২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
সকাল ৭:১৩, রবিবার

৩ মাস চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরলেন খাদিজা

৩ মাস চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরলেন খাদিজা 

555

ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি :ম সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি) প্রায় তিন মাসের চিকিৎসা শেষে সিলেটের বাড়িতে ফিরেছেন কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে খাদিজাকে পরিবারের কাছে তুলে দেন তাঁর চিকিৎসক সাঈদ উদ্দিন হেলালসহ সিআরপির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।
এর পর বেলা ১টার দিকে বিমানে করে সিলেটের এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান খাদিজা। পরে বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে সিলেট সদর উপজেলার আউশা গ্রামে নিজ বাড়িতে পৌঁছান তিনি। খাদিজার চিকিৎসক সাঈদ উদ্দিন হেলাল জানান, খাদিজা এখন সিআরপির চিকিৎসা সেবা নিয়ে পুরোপুরি সুস্থ। বাড়িতে গিয়ে তিনি আবারও পড়াশোনা শুরু করার ইচ্ছে জানিয়েছেন।

খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস জানান, খাদিজা বাড়িতে এসেছেন। বাড়িতে ফিরে আসায় সবাই খুশি। আর কোনো খাদিজা যেন নৃশংসতার শিকার না হন, এমনটাই চাও পরিবারের। খাদিজার ওপর হামলাকারী বদরুল আলমের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন আবদুল কুদ্দুস। সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা গত বছরের ৩ অক্টোবর বিকেলে এমসি কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে বিএ (পাস) পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় হামলার শিকার হন। তাঁকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম। ঘটনার পর জনতা ধাওয়া করে বদরুলকে ধরে পুলিশে দেয়।

সংকটাপন্ন অবস্থায় খাদিজাকে প্রথমে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর খাদিজার অবস্থার উন্নতি হলে গত ২৮ নভেম্বর তাঁকে সিআরপিতে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে ১ ফেব্রুয়ারি এক সপ্তাহের জন্য বাড়ি গিয়েছিলেন খাদিজা। গতকাল বৃহস্পতিবার সিআরপি কর্তৃপক্ষ সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, খাদিজা এখন প্রায় সুস্থ। তিনি দু-এক দিনের মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারবেন। তবে পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তাঁকে আরও কয়েক বছর চিকিৎসা নিতে হবে। খাদিজার ওপর হামলার ঘটনায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলাটি সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বদরুল এই মামলার একমাত্র আসামি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

“শুদ্ধ বাংলা চর্চার বর্তমান অবস্থা ও আমাদের করনীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

27

নাহিদ হাসান, ঢাবি, ২০ ফেব্রুয়ারি : ঢাবিতে চেতনা পরিষদের-চেতনায় বাংলাদেশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাস্কের যৌথ আয়োজনে বংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে আমরা” শীর্ষক মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ ফেব্রুয়ারী বিকালে বাংলা একাডেমির সামনে মানববন্ধন শেষে সন্ধ্যায় চেতনা পরিষদের সভাপতি জাহিদ সোহেলের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের শহিদ মুনির চৌধুরী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ হোসেন মনসুর ও প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও চিন্তাবিদ অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম ফজলুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই নিউজের সম্পাদক আলী নিয়ামত, বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আহমেদ উল্লাহ ভুইয়া, এডভোকেট মোশাররফ হোসেনসহ অন্যোন্য নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোঃ হোসেন মনসুর বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি, বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে পেয়েছি। ভাষাআন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের বংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকে বংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে যে আলোচনা হলো ভবিষ্যতে বাংলাভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করি।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে চেতনা বিশিষ্ট চিন্তাবিদ অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হলে এই অঞ্চলের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে, আমাদের পড়াশুনা করতে হবে। তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো আমাদের করণীয় সম্পর্কে। ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দুন মজলিশ খুবই জনপ্রিয় পরর্তীকালে তমুদ্দুন মজলিশও জোটগত রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলো। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েই আমাদের বাংলা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হবে। শুদ্ধ বাংলা ভাষা চর্চার প্রসারের ক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে একনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে। নাসিরনগর, গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন জায়গায় ধর্মের নামে যে সহিংসতা হয়েছে তা কোন ধর্মের মৌলিক শিক্ষার সাথে সংহতিপূর্ণ নয়, এগুলো সন্ত্রাসবাদী ধারা। কাজেই আমাদের দেশ ভাষা ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ইতিহাস চর্চার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক এস এম নাহিদ হাসান নয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চেতনা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ড. মোঃ আলমগীর হোসেন।

আলোচনা শেষে মোঃ দুলাল মিয়াকে সভাপতি ও এস এম নাহিদ হাসান নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে চেতনা পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয় ও নতুন কমিটিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মোঃ মুহিব, যুগ্নসাধারণ সম্পাদক মোসা. নাছরিন জেবিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোঃ জিদান, মোঃ সিরাজ মিয়া, মোঃ নাসিম প্রমূখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

“ঢাবিতে বাংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে আমরা” শীর্ষক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত 

130db44974eb935424e6865ec8e7f9ed

নাহিদ হাসান, ঢাবি, ১৯ ফেব্রুয়ারি : ঢাবিতে বিশ্বের প্রথম ধূমপান ও মাদক বিরোধী সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাস্ক ও চেতনা পরিষদের যৌথ আয়জনে ‘বাংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে আমরা’ শীর্ষক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ ফেব্রুয়ারী বিকালে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সংগঠক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই নিউজের সম্পাদক আলী নিয়ামত, প্রধান আলোচক ছিলেন চেতনা পরিষদের সভাপতি জাহিদ সোহেল, বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মোঃ আলমগীর হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই নিউজের প্রতিনিধি মাহতাবুর রহমান মুরাদসহ অন্যোন্য নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলী নিয়ামত বলেন, বাংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজকে বাংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধে ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাস্ক যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তার জন্য সাধুবাদ জানাই। আগামীতে এ আন্দোলনে মাধ্যমে বাংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধ ও শুদ্ধ বাংলা চর্চার এ আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে এটা আমি বিশ্বাস করি।

প্রধান আলোকের বক্তব্যে চেতনা পরিষদের সভাপতি জাহিদ সোহেল বলেন, লাখো শহিদের রক্তে ভেজা এই মাটিকে পরিচ্ছন্ন রাখবো ও শুদ্ধ বাংলার চর্চা করতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

ঢাবি সাস্ক সভাপতি এস এম নাহিদ হাসান নয়ন বলেন, বাংলা ভাষাই বিশ্বের একমাত্র রক্তে কেনা ভাষা। এই ভাষার মর্যাদা রক্ষার্থে আমাদেরকে বাংলাভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃতি রোধ ও শুদ্ধ বাংলা চর্চা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাবি সাস্ক সভাপতি এস এম নাহিদ হাসান নয়নের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাস্কের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, সাস্কের প্রচার সম্পাদক গোলাম আজম প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

সাভারে স্কুলের পাশে দুর্বৃত্তদের কোপে ৩ ছাত্র আহত 

77

সাভার, ১৮ ফেব্রুয়ারি : সাভারে একটি স্কুলের পাশে তিন ছাত্রকে কুপিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উপজেলার ব্যাংক কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কোপে আহত তিনজন সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকার অ্যাসেড স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। তারা হলো- রিফাত (১৫), সাব্বির (১৫) ও সাদমান আলম রিসাদ (১৫)। তাদের বাড়ি সাভারের বিভিন্ন এলাকায়।

আহত তিনজনের মধ্যে রিফাতকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে সাব্বির ও রিসাদকে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অ্যাসেড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের ঘটনায় তালবাগ এলাকার মঞ্জু নামের এক যুবকের সঙ্গে বিরোধ চলছিল উল্লিখিত তিন ছাত্রের। আজ সকালে ওই তিন ছাত্র স্কুলের পাশে একটি ভবনের সিঁড়িতে বসেছিল। এ সময় মঞ্জুর  ভাড়াটে  শোয়েব, নোমান, রিজু ও সাব্বির ওই তিনজনের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। পরে তাদের কুপিয়ে জখম করে সঙ্গে থাকা  টাকা ও তিনটি মুঠোফোন লুট করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন আহত তিনজনকে হাসপাতালে নেয়।

এ ঘটনার পর থেকে মঞ্জু নামের ওই যুবক পলাতক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান জানান, এ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

জাহাঙ্গীরনগরের ২১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার 

2314

জাবি, ১৫ ফেব্রুয়ারি : ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, মারামারিসহ পৃথক পাঁচটি অভিযোগে ২১ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের শিক্ষা শাখা সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষা শাখা সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় ২১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, বহিষ্কৃত ২১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীও আছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

নিজস্ব ক্যাম্পাসে না যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী 

gb662h9h-copy

ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি : নুরুল ইসলাম নাহিদ। ফাইল ছবিযেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো নিজস্ব ক্যাম্পাসে যায়নি, সেগুলোতে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

আজ রোববার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের ১৮তম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের প্রতিনিধি হিসেবে সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী। সমাবর্তনে ১ হাজার ৪১৯ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হয়।

বর্তমানে দেশে ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে পুরোনো ৫১টিকে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য চার দফায় সময় দেয় সরকার। সর্বশেষ সময় শেষ হয়েছে গত মাসে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছে, পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মাত্র ১২টি পূর্ণাঙ্গভাবে নিজস্ব ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাকি ৩৯টি এখনো পুরোপুরিভাবে যেতে পারেনি। এদের কেউ কেউ নিজস্ব ক্যাম্পাসে আংশিক কার্যক্রম শুরু করেছে। কেউ কেউ ক্যাম্পাস নির্মাণ করছে। কেউ কেউ এখনো নির্মাণকাজ শুরু করেনি। একটি আইনানুযায়ী জমিই কেনেনি।

এমন প্রেক্ষাপটে শিক্ষামন্ত্রী এই হুঁশিয়ারি দিলেন। তিনি বলেন, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো তাদের ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি। এভাবে তারা বেশি দিন চলতে পারবে না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় সফল হতে পারেনি, শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছে, যারা নিজস্ব ক্যাম্পাসে যায়নি, যারা একাধিক ক্যাম্পাসে পাঠদান করাচ্ছে, তারা আইনানুসারে সঠিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চালাতে না পারলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবারে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ। তিনি শিক্ষার্থীদের পরিবর্তনশীল বিশ্বের উপযুক্ত নাগরিক হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘তোমাদের অধিকাংশই নিজের ক্যারিয়ার তৈরি, কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি ও নিজেদের পরিবার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। কিন্তু নিজের জন্য নয়, সমাজের জন্য কী করেছ, সেটাই হয়ে থাকবে বিশ্ব মানচিত্রে তোমাদের সাফল্যের ছাপ।’

সমাবর্তনে আরও বক্তব্য দেন ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক এম ওমর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রাশেদ চৌধুরী প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বেরোবিতে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনের বইমেলা 

ইসমাইল রিফাত, বেরোবি, ৯ ফেব্রুয়ারি : বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা স্বারক প্রাঙ্গনে রবিবার থেকে ৪ দিনব্যপী বইমেলা শুরু হচ্ছে।  বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন “গুনগুন-রণন” এই বই মেলার আয়োজন করবে।

বইমেলাটি প্রথমদিন রবিবার সকাল ১০ টা থেকে নানা আয়েজন মধ্যদিয়ে শুরু হয়ে বিকাল ৬টা পর্যন্ত চলবে এবং বাকী তিনদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলাটি সবার জন্য উন্মক্ত থাকবে। পাশাপাশি স্বাধীনতা স্মারকে প্রতিদিন বিকেলে থাকবে বিভিন্ন সংগঠনের সাংস্কৃতিক অংশগ্রহন।

একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাহপক ও সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুনগুন এর সভাপতি উমর ফারুক বলেন, বেগম রোকেয়ো বিশ^বিদ্যালয়ে এই প্রথম “গুনগুন-রণন” এর আয়োজনে বই মেলা হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ গড়ে তুলতে এ ধরনের মেলা গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশা করেন।

বইমেলাটিতে বিশ^বিদ্যারয়ের ও রংপুরের ১৬ টি সংগঠন/প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করবে। মেলায় অংশগ্রহন প্রতিষ্ঠান গুলো হলো – বেরোবির অন্যতম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুনগুন, বিশ^ সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, রংপুর শাখার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ,অ্যাড আইডিয়া পাবরিকেশন, লাইফ ইজ বিউটিফুল (বেরোবি), বাংলাদেশ  উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী  বেরোবি শাখা), বিজ্ঞানচেতনা পরিষদ (রংপুর), সেচ্ছা রক্তদান সংগঠন বাঁধন( বেরোবি শাখা), বেরোবির স্ংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রণন, সুহৃদয় সমাবেশ (সমকাল, বেরোবি শাখা), রিভাইন পিপল (বেরোবি শাখা), বই তরঙ্গ, বেরোবি শাখার পাঠচক্র  (বিশ^সাহীত্য কেন্দ্রে), ইএস ফাউন্ডেশন ( বেরোবি শাখা), বিভাগীয় লেখক পরিষদ (রংপুর) এবং বেগম রোবেকয়া বিশ^বিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি।
উল্ল্যেখ্য, বইমেলাটির আয়োজনে সৌজন্য পার্টনার হিসেবে থাকবে প্রাণ-আরএফএল।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

‘প্রশ্নফাঁস রোধে অভিভাবকদের সহযোগিতা চাই’ 

44411

ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘প্রশ্ন ফাঁস হওয়া আমরা বন্ধ করেছি। প্রশ্নফাঁস রোধে অভিভাবকদের সহযোগিতা চাই। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন। আমরা উন্নত শিক্ষায় ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করতে চাই।’

আজ বৃহস্পতিবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর পর ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে অভিভাবকদের সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় আমরা নতুন পরিবর্তন আনছি। এতে আপনারা হতাশ হবেন না। ভুলের মধ্যেই আমাদের শিখতে হবে।

মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে একজন অভিভাবক পাবলিক পরীক্ষায় দুটো বিষয়ের পরীক্ষার মধ্যে আরও সময় রাখার দাবি জানান।

এ সময় নাহিদ বলেন, ভবিষ্যতে দুই বেলা পরীক্ষা নেওয়া হবে, সেই প্রস্তুতি নিন। আগে পাঁচ দিনে সব পরীক্ষা নেওয়া হতো।

এ সময় শিক্ষাসচিব, ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু 

01

ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি : এসএসসি ও সমমানের ২০১৭ সালের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে একযোগে সারাদেশে এ পরীক্ষা হচ্ছে।

এসএসসিতে প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র, সহজ বাংলা প্রথমপত্র এবং বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রথমপত্রের পরীক্ষা হচ্ছে।

মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভোকেশনালে বাংলা-২ (১৯২১) আর দাখিল ভোকেশনালে নতুন সিলেবাসে বাংলা-২ (১৭২১) সৃজনশীল ও পুরাতন সিলেবাসে বাংলা-২ (১৭২১) সৃজনশীল বিষয়ের পরীক্ষা হচ্ছে।

শুরুতেই সকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রাজধানীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন।

এবার মোট পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৯০ জন।

এবার আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ জন। মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিলে পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫০১ জন ও কারিগরি বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪ হাজার ২১২ জন।

এবার প্রশ্নপত্রে এমসিকিউ অংশের ১০ নম্বর কমিয়ে সৃজনশীলে ১০ নম্বর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হলে সেখানে এমসিকিউ অংশের নম্বর হবে ৩০ এবং সৃজনশীল অংশের নম্বর হবে ৭০।

সময়সূচি অনুযায়ী তত্ত্বীয় পরীক্ষা আগামী ২ মার্চ শেষ হবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ৪ মার্চ শুরু হয়ে ১১ মার্চ শেষ হবে।

সবার জন্য পরীক্ষার সময় তিন ঘণ্টা। তবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এ ধরনের প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেয়া হবে।

আর অটিস্টিক ও ডাউন সিনড্রোম প্রতিবন্ধীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবে এবং শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহায়তায় পরীক্ষা দিতে পারবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার 

1479269932

ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি : এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এবার পরীক্ষায় ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

এরমধ্যে ৯ লাখ ১০ হাজার ৫০১ জন ছাত্র এবং ৮ লাখ ৭৬ হাজার ১১২ জন ছাত্রী।

চলতি বছর পরীক্ষায় এক লাখ ৩৫ হাজার ৯০ শিক্ষার্থী বেড়েছে। এরমধ্যে ছাত্রী ৬৭ হাজার ৫২২ ও ছাত্র বেড়েছে ৬৭ হাজার ৫৬৮ জন।

গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এরমধ্যে ছাত্র ৮ লাখ ৪২ হাজার ৯৩৩ ও ছাত্রী ছিল ৮ লাখ ৮ হাজার ৫৯০ জন।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবার আটটি বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ১৪ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫০১ ও এসএসসি ভোকেশনালে (কারিগরি) এক লাখ ৪ হাজার ২১২  শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে।

বিদেশে আটটি কেন্দ্রের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ সব কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৪৬ জন।’

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত 

2

সোহেল আহসান নিপু, ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি : বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসব রোববার (জানুয়ারী ২৯,২০১৭) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির (বিইউ) বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার এম.এ. গোলাম দস্তগীর। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভুঁইয়া, বিইউ’র রেজিস্ট্রার মেজর (অবঃ) নিয়াজ মোহাম্মদ খান প্রমুখ।

পিঠা উৎসবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ২৬ তম ব্যাচ চ্যাম্পিয়ান,  ৩১ তম ব্যাচ প্রথম রানার্স আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। উৎসব শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন স্বনামধন্য লেখক, শিক্ষাবিদ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (তথ্য) হোসনে আরা শাহেদ। জনপ্রিয় ক্রীড়া লেখক এবং দৈনিক কালের কন্ঠের ক্রীড়া বিভাগের উপ-সম্পাদক মোস্তফা মামুন প্রমুখ।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ কামরুল হাসান পিঠা উৎসব পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন।

দিনব্যাপী পিঠা উৎসবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

রুয়েটে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট 

211

রাবি, ২৮ জানুয়ারি : পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জনের পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

এর আগে ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে প্রশাসন ভবনের সামনে আন্দোলন করে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রুয়েটের ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জনের সিস্টেম বাতিলের দাবিতে অবস্থান নিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এক বর্ষ থেকে আরেক বর্ষে উত্তীর্ণ হতে তাদেরকে ৪০ ক্রেডিটের মধ্যে ন্যূনতম  ৩৩ ক্রেডিট অর্জন করার নিয়ম করা হয়েছে। এর আগে কেউ এই ক্রেডিট অর্জন করতে না পারলেও পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারতো। পরবর্তীতে পরীক্ষা দিয়ে ক্রেডিট পূরণের সুযোগ ছিল। কিন্তু ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ পদ্ধতি তুলে নেয়া হয়েছে। এখন কোনো শিক্ষার্থী যদি ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন করতে না পারে তবে  সে পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারবে না। তাকে আগের বর্ষে থেকে পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন করতে হবে।

বাধ্যতামূলক ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জনের নিয়ম বাতিলের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা এই ক্রেডিট নিয়ম বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয়।  এতে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলো হলো-  পরবর্তী সিদ্ধান্তে আসা পর্যন্ত ইতিমধ্যে নোটিশকৃত সকল ব্যাকলগ পরীক্ষা স্থগিত করতে হবে, ৩৩ ক্রেডিট সিস্টেম বাতিল করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে।

এ বিষয়ে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল আলম বেগ বলেন, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তক্রমে পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য শিক্ষার্র্থীদের ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট প্রাপ্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ দুই সেমিস্টারে ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন করতে ব্যার্থ হলে ব্যাকলগ পরীক্ষার মাধ্যমে এই ক্রেডিট অজর্ন করতে পারে। সেখানেও সে ন্যূনতম  ক্রেডিট পূরণ করতে ব্যার্থ হলে তাকে আগের বর্ষেই থাকতে হবে।

তাদের এ দাবি অযৌক্তিক উল্লেখ উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীরা চায় তারা ফেল করেও পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে। কিন্তু তা তো হওয়ার কথা না।

উপাচার্য শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তারা অযথা ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নেবে না। আর পরবর্তী বর্ষে ওঠার জন্য আন্দোলন করবে তা তো হতে পারে না।।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভুলে ভরা পাঠ্যবই প্রত্যাহার চান ৮৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি 

z2tgtyoy-copy

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি : পাঠ্যপুস্তকে সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় বৈষম্যমূলক বিষয় অন্তর্ভুক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ ও প্রগতিশীল লেখকদের লেখা বাদ দেওয়াসহ নানা অসংগতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের ৮৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁদের অভিযোগ, এ বছরের পাঠ্যপুস্তকে সাম্প্রদায়িক অপরাজনীতির সঙ্গে সরকারের আপসরফার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ হয়েছে। অবিলম্বে ভুলে ভরা পাঠ্যবইগুলো প্রত্যাহার ও নবীন শিক্ষার্থীদের সাম্প্রদায়িক ও কূপমণ্ডূক হওয়ার হাত থেকে রক্ষার দাবি জানান তাঁরা।

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা এই দাবি এবং বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইংরেজি বছরের প্রথম দিনে বিনা মূল্যে সব শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের সফলতা অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া পাঠ্যবইগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে গত কয়েক বছর ধরেই। চলতি বছরের পাঠ্যবইগুলোতে ছাপার ভুল, বানান-তথ্য বিকৃতি নিয়ে বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ঘটনাগুলোকে দায়িত্বে অবহেলা হয়েছে বলে চালানোর চেষ্টা করা হলেও ধীরে ধীরে বের হয়ে এসেছে এসব বিকৃতির পেছনের ঘটনা। পশ্চাৎপদ ও মৌলবাদের তোষণনীতির কারণেই পাঠ্যপুস্তকে এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে। এর পেছনে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির যে ভয়ানক বিস্তার রয়েছে, তা গত কয়েক বছর ধরেই স্পষ্ট। এ বছরের পাঠ্যপুস্তক সেই সাম্প্রদায়িক অপরাজনীতির সঙ্গে সরকারের আপসরফারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের অনুমোদিত পাঠ্যপুস্তকগুলোতে যে ভুল ও তথ্য বিকৃতির ছড়াছড়ি, একটু লক্ষ করলেই বোঝা যায়, এটি তিন ধরনের। বানান ও তথ্যগত বিকৃতি, বাক্য গঠনে ভুল এবং মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তির অনুপ্রবেশ ঘটানো।

এক ও দুই নম্বর ভুলগুলো সঠিক পরিকল্পনা এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে হচ্ছে। কিন্তু তৃতীয় ভুলটি পরিকল্পিত। যাঁরা করছেন, তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবেই একটি সাম্প্রদায়িক জাতিরাষ্ট্র গঠনের জন্য এই কাজটি করে চলছেন।…শিশুদের মগজে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাম্প্রদায়িক বিষ এবং তার বিস্তার ঘটানো হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে।

পাঠ্যপুস্তকে দলীয়করণ ও তোষামোদী করার অভিযোগ তুলে তারও নিন্দা জানান বিশিষ্ট এই ব্যক্তিরা।
বিবৃতিদাতা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আহমেদ রফিক, কামাল লোহানী, যতীন সরকার, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হায়াৎ মামুদ, সৈয়দ হাসান ইমাম, হাসান আজিজুল হক, সনৎ কুমার সাহা, অজয় রায়, সফিউদ্দিন আহমদ, কাজী মদিনা, আবুল মোমেন, রামেন্দু মজুমদার, দ্বিজেন শর্মা, মামুনুর রশিদ, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, কবি আসাদ চৌধুরী প্রমুখ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ঢাবির জগন্নাথ হল থেকে ছাত্রের লাশ উদ্ধার 

23574

ঢাবি, ৪ জানুয়ারি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে অপু সরকার (২০) নামে এক ছাত্রকে নিথর অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত ঘোষণা করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অপুকে ওই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়।

হাসপাতালে নিয়ে আসা অপুর রুমমেট রতন কীর্তনিয়ার জানান, হলের অক্টোবর স্মৃতি ভবনের ৪৭৪ নম্বর কক্ষে থাকতেন অপু। তিনি অ্যাকাউন্টিং ২২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাড়ি মানিকগঞ্জের ধামরাইয়ে।

রতন সাংবাদিকদের বলেন, ‘অন্যান্য দিনের মতো মঙ্গলবার রাতে অপুসহ কক্ষে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুম থেকে না ওঠায় সকাল ৮টার দিকে অপুকে ডাকাডাকি করা হয়। কোনো সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে তাকে নিথর অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক অসীম সরকার অপুর রুমের অন্য সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনাটি জেনেছেন বলে জানিয়েছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

বেরোবিতে নতুন দুটি স্থাপনার উদ্বোধন ৪ জানুয়ারি 

2546

ইসমাইল রিফাত, বেরোবি, ২ জানুয়ারি : রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি নতুন স্থাপনার কাজের উদ্বোধন আগামী ৪ঠা জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। আগামী ৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সের অনুষ্ঠানের বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, দুটি স্থাপনার কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সেদিন সকাল ১০টায় মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গত ২৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য অত্যাধুনিক মানের আবাসিক শেখ হাসিনা হল (প্রস্তাবিত) এবং ড. ওয়াজেদ ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইন্সটিটিউট নামের দুটি স্থাপনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হঠাৎ করেই স্থগিত করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশল দফতর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসের দিকে টেন্ডার হওয়া এ ভবন দুটোর মধ্যে হল নির্মাণে ব্যয় হবে ৪৮ কোটি টাকা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির নির্মাণ ব্যয় হবে ২৬ কোটি টাকা।

এছাড়া ১০ তলা বিশিষ্ট হলটি হবে অত্যাধুনিক। মেয়েদের জন্য নির্মিত হলটিতে পার্লার, ব্যায়ামাগারের জন্যও আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা থাকবে। ২০১৮ সালের মধ্যে ইনস্টিটিউট দুটোর কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর