২০ আগস্ট ২০১৭
সন্ধ্যা ৭:৩৯, রবিবার

সোনালি ঝলক নিয়ে ফিরলেন মধুবালা

সোনালি ঝলক নিয়ে ফিরলেন মধুবালা 

775

বিনোদন ডেস্ক, ১২ আগস্ট : মধুবালা। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছিলেন চার-পাঁচ-ছয়ের দশকে। তবে এই প্রজন্মের সিনেপ্রেমীদের কাছেও তার আকর্ষণে ভাটা পড়েনি। হিন্দি সিনেমার সাদা-কালো পর্দায় সোনালি ঝলক দেখিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই সোনালি ঝলক ফিরে এলো তার মোমের অবয়বে।

গত বৃহস্পতিবার দিল্লির মাদাম তুসোর মিউজিয়ামে উদ্বোধন হলো মধুবালার মোমের মূর্তি। নায়িকার সবচেয়ে জনপ্রিয় ছবি ‘মুঘল-এ-আজম’-এর আনারকলি রূপেই তৈরি করা হয়েছে মূর্তিটি। ‘মোহে পনঘট পে’ গানের একটি দৃশ্যকে মূর্তির রূপ দেয়া হয়েছে।

মূর্তি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীর বোন মধুর ভূষণ উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি মাদাম তুসো মিউজিয়ামের টুইটার হ্যান্ডেলে সেই মূর্তির ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে।

লন্ডনের মাদাম তুসো মিউজিয়ামের শিল্পীরাই এই মূর্তি তৈরি করেছেন। শিল্পীরা প্রায় ছ’মাস ধরে বার বার ভারতে এসেছেন। মধুবালার পরিবারের লোকেদের কাছ থেকে তার বিভিন্ন ছবি সংগ্রহ করে রীতিমতো গবেষণা করেছেন। তার পরই নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে মোমের মধুবালাকে।

হিন্দি সিনেমার শতবর্ষের ইতিহাসে সেরা সুন্দরী বলা হয়ে থাকে তাকে। তাইতো মৃত্যুর ৪৮ বছর পর আজও মধুবালার স্মৃতি অমলিন।

অন্যতম জনপ্রিয় এই বলিউড অভিনেত্রীর জন্ম ১৯৩৩ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি দিল্লির এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে। তার নাম ছিল মমতাজ জাহান বেগম দেহলভি। জানা গেছে, সংসারে অভাব-অনটনের কারণে খবি অল্প বয়সেই মধুবালা অভিনয়ে যোগ দেন।

মমতাজ জাহান নাম দিয়ে অভিনয় শুরু করলেও অভিনেত্রী দেবিকা রানী তার নাম দেন মধুবালা। মধুবালা শিশুশিল্পী হিসেবে বলিউডে অভিনয় শুরু করলেও মূল নারী চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন ১৪ বছর বয়সে কিদার শর্মার ‘নীলকমল’ ছবিতে রাজকাপুরের নায়িকা হয়ে। ১৯৪৯ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত মাত্র ২৯ বছরের অভিনয় জীবনে প্রায় ৭০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘মুঘল-ই-আজম’ (১৯৬০) মধুবালার জীবনের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র।

কথিত অছে, মধুবালা যখন খুব ছোট তখন এক দরবেশ তাকে দেখে ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন যে, তিনি জীবনে অনেক খ্যাতি অর্জন করবেন কিন্তু সুখী হতে পারবেন না এবং তিনি অকালে মারা যাবেন। ছত্রিশ বছরের জীবনে অতুলনীয় জনপ্রিয়তার অধিকারী এই নায়িকা সত্যিই সুখ পাননি।

Share This:

পাঠকের মতামতঃ

comments

এই পেইজের আরও খবর