২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
সকাল ৭:০৯, রবিবার

তিন দিনেই হারল ভারত

তিন দিনেই হারল ভারত 

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারি : সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তিন দিনেই হেরে গেছে ভারত। ৪৪১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১০৭ রানেই অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা। নিজেদের মাঠে ৩৩৩ রানের বড় ব্যবধানে হারল ভারত।

শনিবার পুনেতে আগের দিনের ৪ উইকেটে ১৪৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে অজিরা। অধিনায়ক স্মিথ তার ৫৯ রানকে টেনে নেন ১০৯ পর্যন্ত, যাতে রয়েছে ১১টি বাউন্ডারি।

এ নিয়ে অজি দলনেতা ভারতের বিপক্ষে টানা পাঁচ টেস্টে শতক করার গৌরব অর্জন করলেন। আর মিশেল মার্শ আগের দিনের রানের সঙ্গে ১০ যোগ করে ব্যক্তিগত ৩১ রানে সাজঘরে ফেরেন। এরপর বলার মতো যা একটু রান করেছেন প্রথম ইনিংসে অর্ধশতক করা মিচেল স্টার্ক (৩০)।

অস্ট্রেলিয়া তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৫ রানে অলআউট হয়।

ভারতের পক্ষে তিন স্পিনার- রবীচন্দ্রন অশ্বিন (৪), রবীন্দ্র জাদেজা (৩) ও জয়ন্দ যাদব (১) মিলে ৮টি এবং পেসার উমেশ যাদব দুটি উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রথম ইনিংসে করেছিল ২৬০ রান। জবাবে ভারত তাদের প্রথম ইনিংসে ১০৫ রানেই অলআউট হয়। এতে ১৫৫ রানে এগিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া। সব মিলিয়ে ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৪১ রানের।

জবাব দিতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার স্পিনে দিশেহারা হয়ে পড়ে ভারত। স্টিভ ও’কেফে এবং নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে ১০৭ রানেই অলআউট হয় ভারত।

ও’কেফে ভারতের ৬ উইকেট তুলে নেন। মুরালি বিজয় (২), বিরাট কোহলি (১৩), অজিঙ্কা রাহানে (১৮), রবীচন্দন অশ্বিন (৮), ঋদ্ধিমান শাহ (৫) এবং চেতেশ্বর পূজারা (৩১) রান করে ও’কেফের বলে সাজঘরে ফেরেন।

এছাড়া লোকেশ রাহুল (১০), রবীন্দ জাদেজা (৩), জয়ন্ত যাদব (৫) এবং উমেশ যাদবকে (০) ফেরান নাথান লায়ন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কিউইদের উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা 

754

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারি : পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডকে ১৫৯ রানের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে প্রোটিয়ারা। ফলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেল এবি ডি ভিলিয়ার্সের দল।

ওয়েলিংটনে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কিউইরা ৩২.২ ওভার ব্যাট করে ১১২ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায়। যার ফলে ১৫৯ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রোটিয়াদের ওপেনার কুইন্টন ডি কক ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন। হাশিম আমলা ৭ রানে বিদায় নেন। তিন নম্বরে নেমে ফাফ ডু প্লেসিস করেন ৩৬ রান। অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাট থেকে আসে ইনিংস সর্বোচ্চ ৮৫ রান। তার ৮০ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার আর একটি ছক্কা।

এছাড়া জেপি ডুমিনি ১৬ রান করেন। ডেভিড মিলারের ব্যাট থেকে আসে ৩ রান। আর ৩২ বলে ৩৫ রান করেন ওয়েইন পারনেল।

কিউইদের হয়ে দুটি উইকেট তুলে নেন কলিন ডি গ্রান্ডহোম। একটি করে উইকেট লাভ করেন টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট, লুকি ফার্গুসন আর মিচেল স্যান্টনার।

২৭২ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নিউজিল্যান্ড। ওপেনার ডিন ব্রাউনলি ২, টম ল্যাথাম ০ রানে ফেরেন। তিন নম্বরে নামা দলপতি কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। ১৮ রান করেন রস টেইলর। শেষ দিকে কলিন ডি গ্রান্ডহোম অপরাজিত থাকেন ৩৪ রান নিয়ে।

প্রোটিয়াদের হয়ে তিনটি উইকেট দখল করেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। দুটি করে উইকেট তুলে নেন কেগিসো রাবাদা, ওয়েইন পারনেল আর অ্যান্ডিলে। একটি উইকেট পান ইমরান তাহির।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

স্মিথের শতকে ভারতের লক্ষ্য ৪৪১ 

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারি : অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের শতকে ভর করে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৫ রান করতে সমর্থ হয়েছে।

প্রথম ইনিংসে সফরকারীরা করেছিল ২৬০ রান। ফলে দুই ইনিংস মিলে ভারতের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৪১।

পুনের এই টেস্টে এখনও আড়াই দিনের মতো খেলা বাকি। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৫ রানে গুটিয়ে যাওয়া স্বাগতিক ভারত ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার দেয়া এত বড় টার্গেট এখনঅব্দি পেরোতে পারেনি।

এর আগে ২০০৪-০৫ সালে নাগপুরে ৫৪২ ও ব্যাঙ্গালুরে দেয়া ৪৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। দুটি টেস্টেই ভারত হেরে গিয়েছিল।

দ্বিতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া করেছিল ৪ উইকেটে ১৪৩ রান। অধিনায়ক স্মিথ তার ৫৯ রানকে টেনে নেন ১০৯ পর্যন্ত, যাতে রয়েছে ১১টি বাউন্ডারি।

এ নিয়ে অজি দলনেতা ভারতের বিপক্ষে টানা পাঁচ টেস্টে শতক করার গৌরব অর্জন করলেন। আর মিশেল মার্শ আগের দিনের রানের সঙ্গে ১০ যোগ করেন সাজঘরে ফেরেন ৩১ করে। এরপর বলার মতো যা একটু রান করেছেন প্রথম ইনিংসে অর্ধশতক করা মিশেল স্টার্ক, ৩০।

ভারতের পক্ষে তিন স্পিনার- রবীচন্দ্রন অশ্বিন (৪), রবীন্দ্র জাদেজা (৩) ও জয়ন্দ যাদব (১) মিলে ৮টি এবং পেসার উমেশ যাদব দুটি উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন পেলের ছেলে 

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৫ ফেব্রুয়ারি : কিংবদন্তি ব্রাজিল ফুটবলার পেলের ছেলে এডিনহো পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। মানি লন্ডারিং  ও মাদক পাচারের অভিযোগে সাবেক এই পেশাদার গোলরক্ষকের ১২ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

২০০৫ সালে প্রথম এই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়, তখন এর বিরুদ্ধে আপিল করে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি। তখন মুক্তি পেলেও ২০১৪ সালে তার ৩৩ বছরের কারাদণ্ড হয়। পরবর্তীতে আদালত শাস্তি কমিয়ে ১২ বছর ১০ মাস করেন, এবং জোর দিয়ে বলা হয় এর বিরুদ্ধে আপিল করলেও তাকে কারাবাস করতে হবে। এডিনহো সব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করে আসছেন।

সান্তোসের পুলিশ স্টেশনে আত্মসমর্পণ করতে এসে এডিনহো দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই। তিনি বলেন, আমি হতাশ কারণ আমি বিচার প্রক্রিয়ার বলি হতে যাচ্ছি। মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। একই অভিযোগে সান্তোসের ড্রাগ লর্ড বলে খ্যাত নালদিনহোকেও কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিবিসি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ও’কিফের বাঁ আর হ্যান্ডসকম্বের ডান হাতে ভারত ধ্বংসস্তূপ! 

wpchgjyw-copy

অনলাইন ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : সিরিজ শুরুর আগে অনেক পরিকল্পনাই করেছে ভারত। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং-বোলিং দেখা হয়েছে আতশকাচের নিচে। কিন্তু এতেও কোনো লাভ হলো না। শত শত সমীকরণেও যে পিটার হ্যান্ডসকম্বের ডান হাতের হিসাবটা ছিল না! হ্যান্ডসকম্বের হাতেই লেখা হলো ভারতের সর্বনাশ, ৮ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপ সময়ের সেরা ব্যাটিং লাইনআপ। আর স্টিভ ও’কিফের ৬ উইকেটে ১০৫ রানেই অলআউট ভারত!

বিভ্রান্ত হবেন না। পিটার হ্যান্ডসকম্ব বোলিং করেননি। রাজ্যদলে উইকেটকিপিং করা এই ব্যাটসম্যান সব ধরনের ক্রিকেট মিলেই শখ করে ১২ বল করেছেন। কিন্তু তাতে কী? অবিশ্বাস্য একটা ডান হাত তো আছে তাঁর! কী সব দুর্দান্ত ক্যাচ ধরলেন! উইকেটগুলো তো তাঁরই!

স্টিভ ও’কিফের একটি ঘূর্ণি অজিঙ্কা রাহানের ব্যাট ছুঁয়ে গেল স্লিপে। সেটা অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতায় হ্যান্ডসকম্ব পুড়ে নিলেন মুঠোয়। সে ক্যাচটা এতটাই দুর্দান্তভাবে ধরেছেন, ডানদিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরও হাতের ওপরের অংশটা মাটির ছোঁয়া পেল না!

একটু পরে নাথান লায়নের বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের রক্ষণাত্মক শটটা জুতোয় পড়ে আস্তে করে আবারও নেমে আসছিল উইকেটে। সিলি মিডঅনে দাঁড়ানো হ্যান্ডসকম্বের জন্য ওটুকুই যথেষ্ট। আবার ঝাঁপিয়ে পড়লেন, ছোবল দিয়ে উঠল তাঁর ডান হাত। আবারও টিভি আম্পায়ারের শরণ নিয়েও বিরস মুখে মাঠ ছাড়লেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান।

অবশ্য ভারতের পতনের সূচনাটা করেছেন লোকেশ রাহুল। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলছিলেন, অসাধারণ স্ট্রোক-প্লেতে মুগ্ধ করে দিচ্ছিলেন। হঠাৎই কী মনে হলো, ৩৩ ওভারের দ্বিতীয় বলে লং অফ দিয়ে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে মাঠের অর্ধেকটা পার করতে পারলেন। সে শট খেলে উল্টো যেভাবে কাঁধ চাপড়ে ধরলেন তাতে পরের ইনিংসেও ব্যাট করতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে না।

এক বল পরেই রাহুলের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়া রাহানে ফিরেছেন, হ্যান্ডসকম্বের সে ক্যাচে। ওভারের শেষ বলে ঋদ্ধিমান সাহাও গেলেন! পুরো সকাল ধরে বাজে বোলিং করা ও’কিফ এক ওভারেই নিলেন ৩ উইকেট!

পরের ওভারেই আবারও হ্যান্ডসকম্বের হাত ধরে ফিরেছেন অশ্বিন। ৩ উইকেটে ৯৪ রান থেকে ভারতের স্কোর ৯৫/৭! সেটা ও’কিফের বাঁহাতি স্পিনে ১০৫ রানে অলআউট লিখতে সময় লাগল না। গত এক যুগে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এত কম রানে ভারত অলআউট হয়নি। ২০০৪ সালে মুম্বাইয়ের ভয়ংকর পিচে ১০৪ রানে অলআউট হয়েছিল। সে টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেই ৯ রানে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন মাইকেল ক্লার্ক। আর আজ ও’কিফ ৬ উইকেট পেলেন ৩৫ রানে। শেষ ৫ রান ও ২৪ বলেই এসেছে সে ৬ উইকেট!

টানা তিন টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৬০০ পেরোনো ভারত আজ শেষ হয়ে গেল ১০৫ রানেই! নিজেদের মাঠে এর কম রানে মাত্র ১০বার অলআউট হয়েছে তারা!

অস্ট্রেলিয়াও অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম ওভারেই হারিয়েছে ডেভিড ওয়ার্নারকে। তখন তাদের রান ছিল ১০।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

১১ রানে ৭ উইকেট! 

77

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ভালো ব্যাটিং লাইনআপ ধরা হয় ভারতের। বিশেষ করে ভারতের অধিনায়ক রিবাট কোহলির অতি দানবীয় ইনিংস প্রতিপক্ষের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ। তাছাড়া চেতেশ্বর পূজারা, মুরালি বিজয় ও লোকেশ রাহুলের মতো ব্যাটসম্যানরাও কম যান না।

এতো লম্বা ব্যাটিং লাইন নিয়েও সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার দেয়া ২৬০ রানের জবাবে ১০৫ রানেই অলআউট হয়েছে ভারত। সবচেয়ে বড় বিষয় হল ভারতের শেষ ৭ উইকেটের পতন হয়েছে মাত্র ১১ রানে।

আর ভারতের ইনিংস একাই গুড়িয়ে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বোলার স্টিভ ও’ক্যাফে। তিনি মাত্র ৩৫ রান খরচায় তুলে নেন ৬ উইকেট। দুটি পান মিশেল স্টার্ক। আর বাকি দুই উইকেট ভাগ করে নেন জশ হ্যাজলেউড ও নাথান লায়ন।

৯৪ রানে ৩ উইকেট ছিল ভারতের। সেখান থেকে ১০৫ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেছেন ওপেনার লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ রান অজিঙ্কা রাহানে আর ১০ রান করেছেন মুরালি বিজয়। বাকিরা দুই অংকই ছুঁতে পারেননি। অধিনায়ক বিরাট কোহলি প্রায় ৩০ মাস পর শূন্য রানে আউট হয়েছেন।

ভারতের এমন ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটেছিল ২৭ বছর আগে। ১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছিল ভারত।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি শুরু টাইগারদের 

3652

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : নিউজিল্যান্ড ও ভারতে দুটো ব্যর্থ সফরের পর বছরের তৃতীয় সফরে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের বাইরে না খেলতে পারার আক্ষেপ ঘুচানোর পাশাপাশি এবার শুন্য হাতে ফিরতে চায়না টাইগাররা। আগামী ৭ মার্চ দুই টেস্টের সিরিজ দিয়ে শুরু হচ্ছে শ্রীলঙ্কা সফর। এরপর আছে ৩টি ওয়ানডে এবং ২টি টি-টোয়েন্টি।

এই নিয়ে টানা পাঁচটি টেস্ট খেলবে গত বছর মাত্র ২ টেস্ট খেলা বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে আজ থেকে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে প্রস্তুতি।

ভারত সফরের পর ১০ দিনের ছুটি পেয়েছিল টাইগাররা। কেউ ছুটি কাটিয়েছেন, আবার কেউবা জাতীয় ক্রিকেট লিগে খেলে নিজেদের ঝালাই করে নিয়েছেন। কারও ওপর আবার কোচের নির্দেশনা ছিল। তার মধ্যে একজন মমিনুল হক। অনেকদিন ধরে বড় ইনিংস খেলতে পারছেন না। তবে বিসিএলেও তার সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।

এছাড়া, সৌম্য সরকার, রুবেল হোসেন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, শুভাশিস রায় বিসিএলে খেলেছেন। এছাড়া মাশরাফিসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ফিট হওয়ার জন্য জিম করেছেন নিয়মিত।

অন্যদিকে বিসিএল খেলে কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান গিয়েছিলেন গ্রামের বাড়িতে ছুটি কাটাতে। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের ফেসবুক পেইজে দেখা যাচ্ছে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনের ছবি। অনুশীলন উপলক্ষে রাতেই চলে এসেছেন কোচ চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহে এবং ব্যাটিং কোচ থিলান সামারাবীরা।

আজ আসছেন সহকারী কোচ রিচার্ড হ্যালসল আর কাল ফিজিও ডিন কনওয়ে। শ্রীলঙ্কায় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ। এরই সঙ্গে শুরু হবে দর্শকদের আশায় বুক বাঁধার পর্ব।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

অস্ট্রেলিয়াকে ২৬০ রানে গুটিয়ে দিল ভারত 

377

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৪ ফেব্রুয়ারি : ভারতের বোলিং তোপে দাঁড়াতেই পারলো ভারত। প্রথম দিনেই অলআউট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হলেও স্টার্ক-হ্যাজেলউডের দশম উইকেট জুটিতে তা এড়ায় অস্ট্রেলিয়া। আজ শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের প্রথম ওভারেই আউট হয়ে গেছেন দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখানো মিচেল স্টার্ক। দু’জনের ৫৫ রানের পার্টনারশিপের কল্যাণে প্রথম ইনিংসে অজিদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২৬০। জবাবে ইতোমধ্যেই ব্যাটিংয়ে নেমেছে ভারত।

বৃহস্পতিবার পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। ৮২ রানের ওপেনিং জুটিতে ভালো শুরু এনে দেন ডেভিড ওয়ার্নার (৩৮) ও ম্যাট রেনশ (৬৮)। ভারতের মাটিতে সবচেয়ে কম বয়সী অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান হিসেবে পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস খেলার রেকর্ড গড়েন বিশ বছর বয়সী রেনশ।

ওয়ার্নারের বিদায়ের পরেই রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন রেনশ। অজিরাও যেন খেই হারিয়ে ফেলে! নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় স্কোরের লক্ষ্য থেকে ছিটকে যায় তারা। স্মিথ ২৭, শন মার্শ ১৬, পিটার হ্যান্ডসকম্ব ২২, মিচেল মার্শ ৪, ম্যাথু ওয়েড ৮ রান করে আউট হন। ২০৫ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর হ্যাজেলউডকে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন স্টার্ক।

একাই চারটি উইকেট দখল করেন পেসার উমেশ যাদব। এছাড়া রবিচন্দ্রন অশ্বিন তিনটি ও রবিন্দ্র জাদেজা নেন দু’টি। বাকি উইকেটটি আরেক স্পিনার জয়ন্ত যাদবের।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ভিভ, টেন্ডুলকার আর লারা মিলিয়ে কোহলি 

c1x91son-copy

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : ভিভ রিচার্ডস ছিলেন সত্যিকারের বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান। ব্রায়ান লারা ঠান্ডা মাথার ‘খুনি’ আর ধ্রুপদি ব্যাটিংয়ের অনবদ্য উদাহরণ শচীন টেন্ডুলকার। বিরাট কোহলি তাহলে কেমন? কিংবদন্তি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নের কাছে কোহলি একের ভেতরে তিন! অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা মনে করেন, ভারতের অধিনায়ক ভিভ, লারা আর টেন্ডুলকারের মিশেলে গড়া।

ভারতে প্রথম ক্রীড়াবিষয়ক সাহিত্য উৎসব স্পোরটেলে গিয়েছিলেন ওয়ার্ন। সেখানে গিয়েই তাঁকে কথা বলতে হয় কোহলিকে নিয়ে, ‘বিরাট কোহলি বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটসম্যান। এটা এক রহস্য যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কীভাবে সে এত দ্রুত এতগুলো সেঞ্চুরি করল। তার মধ্যে আছে ভিভ রিচার্ডসের শীতল ঔদ্ধত্য। সে টেন্ডুলকার আর লারার মতো। আমি তার বিরাট ভক্ত, তার খেলা দেখতে আমি পছন্দ করি।’

সর্বশেষ হায়দরাবাদে বাংলাদেশকে একমাত্র টেস্টে হারিয়ে দারুণ এক সাফল্যে ভেসেছেন কোহলি। ভারতের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে জেতেন টানা ছয়টি টেস্ট সিরিজ। এর আগে ২০০৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৯-এর জানুয়ারি পর্যন্ত টানা পাঁচটি টেস্ট সিরিজ জয়ী ভারতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনজন—বীরেন্দর শেবাগ, অনিল কুম্বলে ও মহেন্দ্র সিং ধোনি।

ভারত দলটাই আসলে এখন এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে। ২০১৫ সালে গলেতে শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৩ রানে হারার পর আর কোনো টেস্ট হারেনি তারা। সেবার শ্রীলঙ্কা সফরে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জিতে নেয় ২-১ ব্যবধানে। এরপর ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সিরিজে হারায় ৩-০ ব্যবধানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে আসার পর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও জেতে ৩-০-তে। আর বাংলাদেশের আগে ইংল্যান্ডকে হারায় ৪-০ ব্যবধানে।

কোহলির নেতৃত্বে সর্বশেষ ১০ টেস্টের নয়টিতেই জিতেছে ভারত। কোহলির নেতৃত্বগুণেও মুগ্ধ ওয়ার্ন, ‘অধিনায়ক হিসেবে তার মধ্যে অনেকের গুণের মিশেল আছে। সে আক্রমণাত্মক অধিনায়কও। সে অন্যদের চেয়ে আলাদা।’ সূত্র : জি নিউজ।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

চলে গেলেন ‘মোহামেডানের তুহিন’ 

tt6n48k5-copy

অনলাইন ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : দুরারোগ্য ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই চলছিল এক বছর ধরেই। কিন্তু লড়াইটা খুব বেশি দিন টেনে নিয়ে যেতে পারলেন না মোহামেডানের সাবেক গোলরক্ষক কাজী ইকরামুল বাশার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।

‘তুহিন’ নামে আশি-নব্বইয়ের দশকে ঢাকার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে পরিচিত ইকরামুল বাশার ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের বড় ভাই। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া একমাত্র ছেলেকে রেখে গেছেন।

এই প্রজন্মের অনেকের কাছে ইকরামুল বাশার একটু অপরিচিতই। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের স্বর্ণযুগে দলটির দ্বিতীয় গোলরক্ষক হিসেবে খেলেছেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত মোহামেডানে থেকে অবশ্য খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ তাঁর হয়নি।

এর পর একটা মৌসুম তিনি ফরাশগঞ্জে খেলেছিলেন। তাঁর আবির্ভাবটা এমন সময়ে হয়েছিল যখন ঢাকার ফুটবলে গোলরক্ষক মোহাম্মদ মহসিন, সাঈদ হাছান কানন কিংবা আতিকুর রহমান আতিকরা তখন সেরা ফর্মে। সে সময়ে কেবল মোহামেডানের এক নম্বর গোলরক্ষক সাঈদ হাসান কানন অসুস্থ থাকলে বা চোটে পড়লেই খেলার সুযোগ পেতেন তিনি।

তবে যখনই সুযোগ পেয়েছেন নিজের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিয়েছেন। সে কারণেই তাঁর প্রতি মোহামেডান সমর্থকদের ছিল আলাদা শ্রদ্ধাবোধ ও সহানুভূতি। ইরানি কোচ নাসের হেজাজির অত্যন্ত প্রিয় এই গোলরক্ষকের ক্যারিয়ার সামর্থ্য অনুযায়ী বিকশিত হতে পারেনি কখনোই। সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অনেকটা আক্ষেপ নিয়েই ফুটবল ছেড়েছিলেন তিনি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

ধোনি-স্মিথের সঙ্গে খেলতে মুখিয়ে আছেন ‘মাথাগরম’ স্টোকস 

07

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : সামনেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দশম আসর। হয়ে গেছে নিলাম। এই আসরে পুনে সুপারজায়ান্টসের হয়ে ভারতের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং বর্তমান অজি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের সঙ্গী হয়ে মাঠে নামবেন ইংলিশ অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস। মাঠে নেমেই ব্যাটিং টর্নেডো সৃষ্টি করায় তাকে অনেকেই মাথাগরম ক্রিকেটার বলে সম্বোধন করেন। নিলামে রেকর্ড সাড়ে ১৪ কোটি রুপিতে এই ‘মাথা গরম’ অল-রাউন্ডারকে দলে টেনেছে রাইজিং পুনে।

ধোনি আর স্মিথের সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম শেয়ার করতে পারাটাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন আলোচিত ইংলিশ অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস।

নিজের অনুভূতি সম্পর্কে স্টোকস বলেন, ধোনি ও স্মিথের সাথে খেলতে মুখিয়ে আছি আমি। ধোনি বিশ্বসেরা খেলোয়াড়। স্মিথও তাই। দু’জনের সাথে ড্রেসিংরুম শেয়ার করাটা দারুণ হবে।

এদিকে নিলামের আগের দিন ধোনিকে পুনের অধিনায়কত্বে পদ হারাতে হয়েছে। তার জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দেবেন স্মিথ। জানা গেছে, ফ্র্যাঞ্চাইজির ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা না করায় ধোনিকে সরানো হয়েছে। এমতাবস্থায় এই দুই তারকার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন আরেক তারকা বেন স্টোকস।

নিলামে নিজের দর দেখে চোখ ছানাবড়া স্টোকসের। বলেন, এটি জীবন বদলে দেওয়া অংক। এ ব্যাপারে বলার কোনো ভাষা নেই। রাত সাড়ে ৩টায় অ্যালার্ম দিয়ে আইপিএলের নিলাম দেখতে উঠেছিলাম। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে সমস্যা হওয়ায় টুইটারে দেখি। আমার নিলাম শেষে ঘুমিয়ে পড়ি।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

শ্রীলংকা সফরের আগে চিন্তায় ফিল্ডিং 

3765

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : শ্রীলংকা সফরের জন্য বাংলাদেশ দলের ফিটনেস ক্যাম্প শুরু হচ্ছে আগামীকাল। ঢাকায় চারদিন ক্যাম্প করে ২৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীলংকা যাবে বাংলাদেশ দল। অনুশীলন ক্যাম্পে শেষ দুটি সিরিজের ভুল শোধরানোর জন্য যথেষ্ট সময় পাচ্ছেন না মুশফিকুর রহিমরা।

শ্রীলংকা সফরে টেস্ট দলে ডাক পাওয়া ১৬ জনের মধ্যে তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ সরাসরি দুবাই থেকে শ্রীলংকায় যাবেন। তারা এখন পাকিস্তান সুপার লীগে (পিসিএল) খেলছেন।

সফরে বাংলাদেশের মূল চিন্তা ফিল্ডিং নিয়ে। নিউজিল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে ক্যাচ মিসের মাশুল দিতে হয়েছে। শ্রীলংকা সফরে ফিল্ডিং তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টও সিরিজ শুরুর আগে ফিল্ডিংয়ের দিকে বেশি জোর দিচ্ছে। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ‘কিছুদিন আগেও ছেলেরা ভালো ফিল্ডিং করেছে। কিন্তু সর্বশেষ ম্যাচগুলোতে ক্যাচ বেশি মিস হয়েছে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে ক্যাচ মিস হলেও দ্রুত ফিরে আসা যায়। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে সেটা খুব কঠিন। এখানে আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে। ভালো করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ছেলেরা।’

ভালো ফিল্ডার হিসেবে মাহমুদউল্লাহর সুনাম রয়েছে। বর্তমানে তিনিই সবচেয়ে বেশি ক্যাচ মিস করছেন। সাব্বির রহমান, সাকিব আল হাসানের মতো ভালো ফিল্ডাররাও এই তালিকায় রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে মুশফিকুর রহিমের কিপিং নিয়ে।

প্রত্যেক ম্যাচেই তার হাত থেকে ক্যাচ ফসকে যাওয়া যেন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিপিং নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট মুশফিকের সঙ্গে আলোচনা করতে চায়। কিছুটা ফিটনেস দুর্বলতা এবং অমনোযোগিতার কারণে ফিল্ডিংয়ে এত বেশি মিস হচ্ছে।

শ্রীলংকা সফরের আগে তাই ফিটনেসের দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। ৭ মার্চ প্রথম টেস্ট শুরু হওয়ার আগে ফিল্ডিংয়ের ওপর জোর দিতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। শ্রীলংকা সফরে বাংলাদেশ তিনটি ওয়ানডে এবং দুটি করে টি ২০ ও দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

হেরেও শীর্ষে রিয়াল 

553

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি : লা লিগায় টুর্নামেন্টের ২২তম ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা। বুধবার রাতে মেস্তালায় প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয় রিয়াল। ভ্যালেন্সিয়ার লিগে এটি সপ্তম জয়। হারের পরেও ৫২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষেই রয়েছে রিয়াল।

খেলা শুরুর ৯ মিনিটের মধ্যেই দুই গোল পায় ভ্যালেন্সিয়া। জাজার দর্শনীয় গোলে চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। নবম মিনিটে দ্বিতীয় গোলটির উৎসও জাজাই।

বিরতির আগে বাঁ-দিক দিয়ে মার্সেলোর ক্রসে ১২ গজ দূর থেকে দারুণ হেডে ব্যবধান কমান রোনালদো। লিগে রোনালদোর এটা পঞ্চদশ গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে একের পর এক আক্রমণ করে চলে রিয়াল। শেষে ২-১ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় জিদানের শিষ্যদের।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

মুস্তাফিজকে সাসেক্সের অভিনন্দন 

287

স্পোর্টস ডেস্ক, ২২ ফেব্রুয়ারি : চোট কাটিয়ে সাত মাসেরও বেশি সময় পর টেস্ট দলে ফিরেছেন বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। দীর্ঘদিন পর ‘কাটার মাস্টার’ দলে ফেরায় অভিনন্দন জানিয়েছে ইংলিশ কাউন্টিতে তার দল সাসেক্স ক্রিকেট ক্লাব।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের ভেরিফাইড পেজে মুস্তাফিজের টেস্ট দলে অন্তর্ভূক্তি প্রসঙ্গে সাসেক্স লিখেছে, আমাদের বাংলাদেশি সমর্থকদের শুভেচ্ছা। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে আমরা জানাচ্ছি যে, আমাদের সাবেক ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টে পুনরায় ডাক পেয়েছেন।

মুস্তাফিজ তার সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচটি খেলেছিলেন ২০১৫ সালের আগস্টে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ওটাই ছিল তার অভিষেক সিরিজ। কাটার মাস্টার ইনজুরিতে পড়ার পর ঘরের মাটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ খেলে বাংলাদেশ দল।

উল্লেখ্য, গত বছর প্রথমবারের মতো কাউন্টিতে সাসেক্সের হয়ে খেলতে গিয়ে বাম কাঁধের ইনজুরিটা ফের জেগে ওঠে মুস্তাফিজের। প্রায় ছয় মাস পর ইনজুরি কাটিয়ে মুস্তাফিজ ফিরেছিলেন নিউজিল্যান্ড সফরে। কিন্তু ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামলেও টেস্ট খেলা হয়নি। মানসিকভাবেই ফিট ছিলেন না তিনি। কোমড়েও ব্যথা ছিল খানিকটা। পরবর্তীতে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ থেকে নিজেই সরে দাঁড়ান।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর

কাছে এসেও পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা 

3689

স্পোর্টস ডেস্ক, ২২ ফেব্রুয়ারি : নবম উইকেট জুটিতে ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস ও আন্দিলে ফিকোয়াও ৬১ রান যোগ করেও জেতাতে পারলেন না দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ক্রাইস্টচার্চের হেগলি ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৯০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৯ উইকেটে ২৮৩ রানে শেষ হলো প্রোটিয়াদের ইনিংস। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৬ রানে জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল কিউইরা।

রস টেলরের রেকর্ড-সেঞ্চুরি প্রথমে ব্যাট করা নিউজিল্যান্ডকে এনে দেয় ৪ উইকেটে ২৮৯ রানের ভালো এক সংগ্রহ। টেলরের অপরাজিত ১০২ রানের পাশাপাশি জিমি নিশামের হার না মানা ৭১ ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের ৬৯ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার দিকে ভালো চ্যালেঞ্জই ছুড়ে দেয় নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যান হিসেবে নাথান অ্যাস্টলের পাশে (১৬ সেঞ্চুরি) বসেছিলেন টেলর। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজের ১৭তম সেঞ্চুরিটি তুলে নিয়ে ছাড়িয়ে গেলেন অ্যাস্টলকে। একই সঙ্গে নিজের করে নিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ৬ হাজার রানের কীর্তিও। ইনিংসের শেষ বলে বাউন্ডারি মেরে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডটি নিজের করে নেন টেলর।

নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে খুব বেশি কিছু করার ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের। প্রিটোরিয়াসই ৪০ রানে নিয়েছেন ২ উইকেটে। একটি করে উইকেট নিয়েছেন-ওয়াইন পার্নেল ও ইমরান তাহির।

২৯০ রানের লক্ষ্যে ভালোভাবেই এগিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও ইনিংসের শুরুটা খুব ভালো হয়নি তাদের। দলীয় ২২ রানেই হারাতে হয় ফর্মে থাকা হাশিম আমলাকে। ৫১ রানে ফেরেন ফাফ ডু প্লেসি। তবে তৃতীয় উইকেটে জেপি ডুমিনি ও কুইন্টন ডি ককের ৫৭ রানের জুটি খেলায় ফেরায় প্রোটিয়াদের। পঞ্চম উইকেটে আরও ৬৮ রান যোগ করেন অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ডেভিড মিলার। ডি কক ৭৪ রান করেন। ভিলিয়ার্স ৪৫। ডুমিনি ফেরেন ৩৪ রানে, মিলার ২৮। ৩৬.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯২ রান তুলে বেশ ভালো অবস্থানেই চলে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে হঠাৎই খেই হারিয়ে ২১৪/৮-এ পরিণত হয় তারা। মাত্র ২২ রানের মধ্যে আউট হয়ে ফেরেন এবি ডি ভিলিয়ার্স, ওয়াইন পার্নেল ও ক্রিস মরিস।

পরাজয় যখন প্রায় নিশ্চিত, ঠিক তখনই জ্বলে ওঠেন প্রিটোরিয়াস। মাত্র ২৭ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫০ রান করেন তিনি। ফিকোয়াওকে সঙ্গে নিয়ে ৬১ রান তুলে দলকে জয়ের প্রান্তেই প্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন প্রিটোরিয়াস। কিন্তু ট্রেন্ট বোল্টের বলে প্রিটোরিয়াস বোল্ড হয়ে গেলে হঠাৎ​ জেগে ওঠা আশা শেষ হয়ে যায় সফরকারীদের।

নিউজিল্যান্ডের জয়ে বড় ভূমিকা বোল্টেরই। ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন ৬৩ রানে। ২ উইকেট পেয়েছেন মিচেল স্যান্টনার। একটি করে উইকেট নিয়েছেন ইশ সোধি, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও টিম সাউদি। সূত্র: ক্রিকইনফো।

Share This:

এই পেইজের আরও খবর