২৯ মে ২০১৭
সকাল ৭:৫৫, সোমবার

৩১ মে ধ্বংস হবে পৃথিবী!

৩১ মে ধ্বংস হবে পৃথিবী! 

14

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ২৫ মে : তবে কি সত্যিই ৩১ মে  মানব সভ্যতার শেষ দিন? সেদিনই কি ধ্বংস হতে চলেছে পৃথিবী? নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে মানবসভ্যতা? ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও এমনই প্রশ্ন তুলে দিল। ভিডিওটি গত বছর অক্টোবরের।

কিন্তু সম্প্রতি নতুন করে ভিডিওতে তুলে ধরা তথ্যগুলি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। যেখানে বলা হচ্ছে, ৩১ মে ২০১৭ তেই শেষ হয়ে যাবে বিশ্ব। সে দিন বড়সড় কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাক্ষী হতে চলেছে গোটা বিশ্ব। ভিডিওটি ইতিমধ্যেই ১২ লাখেরও বেশি মানুষ দেখে ফেলেছেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এমন সম্ভাবনার কথা আসছে কেন? চলতি বছরই চারটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল ইতালিকে। মৃত্যু মিছিলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন দেশবাসী।

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যা পরিস্থিতি, তাতে যে কোনও সময় ইতালিতে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটতেই পারে। শুধু ইতালিই নয়, আইসল্যান্ডে হেকলা অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কাও করছেন বিজ্ঞানীরা। ভিডিওটিতে দাবি করা হয়েছে, এত কম সময়ের ব্যবধানে বিশ্বে এই পরিমাণ ভূমিকম্প, সুনামি ও অগ্ন্যুৎপাত এর আগে কখনও দেখা যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে, তার মানে কি সত্যিই এবার সবকিছু চিরতরে শেষ হতে চলেছে?

উল্লেখ্য, এক ব্যক্তি এর আগে ভবিষ্যৎদ্বাণী করেছিলেন ২০১২ সালেই ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী। সেই বিশ্বাসের উপর ভর করে হলিউডে তৈরি হয়ে গিয়েছিল আস্ত একটি সিনেমা। যেখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল কীভাবে প্রাকৃতিক বিপর্যয় গ্রাস করেছিল গোটা পৃথিবীকে। সলিলসমাধি ঘটেছিল সাজানো বিশ্বের। কিন্তু সেই ভবিষ্যৎদ্বাণী সত্যি হয়নি।

সম্প্রতি হোরাসিও ভিলেগাস জানিয়েছিলে, ধ্বংসের দিন ১৩ মে। কিন্তু ১৩ মে দিনটি স্বাভাবিকভাবেই কেটে গিয়েছে। তাই বিজ্ঞানীরা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত হতে নিষেধ করছেন। কারণ ৩১ মে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

সূত্র: ইন্টারনেট

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চলতি বছরেই ধ্বংস হচ্ছে পৃথিবী! 

887

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ১৮ মে : পৃথিবীর শেষ দিন প্রায় আসন্ন। ২০১৭ এর অক্টোবরেই ধ্বংস হতে চলেছে পৃথিবী৷ এমনই এক ভয়ংকর সত্য উঠে এসেছে গবেষক ডেভিড মিডের গবেষণায়৷ তাঁর বিখ্যাত বই ‘প্ল্যানেট এক্স: দ্য ২০১৭ অ্যারাইভাল’ বইটিতেই উঠে এসেছে এই কঠোর সত্যিটি। একটি বিশাল বড় গ্রহ এসে সজোরে ধাক্কা মারবে পৃথিবীকে৷ আর তাতেই ভেঙে চুড়মার হয়ে যাবে এই গ্রহটি।

এই বছরের আগামি সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরেই এই ভয়ংকর ঘটনাটি ঘটতে চলেছে৷ আর এই ধ্বংস যে অবশ্যাম্ভাবীই তার জ্বলন্ত প্রমাণও রয়েছে৷ বিশ্বের ধনী ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই নতুন বাঙ্কার তৈরি করেছে এই ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতির মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য।

এই প্রসঙ্গে মিডে বলেন, মানুষের মধ্যে যাতে প্যানিক সৃষ্টি না হয় তাই ইচ্ছে করেই এই বিষয়টি সম্পর্কে মানুষকে অন্ধকারের মধ্যে রাখা হয়েছে৷ ভূমিকম্পের পরিমাণও বেড়ে যাবে প্রবল ভাবে৷ কম্পনের মাত্রাও যত দিন যাবে তত বৃদ্ধি পাবে। তত্ত্ববিদরা দাবি করেন, নেপচুনের পরেও রয়েছে একটি গ্রহ যেটি প্ল্যানেট এক্স কিংবা নিবিড়ু নামে পরিচিত৷ ওই গ্রহটিই পৃথিবীকে ধ্বংস করতে চলেছে বলে দাবি করেন ওই তত্ত্ববিদেরা৷ এর আগেও ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে এবং সেপ্টেম্বরে এই প্ল্যানেট এক্সের দ্বারা পৃথিবী ধ্বংস হতে চলেছিল৷

যদিও এই বিষয়টি সম্পর্কে নাসা জানিয়েছে, নিবুড়ুর এই বিষয়টি সম্পূর্ণভাবেই ভিত্তিহীন৷ এই বিষয়টির কোনও তথ্যপ্রমাণই নেই৷  যদি আগামি অক্টোবরে এই গ্রহটির জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হয় তাহলে এই গ্রহটি ইতিমধ্যেই দেখা যেতো আকাশে৷ এমনটাই দাবি করেছে নাসার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে করণীয় 

58

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ১৫ মে : ইউরোপের নিরাপত্তা সংস্থা ইউরোপোল বলছে, শুক্রবার সারা পৃথিবীতে হ্যাকাররা যে সাইবার আক্রমণ চালিয়েছে, তাতে ১৫০টি দেশের ২ লক্ষ কম্পিউটার আক্রান্ত হয়েছে। আরো আক্রমণের আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশেরও বেশ কিছু ব্যক্তি ও বড় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার এই হামলার শিকার হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে। যদিও ‘গ্রাহকদের মধ্যে আতংক সৃষ্টির ভয়ে’ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ কথা গোপন রাখার চেষ্টা করছে।

আক্রান্ত কম্পিউটারে ব্যবহারকারীরা কোন ফাইল খুলতে পারছেন না, এবং সেগুলো আটকে দিয়ে কমপিউটারের পর্দায় একটি বার্তার মাধ্যমে ‘মুক্তিপণ’ হিসেবে টাকা দাবি করা হচ্ছে।

এ আক্রমণ থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া সম্ভব?

বিবিসির ক্রিস ফক্স এ ব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছেন, সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা তিনটি জিনিস করতে পারেন।

“একটি হচ্ছে, আপনার কম্পিউটার , ল্যাপটপ, আইপ্যাড, ট্যাবলেট বা মোবাইল ফোনে এর প্রস্তুতকারকরা যে সব সফটওয়্যার আপডেট করতে বলেন, তা ঝুলিয়ে রাখবেন না। সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলুন।”

“অচেনা বা অপ্রত্যাশিত কোন ই-মেল খুলবেন না, কোন এ্যাটাচমেন্ট ডাউনলোড করবেন না। কোন অচেনা লিংকের ওপর ক্লিক করবেন না।”

“তিন নম্বর: আপনার কম্পিউটার যদি এখনো পুরানো অপারেটিং সিস্টেম যেমন ‘উইনডোজ এক্সপি’ দিয়ে চলে – যার এখন আর কোন টেকনিক্যাল সাপোর্ট পাওয়া যায় না – সেগুলো ব্যবহার করা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ । এগুলো আপগ্রেড করুন, নতুন অপারের্টিং সিস্টেম ব্যবহার করুন – যেগুলোর নিরাপত্তার জন্য এর নির্মাতারা নিয়মিত আপডেট দিয়ে থাকেন।”

সোমবার পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে সাপ্তাহিক ছুটি শেষের পর অফিস-আদালত খুললে আরো আক্রমণ হতে পারে – এমন আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইউরোপোলের প্রধান রব ওয়েইনরাইট বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সবশেষ নিরাপত্তা প্যাচ আপডেট করে নি, তাদের উচিৎ হবে সোমবার সকালের আগেই তা করে নেয়া। সূত্র: বিবিসি

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিশ্ব জুড়ে বড় ধরণের সাইবার হামলা 

50

ঢাকা, ১৩ মে : বিশ্বের অন্তত ৯৯টি দেশের বড় ধরণের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এসব দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ‘র‍্যানসমওয়্যার’ ছড়িয়ে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ডিজিটাল মুদ্রা ‘বিট কয়েনের’ মাধ্যমে ৩০০ ডলার করে চাওয়া হয়েছে।

অনেক দেশের স্বাস্থ্য, টেলিকম বা যোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত এই হামলার শিকার হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, ৯৯টি দেশের কম্পিউটার এই হামলা শিকার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, স্পেন, ইটালি আর তাইওয়ান।

এসব দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত হয়েছে। বিশেষ করে বড় ধরণের হামলার মুখে পড়েছে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস। দেশটির হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে রাখতে হয়।

স্পেনের টেলিকম ও জ্বালানি কোম্পানি, যুক্তরাষ্ট্রের ডেলিভারি কোম্পানি ফেডএক্স এই হামলার শিকার হয়েছে।

বিবিসির প্রযুক্তি সংবাদদাতা জোয়ি ক্লেইনম্যান বলছেন, ‘র‍্যানসমওয়্যার’ হচ্ছে এমন এক ধরণের ম্যালওয়ার বা ভাইরাস, যা কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং ব্যবহারকারীকে প্রবেশে বাধা দেয়। অনেক সময় হার্ডডিস্কের অংশ বা ফাইল পাসওয়ার্ড দিয়ে অবোধ্য করে ফেলে। পরে ওই কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ফেরত দেয়ার জন্য মুক্তিপণ বা অর্থ দাবি করা হয়। ‘ট্রোজান ভাইরাসের’ মতো এ ধরণের ম্যালওয়ার এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা অ্যাভাস্ট বলছে, ওয়ানাক্রাই এবং ভ্যারিয়্যান্ট নামের র‍্যানসমওয়্যারের শিকার ৭৫ হাজার কম্পিউটার আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পেয়েছেন। সংস্থাটির ম্যালওয়্যার বিশেষজ্ঞ জ্যাকব ক্রুসটেক বলছেন, এটা বিশাল একটা ব্যাপার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে মিল দেখা গেলেও, নির্দিষ্ট করে কোন লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলা চালানো হয়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএর তৈরি করা একটি টুল ব্যবহার করে এই সাইবার হামলা চালানো হয়। গত এপ্রিলে শ্যাডো ব্রোকারস নামের হ্যাকাররা ওই প্রযুক্তিটি চুরি করে এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। গত মার্চে এটি ঠেকাতে একটি নিরাপত্তা প্যাচ ছাড়ে মাইক্রোসফট, কিন্তু অনেক কম্পিউটার তাতে আপডেট করা হয়নি।

এদিকে, জানা যাচ্ছে যে, এই র‍্যানসমওয়্যারে বিট কয়েনের যেসব ওয়ালেটে অর্থ জমা দিতে বলা হয়েছে, সেখানে নতুন করে মোটা অর্থ জমা পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। -বিবিসি বাংলা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৯ লাখ ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ 

07

ঢাকা, ১৮ এপ্রিল : বাংলাদেশে কয়েকদিনে ফেসবুকের নয় লাখ ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন।

গতকাল সোমবার রাতে এনায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এনায়েত জানান, সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সিঙ্গাপুর সফরে গিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার অনুরোধ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়ে একটি বার্তার মাধ্যমে ঘোষণা দেয় ফেসবুক। যোগাযোগ মাধ্যমটির কর্মকর্তা শবনম শাইক এক বার্তায় জানান, ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে বিভিন্ন প্রতারণা করা হচ্ছে। ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো বিভিন্ন ফেসবুক পেজে প্রথমে লাইক দেয়। পরে সেসব পেজের বিভিন্ন পোস্টে গিয়ে কমেন্টের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ও নিজেদের প্রচারণা (স্প্যামিং) চালায়। এ কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ওই অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে বিভিন্নভাবে গুজব, মিথ্যা তথ্য ও ভুল খবর ছড়ানো হয় বলে জানিয়েছেন ফেসবুকের ওই কর্মকর্তা।

শাইক আরো জানান, বাংলাদেশ, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে ভুয়া অ্যাকাউন্টের‌ আধিক্য দেখা গেছে।

শাইক বলেন, একজন বাস্তব জীবনে যেমন আচরণ করে ফেসবুকেও তার প্রতিফলন ঘটে। তবে ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো ব্যতিক্রম। তারা স্প্যামিংয়েই ব্যস্ত থাকে।

উদাহরণ হিসেবে ফ্রান্সে ৩০ হাজার ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার কথা জানিয়েছেন শাইক।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিভিন্ন পেজ থেকে ভুয়া লাইকের সংখ্যা কমাতেও সক্ষম হয়েছে। ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক শতাংশের মতো আক্রান্ত পেজ যাদের লাইক সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি তাঁদের লাইকের সংখ্যা কমতে পারে। তবে তা তিন শতাংশের বেশি হবে না।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যেভাবে ফিরে পাবেন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট 

btuf3md3-copy

অনলাইন ডেস্ক, ১৬ এপ্রিল : ফেসবুকের জনপ্রিয়তা যত বাড়ছে, ততই নিয়মনীতি মানার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুকের নিয়মনীতি থেকে সামান্য বিচ্যুত হলেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ ও নিষ্ক্রিয় করার ঘটনা ঘটছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বন্ধ হওয়া অ্যাকাউন্ট দ্রুত উদ্ধার করা যায়। কিন্তু যখন ফেসবুকের নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় থাকে, তখন বন্ধ হওয়া অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কেন বন্ধ হয়?
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার কারণ তিনটি। সাইট রক্ষণাবেক্ষণ, ত্রুটি ও নিরাপত্তা। অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের জন্য ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগের আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার কারণ বোঝা দরকার। এতে ফেসবুক টিমের কাছে অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের বিষয়টি ঠিকভাবে উপস্থাপন করা যায়।

সাধারণত সাইট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ হয়ে গেলে তা দ্রুত ঠিক করা যায়। এ রকম হলে ফেসবুক নিজ থেকে অ্যাকাউন্ট ঠিক করে দেয়।

ব্যবহারকারী বা সিস্টেম ত্রুটির কারণেও কোনো অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ফেসবুকের কাছে কোনো অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে কনটেন্ট ও স্প্যাম ছড়ানোর অভিযোগ যায়। ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে ফেসবুককে কেউ অভিযোগ (রিপোর্ট) দিলে ব্যবহারকারীর সে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া অ্যাকাউন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়ার অভিযোগ পেলে ফেসবুক সে অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে যদি ভুলবশত অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটে, তবে ফেসবুকের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বা আবেদন করা যায়। এ ক্ষেত্রে একটি ফরম পূরণ করতে হয়।

https://www.facebook.com/help/contact/logout?id=260749603972907 —এ ফরম জমা দিলে ফেসবুক বিষয়টি তদন্ত করে। তবে মনে রাখতে হবে, ওই অনুরোধ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঠিক করা হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষায় রাখে ফেসবুক।

ফেসবুক তাদের নিরাপত্তা পদক্ষেপের বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়। যদি কোনো অ্যাকাউন্ট ফেসবুক কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বলে মনে করে, তখন এর সিস্টেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্ল্যাগ বা পতাকা দেখিয়ে রিভিউ বা পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়। তখন ব্যবহারকারী তাঁর অ্যাকাউন্টে আর ঢুকতে পারেন না। অর্থাৎ, ব্যবহারকারীর অ্যাকসেস বন্ধ হয়ে যায়।

ফেসবুক যেসব বিষয়কে নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে রাখে, তার মধ্যে আছে ভুয়া পরিচয় দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি, অবৈধ কনটেন্ট প্রচার করা, ডেটিংয়ের জন্য অযাচিত যোগাযোগ, অন্য ব্যবহারকারীকে নিপীড়ন বা বিরক্ত করা, অনুপযুক্ত বা স্প্যাম বিজ্ঞাপন। এ ছাড়া সাধারণ সন্দেহজনক কার্যক্রমকেও নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে ফেলেছে ফেসবুক। এ ক্ষেত্রে প্রকৃত কারণ ধরতে না পারলেও কয়েকটি উপায়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফিরে যাওয়া যায়।

এর মধ্যে আছে ফটো আইডি ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া। ফেসবুকের যদি সন্দেহ হয় যে আপনার একাধিক অ্যাকাউন্ট আছে কিংবা ভুয়া নাম দিয়ে আপনি একটি অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, তবে অ্যাকাউন্ট উদ্ধারের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এতে আপনার কাছে একটি বার্তা দেখাবে। এতে লেখা থাকবে ‘We’ll get in touch with you at the email address you provided after we’ve reviewed your ID. You will now be locked out of Facebook’ এ ক্ষেত্রে ফেসবুক তদন্ত শেষ না করে যোগাযোগ করা পর্যন্ত আর কিছু করার নেই।

অনেক সময় ফেসবুক বাড়তি তথ্য পর্যালোচনা করে। তখন ব্যবহারকারী একটি বার্তা পান যাতে লেখা হয় ‘Unfortunately, you won’t be able to access your account while we’re reviewing these additional documents. We appreciate your patience, and we’ll get back to you as soon as we can. এ ধরনের ঘটনা ঘটলে পরিচয় শনাক্ত করতে বাড়তি তথ্য ফেসবুককে দিতে হবে।

ফেসবুক কী ধরনের ডকুমেন্ট গ্রহণ করে, কীভাবে তা আপলোড করতে হবে, আপলোড করার প্রয়োজনীয়তা এবং ডকুমেন্ট আপলোড করার পরে কী ঘটে তা জানার লিংক https://www.facebook.com/help/contact/260749603972907 ফেসবুক অ্যাকাউন্ট উদ্ধারে তথ্য দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে, তা যেন ঠিকমতো স্ক্যান করা হয়। এতে নাম, জন্মদিন, ছবি ঠিকমতো যাতে দেখা যায়। ডকুমেন্ট স্ক্যান করে কম্পিউটারে নিতে হবে। এরপর ফেসবুকের কন্টাক্ট ফরমে গিয়ে আইডি আপলোড করতে হবে। মনে রাখতে হবে, অ্যাকাউন্ট ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বা অনুরোধে সাড়া দিতে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগাতে পারে ফেসবুক।

তবে অ্যাকাউন্ট তৈরিতে ভুয়া আইডি ব্যবহার করা হয়, তবে অ্যাকাউন্ট ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফেরত পাওয়ার সময় নির্ভর করে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার কারণের ওপর। অ্যাকাউন্ট পাইরেটেড, ফিশিং আক্রমণের শিকার বা হ্যাক হলে তা বন্ধ করে দিতে পারে ফেসবুক। এ ক্ষেত্রে দুইভাবে এগোনো যায়। ব্রাউজার পরিষ্কার ও বাড়তি যাচাই বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

এ ধরনের ঘটনা ঘটলে ৯৬ ঘণ্টা ফেসবুক চালুর চেষ্টা না করা ভালো। ব্রাউজার ক্যাশ পরিষ্কার ও কুকি মুছে দিয়ে অ্যাকাউন্ট চালু করতে হবে। তারপরও যদি ফেসবুকে ঢোকা না যায়, তবে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করে ফেসবুক থেকে কোড নিয়ে অনলাইনে ঢোকা যাবে। আরেকটি উপায় হচ্ছে বন্ধুদের ট্যাগ করা ছবিতে তাদের শনাক্ত করে।

অবশ্য অ্যাকাউন্ট লক হওয়া ঠেকানো বা সব সময় চালু রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করার শতভাগ কোনো উপায় নেই। তবে কিছু উপায়ে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়া ঠেকানো যায়। শুরুতেই ফেসবুকের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি পর্যালোচনা করে দেখা (Facebook’s Statement of Rights and Responsibilities) এবং ফেসবুকের নিয়মনীতি মানা। প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার না করা। একই সময়ে একাধিক ডিভাইস থেকে ফেসবুকে না ঢোকা। এটি ফেসবুক নিরাপত্তা হুমকি বলে মনে করে। তথ্যসূত্র: ফেসবুক, সিসিএম, দ্য নেক্সট ওয়েব।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফেসবুক বন্ধ করা হবে না: তারানা হালিম 

378

ঢাকা : বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ থাকবে বিভিন্ন মহলে এমন আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফেসবুক বন্ধের কোনো প্রশ্নই আসে না। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগতে মতামত জানানো হচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মধ্যরাতে ৬ ঘন্টা ফেসবুক বন্ধ চায় সরকার 

প্রযুক্তি ডেস্ক, ৩ এপ্রিল : শিক্ষার্থী ও তরুণদের ক্ষতির আশঙ্কায় মধ্যরাতে ছয় ঘণ্টা ফেসবুক বন্ধ রাখার বিষয়ে ভাবছে সরকার। এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির মতামত চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।

টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে বিটিআরসির মতামত চেয়ে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির সচিব সারওয়ার আলম। মতামত পাওয়ার পরই এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গতবছর জেলা প্রশাসক সম্মেলনে একটি প্রস্তাব এসেছিল। শিক্ষার্থী ও তরুণদের ক্ষতির কথা তুলে ধরে সেখানে বলা হয়েছিল- মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ রাখা যায় কি না। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই গত সপ্তাহে ২৭ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওই চিঠি পাঠায়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতে পারে যেসব কারণে 

777

প্রযুক্তি ডেস্ক : যেসব কাজ করলে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি বন্ধ হতে পারে, তা ব্যবহারকারী জেনে রাখা ভাল। সাধারণত ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে কিছু বিধি-নিষেধও আছে, যা না মানলেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে অ্যাকাউন্ট।

এবার জেনে নিন-

সাধারণত আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও আপলোড করার জন্য ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বাতিল হতে পারে। অথবা কোন স্টেটাসে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করলে এবং কেউ রিপোর্ট করলে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বাতিল হতে পারে।

আবার প্রতিদিন একই মেসেজ বন্ধু-বান্ধবদের বার বার পোস্ট করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একই বার্তা বার বার দিতে চাইলে কনটেন্ট-এ কিছু না কিছু বদল আনা দরকার। একদিনেই বেশি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

নিজের নামের পরিবর্তে সেলিব্রেটির নাম ব্যবহারের অভিযোগ এলে বন্ধ হতে পারে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। ফেসবুক ওয়ালে যদি আপনি একই পোস্ট বার বার দেন, তবে সে কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পারে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। অতএব এই ব্যাপারগুলো জেনে সর্তকতার সাথে ফেসবুক ব্যবহার করুন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আবারো ফিরল নকিয়া ৩৩১০ মোবাইল সেটটি 

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ২৭ ফেব্রুয়ারি : জন্মের ১৭ বছর পর পুনর্জন্ম হল বহুল বিক্রিত, ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া মোবাইল ফোন সেট নকিয়া ৩৩১০।

২০০৫ সালে উৎপাদন বন্ধ করার আগে এই মডেলের সাড়ে বারো কোটির বেশী ফোন সেট প্রস্তুত করেছিল নকিয়া।

নকিয়ার পুনরুৎপাদিত এই সংস্করণটি বিক্রি হবে ফিনিশ স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবালের লাইসেন্সের আওতায়। তারা নকিয়ার কিছু অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণও বাজারে ছেড়েছে।

এক কথায় বাজার থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া এককালের জনপ্রিয় মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড নকিয়া আবারো সদর্পে বাজারে ফিরেছে।

নতুন এই নকিয়া ৩৩১০টি যে সেই পুরনো ৩৩১০ এর মতো হুবহু থাকছে তা নয়।

অবশ্য পুরনো ফোনটির আকৃতি-সহ বেশীরভাগ জনপ্রিয় বৈশিষ্ট্যই রাখা হয়েছে অক্ষুণ্ণ, তবে সাধন করা হয়েছে উন্নয়ন।

এই ফোনটিতে স্মার্টফোনের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকলেও এটি মূলত একটি ফিচার ফোন।

এতে সীমিত আকারে ইন্টারনেট ব্যাবহার করা যাবে।

রয়েছে একটি মাত্র ক্যামেরা যা ২ মেগাপিক্সেল ক্ষমতার।

অবশ্য পুরনো ৩৩১০-এ কোন ক্যামেরাই ছিল না।

সেই আমলে মানুষ মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটও ব্যাবহার করতে পারত না।

তবে এটির ব্যাটারির ক্ষমতা সেই আগের মতোই।

প্রস্ততকারকদের বক্তব্য, একবার পুরো চার্জ দিলে এটির ব্যাটারি এক মাস পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই থাকবে। আর কথা বলা যাবে টানা ২২ ঘণ্টা।

নতুন ৩৩১০ এর পর্দা রঙিন। পুরনো ৩৩১০ এর পর্দা ছিল সাদাকালো।

এটিতে রয়েছে সেই জনপ্রিয় ‘স্নেক’ গেমটিও।

তবে ক্লাসিক সংস্করণ নয়, ৩৩১০ এ খেলা যাবে স্নেক-এর আধুনিক সংস্করণ।

৩৩১০ এর পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে যে কায়দায় বাজারে ফিরল নকিয়া সেটাকে একজন বিশেষজ্ঞ বর্ণনা করেছেন ‘দারুণ উপায়’ হিসেবে।

প্রযুক্তি বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিসিএস ইনসাইটের বেন উড বলেন, ৩৩১০ ছিল প্রথম বহুল-বিক্রিত মোবাইল এবং এর জন্য মানুষের রয়েছে ব্যাপক নস্টালজিয়া।

এইচএমডি যদি শুধুমাত্র তিনটি অ্যান্ড্রয়েড চালিত ফোন বাজারে ছাড়ত তাহলে তাদের জন্য পত্রিকায় এক কলাম ইঞ্চি জায়গাও থাকতো কিনা সন্দেহ।-বিবিসি

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মহাকাশে খোঁজ মিলল আরো ৭ পৃথিবীর! 

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : মহাকাশে খোঁজ মিলল আরো সাত পৃথিবীর! অবশ্য ঐ গ্রহ গুলোতে প্রাণের বিকাশ হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয় নাসা। পৃথিবী থেকে ৪০ আলোকবর্ষ দূরে একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে এই গ্রহগুলো।

জার্নাল নেচারে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, এই আবিষ্কার মহাকাশ বিষয়ক অন সব গবেষণা থেকে ভিন্ন। কেননা এখানে পৃথিবীর সমান গ্রহ যেমন পাওয়া গেছ, তেমন পৃথিবীর মতই তাপমাত্রা ও অবস্থান পাওয়া গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে। মহাকাশে অবস্থিত টেলিস্কোপের সাহায্যে এই গ্রহগুলোকে বিশ্লেষণ শেষে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গ্রহগুলোতে পানি থাকতে পারে এবং সম্ভবত জীবনের বিকাশও হতে পারে।

এদিকে এই গবেষণার মূল কার্য সম্পাদন করা বেলজিয়ামের ইউনিভার্সিটি অব লিয়েগের মহাকাশ বিজ্ঞানী মিখায়েল গিলন বলেন, একটি নক্ষত্রকে আবর্তন করে চলা একই রকম এমন গ্রহের সন্ধান এই প্রথম পেলাম আমরা।

তবে সেখানে প্রাণের বিকাশ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মনে করি সেখানে প্রাণের বিকাশের মত পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে।

ট্রাপিস্ট-১ নামের একটি বামন নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে গ্রহগুলো। সিএনএন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যেভাবে জানা যাবে ফেসবুকে কে আনফ্রেন্ড করল? 

অনলাইন ডেস্ক : বর্তমান সময়ে ফেসবুক বন্ধুত্ব তৈরির একটা জনপ্রিয় মাধ্যম। কিন্তু কখনো কখনো ফেসবুক-বন্ধুত্বও তৈরি করে তিক্ততা। সে ক্ষেত্রে অপছন্দের বন্ধুকে আনফ্রেন্ড করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। সে রকমভাবে আপনিও ফেসবুকে কারও অপছন্দের তালিকায় পড়ে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকেও আপনার কোনো ফেসবুক-বন্ধু আনফ্রেন্ড করে দিতে পারেন।

ফেসবুক কিন্তু এসব ক্ষেত্রে আপনাকে কোনো নোটিফিকেশন পাঠায় না। অসংখ্য বন্ধুর মধ্যে কে আপনাকে হঠাৎ আনফ্রেন্ড করল, তা জানার উপায় কী? উপায় অতি সহজ। এবার জেনে নিন—* গুগল ক্রোম খুলে ডান দিকের উপরের কোণের তিনটি ডট-এ ক্লিক করে ‘সেটিংস’ অপশনে যান। * ‘এক্সটেনশনসে’ ক্লিক করুন।

পেজের একদম নিচে ‘গেট মোর এক্সটেনশনসে’ ক্লিক করুন।   * সার্চ বক্সে লিখুন ‘আনফ্রেন্ড ফাইন্ডার’ (unfriend finder). সার্চ রেজাল্টে ঠিক অপশনটির পাশে ‘অ্যাড টু ক্রোম’ অপশনটিকে সিলেক্ট করুন। এক্সটেনশনটি অ্যাড হয়ে যাবে আপনার ব্রাউজারে।   * এবার ক্রোম ব্যবহার স্বাভাবিকভাবে ফেসবুকে লগ ইন করুন। একেবারে ডান দিকের উপরের কোণে আনফ্রেন্ড ফাইন্ডারের আইকনটিতে ক্লিক করুন।

এ এক্সটেনশন দেখিয়ে দেবে, কে আপনাকে আনফ্রেন্ড করেছেন। এমনকি নতুন কেউ  আনফ্রেন্ড করলে আপনার কাছে নোটিফিকেশন চলে আসবে। তবে এই এক্সটেনশন কেবল গুগল ক্রোমের ডেস্কটপ ভার্সনেই কাজ করবে। মোবাইলে এ কৌশলে এক্সটেনশন অ্যাড করা যাবে না। সুতরাং কে আপনাকে আনফ্রেন্ড করল সেটা আর কৌতুহলের বিষয় থাকল না। এভাবে যে কেউ জেনে নিতে পারবেন এ প্রশ্নের উত্তর।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মাত্র এক লিটার পানিতে ৫০০ কি.মি. ছুটবে যে বাইক! 

অনলাইন ডেস্ক : যত দিন যাচ্ছে ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে পেট্রল-ডিজেলের ভান্ডার। তাই প্রত্যেকটি দেশ এখন বিকল্প শক্তি খোঁজে। ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে বায়ো-গ্যাসের মতো জ্বালানি। পাশাপাশি গাড়ি তৈরি সংস্থাগুলিও পেট্রল-ডিজেলের বিকল্প ব্যাটারি দিয়ে গাড়ি চালানোর প্রতি উৎসাহিত করছে।

সেই মর্মে নিত্য নতুন গাড়িও তৈরি হচ্ছে। কিন্তু এই সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছেন ব্রাজিলের পাবলিক অফিসার রিকার্দো আজাভেদো। তিনি অভিনব একটি বাইকের আবিস্কার করেছেন। যে বাইক পেট্রল কিংবা ডিজেলে নয়, চলে পানিতে।

শুধু পানিতে চলা নয়, এই বাইকের মাইলেজও মাথা খারাপ করে দেওয়ার মতো। মাত্র ১ লিটার পানিতে ৫০০ কিমি পাড়ি দিতে পারে এই পানি-চালিত মোটরবাইক। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই বাইক চালাতে কোন বিশেষ ধরনের পানিরও প্রয়োজন হয় না। একেবারে সাধারণ পানিই বাইকের জ্বালানির ট্যাঙ্কে ব্যবহৃত হতে পারে।

আসলে এর ইঞ্জিন গঠিত প্রধানত দু’টি অংশ নিয়ে— এগুলো হল, ওয়াটার ট্যাঙ্ক এবং একটি ব্যাটারি। ব্যাটারির ইলেকট্রিসিটি জলের হাইড্রোজেন মলিকিউলগুলিকে বিশ্লিষ্ট করে দেয়। তার পর একটি পাইপের মাধ্যমে সেই হাইড্রোজেন প্রবাহিত হয় ইঞ্জিনে।

এই হাইড্রোজেনই বাইককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপযোগী শক্তি উৎপাদন করে। রিকার্দোর তৈরি করা এই বাইক সব দিক থেকেই পরিবেশবান্ধব। একে তো এই বাইকে কোন রকম খনিজ তেল খরচ হওয়ার ভয় নেই। উপরন্তু এই বাইক কোন রকম ধোঁওয়াও উৎপাদন করে না। ফলে পরিবেশ থাকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৮ ফেব্রুয়ারির পর বন্ধ হয়ে যাবে জি-মেইল 

প্রযুক্তি ডেস্ক, ৪ ফেব্রুয়ারি : চলতি মাসেই বন্ধ হচ্ছে অনেকের জি-মেইল অ্যাকাউন্ট। আপনি জানেন কি কারণে আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্টাও বন্ধ হচ্ছে? কিছু নির্দিষ্ট শর্তে ৮ ফেব্রুয়ারির পর আর জি-মেইল ব্যবহার করা যাবে না।

গুগল জানিয়েছে, ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে যারা এখনও উইনডোজ এক্সপি অথবা উইনডোজ ভিসতা ব্যবহার করেন তারা ৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে গুগল ক্রোমের মাধ্যমে জি-মেইল অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না।

এর কারণ হিসেবে গুগল বলছে- ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্রোম ব্রাউজার ভার্সন ৫৩ এবং তার নিচের ভার্সনে জি-মেইল আর কাজ করবে না। তাই গুগলের সুপারিশ করেছে যে- এখনও যারা কম্পিউটারে উইনডোজ এক্সপি এবং উইনভোজ ভিসতা ব্যবহার করছেন তারা যেন নির্বিঘ্নে জি-মেইল পরিষেবা পেতে নতুন অপারেটিং সিস্টেমে তা আপগ্রেড করে নেন।

ক্রোম ব্রাউজার ভার্সন ৫৩ ব্যবহার করতে থাকলে জি-মেইল-এর নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন ব্যবহারকারীরা। এমন আশঙ্কা থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চাঁদের বুকে ঘুরে বেড়ানো নভোচারীর মৃত্যু 

055

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১৭ জানুয়ারি : চাঁদের বুকে ঘুরে বেড়ানো মার্কিন নভোচারী জিন সারনেন ৮২ বছর বয়সে মারা গেছেন। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ এ তথ্য জানিয়েছে।

যে তিনজন ব্যক্তি চাঁদে দু’বার গিয়েছেন মি: সারনেন তাদের মধ্যে একজন। চাঁদে যাওয়া নভোচারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বশেষ ব্যক্তি। ১৯৭২ সালে চন্দ্র পৃষ্ঠে মি: সারনেন পা রেখেছিলেন। এরপর আর কেউ চাঁদে যাননি। সে সময় তিনি ‘অ্যাপোলো ১৭’ মিশনের কমান্ডার ছিলেন। এ পর্যন্ত ১২জন নভোচারী চাঁদে গিয়েছিলেন এবং তাদের মধ্যে এখনো ছয়জন জীবিত আছে।

মি: সারনেন-এর পরিবার জানিয়েছে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি মারা গেছেন। এর বেশি পরিবারের তরফ থেকে আর কিছু জানানো হয়নি।

‘অ্যাপোলো ১৭’ মিশনের নেতৃত্বে দেবার আগে তিনি দু’বার মহাকাশে গিয়েছিলেন – একবার ১৯৬৬ সালে এবং আরেকবার ১৯৬৯ সালে। ১৯৭৬ সালে তিনি নভোচারী হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন এবং এরপর টেলিভিশনের সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৩৪ সালের ১৪ই মার্চ শিকাগোতে তার জন্ম।

মি: সারনেন-এর পরিবার জানিয়েছে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার বিষয়ে বিস্তারিত কয়েকদিনের মধ্যেই জানানো হবে। সূত্র : বিবিসি বাংলা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর