২০ নভেম্বর ২০১৭
সকাল ৯:৪৩, সোমবার

পরকীয়ার পর যে পরিণতি হলো গৃহবধূর

পরকীয়ার পর যে পরিণতি হলো গৃহবধূর 

w1evbiny-copy

অনলাইন ডেস্ক : দুই বছর পরকীয়ার পর চার বছর আগে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর ছেড়েছিলেন গৃহবধূ। কিন্তু যে প্রেমিকের ভরসায় নিজের স্বামী-সন্তানকে ছেড়েছিলেন, সেই যে তাঁকে এমন বিপদে ফেলবেন, তা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি ওই নারী। আপাতত তাঁর ঠাঁই হয়েছে একটি হোমে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের গালিয়রে।

একটি ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এবেলা জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার গালিয়র শহরের একটি মহিলা থানায় আচমকাই গিয়ে হাজির হন ওই নারী। পুলিশকে তিনি জানান, প্রেমিক তাঁর সঙ্গে ছ’বছর সহবাস করেছে। সম্প্রতি সেই প্রেমিকই তাঁকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকের কাছে সাহায্য চাইলেও কেউ এগিয়ে আসেননি বলে দাবি করেন তার।

পুলিশ জানিয়েছে, ৯ বছর আগে ওই নারীর বিয়ে হয়েছিল। তিনি যথেষ্ট ভাল পরিবারের মেয়ে। বিয়ের পরেও সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। হঠাৎই এক যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় ওই নারীর। ক্রমেই বাড়তে থাকে ঘনিষ্ঠতা। বন্ধুত্ব বদলে যায় প্রেমে। শেষ পর্যন্ত নিজের স্বামী, সন্তানকে ছেড়ে ওই প্রেমিকের সঙ্গেই লিভ-ইন করতে শুরু করেন তিনি। স্বামী, বাবা ও মা অনেক বোঝালেও তখন তাঁদের পরামর্শ কানে তোলেননি ওই নারী। শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক ভেঙে যায়।

সম্প্রতি সেই প্রেমিকই বেঁকে বসেন। ওই নারীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তিনি। অনেক অনুরোধেও প্রেমিকের মন গলেনি। শেষ পর্যন্ত মহিলা থানা দ্বারস্থ হন ওই নারী। থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর অনিতা মিশ্র জানিয়েছেন, আপাতত ওই নারীর কাউন্সিলিং করছেন তাঁরা। তার পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হলে তাঁকে বাড়ি ফেরত পাঠানো হবে। না হলে কোনো আশ্রমে রাখা হবে ওই তাকে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ স্বামী, অতঃপর স্ত্রীকে… 

nnnn

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক : মহাজনের কাছে ৪ লাখ টাকা ধার করেছিল স্বামী। কিন্তু এক লাখ দিতে পারলেও বাকি তিন লাখ টাকা পরিশোধ করতে পারেননি তিনি। আর তাই টাকার পরিবর্তে ঋণগ্রহীতার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গেল মহাজন ও তার সহযোগীরা। সম্প্রতি এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদে। যদিও পরে অপহৃত নারীকে তাঁর স্বামীর কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, দেড় বছর আগে শ্রীনিবাস নামের ওই মহাজনের কাছ থেকে চার লক্ষ টাকা মতো ধার নিয়েছিল ওই নারীর স্বামী, যিনি পেশায় নিরাপত্তারক্ষী। এরপর এক লাখ টাকা দেনা শোধ করলেও বাকি তিন লাখ টাকা দিতে পারেননি।

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে ওই নারীর স্বামীর খোঁজে বাড়ি গিয়ে, তাঁকে না পেয়ে মহিলাকে তুলে নিয়ে চলে যায় শ্রীনিবাস ও তার সহযোগীরা। পরে মহিলার ছেলের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তিন সদস্যের দল গঠন করে নিজামাবাদ থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৪০০ বছর পর পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ‘দানব’ গ্রহাণু! আগামীকাল সংঘর্ষের আশঙ্কা!! 

untitled-1-copy

অনলাইন ডেস্ক : ৪০০ বছরে ঘটেনি। কিন্তু, আগামীকাল ঘটবে। পৃথিবীর খুব দিয়ে ঘেঁষে যাবে একটি গ্রহাণু। মাত্র ৪.৬ লুনার দূরত্ব দিয়ে পাশ করবে গ্রহাণুটি। জানিয়েছে NASA।

ওবজেক্ট 2014JO25 নামের গ্রহাণুটি WWE তারকা এবং হলিউড অভিনেতা ডোয়েইন-এর নামে ‘দ্য রক’ নামে পরিচিত। NASA-র তরফে জানানো হয়েছে, গত ১০ বছরে এত বড় কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর কাছে ঘেঁষেনি। এই একই গ্রহাণু ফের ৪০০ বছর বাদে পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাবে।

তবে এই গ্রহাণু পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক কিনা তা স্পষ্ট করেননি NASA-র বিশেষজ্ঞরা। হালকা হলেও ‘ঝুঁকি’ রয়েছে বলেই বরং মত তাঁদের।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

গলায় সাপ জড়িয়ে সেলফি তোলার চেষ্টা, অতঃপর…! (ভিডিওসহ) 

0zi4bn

অনলাইন ডেস্ক : সেলফি তুলতে গিয়ে সাপের ছোবল খেয়ে মৃত্যু হল ভারতের যোধপুরের এক ব্যক্তির। জানা গেছে, যোধপুর এলাকায় এক সাপুড়ে আসার পর, সাপের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য হিড়িক পরে যায় মানুষের। সাপুড়ে তখন এক ব্যক্তির গলায় সাপ জড়িয়ে দেওয়ার পর মাথায় ছোবল মারে গোখরো সাপটি।

ছোবল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে না পারলেও, এক মিনিটের মধ্যে অসুস্থ বোধ করতে থাকেন সেই ব্যক্তি। তখন সেই সাপুড়েকে তিনি দেখতে বলেন, সাপটি ছোবল মেরেছে কি না। কিন্তু সাপুড়ে তেমন গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যায়। কিছুক্ষনের মধ্যেই জ্ঞান হারান ওই ব্যক্তি এবং মারা যান।

ঘটনাটির ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল। এর আগেও সাপের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে অনেকের। এছাড়া সেলফি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনার সংখ্যাও বেড়েই চলেছে। কখনো বাড়ির ছাদ থেকে, কখনও রেল লাইনে বা কখনও রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে প্রাণ গেছে বহু মানুষের।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চোখ উপড়ে, যৌনাঙ্গ কেটে পরিবারের ‘‌সম্মানরক্ষা’‌ 

45jy94tj-copy

অনলাইন ডেস্ক : পরিবারের সম্মানরক্ষায় এক কিশোরের ওপর নৃশংস অত্যাচার চালাল এক কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা। ওই কিশোরের যৌনাঙ্গ কেটে দেওয়া হয়েছে, উপড়ে নেওয়া হয়েছে চোখ। নিগৃহীত কিশোরের বয়স ১৫ বছর। সে নবম শ্রেণীর ছাত্র। এমন মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে।

ওই কিশোরের সঙ্গে তাদের মেয়ের প্রণয়ের সম্পর্ক রয়েছে এমন সন্দেহ করে এই অত্যাচার চালায় কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা। গুরুতর আহত অবস্থায় সেই কিশোরের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। তবে সে চিরতরে দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেছে। তবে কোনওমতে তার প্রাণ বাঁচাতে পেরেছেন চিকিৎসকরা।
গত মঙ্গলবার ওই কিশোরের পরিবারের লোকজন লাহোর শহরের রাইউইন্ড এলাকায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর পর ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে।
কিশোরের বাবা জানিয়েছেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে স্কুল থেকে ফেরার পথে ওই কিশোরকে অপহরণ করা হয়।

রাভি নদীর কাছে একটি পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।  সেখানে প্রথমে তাকে মারধর করা হয়। পরে তার চোখ উপড়ে যৌনাঙ্গ কেটে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই কিশোরকে দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যান।

কিশোরের বাবা আরও অভিযোগ করে বলেন, পাকিস্তানের শাসক দলের এক জনপ্রতিনিধি অভিযুক্তকে মদত দিচ্ছেন। যদিও পাঁচ অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নদীরও প্রাণ আছে : আদালতের রায় 

00

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক : হিন্দুদের কাছে গঙ্গা নদী মায়ের মতোই৷ ভারতে দেবী হিসেবে এ নদীর পুজার প্রথা দীর্ঘদিনের৷ এবার গঙ্গা নদীকে প্রাণী হিসেবে স্বীকার করার পক্ষে রায় দিল আদালতও৷ ভারতের উত্তরাখণ্ড হাই কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়ে দিল, দেশের প্রথম প্রাণ নদী গঙ্গাই৷ একই সঙ্গে যমুনা নদীকেও প্রাণ বা জীবিত ব্যক্তির স্বীকৃতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

সম্প্রতি এক রায়ে উত্তরাখণ্ড হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে গঙ্গা ও যমুনা নদীও ব্যক্তির স্বীকৃতি পাবে৷ এদেশে প্রথম প্রাণী হিসেবে গঙ্গাকেই চিহ্নিত করেছে আদালত৷ এর আগে উত্তরাখণ্ড সরকার কেন্দ্রকে গঙ্গা নিয়ে তুলোধোনা করেছিল৷ জানিয়েছিল, গঙ্গাকে পরিষ্কার করার বিষয়ে সঠিক ভূমিকা পালন করা হচ্ছে না৷ বিলুপ্ত সরস্বতী নদীকে খোঁজার প্রয়াসকে একহাত নিয়েছিল আদালত৷

বলা হয়েছিল, যে নদী নেই তাকে খোঁজ করার চেষ্টা হচ্ছে৷ অথচ যেটি আছে তার স্বচ্ছতার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে না৷ তারপরই এল এই নয়া রায়৷ যেখানে বলা হল, গঙ্গা ও যমুনা নদীকেও প্রাণ হিসেবেই গণ্য করা হবে৷ আগামী প্রজন্মের জন্য গঙ্গাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে এ কথাও জোর দিয়ে জানিয়েছে আদালত৷

এই ধরনের ঘটনা যে একেবারে বিরল তা নয়৷ এর আগে নিউজিল্যান্ডের ওয়াংনুই নদীকেও এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল৷ বিশ্বের মধ্যে প্রথম এই নদীই প্রাণের স্বীকৃতি পেয়েছিল৷ আর এবার পেল গঙ্গা ও যমুনা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

১১ বছরেই কেন মা, তদন্তে পুলিশ 

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক, ১৮ মার্চ : যুক্তরাজ্যে মাত্র ১১ বছর বয়সে এক শিশুর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়ে তদন্তে নেমেছে স্থানীয় পুলিশ।

দেশটিতে সবচেয়ে কম বয়সে মা হতে চলার ঘটনা এটিই প্রথম।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে কমবয়সী মায়ের বয়স ১২ বছর। আর সন্তানের পিতার বয়স ১৩। তাদের সন্তান বর্তমানে ২৮ বছর বয়সী নানীর কাছে বেড়ে উঠছে।

পুলিশের ধারণা, অনাগত শিশুটির পিতাও তার মায়ের মতো কোনো এক শিশু, যার বয়স মায়ের চেয়ে কিছুটা বেশি হতে পারে।

আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকায় শিশুটির গর্ভাবস্থা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

তবে শিশুটি শিগগিরই সন্তান জন্মদান করতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে এই গর্ভাবস্থা নিয়ে আলোচনা যাতে না ছড়ায়, সে বিষয়ে হাইকোর্টের ফ্যামিলি ডিভিশনে আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ফ্রিজে কাঁচা ডিম রাখার খারাপ দিক 

0000

নিউজ69বিডি ডেস্ক : জিনিস নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে তা ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেওয়ার একটা বদভ্যাস সকলেরই আছে। এই বদভ্যাসের হাত থেকে বলতে গেলে কিছুই বাদ যায় না।

আসলে আমাদের প্রচলিত একটা বোধ আছে যে জিনিস ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিলেই ভাল থাকে। এই বদভ্যাসের হাত থেকে ডিমও রেহাই পায় না। কাঁচা ডিম ফ্রিজে রাখাটাই সঠিক বলে মনে করা হয়।

কিন্তু, অনেকেই জানেন না যে ফ্রিজে ডিম থাকলে কী কী ক্ষতি হয়।

১. ফ্রিজের ঠান্ডা কাঁচা ডিমের মধ্যে থাকা ‘খাদ্যগুণ’-কে নষ্ট করে দেয়।

২. ডিমের মধ্যে বেশকিছু খনিজ পদার্থ থাকে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষ ভাল। ফ্রিজের ঠান্ডা ওই খনিজ পদার্থগুলো অকেজো করে দেয়।

৩. ডিমের মধ্যে থাকা ‘অ্যাক্টিভ এনজাইম’ ঠান্ডায় নষ্ট হয়ে যায়।

৪. ঠান্ডায় ডিম রাখলে তার মধ্যে ব্যক্টেরিয়ার সংক্রমণ হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

৫. ঠান্ডায় থাকা ডিমে ব্যক্টেরিয়া সংক্রমণে টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুলাংশে বেড়ে যায়।

৬. ঠান্ডা ডিমের জন্য গ্যাসট্রোএনটেরিটিস এবং ‘ফুড পয়জেনিং’ -এর প্রবণতা বেড়ে যায়।

৭. এছাড়াও ঠান্ডা ডিমে আরও বহু ধরনের হানিকারক জীবাণুর আক্রমণের আশঙ্কা থাকে।-এবেলা

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

আধখানা বাইসাইকেল অথবা আধখানা হৃদয়ের গল্প 

sj9rm0f1-copy

অনলাইন ডেস্ক : আদালতের সিদ্ধান্তটি ছিল এমন- ‘এখন থেকে দুজনকে আলাদা থাকতে হবে এবং আপনাদের ভালোবাসার মতো জিনিসপত্রগুলোকেও দুইভাগে ভাগ-বাটোয়ারা করে ফেলুন’। আর আদালতের এই সিদ্ধান্তকে আক্ষরিক অর্থেই বাস্তবে রূপ দিলেন জার্মানির এক যুবক।

স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে ওই যুবকের অভিযোগ ছিল মূলত প্রতারণার। দাম্পত্য জীবন ভেঙে আলাদা হবার জন্যও আদালতে আর্জি জানান তিনি। সবকিছু শুনে, অনেকটা রসিকতা করেই বিচারক বলেন, ‘আপনারা এখন সংসারের জিনিসপত্র দুইভাগ ভাগ করে নিন; আলাদা হয়ে যান।’

জার্মান যুবক আদালতের ওই কথা ‘সিরিয়াসলি’ পালন করেন। স্ত্রীকে চরম শিক্ষা দিতে সংসারের সব জিনিসপত্র কেটে দুইভাগ করে ফেলেন।

পাওয়ার টুলস ব্যবহার করে এই বিদগ্ধ ‘প্রেমিক’ তাদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- টেডিবিয়ার, আইফোন, গাড়ি, ল্যাপটপ, বাইসাইকেল, টেলিভিশন;  এমনকি চেয়ার পর্যন্ত কেটে সমান দুইভাগ করে ফেলেন।

এখানেই শেষ নয়! তার নিজের ভাগের জিনিসগুলো বিক্রি করতে তিনি বিজ্ঞাপণ দিয়েছেন ইবে-তে।

যুবকের এই পাগলামি ব্যাপারটা কৌতূহলী করেছে অনেককেই। ই-বেতে পোস্ট করার সময় প্রতিটি জিনিসের বর্ণনা ওই যুবক যেভাবে লিখেছেন, তাতে হৃদয় পুড়ে যাবার গন্ধ খুবই স্পষ্ট।

আধখানা সাইকেলের ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘সামান্য কিছু ঝামেলা থাকলেও সামনের চাকা ঠিকই চলছে এবং ঠিকমতো ব্রেকটিও কাজ করছে।’


অর্ধেক বিছানার ছবির নিচে ক্যাপশনে লিখেছেন ‘আমি সাবেক বউয়ের মতো নই; তাই এই বিছানা সম্পর্কে খারাপ কিছু বলতে চাই না।’

অর্ধেক আছে এরকম দুটি মোবাইলফোনের ছবি পোস্ট করে নিচে লিখেছেন ‘ফোনে কথা বলতে যাদের অনীহা তাদের জন্য সঠিক ফোন!’

চারটি অর্ধেক চেয়ারের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ‘আর্ট ইন্সটলেশনের জন্য এগুলো একদম খাপে খাপ, অথবা যারা অর্ধপশ্চাৎ হয়ে বসতে চান তাদের জন্যও।’

আর অর্ধেক সোফার ছবির নিচে তিনি লিখেছেন, ‘আমি আর স্ত্রী একসময় বসেছি এখানে। একের পর এক স্বর্নালী সন্ধ্যায়; কিন্তু সেই সন্ধ্যাগুলো তার ভালো লাগেনি! এখন সে বসছে অন্য কোন সোফায়, অন্য কোনো প্রেমিকের পাশে।’

ভাগ্যিস! এই দম্পতির কোনো পোষা বেড়াল ছিলো না!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

তরুণীর শরীরের দূষিত রক্ত শুষে নিচ্ছে জোঁক! 

8tpow33p-copy

অনলাইন ডেস্ক : ব্শ্বিবাসীর কাছে রক্তশোষী জীব হিসেবে জোঁকের যথেষ্ট দুর্নাম রয়েছে। কিন্তু এই জোঁককেই ব্যবহার করা হচ্ছে চর্মরোগের চিকিৎসায়। বলা হচ্ছে, জোঁক শরীরের দূষিত রক্ত শুষে নিয়ে বিশুদ্ধ রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি করে। সেই সুবাদে চর্মরোগ থেকেও মুক্তি ঘটে। ছত্তিশগড়ের জিআই রোডে অবস্থিত আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে এই পদ্ধতিতেই চলছে চর্মরোগের চিকিৎসা।

হাসপাতালের ডাক্তার উত্তমকুমার নির্মলকর জানাচ্ছেন, জোঁকের লালায় হিপেরিন, কেলিন এব‌ং বেডলিন নামের রাসায়নিক থাকে। এগুলি ব্রণের মতো চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। যাঁরা ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের ব্রণের উপরে ছেড়ে দেওয়া হয় জোঁক। জোঁক দূষিত রক্ত শুষে নিতে শুরু করে। পরিণামে সংশ্লিষ্ট অংশে শুদ্ধ রক্ত প্রবাহিত হতে থাকে। ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ধরে এই রক্তশোধন প্রক্রিয়া চলে।

ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, মোটামুটি চার সপ্তাহের চিকিৎসায় ব্রণ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়। চিকিৎসা চলাকালীন মুলেঠি, যষ্টিমধু, মুখক্রান্তি, ঘৃতকুমারী, চন্দনের মতো ভেষজ উপাদান রোগীর মুখে প্রয়োগ করা হয়। শুধু ব্রণ নয়, জোঁকের সাহায্যে এই হাসাপাতালে সারানো হচ্ছে টাকের সমস্যাও। এর জন্য প্রথমে জোঁকগুলিকে হলুদ গোলা পানি ছেড়ে রাখা হয়।

এতে জোঁকের রক্তশোষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এরপর রোগীর মাথার চুল কামিয়ে ফেলে টাকপড়া অংশে ছেড়ে দেওয়া হয় জোঁক। সেই অংশের দূষিত রক্ত জোঁক শুষে নেয়, এবং চুল ওঠার উপযোগী নিউট্রিশন সঞ্চারিত হয়। ফলে নতুন করে চুল গজায়।

এই অভিনব চিকিৎসাপদ্ধতির সুবিধা নিতে হাসপাতালে ভিড় হচ্ছে ভালই। রোগীরা বলছেন, চিকিৎসায় নাকি বেশ উপকার পাচ্ছেন। কিন্তু জোঁক দেখে ভয় লাগছে না?

রোগীরা জানাচ্ছেন, জোঁক যে কখন তাদের রক্ত চুষে খাচ্ছে কিছু নাকি বুঝতেই পারছেন না তারা। ‘আসলে জোঁকের মুখে এক ধরনের এনজাইম থাকে। তার সাহায্যে কোন প্রাণীর রক্ত শোষণের সময়ে সংশ্লিষ্ট অংশটি অবশ করে দেয় তারা। তাদের শিকার তাই কিছু টেরই পায় না। ’ এ কথা জানালেন ডাক্তার নির্মলকর। সূত্র: এবেলা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হঠাৎ আকাশে অদ্ভুত দেহাবয়ব, আতঙ্কিত এলাকাবাসী 

36

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক : জাম্বিয়ায় সম্প্রতি আকাশে বিশাল আকারের মানবসদৃশ্য দেহাবয়ব দেখা যায়। আর এ রহস্যময় বস্তু দেখে স্থানীয়দের মাঝে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে মেইল অনলাইন।

একটি শপিং সেন্টারের ওপরে এ অদ্ভুত দেহাবয়ব দেখা যায়। আকারে এ দেহাবয়বটি ১০০ মিটারেরও বেশি ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

হ্যারি পটার সিনেমার অপচ্ছায়ার মতো দেখতে এ অদ্ভুত বস্তু দেখে জাম্বিয়ার মুকুবা মলের বাইরে লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে।

অবয়বটিকে অশুভ কোনো বস্তু বলে মনে করে স্থানীয়রা। আর এটি সেখানে দেখা গেছে প্রায় আধ ঘণ্টা। এরপর জিনিসটি হারিয়ে যায়।

তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি আবার আকাশে মিলিয়ে যায়। কয়েকজন বিভিন্ন স্থান থেকে এর ছবি তুলেছিল। ফলে এর প্রমাণ রয়ে যায়। অবশ্য বস্তুটি বাস্তবে ঠিক কী ছিল তা আর জানা যায়নি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এবার বাজারে আসছে উড়ন্ত মোটরসাইকেল 

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক: বিএমডব্লিউ`র নতুন এই উদ্যোগে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সাবেক ইঞ্জিনিয়ারদের সহায়তায় বাজারে আসছে উড়ন্ত মোটরসাইকেল। ইতিমধ্যে এ মোটরসাইকেলের একটি রেপ্লিকাও তৈরি করেছে বিএমডব্লিউ।

বিএমডব্লিউ`র নতুন এই উদ্যোগে যৌথভাবে কাজ করবে লেগো নামের অপর একটি প্রতিষ্ঠান। উড়ন্ত এই মোটরসাইকেলের নাম রাখা হয়েছে ‌‌বিএমডব্লিউ আর ১২০০ জিএস অ্যাডভেঞ্চার বাইক।

উড়ন্ত এই মোটরসাইকেলের নকশায় সহায়তা করেছে বিখ্যাত টয় কোম্পানি দ্য লেগো। প্রায় ৬০৩টি পার্টস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে পুরো মোটরসাইকেলে মডেল। এর পর ওই মডেলের হুবহু রূপদান করেছে বিএমডব্লিউ`র ইঞ্জিনিয়াররা। চলতি বছরের জানুয়ারিতেই প্রকাশ্যে এসেছিল এই মডেল।

বিএমডব্লিউ মোটোরাডের সেলস এবং মার্কেটিংয়ের প্রধান হেনার ফস্ট জানিয়েছেন, লেগো গ্রুপকে অনুরোধ করা হয়েছিল ডিজাইনে নতুনত্ব আনার জন্য। বিএমডব্লিউ এবং লেগোর এই দুই সংস্থার মধ্যে দারুণ মিল রয়েছে, দুই সংস্থাই নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করে। তাই যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি করা সম্ভব হয়েছে এমন বাইক।

বিএমডব্লিউ মোটোরাডের হাত ধরে খুব তাড়াতাড়ি আসতে চলেছে উড়ন্ত মোটরসাইকেল। তবে এখনও স্পষ্ট নয় এই বাইক বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি হবে কিনা!

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

খেলতে গিয়ে সিংহের মুখে মাথা! (ভিডিও) 

অনলাইন ডেস্ক : খেলাচ্ছলে সিংহের মুখে মাথা ঢুকিয়ে দিলেন যুবক। কখনও ঢুকিয়ে দেন হাত। কৌতুহলী দর্শক চারিদিকে ভীড় করে অপেক্ষা করছে পরবর্তী দৃশ্যের জন। তবে সিংহটি তাকে কামড় বসায়নি। তাহলে কী করলো সিংহটি?

বিপদের সঙ্গে খেলা করাই কিছু মানুষের নেশা। অ্যাডভেঞ্চারের তাগিদে বিপদকে আলিঙ্গন করেন তারা। তাদেরই একজন এই হুমাইদ। পার্সিয়ান গালফ অঞ্চলে ধনীদের মধ্যে বর্তমানে এক নতুন অ্যাডভেঞ্চারের নেশা দানা বেঁধেছে।

তারা বাড়িতে চিড়িয়াখানা তৈরি করে সেখানে বাঘ-সিংহকে পোষ্য করে রাখা শুরু করেছেন। হুমাইদ আলবুকাইশ তাদের মধ্যে এক জন। পার্সিয়ান এই ধনকুবেরের আয়ের উৎস অজানা, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় তার পোস্ট করা ভিডিওগুলি এখন বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের আরও অনেক ধনকুবেরের মতোই তিনিও নিজের বাড়ির চিড়িয়াখানায় বাঘ-সিংহকে পোষ্য করে রেখেছেন। এই সমস্ত হিংস্র জন্তু তার কাছে একেবারে শান্ত আকার ধারণ করে। তাদের সঙ্গে হুমাইদের খেলাধুলোর ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। তার কীর্তিকলাপ দেখে হাড় হিম হয়ে যাচ্ছে দর্শকদের।

একটি বেশ দীর্ঘায়ত ভিডিও নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে পোস্ট করেছেন হুমাইদ। তাতে দেখা যাচ্ছে, নিজের পোষা সিংহের মুখের ভিতর হুমাইদ কখনও তার হাতটি ঢুকিয়ে দিচ্ছেন, কখনও বা আস্ত মাথাটাই রাখছেন সিংহের হাঁ করা মুখের মধ্যে। সিংহটিও একান্ত বাধ্য পোষ্যের মতোই আঁচরণ করছে।

একা হুমাইদকেই অবশ্য এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তা নয়, তার বন্ধুবান্ধবরাও বেড়াতে গিয়েছেন তার চিড়িয়াখানায়, সেই দৃশ্যও ধরা পড়েছে সেই ভিডিও-তে। বন্ধুরাও তার মতোই সাহসী। তারাও হুমাইদের মতোই অনায়াসে খেলায় মাতছে সিংহের সঙ্গে। কেবল এক তরুণীকে দেখা গেছে যিনি সিংহীর আদরে ভয়ের চোটে প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন। পরে তিনি উঠে এসে তার বয়ফ্রেন্ডকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন।

ভিডিও:

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

৪০ জন রানীর সঙ্গে গোসল করাটা ছিল এই রাজার প্যাশন! 

অনলাইন ডেস্ক : ইতিহাসে আজও কুখ্যাত হয়ে আছেন ভারতের রাজস্থানের রাজা কিষণ সিংহ। রাজস্থান মানেই বীর রাজপুতদের জায়গা। মহারানা প্রতাপ সিংহ থেকে সংগ্রাম সিংহ, একের পরে এক বীরপুঙ্গবের জন্মের জায়গা হিসেবে আজও রাজস্থানের নাম গর্বভরে নেওয়া হয়।

এমনকী, রানী পদ্মাবতী যিনি আলাউদ্দিন খিলজির হাত থেকে সম্মান রক্ষার্থে স্বামীর চিতায় জ্যান্ত আত্নাহুতি দিয়েছিলেন, তার কাহিনি শুনে আজও ভারতীয় নারীরা অনুপ্রেরণা পান। সেখানে রাজস্থানের মতো বীরজন্মের পীঠস্থানে রাজা কিষণ সিংহের কাহিনি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করে।

শুধু বৈভব বা অর্থ নয়ছয় করা নয়, রাজা কিষণ সিংহ যেভাবে নারীসঙ্গ উপভোগের জন্য এইসব করতেন, তার জন্য আজও তাকে ধিক্কার দেন রাজস্থানবাসী। ১৮৮৯ সালে জন্ম রাজা কিষণ সিংহের। দেওয়ান জারামানি দাসের লেখা বই থেকে রাজা কিষণ সিংহের নারীসঙ্গের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

জানা যায়, রাতের অন্ধকারে সুইমিং পুলে নগ্ন হয়ে স্ত্রীদের সঙ্গে গোসল করতে নামতেন কিষণ সিংহ। এটা ছিল তার প্যাশন। রাজা কিষণ সিংহের রাজমহলে ৪০ জন রানি থাকতেন। রাজার গোসলের সময় এই রানিরাও নাকি নগ্ন হয়ে পুলে নেমে পড়তেন।

বিলাসবহুল এই জীবনকে আরও রঙিন করতে রাজমহলের সামনে গোলাপি মার্বেলে সুইমিং পুল বানিয়েছিলেন কিষণ সিংহ। এমনকী, সেই সুইমিং পুলে যাওয়ার রাস্তা বাঁধানো হয়েছিল চন্দন কাঠে। সুইমিং পুলে নামার জন্য চন্দন কাঠের সিঁড়িও বানানো হয়েছিল। পুলের মধ্যে ২০টি চন্দনকাঠের পাটাতন এমনভাবে রাখা হয়েছিল যে, এক একটি পাটাতলে ২জন করে রানি আরামসে দাঁড়াতে পারতেন।

রাজা কিষণ সিংহের নির্দেশে প্রত্যেক রানিকেই হাতে মোমবাতি নিয়ে পুলের সিঁড়ি থেকে একদম সিড়ির শেষ ধাপ পর্যন্ত দাঁড়াতে হতো। মোমবাতি হাতে রানিরা পুলে এসে হাজির হলে নিবিয়ে দেওয়া হত রাজপ্রাসাদের সমস্ত আলো। রানিরা পুলের সামনে এসে দাঁড়ানোর পরে রাজা পুলে আসতেন। সুইমিং পুলে নামার সময়ে এক এক করে রানিদের পুলে ছুড়ে দিতেন রাজা। কেবল একজন রানিকে বাহুডোরে নিয়ে নিতেন। রাজা পুলে নামলে নগ্ন অবস্থায় হাতে মোমবাতি নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করতে হত রানিদের।

রানিদের উদ্দেশে কিষণ সিংহের কঠোর নির্দেশ ছিল, মোমবাতি যেন না নেবে। নাচের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত যে রানির হাতের মোমবাতি জ্বলত, তাকে নিয়ে নিজের খাসমহলে যেতেন রাজা। এর মানে, ওই রানি সেই রাতে রাজার সঙ্গে রাত কাটানোর সুযোগ পেতেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পুরুষালী পোষাক পরলে মেয়েদের সন্তান হয় না 

নিউজ৬৯বিডি ডেস্ক : পুরুষদের মত পোষাক পরলেই মেয়েরা সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারায় বলে দাবি করলেন ভারতের মুম্বাই এর এক কলেজের অধ্যক্ষ। তার এমন মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই অবাক কলেজের শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে প্রতি ৫ জন মহিলার মধ্যে ১ জন মহিলা পলিসিস্টিক ওভারি ডিসঅর্ডারের শিকার হন।

চিকিৎসকদের মতে এই হরমোনের অসাম্যতা এবং জিনগত কারণেই এই রগের শিকার হন মহিলারা। কিন্তু মুম্বাই এর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের অধ্যক্ষা স্বাতী দেশপাণ্ডে অন্যরকম মনে করেন। তিনি মনে করছেন পোষাকের কারণে এটা হচ্ছে!

তিনি বলেছেন, ‘আমি শুনেছি কেন কম বয়সি মহিলারা পলিসিস্তিক ওভারি ডিসঅর্ডারের শিকার হন। যখন তারা পুরুষদের মত পোষাক পরেন, তখন তারা পুরুরষদের মতই ভাবতে ও আচরণ করতে শুরু করে দেন। তাদের মস্তিষ্কেও মহিলা লিঙ্গের সাধারণ কাজগুলি উলটে যায়। এই কারণেই কম বয়স থেকেই সন্তান জন্ম দেওয়ার ইচ্ছা কমতে থাকে আর তারা এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হন।’

জরায়ুর রোগের সঙ্গে পোশাকের এমন সম্পর্ক টেনে বের করে এখন এই অধ্যক্ষ্যা কলেজের ছাত্রীদের জন্য ‘যোগ্য পোষাক’ তোইরির কথা ভাবছেন। স্বাতী দেশপাণ্ডে চান যে তাঁর কলেজের ছাত্রীরা পরে আসুক ‘নারীসুলভ’ সালোয়ার কামিজ। ‘পুরুষালী’ জিন্স-টি শার্ট এর হাত থেকে ছাত্রীদের বাঁচাতেই নাক তার এমন সিদ্ধান্ত! এতদিন কলেজে মহিলা ও পুরুষদের একই পোষাক ছিল- সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট।

কলেজের এক ছাত্রীর কথায়, “এর আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের প্যান্টে শার্ট গুঁজে পরতে বারণ করেছিল। আর এখনও তো পোষাকই বদলে দিতে চাইছে। আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করছি। ল্যাবের মধ্যে সালোয়ার কামিজ পরে ঢোকাটা খুব অস্বাভাবিক হবে”।

পোশাকেই শেষ নয়। এই কলেজের ক্যান্টিনে মারাঠি ভাষায় দুটি কোনটি পুরুষদের বসার জায়গা আর কোনটি মহিলাদের বসার জায়গা তা লিখে দেওয়া আছে। কলকাতা ২৪

Share This:

এই পেইজের আরও খবর