২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
সকাল ৭:১৮, রবিবার

এবার বাজারে আসছে উড়ন্ত মোটরসাইকেল

এবার বাজারে আসছে উড়ন্ত মোটরসাইকেল 

130db44974eb935424e6865ec8e7f9ed

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক: বিএমডব্লিউ`র নতুন এই উদ্যোগে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সাবেক ইঞ্জিনিয়ারদের সহায়তায় বাজারে আসছে উড়ন্ত মোটরসাইকেল। ইতিমধ্যে এ মোটরসাইকেলের একটি রেপ্লিকাও তৈরি করেছে বিএমডব্লিউ।

বিএমডব্লিউ`র নতুন এই উদ্যোগে যৌথভাবে কাজ করবে লেগো নামের অপর একটি প্রতিষ্ঠান। উড়ন্ত এই মোটরসাইকেলের নাম রাখা হয়েছে ‌‌বিএমডব্লিউ আর ১২০০ জিএস অ্যাডভেঞ্চার বাইক।

উড়ন্ত এই মোটরসাইকেলের নকশায় সহায়তা করেছে বিখ্যাত টয় কোম্পানি দ্য লেগো। প্রায় ৬০৩টি পার্টস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে পুরো মোটরসাইকেলে মডেল। এর পর ওই মডেলের হুবহু রূপদান করেছে বিএমডব্লিউ`র ইঞ্জিনিয়াররা। চলতি বছরের জানুয়ারিতেই প্রকাশ্যে এসেছিল এই মডেল।

বিএমডব্লিউ মোটোরাডের সেলস এবং মার্কেটিংয়ের প্রধান হেনার ফস্ট জানিয়েছেন, লেগো গ্রুপকে অনুরোধ করা হয়েছিল ডিজাইনে নতুনত্ব আনার জন্য। বিএমডব্লিউ এবং লেগোর এই দুই সংস্থার মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, দুই সংস্থাই নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করে। তাই যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি করা সম্ভব হয়েছে এমন বাইক।

বিএমডব্লিউ মোটোরাডের হাত ধরে খুব তাড়াতাড়ি আসতে চলেছে উড়ন্ত মোটরসাইকেল। তবে এখনও স্পষ্ট নয় এই বাইক বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি হবে কিনা!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

খেলতে গিয়ে সিংহের মুখে মাথা! (ভিডিও) 

2uc55wg3

অনলাইন ডেস্ক : খেলাচ্ছলে সিংহের মুখে মাথা ঢুকিয়ে দিলেন যুবক। কখনও ঢুকিয়ে দেন হাত। কৌতুহলী দর্শক চারিদিকে ভীড় করে অপেক্ষা করছে পরবর্তী দৃশ্যের জন। তবে সিংহটি তাকে কামড় বসায়নি। তাহলে কী করলো সিংহটি?

বিপদের সঙ্গে খেলা করাই কিছু মানুষের নেশা। অ্যাডভেঞ্চারের তাগিদে বিপদকে আলিঙ্গন করেন তারা। তাদেরই একজন এই হুমাইদ। পার্সিয়ান গালফ অঞ্চলে ধনীদের মধ্যে বর্তমানে এক নতুন অ্যাডভেঞ্চারের নেশা দানা বেঁধেছে।

তারা বাড়িতে চিড়িয়াখানা তৈরি করে সেখানে বাঘ-সিংহকে পোষ্য করে রাখা শুরু করেছেন। হুমাইদ আলবুকাইশ তাদের মধ্যে এক জন। পার্সিয়ান এই ধনকুবেরের আয়ের উৎস অজানা, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় তার পোস্ট করা ভিডিওগুলি এখন বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের আরও অনেক ধনকুবেরের মতোই তিনিও নিজের বাড়ির চিড়িয়াখানায় বাঘ-সিংহকে পোষ্য করে রেখেছেন। এই সমস্ত হিংস্র জন্তু তার কাছে একেবারে শান্ত আকার ধারণ করে। তাদের সঙ্গে হুমাইদের খেলাধুলোর ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। তার কীর্তিকলাপ দেখে হাড় হিম হয়ে যাচ্ছে দর্শকদের।

একটি বেশ দীর্ঘায়ত ভিডিও নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে পোস্ট করেছেন হুমাইদ। তাতে দেখা যাচ্ছে, নিজের পোষা সিংহের মুখের ভিতর হুমাইদ কখনও তার হাতটি ঢুকিয়ে দিচ্ছেন, কখনও বা আস্ত মাথাটাই রাখছেন সিংহের হাঁ করা মুখের মধ্যে। সিংহটিও একান্ত বাধ্য পোষ্যের মতোই আঁচরণ করছে।

একা হুমাইদকেই অবশ্য এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তা নয়, তার বন্ধুবান্ধবরাও বেড়াতে গিয়েছেন তার চিড়িয়াখানায়, সেই দৃশ্যও ধরা পড়েছে সেই ভিডিও-তে। বন্ধুরাও তার মতোই সাহসী। তারাও হুমাইদের মতোই অনায়াসে খেলায় মাতছে সিংহের সঙ্গে। কেবল এক তরুণীকে দেখা গেছে যিনি সিংহীর আদরে ভয়ের চোটে প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন। পরে তিনি উঠে এসে তার বয়ফ্রেন্ডকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন।

ভিডিও:

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৪০ জন রানীর সঙ্গে গোসল করাটা ছিল এই রাজার প্যাশন! 

yopbwmsb-copy

অনলাইন ডেস্ক : ইতিহাসে আজও কুখ্যাত হয়ে আছেন ভারতের রাজস্থানের রাজা কিষণ সিংহ। রাজস্থান মানেই বীর রাজপুতদের জায়গা। মহারানা প্রতাপ সিংহ থেকে সংগ্রাম সিংহ, একের পরে এক বীরপুঙ্গবের জন্মের জায়গা হিসেবে আজও রাজস্থানের নাম গর্বভরে নেওয়া হয়।

এমনকী, রানী পদ্মাবতী যিনি আলাউদ্দিন খিলজির হাত থেকে সম্মান রক্ষার্থে স্বামীর চিতায় জ্যান্ত আত্নাহুতি দিয়েছিলেন, তার কাহিনি শুনে আজও ভারতীয় নারীরা অনুপ্রেরণা পান। সেখানে রাজস্থানের মতো বীরজন্মের পীঠস্থানে রাজা কিষণ সিংহের কাহিনি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করে।

শুধু বৈভব বা অর্থ নয়ছয় করা নয়, রাজা কিষণ সিংহ যেভাবে নারীসঙ্গ উপভোগের জন্য এইসব করতেন, তার জন্য আজও তাকে ধিক্কার দেন রাজস্থানবাসী। ১৮৮৯ সালে জন্ম রাজা কিষণ সিংহের। দেওয়ান জারামানি দাসের লেখা বই থেকে রাজা কিষণ সিংহের নারীসঙ্গের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

জানা যায়, রাতের অন্ধকারে সুইমিং পুলে নগ্ন হয়ে স্ত্রীদের সঙ্গে গোসল করতে নামতেন কিষণ সিংহ। এটা ছিল তার প্যাশন। রাজা কিষণ সিংহের রাজমহলে ৪০ জন রানি থাকতেন। রাজার গোসলের সময় এই রানিরাও নাকি নগ্ন হয়ে পুলে নেমে পড়তেন।

বিলাসবহুল এই জীবনকে আরও রঙিন করতে রাজমহলের সামনে গোলাপি মার্বেলে সুইমিং পুল বানিয়েছিলেন কিষণ সিংহ। এমনকী, সেই সুইমিং পুলে যাওয়ার রাস্তা বাঁধানো হয়েছিল চন্দন কাঠে। সুইমিং পুলে নামার জন্য চন্দন কাঠের সিঁড়িও বানানো হয়েছিল। পুলের মধ্যে ২০টি চন্দনকাঠের পাটাতন এমনভাবে রাখা হয়েছিল যে, এক একটি পাটাতলে ২জন করে রানি আরামসে দাঁড়াতে পারতেন।

রাজা কিষণ সিংহের নির্দেশে প্রত্যেক রানিকেই হাতে মোমবাতি নিয়ে পুলের সিঁড়ি থেকে একদম সিড়ির শেষ ধাপ পর্যন্ত দাঁড়াতে হতো। মোমবাতি হাতে রানিরা পুলে এসে হাজির হলে নিবিয়ে দেওয়া হত রাজপ্রাসাদের সমস্ত আলো। রানিরা পুলের সামনে এসে দাঁড়ানোর পরে রাজা পুলে আসতেন। সুইমিং পুলে নামার সময়ে এক এক করে রানিদের পুলে ছুড়ে দিতেন রাজা। কেবল একজন রানিকে বাহুডোরে নিয়ে নিতেন। রাজা পুলে নামলে নগ্ন অবস্থায় হাতে মোমবাতি নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করতে হত রানিদের।

রানিদের উদ্দেশে কিষণ সিংহের কঠোর নির্দেশ ছিল, মোমবাতি যেন না নেবে। নাচের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত যে রানির হাতের মোমবাতি জ্বলত, তাকে নিয়ে নিজের খাসমহলে যেতেন রাজা। এর মানে, ওই রানি সেই রাতে রাজার সঙ্গে রাত কাটানোর সুযোগ পেতেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পুরুষালী পোষাক পরলে মেয়েদের সন্তান হয় না 

2

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক : পুরুষদের মত পোষাক পরলেই মেয়েরা সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারায় বলে দাবি করলেন ভারতের মুম্বাই এর এক কলেজের অধ্যক্ষ। তার এমন মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই অবাক কলেজের শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে প্রতি ৫ জন মহিলার মধ্যে ১ জন মহিলা পলিসিস্টিক ওভারি ডিসঅর্ডারের শিকার হন।

চিকিৎসকদের মতে এই হরমোনের অসাম্যতা এবং জিনগত কারণেই এই রগের শিকার হন মহিলারা। কিন্তু মুম্বাই এর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের অধ্যক্ষা স্বাতী দেশপাণ্ডে অন্যরকম মনে করেন। তিনি মনে করছেন পোষাকের কারণে এটা হচ্ছে!

তিনি বলেছেন, ‘আমি শুনেছি কেন কম বয়সি মহিলারা পলিসিস্তিক ওভারি ডিসঅর্ডারের শিকার হন। যখন তারা পুরুষদের মত পোষাক পরেন, তখন তারা পুরুরষদের মতই ভাবতে ও আচরণ করতে শুরু করে দেন। তাদের মস্তিষ্কেও মহিলা লিঙ্গের সাধারণ কাজগুলি উলটে যায়। এই কারণেই কম বয়স থেকেই সন্তান জন্ম দেওয়ার ইচ্ছা কমতে থাকে আর তারা এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হন।’

জরায়ুর রোগের সঙ্গে পোশাকের এমন সম্পর্ক টেনে বের করে এখন এই অধ্যক্ষ্যা কলেজের ছাত্রীদের জন্য ‘যোগ্য পোষাক’ তোইরির কথা ভাবছেন। স্বাতী দেশপাণ্ডে চান যে তাঁর কলেজের ছাত্রীরা পরে আসুক ‘নারীসুলভ’ সালোয়ার কামিজ। ‘পুরুষালী’ জিন্স-টি শার্ট এর হাত থেকে ছাত্রীদের বাঁচাতেই নাক তার এমন সিদ্ধান্ত! এতদিন কলেজে মহিলা ও পুরুষদের একই পোষাক ছিল- সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট।

কলেজের এক ছাত্রীর কথায়, “এর আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের প্যান্টে শার্ট গুঁজে পরতে বারণ করেছিল। আর এখনও তো পোষাকই বদলে দিতে চাইছে। আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করছি। ল্যাবের মধ্যে সালোয়ার কামিজ পরে ঢোকাটা খুব অস্বাভাবিক হবে”।

পোশাকেই শেষ নয়। এই কলেজের ক্যান্টিনে মারাঠি ভাষায় দুটি কোনটি পুরুষদের বসার জায়গা আর কোনটি মহিলাদের বসার জায়গা তা লিখে দেওয়া আছে। কলকাতা ২৪

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জেনে নিন, স্ত্রীকে সামলানোর চার উপায় 

2

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক : সারাদিন নাকি খুঁটিনাটি ব্যাপার নিয়ে অভিযোগ করে চলেন স্ত্রী। পুরুষরা প্রায়শই এমন অভিযোগ করে থাকেন। কেউ চেঁচামেচি করে ঝগড়া করেন। কেউ আবার মুখ বুজে সহ্য করে নেন। তবে যেভাবেই এই সমস্যার মোকাবিলা করুন না কেন, মানসিক চাপ তো বাড়েই। কীভাবে সমস্যা মেটাবেন, জেনে নিন।

‌❏‌ প্রথমে শুনুন। ভেবে দেখুন তো ঠিক কোন কোন জায়গায় তাঁর অভিযোগ। সেই ভুলগুলো কি আপনার পক্ষে শুধরে নেওয়া সম্ভব?‌ যদি পারেন এবং সেই অভিযোগ যদি ন্যায্য হয় তাহলে ভুল শুধরে নেওয়াই ভাল। তাতে আপনার এবং সম্পর্কের লাভ।

❏‌ পাল্টা বোঝান। বলুন, দোষত্রুটি নিয়েই মানুষ। সমস্যা হলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হয়। ঘ্যানঘ্যান করে বা অভিযোগ করে কোনও লাভ হয় না।

❏‌ স্ত্রী বা প্রেমিকা কাদের সঙ্গে মেলামেশা করেন, সেটা খেয়াল করুন। তাঁর বন্ধুরাও কি এভাবেই সব সময় একে অপরের ওপরে দোষারোপ করেন?‌ তাহলে কিন্তু ব্যাপারটা ক্ষতিকর।

❏‌ নিজেকেও শান্ত রাখুন। জানবেন, সমালোচনা জীবনের অঙ্গ। তার জন্য নিজেকে মানসিক কষ্ট দেবেন না।-‌আজকাল‌‌‌

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সবার সামনে মানুষকে গিলে ফেলল অ্যানাকোন্ডা (ভিডিও) 

4wfm69zl-copy

অনলাইন ডেস্ক : আস্ত একটা মানুষকে গিলে ফেলল অ্যানাকোন্ডা। একদল মানুষের সামনেই অ্যানাকোন্ডা মানুষটিকে গিলে ফেলল। আর গোটা ঘটনাটির রেকর্ডিং করলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

আসলে টিআরপি বাড়ানোর যুগে মানুষ কত কিছুই তো করেন। ডিসকভারি চ্যানেলের পল রসোলিও টিআরপি বাড়ানোর জন্য অদ্ভুত এক স্টান্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ঠিক করেছিলেন, নিজেকে মস্ত এক অ্যানাকোন্ডার সামনে সমর্পণ করবেন। করলেনও তাই।

অ্যানাকোন্ডা যখন পলকে এক গ্রাসে সাবাড় করার চেষ্টা চালাচ্ছে তখনই অন্য ক্রু মেম্বাররা সেই দৃশ্যই ভিডিও রেকর্ডিং করতে থাকেন। কিন্তু টিআরপি’র খেলায় মজে কখন যে নিজের বিপদ ডেকে এনেছেন পল, তা তিনি নিজেও বুঝতে পারেননি। তাই যখন পলকে যখন প্রায় গোটাটাই গিলে ফেলছে অ্যানাকোন্ডা, তখন তাকে উদ্ধার করতে ছুটে আসেন বাকি ক্রু মেম্বাররা। অ্যানাকোন্ডার সঙ্গে প্রায় যুদ্ধ চালিয়ে পলকে উদ্ধার করেন বাকিরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বিয়ের আসরে নববধুর কাণ্ড দেখে হতবাক অনলাইন বিশ্ব 

1

নিইজ৬৯বিডি ডেস্ক : পানপাতায় ঢাকা মুখ। বিয়ের লাজবতী কনে। কোনও রকমে পান পাতা সরিয়ে একবার চোখটা তুলেই নামিয়ে নেওয়া। হাতের উপর হাত রেখে, অগ্নিকে সাক্ষী করে মন্ত্রোচ্চারণ করতে করতে লজ্জায় ঘেমে উঠা। ভারতীয় বিয়ের চেনা পরিচিত ছবিটা এটাই।

কিছু কিছু বিয়েতে অবশ্য ‘সংগীত’ বলে একটা অনুষ্ঠান থাকে। বিয়ের আগের দিন সেই অনুষ্ঠানে মেহেন্দি পরা হয়। নাচা-গানা হয়। কিন্তু, নাচতে নাচতে বিয়ের মণ্ডপে যাওয়া? এরকম উদাহরণ খুব কম। ২১ জানুয়ারি এরকমই এক ভিডিও সামনে আসে ও ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি। আর সেই ভিডিওতে কনের কাণ্ড দেখে হতবাক অনলাইন বিশ্ব! মজার ব্যাপার এই ভিডিওটি শুধু ভারতে নয়। নেপাল, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াতেও ট্রেন্ডিং।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গান “ঢোল জাগিরো ডা”-এর সঙ্গে সঙ্গে নাচতে নাচতে বিয়ের মণ্ডপে আসছেন এক কনে। রীতিমত ঠুমকা লাগাচ্ছেন। নাচের আনন্দে মশগুল কনেকে উত্সাহ দিচ্ছেন উপস্থিতরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি আপলোড হতেই ভাইরাল। ৪ দিনে ভিউয়ার সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ লাখের ওপর।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৫টি কুসুম একটি ডিমে! চমকে গেলেন গৃহিণী 

5paorm0i-copy

অনলাইন ডেস্ক : একটা ডিম কিনে আরো চরটে কুসুম ফ্রি! এমন নজির কখনো দেখেছেন না শুনেছেন! চীনের হুবেই প্রদেশের এমএস তাও নামে এক ভদ্রমহিলা সাক্ষী থাকলেন সেই বিরলতম ঘটনার। ওমলেট করার জন্য ডিম ফাটিয়ে যখন পাত্রে ফেলেন চক্ষু ছানাবড়া তাও-র।

একটা-দুটো নয়, একেবার পাঁচ পাঁচটা কুসুম! প্রত্যেকটাই অক্ষত এবং স্বতন্ত্র। তাও এবং তার ৮০বছরের বৃদ্ধা মা-র তো সেই দেখে ভিমড়ি খাওয়ার অবস্থা। তাও জানান, স্থানীয় বাজার থেকেই কিনে এনেছিলেন এই ডিম। আর পাঁচটা ডিমের মতোই দেখতে। প্রত্যেকটি ডিমের কুসুম ছিল প্রায় ১.৫ সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধের।

হুজহং এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটির ফুড সায়েন্স এবং প্রযুক্তি বিদ্যার প্রফেসর জিন গুয়োফেং বলেন, “একটি ডিমের মধ্যে দু’টি কুসুম প্রায়ই দেখা যায়। কিন্তু একটি ডিমের পাঁচটি কুসুম একেবারেই বিরল ঘটনা। ” তার মতে, “এটি মুরগির এক ধরনের ডিজঅর্ডার বলা যেতে পারে। ” কিন্তু এই ডিমের কুসুম যে চোখ বুজে খেতে পারেন, সে আশ্বাসও দেন প্রফেসর গুয়োফেং। ২০১৫ সালে ব্রিটেনে জ্যান লং নামে এক মহিলা একাধিক কুসুম খুঁজে পান একটি ডিমের ভিতর। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কুসুমের সংখ্যা ছিল চারটি।

৫টি কুসুম পেয়ে তাও-এর পরিবার কিন্তু বেজায় খুশি। এই ঘটনাকে নতুন চীনা বছরে তাঁদের পরিবারে সমৃদ্ধি আসার লক্ষণ হিসাবে দেখছেন তারা। চীনা সোশ্যাল মেসেঞ্জার উইচ্যাটে আপলোড করার পর ভাইরাল হয়ে ওঠে এই ছবি। আগামী ২৮ তারিখ চীনা নববর্ষ। তাও জানিয়েছেন, পাঁচ কুসুমের ভাজা খেয়ে চীনা নববর্ষ পালন করবেন। সূত্র: আনন্দবাজার।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফ্যানদের খুশি করতে সেক্স টেপ প্রকাশ করবেন যিনি! (ভিডিও) 

70lycvzx-copy

অনলাইন ডেস্ক : ফ্যানদের মন ভাল করে দেওয়ার মতো খবর দিলেন অনলাইন স্টার লিনা নারসেসিয়ান। খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই একটি প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফেললেন তিনি। আর তাতেই বাড়ল তাঁর ভক্তদের অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে হট ও সিজলিং লিনা জানিয়েছেন, ফ্যানদের জন্য একটি সেক্স টেপ প্রকাশ করবেন তিনি। তবে তাঁর একটাই শর্ত আছে। ইউটিউবে তাঁর ভক্তের সংখ্যা ছুঁতে হবে ১০ লক্ষ।

অনলাইনে তুমুল জনপ্রিয় এই ভিডিও ব্লগার। নানারকম কাজে দর্শক তথা তাঁর ফ্যানদের আটকে রাখেন তিনি। এবার তাঁর নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন। অনলাইনেই লিনা জানিয়েছেন, “গতবছর একাধিকবার পর্নগ্রাফিতে অভিনয় করার প্রস্তাব পেয়েছি। ইন্টারনেটে কিছু উত্তেজক ছবি দিলেই সাধারণত এমন প্রস্তাব পাওয়া যায়। তবে আমি সেসবে কখনওই আগ্রহ দেখাইনি। কারণ পর্নগ্রাফিতে অভিনয়ের কোন ইচ্ছেই আমার নেই। কিন্তু আমার পরিচিত কেউ, যার সঙ্গে যৌন মিলনে আমি দ্বিধা বোধ করি না, তার সঙ্গে একটা সেক্স টেপ বানানো যেতেই পারে। সেই বিষয়টা উপভোগও করব। ” এ বক্তব্যের মাধ্যমে লিনা তাঁর বর্তমান বয়ফ্রেন্ড অ্যাডামের সঙ্গে যৌন মিলনের ভিডিওই প্রকাশ্যে আনার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন৷

ভক্তদের উদ্দেশে তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর যৌন জীবনের সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত অনলাইনে দেখার জন্য ইউটিউব চ্যানেলে তাঁর সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা হতে হবে অত্যন্ত ১০ লক্ষ। ভিডিওটি পোস্ট করার পর থেকে গত পাঁচ দিনে প্রায় ১০ লক্ষ বার তা দেখা হয়েছে। এই ক’দিনেই তাঁর ৬০ হাজার ফলোয়ার বেড়ে গেছে। তবে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা এখনও ১০ লক্ষ ছোঁয়নি। ফলোয়ার বাড়ানোর ভালই ফন্দি এঁটেছেন এই অনলাইন তারকা। আর যাঁরা ইতিমধ্যেই লিনার ইউটিউব চ্যানেল লাইক করেছেন, তাঁরা সেক্স টেপ দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। দেখুন সেই ভিডিওটি-

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যে শহরে প্রত্যেক বাড়িতে গাড়ির বদলে এরোপ্লেন 

1

নিইজ৬৯বিডি ডেস্ক: বিষয়টি অবাক হওয়ার মতো। বাড়ির পাশে গ্যারেজ, আর সেই গ্যারেজে সুন্দর একখানা গাড়ি। এমনটাই দেখতে অভ্যস্ত আমরা। কেউ কেউ বিভিন্ন মডেলের একাধিক গাড়িও রাখেন। কিন্তু, দৃশ্যটা যদি এমন হয় যে, প্রতি বাড়িতে গাড়ি নয়, আছে একটি করে এরোপ্লেন, তাহলে কেমন হবে? গল্প নয়, পৃথিবীর বুকে এমন শহরও রয়েছে, যেখানে বাড়িতে বাড়িতে গ্যারেজ নয়, রয়েছে হ্যাঙ্গার, আর সেখানে শোভা পাচ্ছে ব্যক্তিগত প্লেন।

আমেরিকার ফ্লোরিডার স্প্রুস ক্রিক শহরের অধিকাংশ বাড়িতে রয়েছে অন্তত একটি করে এরোপ্লেন। ৫০০০ জনের মতো বাসিন্দা থাকেন এই শহরে, রয়েছে ১৩০০-র মতো বাড়ি, আর ৭০০টির মতো এরোপ্লেন। শহরে রয়েছে ৪০০০ ফুট লম্বা এবং ৫০০ ফুট চওড়া একটি রানওয়ে, যেখানে দৌঁড় দিয়ে আকাশে উড়ে যেতে পারে বাসিন্দাদের এরোপ্লেনগুলি। সেই সঙ্গেই এখানে রয়েছে বেশ কিছু এয়ারক্লাব, এরোপ্লেন ভাড়া দেওয়ার সংস্থা, ফ্লাইট ট্রেনিং শেখানোর বন্দোবস্ত, এবং ২৪ ঘণ্টার কড়া সিকিউরিটি ব্যবস্থা।

অনেক নামীদামি লোকই বিভিন্ন সময়ে বাস করেছেন স্প্রুস ক্রিকে। তাদের মধ্যে আছেন হলিউড অভিনেতা জন ট্র্যাভোল্টা। কিন্তু তার বোয়িং ৭০৭-এর ইঞ্জিনের গর্জন এতটাই বেশি ছিল যে, প্রতিবেশীদের অভিযোগের ধাক্কায় তাকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হয়।

স্প্রুস ক্রিকের বাড়িতে বাড়িতে দেখা মেলে বিচিত্র সব এরোপ্লেনের। বোয়িং তো রয়েছেই, পাশাপাশি কেসনাস, পাইপার্স, পি-৫১ মাস্টাং, ফরাসি ফগ ম্যাজিস্টার কিংবা রাশিয়ান মিগ-১৫ এর মতো প্লেনেরও দেখা মিলবে বাড়িগুলির লাগোয়া হ্যাঙ্গারগুলিতে।

কিন্তু কীভাবে একটি এলাকার প্রায় প্রত্যেক বাসিন্দা এরোপ্লেনের মালিক হতে পারেন? তাহলে কী এটাই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী শহর? আসলে, যারা ব্যক্তিগত প্লেনে যাতায়াত করার মতো বিত্তের অধিকারী, তারাই নানা সুযোগ সুবিধার কথা বিবেচনা করে থাকতে আসেন স্প্রুস ক্রিকে। তাদের অধিকাংশই পেশাদার পাইলট। এ ছাড়াও রয়েছেন ডাক্তার, আইনজীবী, কিংবা জমি কেনাবেচার ব্যবসায়ী। প্রত্যেক রবিবার এখানকার বাসিন্দারা স্থানীয় রানওয়েটির কাছে নিজের নিজের প্লেন নিয়ে সমবেত হন। তার পর ছোট ছোট দলে উড়ে যান নিকটবর্তী এয়ারপোর্টটিতে প্রাতঃরাশ সারতে। এই জনপ্রিয় ঐতিহ্যটি এখানকার বাসিন্দাদের কাছে ‘স্যাটারডে মর্নিং গ্যাগেল’ নামে পরিচিত।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

একজন মাত্র রোগীর জন্য তৈরি হল নতুন হাসপাতাল 

1

অনলাইন ডেস্ক : একজন রোগীর  জন্য একটি  মাত্র বেডের  নতুন একটি  হাসপাতাল। সেই হাসপাতালে থাকছে একটি অপারেশন থিয়েটার, আই.সি.ইউ., ভিডিও কনফারেন্সিং-এর একটি  ঘর, ডাক্তারদের  দু’টি ঘর, দু’টি রেস্ট রুম এবং অ্যাটেন্ডেন্টদের একটি  ঘর। মোট খরচ হচ্ছে 2 কোটি  টাকা। এই বিপুল আয়োজন করছে মুম্বাইয়ের সাইফি হাসপাতাল। কিন্তু রোগীটি কে? এতো  বিপুল আয়োজন যার জন্য তিনি কী কোনও সেলিব্রিটি?

না, এই রোগী কোনও সেলিব্রিটি  নন। ইনি ইমন আহমেদ। বিশ্বের সবচেয়ে হেভি ওয়েট  মহিলা। ওজন 500 কেজি। মিশরের এই মেয়ে ছোট থেকে মোটেই এমন হেভি ওয়েট ছিলেন না। বর্তমানে তাঁর বয়স 36 বছর। মাত্র 11 বছর বয়স থেকে ইমনের ওজন হঠাত্ করেই বাড়তে

থাকে হু হু করে। আর তার ফলে প্রায় এক দশক ঘর থেকে বেরতে পারেন না ইমন। শরীরে বাসা বাঁধে একাধিক সমস্যা। তাঁর  চিকিত্সার  জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন  মুম্বাইয়ের সাইফি হাসপাতালের বোরিয়াট্রিক সার্জেন মুফফি লকড়াওয়ালা। এখানেই বোরিয়াট্রিক সার্জারি হবে ইমনের এবং অপারেশনের পর আরও ছয় মাস থাকতে হবে হাসপাতালে। তাই এই বিপুল আয়োজন।

প্রাথমিকভাবে ইমন ভারতে চিকিত্সা করাতে আসার ভিসা পাচ্ছিলেন না। পরে  লকড়াওয়ালা ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বারাজকে অনুরোধ করেন ইমনের মেডিক্যাল ভিসা মঞ্জুর  করার   জন্য।  সুষমার হস্তক্ষেপে মঞ্জুর হয় ভিসা। তার পর বাঁধে নতুন বিপত্তি। কায়রো থেকে মুম্বাই পর্যন্ত কোনও বিমান নেই। এবং অধিকাংশ বিমান সংস্থাই জানিয়ে দেয় যে  500 কেজির রোগীকে বহন করার জন্য কোনও স্ট্রেচার নেই তাদের। ফলে ব্যক্তিগত  চার্টার্ড বিমান ছাড়া কোনও গতি নেই। অবশেষে তেমনই ব্যবস্থা হয়েছে। তবে ঠিক কবে ইমন মুম্বাইয়ের হাসপাতালে আসছেন তা এখনও জানা যায়নি।

ভিন দেশী এক অসহায় রোগীর জন্য মুম্বাইয়ের ডাক্তার  মুফফি লকড়াওয়ালার এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। আর পুরো চিকিত্সার জন্য কোনও খরচ করতে হবে না ইমনের পরিবারকে বলে জানা গেছে হাসপাতাল সূত্রে। সব মিলিয়ে মিশরের ইমনের অন্ধকার  জীবনে এখন অকমাত্র আলোর দিশা মুম্বাইয়ের আরোগ্য কেন্দ্র।-জিনিউজ

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নাইটি পরা স্ত্রীর প্রেমিককে যেভাবে ধরা হলো… 

voajgwg7-copy

অনলাইন ডেস্ক : স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত। প্রেমিক স্বামীরই ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু। বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন স্বামী। তিনি ওই বন্ধুকে বাসায় আসতে বারণও করেছিলেন। তারপর থেকে বাসার আশপাশে আর ওই বন্ধুকে দেখেননি সেই স্বামী। কিন্তু প্রায়ই তিনি নাইটি বা মেয়েদের গাউন ও ওড়না পরা একজনকে বাসায় আসতে দেখতেন।

তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কথাও বলতেন। এ সময় ওই স্বামী গভীর ঘুমে থাকতেন। প্রায় এমন হওয়ায় তাঁর সন্দেহ হয়, এত ঘুম কেন! একদিন তিনি বুঝতে পারেন, তাঁকে চেতনানাশক ক্লোরোফর্ম দিয়ে ঘুম পাড়ানো হয়। তারপর নারীর ছদ্মবেশধারী ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর স্ত্রী অবৈধ যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন।

সম্প্রতি নারীর ছদ্মবেশে ওই ব্যক্তি বাসায় ঢুকে ক্লোরোফর্ম দেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই নারীর স্বামী। দেখা যায়, নারীর ছদ্মবেশধারী ওই ব্যক্তি অন্য কেউ নন, তাঁরই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের পুনে শহরের গঙ্গাধাম চকের বিবেওয়াদি এলাকায়।

গতকাল সোমবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার রাজেশ ঘিচুলাল মেহতা নামের ছদ্মবেশী ওই প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে খাদাক পুলিশ। বয়স ৪৪। ওই নারীর স্বামী শুকরাওয়ার পেথ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মেহতাকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

অভিযোগকারী শুকরাওয়ার পুলিশকে বলেছেন, ‘সম্প্রতি বাসার নিরাপত্তারক্ষীর কাছে জানতে পেরেছি, আমার অনুপস্থিতিতে বন্ধু মেহতা প্রায়ই বাসায় আসেন। এরপর আমি জানতে পারি যে প্রায় সাত বছর থেকে আমার স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অবৈধ যৌন সম্পর্ক রয়েছে। এ কথা জানার পর মেহতাকে বাসায় আসতে একদম বারণ করে দিয়েছিলাম।’

শুকরাওয়ার বলেন, তাঁর সন্দেহ হতো যে মেহতা প্রায়ই চোরের মতো নিঃশব্দে তাঁর বাসায় ঢুকতেন। প্রতিবেশীদের কাছে নিজের পরিচয় গোপন রাখতে নারীদের গাউন ও ওড়না পরে আসতেন। বাসায় ঢুকে ঘুমের মধ্যে তাঁকে চেতনানাশক দিতেন। এরপরই মেহতা তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ কর্মে জড়াতেন। গত বুধবার তাঁর হঠাৎ করে ঘুম ভেঙে গেলে বুঝতে পারেন, কাপড় দিয়ে মুখ ঢাকা কেউ একজন তাঁর নাকের কাছে গন্ধযুক্ত কিছু ধরার চেষ্টা করছেন।

তিনি সতর্ক হয়ে ওঠেন। হাত ধরে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। ওই ব্যক্তির মুখ থেকে কাপড়টি জোর করে টেনে নিলে দেখেন, তিনি তাঁর বন্ধু মেহতা। এ ঘটনায় মেহতা ভয় পেয়ে যান। শেষে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মুখ ঢাকা কাপড়টি ফেলে তিনি পালিয়ে যান।

শুকরাওয়ারের ভাষ্য, ‘গত বুধবার খুব সকালে আমার ঘুম ভেঙে গেলে স্ত্রীকে নিয়ে জিমে যাই। বাসায় ফিরে নাশতা করার পর একটু ঘুমাতে যাই। বেলা ১১টার দিকে হঠাৎ একটা উৎকট গন্ধে ঘুম ভেঙে যায়। শুরুতে ওই ব্যক্তিকে দেখে মনে হয়েছিল, বাসায় ডাকাতি হচ্ছে। আমি তাঁকে বলি, তুমি কে, এখানে কীভাবে এলে, কী চাও তুমি? কিন্তু এসবের কোনো উত্তর না দিয়েই তিনি আমাকে চড় মারতে থাকেন। একপর্যায়ে শুরু হয় হাতাহাতি। তাঁকে ধাক্কা মারা মাত্রই তিনি পাশের আরেকটি ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন।

এ সময় আমার স্ত্রীর কাছে জানতে চাই যে তিনি তাঁকে চেনেন কি না। কিন্তু স্ত্রী তাঁকে চেনেন না বলে জানান। একসময় হঠাৎ করে ওই ব্যক্তি দরজা খুলে নিচের দিকে দ্রুত পালাতে থাকেন। আমি তাঁকে জাপটে ধরে ফেললে তিনি আমার টি-শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন। একসময় নাইট গাউন পরে আসা ওই ব্যক্তির মুখ থেকে কাপড়টি পড়ে গেলে দেখি, তিনি আসলে বন্ধু মেহতা। তিনি গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার আগে আমাকে হুমকি দিয়ে গেছেন।’

এ ঘটনার তিন দিন পর শুকরাওয়ার পুলিশের কাছে মেহতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। গত শনিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত রোববার আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাঁকে পুলিশ হেফাজতে রেখে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক সঞ্জয় গাইকওয়াদ বলেন, বাদীপক্ষ জবানবন্দি দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মেহতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সময় ব্যবহার করা ছেঁড়া গাউন, টুকরো কাপড় ও গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। অভিযোগকারীকে কোনো রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে চেতনা লোপের চেষ্টা করা হয়েছিল—তা তদন্ত হচ্ছে।

বাদীর আইনজীবী এন ডি পাতিল বলেন, ‘এটা মারাত্মক অপরাধ। আমরা আসামিকে পুলিশ হেফাজতে রাখার আবেদন করেছি। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা করার জন্য আবেদন করা হবে।’

রাজেশ ঘিচুলাল মেহতার আইনজীবী অমল দাঙ্গে বলেন, মেহতার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অসত্য। এটা একটা মিথ্যা মামলা। তাই এই মক্কেলকে পুলিশ হেফাজতে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই।’

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জনসমক্ষে তরুণীকে চুম্বন করে বিপাকে যুবক! 

ih5icqkq-copy

অনলাইন ডেস্ক : ভারতীয় এক ইউটিউবার জনসমক্ষে অপরিচিত তরুণীকে চুম্বন করে পালিয়ে যাওয়ার ভিডিও করে এবং সেটি ইউটিউবে পোস্ট করে বিপাকে পড়েছেন। দিল্লির পুলিশ এখন ঐ ভিডিওগুলো পরীক্ষা করে দেখছে এবং তার ‘কৌতুক’ ভিডিওর শিকার নারীদের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে। ঘটনার পর ব্যাপক জনরোষের পর ঐ ইউটিউবার ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভিডিওটি তার চ্যানেল থেকে মুছে পেলেছেন।

মি. ভার্মা এমন এক সময়ে ভিডিওটি পোস্ট করেন যখন ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাঙ্গালোর শহরে নববর্ষ উদযাপনের সময় ব্যাপক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আলোচিত হচ্ছে। তার ইউটিউব চ্যানেলের প্রায় দেড় লক্ষ সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। জনরোষের পর দেয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান ‘ভিডিওটি বিনোদনের উদ্দেশ্যে বানানো। কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে বানানো হয়নি। যদিও তার এই ব্যখ্যায় দেশটির পুলিশ সন্তুষ্ট নয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পুরুষের গর্ভে ৪ মাসের সন্তান! 

yt262imb-copy

অনলাইন ডেস্ক : হেডেন ক্রস। ব্রিটেনের প্রথম পুরুষ, যিনি মা হতে চলেছেন। গ্লুসেস্টরের বাসিন্দা হেডেন এখন ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বয়স ২০ বছর। হেডেন বর্তমানে আইনত একজন পুরুষ হলেও, তার জন্ম হয়েছিল নারী হিসেবে। মনের ডাক পেয়েছিলেন অনেক আগেই। পরে শারীরিকভাবেও পুরুষ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দেন হেডেন।

চলে হরমোনের চিকিত্‍‌সা। আইনি দিক থেকেও জোটে পৌরুষের অধিকার। হেডেন ভেবেছিলেন, তার ডিম্বাণু সংরক্ষণ করে রেখে পরে তার থেকে সন্তানের জন্ম দেবেন। তবে ডিম্বাণু সংরক্ষণের জন্য ৪০০০ পাউন্ড খরচের ভার বহন করতে অস্বীকার করে ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস।

এরপরই সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য শারীরিক রূপান্তরের প্রক্রিয়া কিছুদিনের জন্য স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন হেডেন। ফেসবুকে খোঁজ চালিয়ে তিনি পেয়ে যান স্পার্ম ডোনারও। তার সাহায্যে প্রথম প্রচেষ্টাতেই এই ব্রিটিশ পুরুষ বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। কিছুদিনের মধ্যে তিনি সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন। তিনিই হবেন ব্রিটেনের প্রথম পুরুষ যিনি সন্তানের জন্ম দেবেন।

১৬ সপ্তাহের প্রেগন্যান্ট হেডেন দারুণ আনন্দে জানালেন, ‘আমার সন্তানকে আমি সবকিছু দিতে চাই। আমিই হব সেরা বাবা। এটা একটা মিশ্রিত অনুভূতি। ‘

লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া থামিয়ে হেডেনের সন্তানসম্ভবা হওয়ার পথে বাধ সেধেছিলেন চিকিত্‍‌সকরা। তাদের আপত্তির তোয়াক্কা না করে, স্তন ও গর্ভাশয় কেটে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন হেডেন।-সূত্র: এই সময়

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৭৮ বছরেও বালু খেয়ে সুস্থ তিনি! 

r4wu0yvs-copy

অনলাইন ডেস্ক : বয়স তার ৭৮ বছর। আর এই বয়সেও অন্য যে কোনও বৃদ্ধর তুলনায় অনেক শক্ত তার দেহ। শরীরে এখনও থাবা বসাতে পারেনি বয়স ঘটিত কোন রোগ। এখনও কৃষিজমিতে কাজ করেন সকাল-সন্ধ্যা। তার নাম বারাণসী নিবাসী কুসমাবতী। ভারতীয় এই নারীর দাবি, প্রতিদিন নিয়মিত বালি খাওয়ার অভ্যাসই তার সুস্থতার চাবি।

শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক কুসমাবতী ৬৩ বছর ধরে নিয়মিত বালি খেয়ে আসছেন। দিনে পাঁচ-ছ’বার দু’মুঠো করে বালি খান তিনি। এই অভ্যাসের ফলে তার শরীর অসুস্থ হওয়ার পরিবর্তে বরং নীরোগ থাকে দাবি তার।

কুসমাবতী দেবী জানালেন, তার বয়স যখন বছর পনেরো, তখন একবার দুরারোগ্য পেটের অসুখে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। কোনও এক আত্মীয় পরামর্শ দেন, বালি খেলেই রোগমুক্তি ঘটবে। পরামর্শ মতো বালি খেতে শুরু করেন কুসমাবতী। কয়েক দিনের মধ্যেই সেরে যায় রোগ। সেই শুরু। তার পর ৬৩ বছর কেটে গিয়েছে, কিন্তু বালি খাওয়ার অভ্যাস কুসমাবতী ছাড়েননি।

তার ধারণা, বালির মধ্যে এমন‌ কোনও গুণ রয়েছে, যা তাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। কারণ তার দাবি, নিয়মিত বালি খাওয়ার ফলেই এই বয়সেও একেবারে সুস্থ রয়েছে তার দেহ।

বালি স্বাদ সম্পর্কে কুসমাবতী জানান, বালি অনেকটা লবণ-চিনির মিশ্রণ যেমন হয়, তেমনই নোনতা-মিষ্টি স্বাদের।

বৃদ্ধার ছেলে রমেশ বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মা-কে বালি খেতে দেখছি। আর কোনও দিন এর জন্য মায়ের শরীর খারাপ হতে দেখিনি। আর মা যে শুধু বালিই খান, তা তো নয়, অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি কয়েক মুঠো বালিও খেয়ে নেন। অনেকটা ওষুধের মতোই। মায়ের বিশ্বাস, বালি খেলে শরীর ভালো থাকে।’-সূত্র : ডেইলি মেইল।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর