২০ নভেম্বর ২০১৭
সকাল ১০:০৫, সোমবার

সকল এসিল্যান্ড গাড়ি পাবে : ভূমিমন্ত্রী

সকল এসিল্যান্ড গাড়ি পাবে : ভূমিমন্ত্রী 

244

ঢাকা, ১৪ নভেম্বর : দেশের সকল সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) গাড়ি পাবেন বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।
সরকারি দলের সদস্য গাজী ম. ম. আমজাদ হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সহকারি কমিশনারদের মাঝে বিতরণের জন্য ইতিমধ্যে ১০০টি গাড়ি কেনা হয়েছে।

একই প্রশ্নের উত্তরে ভূমিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হয়। সরকারি ভূমি উদ্ধারে তাদের মাঝে মাঝে অভিযানও পরিচালনা করতে হয়। সুতরাং তাদের সবারই গাড়ির প্রয়োজন। ইতিমধ্যে ১০০টি গাড়ি কেনা হয়েছে। আরো গাড়ি কেনা হবে। পর্যায়ক্রমে সহকারি কমিশনারদের এই গাড়ি দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের সদস্য নুরজাহান বেগমের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে শহর ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মোট ৩ হাজার ১০০টি ভূমি অফিস নির্মাণ করা হবে।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বেগম পিনু খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে শামসুর রহমান শরীফ বলেন, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের জলসীমায় ২৬টি দ্বীপ এবং এসব দ্বীপে মোট এক লাখ ২৫ হাজার ৩৭০ একর ভূমি জেগে ওঠেছে।
এর মধ্যে নোয়াখালী জেলার জলসীমায় ৫টি দ্বীপ জেগে উঠেছে। দ্বীপগুলো হলো- হাতিয়ার ভাষানচর, স্বর্ণদ্বীপ, চরকবির, চরবন্দনা এবং সুবর্ণচরের রজনীগন্ধা। উক্ত চরসমূহের মোট ৭৫ হাজার ৮৭৪ একর জমি জেগে উঠেছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম জেলাধীন সন্দ্বীপ উপজেলায় দুইটি দ্বীপ জেগে উঠেছে- সেটি হলো ঠেঙ্গারচর ও জাহাজ্জ্যোর চর। এতে আনুমানিক ১৮ হাজার ৯১২ দশমিক ৯০ একর জমি জেগে ওঠেছে।

একই প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার জেলার জলসীমায় ১৯টি দ্বীপ জেগে ওঠেছে। উক্ত চরসমূহে মোট ৩০ হাজার ৫৮৩ একর খাস জমি রয়েছে। এগুলো হলো- কক্সবাজারের বাঁকখালী খরাট চর, উখিয়ার জালিয়াপালং চরপাড়া, টেকনাফের জিনজিরাদ্বীপ, মধ্যহ্নীলা, উত্তর হ্নীলা, শাহপরার দ্বীপ। মহেশখালীর মাতারবাড়ি মৌজা, ধলঘাটা, হাঁসের চর, কালারমারছড়া, উত্তরনলবিলা, আমাবশ্যাখালী, কুতুবজোম, সোনাদিয়া, ঘটিভাঙ্গা, সোনারদিয়ার উত্তরে ঘাটিভাঙা মৌজা এবং হামিদরদিয়া, কুতুবদিয়ায় কৈয়ারবিল, বড়ঘোপ এবং নতুন ঘোনা, পেকুয়ায় করিয়ারদিয়া এবং দুবাইঘোনা।

তিনি আরো বলেন, এসব দ্বীপগুলো এখনো জনশূন্য এবং দ্বীপগুলো সেনাবাহিনীর হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে বসবাসের জন্য এসব দ্বীপে সেনাবাহিনী জরিপ করছে।

Share This:

Comments

comments

এই পেইজের আরও খবর