২২ জুলাই ২০১৭
দুপুর ২:৪৭, শনিবার

যেসব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে হজযাত্রীদের

যেসব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে হজযাত্রীদের 

897

ঢাকা, ২০ জুলাই : এবার সৌদি সরকার হজযাত্রীদের জন্য ই-ভিসা চালু করায় নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভিসা সংরক্ষেণে বিষেশ সচেতনতার কথা বলা হয়েছে। কারণ আগের মতো এই ই-ভিসা পাসপোর্টের সঙ্গে লাগানো থাকে না। ফলে এটি আলাদা করে সংরক্ষণ করতে হবে হজযাত্রীদের, যা আগে থেকে সচেতন না থাকলে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাবে।

তাছাড়া ই-ভিসা ও পাসপোর্ট দেখাতে হবে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ কাউন্টারে। ইমিগ্রেশন পুলিশ পাসপোর্টের নির্দিষ্ট পাতায় সিল মারার পর সেটি যত্ন করে রাখতে হবে। ই-ভিসা দেখাতে ও প্রিন্ট করতে পাসপোর্ট নম্বর ও নামের শেষ অংশ লিখে দেয়া হবে। এটি পাওয়া যাবে www.hajj.gov.bd লিংক থেকে।

জানা গেছে, ই-ভিসা পাসপোর্টের সঙ্গে লাগানো না থাকায় এটি আলাদাভাবে প্রিন্ট করে দেয়া হবে হজযাত্রীদের।

হজযাত্রী ও হজ এজেন্সির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রটি (হজের ওয়েবসাইট www.hajj.gov.bd থেকে ১৫ নম্বর ফরম) সঙ্গে রাখবেন।

অন্যদিকে, হজযাত্রীদের আগে যাওয়ার সময় একটি বোর্ডিং কার্ড, ফেরার সময় একটি বোর্ডিং কার্ড দেয়া হতো। এবার যাওয়া-আসার জন্য দুটি বোর্ডিং কার্ড যাত্রীদের আগেই দিয়ে দেয়া হবে।

হজযাত্রীরা হজে যাওয়ার আগে তিন সেট করে ই-ভিসা, বোর্ডিং কার্ড, হেলথ কার্ড, পাসপোর্টের ফটোকপি করবেন। মূল কপি থাকবে হাতে। এসব কাগজ এক সেট হাতব্যাগে সংরক্ষণ করবেন, এক সেট মালামালের মধ্যে রাখবেন এবং এক সেট দেশে আত্মীয়স্বজনের কাছে রাখতে হবে।

কারণ, জেদ্দা হজ টার্মিনালে পৌঁছানোর পর মক্কায় বাসে ওঠার আগে মোয়াল্লেম পাসপোর্ট জমা নিয়ে নেয়। আবার দেশে ফেরার সময় জেদ্দা বিমানবন্দরে মোয়াল্লেম পাসপোর্ট ফেরত দেয়।

হজে যাওয়ার আগে হজযাত্রীদের আত্মীয়স্বজনকে নজর দিতে হবে যাতে পাসপোর্টের সঙ্গে ভিসা, হেলথ কার্ড যথাযথভাবে লাগানো হয়। তা না হলে এসব কিছু হারিয়ে যেতে পারে।

এছাড়া, পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট সংগ্রহ ও তারিখ নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করাসহ নিয়ম মেনে ম্যানিনজাইটিস টিকা বা অন্যান্য ভ্যাকসিন দিয়ে নিন। হজের নিয়ম জানার জন্য একাধিক বইও পড়তে পারেন।

মনে রাখুন, বিমানে উড্ডয়নকালে হাত ব্যাগে ছুরি, কাঁচি, দড়ি নেয়া যাবে না। বিমান কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা অনুযায়ী বিমানে কোনো হজযাত্রী সর্বোচ্চ ৩০ কেজির বেশি মালামাল বহন করতে পারবেন না। নিবন্ধিত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো ওষুধ নিতে পারবেন না। চাল, ডাল, শুঁটকি, গুড় ইত্যাদিসহ পচনশীল খাদ্যদ্রব্য যেমন: রান্না করা খাবার, তরিতরকারি, ফলমূল, পান, সুপারি ইত্যাদি সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া যাবে না।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হজ ফ্লাইট শুরু ২৪ জুলাই 

06

ঢাকা, ১৮ জুলাই : চলতি বছরের হজ ফ্লাইট আগামী ২৪ জুলাই থেকে শুরু হবে। এ বছর ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যাবেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এ তথ্য জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বিএইচ হারুন এমপি, বিমান মন্ত্রণালয়ের সচিব এসএম গোলাম ফারুক প্রমুখ।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘‘আগামী ২২ জুলাই রাজধানীর আশকোনায় হজ ক্যাম্প পরিদর্শন ও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’’

বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী জানান, প্রথম হজ ফ্লাইট ২৪ জুলাই ঢাকা ছেড়ে যাবে। বাংলাদেশ বিমানের প্রথম হজ ফ্লাইটটি সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে জেদ্দার উদ্দেশে রওনা হবে। স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে জেদ্দায় পৌঁছাবে। হজের শেষ ফ্লাইটটি ছেড়ে যাবে ২৬ আগস্ট সকাল ৯টা ৫ মিনিটে। ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৬ সেপ্টেম্বর এবং শেষ হবে ৫ অক্টোবর।

তবে রাশেদ খান মেনন কেবল বাংলাদেশ বিমানের হজ ফ্লাইট সম্পর্কে জানান। সৌদি এয়ার লাইন্সের হজ ফ্লাইট সম্পর্কে তিনি কিছু জানাননি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শাওয়ালের ছয়টি নফল রোজার সওয়াব 

98

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: অল্পসংখ্যক নেকআমলের বিনিময়ে আল্লাহর অসীম দয়া ও অনুগ্রহের পাত্র হওয়ার জন্য নবী করিম (স)-এর মুখ নিঃসৃত অমিয় বাণীতে প্রদত্ত উত্তম পন্থাসমূহ থেকে একটি অতি সহজ পন্থা হলো শাওয়াল মাসের ছয়টি নফল বা ঐচ্ছিক সিয়াম পালন। বান্দা যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এই ছয়টি নফল রোজা রাখবে, তখন আল্লাহ তাকে পূর্ণ একটি বছর রোজা রাখার সওয়াব দিয়ে দেবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল, অতঃপর তার সঙ্গে সঙ্গে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন পূর্ণবছরই রোজা রাখল।’ (মুসলিম: ১১৬৪)

শাওয়াল মাসের ছয়টি নফল রোজা পালন সারাটি বছর রোজা রাখার সওয়াব প্রাপ্তির এমনি একটি পরম সুবর্ণ সুযোগ এনে দেয়। হাদিস শরিফে উল্লেখ আছে যে, ‘রমজানের রোজা ১০ মাসের রোজার সমতুল্য আর (শাওয়ালের) ছয় রোজা দুই মাসের রোজার সমান; এই হলো এক বছরের রোজা।’ অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘যে ব্যক্তি রমজানের  রোজা শেষ করে ছয় দিন রোজা রাখবে, সেটা তার জন্য পুরো বছর রোজা রাখার সমতুল্য।’ (আহমাদ: ৫/২৮০, দারেমি: ১৭৫৫)

জাগতিক কল্যাণকর কাজে মানুষের প্রতিযোগিতাস্বরূপ শাওয়ালের ছয়টি নফল সিয়াম পালনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা মুস্তাহাব বা পছন্দনীয়। মাহে রমজানের পরবর্তী মাস শাওয়ালের মধ্যে ছয়টি রোজা রাখার ফজিলত কতই না মহান! কোনো ঈমানদারের পক্ষে সহজেই সম্ভব নয় এক বছর লাগাতার রোজা রাখা। অথচ এই নেকআমলটা বিরাট ফজিলতসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব। একদিন রাসূলুল্লাহ (স)-কে সারা বছর সিয়াম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, ‘নিঃসন্দেহে তোমার ওপর তোমার পরিবার-পরিজনের হক বা অধিকার রয়েছে। অতঃপর তিনি বললেন, মাহে রমজানের এবং তার পরবর্তী দিনগুলোরও প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবারে রোজা রাখবে। সুতরাং যখন তুমি এই রোজাগুলো রাখবে তখন যেন তুমি সারাটা বছরই রোজা রাখলে।’ নবী করিম (স) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হজরত দাউদ (আ)-এর রোজা। তিনি এক দিন রোজা রাখতেন এবং এক দিন বিনা রোজায় থাকতেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)

বান্দার ওপর আল্লাহ কতই না পরম দয়ালু ও অশেষ মেহেরবান যে তিনি অল্প আমলের বিনিময়ে অধিক সওয়াব দেবেন। বান্দা যখন আল্লাহর প্রেমে বিভোর হয়ে তাঁর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে সামান্যতম আমল তাঁর দরবারে পেশ করে, আল্লাহ তখন বান্দার এই আমলকে ১০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। আল্লাহর পরম দয়া ও অনুগ্রহ বান্দারা তখনই লাভ করবেন যখন তারা নেকআমল করবেন। তাই মুসলমানরা যেন আল্লাহর খাস রহমতকে হাতছাড়া না করেন, বরং অল্প নেকআমলের বিনিময়েই যেন আল্লাহর অফুরন্ত দয়া ও অশেষ অনুগ্রহের অধিকারী হয়ে যান। সৎকর্ম সম্পাদনের প্রতিফল সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘কেউ কোনো সৎকর্ম করলে সে তার ১০ গুণ পাবে এবং কেউ কোনো অসৎকাজ করলে তাকে শুধু তারই প্রতিদান দেওয়া হবে।’ (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ১৬) অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘অনন্তর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।’ (সূরা আয-যিলজাল, আয়াত: ৭-৮)

শাওয়ালের ঐচ্ছিক রোজা মাসের শুরু থেকে শেষ সময় পর্যন্ত পালন করা যাবে। ধারাবাহিক ও অধারাবাহিক যেভাবেই হোক না কেন, রোজাদার অবশ্যই এর সওয়াবের অধিকারী হবেন যদি আল্লাহর দরবারে রোজা কবুল হয়। তবে যার ওপর মাহে রমজানের রোজা কাজা আছে, সেই ব্যক্তি আগে কাজা আদায় করবেন, তারপর শাওয়ালের ঐচ্ছিক সিয়াম পালনে ব্রতী হবেন। কারণ, ওয়াজিব আদায়ের দায়িত্ব পালন নফল আদায়ের চেয়ে অধিক গুরুত্ব রাখে। রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, ‘যে মাহে রমজানের পূর্ণ রোজা রাখবে, আর যার ওপর কাজা রয়ে গেছে সে তো রোজা পুরো করেছে বলে গণ্য হবে না যতক্ষণ ওই রোজাগুলোর কাজা আদায় না করে।’ (মুগনি: ৪/৪৪০)

রাসূলুল্লাহ (স) ফরজের আগে-পরে সুন্নত ও নফল প্রবর্তন করেছেন। যেমন- ফরজ নামাজের পূর্বাপর সুন্নতগুলো এবং মাহে রমজানের আগে ফজিলতময় শাবানের ঐচ্ছিক রোজা আর পরে বরকতময় শাওয়ালের নফল সিয়াম। এই নফল ইবাদতগুলো ফরজের ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলোর ক্ষতিপূরণ করে দেয়। কারণ রোজাদার কখনো অনর্থক বাক্যালাপ, কুদৃষ্টি প্রভৃতি খারাপ ও পাপকাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বাঁচতে পারে না, যা তার রোজার সওয়াব কমিয়ে দেয়। একজন মুমিন বান্দা যেন রমজান-পরবর্তী দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের শিক্ষা অনুসারে সর্বাবস্থায় মিথ্যাচার, পরচর্চা-পরনিন্দা, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, প্রতারণা-প্রবঞ্চনা, কপটতা-অসাধুতা, সুদ-ঘুষ, দুর্নীতিপরায়ণতা, আত্মকলহ, ঝগড়া-বিবাদ, সন্ত্রাস-সহিংসতা ইত্যাদি সামাজিক অনাচার জাতীয় শরিয়ত-গর্হিত ও অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিহার করে আত্মসংযমী হন। কেউ যদি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়, সহিহ-শুদ্ধভাবে ফরজ ও নফল সিয়াম পালন এবং পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ, তওবা-ইস্তিগফার— এসব ইবাদতের মধ্য দিয়ে প্রাত্যহিক দিন অতিবাহিত করেন, তাহলে নিঃসন্দেহে তিনি পরম করুণাময় আল্লাহর একজন খাঁটি আবেদ বা প্রিয় মকবুল বান্দা হিসেবে ইহকাল ও পরকালে সফলকাম হবেন!

লেখক: পরিচালক, এশিয়ান ইন্সটিটিউট, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। সম্পাদক, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি বার্তা

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে, সোমবার ঈদ 

88

ঢাকা, ২৫ জুন : বাংলাদেশের আকাশে ১৪৩৮ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সোমবার দেশজুড়ে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

রবিবার সন্ধ্যায় প্রথমে চট্টগ্রামে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে সোমবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের ঘোষণা দেয়া হবে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। এবার ২৯ দিনেই শেষ হলো মুসলমানদের সিয়াম সাধনার পবিত্র মাস রমজান।

ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে রবিবার বিকাল থেকেই শাওয়ালের চাঁদ দেখার জন্য অগণিত মুসলিম আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকেন। ইফতারির পর আকাশে চাঁদ দেখা যায়।

ঈদুল ফিতর মুসলিম বিশ্বের জন্য এক আনন্দঘন উৎসব। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে ছেলে, বৃদ্ধ সবাই শামিল হবেন ঈদগাহ ময়দানে। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি করবেন একে অপরের সঙ্গে। দোয়া ও মোনাজাত করবেন বিশ্ব মুসলিমের ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং মুসলিম জাহানের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনার অঙ্গীকারে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের প্রায় প্রতিটি ঘরে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সাধ্যমতো সব পরিবারই নতুন জামা-কাপড় কিনেছে। খাবার তৈরির জন্য কেনা হয়েছে সেমাই, চিনি, দুধসহ সুস্বাদু খাদ্যসামগ্রী। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের আগে দরিদ্র লোকদের ফিতরা-জাকাত দিয়ে থাকেন। এবারের সর্বনিন্ম ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা। ইসলামের বিধান অনুযায়ী ঈদের জামাতের আগেই ফিতরা পরিশোধ করে দিতে হয়।

ঈদে রোগীদের জন্য হাসপাতাল এবং এতিমখানা ও বন্দিদের জন্য জেলখানায় থাকবে বিশেষ খাবারের আয়োজন। সরকারি শিশুসদন, ছোটমণি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র এবং দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রে থাকবে উন্নতমানের খাবার এবং বিনোদনের ব্যবস্থা। কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের সব কারাগারে পরিবেশন করা হবে উন্নতমানের খাবার। এরই মধ্যে ঈদের আনন্দ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। নাড়ির টানে মানুষ ছুটছে গ্রামের পানে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যরাও নিজ নিজ এলাকায় জনগণের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করবেন।

এদিকে ঈদের জন্য আজ থেকে তিন দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। অবশ্য শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি সরকারি ছুটির সঙ্গে যোগ হয়েছে।

এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পৃথক বাণীতে দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাণীতে তারা বিশ্ব মুসলিমের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পবিত্র জুমাতুল বিদা আজ 

886

ঢাকা, ২৩ জুন : আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রমজান মাসের শেষ শুক্রবার জুমাতুল বিদা হিসেবে পালন করে থাকেন।

দেশব্যাপী মসজিদে-মসজিদে পবিত্র রমজান মাসকে বিদায় জানাতে শেষ জুমাকে পালন করা হয় বিশেষ ইবাদতের মাধ্যমে। খুতবায় রোজার মাসের ফজিলত ও ইবাদতের গুরুত্ব ব্যাখ্যাসহ বিশেষ দোয়া হবে।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জুমাতুল বিদার নামাজে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

জুমার নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ইবাদত বন্দেগিতে লাইলাতুল কদর পালিত 

88

ঢাকা, ২৩ জুন : যথাযথ পবিত্রতা, মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা লাইলাতুল কদর পালন করেছেন। বৃহস্পতিবার ২৬ রমজান দিবাগত রাত ছিল লাইলাতুল কদর। হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ও পুণ্যময় এ রজনীতে ইবাদত বন্দেগির জন্য ইফতার ও মাগরিবের নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মসজিদগুলোতে জমায়েত হতে শুরু করেন। মুসলিম নারীরা ঘরে ঘরে এ রাতের ইবাদতে মশগুল থাকেন।

মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিশেষ রহমত এবং অনুগ্রহের রজনী হচ্ছে লাইলাতুল কদর। রমজান মাসের এ রজনীতেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাহে ওয়া সাল্লামের প্রতি পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়েছিল। এ রাতের ইবাদত বন্দেগিকে নাজাতের উছিলা এবং হাজার মাসের ইবাদতের চাইতে উত্তম বলে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাহে ওয়া সাল্লাম এ রাতে নিজে ইবাদতে মশগুল থাকতেন এবং তাঁর সাহাবিদেরও বেশি বেশি ইবাদত করার নির্দেশ দিতেন। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের প্রতিটি মসজিদে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি জমায়েত হয়ে রাতভর ইবাদত বন্দেগি করেন। কবরস্থানে জিয়ারতকারীদের ভিড় ছিল সারা রাতই। বায়তুল মোকাররমসহ দেশের প্রতিটি মসজিদেই আখেরি মোনাজাতে দেশ ও জাতির শান্তি সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি কামনা করা হয়।

এ ছাড়া তারাবির নামাজের পর সারা দেশে মসজিদে মসজিদে ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণী, পেশা ও বয়সের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পবিত্র শবে কদর আজ 

887

ঢাকা, ২২ জুন : আজ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে কদর। ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে এ রাত হাজার রাতের চেয়ে পুণ্যময়। মহান আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন, ‘হাজার রাতের চেয়েও উত্তম’ পবিত্র শবে কদর সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত বরকতময় ও পুণ্যময় রজনী। পবিত্র শবে কদর বা লাইলাতুল কদরের রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ আল্লাহ’র নৈকট্য ও রহমত লাভের আশায় ইবাদত বন্দেগী করবেন।

পবিত্র রমজান মাসে লাইলাতুল কদরে মহাপবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাই মহান আল্লাহ’র প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ বৃহস্পতিবার সারা রাত এবাদত বন্দেগীতে মশগুল থাকবেন।

এ রাতে মুসলমানগণ নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আসকার, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আখেরি মোনাজাত করবেন।

পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে গতকাল বুধবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় 

14856

ঢাকা, ১১ জুন : ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আয়োজন করা হবে। সচিবালয়ে আজ রবিবার ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী মতিউর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘মুসলিম দেশের কূটনৈতিকদের ঈদের জামাতে উপস্থিত থাকার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানানো হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে ঈদগাহ মাঠের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।’

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ বা ২৭ জুন মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালিত হবে।

সভায় স্বরাষ্ট্র, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকার দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন, গণপূর্ত অধিদফতর, ওয়াসা, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সর্বনিম্ন ফিতরা এবারও ৬৫ টাকা 

99

ঢাকা, ৮ জুন : এবারও ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৬৬ টাকা ও সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ টাকা।

বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় বলা হয়, ইসলামি শরিয়া মতে আটা, খেজুর, কিশমিশ, পনির, যব ইত্যাদি পণ্যের যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা দেওয়া যায়। আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে এক কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৬৫ টাকা আদায় করতে হবে। যব দিয়ে আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৬০ টাকা আদায় করতে হবে। কিশমিশ দিয়ে আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১২৫০ টাকা আদায় করতে হবে। খেজুর দিয়ে আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১৬৫০ টাকা আদায় করতে হবে এবং পনির দিয়ে আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১৯৮০ টাকা আদায় করতে হবে।

গত বছরও সর্বনিম্ন ফিতরা ধরা হয়েছিল জনপ্রতি ৬৫ টাকা এবং এর আগের বছর ছিল ৬০ টাকা।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এই সভায় ফিতরা নির্ধারণী কমিটির সদস্য ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মাহে রমজানে দোয়া বেশি কবুল হয় 

454

ঢাকা, ৮ জুন : মুসলমানদের জন্য রমজান মাস আল্লাহ তাআলার অশেষ নেয়ামত। রমজানের মাহাত্ম, ফজিলত ও মর্তবা তাদের কাছে রয়েছে যারা এ মাসের বরকত সম্পর্কে অবগত। মাহে রমজানের আজ ১২তম দিন। অর্থাৎ মাগফিরাতের দ্বিতীয় দিন আজ। প্রথম দশকে রাব্বুল আলামিন তার অপার রহমত ও করুণার দ্বার খুলে দিয়েছিলেন। আর দ্বিতীয় দশকে তিনি অবারিত করে দিয়েছেন তার মাগফিরাত অর্থাৎ ক্ষমার ভাণ্ডার। তাই রমজানে আমাদের উচিত বেশি বেশি করে আল্লাহর কাছে দোয়া তথা ক্ষমা প্রার্থনা করা।

দোয়া অর্থ হচ্ছে ডাকা। রাব্বুল আলামিনের কাছে কোনো কিছু চাওয়াকে দোয়া বলে। বান্দা তার যে কোনো প্রয়োজনে আল্লাহ তাআলাকে ডাকবেন, তার কাছে চাইবেন। আল্লাহও তা পছন্দ করেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে রাব্বুল আলামিন তার প্রিয় হাবিবকে (সা.) লক্ষ্য করে বলেন, ‘যখন তোমার কাছে আমার কোনো বান্দা আমার সম্পর্কে পছন্দ করে তখন তুমি বলো, আমি তোমাদের খুবই নিকটে এবং যখন কেউ আমাকে ডাকে (দোয়া করে) আমি তার ডাকে সাড়া দেই।’ –(সূরা বাক্বারা-১৮৬)

নোমান বিন বশির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন- ‘দোয়াই হচ্ছে এবাদত। -(আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)। আরেক হাদিসে রাসূলে করিম (সা.) বলেছেন- ‘আল্লাহর কাছে দোয়ার চাইতে বেশি সম্মানিত জিনিস আর কিছু নেই।’ -(তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)

বান্দাহ যেমন তার নিজের জন্য দোয়া করবে, তেমনি অন্যের জন্যও দোয়া করা উচিত। নিজের মা-বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তান, শ্বশুর-শাশুড়িসহ অন্য আত্মীয়-স্বজনের জন্য দোয়া করতে হবে। পাশাপাশি পাড়া-প্রতিবেশি, দেশবাসি এবং সব জীবিত ও মৃত মুসলমান নর-নারীর জন্য দোয়া করা দরকার। হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলমান ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দোয়া করলে সেই দোয়া কবুল হয়। তার মাথার কাছে নিয়োজিত ফেরেশতা আমিন বলেন এবং আরো বলেন, তোমার জন্যও অনুরূপ কল্যাণ হোক।’ –(মুসলিম)

হযরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবি করিম (সা.) বলেছেন, ‘তিন দোয়া কবুল হয়, এতে কোনো সন্দেহ নেই। মা-বাবার দোয়া, মজলুমের দোয়া এবং মুসাফিরের দোয়া।’ -(আবু দাউদ, তিরমিজি) অপর এক হাদিসে এসেছে, আবু হোরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) বলেছেন- যে আল্লাহর কাছে কিছু চায় না আল্লাহ তার ওপর রাগ করেন।’ -(তিরমিজি)

সৃষ্টিকর্তার কাছে শুধু দুঃখের সময় নয়, সুখের সময়ও দোয়া করা, তার শুকরিয়া আদায় করা উচিত। হযরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন- ‘যে ব্যক্তি চায় যে তার দুঃখের সময় আল্লাহ তার দোয়া শুনবেন, সে যেন সুখের সময়ও দোয়া করে।’ -(তিরমিজি)

মাহে রমজান যেহেতু ফজিলতের মাস। তাই এই মাসে যাবতীয় ভোগ-লালসা থেকে দূরে থেকে আল্লাহর হুকুম মানার কারণে রোজাদার ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয়পাত্রে পরিণত হন। আর তারা দোয়া করলে রাব্বুল আলামিন সে দোয়া কবুল করেন। বিশেষ সময়ে ও মওসুমে দোয়া বেশি কবুল হয়। অনুরূপভাবে বিশেষ স্থানে এবং বিশেষ লোকের দোয়াও কবুল হয়। পবিত্র রমজানে দোয়া বেশি কবুল হয়। বিশেষ ব্যক্তি ও অবস্থা যেমন ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া কবুল হয়।

হযরত আমর বিন আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন- ‘ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না। তাই ইফতারের সময় আমাদের সবার বেশি বেশি দোয়া করা উচিত।’ -(ইবনে মাজাহ)

রাসূলে করিম (সা.) ইফতারে সময় বিভিন্ন ধরনের দোয়া করেছেন। মুয়াজ বিন যাহরা থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইফতারের সময় বলতেন- ‘হে আল্লাহ আমি তোমার জন্যই রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া নেয়ামত দিয়েই ইফতার করছি।’ –(আবু দাউদ)

হযরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন- ‘যার জন্য দোয়ার দরজা খোলা হয়, তার জন্য রহমতের দরজা খোলা হয়। আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও শান্তির চাইতে অধিকতর প্রিয় দোয়া নেই।’ সালমান (রা.) থেকে বর্ণিত, নবি করিম (সা.) বলেছেন- ‘আল্লাহ চিরঞ্জীব ও সম্মানিত। বান্দাহ তার কাছে দুই হাত তুললে তিনি খালি হাতে তাকে ফেরত দিতে লজ্জাবোধ করেন।’ –(তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)

রমজান মাসে রাসূল (সা.), সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়িন, তাবে তাবেয়িনরা ইবাদত বন্দেগির পাশাপাশি আল্লাহর দরবারে আহাজারি রোনাজারি করে দোয়া করেছেন। এর মাধ্যমে তারা আল্লাহর সান্নিধ্য ও নৈকট্য লাভে সক্ষম হয়েছেন। তাই রমজানের পুরো মাস জুড়ে আমাদের ইবাদত বন্দেগির সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি দোয়া করা জরুরি। রাব্বুল আলামিন আমাদের সে তাওফিক দান করুন। -আমিন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

খোশ আমদেদ মাহে রমজান 

18

ঢাকা, ২৮ মে : আজ পহেলা রমজান। গতকাল সূর্য অস্ত যাবার পর পরই নতুন চাঁদ উদিত হয়ে রমজান মাসের সূচনা করেছে। আরবী রমাদান শব্দের ফারসী উচ্চারণ রমজান। রমাদানের শব্দমূল রমদ যার অর্থ গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উত্তাপ।

৬২২ খৃস্টাব্দের রবিউল আউয়াল মাসে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম মক্কা মুকাররমা থেকে প্রায় ২৯৬ মাইল উত্তরে অবস্থিত মদীনা মনওয়ারায় হিজরত করে আসেন।

এখানে এসে তিনি জানতে পারেন, এখানকার ইয়াহুদীরা মুহররমের দশ তারিখ আশুরার দিনে সিয়াম পালন করে। তারা জানায়, তাদের নবী হযরত মূসা (আ.) বনী ইসরাঈলের হাজার হাজার মানুষকে জালিম রাজা ফেরাউনের কারাগার থেকে উদ্ধার করে লোহিত সাগরের ওপারে যেদিন নিয়ে গিয়েছিলেন সেদিন ছিল আশুরা। তাই তিনি এদিন কৃতজ্ঞতা ও মুক্তির নিদর্শনস্বরূপ সিয়াম পালন করতেন।

তাঁকে অনুসরণ করে ইয়াহুদীরা আশুরায় সিয়াম পালন করে আসছে। প্রিয়নবী সাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: মূসার উপর আমাদের অধিকার তোমাদের চেয়ে অনেক বেশি।

সেই বছর আশুরা এলে তিনি এবং তাঁর সাহাবিগণ আশারায় সিয়াম পালন করলেন এর প্রায় সাড়ে সাত মাস পরে ৬২৪ খৃস্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারি মুতাবিক দ্বিতীয় হিজরীর ১৫ শাবান তারিখে রমাদান মাসে সিয়াম পালনের জন্য নির্ধারণ করে দিয়ে ইরশাদ করেন: রমাদান মাস, যাতে নাজিল হয়েছে মানুষের দিশারী, সত্পথের স্পষ্ট নিদর্শন এবং সত্য ও অসত্যের মধ্যে পার্থক্যকারী পবিত্র আল-কুরআন।

সুতরাং তোমরা যারা এই মাস প্রত্যক্ষ করবে তারা এতে সিয়াম পালন করবে। (সূরা বাক্বারা: আয়াত ১৮৫)।

সিয়াম শব্দের শব্দমূল সওম যার অর্থ বিরত থাকা। দৃঢ়সংকল্প করে যাবতীয় কামাচার, পানাহার ও পাপাচার থেকে সুবিহ্ সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিরত থাকাটাই হচ্ছে সিয়াম। এই সিয়ামকে ফারসীতে বলা হয় রোজা।

আত্মশুদ্ধি, সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি গুণ অর্জনের প্রত্যক্ষ প্রশিক্ষণ লাভ হয় রমজানে সিয়াম পালনের মাধ্যমে। আমরা এই মুবারক মাসকে জানাই খোশ আমদেদ।

রমজান মাস অনেক ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার স্মৃতি ধারণ করে রয়েছে। অধিকাংশ আসমানী কিতাব ও সহীফা নাজিল হয়েছিল রমজান মাসে। পহেলা রমজান হযরত ইব্রাহীমের নিকট নাজিল হয়েছিল সহীফা। হযরত ইব্রাহীম আলায়হিস্ সালাম মুসলিম জাতির জনক। তিনিই মক্কা নগরীর পত্তন করেন। তিনি আল্লাহ্র নির্দেশে কাবা শরীফ পুনঃনির্মাণ করেন এবং হজের ঘোষণা করেন।

প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: রমাদানের প্রথম দশক রহমতের, দ্বিতীয় দশক মাগফিরাতের এবং শেষ দশক দোযখের আগুন থেকে নাজাতের।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক সন্ধ্যায় 

298

ঢাকা, ২৬ মে : পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা ও রমজান মাস শুরুর তারিখ নির্ধারণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে আজ শুক্রবার বৈঠকে বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন কমিটির সভাপতি ও ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা জানানোর কথা জানিয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শনিবার থেকে সৌদি আরবে রোজা শুরু 

05

ঢাকা, ২৬ মে : সৌদি আরবের সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছে, আগামী শনিবার থেকে দেশটিতে পবিত্র রোজা শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। খবর আল-আরাবিয়্যা ও গালফ নিউজের।

সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পরে বাংলাদেশে পবিত্র রমজান পালিত হয়। সে হিসাবে বাংলাদেশে রোববার থেকে পবিত্র রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মুসলিমরা চন্দ্রপঞ্জিকা অনুসরণের মাধ্যমে ১২ মাসে বছর গণনা করে থাকে। ফলে চন্দ্রপঞ্জিকায় ৩৫৪ অথবা ৩৫৫ দিনে বছর হয়। হিজরি সনের নবম মাস রমজান, যেটির শুরু ও শেষ হয় চাঁদ দেখে।

এ হিসাবে বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে আগামী শনিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে।

বিশ্বের মুসলিমরা রমজানকে পবিত্র মাস হিসেবে গণ্য করে থাকে। এবারও বিশ্বের দেড় বিলিয়ন মুসলিম সূর্যোদয়ের পূর্ব থেকে সূর্যাস্তের আগে পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার বর্জন করে রোজা পালন করবেন।

এ সময়ে তারা খাবার, পানীয়, ধুমপান এবং বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন থেকে বিরত থাকেন।

একই সঙ্গে রোজাকালীন সব ধরনের খারাপ কাজ ও চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন মুসলিমরা।

ইসলামের পাঁচ ভিত্তির অন্যতম রমজান। মুসলিমরা এই মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে থাকেন।

এই মাসেই আল্লাহ তার প্রিয় নবী ও রাসুল (সা.)- এর ওপর পবিত্র কুরআন নাজিল করেন।

গোটা মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর উদযাপন করে থাকেন মুসলিমরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

স্বাগতম জানাই মাহে রমজানকে 

khnn

ইসলাম ডেস্ক, ২১ মে : শাবানের চাঁদ ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে। আর ক’দিন পরই রমজানের বাঁকা চাঁদের উদয় ঘটবে। রহমত, বরকত ও মুক্তির বারতা নিয়ে অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার জন্য আমাদের মাঝে এসে উপস্থিত হবে মাহে রমাদান। আমাদের উচিত বছরের এই সেরা মাসকে স্বাগত সম্ভাষণ জানানো। পরিবারের সদস্যদের রমজানের গুরুত্ব সম্পর্কে এবং সৎ আমলের প্রতি উৎসাহিত করা। ঋতুরাজ বসন্তকে সম্ভাষণ জানানোর জন্য যেমন শীত ঋতু প্রকৃতির মাঝে পুরনো পাতা ঝরিয়ে একটা সাজ সাজ আবহাওয়া সৃষ্টি করে, তেমন এই রজব ও শাবান মাসদ্বয় রমজানে প্রস্তুতির মাস হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে।

রাসূল (সা.) শাবানের বেশিরভাগ সময় রমজানের মতো রোজা, কোরআন তেলাওয়াত, সাদকা, দাওয়াত-তাবলিগ এবং ভালো কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজ করার সময় ব্যয় করতে নিরুৎসাহিত করে গেছেন। মহামহিম মালিকে মাওলার ভালোবাসা প্রত্যাশায় ইবাদত ও আনুগত্যে ডুবে রমজানুল মোবারককে সম্ভাষণ জানানো যায়। আমাদের আত্মশুদ্ধির জন্য ইসলামের প্রশিক্ষণগুলোর মধ্যে সিয়াম সাধনা অন্যতম। এর মাধ্যমে আমরা পাশবিক শক্তির শৃঙ্খল থেকে মুক্তি লাভ করতে পারি। এতে রাসূল (সা.)-এর অনুসরণ করে আল্লাহ পাকের সান্নিধ্য লাভ করার একটা বড় সুযোগ থাকে। এ মাসেই নাজিল হয় মানবতার কল্যাণে শাশ্বত বিধান পবিত্র কোরআনুল কারিম।

পরিবারের সদস্যদের রমজানের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে এবং আমলের প্রতি উৎসাহিত করাতে রমজানের আগেই সংসারের ভারী কাজ আগেই সমাপ্ত করে ফেলা দরকার। যাতে ইবাদত-বন্দেগিতে কোনো শারীরিক দুর্বলতাহেতু কোনো রকমের বাধা না আসে। যেমন বাড়িতে কোনো বিশেষ মেহমানের আগমনের আগেই আমরা সব রকমের কর্ম সম্পাদন করে তার সঙ্গে পুরো সময়টা অতিবাহিত করার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। তেমনি রমজান নামের এ পবিত্র অতিথির আগমনের আগেই পারিপার্শ্বিক পরিচ্ছন্নতাই শুধু নয়, আত্মিক পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজন বেশি দরকার। অপকর্ম না করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া অর্থাৎ তওবা করার মাধ্যমে আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জন করা।

এটিকে সংযমের মাস নামেও আখ্যায়িত করা হয়। এটি শুধু মুখের কথায় ধরে না রেখে অন্তরের একাত্মতা হওয়া। বছরের ১১টি মাসের চেয়ে এ মাসেই মুসলিমরা (আমাদের দেশের) আহার গ্রহণে অতিরিক্ত ব্যয় করে থাকেন। এটি কখনই কাম্য হতে পারে না। উদয় পূর্ণ হলে নফ্স হয় পুষ্ট। আর নফ্সের তাঁবেদারিতে আত্মার উন্নতি রহিত হয়ে যায়। মাত্রাতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণে শরীর বিভিন্ন রকমের লালসায় মত্ত হয়ে যায়। সব রকমের পাপ কর্মে লিপ্ত হতে সহায়তা করে। তাই স্বল্প আহার আধ্যাত্মিক উন্নতির একমাত্র সোপান। এ মাসে ইফতার পার্টি নামক এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বিগত যুগ থেকে শুরু হয়েছে বিত্তবানদের মধ্যে। এতে করে একত্রে ইফতার করার সওয়াবের চেয়ে একটা প্রতিযোগিতা এবং বিশেষ একটা উদ্দেশ্য পূরণের আশা কাজ করে। অথচ হওয়া উচিত ছিল অসহায়দের সঙ্গে নিয়ে ইফতার করা। পার্টিতে মাত্রাতিরিক্ত ইফতার করার ফলে রমজানের অন্যান্য ইবাদত যেমন তারাবির নামাজ, কিয়ামুল লাইল, তেলাওয়াতে কালামে পাক, জিকির আসকার, আসতাগফির, দোয়া ও দরূদ পাঠে অলসতা জন্মে, ফলে হৃদয় কলুষিত হয়ে যায়।

পৃথিবীর অন্যান্য মুসলিম দেশের দিকে তাকালে দেখতে পাই তারা রমজানের আগে তার প্রস্তুতি নিতে থাকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায়। যেমন সব জিনিসের দাম কমানো, গরিব পথিকদের মাঝে ইফতার বিলানো। মসজিদে ইফতারের আয়োজনসহ একটা সাজসাজ রব শুরু হয়ে যায় সেসব দেশে। অথচ আমাদের দেশে তার উল্টোটা দেখতে পাই। ফলে নিরন্ন ব্যক্তিদের নাভিশ্বাস উঠে যায় রমজানে। এটি একটি মুসলিম দেশের কাম্য হতে পারে না। এখান থেকে পরিত্রাণ পেতে সরকার এবং জনগণকে একত্রে কাজ করে যেতে হবে। আসুন আমরা এসব অপকর্ম বর্জন করি। রমজানের জন্য শারীরিক, মানসিক এবং পারিপার্শ্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করে মাহে রমজানকে অভ্যর্থনা জানাই।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ইবাদত-বন্দেগিতে পবিত্র শবেবরাত পালিত 

784

ঢাকা, ১২ মে : ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে পালিত হয়েছে মুসলিম সম্প্রদায়ের সৌভাগ্যের রজনী পবিত্র শবেবরাত।

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করেন।

মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশ্বের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও বিশেষ মোনাজাত ও দোয়ায় শামিল হন।

সৌভাগ্যের এ রজনীতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মুসলমান কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল ছিলেন। ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষরা আজ নফল রোজাও পালন করেছেন।

বাসাবাড়ি ছাড়াও মসজিদে মসজিদে রাতভর চলেছে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল, অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগি ও মোনাজাত।

মুসলমানদের বিশ্বাস, মহিমান্বিত এ রাতেই মহান আল্লাহতায়ালা মানুষের ভাগ্য, অর্থাৎ তার নতুন বছরের ‘রিজিক’ নির্ধারণ করে থাকেন। রাতব্যাপী ইবাদত-বন্দেগি, জিকির ছাড়াও পবিত্র এ রাতে মুসলমানরা মৃত বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করেন। রাতে কবরস্থানগুলোতে ছিল মুসল্লিদের উপচেপড়া ভিড়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল ওয়াজ মাহফিল, কোরআন তিলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, হামদ, নাত, নফল ও তাহাজ্জুদের নামাজ এবং আখেরি মোনাজাত। পবিত্র এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ইবাদত-বন্দেগির জন্য জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদ সারা রাত খোলা ছিল।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর