২০ আগস্ট ২০১৭
সন্ধ্যা ৭:৪৭, রবিবার

আজ ভোলার সেই ভয়াল ১২ নভেম্বর

আজ ভোলার সেই ভয়াল ১২ নভেম্বর 

988

ভোলা, ১২ নভেম্বর : আজ সেই ভয়াল ১২ নভেম্বর। উনিশ’শ সত্তরের ১২ নভেম্বর ভোলা চট্টগ্রাম নোয়াখালী লক্ষ্মীপুর পটুয়াখালী সহ দেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনেছিল ভয়াল এক গোর্কি। এর আঘাতে প্রাণ হারিয়েছিল ভোলাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ। সেই দিনটির কথা মনে পড়লে আজো আঁতকে ওঠে এ অঞ্চলের মানুষ। ঘটনার এতদিন পরও জলোচ্ছ্বাস আতঙ্ক তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে উপকূলবাসীকে।

৪৬ বছর আগের এই দিনে এক রাতের ব্যবধানে ভোলার চার ভাগের একভাগ মানুষ নিমিষে নিঃশেষ হয়ে যায়। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয় এখানকার বিস্তীর্ণ জনপদ। সাগর পাড়ের মনপুরা, কুকরী-মুকরী ঢালচরসহ ছোট ছোট দ্বীপচর এবং নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোর বেশিরভাগ মানুষই প্রাণ হারায়। এমনকি ভোলা শহরও গোর্কির ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি।

তখন পত্রিকার শীর্ষ সংবাদ শিরোনাম হয়েছিল ‘ভোলার গাছে গাছে ঝুলছে লাশ’। গোটা এলাকা পরিণত হয়েছিল মানুষ আর গবাদিপশু’র লাশের স্তূপে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, মা তার প্রিয় সন্তানকে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সত্তরের সেই বিষাদ আর যন্ত্রণাময় স্মৃতি নিয়ে এখনো দিন কাটছে গোর্কির মুখ থেকে বেচে আসা মানুষগুলো।

১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর গোর্কির প্রত্যক্ষ সাক্ষী ভোলার প্রবীণ সাংবাদিক আবু তাহের, মেঘনা তীরবর্তী ভোলার দৌলতখান উপজেলার চরপাতা গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুল হক, মো. আবু তাহের, হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার। বিকাল থেকেই টিপ টিপ বৃষ্টি হচ্ছিল । অনেকেই রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পরেছিল। রাত ১১ টার পর থেকে পাহাড়সম উচ্চতায় ধেয়ে আসে পানি। এরই মধ্যে উড়িয়ে নিয়ে যায় বহু ঘড়ের চালা। কে কোথায় ভেসে যায় তার কোন হদিস ছিল না। পরদিন শুধু লাশ আর লাশ। লাশ দাফন করার জায়গাও ছিল না। জায়গার অভাবে গণকবর দেয়া হয়েছিল সেদিন।

১২ই নভেম্বরের ৩ দিন পরেও পাওয়া যাচ্ছিল মানুষের লাশ। ঘটনার ৩ দিন পর বিশ্ববাসী জেনেছিল এ খবর। প্রতিবছর ১২ নভেম্বর এলে এই উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দিনটিকে গভীর শোক ও আতঙ্কের সাথে স্মরণ করে। কেননা প্রত্যেকেই হারিয়েছিলেন তাদের একাধিক প্রিয় স্বজনকে। উপকূলীয় অঞ্চলে এখনো পর্যাপ্ত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মিত হয়নি। ফলে যে কোন ঘূর্ণিঝড়ে এখনো প্রাণ হানীর ঘটনা ঘটছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা ভোলায় ১০ জেলে আটক 

75

ভোলা, ১৫ অক্টোবর : নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোলা ও চরফ্যাশনসহ দুই উপজেলার মেঘনায় মাছ ধরার অপরাধে অভিযানের তৃতীয় দিনে ১০ জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগ। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার ইলিশা থেকে ভোলার খাল পর্যন্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। এ সময় ৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ২০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।

ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের একটি টিম শুক্রবার সকালে ভোলা সদরের ইলিশা থেকে ভোলার খাল পর্যন্ত এলকার মেঘনা নদীতে অভিযান চালায়। এ সময় অবৈধভাবে মাছ ধরার অপরাধে ৮ জেলেকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে ৪ জেলেকে এক বছর করে ও ৩ জনকে ১৮ দিন করে কারাদ- দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দ-প্রাপ্তরা হলেনÑ সুমন, শরিফ, রুবেল, ইউনুছ, মোঃ কামাল, মিলন ও আবু।

মাগুরায় জাল জব্দ

নিজস্ব সংবাদদাতা মাগুরা থেকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে মধুমতি নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় দুই হাজার মিটার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে কোন জেলেকে আটক করা যায়নি। এ জালের মূল্য ২ লাখ টাকা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মনপুরায় ট্রলারসহ ১৫ মাঝি অপহৃত 

1474176852

ভোলা, ১৮ সেপ্টেম্বর : ভোলার মনপুরার মেঘনায় নদী থেকে ট্রলারসহ ১৫ মাঝিকে অপহরণ করেছে জলদস্যু সম্রাট আলাউদ্দিন বাহিনী। অপহূত মাঝিদের ও ট্রলারটি ছাড়িয়ে আনতে জলদস্যু বাহিনীর প্রধান জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দারি করেছে বলে আড়তদার ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে। শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিবে এই ঘটনা ঘটে।

অপহৃতদের মধ্যে ১১ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- সুজন মাঝি, জামাল মাঝি, আলাউদ্দিন মাঝি, শাহআলম মাঝি, লোকমান মাঝি, জাফর মাঝি, সেলিম মাঝি, ইলিয়াছ মাঝি, জাহাঙ্গীর মাঝি, শাহাবউদ্দিন মাঝি ও আবদুল হাই।

জলদস্যুদের ধরতে হাতিয়া জোনের কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রেখেছেন বলে কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে। রবিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত এখনও অপহৃত মাঝিদের ও ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

রামনেওয়াজ ঘাটের মত্স্য আড়ত ও স্থানীয় আহত জেলে সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনকার ন্যায় মাঝিরা বদনার চর সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ইলিশ মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেন। এসময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা হাতিয়ার জলদস্যু বাহিনীর প্রধান আলাউদ্দিন, কৃষ্ণ, রুবেল ও আরিফ বাহিনী জাগলার চর থেকে ট্রলার দিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও ছড়াগুলি ছুড়ে জেলেদের চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে। পরে জলদস্যুরা তাদের জিম্মি করে প্রতি ট্রলার ১৫ জন মাঝিকে হাতিয়ার দিকে গভীর জঙ্গলে নিয়ে যায়।

আহত জেলে লোকমান জানান, জলদস্যুরা তাদের নৌকায় উঠে মারধর করে ১৬ হালি মাছ নিয়ে গেছে। অপহৃত সকল মাঝি মনপুরার বলে জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় আড়তদার লিটন হাওলাদার ও টিটু ভূইয়া জানান, অপহূতদের মুক্তিতে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা দাবি করে জলদস্যুরা।

হাতিয়া জোনের কোস্টগার্ড প্রধান লেঃ কমান্ডার ওমর ফারুক জানান, খবর পেয়ে অপহৃত মাঝি ও ট্রলারটি উদ্ধারে মেঘনায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহীন খান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে কতজন মাঝিকে অপহরণ করা হয়েছেতার সঠিক তথ্য এখনো পাইনি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বঙ্গোপসাগরে দস্যুদের গুলিতে জেলে নিহত 

0211

ভোলা, ১৭ জুলাই : ভোলার মনপুরায় জলদস্যুদের হামলায় গুলিতে মহসিন (২৫) নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৮ জন।

রবিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, মনপুরার বশির মাঝির ট্রলার নিয়ে মহসিনসহ একদল জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করছিলেন। এসময় একদল দস্যু জেলেদের ট্রলারে হামলা চালালে গুলিতে মহসিনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হয় আরও ১৮ জন।

ঘটনাস্থল ভোলার সীমানায় নয় জানিয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মণ্ডল বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়া সীমানার বঙ্গোপসাগরের গ্যাসফিল্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভোলায় পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষে একজন নিহত, ২ জন গুলিবিদ্ধ 

155pqt2n

ভোলা : ভোলায় আসামি ধরাকে কেন্দ্র করে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষে নোমান নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরো দুই জন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের জনতা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মেঘনা নদীতে বালুভর্তি কার্গোডুবি, নিখোঁজ ৪ 

image-15877

ভোলা : ভোলার ইলিশার মেঘনা নদীতে বালুভর্তি কার্গোডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। আজ শনিবার সকালের দিকে এ তথ্য জানা গেছে। বিস্তারিত আসছে…

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’: ঝড়ে ২ জনের মৃত্যু 

1463779297

ভোলা : ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’র প্রভাবে প্রবল ঝড়ে ঘরচাপায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শশিগঞ্জ গ্রামে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের একজন গৃহবধূ এবং অন্যজন শিক্ষার্থী। নিহতরা হলেন- স্কুলছাত্র আকরাম, সে চাঁদপুর ইউনিয়নের শশিগঞ্জ গ্রামের মো. মফিজের ছেলে। একই গ্রামের রেখা বেগম, তিনি নয়নের স্ত্রী।

উপজেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা (পিআরও) মো. রাশেদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শনিবার ভোরে দিকে ঘরচাপা পড়ে এ দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে।

শুক্রবার রাত থেকে রোয়ানুর প্রভাবে জেলায় ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভোরের দিকে বৃষ্টি সঙ্গে প্রবল ঝড় শুরু হয়। এতে উপজেলার চার শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মেঘনার প্রবল জোয়ারে তজুমদ্দিন শহররক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

এদিকে জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর এবং চর কুকড়িমুকড়ি ইউনিয়নে জোয়ারের পানি ঢুকে দুই শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি পড়ে গেছে। ঢালচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম হাওলাদার এই প্রতিবেদককে জানান, এলাকার একশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শতাধিক গবাদি পশু জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। এ দুই চরে দু’টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র থাকলেও সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভোলায় আ’লীগ-বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ১ 

Songghorsho

ভোলা, ৩১ মার্চ : ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত নাছির সরদার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

মৃত নাছির সরদার ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকার আবদুল জলিল সরদারের ছেলে ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী ছিলেন।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবির জানান, বুধবার সকাল থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত জনতা বাজারে ওই দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। এদের মধ্যে ২০ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে নাছিরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

লালমোহনে মেম্বার প্রার্থীর হাতের কব্জি কেটে নিয়ে আওয়ামী লীগের উল্লাস 

03

ভোলা, ২০ মার্চ : লালমোহনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. জাকির হোসেন ভূইয়ার বাম হাতের কব্জি কেটে নিয়েছে আওয়ামী লীগের অপর মেম্বার প্রার্থী গিয়াস ভূইয়ার ক্যাডারা। এ সময় জাকির ভূইয়ার সমর্থক মঞ্জুসহ ৩ জন আহত হয়। জাকির ভূইয়া ধলিগৌরনগর ইউনিয়ন (দক্ষিণ) স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেম্বার।

ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা মেম্বার প্রার্থী গিয়াস ভূইয়ার ভগ্নিপতি মফিজ মাস্টারের বসত ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

অপরদিকে জাকির ভূইয়ার সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে লালমোহন পৌর শহরের মসজিদ রোডে মহিউদ্দিন ভূইয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং তালা ঝুলিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার সকাল ৮ টার দিকে জাকির হোসেন ভূইয়া ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড চর মোল্লাজী গ্রামে নির্বাচনী প্রচার করতে যায়। এসময় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা প্রতিপক্ষ গিয়াস ভূইয়ার ক্যাডার রিয়াজের নেতৃত্বে কিছু লোক জাকিরের উপর হামলা চালায়।

এক পর্যায়ে ক্যাডাররা জাকিরের বাম হাতের কব্জি কেটে তাকে পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দিয়ে উল্লাস করতে থাকে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তার  অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দুপুর পৌনে ১টায় লালমোহন থেকে হেলিকপ্টারযোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

এঘটনার বিচার দাবি করে তাৎক্ষণিক লালমোহন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘটনার জন্য ধলিগৌরনগর ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টু ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমকে দায়ী করে অবিলম্বে তাদেরকে গ্রেফতারের দাবি জানান।

এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জিহাদ বিন-হায়দার ডিকো ও সাধারণ সম্পাদক তানজিম হাওলাদারসহ স্বেচ্ছাসেবক লীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ মার্চ দুপুরে মেম্বার প্রার্থী জাকির ভূইয়ার উপর হামলা করে প্রতিপক্ষ মেম্বার প্রার্থী গিয়াস ভূইয়ার ক্যাডাররা। সেদিনও জাকির ভূইয়ার ৪ কর্মী আহত হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চরফ্যাশন পৌরসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে 

0941561

ভোলা, ১৫ ফেব্রুয়ারি : শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভোলার চরফ্যাশন পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। আজ সোমবার সকালে ৯টি ওয়ার্ডের ১৪টি ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। চরফ্যাশন পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২২ হাজার ৩৩২ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১১ হাজার ৫৭৪ জন ও নারী ভোটার ১০ হাজার ৭৫৭ জন।

নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাদল কৃষ্ণ দেবনাথ ও বিএনপির প্রার্থী আমিরুল ইসলাম মিন্টিজ। এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৯ জন ও নারী কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ১২ জন প্রার্থী। ভোলার সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজেপি ও কোস্টগার্ড নিয়োজিত রয়েছে। কোথাও বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিষ খাইয়ে মেয়েকে হত্যা করলেন মা 

bhola_map1454352632

ভোলা, ২ ফেব্রুয়ারি : ভোলার লালমোহনে মেয়েকে কীটনাশক পান করিয়ে হত্যার পর নিজেও তা পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক মা।

সোমবার সন্ধ্যার পর উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের তারাগঞ্জ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লালমোহন থানার সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম ও অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আক্তারুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শাহাবুদ্দিন জানান, সুরমা বেগমের (৩৫) স্বামী আবুল কাশেম একজন দিনমজুর। তিনি ঢাকায় দুই বছর আগে আরেকটি বিয়ে করেন। এ নিয়ে সুরমা ও কাশেমের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এর জেরে সোমবার সন্ধ্যায় তার ১০ বছর বয়সি মেয়ে বুশরাকে কীটনাশক পান করায় এবং নিজেও পান করেন। এতে মা-মেয়ে অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি  করে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক বুশরাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উন্নত চিকিৎসার জন্য সুরমা বেগমকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের স্বাস্থ্য সহকারী সোলেমান জানান, সুরমার অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।

লালমোহন থানার ওসি আক্তারুজ্জামান জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুশরার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায়, আহত ২০ 

সড়ক দুর্ঘটনা

ঢাকা ২০ ডিসেম্বর : ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় পড়ে ২০ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় রবিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দৌলতখান থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৭টার দিকে চরফ্যাশন থেকে যাত্রীবাহী বাসটি ভোলার উদ্দেশে রওনা হয়ে দৌলতখান উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় এলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে ডোবায় পড়ে যায়। এতে ওই বাসের ২০ জন যাত্রী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শ্বশুরের বিরুদ্ধে ছেলের বউকে ধর্ষণের অভিযোগ! 

‘ধর্ষণের ‘উদার’ দর্শন: বাঁচতে হলে জানতে হবে’

ভোলা, ২২ অক্টোবর : ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় শ্বশুরের বিরুদ্ধে একাধিকবার নিজের ছেলের বউকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর থেকে শ্বশুর মাদু মাঝি পলাতক রয়েছেন।

অভিযুক্ত মাদু মাঝির বাড়ি উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নে। নির্যাতিতা ওই নারী মাদু মাঝির ছেলে সোহাগের সঙ্গে স্ত্রী।

নির্যাতিত গৃহবধূ অভিযোগ করে বলেন, তিন আগে সোহাগের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। সোহাগ নদীতে মাছ ধরতে যায় এবং অধিকাংশ সময় রাতে সে বাড়িতে ফেরে না। এ সুযোগে শ্বশুর আমাকে বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দেন। আমি লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলতাম না। প্রায় এক বছর আগে স্বামী নদীতে মাছ শিকার করতে গেলে শ্বশুর আমাকে ভয় দেখিয়ে রাতে জোর করে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি আমি কাউকে বললে আমার সংসার ভাঙার এবং আমাকে হত্যার হুমকি দেন। তারপর থেকে একইভাবে মাদু মাঝি আমাকে জোর করে রাতভর ধর্ষণ করতে থাকেন। তার এই যৌন নির্যাতনে আমি অতিষ্ঠ হয়ে উঠি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৬ অক্টোবর রাত ১টার দিকে একই সুযোগে মাদু মাঝি আমাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। আমার রক্তপাত শুরু হলে চিৎকার দিই। আমার চিৎকারে ভাসুরের স্ত্রী সাহানুর ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তারা লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ধাওয়া করেন। এ সময় শ্বশুর পালিয়ে যান।

নির্যাতিতার ভাসুরের স্ত্রী সাহানুর বলেন, আমার জায়ের চিৎকারে আমি আলো নিয়ে তার কাছে গেলে খুব খারাপ অবস্থায় দেখতে পাই। আমাদের দেখে শ্বশুর পালিয়ে যান। এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শ্বশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, বিয়ের পর আমার শ্বশুর বিভিন্ন সময় আমাকেও কুপ্রস্তাব দিতেন। বিষয়টি আমি স্বামী ও শাশুড়িকে জানালে তিনি আমাকে কম জ্বালাতেন।

মাদু মাঝির স্ত্রী মমতাজ বলেন, স্বামীর সঙ্গে এসব কারণে আমার মিল ছিল না। আমি প্রায় সময় বাবার বাড়িতে থাকি। ওই ঘটনার দিনও বাড়িতে ছিলাম না। সকালে বাড়িতে এসে ছেলে ও বউয়ের কাছে ঘটনা শুনি। আমার স্বামী লম্পট। তার শাস্তি হওয়া উচিত।’

লালমোহন থানার সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভোলায় বেতন কাঠামোর দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ 

0173

মাসুদ রানা, ভোলা, ১৭ সেপ্টেম্বর :

ভোলার ৬টি বিদ্যালয়ের সরকারি মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা মানববন্ধন
ও সমাবেশ করেছে। আজ
বৃহষ্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় ভোলা
প্রেসক্লাবের সামনে ৮ম জাতীয়
পে-স্কেলে টাইম স্কেলসহ
সিলেকশন গ্রেড পুনঃবহাল ও স্বতন্ত্র
বেতন কাঠামোর দাবিতে এ মানববন্ধন
ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক
সমিতির কেন্দ্রীয় যুগ্ন আহবায়ক
মো: আলী বেলাল, ভোলা সমিতির
সাধারন সম্পাদক মাকসুদুর রহমান, শাখাওয়াত
হোসেন সোহাগ, আব্দুর রহিম
প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, টাইম স্কেল ও
সিলেকশন গ্রেড উঠিয়ে দিয়ে
তাদেরকে অর্থনৈতিক ভাবে মারাত্বক
ক্ষতি করা হয়েছে। অবিলম্বে তাঁদের
দাবি না মানলে সরকারি শিক্ষকবৃন্দ
কঠোর আন্দলনে যাবেন।
পরে শিক্ষক নেতারা ভোলা
প্রেসক্লাবে একই দাবীতে সংবাদ
সম্মেলন করেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মেয়ের সঙ্গে মাও পাস 

8787871-400x239

ভোলা, ১১ আগস্ট : ভোলায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে মা পেয়েছেন জিপিএ ৪.৯১ এবং তার মেয়ে পেয়েছেন জিপিএ ৪.৭০। তারা হলেন- ভোলা শহরের পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাস্কুল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা নৃত্যশিল্পী সালাউদ্দিন হারুনের স্ত্রী কাওছার জাহান শিখা ও তার মেয়ে সানজানা আইভি বর্ষা।

তাদের মধ্যে- মা শিখা জেলা সদরের ইলিশা ইসলামিয়া মডেল কলেজ থেকে কারিগরি শাখায় এবং মেয়ে বর্ষা বাংলাবাজার ফাতেমা খানম কলেজ থেকে মানবিক শাখায় পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

রবিবার প্রকাশিত এইচএসসি ফলাফলে উভয়েই সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। শুরু থেকেই নিজের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে পড়ালেখায় বেশ মনোযোগী ছিলেন তারা। শত ব্যস্ততার মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম করে পড়ালেখায় ভালো ফলাফল করতে পেরে বেশ আনন্দিত মা ও মেয়ে। বর্ষা শহরের নামকরা নৃত্যশিল্পী। সাংস্কৃতিক সংগঠন সুরের ধারার নৃত্য প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে বর্ষা বলেন, মা এ বয়সে পাস করায় আমি মহাখুশি। তার মতে পড়ালেখার কোনো বয়স নেই। শুধু নিজের ইচ্ছা থাকলেই সব বাধা অতিক্রম করে সফলতা অর্জন করা যায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর