২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
সকাল ৭:১৬, রবিবার

হোয়াইট হাউসে বিবিসি-সিএনএন নিষিদ্ধ!

হোয়াইট হাউসে বিবিসি-সিএনএন নিষিদ্ধ! 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারি : এবার হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত থাকার অনুমতি পেল না বিবিসি, সিএনএনসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি সিন স্পাইসারের এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তাদের প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি।

তবে কেন তাদের প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি, তার কোনো কারণ জানাননি স্পাইসার।

সর্বশেষ গণমাধ্যমকে আক্রমণ করে দেয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের পরই এ ঘটনা ঘটল।

শুক্রবার ট্রাম্প তার সর্বশেষ আক্রমণে গণমাধ্যমকে ‘মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনকারী’ এবং ‘জনগণের শত্রু ‘ আখ্যায়িত করেন।

এর আগে ট্রাম্প সিএনএন এবং নিউইয়র্ক টাইমস’র কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

প্রেস সেক্রেটারি স্পাইসার গণমাধ্যমের প্রতি হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে হোয়াইট হাউস ‘মিথ্যা বর্ণনা’র সংবাদের বিরুদ্ধে ‘যোগ্য জবাব’ দেবে।

তার এ বক্তব্যের পর নিষেধাজ্ঞা পাওয়া গণমাধ্যমের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা প্রেসব্রিফিং বয়কট করে প্রতিবাদ জানান।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সিরিয়ায় গাড়িবোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারি : সিরিয়ার আল বাব শহরের কাছে  তুরস্ক-সমর্থিত সিরীয় বিদ্রোহীদের একটি নিরাপত্তা তল্লাশিচৌকিতে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদেরর এক গাড়িবোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা ৫০ জন ছাড়িয়েছে। শুক্রবারের এই হামলায় নিহতদের ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক বলে জানিয়েছে সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস।

আল বাবের উত্তর-পশ্চিমে সৌসিয়ান গ্রামে ফ্রি সিরিয়ান আর্মি বিদ্রোহীদের চেকপয়েন্টে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আরো বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে তুর্কি-সমর্থিত বিদ্রোহীরা বৃহস্পতিবার আল বাব থেকে আইএস জঙ্গিদের বিতাড়িত করেছিল। উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় আইএসের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য ঘাটি ছিল আল বাব। কয়েক সপ্তাহের তীব্র লড়াইয়ের পর নিকটবর্তী ছোট শহর কাবাসিন ও আল বাজেহ থেকেও আইএস জঙ্গিদের হটিয়ে দেয় তুর্কি-সমর্থিত বিদ্রোহীরা। রয়টার্স।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল শিগগিরই : ট্রাম্প 

38653

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারি : মেক্সিকো সীমান্তে খুব দ্রুতই দেয়াল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে রক্ষণশীলদের একটি সম্মেলনে ট্রাম্প এই প্রতিশ্রুতি দেন।

মেরিল্যান্ডের ন্যাশনাল হারবারে রক্ষণশীলদের বার্ষিক সম্মেলন কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্স (সিপিএসি)। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্ষণশীল বিভিন্ন সংগঠনের কর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সেই সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে সীমান্তে বিশাল দেয়াল নির্মাণের কথা বলেন।

সম্মেলনের তৃতীয় দিনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্র’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন ট্রাম্প-সমর্থকরা। এ সময় ট্রাম্প ‘বাজে লোকজনকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার’ ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‘আমরা দেয়াল নির্মাণ করতে যাচ্ছি। এটা খুব দ্রুতই শুরু হতে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই’, বলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প যেদিন সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের প্রতিশ্রুতির কথা বলেছেন, ঠিক তার আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি) জন কেলি মেক্সিকোর একই পদে থাকা দুই মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। বৃহস্পতিবার রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর  সংবাদ সম্মেলনে দুই মন্ত্রীর কেউই সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ নিয়ে কোনো কথা বলেননি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ট্রাম্পের আদেশের প্রতিবাদে বাংলাদেশি রুমানার পদত্যাগ 

0k6rc190-copy

যুক্তরাষ্ট্র, ২৪ ফেব্রুয়ারি : ওবামার সঙ্গে রুমানাওবামার সঙ্গে রুমানাযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শপথ নেওয়ার আট দিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একমাত্র মুসলিম সদস্য বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুমানা আহমেদ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য আটলান্টিক’-এ গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক কলামে রুমানা জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম প্রবেশে বাধার ঘোষণার প্রতিবাদে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গত ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর এক সপ্তাহ পরই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অস্থায়ীভাবে ও সিরীয় শরণার্থীদের স্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প। এ কারণেই রুমানা ২৮ জানুয়ারি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তবে আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্পের ওই আদেশ সাময়িকভাবে আটকে গেছে। ট্রাম্প জামানায় রুমানা আহমেদ মাত্র আট দিন হোয়াইট হাউসে কাজ করেছেন।

২০১১ সালে বারাক ওবামার শাসনামলে রুমানা হোয়াইট হাউসে চাকরি গ্রহণ করেন। গত বছরের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে অস্বস্তিবোধ করা সত্ত্বেও নিরাপত্তা পরিষদে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু আট দিনের বেশি তাঁর পক্ষে সে চাকরিতে থাকা সম্ভব হয়নি। ‘যে প্রশাসন আমাকে ও আমার মতো (মুসলিমদের) যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ভাবার বদলে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে, সেখানে আমার পক্ষে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’ ওই লেখায় বলেছেন রুমানা।

রুমানা নিজেকে ‘হিজাবি’ বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন। বারাক ওবামার প্রশাসনে তিনি নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান বেন রোডসের একজন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি প্রতিদিন হিজাব পরেই দায়িত্ব পালন করতেন। বারাক ওবামার সঙ্গে তাঁর একটি ছবি সে সময় হোয়াইট হাউস ব্যাপকভাবে প্রচার করে। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে বাংলাদেশিদের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তাঁর আলাপচারিতার একটি ঘটনাও ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।

কেন পদত্যাগ করছেন, সে কথা নিরাপত্তা পরিষদের যোগাযোগ উপদেষ্টা মাইকেল এন্টনকে ব্যাখ্যা করে রুমানা বলেন, ‘ট্রাম্পের মুসলিম আগমন নিষিদ্ধ ঘোষণার পর কাজ চালিয়ে যাওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছে।’

রুমানা এন্টনকে জানান, ‘আমি তাঁকে জানাই, (এই ঘোষণার পর) দেশের সবচেয়ে ঐতিহাসিক এই ভবনে প্রতিদিন প্রবেশ করা আমার জন্য রীতিমতো অপমানজনক একটি ব্যাপার হয়ে উঠেছে। একজন আমেরিকান ও মুসলিম হিসেবে আমি যা বিশ্বাস করি, এই প্রশাসন তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।’ জবাবে কিছুটা বিস্মিত হয়ে তিনি জানতে চান, রুমানা কি একদম চাকরি থেকে পদত্যাগ করছে। রুমানা ‘হ্যাঁ’ জানানোর পর এন্টন কিছুই বলেননি।

রুমানা তাঁর ওই রচনায় লেখেন, ‘আমি পরে জানতে পেরেছি মাইকেল এন্টন নিজে ছদ্মনামে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে আমেরিকার জাতিগত বৈচিত্র্যকে ‘দুর্বলতা’ এবং ইসলাম ধর্মকে আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেন।’

রুমানার রচনাটি এইখানে পাওয়া যাবে <http://theatln.tc/2 mgyQFA>

রুমানার বাংলাদেশি পিতা-মাতা ১৯৭৮ সালের যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। তাঁরা মার্কিন রাজধানীর সন্নিকটে ম্যারিল্যান্ডে বসবাস করেন। এখানেই রুমানার জন্ম। রুমানা তাঁর রচনায় জানান, তাঁর মা শুরুতে ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করেন। তাঁর পিতা ব্যাংক অব আমেরিকায় কাজ শুরু করে এই ব্যাংকের সহকারী উপপ্রধান পদে উন্নীত হন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চালু হচ্ছে স্টিভ জবসের সেই স্বপ্নের কার্যালয় 

b7e5d6fd-copy

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : স্টিভ জবসের সর্বশেষ কাজ স্পেসশিপ কার্যালয়। ছবি: রয়টার্স।স্টিভ জবসের সর্বশেষ কাজ স্পেসশিপ কার্যালয়। ছবি: রয়টার্স।অ্যাপলের জন্য মহাকাশযান-সদৃশ একটি কার্যালয় তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন স্টিভ জবস। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। বুধবার এক বিবৃতিতে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ বলেছে, অ্যাপল-কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত নতুন ‘স্পেসশিপ’ কার্যালয়ে এপ্রিল মাস থেকে যেতে শুরু করবেন।

১২ হাজারের বেশি কর্মীকে এই নতুন কার্যালয়ে নিতে এ বছরের প্রায় শেষ পর্যন্ত সময় লাগবে।
নতুন এই ক্যাম্পাসটিকে ‘সৃজনশীলতা ও সহযোগিতা কেন্দ্র’ বলে উল্লেখ করেছে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ।

অ্যাপলের নতুন কার্যালয়ের একটি থিয়েটারের নামকরণ করা হয়েছে অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের নামানুসারে।

১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন স্টিভ জবস।

এক বিবৃতিতে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বলেছেন, ‘অ্যাপলের জন্য স্টিভের দূরদৃষ্টি তাঁর সময়কে অতিক্রম করেও আমাদের সঙ্গে রয়েছে।’

টিম কুক বলেন, স্টিভ জবস চেয়েছিলেন অ্যাপল পার্ক হবে আগামী প্রজন্মের জন্য উদ্ভাবনের কেন্দ্র।

১৭৫ একর আয়তনের এই ক্যাম্পাসটিতে গোলাকার ভবন ও বিশ্বের বৃহত্তম বাঁকানো কাচের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। পুরো ক্যাম্পাসে ব্যবহৃত হবে নবায়নযোগ্য শক্তি।

অ্যাপলের ওই ক্যাম্পাসে থাকছে ফিটনেস সেন্টার, ফুটপাত, গবেষণাকেন্দ্র, দর্শনার্থীদের জন্য কেন্দ্র ও বাগান।

অ্যাপলের প্রধান নকশাবিদ জনি আইভ বলেন, ‘আমরা যেভাবে আমাদের পণ্য তৈরিতে নকশা ও বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে উৎসাহী থাকি, নতুন ক্যাম্পাস তৈরিতেও একই রকম নকশা, প্রকৌশলের বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে।’

গত মাসে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ আইফোন বিক্রি থেকে প্রচুর মুনাফা করার তথ্য প্রকাশ করে। অবশ্য বাজার বিশ্লেষকেরা আইফোন বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা বলেছিলেন।

অ্যাপল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, গত বছরের শেষ তিন মাসে অ্যাপল ৭ কোটি ৮৩ লাখ ইউনিট আইফোন বিক্রি করে। বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান স্ট্র্যাটেজি অ্যানালাইটিকসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের শেষ তিন মাসের স্মার্টফোন বিক্রিতে বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন বিক্রেতার খেতাব স্যামসাংয়ের কাছ থেকে চলে যায় অ্যাপলের কাছে।

গত বছরে অ্যাপল ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। বর্তমানের সিলিকন ভ্যালির অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠানটি স্টিভ জবসের গ্যারেজ থেকে যাত্রা শুরু করে আধুনিক যুগের অন্যতম স্মার্টফোন নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

প্রযুক্তিপ্রেমী ও বিপণন মেধাবী হিসেবে পরিচিত স্টিভ জবস ও অ্যাপল কম্পিউটারের উদ্ভাবক স্টিভ ওজনিয়াক মিলে যে কোম্পানি গড়ে তুলেছিলেন তা বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

কলেজ থেকে ঝরে পড়া দুজন শিক্ষার্থী যে কোম্পানি গড়ে তুলেছেন, তা মানুষের কম্পিউটার ব্যবহারের ধরন, গান শোনার ধরন ও চলার পথে যোগাযোগের ধরন বদলে দিয়েছে। এ ছাড়া মানুষের হাতে এনে দিয়েছে দরকারি সব অ্যাপস।

১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল কুপারটিনোর একটি গ্যারেজে যাত্রা শুরুর পর স্টিভ জবসের হাত ধরে একে একে এসেছে জনপ্রিয় পণ্য ম্যাক, আইপড, আইফোন ও আইপ্যাড।

জবসের স্ত্রী লরিন পাওয়েল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার ভূপ্রকৃতি, আলো ও বিশালতা থেকে স্টিভ জবস উদ্যম ও অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। তাঁর চিন্তার প্রিয় জায়গা ছিল এটি। অ্যাপল পার্কে তাঁর সেই উদ্যমকে তুলে ধরা হয়েছে। তথ্যসূত্র: এএফপি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মার্কিন নৌসেনার গুলিতে ভারতীয় যুবক নিহত 

44402

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস অঙ্গরাজ্যের একটি পানশালায় গুলিতে শ্রীনিবাস কুচিভোতলা নামে এক ভারতীয় যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অপর এক ভারতীয় যুবক আহত হন। আহত যুবকের নাম অলোক মাদাসানি।

স্থানীয় সময় বুধবার রাতে কানসাসের ভারতীয় মালিকানাধীন একটি পানশালায় ঘটনাটি ঘটে।

বিদ্বেষপ্রসূতভাবে অভিবাসী ওই প্রকৌশলীকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন ব্যক্তি অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন নৌসেনা বলে জানিয়েছে কানসাস পুলিশ।

অ্যাডাম পিউরিনটন (৫১) নামের ওই নৌসেনা ইরাকে মার্কিন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার সময় ওই মার্কিন নৌসেনা মদ্যপ ছিলেন। তিনি ওই সময় পানশালায় বসে বর্ণবাদী আচরণ করছিলেন। একপর্যায়ে পানশালার কর্তৃপক্ষ তাকে মাতলামি বন্ধ করতে বললে তিনি ওই দুই ভারতীয়কে বলেন ‘আমার দেশ ছেড়ে বেরিয়ে যাও’। এরপরই উঠে এসে তিনি ওই দুই ভারতীয়কে গুলি করেন। হত্যাকারী এ সময় দুই ভারতীয়কে ‘মধ্যপ্রাচ্যের লোক’ বলেও সম্বোধন করেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর পরই অ্যাডাম পিউরিনটনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে কানসাস পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আরও পারমানবিক অস্ত্র চান ট্রাম্প 

3751

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর অভিবাসন নীতি থেকে শুরু করে নানা বিষয়ে বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে আলোচনায় আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার জানালেন আরও পারমানবিক অস্ত্র চাই তার। পারমানবিক অস্ত্রের বিশাল ভান্ডার গড়ে তুলতে চান তিনি। খবর মেট্রো ইউকে’র।

রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পারমানবিক অস্ত্র মজুদের দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে। তাই, সবাইকে ছাড়িয়ে সব চেয়ে বড় মজুদ গড়ে তুলবেন তিনি।

ট্রাম্পের ওভাল অফিসে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, আগামী বছরের মধ্যে তিনি পারমানবিক অস্ত্রের মজুদের দিক থেকে রাশিয়াকে ছাড়িয়ে যেতে চান।

আর এ খবরে উদ্বেগ বেড়েছে অন্যান্য পারমানবিক শক্তিধর দেশের পাশাপাশি বিশ্ববাসীর। পারমানবিক অস্ত্রের মজুদের প্রতিযোগিতা শুরু হলে সেটা কারও জন্য মঙ্গল হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সুইডেনে সঙ্গমের জন্য ছুটি দেবে অফিস 

877

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : শিগগিরই সুইডেনের যেকোনো মানুষ অফিস চলাকালীন এক ঘণ্টার ছুটি নিয়ে বাড়িতে গিয়ে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে পারবেন নিজের সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে! এমনই এক আইন চালু করার প্রস্তাব দিয়েছেন দেশটির স্থানীয় পর্যায়ের এক কাউন্সিলর।

ভাবছেন, কেন এই নিয়ম? সুইডেনের সংবাদ মাধ্যম প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণা ফলাফল বলছে, এ দেশে প্রেমিক-প্রেমিকাদের সম্পর্ক ভাঙন, স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই প্রবণতা বদলে মানুষের ব্যক্তিগত সম্পর্কের উন্নতির ভাবনা থেকে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছেন ওই কাউন্সিলর।

কাজের ব্যস্ততায় সুইডেনের অনেক মানুষই নিজের জীবন0সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে সময় দিতে পারছে না। যার ফলে মানসিক দিক থেকেই চাপ বাড়ছে মানুষের। এই চাপ কমাতেই এই ধরণের আইনের প্রস্তাব আনা হয়েছে।

এই আইনের প্রস্তাব অনুযায়ী, কাজের ব্যস্ততা থেকে ছুটি নিয়ে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হতে পারবেন সুইডিশরা। আর এ ব্যাপারে অফিসই ব্যবস্থা করে দেবে বেতনসহ ছুটির!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জং-নামের মৃত্যু ‘রাসায়নিক অস্ত্রে’ 

37

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সৎভাই কিম জং-নামকে হত্যায় উচ্চমাত্রার বিষাক্ত রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছে।

রাসায়নিকটির নাম ‘ভিক্স নার্ভ এজেন্ট’। মালয়েশিয়ার পুলিশ আজ শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বিমানবন্দরে রহস্যজনকভাবে অসুস্থ হওয়ার পর জং-নাম মারা যান। বিমানবন্দরে জং-নামকে উত্তর কোরিয়ার গুপ্তঘাতকেরা বিষপ্রয়োগে হত্যা করে বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল।

মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, জং-নাম ম্যাকাওগামী ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় দুই নারী তার মুখমণ্ডলে বিষাক্ত উপাদান ছড়িয়ে দেন। এ কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়।

মালয়েশীয় পুলিশ বলছে, জং-নামের চোখ ও মুখমণ্ডল থেকে সংগৃহীত নমুনায় ‘ভিক্স নার্ভ এজেন্ট’ নামের উচ্চমাত্রার বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

‘ভিক্স নার্ভ এজেন্ট’ একটি রাসায়নিক অস্ত্র। এই অস্ত্রটিকে ‘গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘ।

মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান খালিদ আবু বকর এক বিবৃতিতে বলেছেন, জং-নামের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে সংগৃহীত অন্যান্য নমুনাও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

উত্তর কোরিয়ার অনুরোধ সত্ত্বেও জং-নামের লাশ ফেরত দেয়নি মালয়েশিয়া। তারা বলছে, নিহত ব্যক্তির পরিবারের কেউ ডিএনএ নমুনা দিয়ে শনাক্ত করার পরই লাশ নিতে পারবেন। এ ছাড়া মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত চলছে।

জং-নামের লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এই হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকজনকে মালয়েশিয়ার পুলিশ খুঁজছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের মধ্যে কুয়ালালামপুরে উত্তর কোরীয় দূতাবাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং দেশটির রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার এক কর্মীও রয়েছেন। এই মামলায় উত্তর কোরিয়ার আরও চার সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম প্রকাশিত হয়েছে। তারা সম্ভবত ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ছেড়ে গেছেন। ওই চার ব্যক্তিকে ধরতে সতর্কতা জারির জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলকে অনুরোধ করেছে মালয়েশিয়া।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এবার মসুল বিমানবন্দর দখলে নিল ইরাকি বাহিনী 

04

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : আইএস উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল ইরাকি সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার সকালে ইরাকি সেনা পশ্চিম মসুলের বিমানবন্দর পুনর্দখল করেছে। টানা ৪ ঘণ্টা ধরে এই অভিযান চলে।

সেনাবাহিনী বিমানবন্দরটি দখল নেওয়ার পরও সংঘর্ষ থামেনি। শহরের ভেতর থেকে মর্টার হামলা চালায় আইএস সদস্যরা। তারা আল-ঘাজলানি সামরিক ঘাঁটির পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও হামলা চালিয়েছে। সেখানে জঙ্গিদের সাথে সামরিক বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

ইরাকি সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র জানান, আইএস সদস্যরা বিমানবন্দরের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে ঢুকে পড়েছে। তারা ইতিমধ্যেই বিমানবন্দরের রানওয়ে ধ্বংস করে রেখেছে। এই বিমানবন্দরের দখল হাতে আসাটা ইরাকি বাহিনীকে মসুলের দক্ষিণাঞ্চলীয় বিভিন্ন রুটের নিয়ন্ত্রণ নিতে সাহায্য করবে। গত মাসে ইরাকি বাহিনী মসুলের পূর্বাঞ্চল পুনরায় দখল করে

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

প্রশান্ত মহাসাগরে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল আমেরিকা 

02

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : প্রশান্ত মহাসাগরে পর পর চারটি সুদীর্ঘ পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীই একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই পরীক্ষা চালানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে যে ব্যালিস্টিক মিসাইল যুক্তরাষ্ট্র পরীক্ষা চালিয়েছে, সেগুলি ৭ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দুরে পরমাণু হামলা চালাতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ট্রাইডেন্ট টু ডি ফাইভ। সমুদ্রের গভীর থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছোড়া হয়েছে।

তবে ঠিক কোন তারিখে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছোড়া হয়েছে, তা মার্কিন নৌবাহিনী জানায়নি। বিজ্ঞপ্তিতে শুধু জানানো হয়েছে, চলতি মাসেই ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলের অদূরে প্যাসিফিক টেস্ট রেঞ্জ থেকে ট্রাইডেন্ট টু ডি ফাইভ ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছোড়া হয়েছে। সমুদ্রের গভীর থেকে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রগুলি পানি ফুঁড়ে বাইরে এসে গন্তব্যের দিকে ছুটে গিয়েছে এবং নির্ভুলভাবে লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে।

যে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে, সেগুলির সবকটিতেই মাল্টিপল ইনডিপেনডেন্টলি টার্গেটেবল রি-এন্ট্রি ভেহিকল বা এমআইআরভি লাগানো ছিল। অর্থাৎ একটি ক্ষেপণাস্ত্রই এক সঙ্গে অনেকগুলি লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম।

মার্কিন নৌবাহিনী সূত্রে জানা যায়, ওহায়ো ক্লাস সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছোড়া হয়েছে। আমেরিকার যে নিউক্লিয়ার ট্রায়াড রয়েছে, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল এই ওয়াহো ক্লাস সাবমেরিন। এই সাবমেরিন সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে যে কোনও স্থানে নির্ভুল পরমাণু হামলা চালাতে পারে। মার্কিন নৌসেনার হাতে ১৪টি এই জাতীয় সাবমেরিন রয়েছে। প্রতিটি সাবমেরিনে ২৪টি করে ট্রাইডেন্ট টু ডি ফাইভ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করা সম্ভব বলেও জানা গেছে।

তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,  চীন-আমেরিকা বাগযুদ্ধ এবং উত্তেজনা সম্প্রতি যে ভাবে লাফিয়ে বেড়েছে, তার প্রেক্ষিতে সমুদ্রের গভীর থেকে পরমাণু হামলা চালানোর সক্ষমতা নতুন করে পরীক্ষা করে নেওয়া নিঃসন্দেহে একটি বার্তাবহ পদক্ষেপ। সূত্র: আনন্দবাজার

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভারতে ফিরতে চান না জাকির নায়েক 

774

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জবানবন্দি দেবেন বলে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে জানিয়ছেন ইসলামি বক্তা ও পিস টিভি’র আলোচক ডা. জাকির নায়েক। জাকির নায়েক বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

সশরীরে ভারতে এলে তাকে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে উল্লেখ করে জাকির নায়েক তার আইনজীবীর মাধ্যমে জানিয়েছেন, ভারতের পরিবেশ তার জন্য উপযুক্ত নয়, ফলে সেটা সুষ্ঠু তদন্তকাজে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

গত বছরের নভেম্বরে জাকির নায়েকের ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে (আইআরএফ) অবৈধভাবে বিদেশি অর্থ সংগ্রহের অভিযোগে নিষিদ্ধ করা হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আবাসন ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা 

771

নিউইয়র্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাড়ির মালিকের ছুরিকাঘাতে বাংলাদেশি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী জাকির খান (৪৪) খুন হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বাংলাদেশি-অধ্যুষিত ব্রঙ্কসে এই খুনের ঘটনা ঘটে। খবর এনওয়াই ডট নিউজের।

পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, ব্রঙ্কসের নেক সেকশনে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে ৪৪ বছর বয়সী তরুণ ব্যবসায়ী জাকির খানকে হত্যা করা হয়। এই হত্যায় প্রাথমিকভাবে তার বাড়ির মালিককে সন্দেহ করা হচ্ছে। ৫১ বছর বয়সী ওই বাড়ির মালিককে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

নিহত জাকির খান একজন নিবন্ধিত ডেমোক্রেট সমর্থক ছিলেন বলে ওই খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে জাকির তার ভাড়া বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তাকে ছুরিকাঘাত করেন বাড়ির মালিক। জাকির মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বাড়ির মালিক নিজেই চিৎকার করে পুলিশে খবর দিতে বলেন। পরে জাকিরকে উদ্ধার করে কাছের জ্যাকবি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

প্রতিবেশীরা জানান,  বাড়ি ভাড়া নিয়ে জাকিরের সঙ্গে মালিকের বছর খানেক ধরে বিরোধ চলছিল।

জাকিরের গ্রামের বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থানার পাঠানটিলা গ্রামে। ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নেন তিনি। জাকির নিউইয়র্কে এসে পড়ালেখা শেষ করে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হন। তিনি ব্রঙ্কসে শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী হিসেবে কমিউনিটিতে পরিচিত লাভ করেন। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন তিনি। জাকিরের স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।

এদিকে জাকিরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত প্রবাসী বাংলাদেশি জ্যাকবি হাসপাতালে ভিড় করেন। কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।

জাকিরের নিকট আত্মীয় সাইফুল চৌধুরী জানান, ময়নাতদন্তের জন্য জাকিরের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হবে, নাকি নিউইয়র্কে দাফন হবে—এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে জাকিরের ভাইদের সঙ্গে দেশে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কাশ্মীরে হামলায় ৩ ভারতীয় সৈন্য নিহত 

08

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি টহল দলে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এতে তিন ভারতীয় সৈন্য নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে দক্ষিণ কাশ্মীরের সোফিয়ান জেলায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ সময় সেনা ও সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধের মধ্যে পড়ে আরও এক নারী নিহত হয়েছেন। খবর এনডিটিভির।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সোফিয়ানের মাটরিগামে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শেষে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরছিল। পথে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবহরের ওপর ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।

সেনাবাহিনীও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু রাতের আঁধারে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে ঘটনাস্থলেই এক সেনা সদস্য মারা যান। বাকিদের হাসপাতালে আনার পর মারা যায়। এক সেনা কর্মকর্তাসহ আহতদের অবস্থাও আশংকাজনক।

পুলিশ জানিয়েছে, সেনা ও সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির মধ্যে জনা বেগম নামের এক বয়স্ক নারী নিহত হয়। তিনি নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

বিগত তিন সপ্তাহের মধ্যে কাশ্মীরে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটল। এসব হামলায় একজন মেজরসহ ৬ ভারতীয় সেনা ও তিনজন হামলাকারী নিহত হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নির্দোষ কাশ্মীরি যুবকের বারো বছর কাটল জেলে 

77

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : ২০০৫ সালে দিওয়ালির সময় দিল্লিতে একের পর এক বোমা বিস্ফোরণে ঘটনায় ধরা পড়েছিলেন মোট তিনজন, তাদের মধ্যে দুজনকে আদালত নিরপরাধ বলে ঘোষণা করেছে।

ওই রায় নিয়ে বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবার বা আহতরা ক্ষুব্ধ, কিন্তু আদালতে নিরপরাধ ঘোষিত হওয়ার পরে বিনা দোষে সাজা খাটা এক কাশ্মিরী মুসলমান বলছেন যে তার জীবন থেকে যে বারোটা বছর চলে গেল, সেটা কে ফিরিয়ে দেবে?

শ্রীনগরের শাল প্রস্তুতকারী মুহম্মদ হুসেইন ফাজলির বিয়ের কথা চলছিল ধরা পড়ার সময়ে। বাড়ি ফিরে মি. ফাজলি বিবিসিকে এক সাক্ষাতকার দিয়েছেন।

মুহম্মদ হুসেইন ফাজলি আর রফিক আহমেদ শাহকে ২০০৫ সালে দিল্লির সিরিয়াল বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। ওই বিস্ফোরণগুলিতে মৃত্যু হয়েছিল মোট ৬৮ জনের, আহত হন আরও বহু মানুষ।

কিন্তু এত বছর ধরে মামলা চলার পরে সম্প্রতি দিল্লির এক নিম্ন আদালত ঘোষণা করেছে যে ওঁরা দুজনেই নির্দোষ। মি ফাজলি শ্রীনগরের সোরহা এলাকায় তার বাড়িতে ফিরে গেছেন।

এক যুগ পরে তার দেখা হয়েছে বাবা মায়ের সঙ্গে, কারণ মাঝের এতগুলো বছরে টাকাপয়সার অভাবে একবারও ছেলেকে দেখতে দিল্লির কারাগারে যেতে পারেননি তারা।

বাড়ির এক কোণে থাকা একটা পুরনো আমলের টেলিফোনই ছিল ছেলের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র উপায়।

বাড়ির ছোট ছোট বাচ্চাগুলোকে তো চিনতেই পারছেন না মি. ফাজলি। তিনি বলছিলেন, বাড়ি ফিরে গিয়ে যখন বাবা মা কে দেখলাম, তখন উপলব্ধি করতে পারলাম যে কী হারিয়েছি এতগুলো বছরে! মা বিছানায় শুয়ে আছেন, বাবা একটা চোখে দেখতে পান না। ওঁদের ওপর দিয়ে যা গেছে এই বারো বছরে, সেটা কী করে ফিরে আসবে?

আর আমার নিজের জীবনটাওতো শেষ হয়েই গেছে, বলছিলেন ১২ বছর পরে সদ্য জেল থেকে মুক্তি পাওয়া মুহম্মদ হুসেইন ফাজলি।

শ্রীনগরের বাড়ি থেকে যখন পুলিশ তাকে নিয়ে গিয়েছিল বারো বছর আগে, তখন বলা হয়েছিল যে কয়েক মিনিটের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে – সামান্য কিছু জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। তারপরে ছেড়ে দেওয়া হবে।

মি. ফাজলিকে যে কেন গ্রেপ্তার করা হল, তারপরে কোথায় নিয়ে যাওয়া হল, সে সব কিছুই তিনি জানতে পারেন নি।

বেশ কিছুদিন পরে এক সাংবাদিক তাকে জানান যে কোন অপরাধে গ্রেপ্তার করে তাকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারপর থেকে ১২ বছর জেলেই কাটিয়েছেন মি. ফাজলি।

যেদিন আদালত তাকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করল, সেই দিন কী মনে হচ্ছিল?

এই প্রশ্নের জবাবে মি. ফাজলি বিবিসিকে বলছিলেন, সেদিন আমার জীবন-মরণের ফয়সালা হওয়ার ছিল। একটাই ভরসা ছিল যে আল্লাহ নিশ্চই ন্যায়বিচার করবেন আমার সঙ্গে.. কারণ আমি নিজে জানি যে কোনও অপরাধ করিনি।

যে দোষ করিনি, তার জন্য জেল খাটছিলাম আমি। কিন্তু যে বারোটা বছর আমার জীবন থেকে হারিয়ে গেল, সেটা কে ফিরিয়ে দেবে? অসহায়ভাবে প্রশ্ন করেন তিনি।

যখন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এই কাশ্মীরি শাল প্রস্তুতকারক, সেই সময়ে তার বয়স ছিল ৩১। বাড়িতে বিয়ের কথাবার্তা চলছিল।

এখন তার বয়স হয়েছে তেতাল্লিশ, তারপরে আবার ১২ বছর জেল খেটে আসা ছেলে … মি. ফাজলির বাবার আক্ষেপ এরকম ছেলের সঙ্গে কে মেয়ের বিয়ে দেবে!

আদালত তাকে নির্দোষ ঘোষণা করার পরে কি এখন সেইসব পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ দায়ের করবেন বা ক্ষতিপূরণ চাইবেন?

মুহম্মদ হুসেইন ফাজলির জবাব, ন্যায় বিচার তো এটাই যে আদালত আমাকে নির্দোষ বলে দিয়েছে। আমি যদি দোষী হতাম তাহলে তো কোর্ট আমাকে সাজা দিত! কিন্তু যারা আমাকে ফাঁসিয়ে দিল, ১২ বছর জেল খাটালো, তাদেরও তো এই জবাবদিহি করা দরকার যে কেন একজন নিরপরাধ ব্যক্তির সঙ্গে তারা এটা করল!

কারণটাও অবশ্য জানেন তিনি – কাশ্মীরবাসী মুসলমান হওয়ার জন্যই ওই সাজা আমাকে পেতে হয়েছে, বলছিলেন মুহম্মদ হুসেইন ফাজলি।

ভারতে আইনজীবীরা বলছেন, আদালত কাউকে নিরপরাধ বলে মুক্তি দিলেও বিচারক বা ওই গ্রেপ্তারিতে জড়িত কোনও পুলিশ অফিসারের সাজার সুযোগ নেই। ক্ষতিপূরণ পাওয়াও সহজ নয়।

অন্যদিকে ঘটনায় নিহতদের পরিবার বা আহতরা বলছেন, যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তার মধ্যে দুজনই ছাড়া পেয়ে গেলেন। অন্যজনেরও এমন সাজা হল যেটা তিনি ইতিমধ্যেই খেটে ফেলেছেন – ফলে তারা আর তাহলে কীভাবে ন্যায় বিচার পেলেন? -বিবিসি

Share This:

এই পেইজের আরও খবর