২২ জুলাই ২০১৭
দুপুর ২:৪৮, শনিবার

ইসি-সরকার এক তরফা নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে: রিজভী

ইসি-সরকার এক তরফা নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে: রিজভী 

9

ঢাকা, ২১ জুলাই : নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রযোজনায় এক তরফা নির্বাচনের দিকে এগোনো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, “প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জনগণের কাছে আগে থেকেই একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তিনি কুমিল্লার ডিসি থাকতে সরকারি আইন ভেঙে ‘জনতার মঞ্চে’ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বিগত সংসদ নির্বাচনে তার নিজ এলাকা পটুয়াখালী-বাউফলে আওয়ামী লীগের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। সিইসি হিসেবে যোগদানের পর তিনি বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেননি।”

বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে- সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের জবাবে শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনের নতুন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদকে আওয়ামী ঘরানার দাবি করে বিএনপি মুখপাত্র বলেন, “তার ব্যাকগ্রাউন্ড হচ্ছে আওয়ামী লীগ। আমাদের ভয় তো এখান থেকে যে, এ সমস্ত ব্যক্তিরা যখন দলীয় আচরণ করে প্রশাসনে থাকার পর, তখন তো স্বাভাবিকভাবে জনগণের মধ্যে এক ধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়।”

রিজভী অভিযোগ করেন, “সিইসি এখন অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা না করে একতরফাভাবে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলি করছেন। আওয়ামী লীগ যে তার এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কে এম নূরুল হুদাকে সিইসি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে তা জনগণের কাছে স্পষ্ট।”

ক্ষমতাসীনরা একতরফা নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী-এমপি ও আওয়ামী নেতারা সরকারি ব্যয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন, যা নির্বাচনী আইন পরিপন্থী। অন্যদিকে বিএনপিসহ বিরোধী দলের স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও বাধা দিচ্ছে সরকার। বিএনপির ঘরোয়া সভাতেও পুলিশ ও সরকারের দলীয় সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালাচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবুল খায়ের ভুঁইয়া, তৈমুর আলম খন্দকার, কেন্দ্রীয় নেতা শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মীর সরফত আলী সপু প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করার ক্ষমতা আ. লীগের নেই: ফখরুল 

10

ঠাকুরগাঁও, ২১ জুলাই : নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করার ক্ষমতা আওয়ামী লীগের নেই। কারণ আওয়ামী লীগ জানে এই নির্বাচনের মোকাবেলা করতে গেলে তারা সেভাবে সুবিধা নিতে পারবে না। যার ফলে ক্ষমতা তাদের হাতে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে তার নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, “আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় না। কিন্তু আর নয়। নিরপেক্ষ নির্বাচন চাইতে হবে, কারণ জনগণ চায় যেন নিরপেক্ষ নির্বাচন হউক এবং সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হউক।”

আমরা আশা করি আওয়ামী লীগ আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে এটার একটি পদ বের করবে। সেই পথে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। যেখানে জনগন তাদের ভোটার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।”

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার কারো কথা শোনে না। তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও তাদের কাজে কখনোই ব্যবহার করে না। আজ জঙ্গিবাদ প্রশ্রয় পাচ্ছে এই সরকারের জন্য।”

তারাই এই জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপির মহাসচিব।

গণতন্ত্রকে যারা বিশ্বাস করে তারা সবাই ঐক্যবদ্ধ হবে। পাশাপাশি সারাবিশ্ব ঐক্যবদ্ধ হবে। বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপশক্তি যারা মানুষের অধিকারকে কেড়ে নিয়েছে, একদলীয় শাসনব্যবস্থা গ্রহণ করতে চাচ্ছে তাদের পরাজিত করবে বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অপরদিকে, ঠাকুরগাঁও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার খুনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রশাসন নিয়ন্তিত হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের দাঁড়ায়। তাই এখন পর্যন্ত আটককৃত যুবলীগের আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো রকমের কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। যে ব্যক্তি আহত হয়েছে তার পরিবার সুষ্ঠু বিচার পাবে কিনা তা বলা মুসকিল। যদি এমনি অবস্থায় থাকে তাহলে সুবিচার পাওয়াটা অনেক কষ্টকর। আমরা আশা করি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আটক করে সঠিক তদন্ত করে আসামিদের বিচারের আওতায় আনা হবে।”

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান তৈমুর রহমান, নারগুন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পয়গান আলী প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘জেল খাটার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন খালেদা’ 

11

ঢাকা, ২১ জুলাই : খালেদা জিয়া জেল খাটার ভয়ে ফেরারি হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেন, “বিএনপি নেত্রীর ছেলে তারেক জিয়ার সাত বছরের জেল হয়েছিল। তাই তিনি মামলা মোকাবিলার ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।”

শুক্রবার ফরিদপুরে দুস্থ, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব বলেন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, “তারেক জিয়া দেশ ছেড়ে পালিয়ে বিদেশে গিয়ে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার কাজে লিপ্ত রয়েছেন। যারা দেশকে ভালোবাসে না তারা কীভাবে এই দেশের মানুষের সমর্থন পাবে? দেশে এখন সুষমভাবে উন্নয়ন হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত নেত্রী খালেদা জিয়া ক্ষমতা থাকা অবস্থায় দেশে উন্নয়নের নামে লুটপাট করেছে। শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর দেশকে পিছিয়ে পড়া থেকে এখন উন্নয়নের মহাসড়কে তুলেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার রাজনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে আছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। খালেদা জিয়া লেবেল ফিল্ড প্লেয়িংয়ের কথা বলছেন। তার এ কথার মানে আমি বুঝি না। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন পরিচালনা করা। বর্তমান নির্বাচন কমিশন সে দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করবে।”

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়ার সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতাসেম হোসেন ওরফে বাবর, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ এস এম আলী আহসান প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার জনগণ মেনে নেবে না: কাদের 

58

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২০ জুলাই : দেশে বসে রূপরেখা করার সাহস ও যোগ্যতা বিএনপির নেই। তাই ‘মেইড ইন লন্ডন মার্কা সহায়ক সরকার’ এদেশের জনগণ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের জাতীয় বীর আব্দুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমঞ্চে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “ঈদের পর দেখতে দেখতে এক মাস, এর পর তিনি চলে গেলেন লন্ডনে। এমনি করে রোজার ঈদের আন্দোলন কোরবানির ঈদেও সম্ভব হচ্ছে না। এভাবে ঈদ দেখতে দেখতে ১৭টি ঈদ চলে গেল আন্দোলনে আর নামা হলো না বিএনপির। সাড়ে আট বছরে সাড়ে ৮ ঘণ্টাও আন্দোলন করতে পারেননি তারা। নির্বাচনে হেরে যাবে বলে নতুন কৌশল খুঁজছে বিএনপি।”

নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, “সংবিধানের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। নির্বাচন কমিশনের অধিনেই আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি হেরে যাবে বলে নির্বাচনে আসতে চাচ্ছে না, কারণ জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপির ভিশন-৩০ তাদের জন্য ভীষণ মারামারিতে পরিণত হয়েছে। তারা যেখানে গিয়েছে সেখানেই শুধু মারামারি করেছে।”

তিনি বলেন, “বিএনপির টার্গেট ছিল শেখ হাসিনা, তাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন তিনি। সেখানে আইভি রহমানসহ ২৩ জন নিহত হয়েছিলেন। এখনো আওয়ামী লীগের পাঁচ হাজার নেতাকর্মী গায়ে স্প্লিন্টার নিয়ে বেঁচে আছে।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধূরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফয়জুর রহমান বাদল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফজিলাতুননেসা বাপ্পী প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নির্বাচন না করলে নির্বাসনে চলে যাবেন 

15

ঢাকা, ২০ জুলাই : বিএন‌পি‌কে রাজনী‌তির কাক‌দের দল ব‌লে আখ্যায়িত ক‌রে‌ছেন আওয়ামী লী‌গের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের ৯১তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল ক‌রে সেই ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বি‌লি‌য়ে দি‌য়ে‌ছি‌লেন। আর ওই উচ্ছিষ্ট নিতে যারা সমা‌বেত হ‌য়ে‌ছি‌লেন তা‌দের নি‌য়ে তি‌নি বিএন‌পি গঠন ক‌রেন। জিয়াউর রহমান উচ্ছিষ্ট ছ‌ড়ি‌য়ে দি‌য়ে‌ছি‌লেন আর রাজনী‌তির কাকেরা সেখা‌নে জ‌ড়ো হ‌য়ে‌ছিল। রাজনী‌তির কাক‌দের নি‌য়ে যে দল সেই দল হ‌চ্ছে বিএন‌পি।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কারো আবদার পূরণ হবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, কারো আবদার পূরণ করতে সংবিধানের এক চুলও ব্যত্যয় হবে না। আপনারা (বিএনপি) নির্বাচনে না এসে নির্বাসনে গেলে আমাদের কি করার আছে। এবার নির্বাচন না করলে নির্বাসনে চলে যাবেন আর ফিরতে পারবেন না।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির সকল কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে আছে বলে একই অনুষ্ঠান থে‌কে জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সরকারের খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

তি‌নি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি নেতারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে দেবে না জেনে বিএনপি নেতারা নির্বাচনকে নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছেন। নির্বাচন নিয়ে যেসব ষড়যন্ত্র আপনারা করছেন সবকিছুতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজরে রাখছে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কোনো ষড়যন্ত্র করলে আপনাদের খবর আছে।

ঈদের পর বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়ে মা‌ঠে না নামার সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির এই নেতা বলেন, অহেতুক আন্দোলনের হুমকি দেবেন না। আমরা জানি আন্দোলন করার মতো সাংগঠনিক শক্তি আপনাদের নেই।

ভাসানী ন্যাপের সভাপতি মোস্তাক আহম্মেদ ভাসানীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ ক‌রিম প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আয়না দেখার পরামর্শ ফখরুলের 

02

ঢাকা, ২০ জুলাই : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়া মামলার ভয়ে বিদেশে পালিয়ে গেছেন এ কথা আহম্মকও বিশ্বাস করবে না। অতীত বলে, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে যিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তিনি হচ্ছেন খালেদা জিয়া।

মামলার ভয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিদেশে পালিয়েছেন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার জবাবে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাদের বলবো, খালেদা জিয়া বন্দুকের নলে ক্ষমতায় আসেননি। তিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছেন। তাই যে বা যারা এ ধরনের কথা বলছেন এবং চিন্তা করছেন, তাদের আগে উচিত আয়নায় নিজের চেহারা দেখা, আগে কী ছিল আর এখন কী আছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

বিএনপি সমর্থিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ক্ষমতসীন আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গোটা বাংলাদেশের মানুষ আজ আওয়ামী দুঃশাসনের যাঁতাকলে পড়েছে। তাই, আগামী জাতীয় নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে এদের নির্মূল করতে হবে।

এ সময় সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

জাতীয়তাবাদী হেল্প সেলের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপির পাঁচটি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়, যাদের মধ্যে- রংপুর জেলা যুবদল নেতা মোশাররফ হোসেন পদ্ম, আমিরপুর ইউনিয়ন (খুলনা)যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান, পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছাত্রদল নেতা মাসুম বিল্লাহ,সিলেট সদর ছাত্রদল নেতা মো. বদরুল আলম পঙ্গু, প্রমুখ।

সংগঠনের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, হেল্প লাইনের মাকসুদ আহমেদ খান রুবেল, রাজীব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, ইতালি বিএনপি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মান্নান হীরা, প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘রকিব মার্কা নির্বাচন করতে চাচ্ছেন নূরুল হুদা’ 

287

ঢাকা, ১৯ জুলাই : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা সাবেক সিইসি কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদের ‌‘মতো’ নির্বাচন করতে চাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

কে এম নূরুল হুদাকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার আপনাকে হারিকেন দিয়ে খুঁজে খুঁজে নিয়ে এসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে। এখন আপনি প্রধানমন্ত্রীর সুরেই কথা বলছেন। সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য আপনি কাজ করছেন। আপনি রকিব মার্কা নির্বাচনের মতোই নির্বাচন করতে চাচ্ছেন। আপনার অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কঠিন হবে।’

কুমিল্লা মহানগরীর শিশুমঙ্গল রোডস্থ ধর্মসাগর দক্ষিণ পাড় দক্ষিণ জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব সব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘দেশের ১৮ লাখ মানুষ চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত। তাদের কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। সরকার এটিকে মহামারি বলতে নারাজ। মশা মারার নামে লাখ লাখ টাকা লোপাট করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুর্গত অঞ্চলে ত্রাণ নেই। মানুষ বহু কষ্টে জীবন-যাপন করছে। সরকারের এ ব্যর্থতাকে আড়াল করতে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। বেগম জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশে গেছেন। তিনি দেশ ছাড়েননি। বরং দেশ ছেড়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।’

এ সময় জেলা বিএনপির সাংগঠনিক মোস্তাক মিয়া, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জমান আমির, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনিপর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনিপর আহবায়ক কামরুল হুদা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন জয় 

763

ঢাকা, ১৯ জুলাই : স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়ান তিনি।

সাধারণ দর্শনার্থীদের মতোই পার্কের গাড়িতে চড়ে ম্যাকাউ ও প্যারট এভিয়ারিসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে জয়। এ সময় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, সাফারি পার্ক প্রকল্প পরিচালক সামসুল আজমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জয়ের সঙ্গে ছিলেন।

সাফারি পার্কের তত্ত্বাবধায়ক ও সহকারী বন সংরক্ষক শাহাবুদ্দিন বলেন, ওনারা ঘুরে বেড়ানোর পরে স্থানীয় গ্রিন ভিউ রিসোর্টে দুপুরের খাবার খান এবং বিশ্রাম নেন। স্ত্রী-সন্তনসহ পরিবারের আট সদস্যকে নিয়ে সাফারি পার্ক পরিদর্শনে এসেছিলেন সজিব ওয়াজেদ। এটা ছিল একেবারেই পারিবারিক সফর।

জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির বলেন, সাফারি পার্ক ঘুরে দেখে সজিব ওয়াজেদ জয় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। জয় বলেছেন, পার্কটিকে আরও ডেভেলপ করা দরকার, এ জন্য যা যা করা দরকার, সেক্ষেত্রে সরকারকে তিনি বলবেন, সহযোগিতা করবেন। সূত্র : বাসস

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জলাভূমির সঠিক ব্যবহার করলে মাছের অভাব হবে না: প্রধানমন্ত্রী 

14

ঢাকা, ১৯ জুলাই : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে অসংখ্য জলাভূমি রয়েছে, এর সঠিক ব্যবহার করলে কখনও মাছের অভাব হবে না। বুধবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৭ উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মৎস্যখাতে অবদান রাখায় ১৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষায় আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ডিম ছাড়ার সময় মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে আমরা জেলেদের অর্থ ও চাল বরাদ্দ দিচ্ছি। এতে ইলিশ রক্ষা হচ্ছে। যার কারণে ইলিশ ১ লাখ উৎপাদন বেড়ে ৩ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টনে পরিণত হয়েছে।

দেশে আগের তুলনায় মাছ চাষ বেড়েছে। মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষের জন্য সাভার, খুলনা ও মংলায় মৎস্য ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে ৩৮ লাখ ৭৮ হাজার টন মাছ উৎপাদন হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪০ লাখ ৫০ হাজার মৎস্য উৎপাদন হবে বলে আশা করছি। আর চলতি অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারব।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার সুফলভোগীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে মৎস্য বিষয়ে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনবল গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে চাঁদপুর জেলায় মৎস্য ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জে আরও তিনটি ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউট স্থাপনের কাজ শেষ হওয়ার পথে বলেও জানান তিনি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানোর ক্ষমতা নেই ইসির’ 

77

নারায়ণগঞ্জ, ১৯ জুলাই : কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানোর ক্ষমতা নেই ইসির বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিএনপির সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি ইসিকে বিতর্কিত করতে অর্বাচীনের মতো প্রলাপ বকছে। তাদের কার্যকলাপেই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত ঘটছে।

বুধবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার জন্য ইসি বা কোনো বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল নয়। জনগণের সমর্থন নিয়ে ভোটের মাধ্যমেই ক্ষমতায় যেতে চায় আওয়ামী লীগ। ইসি বা কোনো বিদেশি শক্তি আমাদের ক্ষমতায় বসাতে পারবে না। আমরা ভোট চাইব জনগণের কাছে। তবে ইসি যদি সংবিধানের বাইরে যায় তাহলে আমরাও সমালোচনা করব।

তিনি বলেন, ইসির রোডম্যাপ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আমরা চাই- ইসি সবাইকে সমান সুযোগ প্রদান করুক। বিএনপির কার্যকলাপে মনে হয়, তারা ক্ষমতায় আসবে- ইসি এ নিশ্চয়তা দিলেই যেন তারা সন্তুষ্ট হবে। তাদের খুশি করা সম্ভব না।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম ঘুরে ফিরে দেখন। এসময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মহাসড়ককে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজধানীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়েছে। নিয়ম অমান্য করায় এ পর্যন্ত ২১টি মামলাসহ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রাজধানীসহ সব জেলায় শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম চলবে।

তিনি অবিলম্বে ফিটনেসবিহীন গাড়ি বর্জন করতে পরিবহন মালিকদের প্রতি আহবান জানান। তা না হলে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন মন্ত্রী।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘নির্বাচন থেকে সরে আসার পাঁয়তারা করছে বিএনপি’ 

93

কুষ্টিয়া, ১৯ জুলাই : নির্বাচন কমিশন ঘোষিত রোডম্যাপ নিয়ে বিএনপির মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি বলেছন, বিএনপি এখো ভ্রান্ত রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। নির্বাচন কমিশনকে বিতর্ক করার অর্থই হচ্ছে নির্বাচনে তারা জয়লাভ করতে পারবে না। এ কারণেই নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার একটা পাঁয়তারা করছে তারা।

তিনি বলেন, সব নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের। ওই সময় যে সরকার থাকে তার দায়িত্ব কমিশনকে সহায়তা করার এবং তাকেই সহায়ক সরকার বলে। সে সময় কোন সরকার থাকবে কোন সরকার থাকবে না তা নির্ধারণ করার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই।

বুধবার কুষ্টিয়া ডিসি কোর্ট চত্বরে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৭-এর উদ্ধোধনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ চন্ডিদাস কুন্ডু, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হানিফ বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বিতর্ক করার অর্থই হচ্ছে নির্বাচনে তারা জয়লাভ করতে পারবে না। নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার একটা পাঁয়তারা করছে বিএনপি।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি যখনই দেশের বাইরে যান তখনই দেশের ওপর বাইরে থেকে আঘাত এসেছে এবং দেশের ভেতরে আভ্যন্তরীণ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের শিক্ষা থেকে বিএনপি নেত্রী যেন এবার সেগুলো থেকে দূরে থাকেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রদবদল হতে পারে মন্ত্রিসভায়: কাদের 

03

ঢাকা, ১৮ জুলাই : মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, “মন্ত্রিসভায় রদবদল আসবে কিনা তা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। এবিষয়ে কিছু বলতে পারব না। তবে মন্ত্রিসভায় একটা রদবদল হতে পারে। রদবদল কখন হবে, তা বলতে পারব না।”

মঙ্গলবার রাজধানীর সেতুভবনে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টি সম্পর্কে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে যে গুজব ছড়িয়েছে এটি সত্য নয়। এরকম কোনো পদ সৃষ্টি হবে না।”

নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “নিবন্ধিত দলের সঙ্গে সংলাপ হবে নিবাচন কমিশনারের। তারা চাইলে রোড ম্যাপ সংশোধনও করতে পারে। সেনবাহিনী নির্বাচনকালীন স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহৃত হবে কি না সেটা নির্বাচন কমিশনারের ওপর নির্ভর করছে।”

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার আমাদের কোনো পরামর্শ দেননি। উনি শুধু জানতে চেয়েছেন নির্বাচন নিয়ে সরকার কী ভাবছে বা করছে। আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক বিষয় আমরাই দেখবো। চাপ দিয়ে কিছু আদায় করার মতো আগের সে অবস্থা এখন আর নেই।”

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আ.লীগের নীলনকশা বাস্তবায়নে ইসির রোডম্যাপ: বিএনপি 

02

ঢাকা, ১৮ জুলাই : আওয়ামী লীগের নীলনকশা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) রোডম্যাপ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “জাতির আশা-আকাঙ্খাকে উপেক্ষা করে পুরোনো কায়দায় আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার নীলনকশা বাস্তবায়নের যাত্রা শুরু করেছে। এতে জাতি চরমভাবে হতাশ এবং ক্ষুব্ধ হয়েছে।”

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসির দেয়া নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে বিএনপির দলীয় প্রতিক্রিয়া জানাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা কমিশনের দায়িত্ব নয়- ইসির এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের জন্যই। যেনতেন নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানোর দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের নয়।”

তিনি আরো বলেন, “আগামী নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে আনতে হবে। জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন, ভয়ভীতি ছাড়া সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবে, সঠিক সময়ে ভোট দিয়ে জনগণ তাদের পছন্দ মতো প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারবে- এটা সংসদীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের প্রত্যাশা। সে ক্ষেত্রে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশন রোডম্যাপ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে সেই ইচ্ছাও কমিশনের নেই।”

বর্তমান সরকারের অধীনেই নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব- ইসির এমন বক্তব্যে জনগণ আরো হতাশ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ইসির এই বক্তব্যে সরকারের মন্ত্রী, এমপি এবং নেতাদের বক্তব্যের প্রতিফলন ঘটেছে।”

রাজনৈতকি দলগুলো নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে- কমিশনের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “নির্বাচনের প্রচারণা করছে আওয়ামী লীগ, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় সুবিধা ব্যবহার করে সারা দেশ ঘুরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। অপরদিকে বিরোধী দলগুলো ন্যুনতম বৈঠকও করতে পারছে না।”

তিনি বলেন, “এটা সবাই বিশ্বাস করে এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সুপরিকল্পিতভাবে তাদের অনুগত নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে আবারো ক্ষমতায় আসতে চায় আওয়ামী লীগ।”

ফখরুল বলেন, “সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া কোনো রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করে রাজনৈতিক সংকট সমাধান সম্ভব। এটি রোডম্যাপ দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়। রাজনৈতিকভাবে সমঝোতা করে এর সমাধান করতে হবে।”

বিএনপির সহায়ক সরকারের দাবি সরকার মানবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, “কোনো সরকারই জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে টিকে থাকতে পারেনি এ সরকারও পারবে না। জনগণই এই সরকারকে বাধ্য করবে সহায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে।”

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, “সংবিধান মানুষের জন্য। মানুষের প্রয়োজনেই তাকে পরিবর্তন করা যায়। দেশের চলমান সংকট রাজনৈতিকভাবে সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। তার পরে সংবিধানে পরিবর্তন আসবে কিনা সেটি ভাবতে হবে।”

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “নির্বাচনকালীন সময়ে দলীয় সরকার থাকলে কোনো নির্বাচন কমিশনই নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে না। নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের ব্যাপারে সমঝোতা না করে রোডম্যাপ দেয়া একটি ষড়যন্ত্র।”

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নাশকতার ৪ মামলায় জয়নুল আবদীন ফারুকের জামিন 

08

ঢাকা, ১৮ জুলাই : নাশকতার ঘটনায় দায়ের করা চার মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদীন ফারুক। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূতি ঘিরে এ নাশকতার ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী এবং বিচারপতি এএনএম বসিরর উল্লাহর হাই কোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিনের এ আদেশ দেন।

এসময় রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিন পাওয়া বিএনপি নেতা ফারুককে কেন স্থায়ী জামিন দেয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে থাকা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবীর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

আদালতে ফারুকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব।

ব্যারিস্টার সাকিব জানান, নাশকতার অভিযোগে ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি, ৬ জানুয়ারি ও ৭ জানুয়ারি পল্টন থানায় ওই চার মামলায় দায়ের করা হয়। ফারুকের বিরুদ্ধে এই মামলাগুলো হয় ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে। ওই সময় রাজধানীর পল্টন, জাতীয় প্রেস ক্লাব ও বায়তুল মোকাররম মোড়ে নাশকতার ঘটনায় পুলিশ ছয়টি মামলা করে। এসব মামলায় আসামি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফারুককে।

গত ২ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। এর মধ্যে মহানগর হাকিম নূর নাহার ইয়াসমিন দুই মামলায় তাকে জামিন দিলেও বাকি চারটির আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ওই চার মামলায় হাই কোর্টে জামিন আবেদন করেন তিনি।

নাশকতার অভিযোগে ফারুকের বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানান, তার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার সাকিব ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রোডম্যাপ দিয়ে সঙ্কট নিরসন হবে না : ফখরুল 

666

ঢাকা, ১৬ জুলাই : নির্বাচনকালীন রোডম্যাপ দিয়ে রাজনৈতিক সঙ্কটের সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা একটি রাজনৈতিক সঙ্কট, এটিকে রোডম্যাপ দিয়ে সমাধান করা সম্ভব নয়।

আজ রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনকালীন রোডম্যাপ প্রকাশ করলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রসঙ্গত, আজ নির্বাচনকেন্দ্রীক কর্মপরিকল্পনার ৭টি করণীয় দিক ঠিক করে আনুষ্ঠানিকভাবে এক রোডম্যাপ ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

এই রোডম্যাপের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন, আমরা মনে করি এটা কোনো বড় বিষয় বা প্রধান সঙ্কট নয়। প্রধান সঙ্কট হচ্ছে আদৌ নির্বাচনটা কিভাবে হবে? নির্বাচনে সরকারের কি অবস্থায় থাকবে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা কি থাকবে? এই মুহূর্তে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের বড় প্রয়োজন বলে মনে করে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, সহায়ক সরকারের বিষয়ে কোনো আলোচনা না করে এই রোডম্যাপ দিয়ে কোনো সমস্যার সমাধান হবে না। দেশে সঙ্কট নিরসন হবে না।

নির্বাচনের জন্য রোড তো থাকতে হবে। এখন পর্যন্ত আমরা কোনো রোড দেখতে পাচ্ছি না। সুতরাং ম্যাপ তো পরের প্রশ্ন। এটি একটি স্পর্শকাতর বিষয়। আমাদের সিনিয়র নেতা এবং নেত্রীর সাথে কথা বলে দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রোড ম্যাপ প্রকাশে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য খুব ভালো উল্লেখ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারও বলছেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ করতে চাই, সহায়তা করতে চাই। কিন্তু প্রকৃত দৃশ্য তো দেখছেন, আমরা কোনো সভা করতে পারি না।

গতকাল নেত্রী বিদেশে যাবার সময় আমাদের সিনিয়র নেতাদের রাস্তায় দাঁড় করে রাখলো। এই পরিবেশ, পরিস্থিতিতে আদৌ নির্বাচনের পরিবেশ আছে কি না সেটাও সবার আগে দেখতে হবে। আমরা বার বার বলছি সঙ্কট টা একটি রাজনৈতিক সংকট। রাজনৈতিকভাবে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে। নির্বাচন কমিশন কোনো আলোচনা না করেই একক ভাবে একটি রোড ম্যাপ দিয়ে দিলেই সমস্যা সমাধান হবে না।

নির্বাচন কমিশনের ডাকা আলোচনায় বিএনপি অংশ গ্রহণ করবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক, নিয়মতান্ত্রিক যতগুলো পদ্ধতি আছে, সেগুলোতে আমরা যেতে চাই। এটা নির্ভর করছে নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের সদিচ্ছার উপরে। তারা আমাদের সে পথে যেতে দিতে চায় কি না?

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর