২২ জুলাই ২০১৭
দুপুর ২:৫৭, শনিবার

মিশরে ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, বাংলাদেশিসহ নিহত ৩

মিশরে ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, বাংলাদেশিসহ নিহত ৩ 

33

কায়রো, ১৪ জুলাই : মিশরের রাজধানী কায়রোর মার্গের খানকা এলাকায় বাংলাদেশি মালিকালাধীন এক সোয়েটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।

বাংলাদেশি নিহত হাফেজ মাওলানা নুর মোহাম্মদ মানিকগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তিনি রাজধানীর মিরপুরস্থ এক মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে দ্রুত দমকল কর্মীরা কারখানার দেয়াল ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই এক বাংলাদেশিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়।

মেইন গেট বাইরে থেকে বন্ধ করে মালিক বাচ্চু চাবি বাসায় নিয়ে গিয়েছিল বলে অনেকের অভিযোগ। তবে অগ্নিকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কারখানার মালিক বাচ্চুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় মিশরীয় পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘সমকামী মুসলিম’ হিসেবে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবকের বিয়ে! 

36554

যুক্তরাজ্য, ১২ জুলাই : যুক্তরাজ্যের ‘প্রথম মুসলিম’ হিসেবে সমকামী বিয়ে করেছেনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক জাহেদ চৌধুরী। যুক্তরাজ্যের পশ্চিম মিডল্যান্ডের ওয়ালসাল শহরে জাহেদ চৌধুরী ও সিন রোগান বিয়ে করেন। মুসলিম সঙ্গীর অংশগ্রহণে এটিই যুক্তরাজ্যের প্রথম সমাকামী বিবাহ বলে দাবি করা হচ্ছে। খবর টেলিগ্রাফের।

খবরে বলা হয়, ওয়ালসাল শহরের বিবাহ রেজিস্ট্রি অফিসে পাঞ্জাবী-পাজামা পরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন জাহেদ ও রোগান। তাদের বিয়ের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে অনলাইনে। ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে বিয়ের পরে জাহেদ বলেছেন, ‘গোটা বিশ্বকে দেখাও যে তুমি চাইলে মুসলিম হয়েও সমকামী  হতে পারো। ‘

বিয়ের পর ২৪ বছর বয়সী জাহেদ মিডিয়াকে বলেন, পরিবারের কাছ থেকে সহায়তা পেতেন না তিনি। তা ছাড়া স্কুলে লাঞ্ছনার শিকার হতেন জাহেদ। এমনকি স্থানীয় মসজিদে তার প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয় বলেও জানান তিনি। পরবর্তীতে জাহেদ নিজের লিঙ্গ পরিবর্তনের চেষ্টা করেন। তার যৌণগত আচরণ পরিবর্তনের জন্য গার্লফ্রেন্ডের ব্যবস্থা করা হয়, পরিবার তাকে হজ্ব পালনে সৌদি আরবে নিয়ে যান। বাংলাদেশে এনেও ধর্মীয় নিয়ম-কানুন পালনে সচেষ্ট করা হয় তাকে। এক পর্যায়ে তিনি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন।

সে সময় রোগানের সাথে দেখা হয় তার। রোগানকে দেখে জীবনের মানে খুঁজে পান তিনি। তারা ২০১৫ সাল থেকে একসাথে থাকা শুরু করেন। পরবর্তীতে জাহেদ গত বছর স্বামী রোগানের জন্মদিনে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

জাহেদের স্বামী ১৯ বছর বয়সী রোগান বলেন, প্রত্যেকটা পদক্ষেপে সঙ্গীর পাশে দাঁড়াবেন তিনি। তিনি বলেন, সমকামী হওয়া ভুল কিছু নয়। এটা কোন ধাপ নয়। মানুষের শুধু কিছুটা সমর্থণ দরকার।

এদিকে এ ঘটনার পর থেকে বৃটেনের মুসলিম কমিউনিটিতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেক মুসলিম পরিবার চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এছাড়া বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃটেনের মুসলিম কাউন্সিল, যা ৫শ’ টিরও বেশি সংগঠন ও মসজিদের প্রতিনিধিত্ব করে, ২০১৩ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে চার্চ অফ ইংল্যান্ডের যৌন বিবাহের বৈধতার বিরোধীতা করে। এদিকে স্কটল্যান্ডে একই বিবাহের বৈধতা পায় কিন্তু উত্তর আয়ারল্যান্ডে বেআইনী হয়, যেখানে সরকার ও ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন বিরোধী দলের মধ্যে জোটের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশের প্রেক্ষিতে প্রচারাভিযানীরা পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মালয়েশিয়া প্রবাসীদের ভাগ্য নির্ধারণে বৈঠক আজ 

45588

ঢাকা, ১০ জুলাই : মালয়েশিয়া সরকার একাধিকবার দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসরত শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিলেও এখনো লাখ লাখ শ্রমিক বৈধ হতে পারেননি। এসব অবৈধ শ্রমিকদের বিরুদ্ধে এখন সাঁড়াশি অভিযান চালচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার। তবে আটক অবৈধ শ্রমিকদের ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে আজ সোমবার।

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশের হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, দেশটিতে আজ সোমবার বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের আটক বিদেশি শ্রমিকদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসছেন। ফলে দেশটিতে কর্মরত বিভিন্ন দেশের শ্রমিকদের ভাগ্যে আসলে কি ঘটতে পারে তা নির্ধারণ হতে পারে।

এদিকে, মালয়েশিয়ায় ধরপাকড় অভিযানে অসহায় হাজারো বাংলাদেশিদের নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কমিউনিটি নেতারা। তারা বলছেন, বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের পাশে সবার আগে বাংলাদেশ সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। দেশটিতে চলমান সংকটে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কারো বসে থাকার সুযোগ নেই।

দেশটিতে গত এক সপ্তাহের সহস্রাধিক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং হাজার হাজার বাংলাদেশি যেকোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যত দ্রুত সম্ভব সক্রিয় ভূমিকা রেখে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের দুর্দশা লাঘব এখনো সম্ভব বলে মনে তারা। এ ছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশিদের মুক্তি এবং কাগজপত্রহীন সকল বাংলাদেশিদের সহজ শর্তে বৈধ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতারা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফিরতে হবে ১০ লাখ প্রবাসীকে 

75

ঢাকা : হঠাৎ করেই বিশ্বের কয়েকটি দেশে থাকা প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি কর্মী সংকটে পড়েছেন। এর বেশির ভাগেরই অবশ্য ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ বা ভিন্ন পদ্ধতিতে ওসব দেশে গিয়ে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে মালয়েশিয়ায় প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি যে কোনো মুহূর্তে গ্রেফতারের আতঙ্কে ভুগছেন। সৌদি আরবে কাজ হারানো ও গ্রেফতার হয়ে দেশে ফেরার শঙ্কা তৈরি হয়েছে ২ লক্ষাধিক বাংলাদেশির। বিশ্ব রাজনীতির মারপ্যাঁচে বিপাকে পড়েছেন কাতারে থাকা ৩ লাখ বাংলাদেশি। ভিসার সমস্যায় চরম সংকটে আছেন আরব আমিরাতে থাকা ৫ লক্ষাধিক বাংলাদেশি।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে বসবাস করছেন বলে ৯৩ হাজার বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার চাপ কঠোর থেকে কঠোরতর করার চেষ্টা করছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। ইউরোপে যাওয়ার লোভে তুরস্ক গিয়ে পৌঁছানো ২ হাজার বাংলাদেশি সেখানে আছেন বন্দীদশায়। বিপত্সংকুল জেনেও ইউরোপে যাওয়ার আরেক পথ হিসেবে লিবিয়াকে বেছে নেওয়া কয়েক হাজার ভাগ্যান্বেষী রয়েছেন চতুর্মুখী শঙ্কায়। এমন পরিস্থিতিতে আগামী কয়েক বছরে সব মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরতে হবে বলে মনে করছেন জনশক্তি রপ্তানিসংশ্লিষ্টরা।

অভিবাসনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবৈধ পথে অদক্ষ কর্মীদের প্রতারণার মাধ্যমে বিদেশে পাঠানোর পথ ধীরে ধীরে রুদ্ধ হয়ে আসছে। এদের ফিরিয়ে এনে বৈধ পথে নতুন কর্মী পাঠানোর সুপারিশও করছেন কেউ কেউ। জানা যায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ বিদেশি কর্মী ধরতে সরকারি অভিযান জোরদার। তাই সেখানে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে ৩ লাখ বাংলাদেশিকে। তারা কাজেও যেতে পারছেন না, বাসায়ও থাকতে পারছেন না। ৩০ জুন মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এ সাঁড়াশি অভিযানে ইতিমধ্যেই ২ হাজার অবৈধ কর্মী গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গেছেন। এখনো মালয়েশিয়ার অলিগলি, প্রতিটি শহর ও গ্রামে একযোগে অভিযান চালাচ্ছে সরকার। এতে বৈধ কাগজপত্র না থাকা বিদেশিরা আতঙ্কে রয়েছেন। এ অবৈধ বিদেশির তালিকার একটি বড় অংশ বাংলাদেশি। এখন মালয়েশিয়ার দেওয়া সুযোগ গ্রহণ করে জেল ছাড়াই দেশে ফিরে আসতে পারবেন বাংলাদেশিরা। জরিমানা দিয়ে এ সুযোগ গ্রহণ না করলে কারাগারে যেতে হতে পারে অবৈধভাবে অবস্থান করা কর্মীদের।

সূত্রমতে, বর্তমানে ১৩ লাখ বাংলাদেশি সৌদি আরবে বিভিন্ন পেশায় কাজ করছেন। রয়েছেন ৬০ হাজার নারী গৃহকর্মী। এ হিসেবে সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। কিন্তু এখানেও কমপক্ষে ২ লাখ বাংলাদেশি রয়েছেন কাগজপত্রবিহীন বা অবৈধ। অবৈধদের বহিষ্কারে তৎপর সৌদি পুলিশ। পালিয়ে বেড়াতে হয় তাদের। সর্বশেষ ২৯ মার্চ থেকে তিন ধরনের অবৈধদের জন্য জেল-জরিমানা ছাড়া দেশে ফেরার সুযোগ দিয়েছে সৌদি সরকার। চলতি মাসেই শেষ হচ্ছে এ সুযোগ। এরপর সেখানেও চলবে সাঁড়াশি অভিযান। নদীর স্রোতের মতো সৌদি আরব যাওয়া বাংলাদেশির অনেকেই কোনো নির্দিষ্ট কাজ ছাড়াই ফ্রি ভিসার নামে ওমরাহ বা ট্যুরিস্ট ভিসায় থাকছেন দেশটিতে। তাদের অনেকেই ঘুরছেন রাস্তায় রাস্তায়। এখন নতুন করে অনেক প্রতারক এজেন্সি ভুয়া কোম্পানির নামে ভিসা ইস্যু করে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিদের। আগামী মাসে অভিযান শুরু হলে এদের প্রত্যেকেই পড়বেন বিপাকে। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার কাতারে নতুন শ্রম আইন সংকটে ফেলেছে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশিকে।

এ আইনে বলা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া কোনো শ্রমিককে নিয়োগদাতা অন্য কাজে লাগাতে পারবেন না। এ আইন অমান্য করলে ৫০ হাজার কাতার রিয়াল জরিমানা ও তিন বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এতে দেশটিতে অভিবাসী তার সুবিধামতো মালিক পরিবর্তন করতে পারছেন না। এদিকে কাতারের সঙ্গে সৌদি জোটের বেশ কয়েকটি দেশের সম্পর্ক ছিন্নের কারণে অনেক বাংলাদেশির মধ্যেই আতঙ্ক কাজ করছে। তারা মনে করছেন এতে তাদের ওপর প্রভাব পড়বে। তাদের চাকরিচ্যুত করা হতে পারে। অন্যদিকে, নতুন ভিসা ইস্যু না করা এবং ‘আকামা’ পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় চরম সংকটে আছেন আরব আমিরাতের বাংলাদেশিরা। তারা না পারছেন ফিরতে, না পারছেন নতুন কাজে যোগ দিতে। এক ধরনের মানবেতর জীবনযাপন করছেন আমিরাত প্রবাসীরা। অন্যদিকে, বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিপাকে ফেলেছে ইউরোপ ও আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলোয় এত দিন নির্বিঘ্নে থাকা কাগজপত্রবিহীন বাংলাদেশিদের। অবৈধ অবস্থানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজ দেশে পাঠানোর নতুন অভিবাসন নীতি নিয়েছে ইউরোপ।

ইইউ কর্মকর্তা বলছেন, ইউরোপের দেশগুলোয় কমপক্ষে ৯৩ হাজার অবৈধ বাংলাদেশি আছেন এবং বাংলাদেশকেই তাদের ফেরত আনতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন সরকার শুরু করেছে ধরপাকড়। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কাগজপত্রবিহীন অবস্থান করা কমপক্ষে ২০ হাজার বাংলাদেশি সর্বদাই থাকছেন গ্রেফতার আতঙ্কে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) জাবেদ আহমেদ এ প্রতিবেদককে বলেছেন, ‘নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে বৈধ পথে অভিবাসনে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষরকারী বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। এর পরও কিছু প্রতারণার কারণে বাংলাদেশিরা অবৈধ হয়ে যাচ্ছেন। তাদের হয়তো ফিরতে হবে। তবে তারা যেন ফিরে আবার যেতে পারেন সে বিষয়ে ওই দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা আছে। এর ইতিবাচক সমাধানের বিষয়ে আমরা আশাবাদী। ’ তিনি জানান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনা খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার অন্যতম হলো ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত কর্মীদের মধ্য থেকে শ্রমিক প্রেরণ। কোনো শ্রমিক নিবন্ধন না করে বিদেশ গেলে সরকার তার দায়দায়িত্ব নেবে না।

মালয়েশিয়ায় ৮০০ বাংলাদেশিসহ আটক ২ সহস্রাধিক : মালয়েশিয়ায় অব্যাহত সাঁড়াশি অভিযানে গত দুই দিনে বাংলাদেশিসহ ২ শতাধিক অবৈধ শ্রমিক আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। কুয়ালালামপুর ও এর আশপাশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ৩০ জুন মধ্যরাতে শুরু হওয়া এ অভিযানে গতকাল পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৭০০ অবৈধ শ্রমিক আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮০০-এরও অধিক বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন। তবে ১ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ৭০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক আটক হয়েছেন বলে হাইকমিশনসূত্রে জানা গেছে।

দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি অবৈধ শ্রমিকদের নিবন্ধন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত তারা ৪০টি ভুয়া ই-কার্ডের সন্ধান পেয়েছেন। তথাকথিত যেসব এজেন্ট ভুয়া ই-কার্ড ইস্যুর উদ্যোগ নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে একজন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৮টি ভুয়া ই-কার্ড।

মুস্তাফার আলী আরও বলেন, ভুয়া ই-কার্ড দেখতে হয়তো একই রকম। কিন্তু এতে যে কুইক রেসপন্স কোড (কিউআর) আছে তা নকল করা সম্ভব নয়। এ ছাড়া আঙুলের ছাপ, আসল-নকল পদ্ধতি ইমিগ্রেশনে রয়েছে। দেশটির জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ঘোষণা করার পর সর্বশেষ ২৬ হাজার ৯৫৭ নিয়োগকর্তার মাধ্যমে প্রায় আড়াই লাখ অবৈধ কর্মী ই-কার্ডের আবেদন করেন। ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৬ জনের ই-কার্ড করা হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ২৩ শতাংশ। ইমিগ্রেশন বিভাগ ৬ লাখ ই-কার্ড করার আশা করেছিল। লক্ষ্য পূরণে ১ জুলাই থেকে নিয়োগকর্তা ও অবৈধ কর্মীদের গ্রেফতার এবং শাস্তির জন্য কাজ শুরু করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ কর্মীদের জন্য নতুন করে ‘থ্রি প্লাস ওয়ান’ পদ্ধতিতে দেশে ফেরার সুযোগ করে দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। এ পদ্ধতিতে যে কোনো অবৈধ বিদেশি শ্রমিক ৪০০ রিঙ্গিত জরিমানা এবং কুয়ালালামপুর-ঢাকা বিমানের টিকিট নিয়ে পুত্রাজায়ার ইমিগ্রেশনে গেলেই দেশে ফেরার জন্য সুযোগ দেওয়া হবে। তবে ফ্রি প্লাস ওয়ান পদ্ধতি কত দিন থাকবে তা জানা যায়নি। এ অবস্থায় আতঙ্কিত না হয়ে বৈধ হওয়ার সুযোগ নিতে হাইকমিশনে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এ অভিযানে শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে ইমেজ সংকটেও পড়ছেন প্রবাসীরা। -বাংলাদেশ প্রতিদিন

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

তুরস্কে আটকা পড়েছে ২০০০ বাংলাদেশি 

89

ঢাকা, ৫ জুলাই : অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় প্রায় ২০০০ বাংলাদেশি তুরস্কে আটকা পড়েছেন। তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আল্লামা সিদ্দিকীকে উদ্ধৃত করে সরকারি তথ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, তুরস্ক হয়ে যেসব বাংলাদেশি অবৈধভাবে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাদের রাষ্ট্রদূত এবং দূতাবাসের তরফে এরইমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে ইরান, লেবানন ও জর্ডানে বৈধভাবে কমর্রত বাংলাদেশিদের অনেকের মধ্যে ইউরোপে অনুপ্রবেশের আশায় তুরস্কে যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

আঙ্কারা দূতাবাস ও ইস্তাম্বুল কনস্যুলেটের হিসাব মতে, দেশটিতে এ মুহূর্তে ২০০০ বাংলাদেশি আটকা রয়েছেন। এদের অনেকে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টার সময় মারা যাচ্ছেন। অনেকে তুরস্কে মানব পাচারকারী দলের হাতে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন। সম্প্রতি ইস্তাম্বুলে একজন মারাও গেছেন। তুরস্কের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদ্যমান অভিবাসন চুক্তির আওতায় ইউরোপে পাড়ি জমানো অসম্ভব, তাই এ ধরনের অপচেষ্টা অর্থহীন।

বাংলাদেশি নাগরিকরা তুরস্কে বিভিন্ন সংঘবদ্ধ দলের খপ্পরে পড়ে অর্থের লোভে বিভিন্ন সন্ত্রাসমূলক কাজে জড়িত হচ্ছেন। ইউরোপে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের এ ধরনের অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকির বিষয়ে আরো সচেতন ও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন রাষ্ট্রদূত।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মালয়েশিয়ায় ৫১৫ বাংলাদেশি আটক 

96

কুয়ালালামপুর, ২ জুলাই : মালয়েশিয়ায় অবৈধ বিদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানের প্রথম দিন এক হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫১৫ জন বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন।

রবিবার মালয়েশিয়ার দ্য স্টার অনলাইন এ খবর দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, আটকদের মধ্যে ১০১ জন নারী, তিনজন শিশু ও ১৬ জন স্থানীয় নিয়োগকারী রয়েছেন। মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক দাতুক সেরি মুস্তাফার আলী বলেন, ‘দেশজুড়ে ১৫৫টি স্থানে অভিযান চালানো হয়। তিন হাজার ৩৯৩ জন সন্দেহভাজন বিদেশির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা শেষে এক হাজার ৩৫ জন অবৈধ বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘আটক হওয়া অবৈধ বিদেশি শ্রমিকের মধ্যে বাংলাদেশিরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। এই সংখ্যা ৫১৫ জন। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার ১৩৫ জন, মিয়ানমারের ১০২ জন, ফিলিপাইনের ৫০ জন, থাইল্যান্ডের ৫ জন, ভিয়েতনামের দু’জন ও বাকিরা অন্যান্য দেশের নাগরিক।’

মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক জানান, ই-কার্ডের জন্য আবেদন করার সময়সীমা না বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিষয়ে তার বিভাগ অনড় অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আবেদনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছে। ফলে সময়সীমা নতুন করে বাড়ানোর কোনো কারণ নেই। এই বিষয়ে চাকরিদাতা ও অবৈধ শ্রমিকদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এখন থেকে প্রতিদিনই অভিযান চালানো হবে।’

শুক্রবার মধ্যরাতে সাময়িক বৈধতার জন্য মালয়েশিয়া সরকার ঘোষিত এনফোর্সমেন্ট কার্ডের (ই-কার্ড) জন্য আবেদন করার সময়সীমা শেষ হয়। এরপরই বড় ধরনের অভিযানে নামে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

এর আগে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি ই-কার্ডের জন্য আবেদন শুরু হয়েছিল।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ৬ লাখ অবৈধ বিদেশি শ্রমিক অবস্থান করছেন। এ পর্যন্ত আবেদন করেছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৫৬ জন, অর্থাৎ মাত্র ২৩ শতাংশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মালয়েশিয়ায় ৩ লাখ অবৈধ বাংলাদেশীর ঘুম হারাম 

03

কুয়ালালামপুর : মালয়েশিয়া সরকার দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশী শ্রমিকদের ই-কার্ডের (অস্থায়ী পারমিট) মাধ্যমে বৈধ হওয়ার সুযোগ দিলেও সেটি নিতে ব্যর্থ হয়েছেন বহু বিদেশী শ্রমিক। এর মধ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের হিসাবে আড়াই থেকে তিন লাখ শ্রমিক রয়েছে বাংলাদেশী। গত ৩০ জুন ই-কার্ড নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপরই শুক্রবার মধ্যরাত থেকে পুলিশ ও ইমিগ্রেশনের সমন্বয়ে যৌথভাবে অবৈধ শ্রমিক ধরপাকড় অভিযান শুরু হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাজধানী কুয়ালালামপুর, জহুরবারুসহ বিভিন্ন এলাকার ফ্যাক্টরি ও রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে, বাসাবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে কাগজপত্রবিহীন শত শত অবৈধ কর্মীকে আটক করার সংবাদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কুয়ালালামপুরের পেটালিং জায়ার ডরমিটরিতে চালানো অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশের মহাপরিচালক দাতুক সেরি মুস্তাফার আলী। ওই অভিযানে আটক ২৩৯ জনের মধ্যে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৫১ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তার মধ্যে ৩৯ জনই বাংলাদেশী নাগরিক বলে হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী অভিযানের ব্যাপারে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বেশির ভাগ শ্রমিক আসবাবপত্র-প্লাস্টিক উৎপাদন কারখানাগুলোতে কাজ করছিলেন। আমরা দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রা করতে এই অভিযান পরিচালনা করেছি।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের উদ্ধৃতি দিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে আতঙ্কিত বাংলাদেশীরা শনিবার এ প্রতিবেদককে টেলিফোনে জানান, তারা ই-কার্ড করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন অফিসে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে যদি গ্রেফতার হয়ে যান, এমন আতঙ্কের কারণেই তারা আবেদন করতে পারেননি। অনেকে আবার গাফেলতিও করেছেন। এখন দেখছি পরিস্থিতি খুবই জটিল। শুনছি পুলিশ ইমিগ্রেশন এখন পুরো মালয়েশিয়ার ঘরে ঘরে ঢুকে অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। সময়ও নাকি আর বাড়াবে না। তাই এখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে কুয়ালালামপুর ছাড়ার চিন্তা করছি।

গতকাল দুপুরে কুয়ালালামপুর কিলাং এলাকায় স্টুডেন্ট ভিসায় পাড়ি জমানো এস এম আকাশ এ প্রতিবেদককে বলেন, মালয়েশিয়ায় এর আগেও অবৈধদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছিল সরকার। তখন হাজার হাজার অবৈধ শ্রমিক বৈধ হওয়ার জন্য দালালদের হাতে লাখ লাখ রিংগিট দিয়েছিলেন। কিন্তু ওইবার অনেকেই বৈধ হওয়ার বদলে প্রতারিত হয়েছিলেন। তাই এবার সরকার এক বছরের জন্য অস্থায়ী কার্ড (ই-কার্ড) করার সুযোগ দিলেও সেটিকে অনেকেই পাত্তা দেয়নি। তারপরও এক থেকে দেড় লাখ অবৈধ শ্রমিক ই-কার্ডের আওতায় এসেছে। এখনো পুরো মালয়েশিয়ায় আড়াই থেকে তিন লাখ বাংলাদেশী অবৈধ শ্রমিক ই-কার্ডের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এখন তাদের সবার ঘুম হারাম। তিনি বলেন, আমারও এবার ই-কার্ড করার ইচ্ছা ছিল না। কারণ এর আগে আমিসহ অনেকেই দালালদের কাছে ৫-৭ হাজার রিংগিট পর্যন্ত তুলে দিয়েছিলাম। অপেক্ষায় ছিলাম এবার বৈধ হচ্ছি। কিন্তু পরে দেখছি দালালরা আর তাদের ফোনই ধরছে না। যাক কপাল ভালো এবার শেষ সময়ে কিভাবে আমি ই-কার্ডের আবেদন করে ফেলেছি। এরপর বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে পাসপোর্টও হাতে পেয়েছি। তাই এখন বুক ফুলিয়ে মালয়েশিয়ায় চলাফেরা করতে পারব বলে মনকে সান্ত্বনা দিতে পারছি।

গত রাতে মালয়েশিয়ার কোতারায়া থেকে ব্যবসায়ী জামিল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, মালয়েশিয়া সরকার এবার খুবই কঠোর অবৈধ শ্রমিকদের ব্যাপারে। ই-কার্ড করতে নিবন্ধনের মেয়াদ শুক্রবার শেষ হওয়ার পর থেকেই ধরপাকড় শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, এবার অবৈধ শ্রমিক ধরতে তারা (পুলিশ ইমিগ্রেশন) ডোর টু ডোর অভিযান চালাবে বলে শুনছি।

মালয়েশিয়া সরকারের ‘প্রোগ্রাম ই-কার্ডে’ উল্লেখ রয়েছে, কোনো অবৈধ শ্রমিক যদি কোম্পানি থেকে গ্রেফতার হয় তাহলে মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়াও জরিমানা করা হবে। ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার রিংগিট জরিমানা করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সেটি ৫০ হাজার রিংগিটও হতে পারে। অপর দিকে আদালতের নির্দেশে জেল জরিমানার পর অবৈধ শ্রমিককে ১ থেকে সর্বোচ্চ ৬টি (রোতান) বেত্রাঘাত দেয়া হবে।

এ দিকে দ্য মাস্টার বিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়া (এমবিএএম) সরকারের কাছে ই-কার্ডের মেয়াদ ২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে। অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদ্যমান সমস্যার সমাধান এবং ধীরগতি প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে সহজ ও দ্রুত ই-কার্ড করতে ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টকে তারা সহযোগিতা করবে। তারা আশা করে ই-কার্ড করার প্রক্রিয়া সহজ করা হলে নিয়োগকর্তারা অবৈধ কর্মীদের ই-কার্ড করাতে উদ্বুদ্ধ করবেন। উল্লেখ্য, ই-কার্ড করার েেত্র নিয়োগকর্তাকে কর্মীদের নিয়ে ইমিগ্রেশনে যেতে হয়, তখন কোম্পানির আয়-ব্যয়সহ যাবতীয় তথ্য দিতে হয়। এ ছাড়া ইমিগ্রেশনের ধীরগতির কারণে নিয়োগকর্তারা ই-কার্ড করতে উৎসাহিত হন না। অভিযোগ রয়েছে শ্রমিকেরা ই-কার্ড করার জন্য ৫০০ থেকে ১ হাজার রিংগিট পর্যন্ত খরচ করছেন। অথচ মালয়েশিয়া সরকার ই-কার্ড ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে।

এর আগে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার এ কে এম শহীদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেছিলেন, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে ৪ লক্ষাধিক অবৈধ শ্রমিক থাকতে পারে। এর মধ্যে দেড় থেকে পৌনে দুই লাখ শ্রমিক ই-কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন। বাকিরাও যাতে দ্রুত আবেদন করেন সেজন্য তিনি অবৈধ শ্রমিকদের আহ্বান জানান। তিনি তাদের উদ্দেশ্য বলেছিলেন, শ্রমিকেরা যেন এবারের সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া না করেন। যদি কোনো কারণে সুযোগ না নেন তাহলে তাদের সমস্যা হতে পারে।

এক প্রশ্নের উত্তরে হাইকমিশনার এ প্রতিবেদককে বলেছিলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, যাতে অবৈধ শ্রমিকেরা বৈধতা লাভ করে সুন্দরভাবে এ দেশে কাজ করতে পারেন। তবে সবকিছু গুছিয়ে আনতে একটু সময় লাগছে। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু
মালয়েশিয়া থেকে শামছুজ্জামান নাঈম জানান, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত কাগজপত্রহীন অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপ। শুক্রবার মাঝ রাত থেকে শুরু হয় এই অভিযান। গতকাল ইনফোর্স কার্ডের (ই-কার্ড) মাধ্যমে নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হতেই এ সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপ।

চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে অবৈধ শ্রমিকদের ই-কার্ড নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সময়সীমা শেষে বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) দেখা যায় ১৪ হাজার ৫৪১ জন নিয়োগকারীর মাধ্যমে দুই লাখ ৬০ হাজার ৯৮১ জন নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে ই-কার্ড ইস্যু করা হয়েছে এক লাখ ৪০ হাজার ৭৪৬ জনের, যা মোট অবৈধ লোকের মাত্র ২৩ শতাংশ। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের ল্য ছিল প্রায় ছয় লাখ অবৈধ অভিবাসীকে ই-কার্ডের আওতায় নিবন্ধন করানো।

অবৈধ অভিবাসীদের নিবন্ধনের চিত্রে হতাশ ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ই-কার্ড নিবন্ধনের সময়সীমার ওপর আমি বহুবার জোর দিয়েছিলাম। এখন অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হবে এবং তাদের নিয়োগদাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি যারা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আসা লোকদের চাকরি দিয়েছে তারাও রেহাই পাবে না।’

তিনি আরো জানান, মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি অবৈধ শ্রমিক বসবাস করছে বাংলাদেশের। এরপর ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার ও নেপালের নাগরিক রয়েছেন। তবে নিবন্ধনের আওতায় কতজন অবৈধ বাংলাদেশী শ্রমিক নিবন্ধিত হয়েছেন তার হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি।
এদিকে শুক্রবার মধ্য রাতে কুয়ালালামপুরের পেটালিং জায়া ডরমিটরিতে অভিযান চালিয়ে ৫১ অবৈধ শ্রমিককে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ। যার নেতৃত্ব দেন ইমিগ্রেশন পুলিশের মহাপরিচালক দাতুকে সেরি মুস্তাফার আলী।

অভিযানে ২৩৯ জনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর ৫১ জনকে আটক করা হয়। যার মধ্যে বেশির ভাগই বাংলাদেশী। অভিযানের পর মুস্তাফার আলী সাংবাদিকদের বলেন, বেশির ভাগ শ্রমিক আসবাবপত্র-প্লাস্টিক উৎপাদন কারখানাগুলোতে কাজ করছিলেন। আমরা দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্ব রা করতে এ অভিযান চালিয়েছি।-নয়া দিগন্ত

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মালয়েশিয়ায় ৩২৯ বাংলাদেশি আটক 

588

ঢাকা, ২ জুলাই : মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযানে ৩২৯ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। বাংলাদেশি ছাড়াও দেশটিতে অভিযান চালিয়ে মোট ৭৫২ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী স্থানীয় গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অবৈধ শ্রমিকের নিবন্ধনের জন্য ই-কার্ড (এনফোর্সমেন্ট কার্ড) গ্রহণে বেঁধে দেওয়া মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত অভিযানে এই অভিবাসীদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মায়ানমার, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও ভারতেরও নাগরিক।

মালয় উপদ্বীপের বৃহত্তম রাজ্য জোহরের রাজধানী জোহর বাহরু, মালাক্কা প্রণালী পাড়ের শহর ক্লাং, কেদাহ রাজ্যের রাজধানী আলোর সেতার, কোটা বাহরু, প্রথম শহর মালাক্কা, পেরাক রাজ্যের রাজধানী ইপোহ, কুয়ালা তেরেঙ্গনু, পাহাংয়ের রাজধানী কুয়ানটান, সেরেমবান ও পেনাং রাজ্যের শহর জর্জটাউন এবং বোর্নিও দ্বীপের সারাবাক রাজ্যের রাজধানী কুচিং ও পূর্বাঞ্চলের সাবাহ রাজ্যের রাজধানী কোটা কিনাবালুসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

বাংলাদেশি আটক হয়েছেন জোহর বাহরু থেকে ১৭৫, আলোর সেতার থেকে ৫, কোটা বাহরু ১৩২, মালাক্কা থেকে ১১, ইপোহ থেকে ১, কুয়ান্টান থেকে ৪, সেম্বারান থেকে ১ জন।

অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, দেশটিতে প্রায় ৬ লাখ অবৈধ শ্রমিক অবস্থান করছেন। এদের বৈধভাবে অবস্থানে ৩০ জুন রাত ৮টা পর্যন্ত ই-কার্ড সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হলেও সর্বমোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৮০ জন শ্রমিক ই-কার্ডের জন্য আবেদন করেন, যার হার ২৩ শতাংশ। এর মধ্যে সরবরাহ করা হয় ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৬টি কার্ড। হিসাব অনুযায়ী, প্রায় সাড়ে ৪ লাখ শ্রমিকই অবৈধভাবে অবস্থান করছেন এশিয়ার উন্নত দেশটিতে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৫১ শ্রমিক আটক 

08

মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়ায় ৫১ জন অবৈধ শ্রমিককে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

শুক্রবার মধ্যরাতে কুয়ালালামপুরের পেটালিং জায়া ডরমিটরিতে ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর জেনারেল দাতুকে সেরি মুস্তাফার আলীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ শ্রমিকদের আটক করা হয়েছে।

অভিযানের সময় ২৩৯ জনের কাগজপত্র যাচাই বাছাইয়ের পর ৫১ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে বেশির ভাগই বাংলাদেশি। এ অভিযানে অবৈধ অভিবাসিদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।

অভিযানের পর ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী বলেন, বেশিরভাগ শ্রমিক আসবাবপত্র-প্লাস্টিক উৎপাদন কারখানাগুলোতে কাজ করছেন। আমরা দেশের স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে এ অভিযান চালিয়েছি।

তিনি বলেন, ই-কার্ড (প্রযোজ্য কার্ড) নিবন্ধনের তারিখ ৩০  জুন শেষ। পারমিট ছাড়া কর্মরত শ্রমিকদের ধরতে এখন থেকে প্রতিদিনই এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট দূতাবাস, নিয়োগকারী ও বিদেশি শ্রমিককে বৈধতা নিতে ইমিগ্রেশন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এই বিষয়ে ব্যাপক প্রচারাভিযান চালায়।

আটক মিয়ানমারের এক নারী কর্মী বলেন, তিনি নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না। তার নিয়োগকর্তা তাকে এ বিষয়ে কিছু বলেননি।

এ দিকে দি মাস্টার বিল্ডার্স এসোসিয়েশন মালয়েশিয়া (এমবিএএম) সরকারের নিকট ই-কার্ড করার সময় ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত বৃদ্ধির জন্য আবেদন করেছে। এসোসিয়েশন বলেছে, বিদ্যমান সমস্যার সমাধান এবং ধীরগতি প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে সহজ ও দ্রুত ইকার্ড করতে ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টকে সহযোগিতা করবে। তারা আশাকরে ই-কার্ড করার প্রক্রিয়া সহজ করা হলে নিয়োগকর্তারা অবৈধ কর্মীদের ইকার্ড করতে উদ্বুদ্ধ হবে।

অনেক কর্মীদের সঙ্গে কথা করে জানা গেছে, তারা ই-কার্ড করার জন্য ৫শ থেকে ১ হাজার রিঙ্গিত দিয়েছে। অথচ মালয়েশিয়া সরকার ইকার্ড ফ্রি দিচ্ছে।

ই-কার্ড মালয়েশিয়া বৈধভাবে কাজ করার সরকারি স্বীকৃতির একটি প্রক্রিয়া। এটি করার পর অবশ্যই পাসপোর্ট করতে হবে এবং রিহায়ারিং কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। কিন্তু কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের অবহেলা বা মিডলম্যানদের দৌরাত্বে প্রক্রিয়াটিতে আশানুরুপ সফলতা আসেনি।

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ এ ঘোষণা করার পর সর্বশেষ ২৬.৯৫৭ নিয়োগকর্তার মাধ্যমে প্রায় আড়াই লাখ অবৈধ কর্মী ই-কার্ডের জন্য আবেদন করলে শেষ সময় পর্যন্ত ১,৪০,৭৪৬ জনের ই-কার্ড করেছে যা লক্ষ্যমাত্রার ২৩ ভাগ।

ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট ৬ লক্ষ ই-কার্ড করার আশা করেছিল। লক্ষ্য পূরণে ১ জুলাই থেকে নিয়োগকর্তা ও অবৈধ কর্মীদের গ্রেফতার ও শাস্তি প্রদানের কাজ শুরু করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। কিন্তু এমবিএএম এর মত নিয়োগকারী কর্মীসংকটে ভুগা প্রতিষ্ঠানগুলো সময় বৃদ্ধির জন্য সরকারের নিকট আপিল করেছে।

এ বিষয়ে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ মিশনের হাই কমিশনার মুহ. শহিদুল ইসলাম যৃগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ অনুরোধে মালয়েশিয়ান সরকার এই সুযোগটি দেন দেশটিতে বসবাসকারী কাগজপত্রহীন কর্মীদের বৈধ হওয়ার জন্য।

তিনি জানান, বৈধ কাগজপত্র পেতে মাইইজি’র অধীনে চলমান রি-হায়ারিং প্রকল্পে ১ লাখ ৮৮ হাজার বাংলাদেশি রেজিস্ট্রেশন করেছেন। আর অন্য সকল দেশ মিলিয়ে করেছে মাত্র ১০ থেকে ১২  হাজার। ‘যারা মেডিকেল আনফিট, যাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বা চলমান রয়েছে এবং যে সব কর্মী বৈধভাবে কোনও কর্মক্ষেত্রে কর্মরত ছিলেন কিন্তু তারা মালিকপক্ষকে অবহিত না করে পালিয়ে গেছেন। অফিস তার বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশনে অভিযোগ দাখিল করেছে’ এই তিন শ্রেণির কর্মীরা ই-র্কাড করতে পারবে না।

ই-কার্ডেরর আওতায় আসতে বাংলাদেশিদের বার বার জোরালো আহবান জানিয়েছি। আমরা সবাইকে সচেতন করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় দূতাবাসের কন্সুলার টিম পাঠিয়েছি। ই-কার্ডধারীরা দ্রুত পাসপোর্ট করাতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেছিলেন, আগে স্বাভাবিকভাবে পাসপোর্ট আসলেও এখন থেকে আমরা ডিএইচএল’র মাধ্যমে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত পাসপোর্ট নিয়ে আসা হচ্ছে এবং তা দ্রুত গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

হাইকমিশনের বাইরে দালালের উৎপাত কমাতে করণীয় সম্পর্কে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা একটি ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলছি হাইকমিশনের অভ্যন্তরে কিংবা আশপাশে একটি বুথ করার ব্যাপারে।

আশাকরি আগামী কয়েকমাসের মধ্যে এ সকল সমস্যার সমাধান হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রবাসী কমিউনিটি নেতা এ প্রতিবেদককে বলেন, ই-কার্ড নিবন্ধন কার্যক্রমের সময় সূচি আরো ৬ মাস বর্ধিত করণের লক্ষ্যে মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জাতীয় শ্রমিক লীগ মালয়েশিয়া শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ আলম হাওলাদার এ প্রতিবেদককে মালয়েশিয়ায় ই-কার্ড নিবন্ধনের বাইরে থেকে যাওয়া হাজার হাজার অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধতা লাভের সুযোগ কাজে লাগাতে ই-র্কাডের নিবন্ধনের সময় বর্ধিতকরণে বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেল মো. সায়েদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান, ই-কার্ড করার সময় ৩০ জুন শেষ হয়েছে। কিন্তু রিহায়ারিং চালু আছে। যাদের পাসপোর্ট নেই তাদের জন্য ই-কার্ড দেয়া হচ্ছিল।  এই কাজ যাতে বৃদ্ধি করা হয় এজন্য এমপ্লায়ররা সরকারের কাছে আপিল করেছে। আমরা আশাকরছি অবৈধ কর্মীরা আবারো ই- কার্ড করার সুযোগ পাবে।

মালয়েশিয়া সরকার যে সহজ সুযোগ দিয়েছিল তা অব্যাহত রাখা হলে কর্মীরা উপকৃত -যুগান্তর

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গ্রেনফেল টাওয়ারে নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশী 

02

লন্ডন, ২৭ জুন : যুক্তরাজ্যের পশ্চিম লন্ডনের গ্রেনফেল টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে দুজন ব্রিটিশ-বাংলাদেশী নাগরিক রয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সোমবার লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশন ওই দুজনের নাম প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) নাদীম কাদিরের পাঠানো ই-মেইল বার্তায় এ তথ্য জানা গেছে।

এ দুই বৃটিশ বাংলাদেশী হলেন- হুসনা বেগম ও রাবেয়া বেগম।

তাদের মধ্যে সম্পর্কের কথা উল্লেখ না করলেও ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা থাকতেন গ্রেনফেল টাওয়ারের ১৪২ নম্বর অ্যাপার্টমেন্টে।

অগ্নিকাণ্ডের পর ভবনটির বাসিন্দাদের মধ্যে একটি বাংলাদেশী পরিবারের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায়। আগুন ধরার পর গ্রেনফেল টাওয়ারের ১৮ তলায় মা-বাবাকে ফেলে না এসে তাদের সঙ্গে মৃত্যুকে বেছে নিয়েছিলেন তিন ভাইবোন।

ব্রিটিশ পত্রিকা মিরর’র ২৩ জুনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবনটিতে আগুন লাগার পর ১৮ তলায় বাবা-মাকে ফেলে না এসে সেখানে থেকে যান তিন তরুণ ভাই-বোন এবং মারা যান তারা। সেখানে রাবেয়াকে মা, হুসনাকে মেয়ে হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। কমরু মিয়ার পরিবারের অপর দুই সন্তান হানিফ (২৬) ও হামিদের (২৯) কথা বলা হয়েছিল।

ভবনে আগুন লাগার পর দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ফোনে আত্মীয়দের সঙ্গে কথোপকথনে সেখানে বাবা-মার সঙ্গে থেকে যাওয়ার পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন ওই তিন ভাই-বোন।

রাবেয়া ওই পরিবারের মা আর হুসনা তার মেয়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাবেয়ার স্বামী কমরু মিয়ার পৈতৃক নিবাস মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আকাইলকুড়া ইউনিয়নের কৈশাউড়া গ্রামে।

গত ১৪ জুন ওই ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৭৯ জনের কোনো খোঁজ মেলেনি। তারা সবাই নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করছে লন্ডন পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কূটনীতিক কারামুক্ত 

552

নিউইয়র্ক, ১৪ জুন : গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিসের ডেপুটি কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলামকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কনসাল জেনারেল শামীম আহসান।

শামীম আহসান বলেন, ‘নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিসের ডেপুটি কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলামকে মঙ্গলবার রাত ৮টা ২০ মিনিটে (পূর্বাঞ্চলীয় সময়) নিউইয়র্কের ব্রংক্সের ভারমন সি সংশোধনাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রাক্তন গৃহকর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ জুন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্বাবধানে ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও নিউ ইয়র্কের কনস্যুলেট জেনারেলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গৃহকর্মীকে নির্যাতন ও মজুরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে স্থানীয় সময় সোমবার মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।  কুইন্স সুপ্রিম কোর্টে হাজির করার পর তাকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ৫০ হাজার ডলারের বন্ড অথবা নগদ ২৫ হাজার ডলারে তার জামিন ধার্য করে আদালত। কুইন্স জেলার অ্যাটর্নি রিচার্ড ব্রাউন এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, শাহেদুলের পূর্ণ কূটনৈতিক দায়মুক্তি নেই। দোষী সাব্যস্ত হলে তার সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১২ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বাড়ির কাজে সহায়তার জন্য মোহাম্মদ আমিন নামে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশ থেকে নিউইয়র্কে নিয়ে যান শাহেদুল। নিউ ইয়র্কে পৌছার পরই আমিনের পাসপোর্ট নিয়ে নেওয়া হয় এবং তাকে দিয়ে দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করানো হতো। আমিনের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল তাতে তাকে বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে তাকে কখনোই বেতন দেওয়া হয়নি। শাহেদুলের আদেশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে আমিনকে মারধর করা হতো। তাকে কখনো হাত দিয়ে আবার কখনোবা জুতা দিয়েও প্রহার করা হতো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ক্যালিফোর্নিয়ায় বাংলাদেশি ট্যাক্সিচালক খুন 

5525

লস অ্যাঞ্জেলেস, ১৪ জুন : ক্যালিফোর্নিয়ায় মোস্তাফিজুর রহমান নামের বাংলাদেশি এক ট্যাক্সিচালক খুন হয়েছেন। তার বয়স আনুমানিক ৫০ বছর বলে জানা যায়। সোমবার ভোর ৫টায় ওই ট্যাক্সিচালকের লাশ তার বাসার সামনে ড্রাইভওয়েতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে কীভাবে তিনি খুন হলেন তা জানা যায়নি।

মোস্তাফিজুর রহমান ক্যালিফোর্নিয়ায় এসে নিজেই ট্যাক্সি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিজেও ট্যাক্সি চালাতেন। রাতের শিফটে কাজ করে প্রতিদিন ভোর ৪টার দিকে তিনি ঘরে ফিরতেন। ব্রেক্সফিড এলাকায় পরিবার–পরিজন নিয়ে থাকা মোস্তাফিজুর রহমান তিন সন্তানের জনক ছিলেন। সোমবার নির্ধারিত সময়ে তিনি ঘরে ফিরে না আসায় তাঁর স্ত্রী ঘরের বাইরে এসে দেখেন মোস্তাফিজুর রহমানের গাড়ি পার্ক করা এবং তার লাশ ড্রাইভওয়েতে পড়ে আছে।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছে, মোস্তাফিজুর রহমানের বুকে আটটি বুলেটের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বুকের ভেতর পিস্তল ঠেকিয়ে রাখার কারণে কোনো শব্দ পাওয়া যায়নি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোস্তাফিজুর রহমান যে দিন খুন হন সেদিনই তিনি তার বাসায় বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তার আত্মার মাগফিরাত চেয়ে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। সূত্র : প্রথম আলো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কানাডায় বাংলাদেশি তরুণকে গুলি করে হত্যা 

8

কানাডা, ১৩ জুন : কানাডার টরন্টোতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক তরুণকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টরন্টো পুলিশের মিডিয়া রিলেশন্স অফিসার ভিক্টর পল কুয়ং জানান, ২০ বছর বয়সী ওই তরুণকে তারা সৌমিক আসগর হিসেবে শনাক্ত করেছেন।

তিনি জানান, গত শনিবার রাত প্রায় আড়াইটার দিকে (বাংলাদেশ সময় রবিবার দুপুর) নর্থ ইয়র্কের ব্লু হেভেন এলাকায় গুলির শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি গাড়ির চালকের আসনে সৌমিককে মৃত অবস্থায় পায়।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা হয়েছিল, গুলির ঘটনার সময় ওই গাড়িতে হয়ত আরো কোনো যাত্রী ছিলেন। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর পুলিশ সেই ধারণা বাতিল করে দেয়।

সৌমিক হত্যার ঘটনায় সোমবার রাত পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি টরন্টো পুলিশ।

টরন্টোর বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা ফেইসবুকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে নাগেট এভিনিউয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন মসজিদে সৌমিকের জানাজা হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কূটনীতিক গ্রেফতার 

53

নিউইয়র্ক, ১৩ জুন : বাংলাদেশের ওই কূটনীতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে, নিউইয়র্কে তার বাসায় আরেকজন বাংলাদেশি নাগরিককে তিন বছরের বেশি সময় ধরে সহিংস নির্যাতন ও হুমকি দিয়ে বিনা বেতনে কাজ করতে বাধ্য করেছেন। কুইন্স কাউন্টির অ্যাটর্নির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত বিশদ বিবরণও রয়েছে।

সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শাহেদুল ইসলাম এবং বয়স ৪৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে। তার পদবী উল্লেখ করা হয়েছে ডেপুটি কনসাল জেনারেল অব বাংলাদেশ। সে কুইনসের পাশেই জ্যামাইকা স্টেটে বসবাস করছে।

ওই শ্রমিক যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর পরই অভিযুক্ত শাহেদুল ইসলাম তার পাসপোর্ট কেড়ে নেন এবং তাকে দিয়ে দৈনিক আঠারো ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য করান বলেও অভিযোগ এসেছে।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামিম আহসান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মি. ইসলামকে ৫০ হাজার ডলার বন্ডে তিনি জামিন আদেশ দেয়া হয়েছে তবে তিনি এখনো মুক্ত হননি।

তাকে ১২ই জুন সকালে আটক করে পুলিশ।

নিউ‌ইয়র্কের কুইন্সবরোর অ্যাটর্নি রিচার্ড ব্রাউন এমন অভিযোগকে খুবই উদ্বেগজনক বলে বর্ণনা করেছেন।

আগামী ২৮শে জুন তাকে আবারও আদালতে হাজির হতে হবে।

এরপর মোহাম্মদ আমিন নামে ওই ব্যক্তি গত বছর মে মাসে পালিয়ে যায় এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায়।

ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি রিচার্ড এ ব্রাউন বিবৃতিতে বলেন, এই ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন কনস্যুলার তার বাড়িতে আরেকজনকে কাজে বাধ্য করতে শারীরিক জোর খাটিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন। সেই সাথে প্রথমদিন থেকেই ওই কর্মীকে কাজে আটকে রাখার জন্য তার পাসপোর্ট নিয়ে নিয়েছেন। তাকে বেতন দিতে অস্বীকার করেছেন এবং অন্যদেশে থাকা তার পরিবারকে বিপদে ফেলার ভয়-ভীতি দেখান। এইসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিশ্চিতভাবেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার জন্য শাস্তি পেতে হবে।

তার বিরুদ্ধে সবগুলো অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে ১৫ বছরের জেল খাটতে হতে পারে।

কনস্যুলেট কর্মকর্তারা বলছেন, তারা সবোর্চ্চ চেষ্টায় আছেন আইনি পদক্ষেপ মোকাবেলার জন্য।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামিম আহসান বলেন, তারা মনে করেন অভিযোগকারী ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়িভাবে বসবাসের আশায় এ ধরনের অভিযোগ করেছেন, যা সত্য নয়। -বিবিসি বাংলা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফের নির্বাচিত হলেন টিউলিপ ও রূপা হক 

22

লন্ডন, ৯ জুন : ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত টিউলিপ ও রূপা হক। লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে দুইজনই লন্ডনের দুই আসন থেকে বিজয়ী হন।

লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসন থেকে জয়ী হয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিক। আগেরবারও যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ঐ আসন থেকে জয় পেয়েছিলেন তিনি।

যুক্তরাজ্যে সদ্য ভেঙে দেওয়া পার্লামেন্টে যে তিনজন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি এমপি ছিলেন, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন টিউলিপ।

টিউলিপ সিদ্দিকের বড় পরিচয় হচ্ছে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে। এই জয় বাংলাদেশিদেরও গর্বিত ও অনুপ্রাণিত বলে মনে করে দেশের সচেতন জনগণ।

জানা যায়, টিউলিপ সিদ্দিক প্রায় ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। গতবারের নির্বাচনে জয়ের ব্যবধান ছিল এক হাজারের একটু বেশি এবং ২০১৫ সালের তুলনায় মিস সিদ্দিক ১৪.৬ শতাংশ বেশি ভোট পেয়েছেন।

রূপা হকের জয়

এদিকে, লন্ডনের ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন রূপা হক।

রূপা হকের প্রাপ্ত ভোট ৩৩ হাজার ৩৭। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী জয় মোরিসি পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৩০ ভোট।

এর আগেরবার  মাত্র ২৭৪ ভোটে জয় পেলেও এবার জিতেছেন ১৩ হাজার ৮০৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে।

২০১৫ সালে রূপা হক প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে হঠাৎ করে মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘোষণা দেওয়ায় রূপা হককে দুই বছরের মাথায় আসনটি ধরে রাখার লড়াইয়ে নামতে হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর