২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
রাত ৩:২৭, শুক্রবার

খালেদা জিয়ার দুই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ সেপ্টেম্বর

খালেদা জিয়ার দুই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ সেপ্টেম্বর 

58

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশীবাজারস্থ কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো: আকতারুজ্জামান আসামিপক্ষে সময়ের আবেদন গ্রহণ করে পরবর্তী শুনানির এ দিন ঠিক করেন।

আজ আদালেত আইনজীবীরা খালেদা জিয়া দেশের বাইরে চিকিৎসা নিচ্ছেন মর্মে মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রদান করেন। আদালত ওই সার্টিফিকেট গ্রহণ করে নতুন তারিখ ধার্য করেন।

অপরদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক নুর আহমেদকে আজ খালেদা জিয়ার পক্ষে আংশিক জেরা করা হয়।

আদালতে খালেদা জিয়া পক্ষে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদার সময় আবেদন করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় একই আদালতে খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থন বিষয়ে শুনানির জন্য রয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সাড়ে ৫ হাজার রোহিঙ্গা নিবন্ধিত: মায়া 

88

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অভিযানে গত ২৫ দিনে চার লাখ ২৪ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র পাঁচ হাজার ৫৭৫ জন বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর ২৫ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় চার লাখ ২৪ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। এদের মধ্যে বুধবার পর্যন্ত নিবন্ধন করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৫৭৫ জনকে। সবাইকে নিয়ে তাদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সেবা দেওয়া হচ্ছে। সামান্য যে অব্যবস্থাপনা আছে, তা দূর করা হবে।

ত্রাণমন্ত্রী আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের কেউ না খেয়ে মরবে না। দেশে না ফেরা তাদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া জানান, চট্টগ্রাম থেকে ত্রাণ সামগ্রী গ্রহণ করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন,রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিশ্রুত সহায়তা থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ মেট্রিক টন চাল এবং ২০ টন আটা সরকারের হাতে এসেছে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ৫০০ মেট্রিক টন জিআর চাল ও নগদ ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নে চার লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এর আগে বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশটিতে জাতিগত নির্মূলের নীল-নকশার নির্যাতনে অনুরূপ সংখ্যক রোহিঙ্গা নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশে বাস করছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই, বললেন ফখরুল 

447

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব জনমত গড়তে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে দিতে প্রথমে দেশের মধ্যে জাতীয় ঐক্য তৈরি করতে হবে।

আমাদের সরকার ঐক্যে কখনও বিশ্বাস করে না। এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জন্য সরকার কোন সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য আর্থিক  অনুদান গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গাদের বাঁচানোর জন্য সমগ্র বিশ্বের প্রতি আমরা আহবান জানাচ্ছি। সকলের এগিয়ে আসা উচিত, মিয়ানমারকে বাধ্য করা উচিত এই হত্যকাণ্ড বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে। আমরা ঐক্যবদ্ধের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে দিতে পারবো। মিয়ানমারের এই নির্যাতন হচ্ছে মানুষের ওপর, মানবতার ওপর।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 

588

নিউইয়র্ক, ২১ সেপ্টেম্বর : মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংকট মোকাবিলায় ওআইসিভুক্ত মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুসলিম বিশ্বের মানুষদের কেন উদ্বাস্তু হয়ে দেশে দেশে ঘুরতে হবে তার কারণ অনুসন্ধানে মনোনিবেশ করবার প্রতি মুসলিম বিশ্বের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি । তিনি বলেছেন, সংকট সমাধানে আপনাদের ঐক্য প্রদর্শন করুন।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ওআইসি কনট্যাক্ট গ্রুপের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। ওআইসির মহাসচিব ইউসেফ আল উথাইমিন বৈঠকে সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত ওই ২৭ দফা ঘোষনা গৃহীত হয়। পাশাপাশি চলমান সহিংস ঘটনার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় ্ওই বৈঠক থেকে।

বৈঠকে শুরুতে মিয়ানমারের সর্বশেষ পরিস্থিতির উপর একটি প্রতিবেদন তুলে ধরেণ মহাসচিব। এরপরপরই বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তিনি মিয়ানমারে ‘জাতিগত নির্মূল’ অভিযানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের ঢল সামলাতে বাংলাদেশের জন্য ভ্রাতৃপ্রতীম মুসলিম দেশগুলোর কাছ থেকে ‘জরুরি মানবিক সহায়তা’র আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সামরিক অভিযানে মুসলিম ভাই ও বোনেরা জাতিগত নির্মূলের মুখোমুখী হওয়ায় রোহিঙ্গাদের সর্বকালের সবচেয়ে বৃহত্তম দেশত্যাগের ঘটনা ঘটেছে।

প্রধানমন্ত্রী ওআইসি নেতাদের অবহিত করেন যে, গত ২৫ আগস্টের পর থেকে স্থল ও নদী পথে সীমান্ত অতিক্রম করে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে, এদের ৬০ শতাংশই শিশু।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি একটি অসহনীয় মানবিক বিপর্যয়। আমি নিজে তাদের অবস্থা পরিদর্শন করেছি এবং আমি তাদের বিশেষ করে নারী ও শিশুর ভয়ঙ্কর দুঃখ-দুর্দশার ঘটনার বর্ণনা শুনেছি। আমি আপনাদের সবাইকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি এবং এখানে এসে মিয়ানমারের বর্বরতার ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে শুনুন। এসময় প্রধানন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৬টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব মুসলিম বিশ্বের নেতাদের সামনে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, মিয়ানমার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ বলে প্রচারণা চালাচ্ছে, অবশ্যই তা বন্ধ করতে হবে এবং দেশটিকে অবশ্যই রোহিঙ্গাদেরকে তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে নিতে হবে।

তবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর আগ পর্যন্ত ভ্রাতৃপ্রতীম মুসলিম দেশগুলো থেকে বাংলাদেশকে মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সকল ধরনের নির্মমতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও মর্যাদার সাথে অবশ্যই তাদের স্বদেশে ফেরত নিতে হবে।

তিনি নিরপরাধ নাগরিক বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের সুরক্ষা দিতে মিয়ানমারের ভেতরে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ তৈরির প্রস্তাব দেন এবং ‘অনতিবিলম্বে নিঃশর্তভাবে এবং সম্পূর্ণভাবে ’ কফি আনান কমিমনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বশেষ উদ্বাস্তুদের বাংলাদেশে প্রবেশের আগে থেকেই গত তিনদশকে বাংলাদেশ তাদের আরো ৪ লাখ উদ্বাস্তু আশ্রয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, স্থান ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা সব মিলে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছি। বাংলাদেশ দুর্দশাপীড়িত এই লোকদের খাদ্য, আশ্রয় এবং জরুরি সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী- রোহিঙ্গারা ‘বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অবৈধ অভিবাসী’ মিয়ানমারের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, সমস্ত ঐতিহাসিক দলিল প্রমাণ করে যে রোহিঙ্গারা কয়েক শতাব্দী ধরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাস করে আসছে।

শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমার পরিকল্পনা মাফিক সংগঠিত ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় রোহিঙ্গাদের তাদের পৈতৃক নিবাস থেকে জোরপূর্বক বহিষ্কার করছে এবং নিকট অতীতে তারা দেশের স্বীকৃত সংখ্যালঘু গ্রুপের তালিকা থেকে প্রথম রোহিঙ্গাদের বাদ দেয়।

তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া হয় এবং পরে তাদের নিজ দেশে ইন্টারনালি ডিসপ্লেস পার্সন’স (আইডিপি) ক্যাম্পে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সকল রোহিঙ্গাকে তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘তবে মিয়ানমার সরকার এ আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে না, বরং রোহিঙ্গাদের তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো বন্ধ করতে সীমান্তে স্থলমাইন পেতে যাচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ‘জাতিগত নিধনের’ অবসান দেখতে চায়। ‘মুসলিম ভাই- বোনদের দুর্দশার অবসান হওয়া দরকার। এই সংকটের মূলে মিয়ানমার এবং মিয়ানমারেই এর সমাধান পাওয়া যাবে।

এদিকে ওআইসির ওই বৈঠকে ২৭ দফা ঘোষনা গৃহীত হয়েছে বলে এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পরারাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে- মিয়ানমার সরকারকে অবিলম্বে রাখাইন প্রদেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন, কত বাড়িঘর জ্বালানো হয়েছে, কত মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন তা নিরুপন করে একটি অফিসিয়াল বিবৃতি দিতে হবে।

জতিসংঘের হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল এর ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনকে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করবার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার সুযোগ নিতে মিয়ানমার সরকারকে সহায়তা করতে হবে। সহিংসতা বন্ধে মিয়ানমার সরকারকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে হবে। ১৯৮২ সালে প্রণীত বিতর্কিত নাগরিক আইন বাতিল করতে হবে।

এছাড়াও জাতিসংঘের প্রতিও বেশ কয়েকটি দাবী আসে ওই ঘোষনা পত্রে, রাখাইন প্রদেশে হত্যাজজ্ঞ বন্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। চলমান অধিবেশনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের রক্ষায় প্রস্তাব পাশ করতে হবে।

উল্লেখ্য মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে গত ২৫ আগস্ট সেনা-পুলিশের ৩০টি চৌকিতে হামলার পর দমন-পীড়ন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর প্রাণভয়ে স্রোতের মতো বাংলাদেশে আসতে শুরু করে রোহিঙ্গারা। এরইমধ্যে আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গার সংখ্যা ৪ লাখ ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজার শিশু বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবিক সহযোগিতাকারী সংগঠনগুলোর জোট ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ (আইএসসিজি)।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয়-খাদ্য দিতে ব্যর্থ: ফখরুল 

5688

ঠাকুরগাঁও, ২০ সেপ্টেম্বর : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার রোহিঙ্গাদের ঠিকভাবে আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রথমদিকে তারা আশ্রয় না দেয়ার কথা বলেছেন, তাদেরকে সন্ত্রাসী বলেছেন, ফেরৎ পাঠিয়েছেন কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে। পরে যখন সমগ্র বিশ্ব রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলছে,  যখন সমগ্র বিশ্ব মিয়ানমার সরকার ও সুচিকে ধিক্কার দিচ্ছেন তখন সরকারের সম্বিত ফিরে এসেছে।

তিনি বলেন, এখনো লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা এই বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নীচে। এখনো শত শত শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত, রোহিঙ্গা মায়েরা রাস্তায় সন্তান প্রসব করছে কিন্তু সরকার তেমন কোনো ব্যবস্থা করতে পারেনি। তিনি রোহিঙ্গাদের ঠিকভাবে আশ্রয় দেয়া এবং তাদের দেশে ফেরৎ পাঠানোর ব্যাপারে আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সরকারের উপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও পৌর কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপি ঢাকা মহানগর (উত্তর) এর পক্ষ থেকে জেলার বন্যাদুর্গতদের বাড়িঘর নির্মাণের জন্য ঢেউ টিন বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, ১০ বছর ধরে বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে সাধারণ মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে। ২০১৪ সালে নির্বাচনে কোন মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। আজ চালের দাম আকাশ চুম্বি হয়ে গেছে। সরকার নিজেই তৈরি করেছে এই  সংকট। শুধু চালের দাম নয় প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

বিএনপি ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি তৈমুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি ঢাকা মহানগর (উত্তর) এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজলুল বাকি আঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ আহসান ও ঠাকুরগাঁও জেলা সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রোহিঙ্গাদের ত্রাণ-পুনর্বাসনে অংশ নেবে সেনাবাহিনী: কাদের 

142

কক্সবাজার, ২০ সেপ্টেম্বর : মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে সেনাবাহিনী অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ বুধবার সকালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দেওয়া ত্রাণ গ্রহণ শেষে সাংবাকিদের এসব কথা জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সেনাবাহিনী অংশ নেবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামিম, স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন, পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পরে এসব ত্রাণ জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন মন্ত্রী।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ডিসেম্বর থেকে দেশে ফোরজি চালু করা হবে: তারানা 

565

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর : ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে দেশে ফোরজি সুবিধা চালু করা হবে।

বুধবার সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, নভেম্বর মাসের মধ্যে ফোরজি চালুর প্রযুক্তিগত কাজ শেষ হবে। এরপর তরঙ্গ নিলাম হবে। আশা করছি ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের মানুষ ফোরজি সেবা পাবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ফোরজির লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন।

তিনি আরো বলেন, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং নাম্বার ওয়ান নেটওয়ার্ক আপারেটরা সতর্ক থাকবে। তারা মানসম্পন্ন সেবা দিতে সেচেষ্ট থাকবে। তাই ফোরজি চালু করতে পর্যাপ্ত তরঙ্গ কেনার ক্ষেত্রে আর অবহেলার কোনও সুযোগ নেই।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর ৬ প্রস্তাব 

4444

নিউইয়র্ক, ২০ সেপ্টেম্বর : মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা এবং সেখান থেকে তাদের বিতাড়িত করার যে প্রক্রিয়া চলছে এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য মুসলিম বিশ্বের সামনে ছয়টি প্রস্তাব পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলায় ওআইসিভুক্ত দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ওআইসি কনট্যাক্ট গ্রুপের বৈঠকে শেখ হাসিনা এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই ‘জাতিগত নির্মূল’ অভিযানের অবসান দেখতে চাই। আমাদের মুসলমান ভাইদের এই দুর্দশার অবসান চাই। এই সঙ্কটের সূচনা হয়েছে মিয়ানমারে এবং সেখানেই এর সমাধান হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ছয়টি প্রস্তাব হলো:

১. রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সব ধরনের নিপীড়ন এই মুহূর্তে বন্ধ করতে হবে।

২. নিরপরাধ বেসামরিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য মিয়ানমারের ভেতরে সেইফ জোন (নিরাপদ এলাকা) তৈরি করা যেতে পারে, যেখানে তাদের সুরক্ষা দেয়া হবে।

৩. বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত সব রোহিঙ্গা যেন নিরাপদে এবং মর্যাদার সঙ্গে মিয়ানমারে তাদের বাড়িতে ফিরতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে কফি আনান কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ অবিলম্বে নিঃশর্তভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

৫. রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে চিহ্নিত করার যে রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডা মিয়ানমার চালাচ্ছে, তা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

৬. রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে না ফেরা পর্যন্ত তাদের জরুরি মানবিক সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে হবে ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশগুলোকে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মিয়ানমারে আজ মুসলমান ভাই-বোনেরা জাতিগত নির্মূল অভিযানের মুখোমুখি হয়েছে। রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের চালানো সামরিক অভিযান বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় এবারই সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে দেশান্তরী হতে বাধ্য হয়েছে। ইতোমধ্যে চার লাখের বেশি মানুষ মিয়ানমার থেকে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এই শরণার্থীদের ৬০ শতাংশই শিশু।’

রোহিঙ্গাদের দুঃখ-কষ্টের বর্ণনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা এক অবর্ণনীয় মানবিক বিপর্যয়। আমি নিজে তাদের কাছে গেছি, তাদের মুখ থেকে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ভয়াবহ দুর্ভোগের বিবরণ শুনেছি। আমি বলব, আপনারা সবাই আসুন, এই শরণার্থীদের মুখ থেকে শুনে যান, মিয়ানমারে কী রকম নির্মমতা চলছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মিয়ানমার পরিকল্পিত ও সংগঠিত উপায়ে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বের করে দিচ্ছে। প্রথমত তারা নিবন্ধিত জাতিগোষ্ঠীর তালিকা থেকে রোহিঙ্গাদের বাদ দিয়েছে। তারপর ১৯৮২ সালের আইনে তাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশেই আইডিপি ক্যাম্পে পাঠিয়েছে তারা।’

রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলায় ওআইসির সদস্যভুক্ত দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এ বিষয়ে ওআইসির যে কোনো উদ্যোগে অংশ নিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফেরত নিতে হবে 

785255

নিউইয়র্ক, ২০ সেপ্টেম্বর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফেরত নিতে হবে।  রোহিঙ্গা ইস্যুতে পাশে দাঁড়ানোয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বাংলাদেশ স্থানীয় সময় বুধবার সকলে নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারত থেকে সব শরণার্থী ফেরত এনেছিলেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কোনও দেশ এতো দ্রুত ফেরত আনতে পারেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৭ সালে আমাকে যখন দেশে ফিরতে দিচ্ছিল না, একের পর এক মামলা দিয়েছিল, তখন বিশ্বব্যাপী ও জনগণের চাপে তৎকালীন সরকার আমাকে দেশে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল। বিভিন্ন দেশ থেকে শতাধিক প্রবাসী আমার সঙ্গে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে গিয়েছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, জাতির জনকের পথ ধরে ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে তা অসামান্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী কোনো দেশ সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে পারবে না। আমরা তা করতে দেব না।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্য মিয়ানমারে আজ নির্যাতন চলছে। সেখান থেকে দলে দলে মানুষ বাংলাদেশে আসছে। তাদের আমরা মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। আমি সেখানে গিয়েছি। তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তখন আমার নিজের কথা মনে হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে। আজ যখন তারা বিপদে পড়েছে তাদের আমরা সাহায্য করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৬ কোটি মানুষকে যদি আমারা খাওয়াতে পারি তবে তাদেরও খাওয়াতে পারব। বাংলাদেশের মানুষ অনেক উদার। প্রয়োজনে নিজেরা এক বেলা খাবে তাদের একবেলা খাওয়াবে। সেখানে হচ্ছেও তাই। মিয়ানমারকে আমরা বলেছি তাদের ফিরিয়ে নিতে হবে। রোহিঙ্গাদের অত্যাচার করা যাবে না। আমরা তা হতে দিতে পারি না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের বিষয়ে একমত হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ওআইসির মিটিংয়ে বলেছি, বিশ্বে কেন মুসলিমরা রিফিউজি হয়ে ঘুরে বেরায়। আপনারা কেন ব্যবস্থা নেন না।’

এসময় প্রবাসীদের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের কল্যাণে প্রবাসীদের অবদান অনেক। মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের নানাভাবে সাহায্য করেছে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন আদায়ে তারা কাজ করেছে। এখনো প্রবাসী ভাই-বোনেরা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশ গড়ায় অবদান রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শক্তি মানুষের শক্তি। বঙ্গবন্ধু যে পররাষ্ট্র নীতি দিয়েছিলেন আমার তা মেনে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছি। আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আমরা বৃত্তি দিচ্ছে। আমরা বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। মেয়ে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছিলাম। এখন তা বাস্তবায়ন করেছি। এখন মোবাইল সবার হাতে হাতে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। একটানা দুবার আমরা ছিলাম। আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। ভোটারদের আস্থা অর্জনে নেতাদের কাজ করতে হবে। আমরা চাই বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরো শক্তিশালী হোক। বাংলাদেশকে আমরা আরো এগিয়ে নিতে চাই।’

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

প্লাস্টিকের ব্যাগে চাল আমদানি করা যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী 

699

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর : এখন থেকে প্লাস্টিকের ব্যাগে চাল আমদানি করা যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। চটের ব্যাগে চাল আমদানিতে প্রতি মেট্রিক টনে অতিরিক্ত ১২ ডলার ব্যয় হতো। প্লাস্টিকের ব্যাগে তা হবে না। ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাড়া দিয়ে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

চালের বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে মিল মালিক, ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তোফায়েল আহমেদ।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর শুরু হওয়া বৈঠকটি এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চলছিলো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চীনে গেছে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদল 

88

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর : অক্টোবর বিদ্রোহের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে চীনে গেছে আওয়ামী লীগের ১৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। সেখানে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবস্থান করবেন তারা।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে গতকাল সোমবার রাত সোয়া ১২টায় চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওই প্রতিনিধিদল চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে।

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনিও ওই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রয়েছেন।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফারুক খান। তার সঙ্গে আছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য দীপঙ্কর তালুকদার, বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওসার, পারভীন জামান কল্পনা, মেরিনা জাহান, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত।

আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত অক্টোবর বিপ্লবের শতবার্ষিকী উপলক্ষে চীনের ক্ষমতাসীন দল চীনা কমিউনিস্ট পার্টি আয়োজিত মার্কসবাদের বিভিন্ন দিক নিয়ে সেমিনারসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতেই চীনে গেছে ওই প্রতিনিধিদল। তবে সম্প্রতি রোহিঙ্গা সংকট জটিল আকার ধারণ করার প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা ইস্যুটিই প্রতিনিধিদলের আলোচনার মূল এজেন্ডা হতে পারে।

প্রতিনিধিদলের দুই সদস্য নাম প্রকাশ না করে এ প্রতিবেদককে জানান, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত হামলা-নির্যাতন ও গণহত্যার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ও দলের অবস্থান তুলে ধরবে আওয়ামী লীগ। এ বিষয়ে চীনের সহযোগিতা চাইবেন প্রতিনিধিদলের নেতারা।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, চীন সফরকালে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গটি হবে তাদের এক নম্বর আলোচ্য বিষয়। এ ছাড়া দুই দেশ ও দুই দলের সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের অবদান বৃদ্ধির বিষয়েও পারস্পরিক মতবিনিময় করবেন।

অক্টোবর বিপ্লবের কর্মসূচিতে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ ছাড়াও বাংলাদেশের বামপন্থী দলগুলোর আট সদস্যের আরেকটি প্রতিনিধিদল এরই মধ্যে বেইজিংয়ে পৌঁছেছে।-এনটিভি

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পূজায় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

986

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর : হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা উপলক্ষে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, এবার অন্যান্যবারের তুলনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি নিরাপত্তায় কাজ করছে পূজা কমিটির নিজস্ব ভলান্টিয়াররা।

মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৭টায় রাজধানীর বনানীতে দুর্গা পূজা উপলক্ষে মহালয়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ। অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হওয়ায় এবার পূজা মণ্ডপের সংখ্যা আরও বেড়েছে। দুর্গা পূজায় শুধু রাজধানীর ২৩১টি মণ্ডপ নয় দেশের ৩ হাজার ৭৭টি পূজা মণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, পূজায় পুলিশ-র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে ১ লাখ ৬৮ হাজার আনসার সদস্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্ব পালন করছেন।

পূজা ঘিরে হামলার কোনো হুমকি আছে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হামলার কোনো আশঙ্কা নেই। প্রত্যেকটি মণ্ড সিসি ক্যামেরা দ্বারা বেষ্টিত। এ ধরনের কোনো আশঙ্কা করছি না। বলা যায়, দেশজুড়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিমা বিসর্জনের কাজ বিকেল ৩টায় শুরু করে আর রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ ঘোষ।

আজ মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দেবী আগমনের ডামাডোল। দেবী দুর্গা এবার নৌকায় করে মর্ত্যলোকে এসেছেন এবং ঘোড়ায় চড়ে কৈলাশ পর্বতে স্বামীগৃহে ফিরে যাবেন।

আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পাঁচদিনের শারদীয় দুর্গা পূজার আনুষ্ঠানিকতা। ২৭ সেপ্টেম্বর সপ্তমী, ২৮ সেপ্টেম্বর মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা, ২৯ সেপ্টেম্বর মহানবমী এবং ৩০ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন ও বিজয়া শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই দুর্গা পূজা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সভায় শেখ হাসিনা 

6963

নিউইয়র্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের সংস্কারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক সভায় যোগদান করেন।

সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এ সভায় বিশ্ব সংস্থার ৭২তম অধিবেশনে যোগদানে আগত ১৯৩টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা যোগ দেন। খবর বাসসের।

এতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমলাতন্ত্র ও অব্যবস্থাপনার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতিসংঘ পুরোপুরি সম্ভাবনায় পৌঁছতে পারেনি।

উচ্চপর্যায়ের এ সভার আলোচ্য বিষয়ের শিরোনাম ছিলো ‘জাতিসংঘের সংস্কার: ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন’।

জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেজেসের এ বিশ্ব সংস্থার বৃহত্তর দক্ষতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা আনয়নে একটি ঘোষণা গ্রহণের প্রচেষ্টাকালে এ সভা অনুষ্ঠিত হলো। আজ সকাল পর্যন্ত এ ঘোষণায় ১২৮টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।

ট্রাম্প বলেন, আমরা পুরো ব্যবস্থার প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের দেখভালের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করি। আমরা জাতিসংঘের উন্œয়ন, ব্যবস্থাপনা, শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করি।

তিনি আরো বলেন, আমরা এমন এক জাতিসংঘ চাই, যেখানে সারা বিশ্বের মানুষের আস্থা থাকবে। আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে ব্যবস্থাপনা হালনাগাদ করতে হবে এবং জাতিসংঘের মূল মিশনকে এগিয়ে নিতে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীও উপস্থিত ছিলেন।

আরো পরে শেখ হাসিনা ‘যৌন হয়রানি ও অপব্যবহার রোধ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এক সভায় যোগ দেবেন। এ ছাড়া তিনি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টবগে’র সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন।

সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ত্রাণে বাধা দেয়ার জবাব জনগণ দিবে : নজরুল 

6636

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর : রোহিঙ্গাদের জন্য বিএনপির ২২ ট্রাক ত্রাণ দিতে যে বাধা দেয়া হয়েছে তার জবাব বাংলাদেশের জনগনই দিবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে আমরা ছোট বড় ২২ ট্রাক নিয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ দিতে গিয়েছিলাম আমাদেরকে সেই ত্রাণ দিতে দেয়া হয়নি।

আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ সব কথা বলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির গয়েশ্বব চন্দ্র রায়ের বাসায় দূর্গা পূজার প্রস্তুতি সভায় হামলার প্রতিবাদে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। নজরুল ইসলাম খান বলেন, রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন সামাজিক অনেক সংগঠনই সাহায্য দিচ্ছে কিন্তু সরকার সহ ১৪ দলের কাউকে সেখানে ত্রাণ দিতে দেখা যায়নি। তাদের মুখে শুধু বড় বড় কথা।

আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রতিদিনই গলাবাজী করছে। চিবিয়ে চিবিয়ে মিথ্যা কথা বলেন। আপনি যখন রিলিপ দেন। সরকারি ভান্ডারের চাবি আপনাদের হাতে। আপনারা সেখানে পুলিশ পাহারায় রিলিপ দিবেন। কিন্তু আমরা কোনো সহযোগীতা চাই নাই তার পরো আপনারা আমাদেরকে রিলিপ দিতে দেন নাই।

তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনকে বলেছিলাম আপনারা আমাদের সাথেই এই ত্রাণ বিতরণ করেন কিন্তু তারা রাজি না হয়ে আমাদেরকে বলেন আপনারা দুই তিন বস্তা বিতরণ করে ছবি তুলে চলে যান আর বাদ বাকি আমাদের গুদামে জমা দেন। তাহলে ভাবেন একবার দেশের কি হবে? যারা বিএনপি করে তাদের মধ্যে যারা মুসলমান তাদেরকে ইফতার করতে দেয়া হয় না। যারা হিন্দু তাদেরকে পূজা করতে দেয়া হয় না। যারা বৌদ্ধ তাদেরকে প্রার্থনায় বাধা দেয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বাড়িতে পুলিশি হামলার নিন্দা জানিয়ে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এই হামলা গণতন্ত্রের উপর,যে তান্ডব চালানো হয়েছে সেটা বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্বের উপর। কারন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আজীবন গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলে চলেছেন। তিনি বলেন, দেশ একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে। এই অবৈধ সরকারের অপসারণ ছাড়া আমাদের কোন মুক্তি নেই।

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুর সভাপতিত্বে এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদের সঞ্চালনায় এ সময় মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, চেয়াপার্সনের উপদেষ্টা সুকোমল বড়ুয়া, আতাউর রহমান ঢালী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ড, নির্বাহী কমিটির সদস্য,আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমতউল্লাহ, অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম, রমেশ দত্ত, নিপুন রায় চৌধুরী, যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যালবার্ট পি কস্তা প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মিয়ানমারের উস্কানিমূলক আচরণে সতর্ক বাংলাদেশ 

5522

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর : যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়, তাই মিয়ানমারের উস্কানিমূলক আচরণে বাংলাদেশ সতর্ক আছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

চলমান রোহিঙ্গা ইস্যূ নিয়ে আজ সোমবার তথ্য অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান মন্ত্রী।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে এই ইস্যুতে রাজনীতি না করার আহ্বান জানিয়ে ইনু বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা রাজনৈতিক বহুমাত্রিকতা থাকলেও শেখ হাসিনা মানবতা ও মনুষ্যত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রোহিঙ্গাদেও জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকা একান্ত প্রয়োজন। শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা নিয়ে রাজনীতি করছেন না, অন্যরাও এ নিয়ে রাজনীতি করবেন না।

রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা মোকাবেলায় সরকারের মানবিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমারে গণহত্যা তদন্তে জাতিসংঘ কমিটি গঠনের আহ্বান জানাচ্ছে। একই সঙ্গে কফি আনান কমিশনের সুপারিশমালা পূর্ণ বাস্তবায়নে জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান করছে। মিয়ানমার সরকারকে সহিংসতা বন্ধে ও নিজ নাগরিকদেও ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করার জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সমর্থন চাইছে বাংলাদেশ।

ইনু বলেন, রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার জন্য দেশি বিদেশী সব সংগঠণ, গোষ্ঠি, প্রতিষ্ঠানকে বিচ্ছিন্ন ভাবে ত্রাণ বিতরণ না কওে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করার আহ্বান সরকারের। কারণ, বিছিন্ন ভাবে ত্রাণ বিতরণে কেউ ত্রাণ একাধিক বার পেয়েছে আবার কোথাও ত্রাণ পৌছেনি। সরকারের প্রশাসন সঠিক পদ্ধতিতে সুষম বণ্টনের ব্যবস্থা নিচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর