২৪ এপ্রিল ২০১৭
ভোর ৫:৪৫, সোমবার

বুলু-দুলুসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বুলু-দুলুসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা 

25

ঢাকা, ২৩ এপ্রিল : রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় বিএনপি নেতা বরকত উল্লাহ বুলু ও রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামি হলেন বিএনপি নেতা বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাইফুল ইসলাম নিরব।

আদালতে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বলেন, মোহাম্মদপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় বিএনপির নেতা বুলু, দুলু ও নিরবসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিএনপির হরতাল অবরোধ চলাকালে নাশকতার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মন্ত্রীর আগমন ঠেকাতে আ. লীগের হরতাল, ১৪৪ ধারা 

44

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৩ এপ্রিল : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হকের আগমন ঠেকাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে হরতাল ডেকেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। দলটির ডাকা হরতালে উত্তেজনা বিরাজ করায় বিজয়নগরসহ জেলার চার উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

শনিবার মধ্যরাতে বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, আশুগঞ্জ ও সরাইল উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শাহানুর আলম জানান, মন্ত্রীর অনুষ্ঠান ঘিরে উত্তেজনা দেখা দেওয়ায় চারটি উপজেলায় রবিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বহাল থাকবে।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় শনিবার সন্ধ্যা থেকেই বিজয়নগরে দুই প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পাঁচ সেকশন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও এপিবিএন সদস্য এবং দেড়শ’ পু্লিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

প্রসঙ্গত, রবিবার সকাল ১০টায় বিজয়নগরে নবনির্মিত উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হকের। তবে এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন) উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে আমন্ত্রণ না জানানোয় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে মন্ত্রী ছায়েদুল হকের অনুষ্ঠান বর্জন ও সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ঘোষণা দেন।

এর পরদিন শুক্রবার দুপুরে বিজয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে মারধর ও কার্যালয় ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় হামলাকারীরা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর উদ্বোধনী নামফলকও ভেঙে ফেলে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ক্ষমতায় যাওয়ার আপসকামিতা 

32

ঢাকা, ২৩ এপ্রিল : গত ১২ এপ্রিল হেফাজতের শীর্ষ নেতা আল্লামা শফীসহ এ ধারার কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
হেফাজতের সঙ্গে ঘটা করে আওয়ামী লীগের সখ্যের বিষয়টি এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। এর অন্তর্নিহিত রহস্য উদঘাটনে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার শেষ নেই। সবার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষক মহলও বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। তারাও বুঝতে চান, জানতে চান কেন এই সখ্য? কেননা কোনোভাবেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে হেফাজতের এমন গাঁটছড়া বাঁধার বিষয়টি মানা যায় না। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শুধু আগামী নির্বাচনের বৈতরণী পার হতেই অবিশ্বাস্য এই আঁতাতের পর্দা উন্মোচিত হয়েছে। এছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার সমীকরণে উপমহাদেশে ধর্মভিত্তিক ও সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে আপসের যে রাজনীতি শুরু হয়েছে, তার হাওয়া এখানেও লেগেছে। এটিও একটি বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। আর সবকিছু ছাপিয়ে যে বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তা হল- আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য খুব সহজ পরীক্ষা হবে না। বেশ কিছুদিন থেকে জনমনে একটা পারসেপশন তৈরি হয়েছিল যে, বিএনপির ভোট যতই বেশি থাকুক না কেন, আগামী নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় আসবে আওয়ামী লীগ। কিন্তু হেফাজতের সঙ্গে সরকারি দলের এমন সখ্যের বিষয়টি সামনে চলে আশায় সে বিশ্বাসে এখন অনেকটা চিড় ধরেছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, যেহেতু হেফাজতের মতো একটি ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক শক্তিকে আওয়ামী লীগ গুরুত্ব দিচ্ছে তাহলে ধরে নিতে হবে, আগামী নির্বাচন সত্যি সত্যিই ভোটের লড়াইয়ে পরিণত হবে। কেননা আওয়ামী লীগ ভোটের রাজনীতির নানা সমীকরণ মেলাতে আগেভাগে এ রকম সমঝোতার পথে পা বাড়িয়েছে। এর সঙ্গে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ১৫১ আসনকে টার্গেট করা ছাড়া ভিন্ন কোনো আদর্শ নেই।

তারা বলেন, কারণ যাই হোক, হয়তো আওয়ামী লীগ মনে করছে, গত নির্বাচন যেভাবে হয়েছে এবার আর সেভাবে হবে না। ওয়ান-ইলেভেন-পরবর্তী ২০০৮ সালের প্রেক্ষাপট এখন নেই, আবার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচনে না যাওয়ার ঐতিহাসিক ভুলও আর বিএনপি করবে না। ফলে একটি অংশীদারিত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক জাতীয় নির্বাচন সবার জন্য অপেক্ষা করছে। এছাড়া কেউ কেউ মনে করেন, আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থের প্রশ্নে এখানে অনেক বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রও আগামী নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ দেখতে চায়। পর্দার আড়ালে মহলবিশেষ এমনটিও চায়, যেন এককভাবে কোনো দল ক্ষমতায় না আসে। ঝুলন্ত পার্লামেন্ট হলে ভালো। চায়ের টেবিলের এ রকম নানা বিশ্লেষণকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল এখন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে চায়, যে যার সুবিধামতো চারদিক থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য যেভাবেই দিক না কেন, সবার সামনে এখন একটি কঠিন নির্বাচনী পরীক্ষা অপেক্ষা করছে এবং তা বেশি দূরে নয়। বলা যায়, ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে জাতীয় নির্বাচন।

সূত্র জানায়, এ রকম একটি বাস্তবতাকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ফের ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সমঝোতার রাজনীতির পথে পা বাড়িয়েছে। তাদের মতে, শুধু যুদ্ধাপরাধী ও চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধী ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তারা এখন যে কারও সঙ্গে আপস করতে রাজি। কারণ ক্ষমতায় যেতে পারলে সব আপসকামিতা ইতিহাসের পাতায় সঠিক সিদ্ধান্ত বলে বিবেচিত হবে। কিন্তু ক্ষমতা থেকে ছিটকে পড়লে কোনো নীতি-আদর্শ দলের নানামুখী ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পারবে না। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষমতাসীন দলের একজন সিনিয়র নেতা প্রতিবেদককে বলেন, যুদ্ধ আর রাজনীতির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। যুদ্ধে যেমন শক্তির পাশাপাশি রণকৌশল বড় নিয়ামক, রাজনীতিতেও লাগে ‘রাজকৌশল’। সময়ের দাবির প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সেটিই করছে। ’৯১-এর নির্বাচনে বিএনপি এমন সমঝোতার রাজকৌশল বেছে নিয়েছিল। বিপরীতে আওয়ামী লীগ তা করেনি বলেই সে সময় ক্ষমতায় যেতে পারেনি। তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে এবং আওয়ামী লীগ সে শিক্ষা গ্রহণ করে সেটিই করছে। এর মধ্যে দোষের কিছু নেই।

প্রসঙ্গত, ১২ এপ্রিল হেফাজতের শীর্ষ নেতা আল্লামা শফীসহ এ ধারার কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দেয়া হয়। হেফাজত তথা কওমি শিক্ষার সঙ্গে জড়িতরাও বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারকে সহযোগিতা এবং সরকারের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। এরপর থেকে ভিন্ন এক উত্তাপে বিষয়টি সরাসরি রাজনীতির মাঠে চলে আসে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবুল কাসেম ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ জিতবে তাতে খুব একটা সন্দেহ নেই। নির্বাচন অতীতে যেভাবে হয়ে আসছে আগামীতেও সেভাবেই হবে। তিনি বলেন, আত্মরক্ষার্থে জনসমর্থন দরকার। আর ধর্মীয় শক্তিগুলো যেভাবে জেগে উঠেছে হয়তো আওয়ামী লীগ তাদের নিজের সঙ্গে নিয়ে আগামী নির্বাচনে জিততে চায়। কেননা হয়তো ক্ষমতাসীন দলটি মনে করছে, আগামীতে একটি গ্রহণযোগ্য এবং প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে বিজয়ী হয়েই সরকারে আসতে হবে। প্রবীণ এ শিক্ষক বলেন, বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগ ধর্মীয় শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দেশে ফিরে আসার পর থেকেই তার বারবার হজ করা, ভোরে উঠে ফজরের নামাজ পড়ার কথা বলা, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার কথা বলা, হিজাব পরে দোয়া করার ছবি, মদিনা সনদ অনুযায়ী দেশ চালানোর ঘোষণা দেয়ার ধারাবাহিকতার অংশই আজকের হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক। তিনি বলেন, ভারতে কংগ্রেস দীর্ঘদিন একক বৃহৎ শক্তি থাকলেও গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রকে সেভাবে ধারণ না করায় তাদের যতটা না ক্ষতি হয়েছে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ধর্মীয় শক্তিগুলোকে কাছে না টানায়। ক্ষতি হিসেবে তাদের এখন সংসদে ছোট পরিসরে নেতৃত্ব দিতে হচ্ছে। বিপরীতে বিজেপি হিন্দুত্ববাদকে ধারণ করে সর্বোচ্চ সাফল্য পেয়েছে এবং বিধানসভার নির্বাচনেও সে জয় অব্যাহত আছে। নতুন করে প্রাধান্য পাওয়া এই রাজকৌশল এখন বাংলাদেশেও ভর করেছে। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এদেশের রাজনৈতিক দলগুলো আগের তুলনায় ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে নতুন মাত্রায় আপস করছে।

এ নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন আহমেদও আবুল কাসেম ফজলুল হকের সঙ্গে অনেকটা একমত। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবেই হেফাজতের সঙ্গে আপস করেছে আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচনে ধর্মভিত্তিক শক্তিগুলোকে কাছে পাওয়া, তাদের রিজার্ভ ভোট অধিকার করা এবং যাতে এসব শক্তি নির্বাচনের আগে বিরোধিতা না করে সেজন্যই আওয়ামী লীগ হেফাজতকে কাছে টেনেছে। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এই শক্তিকে হাতে রাখাও আরেকটি অন্যতম কারণ। কেননা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে, তারা আগামীতে একটি সিরিয়াস নির্বাচনে জয়ী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

যদিও রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ-হেফাজত সম্পর্কের ইতিবাচক কোনো ফল দেখছেন না তিনি। হাফিজ উদ্দিন বলেন, এদেশের দলীয় রাজনীতি বরাবরই কলুষিত। ক্ষমতায় আসার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো যে কোনো ধরনের আপস করতে দ্বিধা করে না। অতীতে বিএনপি-আওয়ামী লীগ দু’দলই তা করেছে। এসব কারণে রাজনীতিতে ধর্মের প্রভাব বাড়ছে বলে মনে করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, উপমহাদেশের অনেক দেশেই ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করে কিছু রাজনৈতিক দল সাফল্য ঘরে তুলেছে, ক্ষমতায় গিয়েছে। বাংলাদেশেও তাই ঘটছে।

যদিও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, হেফাজতের নেতা হিসেবে নয়, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িতদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তারপরও থেমে থাকেনি সমালোচনা। কোনো ধরনের সিলেবাস রিভিউ ছাড়া কওমিকে স্বীকৃতি দেয়ায় বিভিন্ন মহলে বিরূপ সমালোচনা হয়। এমনকি আলিয়া ধারার সঙ্গে যুক্তরা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছেন। প্রগতিশীল ধারার অনেক রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবী হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং কওমিকে স্বীকৃতি দেয়ার কঠোর সমালোচনা করছেন অনেক আগে থেকে।

সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার এ প্রতিবেদককে বলেন, সারা বিশ্বেই ধর্মাশ্রয়ীতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দেশে তা সুস্পষ্টাভাবেই পাচ্ছে। রাজনীতিবিদরাও এর বাইরে নন। ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট ভোটের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলে। সামনে জাতীয় নির্বাচন। স্বাভাবিকভাবেই ধর্মভিত্তিক দল বা শক্তিগুলোকে রাজনৈতিক দলগুলো কাছে টানবে। তিনি মনে করেন, আওয়ামী লীগ ও হেফাজতের সঙ্গে যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে সেটা এরই অংশ। আগামী নির্বাচনে তাদের পাশে পাওয়াটাই অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে যে, সাময়িকভাবে এসব শক্তি পাশে থাকলেও তাদের লক্ষ্য এদেশে ইসলামী রাষ্ট্র ও শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা। যে কারণে সার্বিকভাবে বিএনপি বা আওয়ামী লীগের জন্য এসব শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদে কোনো সুফল বয়ে আনবে না। এদেশের রাজনীতির জন্যও ইতিবাচক কিছু হবে না। যদিও এ দুটি দলই অতীতেও এ ধরনের আঁতাত গড়ে তুলে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করেছে। জামায়াতসহ অন্যান্য ধর্মীয় দলের সঙ্গে বিএনপি অনেক আগে থেকে সম্পৃক্ত, অতীতে আওয়ামী লীগও খেলামত মজলিসের মতো দলের সঙ্গে ৫ দফা চুক্তি করেছে।

সুজন সম্পাদক বলেন, হয়তো সরকার চাচ্ছে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন। তাদের সাংগঠনিক প্রস্তুতি, সরকারের কর্মকাণ্ড এবং ধর্মভিত্তিক শক্তির সঙ্গে আপসও তাই বলে। স্বাভাবিকভাবেই সে নির্বাচনে জিতে আবারও সরকারে থাকতে চাইবে আওয়ামী লীগ। -যুগান্তর

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জঙ্গির নামে বাংলাদেশকে নিয়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে 

35

ঢাকা, ২৩ এপ্রিল : জঙ্গির নামে বাংলাদেশকে নিয়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

শনিবার বিকালে ময়মনসিংহের অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে কওমী মাদরাসা শিক্ষা সনদের সরকারি স্বীকৃতি বিরতণ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইসলামের নামে একের পর এক মুসলিম দেশকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি রাষ্ট্র বানানো হচ্ছে। সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাকের মতো বাংলাদেশকেও অকার্যকর রাষ্ট্র করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, কওমী সনদ স্বীকৃতি দেশের আলেম ওলামারা যেভাবে চেয়েছেন সেভাবেই প্রধানমন্ত্রী স্বীকৃতি দিয়েছেন। খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ স্বীকৃতি রি-প্রেজেন্ট করার নির্দেশনা দেবেন।

ধর্মমন্ত্রী প্রিন্সিপাল মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান, জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান, পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ, হাফেজ মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, বড় মসজিদের খতিব আব্দুল হক, মুফতি তাজুল ইসলাম কাসেমী প্রমুখ।

সবশেষে ওলামা মাশায়েখদের উদ্দেশ্য ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান স্লোগান দেন। এ সময় বরেণ্য আলেম-ওলামা ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত শ্রোতারাও তার সঙ্গে কন্ঠ মেলান।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যুবলীগ নেত্রীকে বিয়ে করলেন আ.লীগ নেতা দেলোয়ার 

088

ঢাকা, ২২ এপ্রিল : পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ তিনি। জীবনসঙ্গীনি হিসেবেও বেছে নিলেন রাজপথের সৈনিককে। রাজনৈতিক পরিচয় গড়ালো প্রণয়ে, এরপর ঘর বাঁধা।

বর হলেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন এবং কনে আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগের সহ-সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি। শুক্রবার রাতে দেলোয়ারের ভাইয়ের ধানমন্ডির বাসায় এই দুই জনের বিয়ে হয়। ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে এই বিয়ে পড়ানো হয়।

বিয়ের এই অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা ছাড়া ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী মারুফা আক্তার পপি, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রমুখ।

দেলোয়ার জানিয়েছেন, বিয়েটা ঘরোয়া পরিবেশে হলেও বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকেই দাওয়াত করা হবে।

দুই জনই ক্ষমতাসীন দলে পরিচিত মুখ। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় ধুমধাম রাখেননি দেলোয়ার-লিলি। দুই পরিবারের স্বজন আর ঘনিষ্ঠ পরিচিতজনরাই উপস্থিত ছিলেন এ সময়।

চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন দেলোয়ার। পরে আসেন মূল দলে। গত অক্টোবরের ২০ তম জাতীয় সম্মেলনে দেলোয়ার পান বড় দায়িত্ব।

অন্যদিকে কনে শারমিন সুলতানা লিলিরও রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্রলীগ দিয়েই। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কমিটির সভাপতি ছিলেন দেলোয়ার, সেই কমিটিতে ছিলেন লিলিও। তিনি তখন রোকেয়া হল শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে ছাত্রলীগের বদিউজ্জামান সোহাগ ও সিদ্দিকী নাজমুল আলমের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবন শেষে ছাত্রলীগ ছেড়ে যুবলীগে যোগ দেন লিলি। ছাত্র সংগঠনের মতই যুব সংগঠনেও দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি। দায়িত্ব পান সহ সম্পাদকের।

এই দুই রাজনীতিককে প্রণয়ে বাঁধতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি। তার মধ্যস্ততাতেই দুই জনের বিয়ে হয় বলে নিশ্চিত করেছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা।

দেলোয়ারের ঘনিষ্ঠরা জানান, গত ১২ এপ্রিল দেলোয়ার ও লিলি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে বিয়ে করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। দলীয় সভাপতি উৎফুল্ল হয়ে তাদেরকে উৎসাহ দেন। সেই সঙ্গে জানান শুভ কামনা।

বিয়ে নিয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সব কৃতিত্ব পপি আপার। আপাই আমাদেরকে এক করেছেন। আশা করি আমরা দাম্পত্য জীবনে সুখি হব।’

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিএনপি নির্বাচনে আসতে বাধ্য : এরশাদ 

3985

রংপুর, ২২ এপ্রিল : জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেছেন, বিএনপি যতই না বলুক, তাদেরকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে। নির্বাচনে না আসলে দলের নিবন্ধন থাকবে না। তাই বিএনপি নির্বাচনে আসতে বাধ্য।

আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে রংপুর নগরীর দর্শনা মোড়স্থ পল্লী নিবাস বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

হাইকোর্টে গ্রিক মূর্তি সম্পর্কে এরশাদ বলেন, এই মূর্তি ইসলামী মুল্যবোধকে আঘাত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন হাইকোর্টের ওই মূর্তি থাকা ঠিক না। এর আগেও সেখানে দাঁড়ি-পাল্লা মূর্তি ছিল। কিন্তু কী কারণে সেখানে গ্রিক মূর্তি স্থাপন করা হলো তা আমার বোধগম্য না। আমিও মনে করি ওই মূর্তি সরিয়ে ফেলা দরকার। মূর্তি না সরালে ইসলামি দলগুলো তো আন্দোলন করবেই। এখানে অন্যায় কিছু দেখছি না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর এবং ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তিসহ বিভিন্ন চুক্তির বিষয়ে এরশাদ বলেন, সামরিক চুক্তির ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করবো না। সামরিক চুক্তিতে কী কী বিষয় উল্লেখ করা আছে তা না জেনে কোনো মন্তব্য করা আমার ঠিক হবে না।  তবে তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন যে, তাদের দুই জনের ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়েই তিস্তা চুক্তি করা হবে। সে কারণে আমি নিজেও মোদির আশ্বাসকে বিশ্বাস করতে চাই।

রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জাপা নেতা আব্দুর রউফ মানিকের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে এরশাদ তার পাশে বসা মহানগর জাপা সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে দেখিয়ে বলেন, আমি অনেক আগেই তাকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। এর কোনো পরিবর্তন হবে না। তাছাড়া আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে। ফলে তার প্রার্থীই মেয়র নির্বাচিত হবেন।

এর আগে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুরে অবতরণ শেষে সড়ক পথে সার্কিট হাউসে পৌঁছে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন এরশাদ। পরে পল্লী নিবাসে পৌঁছালে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পাঁচদিনের সফরে রংপুর গেছেন তিনি।

এ সময় রংপুর মহানগর জাপার সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াছীরসহ দলের অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আ.লীগকে প্রমাণ করতে হবে জনবিরোধী কাজে তারা নেই: বি. চৌধুরী 

91111

ঢাকা, ২২ এপ্রিল : রামপাল কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পকে জনবিরোধী উল্লেখ করে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারার চেয়ারম্যান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের সঙ্গে থাকার বেশি দাবি করে। তাই তাদের প্রমাণ করতে হবে, জনবিরোধী কাজে তারা নেই।

আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র-সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপর প্রভাব’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে ‘সেভ দ্য সুন্দরবন’ ফাউন্ডেশন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘শেষবারের মতো বলব, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কথাগুলো শুনুন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকার বোঝে না, তাদের বোঝাতে হবে। সোজা কথা, বাংলাদেশে কয়লাবিদ্যুৎ হবে না।’

একই অনুষ্ঠানে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘এত কিছু বলার পরও সরকারের কানে ঢুকছে না। আসলে কেউ জেগে ঘুমালে জাগানো যায় না। এই জাগানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপিকেও জাগানোর দরকার আছে।’

জাফরুল্লাহ চৌধুরী অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে ভারত বিজয় হয়নি। কিন্তু ফিরে এসে হেফাজত বিজয় করেছেন। এটা রামপালের মতো আরেকটি বিপর্যয় যেন ডেকে না আনতে পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

‘সেভ দ্য সুন্দরবন’ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শেখ ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির সভাপতি সৈয়দ মো. ইব্রাহিম, গণমোর্চার প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সব বক্তাই রামপাল কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবি জানান।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘কওমী মাদরাসা নিয়ে বিএনপির আন্দোলনের সুযোগ নেই’ 

47

সাভার, ২২ এপ্রিল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, কওমী মাদ্রাসাকে অনেক আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গিকার ছিলো স্বীকৃতি দেওয়া। তিনি বলেন, এ নিয়ে নতুন করে কোন প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই।

আজ শনিবার সকালে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভার বাজার বাসষ্ট্যান্ডের সিটি সেন্টারের পাশে বেদে সম্পদায়ের উত্তরন ফাউন্ডেশনের শোরুম উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কওমী মাদরাসাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কয়েক বছর আগে প্রধানমন্ত্রী একটি কমিটি গঠন করেছিলেন। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন হেফাজতের আমির মাওলানা শাহ শফি। বিএনপি কওমী মাদ্রাসা নিয়ে যে দাবি তুলেছেন তা ভিত্তিহিন।

তিনি বলেন, ভারতের দিল্লিতেও কওমী মাদরাসার স্বীকৃতি দিয়েছে ভারত সরকার। তাই কওমী মাদরাসা নিয়ে বিএনপির কোন আন্দোলনের সুযোগ নেই।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান, পুলিশ সদর দপ্তরের অ্যাডিশনাল ডিআইজি হাবিবুর রহমান, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিনসহ আরো অনেকে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সরকার সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাছে মাথা নত করছে: সেলিম 

jiohkyu3-copy

ঢাকা, ২১ এপ্রিল : বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, অতীতে বিএনপি যেমন জামায়াতকে ক্ষমতার অংশীদার করেছিল, তেমনি বর্তমানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে আপস করেছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাছে সরকার একের পর এক মাথা নত করছে।

শুক্রবার রাজধানীর পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনে কৃষক সমিতি ও ক্ষেতমজুর সমিতির যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

সেলিম আরও বলেন, হেফাজতের ১৩ দফার সবগুলো সরকার বাস্তবায়ন করেছে। পাঠ্যবইয়ে প্রগতিশীল লেখকদের লেখা বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন তারা সুপ্রিম কোর্টের সামনে ভাস্কর্য অপসারণে মেতে উঠেছে। এরা সাধারণ মানুষের অধিকারের কথা বলে না। লাখ লাখ হাওরবাসী যখন উপবাসী, তাদের নিয়ে এদের কোনো কথা নেই।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কালো থাবা গোটা দেশকে গ্রাস করে ফেলেছে। গ্রামের সাধারণ মানুষকেও এরা বিপদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই অপশক্তির হাত থেকে গ্রামাঞ্চলকে বাঁচাতে কৃষক-ক্ষেতমজুরসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহেল আহমদের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, আনোয়ার হোসেন রেজা, অ্যাডভোকেট এস এ সবুর প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিরপেক্ষ সরকার বলে কিছু নেই: নাসিম 

gbw6gb1c-copy

ঢাকা, ২১ এপ্রিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, সংবিধানে নিরপেক্ষ সরকার বলে কিছু নেই। এ দেশে আর কোনো দিন অনির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। বিএনপির দাবি অযৌক্তিক। তাই দলটির উচিত, চক্রান্ত আর ষড়যন্ত্রের পথ পরিহার করে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে ফিরে আসা।

নাসিম আরও বলেন, কোনো দল নির্বাচনে এল কি এল না, তা দেখার সুযোগ নেই। এ দেশের মানুষ আর হরতালের নামে অরাজকতা ও অশান্তি চায় না।

মন্ত্রী আজ শুক্রবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সার্কিট হাউসে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ কথাগুলো বলেন।

নির্বাচনে বিজয়ের জন্য হেফাজতের সঙ্গে সরকারের সখ্য বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাসিম বলেন, আওয়ামী লীগ তার দলীয় নীতি ও আদর্শ নিয়ে জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং যাবে। হেফাজতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নীতি ও আদর্শের কোনো মিল নেই। বরং বিএনপি হেফাজতকে কাজে লাগিয়ে ষড়যন্ত্রের পথে পা দিয়েছিল।

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকার সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ, পৌর মেয়র সৈয়দ আবদুর রউফ প্রমুখ।

সভায় সব দপ্তরের প্রধান, তাঁদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শামীম আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

মন্ত্রী এর আগে কাজীপুরে আরআইএম ডিগ্রি কলেজের এবং সীমান্ত বাজারে আইএইচটি ভবনের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন।

শেখ হাসিনাকে উন্নয়নের নেত্রী উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, সারা বিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রশংসা করেছে। ছিটমহল উদ্ধার, পদ্মা সেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নের মডেল এখন বাংলাদেশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কওমির ছাত্র-শিক্ষকরা কোনো দিন জঙ্গি হতে পারে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

8545

ঢাকা, ২১ এপ্রিল : বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা কখনোই জঙ্গি কিংবা সন্ত্রাসী হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কওমি মাদ্রাসার লোকজন খাঁটি মুসলমান। তারাই দেশের মানুষকে ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় দেশে কোনো জঙ্গির স্থান থাকবে না।

সম্প্রতি গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কিছু আলেমের  সাক্ষাতের সময় কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমর্যাদা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর পর থেকে কওমিকে শিক্ষার ‘মূলধারা’য় নিয়ে আসার বিষয় নিয়ে সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও সমর্থকরা বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে আসছেন। সেই আলোচনার মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ কওমির ছাত্র-শিক্ষকদের প্রশংসা করলেন।

‘কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক কোনো দিন জঙ্গি হতে পারে না। কারণ, তারা খাঁটি মুসলমান। তারাই আমাদের শিক্ষা দেন। তারা শিক্ষা দেন বলেই আজকে বাংলাদেশের মানুষ আজকে আমরা যেটা বলছি ধর্মপ্রাণ মুসলমান’, বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

‘আপনারাই পারবেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে একত্র হয়ে এই জঙ্গি দমনে সহযোগিতা করার জন্য। সেই সহযোগিতা আমরা চাচ্ছি আপনাদের কাছে’, যোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনও।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিএনপি মানসিক ও রাজনৈতিক প্রতিবন্ধী দল : হানিফ 

186

ঢাকা, ২১ এপ্রিল : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি বিভিন্ন সময় সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অসংলগ্ন কথা বলে জনগণের কাছে ‘মানসিক ও রাজনৈতিক প্রতিবন্ধী দল’ হিসেবে প্রমাণ করেছে।

শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা করেন।

হানিফ বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকাকালীন ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছে। এখন বর্তমান সরকারের উন্নয়নে ঈর্ষান্বিত হয়ে মিথ্যাচার করছে। সরকারের উন্নয়ন পদক্ষেপ নিয়ে অহেতুক মিথ্যাচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছাড়াচ্ছে। এসব করে দলটি মানসিক প্রতিবন্ধী হিসেবে জনগণের কাছে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাজনৈতিক বিকারগ্রস্ত ও দেউলিয়া হয়ে গেছে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কী নেবে না সেটা বিএনপির বিষয় বলে মন্তব্য করে হানিফ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন হবে। আমরা আশা করি, বিএনপি ওই নির্বাচনে এসে জনগণের কাছে নিজেদের আস্থার পরীক্ষা দেবে। তবে, নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির গণতান্ত্রিক অধিকার। না নেয়াও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।

এ সময় দায়িত্বশীল দল হিসেবে বিএনপিকে সরকারের পাশে থেকে দুর্গত মানুষকে সহায়তা করার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের এ নেতা।

হাওর পরিস্থিতি সম্পর্কে হানিফ বলেন, হাওরে বাঁধ নির্মাণে কারও গাফলতি থাকলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আহমেদ হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, সামছুন্নাহার চাঁপা, রোকেয়া সুলতানা, রেমন আরেং, এসএম কামাল হোসেন, গোলাম রব্বানী চিনু, ফরিদুন্নাহার লাইলী, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিএনপিকে অবশ্যই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে হবে : কাদের 

387

কুমিল্লা, ২১ এপ্রিল :  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওয়াবদুল কাদের বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা গণতান্ত্রিক অধিকার। এ অধিকার তাদেরকে স্বপ্রনোদিত হয়েই ভোগ করতে হবে, অধিকার অর্জন করতে হবে। এ অধিকার অর্জন না করে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তারা যে ভুল করেছিল, আমি আশা করি তারা সে পুরনো ভুলের পুনুরাবৃত্তি করবে না। বিএনপি ভুলের চোরাবালিতে আটকে থাকার যে  ফাঁদে পা দিয়েছে সেই ফাঁদ থেকে বেড়িয়ে এসে অবশ্যই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়েকর কুমিল্লা পদুয়ার বাজারে ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে কোনো দল সরকারে থেকে বিরোধী কাউকে নির্বাচনে ডেকে আনবে, টেনে আনবে, এটা কেন? নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাতো তাদের অধিকার।

এসময় মহাসড়কের চার লেন প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-লাকসাম সড়কের পারাপারে কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এক কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যায়ে এ ফুটওভার ব্রিজ নির্মিত হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘দুটি দলকে সরাতে চায় জনগণ’ 

48

ঢাকা, ২১ এপ্রিল : আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে জনগণ পছন্দ করে না মন্তব্য করে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, দুটি দলকে সরাতে চায় জনগণ। কিন্তু তার বিকল্প বলুন, তৃতীয় শক্তি বলুন এই শক্তির নেতৃত্ব দেখতে পাচ্ছে না জনগণ। তাই আসুন আমরা সবাই এক সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নেতৃত্ব দেই।

আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সোনার বাংলা পার্টি আয়োজিত ‘স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার ঘোষণা দিবস স্মরণ ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানে পাঁচ বছরে একবার জনগণের অধিকার দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার এই অধিকারও হরণ করেছে। তাই জনগণের স্বার্থে সময় উপযোগী সংবিধান করতে হবে। এই সংবিধানে গণতন্ত্রের সংজ্ঞাটি অমর্ত্য সেনের ভাষার গণতন্ত্র হতে হবে।

সংগঠনের সভাপতি শেখ আব্দুর নূরে’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-উর-রশিদের উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাধারণ সম্পাদক নয়িম জাহাঙ্গীর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বারান্দার সিট দখলের সংঘর্ষে আহত ৪ ছাত্রলীগকর্মী 

38

ঢাবি, ২১ এপ্রিল : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলে একটি সিট দখলকে কেন্দ্র করে হল ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন চার শিক্ষার্থী।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার কিছু আগে এ ঘটনা ঘটে।

আহত চারজন হলেন সভাপতির পক্ষের কর্মী শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফ ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের সংগীত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের রায়হান কবির, উর্দু বিভাগের মাস্টার্সের তুহিন ও নৃত্যকলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ।

আহত চারজনের মধ্যে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অন্যজনকে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ওই চারজনের মধ্যে একজন অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দুদিন আগে এসএম হলের বারান্দায় একটি সিটের দখল নিয়ে প্রথম বর্ষের সাধারণ সম্পাদক পক্ষের কয়েকজন সমর্থক সভাপতি পক্ষের প্রথম বর্ষের দুজনকে মারধর করেন। ওই সংঘর্ষের জেরে গতকাল রাতে সাধারণ সম্পাদকের পক্ষের কয়েকজন হলের দোতলায় উঠলে সভাপতি পক্ষের সমর্থকরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে তাঁরা হলের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর করেন।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ, হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবুল আলম জোয়ার্দার ও ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবিদ আল হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হলের ফটকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘সিট নিয়ে দুই গ্রুপের মারামারি হয়। তেমন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেনি, যা ঘটেছে, আমরা মিটিয়েছি।’

হলের সভাপতি তাহসান আহমেদ রাসেল জানান, সিট দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি এলে তা মিটে যায়।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান বলেন, হলে তেমন কিছু হয়নি। বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছিল। সেটি মিটে গেছে।

হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবুল আলম জোয়ার্দার বলেন, ‘হলে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারি হয়েছিল। আমরা এসে পরিস্থিতি শান্ত করি। দোষীদের শনাক্ত করার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’-এনটিভি অনলাইন

Share This:

এই পেইজের আরও খবর