১৮ নভেম্বর ২০১৭
বিকাল ৫:৫৪, শনিবার

খোঁজ মিলল পৃথিবীর মতো গ্রহের

খোঁজ মিলল পৃথিবীর মতো গ্রহের 

33

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ১৬ নভেম্বর : সিএনএন বলছে, নামটা মনে রাখুন। ‘রস ১২৮বি’। বিজ্ঞানীদের ধারণা, অনেকটা মানুষের মতো নামধারী এই গ্রহই হতে যাচ্ছে মানুষের পরবর্তী আশ্রয়স্থল, দ্বিতীয় পৃথিবী। বাসযোগ্য গ্রহের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দূরত্বে অবস্থান করছে গ্রহটি। মানববসতি গড়ার জন্য আদর্শ পরিবেশ নাকি খুঁজে পাওয়া গেছে রস ১২৮বিতে।

কদিন পরপরই এমন কিছু শোনা যায়, বাসযোগ্য গ্রহের সন্ধান মিলেছে এবার। মহাজাগতিক বিস্তারের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিতে পারে মানুষ। কদিন পরেই সে উত্তেজনা থিতিয়ে আসে। তাহলে রস ১২৮বি এমন কী করল যে এ নিয়ে উত্তেজিত হতে হবে? উত্তরটা বলেই দেওয়া যাক।

গ্রহটি আকারে পৃথিবীর প্রায় কাছাকাছি। এমনকি পৃষ্ঠ তাপমাত্রাও পৃথিবীর সমান হওয়ার সম্ভাবনা আছে। যার মানে এ গ্রহে প্রাণের বিকাশ ঘটতেই পারে। প্রতি ৯.৯ দিনে এটি এর তারা ‘রস ১২৮’কে একবার প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবী যেমন ৩৬৫ দিনে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তবে রস ১২৮বি থেকে রস ১২৮-এর দূরত্ব পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্বের ২০ ভাগের একভাগ।

তারার এতটা কাছাকাছি হওয়ার পরও গ্রহটি বাসোপযোগী, কারণ রস ১২৮ একটি লাল বামন তারা। এরা সবচেয়ে ঠান্ডা এবং মৃদু তারা। ফলে অতিবেগুনি রশ্মি ও এক্স-রের তেজস্ক্রিয়তা অতটা ছড়ায় না। এখানে তরল পানি পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। ফলে প্রাণ বিকাশের সম্ভাবনা থাকে। পৃথিবীর চেয়ে মাত্র ১.৩৮ গুণ বেশি তেজস্ক্রিয়া সহ্য করতে হবে রস ১২৮বি-তে।

গ্রহটি ইউরোপিয়ান সাউদার্ন অবজারভেটরি আবিষ্কার করেছে হার্পসের (হাই একুরেসি ভেলোসিটি প্ল্যানেট সার্চার) সাহায্যে। চিলিতে অবস্থিত এই অবজারভেটরি ‘দ্বিতীয় পৃথিবী’ খোঁজার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করেছে। আজ বুধবার ‘অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকস’ সাময়িকীতে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা তাঁদের এই নতুন আবিষ্কারের কথা জানিয়েছেন।

গবেষণাপত্রের এক লেখক নিকোলা অস্তুদিলো-ডেফ্রু জানিয়েছেন, ‘এমন এক আবিষ্কারের সঙ্গে জড়িত থাকা অনেক তৃপ্তির। এ পদ্ধতি জানিয়ে দিচ্ছে, আমরা দ্বিতীয় পৃথিবী খুঁজে পাওয়ার পথে অবদান রাখছি।’

রস ১২৮বি পৃথিবী থেকে ১১ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এর চেয়ে কাছে আরেকটি বাসযোগ্য গ্রহ রয়েছে, ‘প্রক্সিমা বি’। ৪.২ আলোকবর্ষ দূরের এই গ্রহের ক্ষেত্রে একটি সমস্যা রয়েছে। গ্রহটির তারা প্রক্সিমা সেঞ্চারি বামন তারা হলেও মাঝেমধ্যেই অতিবেগুনি রশ্মি ও এক্স-রের বিচ্ছুরণ ঘটায়। যেটা প্রাণিজগৎ ধ্বংস করে দিতে পারে। কিন্তু রস ১২৮ তারাটি সে তুলনায় একেবারেই শান্ত।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, এ গ্রহ ও তারাটিও ধীরে ধীরে পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে। ফলে প্রক্সিমা বিকে ছাড়িয়ে এই নতুন গ্রহই আমাদের নিকটতম বাসযোগ্য প্রতিবেশী হবে একসময়।

ঘটনাটি ঘটতে অবশ্য এখনো ৭৯ হাজার বছর বাকি। শুনে অনেক-অনেক দূর ভবিষ্যৎ মনে হতে পারে। কিন্তু ৪০০ কোটি বছর টিকে থাকা এক গ্রহের জন্য এ আর এমনকি সময়! সূত্র: সিএনএন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সোমবার থেকে কম থাকবে ইন্টারনেটের গতি 

012

ঢাকা, ২২ অক্টোবর : মেরামতকাজের জন্য ২২ অক্টোবর রোববার মধ্যরাত থেকে তিন দিনের জন্য বন্ধ থাকবে দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৪)। এ সময় ব্যান্ডউইটথের ঘাটতির কারণে ইন্টারনেটের গতি কম থাকতে পারে।

২১ অক্টোবর শনিবার বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মেরামতকালীন সময়ে, সম্প্রতি চালু হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) ও ভারত থেকে আমদানি করা ব্যান্ডউইটথ দিয়ে ইন্টারনেট ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএসসিসিএলের কর্মকর্তারা।

বিএসসিসিএল এখন পর্যন্ত দু’বার প্রথম সাবমেরিন কেবলের মেরামত কাজের তারিখ পিছিয়েছে। এর আগে প্রথম ২২ সেপ্টেম্বর থেকে মেরামত শুরু করার কথা থাকলেও পরে আরেক দফা তারিখ পরিবর্তন করা হয়। এই কেবলের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে অবস্থিত। সেখান থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে একটি রিপিটার প্রতিস্থাপনের জন্য এ মেরামত কাজ চলবে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইটথের দৈনিক চাহিদা ৪৫০ জিবিপিএস (গিগা বাইট প্রতি সেকেন্ড)। এর মধ্যে প্রথম সাবমেরিন কেবল থেকে ২৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইটথ পাওয়া যায়। বাকি ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইটথ ভারত থেকে আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল কেবল) কোম্পানির মাধ্যমে আমদানি করা হয়।

বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন কেবলের (সাউথ ইস্ট এশিয়া-মিডিল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৪) সঙ্গে সংযুক্ত হয়। চালুর পর প্রথমবারের মতো এ সাবমেরিন কেবল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে এর মেরামত করা হবে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আজ পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ 

81

ঢাকা:  আজ সোমবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। তবে বাংলাদেশ থেকে এ বিরল দৃশ্য দেখা যাবে না। কারণ বাংলাদেশে যখন রাত তখন এই সূর্যগ্রহণ হবে। প্রায় এক শতাব্দী পর এই পূর্ণ বলয় গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকি,মিডওয়ে হ্যাটল দ্বীপ, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ব্রাজিল থেকে।

এর আগে সর্বশেষ ২০০৯ সালের ২২ আগস্ট বাংলাদেশের পঞ্চগড় থেকে পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহণ দেখছিলো দেশবাসী। পূর্ণগ্রাস এই গ্রহণ দেখতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হবে ১০৫ বছর।

এই সূর্যগ্রহণ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে এ পূর্ণগ্রাস সূর্য গ্রহণ দেখা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৪ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৪৭ মিনিট)। বাংলাদেশে গ্রহণ শেষ হবে রাত ৩টা ৪ মিনিটে।

আইএসপিআর থেকে গ্রহণের একটি গতিপথও নির্দেশ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখতে অপেক্ষা করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোটি কোটি মানুষ।
কারণ ১৯১৮ সালের পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল থেকে পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত হবে পূর্ণ সূর্য গ্রহণ। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪টি রাজ্যের অধিবাসীদের মধ্যে শুরু হয়েছে সাজ সাজ রব। শুরু হয়েছে “এক্লিপস পার্টি”-র প্রস্তুতিও। এ ছাড়াও পশ্চিম ইউরোপ, আফ্রিকার কয়েকটি এলাকা এবং এশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকেও আংশিক সূর্য গ্রহণের দেখা মিলবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই সময় অন্ধকার আকাশ পশু-পাখিদের বিভ্রান্ত করতে পারে। নিশাচর প্রাণীরা, বিশেষত পেঁচা দিনের বেলায়ই রাত ভেবে জেগে যেতে পারে, ভেড়ার পাল খুঁজতে পারে ঘুমানোর জন্য জায়গা। দিনের পাখিরা কলরব বন্ধ করে দিবে। পূর্ণগ্রাস সূর্য গ্রহণ রাতে চলা পতঙ্গ ও প্রজাপতিদের চলাফেরাতেও বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে। পোষা বিড়াল ও কুকুরও বিরক্ত বোধ করতে পারে।

জানা গেছে, আগ্রহীরা এ পূর্ণ সূর্য গ্রহণটি দেখতে পাবেন নাসা টেলিভিশন এবং নাসার ওয়েবসাইটে লাইভ ভিডিও স্ট্রিমের মাধ্যমে।

নাসার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, ১১টি বিমান থেকে ধারণ করা হবে সূর্য গ্রহণের দৃশ্য। এ ছাড়াও, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকা নভোচারীরা পাঠাবেন গ্রহণকালে গ্রকৃতির রহস্যময় রূপের ছবি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আবার বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলা 

252

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আবারও বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইউক্রেন থেকে শুরু হওয়া বড় আকারের এই সাইবার আক্রমণ এখন পৃথিবীর অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইউক্রেন ছাড়াও রাশিয়া, ব্রিটেন, ডেনমার্ক, স্পেন, ফ্রান্স, ও নরওয়ে থেকে শুরু করে ভারত পর্যন্ত অনেক দেশের বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ব্যবস্থা সাইবার হামলায় আক্রান্ত হয়েছে।

কিছু কিছু কোম্পানি তাদের কম্পিউটারের পর্দার ছবি প্রকাশ করেছে যাতে দেখা যাচ্ছে হ্যাকাররা তাদের হাত থেকে মুক্তির বিনিময়ে বিটকয়েন দিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ দাবি করছে।

আক্রান্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে আছে ডেনমার্কের শিপিং প্রতিষ্ঠান মেরস্ক, রুশ তেল কোম্পানি রসনেফট ও পৃথিবীর বৃহত্তম বিজ্ঞাপনী সংস্থা ব্রিটেনের ডব্লিউপিপি।

এ ছাড়া আক্রান্ত হয়েছে স্পেন ও ফ্রান্সের কয়েকটি বহুজাতিক ও নির্মাণ কোম্পানি।

ইউক্রেনে সাইবার হামলা ছিল অত্যন্ত গুরুতর যাতে সরকারি মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ কোম্পানি, ব্যাংক, ও কিয়েভের বিমানবন্দর আক্রান্ত হয়।

এর আগে গত মে মাসেও এ ধরনের একটি সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেটি ওয়ান্নাক্রাই ভাইরাসের মাধ্যমে আক্রমণ চালিয়েছিল। এটাও একই ধরনের। এটাও আগেরবারের মতোই কম্পিউটার আটকে দিয়ে মুক্তিপণ হিসেবে অর্থ দাবি করছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে ৮ লক্ষ্য গ্রাহক 

55

প্রযুক্তি ডেস্ক, ২৪ জুন : হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে আছে নিরাপত্তা প্রদানকারি ভার্জিন মিডিয়ার ৮ লক্ষ গ্রাহক, ইতোমধ্যে ভার্জিন মিডিয়া তাদের গ্রাহকদের সংকেত পরিবর্তন করে হ্যাকিং থেকে নিজেদর সুরক্ষিত করতে নির্দেশ দিয়েছে। খবর বিবিসির।

একটি অনুসন্ধানে পাওয়া যায়, গ্রাহকরা সুপার হাব রাউটারের মাধ্যমে তাদের স্মার্ট যন্ত্র পরিচালিত করে, যার মধ্যেমে হ্যাকিং করা সহজ। এরমধ্যে বাচ্চাদের খেলনা এবং গৃহস্থালির সিসিটিভি ক্যামেরা উল্লেখযোগ্য।

কর্তৃপক্ষ বলেন, যদিও এই ঝুঁকি সম্ভাবনা সামান্য, তারপরও সবার উচিত তাদের রাউটার এবং অন্যান যন্ত্রের সংকেত পাল্টে ফেলা উচিত।

ভার্জিন মিডিয়ার মুখপাত্র বলেন, আমরা আমাদের সিস্টেম সব সময় পরিবর্তন ও উন্নত করি এবং লক্ষ্য রাখি বর্তমান সময়ের মান উন্নয়নের উপর। এছাড়া গ্রাহকের নিরাপত্তা আমাদের মূল দায়িত্ব এবং তা আমরা গুরুত্ব সহকারে সম্পাদন করি।

কোম্পানিটি আরও উল্লেখ করে, এই সমস্যা অন্যান্য রাউটারে ও বিদ্যামান।

এথিক্যাল সিকিউরিটি রিসার্চ সুপার ক্লাউড পরীক্ষা করে আরও ১৫টি যন্ত্র যার মধ্যে ৮টির বেশি যন্ত্রে প্রযুক্তিগত দুর্বলতা আছে।

তাই প্রযুক্তি পণ্যের এই দুর্বলতা হোম সিকিউরিটি পণ্যের চাহিদাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

প্রযুক্তি পণ্য এবং গ্রাহকের সচেতনতাই পারে প্রযুক্তির এই হ্যাকিং রুখতে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৮ জুলাই বেসিসের নির্বাচন, সদস্যদের মধ্যে উচ্ছ্বাস 

87

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক : প্রথম বছর পূর্তি ও তিনটি পদের নির্বাচন আগামী ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। গত রবিবার বেসিসের নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির নির্দেশনা ও সংঘবিধি মেনেই এই নির্বাচন করা হচ্ছে।

দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ২০১৬-১৯ মেয়াদের নির্বাহী কমিটির সংগঠনটির সভাপতি মোস্তাফা জব্বার এর বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ আছে।

বেসিসের সংঘবিধির ১২.৫, ১৪.৪ ও ১৪.৫ ধারা যেসব অসংগতি রয়েছে, সেগুলো দূর হওয়া প্রয়োজন। বেসিস সদস্যগণ মনে করেন তা শুধু নির্বাচন ও নতুন কমিটির মাধ্যমে সম্ভব।

বেসিস নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এস এম কামাল বলেন, ‘নানা কারণে আমরা দুই দিন পিছিয়ে গিয়েছিলাম। তবে নির্বাচন ৮ জুলাইয়ে হচ্ছে। তিনটি পদে মনোনয়ন জমা নেওয়া রবিবার থেকে শুরু হয়েছে। জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ১০ জুন। নির্বাচনের এই খবরে সকল সদস্য ও বেসিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উৎসাহ, প্রাণচঞ্চলতা ফিরে এসেছে। বেসিসের সকলের মধ্যে নির্বাচণের আমেজ।

প্রসঙ্গত, বেসিসের তিন বছর মেয়াদি নয় সদস্যের নির্বাহী কমিটিতে প্রতিবছর তিনজন করে সদস্যের অবসর নেওয়া এবং সেই তিন পদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। ২৩ মে লটারি করে তিনজনকে অবসর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। উক্ত প্রক্রিয়া সবার সম্মতিক্রমে লটারী করা হয়, কিন্তু এই প্রক্রিয়া সভাপতি মোস্তফা জব্বার এর নাম আসার পরই তিনি বিরোধীতা শুরু করেন। এই প্রক্রিয়াকে অবৈধ বলে বেসিসের সভাপতি ২৪ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠনের পরিচালকের (ডিটিও) কাছে চিঠি লেখেন এবং পরপর তিন মেয়াদে কমিটিতে থাকা তিন সদস্যকে অবসর দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার আবেদন করেন। ২৫ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে বেসিসের সংঘবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মিরাজুল ইসলাম উকিল জানান, বেসিসকে আইন অনুযায়ী তাদের সংঘস্মারক ও সংঘবিধি সংশোধন করে তারপর নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে বলা হয়েছে।

আগামী ৮ জুলাই নির্বাচন পরিচালনা আর কোন বাধা নাই।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৩১ মে ধ্বংস হবে পৃথিবী! 

14

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ২৫ মে : তবে কি সত্যিই ৩১ মে  মানব সভ্যতার শেষ দিন? সেদিনই কি ধ্বংস হতে চলেছে পৃথিবী? নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে মানবসভ্যতা? ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও এমনই প্রশ্ন তুলে দিল। ভিডিওটি গত বছর অক্টোবরের।

কিন্তু সম্প্রতি নতুন করে ভিডিওতে তুলে ধরা তথ্যগুলি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। যেখানে বলা হচ্ছে, ৩১ মে ২০১৭ তেই শেষ হয়ে যাবে বিশ্ব। সে দিন বড়সড় কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাক্ষী হতে চলেছে গোটা বিশ্ব। ভিডিওটি ইতিমধ্যেই ১২ লাখেরও বেশি মানুষ দেখে ফেলেছেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এমন সম্ভাবনার কথা আসছে কেন? চলতি বছরই চারটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল ইতালিকে। মৃত্যু মিছিলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন দেশবাসী।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যা পরিস্থিতি, তাতে যে কোনও সময় ইতালিতে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটতেই পারে। শুধু ইতালিই নয়, আইসল্যান্ডে হেকলা অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কাও করছেন বিজ্ঞানীরা। ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে, এত কম সময়ের ব্যবধানে বিশ্বে এই পরিমাণ ভূমিকম্প, সুনামি ও অগ্ন্যুৎপাত এর আগে কখনও দেখা যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে, তার মানে কি সত্যিই এবার সবকিছু চিরতরে শেষ হতে চলেছে?

উল্লেখ্য, এক ব্যক্তি এর আগে ভবিষ্যৎদ্বাণী করেছিলেন ২০১২ সালেই ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী। সেই বিশ্বাসের উপর ভর করে হলিউডে তৈরি হয়ে গিয়েছিল আস্ত একটি সিনেমা। যেখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল কীভাবে প্রাকৃতিক বিপর্যয় গ্রাস করেছিল গোটা পৃথিবীকে। সলিলসমাধি ঘটেছিল সাজানো বিশ্বের। কিন্তু সেই ভবিষ্যৎদ্বাণী সত্যি হয়নি।

সম্প্রতি হোরাসিও ভিলেগাস জানিয়েছিলে, ধ্বংসের দিন ১৩ মে। কিন্তু ১৩ মে দিনটি স্বাভাবিকভাবেই কেটে গিয়েছে। তাই বিজ্ঞানীরা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত হতে নিষেধ করছেন। কারণ ৩১ মে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

সূত্র: ইন্টারনেট

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চলতি বছরেই ধ্বংস হচ্ছে পৃথিবী! 

887

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ১৮ মে : পৃথিবীর শেষ দিন প্রায় আসন্ন। ২০১৭ এর অক্টোবরেই ধ্বংস হতে চলেছে পৃথিবী৷ এমনই এক ভয়ংকর সত্য উঠে এসেছে গবেষক ডেভিড মিডের গবেষণায়৷ তাঁর বিখ্যাত বই ‘প্ল্যানেট এক্স: দ্য ২০১৭ অ্যারাইভাল’ বইটিতেই উঠে এসেছে এই কঠোর সত্যিটি। একটি বিশাল বড় গ্রহ এসে সজোরে ধাক্কা মারবে পৃথিবীকে৷ আর তাতেই ভেঙে চুড়মার হয়ে যাবে এই গ্রহটি।

এই বছরের আগামি সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরেই এই ভয়ংকর ঘটনাটি ঘটতে চলেছে৷ আর এই ধ্বংস যে অবশ্যাম্ভাবীই তার জ্বলন্ত প্রমাণও রয়েছে৷ বিশ্বের ধনী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই নতুন বাঙ্কার তৈরি করেছে এই ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতির মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য।

এই প্রসঙ্গে মিডে বলেন, মানুষের মধ্যে যাতে প্যানিক সৃষ্টি না হয় তাই ইচ্ছে করেই এই বিষয়টি সম্পর্কে মানুষকে অন্ধকারের মধ্যে রাখা হয়েছে৷ ভূমিকম্পের পরিমাণও বেড়ে যাবে প্রবল ভাবে৷ কম্পনের মাত্রাও যত দিন যাবে তত বৃদ্ধি পাবে। তত্ত্ববিদরা দাবি করেন, নেপচুনের পরেও রয়েছে একটি গ্রহ যেটি প্ল্যানেট এক্স কিংবা নিবিড়ু নামে পরিচিত৷ ওই গ্রহটিই পৃথিবীকে ধ্বংস করতে চলেছে বলে দাবি করেন ওই তত্ত্ববিদেরা৷ এর আগেও ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে এবং সেপ্টেম্বরে এই প্ল্যানেট এক্সের দ্বারা পৃথিবী ধ্বংস হতে চলেছিল৷

যদিও এই বিষয়টি সম্পর্কে নাসা জানিয়েছে, নিবুড়ুর এই বিষয়টি সম্পূর্ণভাবেই ভিত্তিহীন৷ এই বিষয়টির কোনও তথ্যপ্রমাণই নেই৷  যদি আগামি অক্টোবরে এই গ্রহটির জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হয় তাহলে এই গ্রহটি ইতিমধ্যেই দেখা যেতো আকাশে৷ এমনটাই দাবি করেছে নাসার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে করণীয় 

58

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ১৫ মে : ইউরোপের নিরাপত্তা সংস্থা ইউরোপোল বলছে, শুক্রবার সারা পৃথিবীতে হ্যাকাররা যে সাইবার আক্রমণ চালিয়েছে, তাতে ১৫০টি দেশের ২ লক্ষ কম্পিউটার আক্রান্ত হয়েছে। আরো আক্রমণের আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশেরও বেশ কিছু ব্যক্তি ও বড় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার এই হামলার শিকার হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে। যদিও ‘গ্রাহকদের মধ্যে আতংক সৃষ্টির ভয়ে’ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ কথা গোপন রাখার চেষ্টা করছে।

আক্রান্ত কম্পিউটারে ব্যবহারকারীরা কোন ফাইল খুলতে পারছেন না, এবং সেগুলো আটকে দিয়ে কমপিউটারের পর্দায় একটি বার্তার মাধ্যমে ‘মুক্তিপণ’ হিসেবে টাকা দাবি করা হচ্ছে।

এ আক্রমণ থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া সম্ভব?

বিবিসির ক্রিস ফক্স এ ব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছেন, সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা তিনটি জিনিস করতে পারেন।

“একটি হচ্ছে, আপনার কম্পিউটার , ল্যাপটপ, আইপ্যাড, ট্যাবলেট বা মোবাইল ফোনে এর প্রস্তুতকারকরা যে সব সফটওয়্যার আপডেট করতে বলেন, তা ঝুলিয়ে রাখবেন না। সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলুন।”

“অচেনা বা অপ্রত্যাশিত কোন ই-মেল খুলবেন না, কোন এ্যাটাচমেন্ট ডাউনলোড করবেন না। কোন অচেনা লিংকের ওপর ক্লিক করবেন না।”

“তিন নম্বর: আপনার কম্পিউটার যদি এখনো পুরানো অপারেটিং সিস্টেম যেমন ‘উইনডোজ এক্সপি’ দিয়ে চলে – যার এখন আর কোন টেকনিক্যাল সাপোর্ট পাওয়া যায় না – সেগুলো ব্যবহার করা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ । এগুলো আপগ্রেড করুন, নতুন অপারের্টিং সিস্টেম ব্যবহার করুন – যেগুলোর নিরাপত্তার জন্য এর নির্মাতারা নিয়মিত আপডেট দিয়ে থাকেন।”

সোমবার পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে সাপ্তাহিক ছুটি শেষের পর অফিস-আদালত খুললে আরো আক্রমণ হতে পারে – এমন আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইউরোপোলের প্রধান রব ওয়েইনরাইট বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সবশেষ নিরাপত্তা প্যাচ আপডেট করে নি, তাদের উচিৎ হবে সোমবার সকালের আগেই তা করে নেয়া। সূত্র: বিবিসি

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিশ্ব জুড়ে বড় ধরণের সাইবার হামলা 

50

ঢাকা, ১৩ মে : বিশ্বের অন্তত ৯৯টি দেশের বড় ধরণের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এসব দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ‘র‍্যানসমওয়্যার’ ছড়িয়ে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ডিজিটাল মুদ্রা ‘বিট কয়েনের’ মাধ্যমে ৩০০ ডলার করে চাওয়া হয়েছে।

অনেক দেশের স্বাস্থ্য, টেলিকম বা যোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত এই হামলার শিকার হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, ৯৯টি দেশের কম্পিউটার এই হামলা শিকার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, স্পেন, ইটালি আর তাইওয়ান।

এসব দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত হয়েছে। বিশেষ করে বড় ধরণের হামলার মুখে পড়েছে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস। দেশটির হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে রাখতে হয়।

স্পেনের টেলিকম ও জ্বালানি কোম্পানি, যুক্তরাষ্ট্রের ডেলিভারি কোম্পানি ফেডএক্স এই হামলার শিকার হয়েছে।

বিবিসির প্রযুক্তি সংবাদদাতা জোয়ি ক্লেইনম্যান বলছেন, ‘র‍্যানসমওয়্যার’ হচ্ছে এমন এক ধরণের ম্যালওয়ার বা ভাইরাস, যা কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং ব্যবহারকারীকে প্রবেশে বাধা দেয়। অনেক সময় হার্ডডিস্কের অংশ বা ফাইল পাসওয়ার্ড দিয়ে অবোধ্য করে ফেলে। পরে ওই কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ফেরত দেয়ার জন্য মুক্তিপণ বা অর্থ দাবি করা হয়। ‘ট্রোজান ভাইরাসের’ মতো এ ধরণের ম্যালওয়ার এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা অ্যাভাস্ট বলছে, ওয়ানাক্রাই এবং ভ্যারিয়্যান্ট নামের র‍্যানসমওয়্যারের শিকার ৭৫ হাজার কম্পিউটার আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পেয়েছেন। সংস্থাটির ম্যালওয়্যার বিশেষজ্ঞ জ্যাকব ক্রুসটেক বলছেন, এটা বিশাল একটা ব্যাপার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে মিল দেখা গেলেও, নির্দিষ্ট করে কোন লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলা চালানো হয়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএর তৈরি করা একটি টুল ব্যবহার করে এই সাইবার হামলা চালানো হয়। গত এপ্রিলে শ্যাডো ব্রোকারস নামের হ্যাকাররা ওই প্রযুক্তিটি চুরি করে এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। গত মার্চে এটি ঠেকাতে একটি নিরাপত্তা প্যাচ ছাড়ে মাইক্রোসফট, কিন্তু অনেক কম্পিউটার তাতে আপডেট করা হয়নি।

এদিকে, জানা যাচ্ছে যে, এই র‍্যানসমওয়্যারে বিট কয়েনের যেসব ওয়ালেটে অর্থ জমা দিতে বলা হয়েছে, সেখানে নতুন করে মোটা অর্থ জমা পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। -বিবিসি বাংলা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৯ লাখ ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ 

07

ঢাকা, ১৮ এপ্রিল : বাংলাদেশে কয়েকদিনে ফেসবুকের নয় লাখ ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন।

গতকাল সোমবার রাতে এনায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এনায়েত জানান, সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সিঙ্গাপুর সফরে গিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার অনুরোধ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়ে একটি বার্তার মাধ্যমে ঘোষণা দেয় ফেসবুক। যোগাযোগ মাধ্যমটির কর্মকর্তা শবনম শাইক এক বার্তায় জানান, ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে বিভিন্ন প্রতারণা করা হচ্ছে। ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো বিভিন্ন ফেসবুক পেজে প্রথমে লাইক দেয়। পরে সেসব পেজের বিভিন্ন পোস্টে গিয়ে কমেন্টের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ও নিজেদের প্রচারণা (স্প্যামিং) চালায়। এ কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ওই অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে বিভিন্নভাবে গুজব, মিথ্যা তথ্য ও ভুল খবর ছড়ানো হয় বলে জানিয়েছেন ফেসবুকের ওই কর্মকর্তা।

শাইক আরো জানান, বাংলাদেশ, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে ভুয়া অ্যাকাউন্টের‌ আধিক্য দেখা গেছে।

শাইক বলেন, একজন বাস্তব জীবনে যেমন আচরণ করে ফেসবুকেও তার প্রতিফলন ঘটে। তবে ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো ব্যতিক্রম। তারা স্প্যামিংয়েই ব্যস্ত থাকে।

উদাহরণ হিসেবে ফ্রান্সে ৩০ হাজার ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার কথা জানিয়েছেন শাইক।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিভিন্ন পেজ থেকে ভুয়া লাইকের সংখ্যা কমাতেও সক্ষম হয়েছে। ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক শতাংশের মতো আক্রান্ত পেজ যাদের লাইক সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি তাঁদের লাইকের সংখ্যা কমতে পারে। তবে তা তিন শতাংশের বেশি হবে না।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যেভাবে ফিরে পাবেন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট 

btuf3md3-copy

অনলাইন ডেস্ক, ১৬ এপ্রিল : ফেসবুকের জনপ্রিয়তা যত বাড়ছে, ততই নিয়মনীতি মানার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুকের নিয়মনীতি থেকে সামান্য বিচ্যুত হলেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ ও নিষ্ক্রিয় করার ঘটনা ঘটছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বন্ধ হওয়া অ্যাকাউন্ট দ্রুত উদ্ধার করা যায়। কিন্তু যখন ফেসবুকের নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় থাকে, তখন বন্ধ হওয়া অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কেন বন্ধ হয়?
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার কারণ তিনটি। সাইট রক্ষণাবেক্ষণ, ত্রুটি ও নিরাপত্তা। অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের জন্য ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগের আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার কারণ বোঝা দরকার। এতে ফেসবুক টিমের কাছে অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের বিষয়টি ঠিকভাবে উপস্থাপন করা যায়।

সাধারণত সাইট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ হয়ে গেলে তা দ্রুত ঠিক করা যায়। এ রকম হলে ফেসবুক নিজ থেকে অ্যাকাউন্ট ঠিক করে দেয়।

ব্যবহারকারী বা সিস্টেম ত্রুটির কারণেও কোনো অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ফেসবুকের কাছে কোনো অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে কনটেন্ট ও স্প্যাম ছড়ানোর অভিযোগ যায়। ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে ফেসবুককে কেউ অভিযোগ (রিপোর্ট) দিলে ব্যবহারকারীর সে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া অ্যাকাউন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়ার অভিযোগ পেলে ফেসবুক সে অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে যদি ভুলবশত অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে, তবে ফেসবুকের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বা আবেদন করা যায়। এ ক্ষেত্রে একটি ফরম পূরণ করতে হয়।

https://www.facebook.com/help/contact/logout?id=260749603972907 —এ ফরম জমা দিলে ফেসবুক বিষয়টি তদন্ত করে। তবে মনে রাখতে হবে, ওই অনুরোধ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঠিক করা হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষায় রাখে ফেসবুক।

ফেসবুক তাদের নিরাপত্তা পদক্ষেপের বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়। যদি কোনো অ্যাকাউন্ট ফেসবুক কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বলে মনে করে, তখন এর সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্ল্যাগ বা পতাকা দেখিয়ে রিভিউ বা পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়। তখন ব্যবহারকারী তাঁর অ্যাকাউন্টে আর ঢুকতে পারেন না। অর্থাৎ, ব্যবহারকারীর অ্যাকসেস বন্ধ হয়ে যায়।

ফেসবুক যেসব বিষয়কে নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে রাখে, তার মধ্যে আছে ভুয়া পরিচয় দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি, অবৈধ কনটেন্ট প্রচার করা, ডেটিংয়ের জন্য অযাচিত যোগাযোগ, অন্য ব্যবহারকারীকে নিপীড়ন বা বিরক্ত করা, অনুপযুক্ত বা স্প্যাম বিজ্ঞাপন। এ ছাড়া সাধারণ সন্দেহজনক কার্যক্রমকেও নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে ফেলেছে ফেসবুক। এ ক্ষেত্রে প্রকৃত কারণ ধরতে না পারলেও কয়েকটি উপায়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফিরে যাওয়া যায়।

এর মধ্যে আছে ফটো আইডি ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া। ফেসবুকের যদি সন্দেহ হয় যে আপনার একাধিক অ্যাকাউন্ট আছে কিংবা ভুয়া নাম দিয়ে আপনি একটি অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, তবে অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এতে আপনার কাছে একটি বার্তা দেখাবে। এতে লেখা থাকবে ‘We’ll get in touch with you at the email address you provided after we’ve reviewed your ID. You will now be locked out of Facebook’ এ ক্ষেত্রে ফেসবুক তদন্ত শেষ না করে যোগাযোগ করা পর্যন্ত আর কিছু করার নেই।

অনেক সময় ফেসবুক বাড়তি তথ্য পর্যালোচনা করে। তখন ব্যবহারকারী একটি বার্তা পান যাতে লেখা হয় ‘Unfortunately, you won’t be able to access your account while we’re reviewing these additional documents. We appreciate your patience, and we’ll get back to you as soon as we can. এ ধরনের ঘটনা ঘটলে পরিচয় শনাক্ত করতে বাড়তি তথ্য ফেসবুককে দিতে হবে।

ফেসবুক কী ধরনের ডকুমেন্ট গ্রহণ করে, কীভাবে তা আপলোড করতে হবে, আপলোড করার প্রয়োজনীয়তা এবং ডকুমেন্ট আপলোড করার পরে কী ঘটে তা জানার লিংক https://www.facebook.com/help/contact/260749603972907 ফেসবুক অ্যাকাউন্ট উদ্ধারে তথ্য দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে, তা যেন ঠিকমতো স্ক্যান করা হয়। এতে নাম, জন্মদিন, ছবি ঠিকমতো যাতে দেখা যায়। ডকুমেন্ট স্ক্যান করে কম্পিউটারে নিতে হবে। এরপর ফেসবুকের কন্টাক্ট ফরমে গিয়ে আইডি আপলোড করতে হবে। মনে রাখতে হবে, অ্যাকাউন্ট ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বা অনুরোধে সাড়া দিতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগাতে পারে ফেসবুক।

তবে অ্যাকাউন্ট তৈরিতে ভুয়া আইডি ব্যবহার করা হয়, তবে অ্যাকাউন্ট ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফেরত পাওয়ার সময় নির্ভর করে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার কারণের ওপর। অ্যাকাউন্ট পাইরেটেড, ফিশিং আক্রমণের শিকার বা হ্যাক হলে তা বন্ধ করে দিতে পারে ফেসবুক। এ ক্ষেত্রে দুইভাবে এগোনো যায়। ব্রাউজার পরিষ্কার ও বাড়তি যাচাই বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

এ ধরনের ঘটনা ঘটলে ৯৬ ঘণ্টা ফেসবুক চালুর চেষ্টা না করা ভালো। ব্রাউজার ক্যাশ পরিষ্কার ও কুকি মুছে দিয়ে অ্যাকাউন্ট চালু করতে হবে। তারপরও যদি ফেসবুকে ঢোকা না যায়, তবে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করে ফেসবুক থেকে কোড নিয়ে অনলাইনে ঢোকা যাবে। আরেকটি উপায় হচ্ছে বন্ধুদের ট্যাগ করা ছবিতে তাদের শনাক্ত করে।

অবশ্য অ্যাকাউন্ট লক হওয়া ঠেকানো বা সব সময় চালু রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করার শতভাগ কোনো উপায় নেই। তবে কিছু উপায়ে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়া ঠেকানো যায়। শুরুতেই ফেসবুকের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি পর্যালোচনা করে দেখা (Facebook’s Statement of Rights and Responsibilities) এবং ফেসবুকের নিয়মনীতি মানা। প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার না করা। একই সময়ে একাধিক ডিভাইস থেকে ফেসবুকে না ঢোকা। এটি ফেসবুক নিরাপত্তা হুমকি বলে মনে করে। তথ্যসূত্র: ফেসবুক, সিসিএম, দ্য নেক্সট ওয়েব।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফেসবুক বন্ধ করা হবে না: তারানা হালিম 

378

ঢাকা : বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ থাকবে বিভিন্ন মহলে এমন আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফেসবুক বন্ধের কোনো প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগতে মতামত জানানো হচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মধ্যরাতে ৬ ঘন্টা ফেসবুক বন্ধ চায় সরকার 

প্রযুক্তি ডেস্ক, ৩ এপ্রিল : শিক্ষার্থী ও তরুণদের ক্ষতির আশঙ্কায় মধ্যরাতে ছয় ঘণ্টা ফেসবুক বন্ধ রাখার বিষয়ে ভাবছে সরকার। এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির মতামত চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।

টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে বিটিআরসির মতামত চেয়ে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির সচিব সারওয়ার আলম। মতামত পাওয়ার পরই এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গতবছর জেলা প্রশাসক সম্মেলনে একটি প্রস্তাব এসেছিল। শিক্ষার্থী ও তরুণদের ক্ষতির কথা তুলে ধরে সেখানে বলা হয়েছিল- মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ রাখা যায় কি না। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই গত সপ্তাহে ২৭ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওই চিঠি পাঠায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতে পারে যেসব কারণে 

777

প্রযুক্তি ডেস্ক : যেসব কাজ করলে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি বন্ধ হতে পারে, তা ব্যবহারকারী জেনে রাখা ভাল। সাধারণত ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে কিছু বিধি-নিষেধও আছে, যা না মানলেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে অ্যাকাউন্ট।

এবার জেনে নিন-

সাধারণত আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও আপলোড করার জন্য ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বাতিল হতে পারে। অথবা কোন স্টেটাসে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করলে এবং কেউ রিপোর্ট করলে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বাতিল হতে পারে।

আবার প্রতিদিন একই মেসেজ বন্ধু-বান্ধবদের বার বার পোস্ট করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একই বার্তা বার বার দিতে চাইলে কনটেন্ট-এ কিছু না কিছু বদল আনা দরকার। একদিনেই বেশি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

নিজের নামের পরিবর্তে সেলিব্রেটির নাম ব্যবহারের অভিযোগ এলে বন্ধ হতে পারে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। ফেসবুক ওয়ালে যদি আপনি একই পোস্ট বার বার দেন, তবে সে কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পারে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। অতএব এই ব্যাপারগুলো জেনে সর্তকতার সাথে ফেসবুক ব্যবহার করুন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর