২৪ জুন ২০১৭
বিকাল ৪:৩৭, শনিবার

বেরোবিতে শুরু ঈদের ছুটি

বেরোবিতে শুরু ঈদের ছুটি 

8

ইসমাইল রিফাত, বেরোবি, ২০ জুন : বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রংপুর আজ মঙ্গলবার (২০ জুন) থেকে ঈদের ছুটি শুরু। আগামী ২৯ জুন পর্যন্ত এ ছুটি চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আগামী ২০ জুন মঙ্গলবার থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত বেরোবির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২২ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে যথারীতি একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হবে।

ছুটিতে ছাত্রদের দুই আবাসিক হল খোলা থাকলেও মেয়েদের হলটি বন্ধ থাকবে। শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রাধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ ওয়াদুদুর রহমান (তুহিন) বলেন,  আগামী ২২ জুন বেলা ১২টার মধ্যে সকল শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। আগামী ২৮ জুন সকাল ৯টায় হল খুলে দেওয়া হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জুনে ৩৮তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি 

587475225

ঢাকা, ৬ জুন : সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ৩৮তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জুন মাসেই জারি করা হবে। এবার ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য প্রশ্নপত্র ইংরেজি এবং বাংলা উভয় ভাষাতেই হবে।

এরই মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ৩৮তম বিসিএসের শূন্য পদের তালিকা পেয়েছে কমিশন। এই বিসিএসে দুই হাজারের বেশি ক্যাডার নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।

পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৮তম বিসিএসের সার্কুলার জারির পরিকল্পনা এপ্রিল মাসে থাকলেও গত ১২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ৩৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ৭ জুন পর্যন্ত ব্যস্ত পিএসসি। তবে ৩৮তম বিসিএসের সার্কুলার জারির সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে কমিশন। ৩৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই কমিশন সভায় সার্কুলার জারি সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে তা পত্রিকায় প্রকাশ করবে পিএসসি।

৩৮তম বিসিএসের উল্লেখযোগ্য শূন্য পদগুলো হলো-প্রশাসন ক্যাডারের সহকারী কমিশনার ৩০০টি, পুলিশ ক্যাডারের সহকারী পুলিশ সুপার ১০০টি, স্বাস্থ্য ক্যাডারের সহকারী সার্জন ২২০টি, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ৫টি, কৃষি ক্যাডারের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ১৮৯টি, পররাষ্ট্র ক্যাডারের সহকারী সচিব ১৭টি, আনসার ক্যাডারের ৩১টি, মৎস্য ক্যাডারের ২০টি, সহকারী বন সংরক্ষক ২২টি, শিক্ষা ক্যাডারের বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাষক ৯৭৩টি, ভেটেরিনারি সার্জন ২৫টি, সহকারী প্রকৌশলী ৩১টি, কর ক্যাডারের সহকারী কর কমিশনার ৯টি, তথ্য ক্যাডারের ৩৫টিসহ মোট দুই হাজার ৪২টি শূন্য পদ।

উল্লেখ্য, ৩৮তম বিসিএসে নতুন নিয়ম যুক্ত হচ্ছে। প্রশ্নপত্র ইংরেজি এবং বাংলা উভয় ভাষাতেই হবে। যাতে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিতে পারে। তবে, সিলেবাস ও মানবন্টন আগের নিয়মেই রয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কলেজে ভর্তির প্রথম তালিকা প্রকাশ 

23

ঢাকা, ৫ জুন : দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে মনোনীত শিক্ষার্থীদের প্রথম তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

রবিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে এই ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আশফাকুস সালেহীন জানান, প্রথম তালিকায় ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৮৪৮ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। মনোনীতদের তালিকা কলেজে ভর্তির সরকারি ওয়েবসাইট (http://www.xiclassadmission.gov.bd/) থেকে পাওয়া যাবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, সবার ভর্তি শেষ হলেও এবছর কলেজগুলোতে প্রায় ১৫ লাখ আসন খালি থাকবে। কিছু কলেজে মাত্র ১০ থেকে ২০ জন ভর্তি হতে আবেদন করেছে। ১০টির বেশি, কিন্তু ২০টির কম আবেদন জমা পড়া এমন কলেজ ও মাদ্রাসার সংখ্যা এবার শতাধিক বলে জানিয়েছেন শিক্ষাবোর্ড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছর কম আবেদন পড়ায় শতাধিক কলেজ ও মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে কেবল ঢাকা বোর্ডেই আছে ৭৯টি। দাখিলে খারাপ ফল করায় ৫০৮টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়। এরপরও এবার প্রায় ১৫৪টি কলেজে সর্বনিম্ন ১০টি করে আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৯৭টিই কারিগরি প্রতিষ্ঠান। মাদ্রাসা ৩৯টি। ছয়টি কলেজে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থীই আবেদন করেনি।

গত ৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত কলেজে ভর্তির আবেদন নেয়া হয়। সারাদেশে ৯ হাজার ৮৩টি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবেদনের ভিত্তিতে চাহিদার শীর্ষে ছিল ২০টির মতো প্রতিষ্ঠান। ঢাকার রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে এবার সবচেয়ে বেশি ৪২ হাজার ৬৪৫ শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। এ কলেজে আসন আছে এক হাজার ৬৩৮টি। দ্বিতীয় স্থানে আছে ঢাকা সিটি কলেজ ও তৃতীয় স্থানে ঢাকার সরকারি বাংলা কলেজ। সিটি কলেজে তিন হাজার ৪৫০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ৩৯ হাজার ৩১৬ জন। বাঙলা কলেজে এক হাজার ৭০০ আসনের বিপরীতে ৩৯ হাজার ৫২ জন আবেদন করেছে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাজশাহী কলেজ। আবেদন পড়েছে ৩৮৯১টি। পঞ্চম স্থানে আছে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ। আবেদন পড়েছে ৩৭ হাজার।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বেরোবিতে ইমরান এইচ সরকারের কুশপুত্তলিকা দাহ 

735

বেরোবি, ৩১ মে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করার অভিযোগে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শেষে পার্কমোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর ইমরান এইচ সরকারের কুশপুত্তলিকা দাহ করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় ইমরান এইচ সরকারের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা।

বিক্ষোভ শেষে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নোবেল শেখ।

তুষার কিবরিয়া ইমরান এইচ সরকারকে রংপুরে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ইমরানকে পথ দেখিয়েছে। আর সে এখন জামায়াত নেতাদের সাথে আঁতাত করে অর্থের লোভে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তি করছে। ইমরান প্রধানমন্ত্রীর কাছে নমিনেশন চেয়েছিল। তাকে নমিনেশন না দেয়ায় সে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধাচারণে মেতে উঠেছে।

সাধারণ সম্পাদক নোবেল শেখ বলেন, স্লোগান শুধু মিছিলের নয়, ইমরানকে সামনে পেলে এই স্লোগানকে বাস্তবে পরিণত করা হবে।

পরে বিশ^বিদ্যালয়ের ১ নং গেটে লাগানো বিএনপি নেতা হাবীব উন নবী খান সোহেলের একটি ব্যানার নামিয়ে দেয় ছাত্রলীগ কর্মীরা।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জাবির গ্রেপ্তার ৪৩ শিক্ষার্থী আদালতে 

477

জাবি, ২৮ মে : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে আশুলিয়া থানার পুলিশ।

ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা মামলায় ওই শিক্ষার্থীদের রবিবার ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ জন ছাত্রী রয়েছেন।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিনুল কাদির বলেন, শনিবার রাতে ওই ৪৩ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গত শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বাসভবনে হামলা চালায়। ওই ঘটনার পরই আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪৩ জনকে আটক করে আশুলিয়া থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় ৪৩ ছাত্রকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শুক্রবার ভোরে সাভারের সিঅ্যান্ডবি এলাকায় বাসের ধাক্কায় নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান রানা এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত। এ ঘটনায় দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর নিহতদের মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে আনতে দেয়নি বলে দোষারোপ করছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা জানান, শিক্ষক লাঞ্ছনা, ভাঙচুর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জাবির ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে রোববার সকাল ১০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

শনিবার রাতে উপাচার্যের বাসভবনে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জাবি অনির্দিষ্টকাল বন্ধ, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ 

89

জাবি, ২৮ মে : সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে দফায় দফায় পুলিশ-শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষের পর শবিবার রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন কর্তৃপক্ষ। রোববার সকাল ১০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ৪০জন শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। এব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি মহসিনুল কাদির বলেন, আটককৃত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন থানায় রাখা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় অজ্ঞাত সংখ্যক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এরআগে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় প্রতিবাদ করার সময় শনিবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের উপর দুই দফা হামলা চালায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। এ ছাড়া পুলিশ বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের উপর দফায় দফায় টিয়ারসেল, রাবার বুলেট ছোড়ে এবং লাঠিপেটা করে। ছত্রভঙ্গ শিক্ষার্থীরা বিকাল থেকেই উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা উপাচার্যের বাসভবনের সামনের ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন। রাত ৯টার দিকে বাসভবনের ফটক ভেঙে তারা ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে শিক্ষকদের সাথে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ সময় ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সুকল্যাণ কুমার কুণ্ডু ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নাসিরউদ্দিন আহত হন। এ ছাড়া ৬/৭ জন শিক্ষার্থীও আহত হন।বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এ সময় ফুলের টব ও জানালার কাঁচ ভাঙচুর করে।

রাত ১০টায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সহপাঠী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে শনিবার দুপুর পৌনে ১২টায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ার ১৫ মিনিটের মাথায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সেখানে হামলা চালায়। এর ঘণ্টা পাঁচেক পর আরেক দফা হামলা চালানো হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ হামলায় ছাত্রলীগের ২০ জন নেতা ও অর্ধশত কর্মী অংশ নেয়। এ ছাড়া বিক্ষুব্ধদের ওপর রাবার বুলেট নিক্ষেপ ও টিয়ার শেল ছোঁড়ে পুলিশ। হামলায় ৮/১০ জন গুরুতর আহত হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ হামলায় ছাত্রলীগ নেতা ৪০ তম ব্যাচের সানাউল, ৪২ তম ব্যাচের নীলাদ্রী শেখর মজুমদার, একই ব্যাচের সাদী, নগর ও পরিকল্পনা বিভাগের রবিউল ৪২, ছাত্রলীগ নেতা সানজিদ, ৪২ তম ব্যাচের কার্ত্তিক ঘোষ, মিলনসহ ১৯ নেতা অংশ নেন।হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল ছিলেন বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চঞ্চলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

হামলায় আহতরা সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন রয়েছেন। তার মাথায় টিয়ারশেল লেগেছে। এছাড়া সাংবাদিক হাফিজুর রহমান রয়েছে। তার পিঠে রাবার বুলেট লাগে।

হামলার পরপরই শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করে। বিক্ষুব্ধরা বাসভবনের সামনের ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকেছেন। বর্তমানে বিক্ষুব্ধরা সেখানে অবস্থান নিয়েছে।

শুক্রবার ভোরে সাভারের সিঅ্যান্ডবি এলাকায় বাসের ধাক্কায় নিহত হন জাবির মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান রানা ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত। তাদের লাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে জানাজার জন্য না এনে বাড়ি নিয়ে যাওয়ায় তাদের সহপাঠীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দোষারোপ করছেন।

এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরেই এক ঘণ্টার জন্য রাস্তা অবরোধ করে রেখেছিলেন নিহতের সহপাঠী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শনিবার দুপুর থেকে কয়েকটি দাবি নিয়ে ফের মহাসড়কে নামেন তারা।

এর আগে ঢাকা-আরিচা সড়ক অবরোধের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের শান্ত করে মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়ার জন্য কয়েকদফা কথা বললেও শিক্ষার্থীদের রাস্তা থেকে সরাতে পারেননি। বেলা ২টার দিকে অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে যান উপাচার্য ফারজানা ইসলাম। এসময় ‘আমার ভাইয়ের জানাজা, ক্যাম্পাসে কেন হলো না’, ‘আমার ভাই মরল কেন প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি নানা ধরনের স্লোগানে ক্ষোভ জানায় শিক্ষার্থীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি গেইটে পুলিশ চেক পোস্ট বসানো, জয় বাংলা (প্রান্তিক) গেটে ৭দিনের মধ্যে ফুট ওভার ব্রিজ নির্মাণ কাজ শরু করা, আজকের মধ্যেই পর্যাপ্ত স্পিড ব্রেকার নির্মাণ, গতি সীমা নির্দিষ্ট করা, নিহত শিক্ষার্থীদের আত্মীয়দের যোগ্যতা অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি প্রদান, নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন অবরোধকারী শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন এবং শিক্ষার্থীদের তুলে ধরা লিখিত দাবির কাগজে স্বাক্ষর করেন। কিন্তু এরপরও রাস্তা থেকে সরে না গিয়ে আজকের মধ্যেই স্পিড ব্রেকার নির্মাণসহ দাবিগুলো পূরণের নিশ্চয়তা চেয়ে রাস্তা আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা। পরে বেলা সোয়া ৫টার দিকে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং লাঠিপেটা করে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কথায় কথায় বদলি, শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যাহত 

1445

নোয়াখালী, ২৭ মে : সোনাদিয়া ছকিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষকের পদ পাঁচটি। স্কুলটিতে কর্মরত তিন শিক্ষক। এর মধ্যে একজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে। বাকি দুইজনের মধ্যে ইকবাল হোসেনকে নলচিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। ফলে ১৫৮ শিক্ষার্থীর পাঠদান করছেন মাত্র একজন শিক্ষক। ইকবাল হোসেনকে যে স্কুলে বদলি করা হয়েছে, সেখানে পাঁচজন শিক্ষকের পদ রয়েছে, কর্মরত ছিলেন চারজন। এখন পাঁচজন শিক্ষকের পদ পূরণ হলো।

এভাবেই হাতিয়ায় প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকদের কথায় কথায় বদলি করা হচ্ছে। কখনও লিখিত, আবার কখনও মৌখিক বদলি আতঙ্কে ভুগছেন শিক্ষকরা। কেউ বদলির আবেদন করেও বদলি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না, আবার কেউ কেউ বদলির আবেদন না করেও বদলির নোটিশ পাচ্ছেন। নিয়মনীতির কোনো বালাই নেই এখানে। শিক্ষকদের অভিযোগ_ রাজনৈতিক কারণ,

অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নিয়মিত ঘুষ না দিলে তাদের ওপর নেমে আসে বদলির খড়্গ। বদলি আতঙ্কের কারণে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রাথমিক

শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বদলির নীতিমালা লঙ্ঘন করে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেপরোয়া বদলি করছেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে বদলির অভিযোগও পাওয়া গেছে। গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৪ শিক্ষক তার মৌখিক নির্দেশে, চারজন সাময়িকভাবে বদলি ও একজন সংযুক্তির আদেশে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ১২ জন শিক্ষককে বদলি করা হয়েছে।

কিন্তু ‘সাময়িকভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আদেশ’ বা ‘মৌখিক নির্দেশে বদলি’ এ রকম কোনো নির্দেশনা নীতিমালায় নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নির্দেশিকার ১.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বদলির সময়কাল জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত। ৫.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বদলিকাল ছাড়া অন্য সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন ছাড়া বদলি করা যাবে না।

উত্তর চর ঈশ্বর রায় হাজী আবদুল হাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কাসেমকে এক বছরের মধ্যে তিনবার বদলি করা হয়েছে।

২০ ডিসেম্বর পশ্চিম চর আমান উল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক খালেদা আক্তার পান্না ও জাহাজমারা লুৎফুল করিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহনেওয়াজ মো. কামাল উদ্দিন একে অপরের কর্মস্থলে বদলির জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন। মন্ত্রী ২৯ ডিসেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলির ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। ৮ জানুয়ারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী ওই দুই শিক্ষকের বদলির ব্যবস্থা নিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। পশ্চিম চর আমান উল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনজনের মধ্যে অন্য দুই শিক্ষককে বদলি করা হলেও দুই শিক্ষকের বদলির ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে রাজের হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক আবদুল আহাদকে পূর্ব চরচেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমন্বয় বদলি করা হয়। এ বদলির বিরুদ্ধে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেও কোনো ফল পাননি।

নিলক্ষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৩৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৭ শিক্ষকের পদ রয়েছে। ওই স্কুলে কর্মরত আছেন ৬ জন। এর মধ্যে একজনকে বদলি ও একজনকে মৌখিক বদলি করা হয়েছে। এই স্কুলের শিক্ষক সুলতানা রাজিয়া মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। তাকে উত্তর-পশ্চিম চরকৈলাশ কান্তারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের ১১৭ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৫ জন শিক্ষকের পদ রয়েছে। কর্মরত শিক্ষক আছেন ৫ জন। অথচ এ বিদ্যালয়ের জন্য বাঁশখালী হালিমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমান ওই বিদ্যালয়ে বদলির আবেদন করলেও তাকে বদলি না দিয়ে মাতৃকালীণ ছুটিতে থাকা শিক্ষককে বদলি করা হয়েছে। অথচ মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকাকালীর বদলির বিধান নেই।

মাকসুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫৯ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৬ শিক্ষকের পদ মঞ্জুর রয়েছে। এ স্কুলে কর্মরত শিক্ষক আছেন ৩ জন। এর মধ্য থেকে সহকারী শিক্ষক আকলিমা আক্তারকে নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চর তোরাব আলী-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। ফলে ২৫৯ জন শিক্ষার্থীর এ বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন ২ জন। ওই শিতক্ষক গত ৬ ফেব্রুয়ারি বদলিকৃত বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তার বদলির ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিরঞ্জন কুমার দাস ও তার ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান কিছুই জানেন না বলে জানান।

বুড়িরচর বড়দেইল লক্ষ্মী রানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫২ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষকের ৫টি পদ রয়েছে। এ স্কুলে কর্মরত শিক্ষক আছেন ৪ জন। তার মধ্যে সহকারী শিক্ষক কল্যাণ মিত্র দাসকে দক্ষিণ বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এ স্টু্কলে ১৬৭ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষকের পদ থাকার কথা ৪ জন, পদ রাখা হয়েছে ৬টি। অতিরিক্ত শিক্ষক থাকার পরও নতুন করে আরও একটি পদ সৃষ্টি করে কল্যাণ মিত্রকে সেখানে বদলি করা হয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে চাইলে তিনি ব্যস্ততার অজুহাতে কথা বলতে পারবেন না বলে জানান। পরে তার কাছে কথা বলার জন্য এক মিনিট সময় চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী বলেন, হাতিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাময়িক কিংবা মৌখিক বদলির কোনো এখতিয়ার নেই। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেব।-সমকাল

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সাভারে বাসচাপায় জাবি শিক্ষার্থী নিহত 

55

সাভার, ২৬ মে : তাবলীগ জামাতের চিল্লা থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে সাভারে যাত্রীবাহী বাসচাপায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজমুল হাসান রানা (২৪) নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের সিএনবি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পাবনা জেলার সদর থানার নুরপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে নাজমুল হাসান রানা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও আলবেরুনী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তপন কুমার সাহা এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ভোরে রানা ও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত (২৪) সাভারের কলমায় মার্কাস মসজিদ থেকে তাবলীগ জামাতের চিল্লা থেকে অটোরিকশায় ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন।

অটোরিকশাটি সিএনবি এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে যাত্রীবাহী একটি বাস সেটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে দু’জনই গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান রানাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরাফাত সেখানে চিকিৎসাধীন।

খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্দের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তবে বাসটি আটক করতে পারেনি পুলিশ।

রানার অকাল মৃত্যুতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তার সহপাঠীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যু: সেন্ট্রাল হাসপাতালের পরিচালক গ্রেপ্তার 

14

ঢাবি, ১৯ মে : ভুল চিকিৎসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় ধানমন্ডির সেন্ট্রাল হাসপাতালের এক পরিচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার নাম এম এ কাশেম। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ। তিনি বলেন, ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে থানায় আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর দায়ের করা মামলায় এম এ কাশেমের নাম থাকায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বাকিজনকে ছেড়ে দেয়া হয়। কাশেম মামলার নয় নম্বর আসামি।

গুরুতর অসুস্থ হলে গত বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্রী আফিয়া জাহান চৈতীকে সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তার ক্যান্সার হয়েছে। সে অনুযায়ী চিকিৎসাও চলে। তবে বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা জানায়, ক্যান্সার নয়, ওই ছাত্রী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এজন্য অনেক রক্ত লাগবে বলে চিকিৎসকরা জানান। কিন্তু অভিভাবক রিপোর্ট দেখতে চাইলে দেখানো হয়নি। এর একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তাকে ক্লিনিক্যাল ডেথ ঘোষণা করা হয় বলে সহপাঠিরা জানান।

ওই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্ষুব্ধ সহপাঠীরা হাসপাতালটিতে ভাঙচুর শুরু করে।

এ ঘটনায় ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আমজাদ আলী বাদী হয়ে নয়জনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন- অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ, কাশেম ইউসুফ, ডা. মর্তুজা, লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম মাতলুবুর রহমান, ডা. মাসুমা পারভীন, ডা. জাহানারা বেগম মোনা, ডা. মাকসুদ পারভীন ও ডা. তপন কুমার  বৈরাগী এবং হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এম এ কাশেম। মামলার পর হাসপাতালের পরিচালক এম এ কাশেমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বেরোবিতে শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত 

222

ইসমাইল রিফাত, বেরোবি, ১৭ মে : বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)  “বঙ্গবন্ধু পরিষদ” এর আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন  দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত আলোচনা সভাটি গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. আর এম হাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে বেলা ১১ টায় রসায়ন বিভাগের গ্যালারি রুমে অনুষ্ঠিত হয়।

আলেচনা সভায় বক্তব্য রাখেন; পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোঃ গাজী মাজহারুল আনোয়ার তিনি বলেন, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই সময়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না করলে হয়তো  আমরা এমন গণতান্ত্রিক দেশ দেখতে পারতাম না। মুক্তিযোদ্ধের চেতনাও হারিয়ে ফেলতাম।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস কে কেন্দ্র করে লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোঃ জুবায়ের ইবনে তাহের বলেন, দিবস টি এখন পর্যন্ত আড়ালেই রয়ে গেছে , এটা জাতির কাছে তুলে ধরার জন্য গবেষণা করতে হবে। এ দিনটি আমাদের উপলদ্ধি করার বিষয়।

রসায়ন বিভাগের  প্রভাষক মোঃ নুরুজ্জামান খান এর স ালনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণয়োগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক তাবিউর রহমান প্রধান, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এইচ এম তারিকুল ইসলাম ও প্রভাষক অবিনাশ চন্দ্র সরকার , পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক মোঃ বিপুল হোসেন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, দিবসটি উপলক্ষে বিশ^বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে যোহর নামায বাদ  মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়েজন করা হয়।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঢাবি হলের পুকুরে ডুবে ছাত্রের মৃত্যু 

77

ঢাবি, ১৫ মে : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জহুরুল হক হলের পুকুরে ডুবে জনি (১৯) নামের এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।  আজ সোমবার সকালে ওই ছাত্রকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপলাইড ক্যামিস্ট্রি বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন তিনি।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জহুরুল হক হলের পুকুরে সাতার কাটতে গিয়ে ডুবে যায় জনি। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে বেলা সোয়া ১১টার দিকে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় নেপ ডিজি নিহত 

777

চট্টগ্রাম, ১৩ মে : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক মো. ফজলুর রহমান (৫৫) নিহত ও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

শনিবার সকালে উপজেলার নাজিরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফজলুল রহমানসহ ৬ জন মাইক্রোবাসে করে চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি যাচ্ছিলেন।

পথে ওই এলাকায় বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে মাইক্রোবাসের সবাই গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা ফজলুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যরা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মোহাম্মদ জহির জানান, সকালে দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ফজলুল রহমানকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে এখানে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ফজলুর রহমানের বাড়ি ময়মনসিংহ শহরের কালিবাড়ী রোড এলাকায়। তিনি বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৯৮২ (স্পেশাল) ব্যাচের একজন সদস্য।

ফজলুর রহমান যুগ্ম সচিব ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি তিনি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), ময়মনসিংহ’র মহাপরিচালক পদে যোগদান করেন।

এছাড়া ফজলুর রহমান উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, থানা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও উন্নয়ন), মেরিন সেফটি অফিসার ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট, উপ-সচিব ও ডিআইজি (প্রিজন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভালো কলেজে ভর্তি নিয়ে টেনশন 

165

ঢাকা, ৭ মে : মাধ্যমিকে অভাবনীয় ফলাফল করে পাসের আনন্দে শিক্ষার্থীরা আত্মহারা। সেই রেশ না কাটতেই তাদের কপালে এখন দুশ্চিন্তার ভাঁজ। একাদশ শ্রেণিতে কোথায় ভর্তি হবে? ভর্তিচ্ছু ও তাদের অভিভাবকদের এ টেনশনের মধ্যে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে অনলাইনে আবেদন শুরু হচ্ছে ৯ মে। ওইদিন থেকে ৩১ মে পর্যন্ত অনলাইন ও এসএমএসে আবেদন নেয়া হবে। ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন কলেজে ভর্তির খোঁজখবর নেয়া শুরু করেছে। অনেকেই ভিকারুননিসা, মতিঝিল আইডিয়াল, নটরডেম, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজসহ নাম করা কলেজে খোঁজ নিতে শুরু করেছেন।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন। জিপিএ-৫ এর চেয়ে কম কিন্তু জিপিএ-৪ কিংবা তার চেয়ে বেশি পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ জন। প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থীর লক্ষ্য নাম করা কোনো কলেজে ভর্তি হওয়া। ভালো বলে বিবেচিত কলেজগুলোতে এবারের ভর্তি যোগ্য আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। এগুলোর মধ্যে সব জিপিএ-৫ ধারীর প্রথম পছন্দ হচ্ছে ছেলেদের জন্য নটরডেম কলেজ, সিটি কলেজ ও রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ। সরকারি কলেজগুলোর মধ্যে ঢাকা কলেজ পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। মেয়েদের প্রথম পছন্দ ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং হলিক্রস কলেজ। এছাড়া জেলা শহরে অবস্থিত সরকারি কলেজগুলোই প্রথম পছন্দ থাকবে। এই হিসেবে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও অন্তত ৫৫ হাজার শিক্ষার্থী পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। ফল হাতে পাওয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ভর্তি নিয়ে উৎকণ্ঠায় সময় পার করছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকার কলেজগুলোর মধ্যে ভালোমানের কলেজ হিসেবে পরিচিত নটরডেম কলেজে ২ হাজার ১৪০, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৯৯০, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৬৫০, ঢাকা কলেজে এক হাজার ১০০, হলিক্রস কলেজে ৪৯০, ঢাকা কমার্স কলেজে ৯০০, সরকারি বিজ্ঞান কলেজে ৪৭৫, বদরুন্নেছা কলেজে ৮২০, ঢাকা সিটি কলেজে এক হাজার ১৮০, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে ৪৫৫টি আসন আছে। এছাড়া লালমাটিয়া গার্লস কলেজে ৬১৫, মতিঝিল মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৩২, ঢাকা বিজ্ঞান কলেজে ৩৭০, বিএএফ শাহীন কলেজে ৬০৬, তেজগাঁও কলেজে ৪০২, শেখ বোরহানউদ্দিন কলেজে ১৯৯, রাইফেলস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫৬৫, অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৯৮, সরকারি গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে ১৪০, নবকুমার ইনস্টিটিউশনে ১০০, এসওএস হারম্যান মেইনার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১০৩, সরকারি বাংলা কলেজে ৯৭২, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় ইউনিভার্সিটি কলেজে ২০৭, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০৯, সেন্ট যোসেফ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩৪, নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজে ২১৪, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৬০, সিদ্ধেশ্বরী কলেজে ৬৭১, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজে ৬৫১, শেরেবাংলা বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩০৯, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে এক হাজার ৪৮৫ ও ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজে ৫১৪টি আসন রয়েছে।

সরকার ইতোমধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সময়সূচি ঘোষণা করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, এবারের পুরো ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনেই সম্পন্ন হবে। কোনো শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পারবে। অনলাইনে মোট আবেদন (৫ থেকে ১০ কলেজ) ফি ১৫০ টাকা। এসএমএসের মাধ্যমেও আবেদন করা যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে প্রতি কলেজে আবেদনের জন্য ১২০ টাকা ব্যয় করতে হবে। তবে অনলাইন (www.xiclassadmission.gov.bd) এবং এসএমএস মিলিয়ে কোনোভাবেই ১০টির বেশি কলেজে ভর্তির আবেদন করা যাবে না।

এবারের ভর্তি কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। ১ জুলাই একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে। শিক্ষার্থীরা আবেদন করার পর প্রথম মেধা তালিকা ৬ জুন প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয় মেধা তালিকা ১৩ জুন এবং তৃতীয় তালিকা ১৮ জুন প্রকাশ হবে। গত বছর তালিকা প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের কলেজে গিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে হয়েছে। এ জন্য কলেজে ভর্তির টাকা জমা দিতে হয়েছে। কিন্তু পরের তালিকায় পছন্দের কলেজ পেলে আগে ভর্তি হওয়া কলেজ থেকে আর টাকা ফেরত দেয়া হয়নি। এ জন্য চলতি বছর কাছাকাছি সময়ে তিন তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর শুরু হবে ভর্তি। ১৮ জুন তৃতীয় তালিকা প্রকাশের পর ২০ জুন ভর্তি শুরু হবে। দুই দফায় ২৯ জুন পর্যন্ত চলবে। এর আগে প্রতিটি তালিকা প্রকাশের পর পছন্দের কলেজ পেলে সেখানে ১৮৫ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক নয়।

কলেজে ভর্তিতে এবারো তিন ক্যাটাগরি করা হয়েছে। সেশন চার্জসহ মফস্বলের কলেজে ভর্তি ফি ১ হাজার, জেলা সদরে ২ হাজার, ঢাকা বাদে মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকা। ঢাকা মেট্রোপলিটনে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার, আধা এমপিও বা নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা নেয়া যাবে। উন্নয়ন ফি ৩ হাজার টাকার বেশি নয়। কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নেয়া যাবে না। সব ধরনের ফি রসিদের মাধ্যমে নিতে হবে।

ভর্তিতে এবারো কোটা পদ্ধতি থাকছে। ৮৯ শতাংশ মেধায় ভর্তি হবে। বাকি ১১ শতাংশের মধ্যে ৫ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা, ৩ ভাগ আসনে সংশ্লিষ্ট কলেজের বিভাগীয় এবং জেলা সদরের বাইরের শিক্ষার্থী, ২ শতাংশ আসনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, দশমিক ৫ শতাংশ আসনে প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষক-কর্মচারী এবং দশমিক ৫ শতাংশ আসনে বিকেএসপি ও প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট থাকবে। বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা সনদের সমমান নিশ্চিত করে ভর্তি হতে পারবে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও ভর্তি উন্মুক্ত থাকছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সবচেয়ে কম পাসের হার মাদ্রসা শিক্ষাবোর্ডে 

5500

ঢাকা, ৪ মে : মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম পাশের হার মাদ্রসা শিক্ষাবোর্ডে ৭৬ দশমিক ২০ ভাগ।

শিক্ষা বোর্ডে গড়ে পাসের হার ৮০ দশমিক ৩৫। গত বছর এ পাসের হার ছিল ৮৮ দশমিক ২৯ ভাগ। এবার ৭ দশমিক ৯৪ ভাগ কম শিক্ষার্থী পাস করেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেন। এ সময় শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফলাফলে আরো বলা হয়েছে, এ বছর মোট পাস করেছে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ চার হাজার ৭৬১ জন।

দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করবেন।

এ বছর দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। গত বছরের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এক লাখ ৩৫ হাজার ৯০ জন বেশি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

যেভাবে জানা যাবে এসএসসির ফলাফল 

589

ঢাকা, ৪ মে : এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এসময় বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেয়া হবে। বেলা ১টা থেকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অনলাইন এবং এসএমএসে ফল জানতে পারবে।

এবার সারা দেশে ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন পরীক্ষার্থী ছিল। ২ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শুরু হয়ে ২ মার্চ শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা ৪ মার্চ শুরু হয়ে ১১ মার্চ পর্যন্ত চলে।

আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এসএসসি, মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল www.educationboardresults.gov.bd-এ ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এ ওয়েবসাইট থেকে ফল ডাউনলোডও করা যাবে।

প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকেও ফল নিতে পারবে প্রতিষ্ঠানগুলো।

এসএমএস করেও ফল জানা যাবে। এসএসসির ফল পেতে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৭ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে। (উদাহরণ : SSS DHA 123456 2017)।

দাখিলের ফল জানতে DAKHILলিখে MAD লিখতে হবে। আর কারিগরির ক্ষেত্রে SSC লিখে TEC লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৭ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর