলিশ অপহৃত ইমরান কে উদ্ধার করতে অভিযান শুরু করে। গতকাল সকালে পদ্মী নদীর তীরে নিহত ইমরানের লাশ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ভেড়ামারা থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভেড়ামারা মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ নূর হোসন খন্দকার জানিয়েছেন, নিহত ইমরান কে অপহরণের পরই গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ফেলে দেওয়া হয় পদ্মা নদীতে। পুলিশ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রেখেছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কুষ্টিয়ায় ট্রাক উল্টে নিহত ৩ 

0oayv1si-copy

কুষ্টিয়া, ২০ ডিসেম্বর : কুষ্টিয়া শহরে ভুট্টাবোঝাই ট্রাক উল্টে তিন জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যাযনি।

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষ যোগ দিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে। এ সময় কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটারের বেশি এলাকায় যানজট তৈরি হয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহাবুদ্দিন চৌধুরী জানান, ভুট্টাবোঝাই ট্রাকটি ঝিনাইদহ থেকে কুষ্টিয়া শহরের দিকে আসছিল। পথে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটো রিক্সাকে চাপা দেয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

দারুত কোরআন আর্দশ মাদ্রাসায় অনুদান 

11

রোকনুজ্জামন, কুষ্টিয়া, ১৯ ডিসেম্বর : কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার ইসলামী শিক্ষার অনান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুত কোরআন আর্দশ ইসলামীয়া মাদ্রাসায় নগদ ১ লক্ষ টাকা অনুদান দিলেন ধরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুল আলম লালু।

সোমবার সকাল ১১টায় ধরমপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গাপুলস্থ মাদ্রাসায় অনাড়ম্বর পূর্ন এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মাওলানা আব্দুল হান্নানের হাতে এ অর্থ তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা জাসদের জন সংযোগ বিষায়ক সম্পাদক নবীর উদ্দীন, ধরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার নজরুল ইসলাম, সা’দ আহম্মেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম সহ স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর